Friday, July 1, 2022

নিয়ে নিন advance phishing tools যেখানে রয়েছে 35 টি টেমপ্লেট ওয়েব পেইজ।

নিয়ে নিন advance phishing tools যেখানে রয়েছে 35 টি টেমপ্লেট ওয়েব পেইজ।

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি। 

 

আজ আমি দেখাবো একটি মাত্র টুলসটি দিয়ে ৩৫ টি ওয়েবসাইটের ফিশিং লিংক তৈরি করা traditional ওয়েব পেইজ দ্বারা তৈরি করা টুলস।

টুলসটি ওয়েব পেইজ নিখুঁত ভাবে তৈরি করা হয়েছে নরমাল মানুষ বুঝতেই পারবে না যে এইটা ফিশিং পেইজ।

এই টুলসটি সাথে আপনি port forwarding করতে পারবেন আলাদা ভাবে কোন টুলস লাগবে না।

Port forwarding করার জন্য তিনটি অপশন পেয়ে যাবেন।

তো আমরা কম বেশি সবাই ফিশিংর এর জন্য টুলস ব্যবহার করে থাকি যদি পারেন এই টুলসটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। তো বেশি কথা না বলে চলুন দেখে আশা যাক।

বরাবরের মতো আমরা termux কে আপডেট এবং আপগ্রেড করবো ।

pkg update -y

pkg upgrade -y

 

এখন আমরা php প্যাকেজটি ডাউনলোড করবো।

pkg install php -y

এখন আমরা openssh প্যাকেজটি ডাউনলোড করবো।

pkg install openssh -y

এখন আমরা গিট থেকে টুলসটি ডাউনলোড করবো ।

wget -qO- https://ift.tt/ykHgWNQ | bash

এই টুলসটি রান করলে কিছু সময় লাগবে ইনস্টল হতে।

ইনস্টল করার সময় যদি পারেন ngrok এর একটি একাউন্ট তৈরি করে authtoken কি নিয়ে এই বক্সে দিয়ে ইন্টার করবেন।

ইনস্টল হলে এই রকম দেখতে পারবেন।

এখন আমরা টুলসটি রান করবো ।

shark

লিখে ইন্টার দিলে টুলসটি রান হয়ে যাবে।

এখন আমরা Y দিয়ে ইন্টার করবো।

এখন দেখতে পাচ্ছেন ৩৫ টি টেমপ্লেট।

আপনাদের দেখানোর জন্য আমি 9 নাম্বার টেমপ্লেটি সিলেক্ট করলাম।

দেখতে পাচ্ছেন তিনটি অপশন আছে। আপনার যেটা ইচ্ছে সেটাই সিলেক্ট করে নিবেন। ।আমি B সিলেক্ট করে নিলাম। বাকি গুলো আপনার মতো করে নিবেন। আমি সব গুলো N দিয়ে ইন্টার করবো।

বি:দ্র : যখন আপনি যেকোনো একটি অপশন সিলেক্ট করবেন কখন আপনার ফোনের হটস্পটি(Hotspots) অন করে নিবেন ।

দেখতে পাচ্ছেন আমার ফিশিং লিংক তৈরি হয়ে গেলে। এই লিংক আপনি ভিকটিমকে পাঠিয়ে দিবেন।

দেখতে পাচ্ছেন কতটা traditional page এখানে ভিকটিম যা ইনপুট করবে সেটাই আপনি দেখতে পারবেন।

আমি কিছু একটা লিখে নিলাম।

দেখতে পাচ্ছেন আমি যা ইনপুট করছি সেটাই চলে আসচ্ছে। এখানে আপনি ভিকটিমের আইপি ও পেয়ে যাবেন।

 

তো আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

 

The post নিয়ে নিন advance phishing tools যেখানে রয়েছে 35 টি টেমপ্লেট ওয়েব পেইজ। appeared first on Trickbd.com.


দেখে নিন কিভাবে খুব সহজেই ফেসবুক লক আইডি বা গেট স্টার্টেড প্রবলেম এ থাকা আইডি টোকেন এক্সের মাধ্যমে ব্যাক করবেন প্রুফ সহ সম্পুর্ন প্রসেস দেখান হলো

দেখে নিন কিভাবে খুব সহজেই ফেসবুক লক আইডি বা গেট স্টার্টেড প্রবলেম এ থাকা আইডি টোকেন এক্সের মাধ্যমে ব্যাক করবেন প্রুফ সহ সম্পুর্ন প্রসেস দেখান হলো

আসসালামু আলাইকুম

আশা করি সবাই ভালো আছেন।

প্রায় দীর্ঘদিন পর আপনাদের সাথে আবার আমার দেখা। সবাই তো ভুলেই গেছেন মনে হয় 🥺। আশা করি সবাই ভালো আছেন? সালাম নিবেন।

আজকের পোস্টের বিষয় হলো ফেসবুক লক আইডি বা গেট স্টার্টেড প্রবলেম নিয়ে অর্থাৎ যাদের আইডি Approve your login on another computer/ Get a code sent to your email address/ Get a code sent to your phone number/ Enter your birthday/ Identity name of friends সম্যসায় রয়েছেন তাদের জন্য অর্থাএ এগুলোর কিছুর ই এক্সেস নিতে পারতেছেন না তারা কিভাবে খুব সহজে (লিংক ইডিটের মাধ্যমে বা টোকেন এক্সেস করে) ইজিলি আপনার ফেসবুক আইডি ব্যাক করাতে পারবেন।

আজকের ট্রিক্সের বেনিফিটঃ নিচের সব প্রবলেমের ইজিলি সমাধান করতে পারবো।

আজকের পোস্টে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনারা কোন প্রকার এপ্রভ লগ ইন বা ইমেইল/নাম্বার & বার্থডে এক্সেস ছাড়া ই আপনি আপনার প্রিয় সখের ফেসবুক আইডিটা (লিংক ইডিট বা এক্সেস টোকেন) এর মাধ্যমে খুব সহজে ঠিক করতে পারবেন। আমি আপনাদের একদম আইডি ব্যাক (এক্সেস) এনে অর্থাএ প্রুফসহ দেখিয়ে দিবো। আপনারা সবাই জানেন আমি কখনো প্রুফ ছাড়া পোস্ট করি না। সো আজকে ও তার কোন ব্যতিক্রম নয়। সো স্টার্ট

তো চলুন শুরু করা যাক…

১. প্রথমে আপনার ফোনে থেকে Kiwi Browser ব্রাউজার টি ওপেন করুন।

২. তারপর mbasic.facebook.com সাইটে গিয়ে আপনার ফেসবুক আইডিটা লগ ইন করুন।

৪. তারপর Get started তে ক্লিক করুন।

৫. তারপর Next তে ক্লিক করুন।

৬. তারপর Confirm your identity তে এসে উপরে ক্লিক করুন।

৭. তারপর উপরে চিহ্নে চাপ দিয়ে লিংকটি কপি করুন।

৭. তারপর কপি করা লিংকটি নোটপ্যাডে পেস্ট করুন।

৮. তারপর আমার দেওয়া এক্সেস টোকেন এই লিংকটি https://ift.tt/j0Xkz2w কপি করুন।

৯. তারপর মেইন লিংক এর https থেকে token পর্যন্ত চাপ দিয়ে (এক্সেস টোকেন) আমার দেওয়া লিংকটি পেস্ট করুন।

১০. তারপর ফুল লিংকটি ভালো করে কপি করুন।

১১. তারপর ব্রাউজারে পুনরায় এসে লিংকটি পেস্ট করে ইন্টার করুন।

১২. তারপর দেখেন সো হয়ে গেছে কার্ড সাবমিট করার অপশন।

১৩. তারপর নতুন একটি মেইল বসিয়ে Next[/b] তে ক্লিক করুন।

১৪. তারপর ভালো করে ক্লিয়ার ছবি তুলে কার্ড আপলোড করুন।

১৫. এবার দেখুন আলহামদুলিল্লাহ আমি আইডিটা রিকোভার করতে সফল হয়েছি ❤🥰 প্রুফ।

আশা করি সবার খুব ভালো উপকারে আসবে। সবাই ভালো থাকবেন , ট্রিকবিডির সাথেই থাকবেন । ধন্যবাদ 😍😍😍
আল্লাহ হাফেজ ❤

-ফেসবুকের যেকোন সম্যসা সমাধান অর্থাএ Get Started লক, Two Factor Authorities বাইপাস, Upload Your ID (Card Lock), Hacked Account recovery, Facebook ID Running ভেরিফাই ইত্যাদি করার জন্য আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, ইনসাল্লাহ আমি আমার সর্বোচ্চ সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো ❤🥰🔥

ফেসবুক লিংকঃ https://ift.tt/yvSQlo8

The post দেখে নিন কিভাবে খুব সহজেই ফেসবুক লক আইডি বা গেট স্টার্টেড প্রবলেম এ থাকা আইডি টোকেন এক্সের মাধ্যমে ব্যাক করবেন প্রুফ সহ সম্পুর্ন প্রসেস দেখান হলো appeared first on Trickbd.com.


নিয়ে নিন একটি অসাধারণ ভৌতিক গল্প [সেই রাত]

নিয়ে নিন একটি অসাধারণ ভৌতিক গল্প [সেই রাত]

Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । আশা করি পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন । তো বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক

 
বউ ভার্জিন না বাসর রাতেই বুঝতে পারলো রাজু। এই নিয়েই অনেক চিন্তিত সে। নাস্তা না করেই বসে ভাবছে, এটা কি করে হয়। গত রাতই ছিলো রাজুর বাসর রাত । বিয়ে করছে পরিবারের পছন্দমতো।
 
সকালে বর সেঁজে বিয়ে করে বাড়ি ফিরলো রাজু। তার বউ দেখতে অনেক ভালোই লাগলো তার কাছে। রাতে একসাথে রাজু আর তার বউকে দেওয়া হলো। অনেক ভালবাসা আর চাহিদা সব মিলেই দুজনের আশা। রাত হলেই বউয়ের কাছে,,
-আচ্ছা তোমার নাম কি?(রাজু)
-আমার নামও জানেন না? (বউ)
-না! এখন বলো।
-আমার নাম কেয়া।
-আমার মনে ছিলো না হঠাৎ করেই আমাদের বিয়ে তাই আর জানাও হলো না। এখন এই সব বাদ দিয়ে চলো একটু,,,
-এভাবে বলতে নাই, লজ্জা করে।
 
নতুন জীবন তাদের বাসর রাত কাটলো ভালোই। সকালে রাজুর ঘুম ভেঙে গেলো কেয়ার আগেই। কেয়া একপাশে শুয়ে আছে। রাজু বিছানায় কিছু খুঁজতে চেষ্টা করছে। রাজুর মাথায় যেনো আকাশ ভেঙে পরলো। তাহলে কি কেয়া না! রাজু বিছানা ভালো করে দেখলো ভার্জিনের কিছুই পেলো না।
 
রাজু ফ্রেশ হয়ে এসে টেবিলে বসে ভাবছে এখন গত রাতের কথা গুলো। একটু পরই কেয়া ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে আসলো নাস্তা করতে। পরিবারে মা,ছোট বোন আর রাজু নতুন এলো কেয়া।
 
সবাই বসছে নাস্তা করতে। কেয়া একটু হাত বাড়িয়ে রাজুকে নাস্তা দিতে চাইলো রাজু মাথা নেড়ে বুঝালো নাস্তা করার কোন ইচ্ছা না। সবাই কারন জানতে চাইলো রাজু কিছুই বলছে না। সে ভাবছে এটা কি করে হয় কেয়া ভার্জিন না।
 
রাজু নাস্তা না করে টেবিল থেকে উঠে রুমে চলে আসলো। কেয়াও আসলো রুমে, রাজু চুপ করেই আছে। সে ভাবছে কেয়াকে কি জিঙ্গেস করবে নাকি আরো দেখবে।
 
-তুমি কি কিছু নিয়ে চিন্তিত? (কেয়া)
-না, কেনো? (রাজু)
-নাস্তা করলে না। আবার মুখেও চিন্তার ছাপ।
-এমনিই।
 
রাজু ঘরে থেকে বের হয়ে গেলো। সে হাঁটতে হাঁটতে চলে আসলো পার্কে। পার্কের এক পাশে বসে ভেবেই চলছে কেয়ার ভার্জিন কে নষ্ট করলো। যখনই এইসব নিয়ে চিন্তান মগ্ন তখনই পিছনে শুনতে পারলো তার পুরাতন প্রেমিকার আওয়াজ। পিছনে তাকিয়ে দেখে সে তার দিকেই আসছে। রাজুর কাছে আসলো,,,
-রাজু, কেমন আছো? (রিপা)
-ভালো। তুমি? (রাজু)
-ভালোই। এতদিন পর দেখা আর কিছু নিয়ে চিন্তায় আছো দেখছি। (রিপা)
-এমনিই। তা এতদিন পর কোথায় থেকে?
 
-বেড়াতে আসছি। আর তুমি চিন্তায় কি নিয়ে?
-আচ্ছা, ভালোই।
-বলো কেনো চিন্তায়। আমার কথা ভেবে নাকি? আমার কিছু করার ছিলো না, বাবা জোর করে বিয়ে দিয়ে দিছে।
 
-আচ্ছা যা হওয়ার হয়ে গেছে। একটা কথা বলবা?(রাজু)
 
– বলো।
-মেয়ে ভার্জিন কিভাবে বুঝবো?
-আরে একটাই কথা শারীরিক সম্পর্ক করলে রক্ত বের হবেই এতেই বুঝা যায় ভার্জিন হলে। এটা ছাড়া কোন উপায় নাই।
 
রাজু আর কিছু না বলেই উঠে চলে আসলো । বাড়ি ফিরে দেখে কেয়া নাকি তার কোন বান্ধবির সাথে দেখা করতে গেছে।। রাজুর একটু সন্দেহ হলো। রাজু ভাবছে, আজ আসলে জানতেই চাইবে কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক করছে কিনা।
 
কেয়া বাসায় ফিরে এলে রাজু আর কিছু জানতে চায় নাই। আজ রাত গেলেই বুঝবে। কেয়া বাসায় ফিরেই,,
 
-কোথায় গিয়ে ছিলে?(কেয়া)
-কোথাও না বন্ধুদের কাছে।(রাজু)
-তাহলে পার্কে মেয়েটার সাথে কি করলে।
-ওই আমার বন্ধু।
 
কেয়া আর কিছু বলে নি। সারাদিন কেটে গেলো। রাতে আবার শারীরিক কিছু করে রাজু দেখলো কেয়া ভার্জিন না এটা নিশ্চিত। পরেরদিন থেকেই রাজু কেয়াকে এড়িয়ে চলছে। তার সাহসওও নাই কেয়াকে জিঙ্গেস করবে।
 
চাওয়া,না চাওয়া মিলেই রাজু আর কেয়া জীবন চলছে। রাজু জানতে চায় না একারনে তার মা তাকে বিয়ে করিয়েছে এটা নিয়ে যদি মা’র সাথে আবার মনোমালিন্য হয়।
 
বিয়ের ১৫-২০দিন পরই একদিন রাজু অফিস থেকে বাসায় ফিরে দেখে সবাই যেনো কেমন অনেক খুশী খুশী। রাজু ঘরে যেতেই কেয়া রাজুকে জড়িয়ে ধরলো।
-আমাদের নতুন অতিথি আসবে (কেয়া)
-মানে (রাজু)
-তুমি বাবা হবা।
 
রাজু যেনো একটা বড় ধাক্কা খেলো। সে ভাবছে, কেয়া আবার অন্য কারো সন্তান নিয়ে আসে নাই তো। রাজু কিছু না বলে চুপ করেই রইলো।
 
রাজু এখনো জানতে চাইলো না। কেয়ার ভার্জিন কে নষ্ট করছে। রাজু মনে মনে হাজার প্রশ্ন নিয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে। বিয়ে ২মাসে একদিন রাতে ,,
-কেয়া,তুমি কি বিয়ের আগে ভার্জিন ছিলে?(রাজু)
-কেয়া চুপ।
-তুমি ভার্জিন ছিলা?(রাজু)
-হ্যাঁ, এতদিন পর একথা কেনো?(কেয়া)
-তাহলে,,,,
 
যেভাবে বুঝা যায় ভার্জিন কিনা সব কিছু বলে রাজু।
 
-আমি ভার্জিন (কেয়া)
 
আর কিছু না বলে চুপ করে আছে। কেয়া মিথ্যা বলছে তার মুখেই বুঝা যাচ্ছে।
 
আরো একমাস কেটে গেলো। রাজু এবার সিদ্ধান্ত নিলো এই ভার্জিনহীনকে তালাক দিবে। রাজুর মা অনেক বুঝালো। রাজু এক কথা এই বাড়িতে কেয়া থাকলে ও থাকবে না আর ও থাকলে কেয়া থাকতে পারবে না। রাজুর মা আর কি করবে ছেলেকে হারাতে পারে না।
 
রাজু কেয়াকে নিয়ে কোর্টে হাজির হলো। বিচারককে কেয়া বলে সে সন্তানসম্ভবা। রাজু বলে এই সন্তান আমার চাই না। এটা ও মেরে ফেললেও কিছু যায় আসে না, আর রাখলেও। সে শুধু ডিভোর্স চায়।
 
বিচারক বলে এই সন্তান দুনিয়ায় আসার আগ পর্যন্ত ডিভোর্স হবে না। তারপর কেয়া আর রাজু ফিরে আসলো বাড়িতে। একদিন,
রাজু বসে ভাবছে, ভার্জিনহীন মেয়ের সাথে কি করে থাকবে। রাজুর মা কিছুই জানে না। রাজু কেনো কেয়াকে ডিভোর্স দিতে চায়। এটাই জানে রাজুর ভালো লাগে না কেয়াকে। রাজু ভাবনা একটাই বাচ্চা যতো তাড়াতাড়ি দুনিয়ায় আসবে তত তাড়াতাড়ি ডিভোর্স। আজ কয়েকদিন রাজু অফিসেও যায় না। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে ল্যাপটপ নিয়ে বসলো।
 
-তোমাকে কি নাস্তা দেবো? (কেয়া)
-কোন অসতী নারীর হাতের খাবার খেতে চাই না। (রাজু)
 
-আচ্ছা, তোমার বোনই দিয়ে যাবে খেয়ে নিও।
 
রাজু বসে বসে অফিসের কাজ করছে তখনই ছোট বোন সোহানা আসলো নাস্তা নিয়ে।
-ভাইয়া, নাস্তা খাও। আর ভাবি কাঁদছে কেন? (সোহানা)
-জানি না, এবার এখান থেকে যা। (রাজু)
 
সোহানা চলে গেলো। রাজু বাসা থেকে বের হয়ে চললো এয়ারপোর্ট। আজ তার পুরনো বন্ধুরা আসছে বিদেশ থেকে। গত বছরই পড়াশোনা করতে গেছে। রানা এয়ারপোর্ট থেকে দু বন্ধু সিয়াম, রানা তাদের বাসায় দিয়ে আসলো।
 
-ভাবিকে আনলি না যে? (রানা)
-আরে বউকে লুকিয়ে রাখবে তাই (সিয়াম)
-এই সব বাদ দে, বিকালে আমার বাসায় আসলেই সব দেখবি (রাজু)
 
রাজু তাদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলো বাসায়। বাসায় ফিরতেই দুপুর হয়ে গেলো। আসার আগে ভালো করে বাজার করে আনলো রাজু। আজ যে, এতদিন পর বন্ধুরা আসতেছে।
 
রাজুর মা ভালো করে রান্না করলো সিয়াম, রানার জন্য। রাজুর মায়ের হাতের রান্না অনেক পছন্দ ওই দুটার। ছোটবেলা থেকে আসা যাওয়া রাজুর বাড়িতে। আর তিনজন একসাথে খাওয়া ঘুরা তাই সবাই এতোমিল।
 
বিকাল হতে রানা,সিয়াম চলে আসলো রাজুর বাসায়। তারা রাজুর রুমে গিয়ে বসলো।
-কই রে ভাবিকে দেখছি না (রানা)
-এতদিন পিকও দিলি না বললি এসে সামনে দেখতে এখন কই। (সিয়াম)
-এখনই আসছে, তোদের খাবার দিতে। (রাজু)
 
কিছুক্ষণ তারা তিনজন বসে গল্প করছে। তারপর কেয়া আসলো তাদের খাবার দিতে। কেয়া অনেক পরিপাটি করে সাঁজ করে আসছে। এমনেই অনেক সুন্দর।
 
কেয়াকে দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে তারা। রানা, সিয়াম একজনের মুখের দিকে আরেকজন তাকিয়ে আছে। রানা যেনো ভূত দেখছে।
 
-ভাইয়া, আপনারা কেমন আছেন? (কেয়া)
-আমরা ভালো আপনি? (সিয়াম)
 
রানার মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না। রানা সিয়ামকে ইশারা করে বলে যাই।
-আমরা যাই রাজু। (সিয়াম)
-কিরে খাবি না?(রাজু)
-এখন খিদে নাই যাই পরে আসবো। (রানা)
-এত কষ্ট করে মা (শাশুড়ি) রান্না করলো না খেয়েই যাবেন (কেয়া)
 
রানা আর সিয়াম বাড়ি থেকে বের হয়ে চলে আসলো। তারা দুজনই নিরব হয়ে হাটছে।
 
-কিরে, কতদিন আন্টির হাতের খাবার খাই না। চলে আসলি যে? (সিয়াম)
-তোর কিছুই মনে পরে নাই? (রানা)
-না, কোনো? কি হইছে?(সিয়াম)
 
রানা বলে তাহলে চল দুবছর পিছনে যাই। আমরা তিনজন একদিন রাতে পাশের এলাকায় গিয়েছিলাম।
রাজু আর আমরা দুজন।
 
*
-আজ কয়দিন হলো কোন মেয়ে পাই না (রাজু)
-আরে, চল কোথায়ও যাই টাকা দিয়ে (সিয়াম)
-চুপ কর তোরা। (রানা)
 
তারপর তারা হাটঁছে। কিছুদূর যাওয়ার পর দেখলো একটা মেয়ে আসছে। অন্ধকার আর মানুষের চলাচল একদম কম।
 
-সবাই মুখ ঢেকে নে। ভালো করে বেধেঁ নে যাতে কোন ভাবেই না খুলে। (রানা)
-কিন্তু কেনো?(রাজু)
-যা বলছি কর। (রানা)
তারা তিনজনই মুখ ঢেকে নিলো। একটু এগিয়ে গেলো। দেখে মেয়েটা একা দেখতেও অনেক সুন্দর। তারা তিনজন জোর করে মেয়েটাকে ধর্ষন করে রেখে চলে যায়। যদিও মেয়েটা জ্ঞান হারায় নি। রানানা তখন ভালো করে দেখলো যখন মেয়েটা মাটি থেকে উঠে চলো যাচ্ছে *
 
এই ঘটনা ২বছর আগের মনে পরছে। (রানা)
-মনে পরছে। কি হইছে এখন। (সিয়াম)
-আরে, সেই দিনের মেয়েটা আর কেউ না। রাজুর বউই, আমি ভালো করেরে দেখে বলছি। (রানা)
-কি বলিস?রাজু এই মেয়েকে জেনেও বিয়ে করছে। (সিয়াম)
-আরে ও তখন রাতকানা রোগে আক্রান্ত ছিলো। সে রাতে ভালো করে দেখে না। তাই হয়তো বিয়ে করে নিয়েছে। (রানা)
-তাহলে আজকে কেয়া কেনো আমাদের চিনলো না?(সিয়াম)
-মুখ ঢাকা ছিলো সে দিন তাই। এত কথা বাদ দে রাজুকেও বলিস না। আরর ওদের বাড়ি যাওয়া বন্ধ,যাওয়া যাবে না। (রানা)
 
রাজু আর সিয়াম যার যার বাড়ি চলে গেলো। কয়েকদিন দেশে থেকে আবার চলে গেলোলো বিদেশ। এই কয়েকদিনে একবারও যাই নাই রাজুর বাড়ি।
 
রাজু সময় গুনছে কখন বাচ্চা হবে আর কেয়াকে ডিভোর্স দিবে। রাজু যে ভার্জিনহীন মেয়ের সাথে থাকতে চায় না। কয়েক মাস পরই কেয়ার বাচ্চা হবে তাকে হাসপাতাল নেওয়া হলো। ছেলে সম্তান হলো। রাজুর কোন আগ্রহ নাই ছেলের প্রতি।
 
-ডাঃ কেয়া সুস্থ হতে কয়দিন লাগবে? (রাজু)কেয়ার সামনেই।
-এই মনে করেন ১৫-১৬দিন (ডাঃ)
 
-আচ্ছা (রাজু)
 
কেয়া অবাক চোখে তাকিয়ে আছে রাজুর দিকে। সে ভাবছে হয়তো বাচ্চা হয়ে গেলে হয়তো ডিভোর্স দিবে না। রাজু তার আগের কথাই যার ভার্জিন নাই তাকে সে রাখবে না।
 
কেয়া সুস্থ হয়ে গেলে রাজু কেয়াকে বাড়ি না নিয়ে চলে গেলো কোর্টে। কেয়াকে যে ডিভোর্স দিতে হবে।
 
বিচারক বলে এই বাচ্চার সকল খরচ রাজু দিতে হবে। রাজু এ কথা শুনে বলে আমি বাচ্চার বাপ। না। এই বাচ্চা অন্য কারো। আমার কোন আগ্রহ নাই।
 
বিচার জানতে চাইলো এই কেয়াকে ডিভোর্স দেওয়ার কারন কি।
রাজু বলে,,,,
 
জু বলে,,আমার বউ সতী না। আর একে এই কারণেই ডিভোর্স দিতে চাই। আমি এই বাচ্চাও আমি চাই না।
 
বিচারক এবার কেয়াকে জানতে চাইলো রাজুর সাথে কি থাকতে চায়। কেয়া বলে আমাকে চায় না আমি আর কি বলবো আমিও চাই দুজন আলাদা হয়ে যাই ।
 
-বাচ্চাকে রাজু ১লাখ টাকা দিবে আর কেয়া যেহেতু নিজেই চায় ডিভোর্স তাই কেয়াকে কোন প্রকার জরিমানা দিতে হবে না (বিচারক)
-আমার সন্তান আমি মানি না। তাই টাকা ও দিতে পারবো না। (রাজু)
-কেয়া, তুমি কি টাকা চাও বাচ্চার জন্য (বিচারক)
-আমার কিছু লাগবে না। আর বাচ্চাকে যখন চায় ওনি আমি যেখানে থাকি নিয়ে নিলেই হবে (কেয়া)
 
বিচারক রাজু আর কেয়ার ডিভোর্সের সকল কাগজ রেডি করে ফেললো। বিচারক কেয়া আর রাজুকে ডেকে ডিভোর্স কাগজে সাক্ষর করতে বলে। রাজু আর কেয়া তা করলো। দুজনই কাগজে সাক্ষর করে দিলো। তারা এখন আলাদা কারো উপর কেউ কোন অধিকার নাই।
 
কেয়া বাচ্চাটা কোলে নিয়ে কোর্ট থেকে বের হচ্ছে। রাজুও তার পিছনে বের হচ্ছে একটু দূরে। কেয়া যখনই কোর্টের বাহিরে আসলো তখনই,,,
-কেয়া এতদিন পর!কি খবর তোমার।
-তুমি রাহাত এখানে? (কেয়া)
-আমি একটা জমির ব্যাপারে কোর্টে আসছি। (রাহাত)
-নতুন কোন বিয়ে করে নিয়েছো? (কেয়া)
-হ্যাঁ। তুমি (রাহাত)
-কোলে দেখো না? (কেয়া)
-তা ওনি কই? (রাহাত)
-আছে। চলি (কেয়া)
 
কেয়া চলে গেলো। রাহাত অবাক চোখে দেখছে কেয়ার পথ চলা। রাহাত ভিতর যাওয়ার সময়ই ডাক দিলো রাজু।
-এই যে শুনেন। (রাজু)
রাহাত দাঁড়ালো আর রাজুর কাছে আসলো।
-আমাকে ডাক দিলেন যে? (রাহাত)
-একটু কথা আছে তাই। (রাজু)
-বলেন।
-আচ্ছা, একটু আগে মেয়েটার সাথে কথা বললেন তাকে চিনেন? (রাজু)
-আমি না চিনলে কে চিনবে! আরে ও আমার সাবেক স্ত্রী। (রাহাত)
-মানে? (রাজু)
 
-তাহলে শুনেন। এখন থেকে প্রায় ২বছর আগে আমি আর কেয়া প্রেম করতাম। আমাদের প্রেম ১বছর চলার পর। আমার পরিবার বিয়ে করতে চাপ দিতেছিলো। আমার পরিবার কেয়ার মা,বাবাকে বিয়ের কথা বললে আামার কাছে দিতে রাজি হয় নি। আমি তখন কেয়াকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করি। কেয়াকে বিয়ে করার ১মাস পরই কেয়ার বাবা আমার থেকে জোর করে ডিভোর্স নিয়ে নেয়। তারপর আমরা চলে যাই এই শহর ছেড়ে। আমার চাকুরীও হয়ে যায়। আমাদের ডিভোর্স হয়েছে ১০মাস হবে হয়তো। ডিভোর্স করার পরই নতুন বিয়ে করে ফেলি। আপনি কে কেয়ার? (রাহাত)
 
-কেউ না, এমনিই।
 
-আচ্ছা চলি আমার আবার কাজ আছে। (রাহাত)
 
-ঠিক আছে (রাজু)
 
রাহাত চলে গেলো। রাজু বসে ভাবছে তারমানে কেয়া আগে বিয়ে করছে আমাকে বলে নাই একবারও। তাহলে আমি কখনো ডিভোর্স দিতাম না। আমাকে বলছে ভার্জিন মেয়ে। আর ডিভোর্স ১০মাস হলে কি করে হয় এটা যে বাচ্চা। বাচ্চা হতে লাগে ৯মাস। বর্তমানে বাচ্চার বয়স ১মাস। হিসাব মিলছে না।
 
হাসপাতাল গেলে বুঝা যাবে।
 
রাজু চললো হাসপাতাল। কিছুক্ষণ পরই হাসপাতাল চলে আসলো।
-আচ্ছা,আমার বাচ্চা কত দিনে হয়েছে। (রাজু)
-পরিপূর্ণ ৯মাসে কেনো(ডাঃ)
-আমার জানা হয়ে গেছে।
 
রাজু হাসপাতাল থেকে বের হয়ে হাটছে। রাজু ভাবছে এই ১০মাসের ভিতর বাচ্চা হওয়া আবার তার বয়স ১মাস হিসাব মিলে না কেনো।
 
রাজু এইসব ভাবতে ভাবতে চললো বাড়িতে। রাজু বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে শুয়ে পরলো। আজ থেকে ভার্জিনহীন মেয়ে থাকবে না তার পাশে। রাজু নয় ছয় ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরলো।
 
কেয়া কোর্ট থেকে আর মা বাবার কাছে যায় নাই। সোজা ট্রেনে করে চলে আসলো কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম। কেয়ার এক চাচাতো ভাই থাকে তাকে কল দিয়ে নিয়ে যেতে বলে স্টেশন থেকে। কেয়া চট্টগ্রাম পৌঁছে যাওয়ার পর তার চাচা ভাই নিয়ে গেলো বাসায়।
 
রাজু ঘুমানোর কিছুক্ষণ পরই কল আসলো মোবাইলে তাই ঘুম ভেঙে গেছে। মোবাইল হাতে নিয়ে দেখে রানা কল দিছে বিদেশ থেকে।
 
রাজু কলটা ধরলো আজ অনেক দিন পর কল দিছে রানা।
-কিরে কি খবর রাজু (রানা)
-ভালো, তুই? (রাজু)
-ভাবির কি খবর। বাচ্চা হয়েছে?
-হয়েছে।
-কই একটা পিক দে ভাতিজার (রানা)
-আমার কাছে নাই ও।
-নাই মানে?
-আমি ওকে ডিভোর্স দিয়ে আসছি আজকে (রাজু)
-কেনো?
সব খুলে বললো রাজু রানাকে।
 
-আজ থেকে দুবছর আগে কি করছি মনে আছে,একদিন রাতে আমরা তিনজন? (রানা)
-মনে আছে।
 
-তাহলে শুন। সেই দিনের মেয়েটা আর কেউ না ভাবিই। (রানা)
– কি,,,,,,,,
রানা বলে,, সেই দিনের ধর্ষীতা মেয়েটা কেয়া ভাবিই। আমি সে দিন যখন তোর বাসায় গেলাম ভাবিকে দেখে আমি যেনো আকাশ থেকে পরলাম। আমি আর সিয়াম এই কারণেই তোর বাড়ি থেকে চলে আসছি। যদি তুই জেনে যাস। আজ যেহেতু ভাবি আর নাই, তালাক হয়ে গেছে এজন্য বললাম কথা গুলো।
 
রাজু অবাক হয়েই শুনছে রানার কথা। রাজু নিজে কি বলবে বুঝতে পারছে না।
 
রানা আবার বলে,, জানি হয়তো তোর খারাপ লাগছে। তোর যদি রাতে দেখার সমস্যা না হতো তাহলে তুই কেয়াকে বিয়ে করা থেকে বাচঁঁতে পারতি। আমরা যদি থাকতাম তাহলে একটা কিছু হতো। যাক বাদ দে সামনে মাসে আমরা আবার আসতেছি। ভালো দেখে মেয়ে বিয়ে করাবো তোকে। এইবার অনেক মজা করে নাচবো তোর বিয়েতে।
 
রানা আর কিছু বলার আগেই কলটা কেটে দিলো। রাজু শুয়া থেকে উঠে বসে ভাবছে, যদি আগে এই কথা জানতো তাহলে সেই ২বছর আগে করা পাপের পাশ্চিত্ব করতে পারতো। সে ভাবছে, কেয়াকে যে করে হউক সত্যটা বলে তাকে আবার বিয়ে করবে। কিন্তু কেয়া কেনো এইসব লুকালো। কেয়া যদি জানতো আমরা এটা করছি আমাদের বিয়ে টাও হতো। না,যে করেই হউক কেয়ার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিবো।
 
রাজু এই সব ভাবতে ভাবতে কাপড় পরে চললো কেয়ার বাসায়। যেখানে কেয়ার পরিবার থাকে। রাজু ভেবেই চললো আরো দুদিন আগে কেনো বললো না রানা। রাজু সব ভাবনার ছেদ ঘটলো রাজুর বান্ধবী সুমার কলে।
-কিরে, রাজু ভূলে গেলি নাকি? আর কেয়াকে নাকি ডিভোর্স দিয়ে দিলি শুনলাম (সুমা)
-যা শুনলি সব সত্য, এবার তাকে।আবার বিয়ে করবো। (রাজু)
 
-কি এমন হলো? ডিভোর্স দিয়ে আবার বিয়ে করার ইচ্ছা হলো তাও আবার সকালে দিয়ে বিকালে!(সুমা)
 
-এত কথা বলা যাবে না (রাজু)
 
-আচ্ছ থাক বলতে হবে না। আমাদের বাসায় পারলে একবার ঘুরে যাস।
রাজু সুমার কল কেটে চললো কেয়ার খুঁজে। প্রায় ঘন্টা খানেক পর চলে আসলো কেয়ার বাসায়। কেয়ার পরিবার রাজুকে একা দেখে অবাক কেয়া কই জানতে চাইলো। রাজু নিজেও অবাক তাদের কথা শুনে। রাজু বলে,, আজ সকালে ডিভোর্স হওয়ার পরই চলে আসছে এখানে। কেয়ার পরিবার বলে কেয়া আসে নাই। এ কথা শুনে রাজু ভাবতে লাগলো কোথায় যেতে পারে। সবাই কেয়ার খুঁজে এখানে সেখানে কল দিতে থাকলো।
 
কেয়ার চাচাতো ভাই কেয়াকে নিয়ে তার বাসায় রাখলো। চাচাতো ভাই জিহাদ বলতে কোন একদূর সম্পর্কের। কেয়াকে কাজ দিবে বলে আর কোথাও যেতে দেয় না জিহাদ। কয়েকদিন পরই
 
-আচ্ছা, কেয়া এই ছেলে থাকলে কাজ করতে পারবি না। ছেলেটাকে আগে কোথাও থাকার জায়গা করতে হবে। (জিহাদ)
-এতটুকু বাচ্চা কি করবো? (কেয়া)
-এতিমখানায় দিয়ে দিলে তারাই দায়িত্ব নেবে।
-যদি কিছু হয়ে যায়।
-আমার পরিচিত একজন আছে তাকে দিয়ে, দিয়ে আসবো।
-আচ্ছা।
 
কয়েকদিন পরই কেয়ার বাচ্চাটা একটা এতিমখানায় দিয়ে আসলো জিহাদ। কেয়া বাচ্চা রেখে অনেক কষ্ট হচ্ছে তবুও কিছু করার নাই। দিয়ে আসতে হবে যে।
 
কেয়া বাচ্চাটাকে দিয়ে আসলো ১মাস হয়ে গেলো। এখনো কোন কাজ পায় না। কেয়া অনেক কষ্টে বাচ্চাটাকে রেখে থাকছে।
 
রাজু আর কেয়ার পরিবার অনেক খুঁজেও পায় নাই কেয়াকে। কয়েকদিন পরই রাজু গেলো সুমার বাড়িতে। সুমা অনেক বুঝায় নতুন বিয়ে করতে। সুমাও দেখতে খারাপ না। রাজুর মা সুমাকে দেখে পছন্দ করলো। রাজু মা রাজুকে বলে সুমাকে বিয়ে করতে। রাজু না করেরে দেয়। রাজুর মা তারপরও সুমার পরিবারের সাথে কথা বলে রাজুর আর সুমার বিয়ের। রাজু বাধ্য হয়ে সুমাকে বিয়ে করে। বাসর রাতে সুমা বলে আমি সেই কলেজ থেকেই তোমায় পছন্দ করি।
 
বাসর রাত হয়ে গেলো রাজুর কোন মাথা ব্যাথা নেই সুমা কি ভার্জিন নাকি, ভার্জিন না। রাজুর একটাই চিন্তা কেয়ার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।
 
যদিও সুমা ভার্জিন কারন রাজুই সুমার জীবনে প্রথম প্রেম আর বিছার সঙ্গীও। সুমা রাজুর সাথে সম্পর্কের কথা বলেই যাতে বন্ধত্ব না শেষ হয়।
সুমার ভালোবাসাও আজ পেয়ে গেছে। রাজু আর সুমা ভালোই আছে। তাদের জীবনও ভালো চলছে।
 
কেয়াকে নিয়ে একদিন জিহাদ কাজ করবে বলে নিয়ে গেলো একজায়গায়। 
-এই নেন এ হচ্ছে সে যার কথা বলছি (জিহাদ)
-ওকে জিহাদ এই নাও টাকা গুনে দেখো (লোক)
-কিসের টাকা? (কেয়া)
-কিছু না। পুরো ৫০হাজার আছে গেলাম সাহেব (জিহাদ)
 
জিহাদ চলে আসলো টাকা নিয়ে। কেয়া জানতে চাইলো কেনো টাকা নিচ্ছে। জিহাদ কিছু না বলে চলে গেলো। কেয়া আসতে চাইলে লোকটা কেয়াকে নিয়ে গেলো জোর করে ধরে। একটা রুমে নিয়ে আটকে দিলো কেয়াকে। কেয়া বুঝতে পারলো জিহাদ কেয়াকে বিক্রি করে দিছে।
 
কেয়াকে একটা রুমে আটকানোর পর। রাত হতে দেখলো কেয়ার রুমে একটা লোক আসলো।
-কে আপনি? আমাকে ছেড়ে দেন। (কেয়া)
-আজ তুমি রাতের জন্য আমার তুমি জানো (লোক)
-কি?
 
লোকটা কেয়াকে জোর করে ধরে শারীরিক সম্পর্ক করলো। সারারাত লোকটা বাধ্য করে কেয়াকে সম্পর্ক করতে। সকাল হতেই লোকটা চলে গেলো। কেয়া ওই রুমেই বন্ধী ।
 
রুমে সকল কিছুই আছে। কেয়াকে সময় মতো খাবার দেওয়া হয়। সারাদিন বিরতি রাতে হয়তো কোন জানোয়ার আসবে কেয়া ভাবছে।
 
সন্ধ্যা হতেই কেয়া দেখলো দরজায় কেউ আসছে। বুঝতে পারলো নতুন কেউ ভোগ করবে শরীর।
 
ভিতরে লোকটা ঢুকলো। কেয়া লোকটাকে দেখে থমকে গেলো।
-শেষ পর্যন্ত পতিতা?
কেয়া বলে আজ আমি পতিতা তোমার কারনে। আমার জীবনটা গেলো তোমায় ভালবেসে।
 
রাহাত চুপ করে শুনছে কেয়ার কথা।
কেয়া আরো অনেক কথা বলছে।
-এখানে কি করে আসলে? (রাহাত)
-তোমাকে বিয়ে করে আজ আমার জীবন এমন হয়েছে। ২য় বিয়ে হওয়ার পর যখন বাচ্চা আসলো তখন আমিও বুঝতে পারছি এই বাচ্চা তোমারই। আর এই সব কিছু মিলিয়ে তালাক দিলো রাজু। তারপর নতুন শহরে নতুন মানুষ এখানে নিয়ে আসলো ভাগ্য। (কেয়া)
 
রাহাত আর কিছু না বলে। বলে চলো বিছানায় পুরাতন সেই জিনিস আবার পাবো ভাবিনি।
-এই তোমার আসল রুপ। ভালবাসার মানুষকে! (কেয়া)
-দেখো টাকা দিয়ে নিয়েছি সারারাত। এখানে টাকা দিয়ে সব পাওয়া যায়। (রাহাত)
 
কেয়া অসহার মতো তাকিয়ে আছে রাহাতের দিকে। রাহাত কোন দিক না ভেবেই কেয়াকে নিয়ে চলে গেলো বিছানায়। কেয়ার সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করলো।
 
সকাল হতেই নিথুর দেহ ফেলে চলে গেলো রাহাত। কেয়ার শরীরে শক্তি যেনো কিছুই নাই। এভাবেই চলছে কেয়ার পতিতার জিবন।
 
রাজু আর সুমা জীবন ভালোই কাটাচ্ছে। রাজু রোজই খুঁজে বেড়ায় কেয়াকে। তার কাছে একটু ক্ষমা চাওয়ার জন্য।
 
কয়েক মাস পরই সুমার বাচ্চা হবে। রাজুর পরিবারও সুমার পরিবার অনেক খুশী। রাজু কেয়াকে প্রায় ভূলেই গেছে। কেয়াকে আর খুঁজে না রাজু। রাজুর জীবন ভালোই চলছে। চাকুরী আর পরিবার এই যেনো এক সুখ রাজ্য। একদিন রানা কল দিলো রাজুকে,,,
-রাজু কেমন আছস? (রানা)
-ভালো, তুই?(রাজু)
-আমি আর সিয়াম বাচঁবো না মনে হয়।
-কেনো? কি হয়েছে?
-আমাদের দুজনের শরীরে HIV ধরা পরছে। ডাক্তার ৬মাস বাচঁবো বলছে।
 
এই কথা বলেই কেঁদে দিলো রানা। রানা বলতে থাকে আমাদের পাপের শাস্তি মনে হয়। এখানের একটা পতিতালয় গিয়েছি সিয়াম আর আমি । কয়েক মাস আগে ডাঃ বলছে ওই পতিতালয়ের কয়েক জন নারী নাকি এইস আক্রাতন। আমরা শেষ।
 
রাজু কলটা কেটে সে নিজেও কান্না করছে। প্রিয় বন্ধুরা আজ মরনের পথে। কয়েক দিন পরই রানা আর সিয়ামের লাশ দেশে নিয়ে আসলো। তাদের পরিবারও যেনো দুঃখের সমুদ্রে ভাসছে। তাদের মাটিও দেওয়া হলো কুমিল্লা শহরেই।
 
কেয়ার জীবনই বন্ধী চার দেওয়ালে। কেয়া পতিতালয় থেকে বের হতে চাইলে তারা বলে ৫০হাজার দিয়ে কেউ কিনে নিলেই মুক্তি পাবে।
 
কেয়া আল্লাহর কাছে শুধু বলে আল্লাহ য করে হউক এই জাহান্নাম থেকে রক্ষা করো। দিনরাত একটাই চাওয়া এখান থেকে মুক্তি। কেয়া তার ছেলের কাছে যেতেও খুব ইচ্ছে। একদিন রাতে, 
মদ খেয়ে হেলেধুলে আসলো একজন লোক। কেয়া দেখে ভয় পাচ্ছে একটা মাতাল লোক তার সাথে আজকে।
 
-এই মেয়ে এখানে কি করস। আমার কাছে আয় আদর করবো। (লোক)
– না, মানে না,,,,, (কেয়া)
– কাছে আয় বস। ভয় পাওয়ার কিছু নাই।
 
কেয়া আস্তে আস্তে লোকটার কাছে আসলো। কেয়া দেখছে তাকে কিছু করতে চাওয়ার আগ্রহ নাই লোকটার।
 
-এখানে বসো।
কেয়াও লোকটার পাশে বসলো।
-দেখতে ভালোই এ কাজ কেনো করো? (লোক)
কেয়া চুপ করে আছে। কেয়ার কাছে আবার জানতে চাইলো।
 
– কেয়া তার জীবনের সকল কিছু বললো। এবার কেয়া লোকটার কাছে জানতে চাইলো পতিতালয় কেনো আসে।
 
লোকটা বলতে শুরু করলো।
– আমি বিয়ে করেছিলাম কয়েক বছর আগে। বিয়ের পর আমাদের জীবন ভালোই ছিলো। বিয়ের এক বছর পরই আমার একটা মেয়ে হয়। আমার বউটা আমাকে ও আমার মেয়েকে রেখে চলে যায় এক প্রেমিকের সাথে। আমার টাকা পয়সার অভাবও ছিলো না। বউকে অনেক ভালবাসতাম। তারপর চলে গেলো বাচ্চাটাকে এখন নিজেই কষ্ট করে লালন পালন করি।
 
কেয়া দেখলো লোকটা এই সব বলতে বলতে কেঁদে দিচ্ছে। কেয়া নিজেও কাঁদছে কারন কেউ ভালবাসা পায় না আর কেউ পেয়েও হারায়। সবই যে সময়ের পরিণতি।
 
– আচ্ছা, আমি যদি এখান থেকে মুক্তি দেই। তাহলে কি যাবে? (লোক)
-অবাক হয়েয়ে কেয়া বলে হ্যাঁ যাবো।
-একটা শর্তে নিয়ে যাবো মানবে?
-কেয়া ভাবলো যেখানে মৃত্যুর সাথে বেঁচে আছে আর কি হবে।আমি রাজি। 
-আগে নিয়ে যাই তারপর বলবো।
 
লোকটা টাকা দিয়ে কেয়াকে মুক্তি দিয়ে নিয়ে গেলো তার বাড়িতে।
-আমার শর্ত শুনবে না? (লোক)
-বলেন সব করতে রাজি (কেয়া)
-আমার নাম মামুন। এই যে বিশাল বাড়িটা এটাই আমার। আমরা বাপ মেয়েই থাকি আর কেউ নাই দুনিয়ায়।
-এখানে কাজ করতে হবে তাই তো?
-আমি চাই এই বিশাল বাড়ির রাণী করে রাখতে তোমায়।
 
-কি?
-আমি বিয়ে করতে চাই। কিছু লাগবে না। আমার মেয়ে আর আমাকে খেয়াল আর ভালবাসলেই হবে।
 
কেয়া নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছে না যেনো।
-আমার ছেলেকেও নিয়ে আসবো তাহলে। (কেয়া)
-এখনই নিয়ে আসবো চলো (মামুন)
 
কেয়া আর মামুন গেলো এতিমখানায়। ওখানে গিয়ে শুনে কেয়ার ছেলেটা কয়েক মাস আগেই মারা গেছে। কেয়া কান্না করতে করতে চলে আসলো।
 
বাড়িতে এসে মামুনের মেয়েটাকে কোলে নিয়ে কেয়া অনেক কান্না করলো।
-আজ থেকে একেই মেয়ের মতো বড় করবো (কেয়া)
-আমিও তা চাই। এবার চলো কাজি অফিসে বিয়ে করে আসি। (মামুন)
-হ্যাঁ ।
 
মামুন কেয়াকে অনেক গহনা দিলো আর কেয়াও সব ঠিক ঠাক লাগিয়ে চললো গাড়ি করে কাজী অফিস। তারা বিয়ে করে নিলো। মামুন আর কেয়াও অনেক ভালো আছে।
 
একদিন কেয়া বাড়িতে মেয়েকে খাবার খাওয়াচ্ছে তখন,,,,
 
বাড়ির দারোয়ান দৌড়ে এসে বললো
-মেডাম, একজন লোক আসছে আপনার কাছে। তাকে কি নিয়ে আসবো বাড়ির ভিতরে?
-আবার ডাকাত হবে নাতো?কি কাজ ভাল মনে হলে নিয়ে আসবে। (কেয়া)
-ভয় পাওয়ার কি আছে। স্যার, এই বন্দুক দিয়েছে কি জন্য আমাকে। একটা গুলি দিয়ে উড়িয়ে দেবো।
-আচ্ছা যাও, ভাল মতো জেনে নিয়ে আসবে।
-ওকে মেডাম।
 
দারোয়ান বাড়ি থেকে বের হয়ে গেইটে গেলো। এই যে সাহেব আসেন। তার আগে এখানে দাঁড়ান আপনাকে চেক করতে হবে। দারোয়ান লোকটাকে চেক করে নিয়ে আসলো বাড়ির ভিতরে।
 
কেয়া মেয়েকে এখনো খাবার খাওয়াচ্ছে। টেবিলের দিক থেকে রুমের দরজা উল্টা দিকে। কেউ এসেই তাদের চেহারা দেখতে পারে না।
কেয়াকে না দেখেই,
-মেডাম, আমি অনেক দিন চাকুরী খুঁজতেছি। আপনাদের কোম্পানিতে একটা চাকুরী নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করতেছি। আপনি যদি স্যারকে বলে চাকুরীটা দিতেন অনেক উপকার হতো। (লোক)
 
-আমি চাকুরী দেওয়ার কে? আপনার যোগ্যতা থাকলে চাকুরী পাবেন। আর বেশি দরকার হলে বাড়ির কাজ করতে পারেন। (কেয়া)
 
-আমার চাকুরী খুব দরকার।
 
কেয়া এবার মেয়েকে খাওয়ানো বাদ দিয়ে পিছনে ঘুরে তাকিয়ে অবাক।
 
-আরে তুমি এখানে? (রাহাত)
-আমি এখানে মানে? এই বাড়ির মালিক এখন (কেয়া)
-আরে, এখানেও পাতিতার কাজ নিয়েছো নাকি?
 
-করিম মিয়া(দারোয়ান) কি দেখো? ওকে এখনই মেরে বের করে দাও।(কেয়া)
 
-দিচ্ছি মেডাম বলেই করিম মিয়া রাহাতের কলার ধরে ধাক্কা দিলো। রাহাত কোন রকম দারোয়ানের হাত ছুটে দৌড়ে এসে। কেয়ার পায়ের কাছে বসে পরলো।
 
-আমার চাকুরী খুব দরকার। আমি ব্যবসায় অনেক লস খেয়ে পথের ভিখারি। মেডাম চাকুরীটা খুব দরকার। আমার পরিবার খুব কষ্টে আছে (রাহাত)
 
-করিম মিয়া তোমার চাকুরী কি হারাতে চাও নাকি।কেয়া এ কথা বলতেই করিম মিয়া রাহাতকে ধরে বাড়ির বাহিরে নিয়ে গেলো। রাহাত তারপরও বাড়ির ভিতর যেতে চাইলো। করিম মিয়া আর কোন পথ না দেখে। রাহাতকে হাতের বন্দুকটা দিয়ে কয়েকটা লাগিয়ে দিলো করিম মিয়া। মেরে করিম মিয়া বাড়ির বাহিরে বের করে দিলো।
 
রাহাত বাড়ি থেকে বের হয়ে হাটঁছে চাকুরীর খুঁজে।
 
কেয়া মেয়েকে খাবার খাইয়ে শুয়ে ভাবছে। আজ মানুষের পরিণতিই এখানে এনে দাঁড় করিয়েছে। কেয়া ও মেয়ে শুয়ে ঘুমিয়ে পরলো।
 
কয়েক মাস যেতেই সুমার বাচ্চা হওয়ার সময় হলো। রাজুও সুমাকে নিয়ে চিন্তিত। রাজু সুমাকে নিয়ে চলে আসলো হাসপাতালে।
 
-ডাঃ সুমাকে অপারেশন থিয়েটারের নিয়ে গেলো। সুমাকে অজ্ঞান করার ইনজেকশন দিলো। সুমার বাচ্চা হওয়ার সব কিছু দেখাশোনা করছে ডাঃ ইবা।
 
সুমার পেট কাটা হলো বাচ্চা বের করতে। ডাঃ ইবা অনেক কষ্টে বাচ্চা নিয়ে আসলো। আর বাচ্চা হওয়ার সময়ই সুমার জরায়ু কেটে গেলো। ডাঃ ইবা হতাশা নিয়ে কেবিন থেকে বের হলো।
 
-রাজু সাহেব, একটা সুখবর আর দুঃসংবাদ আছে। (ডাঃ ইবা)
 
-বলেন (রাজু)
 
-আপনার ছেলে হয়েছে। আর আপনার স্ত্রীর জরায়ু কেটে গেছে তাই এখন জরায়ু কেটে ফেলে দিতে হবে পরবর্তীতে আর কখনো মা হতে পারবে না। আর জরায়ু বেশিক্ষণ থাকলে রক্তক্ষরণ হয়ে মারা যাবে। এখন কি করবো?(ডাঃইবা)
 
-যেমন করে হউক আমার স্ত্রীকে বাচান। (রাজু)
 
আচ্ছা ঠিক আছে বলে ইবা চলে গেলো। আর সুমার জরায়ু অপারেশন করে ফেলে দিলো। কিছু করার ছিলো না। সুমা ও তার ছেলে ভালোই আছে ।
 
একদিন কেয়া কাজ করছে তার শরীর যেনো কেমন লাগছে। কেয়া তাড়াতাড়ি গর্ভবতী কিনা টেষ্ট করলো। টেষ্টও বলছে হ্যাঁ, কেয়া গর্ভবতী। মামুনের সাথে বিয়ের ৮মাস পর আজ সে গর্ভবতী হলো। এই আনন্দের খবর মামুনকে দিলো। মামুন তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরছে অফিস থেকে।
 
আসার সময় মামুন গাড়ি এক্সিডেন্ট করে। কিছুক্ষণ পরই কেয়া কাছে হাসপাতাল থেকে কল আসে।কেয়া জানতে পারে মামুন আর বেচেঁ নাই। কেয়া শুনা মাত্র একটা চিৎকার দিয়ে জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে পরে যায়।
মামুনের লাশ আনা হলো বাড়িতে প্রায় ২ঘন্টা পর। কেয়ার জ্ঞান ফিরছে। কেয়া ভেবেই চলছে তার জীবনে সুখ বেশী সহ্য হয় না। কেয়া এবার নিজেকে পৃথিবীতে বেঁঁচে থাকাই যেনো অর্থহীন মনে করছে। মামুনের ছোট ভাই আর মা চলে আসলো অন্য শহর থেকে। কেয়া জানে না, মামুনের মা, ভাই আছে। মামুনকে মাটি দেওয়া হয়ে গেলো পারিবারিক করবস্থানে। পরের দিন সকালে কেয়া মেয়েটাকে নিয়ে বসে নাস্তা খাওয়াচ্ছে তখনই। মামুনের মা এসে বলে এই বাড়িতে কি বসে খাওয়ার জায়গা। কেয়া যেনো আকাশ থেকে পরলো, নিজের বাড়িতে নিজেকেই জবাব। কেয়া কোন উওর না দিয়ে মেয়েটাকে রুমে রেখে তাদের সামনে আসলো। মা বলে, এই বাড়িতে তোমরা থাকার কে? এখনই বাড়ি ছেড়ে চলে যাও। কেয়া বলে,আমাদের বাড়িতে আপনারা কে?আমরাই থাকতে পারবো আপনারা চলে যান। কেয়া কথা শুনা মাত্রই মামুনের ভাই কেয়াকে মারতে থাকলো। কেয়ার চিৎকার শুনে মেয়ে সুমি তাড়াতাড়ি এসে কেয়াকে জড়িয়ে ধরলো। মেয়ের চোখে পানি দেখে কেয়া আর কিছু বললো না।
 
কেয়া রুমে বসে ভাবছে এখন কি করবে। কিছুক্ষণ পরই মামুনের ভাই এসে বলে এখনই মেয়ে নিয়ে বের হয়ে যা। কেয়া চুল ধরে মেঝেতে ফেলে দেয়। কেয়া কিছু না ভেবে মেয়েটাকে নিয়ে থানায় চলে আসলো আর মামলা করলো মামুনের মা,ভাইয়ের নামে। কেয়াকে বসিয়ে রেখে মামুনের ভাইকে খবর দিলো। মামুনের ভাই এসে জায়গা জমিনের কাগজ নিয়ে আসে আর থানায় দেখায়। থানার পুলিশ দলিল দেখে বলে এই সব কিছু মামুন ভাইয়ের নামে করে দিছে অনেক আগেই। কেয়া কি করবে সব পথ বন্ধ।
 
কেয়া থানা থেকে বের হতেই মামুনের ভাই এসে বলে,,ভাবি ভাই যখন মাতাল ছিলো তখনই একটা প্রয়োজনীয় কাগজ বলে সব সম্পদের দলিলে সাক্ষর করিয়ে নেই। তাই তোমরা এখন রাস্তায় থাকবে।
 
কেয়া আবার গেলো বাড়িতে মেয়ের সব কিছু নিয়ে আসলো আর আসার সময় কেয়ার নামে যে ব্যাংক একাউন্ট করা ওটার কাগজ নিয়ে আসে। কেয়া মেয়েকে নিয়ে সোজা চলে গেলো ব্যাংকে। কেয়া কিছু না জেনেই একাউন্ট থেকে ৫হাজার টাকা নিলো। তা নিয়ে চলে আসলো একটা বস্তিতে। ছোট একটা রুম ভাড়া নিলো। প্রয়োজনীয় সব কিনে আনতে টাকা শেষ। কেয়ার মনে পরলো একাউন্টে কত টাকা আছে তা জানা হলো না। পরের দিন মেয়েকে নিয়ে একটা চেক লিখে নিলো ১০হাজার টাকার। টাকাও পেয়ে গেলো। এবার ম্যানেজারকে বলে এই একাউন্টে কত টাকা আছে। কেয়া শুনে বিশ্বাসই করতে পারলো না, মামুন গত ১বছরেরই তার নামে ৫০লাখ টাকা রাখছে। কেয়া যেনো আলাদিনের প্রদীপ পাওয়ার মতো অবস্থা। ১০হাজার টাকা নিয়েই চলে আসলো বাসায়। মেয়েকে নিয়ে কেয়া খাওয়া দাওয়া করে বসে ভাবছে কি করে দাঁঠানো যায় আবার।
 
সুমা এখনো হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে। কয়েকদিন পরই সুমার ছেলে যা কিনা সদ্য কিছুদিন হলো জন্ম নিলো এর ভিতরই তার একটা রোগ হয়ে গেলো। ডাঃ ইবা ছেলেটাকে ভালো করে পরীক্ষা করলো। 
-রাজু সাহেব, কয়েকদিন ছেলে দেখলাম আজ একটু অসুস্থ দেখে ছেলেটার রক্ত পরীক্ষা করা হলে একটা রোগ ধরা পরলো । (ডাঃ ইবা)
-কি হইছে আবার ওর?(রাজু)
– আপনার ছেলের ব্লাড ক্যান্সার।
রাজুর উপর যেনো আকাশ ভেঙে পরলো। আর কখনো সন্তান হবে না সুমার তার উপর আবার ছেলেটার এই অবস্থা।
 
-ভালো হবে না?(রাজু)
– আমার এক বন্ধু ডাঃ রেজা তার কাছে যান ঠিকানা দিয়ে দিচ্ছি।
 
রাজু ঠিকানা নিয়ে পরেরদিন ডাঃরেজার কাছে গেলো। ডাঃ রেজা কয়েকদিন চিকিৎসা করার পর রাজুর ছেলেটা মারা গেলো। সুমা এখন পাগলের মতো হয়ে গেছে।
 
রাজু অনেক কষ্ট পেলো সারাজীবন আর বাবা হতে পারবে না। আরেকটা বিয়েও সম্ভব নয় 
কারন যে মেয়েটা নিজের জীবন দিয়ে দেওয়ার মতো হলো একটা সন্তান জম্ম দিতে গিয়ে।
 
রাজু এবার ভাবছে সুমাও খুশী হবে যদি কেয়ার সন্তান যেটা রাজুর বলে ছিলো। ওটা এনে দিলে হয়তো এখন ছেলেটা একটু বড় হয়েছে। কয়েকদিন পর সুমাকে রেখে রাজু চললো চট্টগ্রাম কেয়ার খুঁজে। কেয়া চট্টগ্রাম তা জানতেতে পারে আরো আগে সিয়ামের কাছ থেকে। রাজু চট্টগ্রাম এসে কেয়াকে খুঁজে চলছে।
 
রাজু কেয়াকে অনেক খুঁজে আর পায় নাই। আর সন্তানও পেলো না। রাজু একটা এতিমখানা থেকে ছোট একটা বাচ্চা নিয়ে আসলো লালন-পালন করতে। রাজু ভেবেই চলছে, তখন যদি ভার্জিন না খুঁজতাম তাহলে সবই থাকতো। এতিম ছেলে সুমা ও রাজু অনেক ভালোই আছে।
 
কেয়া অনেক ভালো করে ভেবে সেই টাকা দিয়ে একটা ছোট গার্মেন্টস দিলো, তাতে কয়েকটা মেশিন ও লোকক নিয়ে ব্যবসা শুরু করলো। কয়েক মাস পর কেয়ার ঘরে একটা ছেলে হলো। কেয়ার মেয়ে,ছেলে আর ব্যবসা ভালোই কাটছে জীবন। কয়েক বছর কেটে গেলো কেয়া ব্যবসার লাভের টাকায় একটা বাড়িও করলো। ব্যবসাও অনেক বড় হয়ে গেলো। এখন কেয়ার আগের মতো বিলাস বহূল জীবন। বাড়ি গাড়ি সববই হলোলো কেয়ার।
 
 
সমাপ্তি
 
 
 
০১৯১০৫৪৭৮২৪ 

  তো আজকে এই পর্যন্তই । মানুষ মাত্রই ভুল হয় । তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আপনি চাইলে এই লিংক এ ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে  আমার সাথে যোগাযোগ করবেন । 

The post নিয়ে নিন একটি অসাধারণ ভৌতিক গল্প [সেই রাত] appeared first on Trickbd.com.


GTA Vice City [Full] ভার্সন ডাউনলোড করে নিন Android এর জন্য 😍

GTA Vice City [Full] ভার্সন ডাউনলোড করে নিন Android এর জন্য 😍

গত পোস্ট এর  GTA San Andreas এর মত Fully Working ফাইল নিয়ে হাজির হলাম আমাদের সকলের প্রীয় আরেকটি গেম
GTA Vice City যার ফুল ভার্সন টি Playable

gta vice city

এখানে পিসি ভার্সন এর সব মিশন, সব গাড়ি, সব বাইক পাবেন। গ্রাফিক্স হাই করে দিলে ফোন এর গেম হিসেবেও অনেক ভালোভাবে এবং স্মুথ ভাবে খেলা যায়। 

বরাবর এর মত এবারো গেম টি আমি আমার ব্যাক্তিগত দুইটি ডিভাইস এ চেক করেছি

যার প্রথমটি Redmi Note 8 Pro এবং অপরটি Huawei Nova 2i যা যথাক্রমে Android 11 ও Android 8 ভার্সন এ রান করে।

আমরা এখনো অনেকেই এগুলো ভার্সন এর মধ্যেই ব্যাবহার করি তাই আশা করি কারো কোনো সমস্যা হবে না খেলতে ।

আর সমস্যা হলেও কমেন্ট সেকশন তো রয়েছেই। জানাবেন যে কি সমস্যা তাহলে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো তা Fix করার। 

তো মূল পোস্ট এ যাওয়া যাক ।

Download Section

GTA Vice City Apk [7.9 MB]

GTA Vice City OBB File  [988.3 MB]

[২ জিবি এর কম সাইজ হওয়ায় দুটো ফাইল ই টেলিগ্রাম এ দিয়ে দিলাম। ডাউনলোড করতে বা  পরবর্তীতে সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন]

gta vice city

** APK ফাইল টি ইনস্টল দিয়ে আগেই গেম চালু করবেন না। zArchiever দিয়ে ডাউনলোড করা OBB ফাইল এর Zip টি এক্সট্রাক্ট করে ফোন এর Internal Storage এর android ফোল্ডার এর ভিতরে থাকা obb ফোল্ডার এর ভিতরে রাখবেন। তারপর গেম টি চালু করবেন।

gta vice city android mobile

** প্রথবার চালু হতে কিছুক্ষন সময় নিতে পারে।

gta vice city android mobile

** গেম চালু হয়ে গেলে নিজের মনের মত Controll , Graphics সেটিং দিয়ে খেলতে থাকুন ।

*** গেমটি স্মুথ এবং প্লেয়াবল, গ্রাফিক্স হাই করে দিলে আপনি মুগ্ধ হতে বাধ্য । [আপলোড দেয়ায় Compression এ ভিডিও তে কিছুটা Less Smooth মনে হতে পারে ] 

যারা যারা GTA San Andreas নিয়ে পোস্ট টি দেখেন নি তারা এখানে ক্লিক করুন।

*** GTA San Andreas এর Android ভার্সন এ চিট অ্যাপ্লাই করার পোস্ট টি খুব শীঘ্রই করবো। ট্রিকবিডি ফলো করলে অবশ্যই পেয়ে যাবেন পোস্ট। ততক্ষন পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ রইলো। 😍

তো আজকের পোস্ট টি এ পর্যন্তই।  সবার সুস্থতা কামনা করছি। আল্লাহ হাফেজ 🥰

ফেসবুক এ আমি

 

 

The post GTA Vice City [Full] ভার্সন ডাউনলোড করে নিন Android এর জন্য 😍 appeared first on Trickbd.com.


এখন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই গুগলের জিমেইল ব্যবহার করা যাবে | ফেসবুকে আপনার নিজের প্রোফাইলে ৬০ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপ আপলোড করে মাসে ২৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করুন।

এখন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই গুগলের জিমেইল ব্যবহার করা যাবে | ফেসবুকে আপনার নিজের প্রোফাইলে ৬০ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপ আপলোড করে মাসে ২৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করুন।

আজকে পোস্ট এর মধ্যে থাকছে ফেসবুকে নিচ প্রোফাইলের মধ্য দিয়ে এখন আয় করা যাবে টাকা কিন্তু কিভাবে জানাবো সেটা।
সেই সঙ্গে থাকছে ইন্টারনেট ছাড়াই এখন ব্যবহার করা যাবে জিমেইল তাহলে আর দেরি না করে মূল টপিকে চলে যাই।
তাহলে প্রথমেই আসি ফেসবুকের কাছে।

ফেসবুক তো রাইট নাও তাদের ইউজারদের জন্য একটা নতুন আপডেট নিয়ে চলে এসেছে সেটা হচ্ছে প্রফেশনাল মোড।
যেটা অলরেডি ইউজারদের মধ্যে একটা ক্রেজিনেস তৈরি করে ফেলেছে।
এন্ড বলা হচ্ছে এই আপডেটের ফলে প্রত্যেকটা ফেসবুক একাউন্ট ফেসবুক পেজের মত দেখাবে, এবং ফেসবুক একাউন্ট কিংবা প্রোফাইল থেকে টাকা ইনকাম করা যাবে।

এখন প্রশ্ন হল ফেসবুক প্রফেশনাল মুডটা আসলে কি?
আসলে ফেসবুকের প্রফেশনাল মুড টা অনেকটা instagram এর ক্রিয়েটর মোডের মত। এটি আপনার ফেসবুক প্রোফাইল কে অনেকটা পেজের মতো কনভার্ট করে দিবে।

এবং ফেসবুক পেইজে আমরা যেসব টুলস দেখতে পাই।
ফেসবুক প্রফেশনাল মুড চালু করার ফলে। আপনার ব্যক্তিগত প্রোফাইলেও সেম টুলস গুলো দেখতে পাওয়া যাবে।


এবং আপনার অ্যাকাউন্টটা যখন প্রফেশনাল মুডে চলে যাবে, তখন আপনি রিলস প্লে বোনাস প্রোগ্রাম পাবেন।

যার মাধ্যমে আপনি ৬০ সেকেন্ডের ছোট ছোট রিলস ভিডিও আপলোড করে সেগুলোর ওপর ভিউ এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।

অ্যান্ড জানা গিয়েছে এই রিলস ভিডিও আপলোড করে এবং ভিউয়ার্স এর মধ্যে দিয়ে আপনি প্রতি মাসে প্রায় ৩৫০০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন।

এখন প্রশ্ন হলো প্রফেশনাল মুডটা কিভাবে চালু করতে হয়?
প্রথম সমস্যা হল ফেসবুক এখনও সবার জন্য এই প্রফেশনাল মোড টি উন্মুক্ত করে দেয়নি।।


তাই সবার একাউন্টে এই আপডেট আসবে না, সেজন্য অবশ্যই অপেক্ষা করতে হবে। ফেসবুক নিজেই জানিয়েছে ধীরে ধীরে সব একাউন্টে এই প্রফেশনাল মুড টি সচল করে দেয়া হবে।

আর এটি চালু করার জন্য কোন নির্দিষ্ট সেটিং ও নেই যারা এই প্রফেশনাল মোডের জন্য এনোবল, সেইসব অ্যাকাউন্টে এই ফিচারটি চালু হয়েছে এবং তাদের কাছে ফেসবুকে ইতিমধ্যে নোটিফিকেশনও পাঠিয়ে দিয়েছে।

একচুয়ালি ফেসবুক এই স্ট্যাটাজি টা সাজিয়েছে টিক টককে টেক্কা দেয়ার জন্য, কারণ লাস্ট ইয়ার tiktok এর এপ্লিকেশন প্রায় তিন বিলিয়ন মানুষ ডাউনলোড করেছে।

এখন আপাতত প্রফেশনাল মুডে শুধুমাত্র এই রিলস ভিডিওগুলো ভিউয়ার্সের উপর টাকা ইনকাম করার সিস্টেমটা বহল থাকলেও পরবর্তীতে হয়তো এমনও হতে পারে। ওই ভিডিওগুলোতে এড রেভিনিউ এর ওপরেও আপনি ইনকাম করতে পারেন।

এবার আশি জিমেইলের কাছে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেইলিং সার্ভিসগুলোর মধ্যে অনন্য অবস্থানে আছে জিমেইল। গত বছরের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কর্মক্ষেত্রে আর ব্যক্তিগত কাজে বিশ্বের ১৮০ কোটি মানুষ জিমেইল ব্যবহার করেন। জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে এবার গ্রাহকদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো গুগলের ই-মেইল সেবাদাতা অ্যাপ জিমেইল। ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত না থেকেও এখন থেকে জিমেইল ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকরা।


১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ব্যক্তিগত কিংবা কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনে একসময় মাইক্রোসফটের ইয়াহু মেইল সেবার ব্যবহার ছিলো তুঙ্গে। ইয়াহু মেইলের আধিপত্য থাকলেও সহজে গ্রাহক বান্ধব হওয়ায় ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গুগলের জিমেইল এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

বর্তমানে গুগলের এই ইমেল সার্ভিস ইমেল ক্লায়েন্ট মার্কেট শেয়ারের প্রায় ১৮ শতাংশের মালিক। শুধু তাই নয় বিশ্বের প্রায় প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ তাঁদের মোবাইল ডিভাইসে প্রতিনিয়ত জিমেইল সার্ভিস ব্যবহার করেন। জিমেইলের এই জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই গুগল অফলাইনে জিমেইল সার্ভিসের সুবিধে দেয়ার কথা জানিয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার টেক জায়ান্ট মাউন্টেন ভিউয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, জিমেইল ব্যবহারকারিরা এখন থেকে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও তাদের মেইলের মেসেজগুলো পড়তে পারবেন। এছাড়াও ইন্টারনেট ছাড়াই জিমেইল দিয়ে মেইল পাঠানো, বা ইনবক্সে মেইল খোঁজার কাজও করতে পারবেন। জিমেইলে এ এই ফিচার যুক্ত হলে মেইল সার্ভিসের জগতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। কম কানেক্টিভিটি বা ইন্টারনেট নেই, এমন স্থানে বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মেইল পরিষেবা এতে সুফল পাবে।


এই সার্ভিস অ্যাক্টিভেট করার কাজও খুব সহজ, কয়েকটি সামান্য সেটিংসের পরিবর্তন করলেই ব্যবহারকারীরা অফলাইনে মেইল করা বা পড়ার কাজ করতে পারবেন।

প্রথমে mail.google.com এ যেতে হবে। google জানিয়েছে অফলাইন মেইল সুবিধা শুধুমাত্র গুগল ক্রোমে কাজ করবে। এবং শুধুমাত্র তখনই কাজ করবে ব্যবহারকারীরা নরমাল মুডে ব্রাউজ করবেন কোন হিডেন মুডে নয়।

এবার ইনবক্সে গিয়ে সেটিংস অপশনে ক্লিক করতে হবে সি অল সেটিংস এ ক্লিক করতে হবে। নতুন পেজ খুললে অফলাইনটাবে ক্লিক করতে হবে।
এবার চেক বক্সে এনেবল অফলাইন মেইল অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর জিমেইলের তরফে নতুন একটি সেটিংস অপশন খুলে যাবে।

এরপর জিমেইলের সাথে অফলাইন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কত দিনের ইmail দেখতে চান সেটি সিলেক্ট করতে হবে।
google এবার কম্পিউটারে নির্দিষ্ট জায়গার পরিমাণ দেখাবে। এছাড়াও কম্পিউটারে অফলাইনের ডাটা রাখা। বা কম্পিউটার থেকে সব অফলাইন ডেটা মুছে ফেলার অপশনও দিবে।

উপরের অপশনটি পছন্দ অনুযায়ী বেছে নেওয়ার পর সেভ চেঞ্জস অপশন এ ক্লিক করতে হবে। এরপর সাথে সাথেই কম্পিউটারে অফলাইন জিমেইল সার্ভিস শুরু হয়ে যাবে। আমার পরবর্তী পোস্ট হবে কিভাবে মাত্র ২০০ টাকায় ১.৫ হাজার ভিউস এবং ২৫ ঘন্টা ওয়াচ টাইম আপনার ইউটিউব ভিডিওর জন্য নিবেন।
তো এই পোস্টটি যদি আপনারা চান তাহলে খুব দ্রুতই করবো মতামত দিবেন কমেন্ট বক্সে


Free fire id for sale low price🥶🥶
Price 4.5k
All cheracter
6 Evo guns upgradeble
AK level 4, Mp40 level 4, Ump level 4, M10 level 4, Xm8 level 3,Scar level 3
M1887 golden glare, EMOTE 47, Entry emote 9 ,Green criminal bundle, Boyday lenged bundle, Cobra legend bundle, Rempage legend bundle ,Rempage book 5 open, Gloowall 18 ,Greand 27 ,Urgent sell I need money ok
Contract Facebook: https://www.facebook.com/profile.php?id=100082330167187

আজকের মতো এই ছিল, পরবর্তীতে ইনশাল্লাহ আবারো হাজির হবো নতুন কোন টেক রিলেটেড কিংবা মুভি রিলেটেড গল্প নিয়ে।
সেই পর্যন্ত ট্রিকবিডির সঙ্গেই থাকুন ধন্যবাদ। ❤

The post এখন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই গুগলের জিমেইল ব্যবহার করা যাবে | ফেসবুকে আপনার নিজের প্রোফাইলে ৬০ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপ আপলোড করে মাসে ২৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করুন। appeared first on Trickbd.com.


Thursday, June 30, 2022

আপনার ফেসবুক আইডিকে সুরক্ষিত রাখার কয়েকটি গুরুত্বপূণ টিপস

আপনার ফেসবুক আইডিকে সুরক্ষিত রাখার কয়েকটি গুরুত্বপূণ টিপস

আপনি কি আপনার ফেসবুক আইডিকে সুরক্ষিত করতে চান?–তাহলে আমার লেখা আজকের আটিকেলটি আপনার জন্য । আপনারা এই আটিকেলটি পড়ে এবং অনুসরণ করে আপনার ফেসবুক আইডিকে অনেকটা সুরক্ষিত করতে পারবেন । আশা করছি আপনারা সম্পূণ আটিকেলটি পড়বেন । ভালো লাগলে লাইক দিবেন ও কমেন্ট করে আপনার মতামত ব্যক্ত করবেন । তো চলুন জেনে নেওয়া যাক ।

বতমানে ফেসবুক আইডিকে হ্যাকারদের থেকে নিরাপদ রাখতে হলে অবশ্যয় আপনাকে নিজ দায়িত্বে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে । বতমানে হ্যাকারের সংখ্যাও বেড়ে গেছে । তারা অনেক কৌশলে আইডিকে Access করে নিচ্ছে । তারপর তারা কিছু সাধারণ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে যার ফলে আপনি আর আইডিকে নিজের দখলে করতে পারছে না । আগে কিছু ফেসবুক বন্ধুদের সাহায্যে এরুপ আইডি ফিরিয়ে আনা যেত । এখন সেটিও বন্ধ করে দিয়েছে ফেসবুক কতৃপক্ষ । তাই এখন আমাদেরকেই ফেসবুক আইডির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে ।

আপনার ফেসবুক আইডিকে সুরক্ষিত করতে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন তা নিম্নরুপ ::

১। ফেসবুক আইডিতে জিমেইল যুক্তকরণ ;
২। কঠিন পাসওয়াড দেওয়া;
৩। ২ স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করা;
৪। প্রোফাইল লক করা ;
৫। প্রতিটি লগইনে ইমেইল সিস্টেম ।

এই ৫টি উপায়ে আপনি আপনার ফেসবুক আইডিকে ৯০% সুরক্ষিত রাখতে পারবেন । আর বাকি ১০% ফেসবুক প্রশাসকের হাতে । কারণ তারা চাইলে আপনার কাজকে পযালোচনা করে আপনার ফেসবুক আইডি লক ও ডিলেট করে দিতে পারে । বেশিরভাগ সময় অন্যদের দ্বারা রিপোট খাইলে এরকম হয় । উপরে উল্লিখিত ৫টি পদক্ষেপ সম্পকে যৌক্তিক আলোচনা করা হলো ।

১। ফেসবুক আইডিতে জিমেইল যুক্তকরণ ::

আমাদের বেশিরভাগ মানুষের ফেসবুক আইডিতে জিমেল যুক্ত করা থাকে না । ফলে হ্যাকাররা সহজেই নিজেদের দখলে নিতে পারে । জিমেইল আইডি যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার আইডি শতকরা ৫০% সুরক্ষিত হলো । তাই আমাদের যাদের আইডিতে জিমেইল যুক্ত নেই তারা জিমেইল যুক্ত করে ফেলুন । তবে যেকোন জিমেইল যুক্ত করবেন না । চালু আছে ও আপনার ফোনে লগ ইন করা আছে এরুপ জিমেইল যুক্ত করুন । আর যুক্ত করার পর অবশ্যই তা ভেরিফাই করে নিবেন ।

২। কঠিন পাসওয়াড দেওয়া ::

আমাদের বেশিরভাগ মানুষের ফেসবুক আইডিতে সহজ পাসওয়াড দেওয়া থাকে । এই অভ্যাস পরিহার করতে হবে । তবে এমন পাসওয়াডও দেওয়া যাবে না যা মনে রাখা কঠিন । পাসওয়াডের ভিতরে বিরামচিহ্ন ব্যবহার করুন । একটি আদশ পাসওয়াডের উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো :
My.n@me,is%Muhit

৩। ২-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করা ::

~~ হ্যাকাররা যদি আপনার একাউন্টে প্রবেশ করে এবং আইডিতে ২-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু থাকে তবে হ্যাকারদের আইডি Access করতে প্রচুর সময় লাগে । আর এই প্রচুর সময়ের মধ্যে আপনার ফেসবুক আইডির পাসওয়াড পরিবতন করা এবং অন্য সকল ডিভাইস থেকে আইডি লগ আউট করা সহ অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে আইডিকে রক্ষা করতে পারবেন ।

৪। প্রোফাইল লক করা ::

প্রোফাইল লক করার অনেক সুবিধা রয়েছে । হ্যাকাররা আপনার প্রোফাইল থেকে অনেক গুরুত্বপূণ তথ্য পেয়ে থাকে । প্রোফাইল লক করার ফলে অন্য কেউ সে সকল তথ্য আর পায় না । ফলে আইডি Access করতে পারে না । প্রোফাইল লক না করেও আপনার কিছু তথ্যকে Privacy কে Only me হিসেবে লুকিয়ে রাখতে পারেন যার ফলে তথ্যগুলো আপনি ব্যতিত অন্য কেউ দেখতে পারবে না । যে সকল তথ্য আপনি লুকিয়ে রাখবেন সেগুলো হলো :: মোবাইল নম্বর, জন্মদিন, ইমেইল ইত্যাদি ।

৫। প্রতিটি লগইনে ইমেইল সিস্টেম ::

এই পদ্ধতিতে আপনার আইডি লগইনের চেষ্টা করলেই আপনার যুক্ত করা জিমেইল একাউন্টে ইমেইল চলে যাবে । আইডিকে রক্ষা করার এটি একটি উৎকৃষ্ট উপায় ।

আজ আমার পক্ষ থেকে এগুলোই ছিল । সবাইকে ধন্যবাদ ।

The post আপনার ফেসবুক আইডিকে সুরক্ষিত রাখার কয়েকটি গুরুত্বপূণ টিপস appeared first on Trickbd.com.