Saturday, January 25, 2020

ফেসবুক লাইটে Dark Mode ব্যবহার করুন [ HoT Post ]

ফেসবুক লাইটে Dark Mode ব্যবহার করুন [ HoT Post ]

আসসালামু আলাইকুন, আশা করি সবাই ভালো আছেন, আমিও ভালো আছি |

আর কথা বাড়াবো না কাজের কথায় আসি ।

আজকের পোষ্টটি হলে ফেসবুক লাইট সম্পর্কে|ফেসবুক লাইট ডার্ক মোড করবেন কিভাবে সেটাই আজ আমি এই পোষ্ট এ দেখাবো|

গুগল ক্রোম,টুইটার,মেসেঞ্জার ডার্ক মোড করা গেলেও ফেসবুক লাইড ডার্ক মোড করার কোনো অপশন দেয়নি ফেসবুক|

কিন্তু কাল যখন আমি ফেসবুক লাইড এপটি ঘাটাঘাটি করতেছিলাম,তখন এই ফিচারটি(ডার্ক মোড) আমার চোখে পড়ে|
তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি|

তো,,এর জন্য আপনাকে ফেসবুক লাইট এর অফিসিয়াল latest version টা ডাউনলোড করতে হবে,,আশা করি প্লে-স্টোর এ পেয়ে যাবেন,,সমস্যা হবে না|Beta version টা ডাউনলোড করবেন,,,এতে নতুন ফিচার গুলো সবার আগে পাবেন,,এর জন্য প্লে-স্টোর এ গিয়ে Facebook lite লিখে সার্চ করতে হবে,অতঃপর,Scroll down করে নিচে এসে Beta version এ জয়েন করতে হবে,,,

কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর দেখতে পাবেন যে আপনি বেটা টেষ্টার হয়ে গেছেন,,
তারপর এপটি ডাউনলোড দিন,,
এপ ডাউনলোড করার পর বেটা তে জয়েন করলে আবার আপডেট চাবে,,তাই আগে বেটা তে জয়েন করুন,তারপর ডাউনলোড করবেন|

দেখুন,,অন্যান্য সবার মতো আমার আইডি টাও সাধারন আছে,,

3 ডট অপশনে যান,,

scroll down করে নিচে আসুন,,



Settings এর পাশে যে arrow বাটন আছে সেখানে ক্লিক করুন,,

নিচে দেখুন Dark Mode নামে একটা অপশন আছে,,

ক্লিক করুন,,

দেখুন,,ডার্ক মোড হয়ে গেছে,,

(বিঃদ্রঃ Arrow button টা থাকলে হবে,,চেষ্টা করে দেখুন,,কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন|না বুঝে কমেন্টে অযথা কথা বলবেন না|আর তাও যদি না হয়,তবে নতুন একটা আইডি খুলুন,,তাহলে icon গুলা এমন হবে,,ফিচার টি পাবেন আশা করি|আবারও বলছি সব আইডির ক্ষেত্রে হবে না|নিচের ছবিটির মতো হলে পাবেন না|)

তো,,আজ এই পর্যন্ত,,
দেখা হবে আবার,,নতুন কোনো post নিয়ে|
ততদিন ভালো থাকুন,,সুস্হ থাকুন,,

The post ফেসবুক লাইটে Dark Mode ব্যবহার করুন [ HoT Post ] appeared first on Trickbd.com.


Saturday, January 18, 2020

[Hacking]ইমেইল স্পুফিং করুন ইচ্ছামত,কেউ বুজতেও পারবে না।শুধুমাত্র মজার জন্য ব্যবহার করবেন

[Hacking]ইমেইল স্পুফিং করুন ইচ্ছামত,কেউ বুজতেও পারবে না।শুধুমাত্র মজার জন্য ব্যবহার করবেন

 

ইমেইল স্পুফিং। অনেকেই হয়তো এই ব্যপারে জানেন।এটি হলো যেকারো ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করে যেকোনো ইমেইল একাউন্টে মেসেজ করা এবং তা একদম কোনো এক্সেস ছাড়াই।

 

আসলে এইটি একটি পেইড সিস্টেম।মূলত,কিছু সংস্থা,হ্যাকাররা এই সিস্টেম এ এক্সেস দেয় তাদেরকে একটি পেমেন্ট করার পর।

কিন্তু ট্রিকবিডি মেম্বারদের জন্য আমি এটি একদম ফ্রি নিয়ে এলাম।

তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে দেখিয়ে দেই কিভাবে আপনিও ইমেইল স্পুফিং করবেন।

 

তবে বিশেষ কথা হলো দয়া করে কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার করবেন না।শুধু বন্ধুদের সাথে মজা করবেন।যদি আপনি কোনো সমস্যায় পড়েন তবে আমি বা ট্রিকবিডি কোনো ভাবেই দায়ী থাকব না।

 

তাই প্রথমে সাইতে যান:https://n0tf0ound.000webhostapp.com/

 

এবার দেখতে পারবেন কিছু অপশন আসছে আপনার সামনে।

১.From বক্সে দিবেন যে এড্রেস থেকে মেইল পাঠাতে চাচ্ছেন

২.To বক্সে দিবেন যেই এড্রেসে স্পুফিং করতে চান

৩.Subject যেকোনো দিবেন

৪.Massage আপনার ইচ্ছামত টাইপ করবেন

এবার আপনার মেইল করার জন্য রেডি।

এখন Send বাটনে ক্লিক করবেন।

এবার দেখুন ট্রিকবিডি এর রিয়েল মেইলে আমার ইমেইল এড্রেসে মেইল চলে এসেছে।

মেইল্টি খুললাম।দেখুন একদম সেই মেইল্টি।যেটি আমি আমার সাইট থেকে পাঠিয়েছিলাম।

আর মেইল ৩-৫ সেকেন্ডের মধ্যে সেন্ড হবে।আর এই মেইল স্পাম ফোল্ডারে যাবে না।১০০% সেইফ এন্ড সিকিউর।

 

আশা করি ভালো লাগবে।ধন্যবাদ।আশা করি খুব তাড়াতাড়ি আরো টিউটোরিয়াল নিয়ে আসব ধন্যবাদ।

 

The post [Hacking]ইমেইল স্পুফিং করুন ইচ্ছামত,কেউ বুজতেও পারবে না।শুধুমাত্র মজার জন্য ব্যবহার করবেন appeared first on Trickbd.com.


নিয়ে নিন চরম একটি App এখোন আপনার শরীর যে কোন অংশ X-ray করে দেখতে পারবেন

নিয়ে নিন চরম একটি App এখোন আপনার শরীর যে কোন অংশ X-ray করে দেখতে পারবেন



আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও
ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে যে বিষয়টি শেয়ার করবো তা
হয়তো টাইটেল দেখেই বুঝে গেছেন।কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক :

আসুন জেনে নেই এই Apps টির সর্ম্পকে

  • এই Apps টির নাম Real X-ray Simulator
  • এই App টি মাএ 15.4 Mb
  • এই টিতে প্রথমে আপনাকে ডাওনলোড করতে হবে। তারপর আপনাকে এই App টি চালু করতে হবে।তারপর আপনী আপনার মোবাইলের দিয়ে আপনি আপনার শরিলের যে অংশটি X-ray করতে চান সেই অংশটি Camra দিয়ে ছবি তুলতে পারবেন।এবং X-ray করে দেখতে পারবে
  • এই টিতে প্রথমে আপনাকে ডাওনলোড করতে হবে। তারপর আপনাকে এই App টি চালু করতে হবে।তারপর আপনী আপনার মোবাইলের দিয়ে আপনি আপনার শরিলের যে অংশটি X-ray করতে চান সেই অংশটি Camra দিয়ে ছবি তুলতে পারবেন।এবং X-ray করে দেখতে পারবেন।

    এবার জেনে নিন এই টি কেন আপনার প্রয়োজন

    আমরা সবাই খেলাধুলা করতে পছন্দ করি।
    তাই আপনাদের জেন কোন সমস্য না হয় সেজন্য এই App টি নিয়ে এলাম।
    মনে করেন আপনি ফুটবল বা ক্রিকেট খেলছেন তখন খেলতে খেলতে যদি আপনার শরীলের যে কোন একটি অংশতে আঘাত পেলেন তখন আপনী কি করবেন ।
    তখন আপনার কাছে যদি এই App টি থাকে তাহলে আপনি আপনার আঘাত পাওয়া স্তানে X-ray করে দেখতে পারবেতখন আপনার কাছে যদি এই App টি থাকে তাহলে আপনি আপনার আঘাত পাওয়া স্তানে X-ray করে দেখতে পারবেন।

    তো আর দেরি কিসের এখুনেই app টি নিচের লিংক থেকে ডাওনলোড করে নিন :
    Downlod This App

    নিচে কিছু Ss দেখে নিন :


    ধন্যবাদ পোষ্টি কষ্ট করে পড়ার জন্য।পোষ্টটি ভাল লাগলে লাইক,কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন।সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর Informbd তে বেশি বেশি ভিজিট করবেন ধন্যবাদ পোষ্টি কষ্ট করে পড়ার জন্য।পোষ্টটি ভাল লাগলে লাইক,কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন।সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন

    আল্লাহ হাফেজ

The post নিয়ে নিন চরম একটি App এখোন আপনার শরীর যে কোন অংশ X-ray করে দেখতে পারবেন appeared first on Trickbd.com.


Students এর জন্য দারুন ১০টি এপ্স যা আপনার ১০০% উপকারে আসবে

Students এর জন্য দারুন ১০টি এপ্স যা আপনার ১০০% উপকারে আসবে

1. Focus Booster: সকালে ঘুম থেকে উঠা থেকে শুরু করে সারাটাদিন তোমার কেমন গেল তার বিস্তারিত বর্ণনা দিবে  এই এপপ্স টি। যার থেকে এই তথ্য গুলির ভিত্তিতে তুমি তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারবে।

লিংক

2. Forest: এই এপপ্স টি চালু করলে একটি গাছকে বেড়ে উঠতে দেখা যায়। এটি যখন চালু থাকে তখন তোমার মোবাইল বা হাতের স্মার্টফোন টি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।কারণ ব্যবহার করলে গাছটি মরে যাবে। এই এপপ্স টি সাধারণ তো তাদের জন্য উপকারী যারা মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে।

লিংক

3. HeadSpace: এই এপপ্স টি আপনাকে ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম এ অনেক সাহায্য করবে। যোগ ব্যায়াম মানুষের রাগ কমাতে সাহায্য করে,স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি করে ,এবং সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

লিংক

4. Panda focus mode: এটি এমন একটি এপপ্স যা তুমি যখন তোমার ব্রাউজারে নতুন উইন্ডো ওপেন করবে তখন তোমার বাকি থাকা কাজ গুলার একটি তালিকা দেখাবে। তখন তোমার ফেলে থাকা কাজগুলো দেখলে তুমি সেগুলা খুব সহজে করতে পারবে।

লিংক

5. NOISLI: বিভিন্ন সুমধুর শব্দ ও সংগীত দিয়ে এই এপপ্স টি তোমার মনকে আত্মমধুর করে তুলবে এবং সাথে সাথে তোমার মনোযোগ বৃদ্ধি করবে।যখন তোমার মন ভালো থাকবে না বা তুমি যখন রাতে ঘুমাতে যাও তখন এটি তোমার অনেক উপকারে আসবে।

লিংক

6. Noizio: এটিও সাধারণত Noisli এর মত কাজ করে। এই এপপ্স টি বিভিন্ন সুমধুর শব্দ করে মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

লিংক

7. Brain Fm:এই এপপ্স এ বিভিন্ন চ্যানেল রয়েছে তোমার বিভিন্ন কাজে সাহায্য করতে। তোমার মনোযোগ বৃদ্ধি করতে কৃত্তিম ভাবে এই এপপ্স টি তৈরি করা হয়েছে।

লিংক

8. Freedom: এই এপপ্স টি তোমাকে প্রোগ্রাম,এপপ্স, এমনকি ব্রাউজার থেকে তোমাকে ব্লক করে রাখতে সাহায্য করবে ।যার ফলে কাজে তোমার মনোযোগ বজায় থাকে। মনোযোগ বাড়াতে এই এপপ্স টি একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

লিংক

9. Hocus Focus: এই এপপ্সটি তোমার মোবাইলে যেই এপপ্স গুলা ব্যাবহার করার প্রয়োজন নেই সেগুলা ব্লক করে রাখে যাতে তুমি যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করো তখন এটি এপপ্স গুলাকে ব্যবহার করতে নিরুসাহিত করে। এতে তোমার কাজে আরো মনোযোগ আকর্ষণ হয়।

লিংক


10. Self Control: এই এপপ্স টি আনস্টল করলে বা মোবাইল বন্ধ করে রাখলেও এপপ্স টি চলতে থাকে।এপপ্স টি বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো অপেক্ষা করা।আর এভাবেই এপপ্স টি আপনার ধৈর্য এবং মনোযোগ দুটি বৃদ্ধি করে।

লিংক

ধন্যবাদ

The post Students এর জন্য দারুন ১০টি এপ্স যা আপনার ১০০% উপকারে আসবে appeared first on Trickbd.com.


{Hot Post}এখন থেকে Andriod ইউজাররা পিসির মত ফোনের যে কোনো জায়গায় ভিডিও গান চালান।না দেখলেই মিস

{Hot Post}এখন থেকে Andriod ইউজাররা পিসির মত ফোনের যে কোনো জায়গায় ভিডিও গান চালান।না দেখলেই মিস


আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সবাই ভাল আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে খুব ভাল আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে আবারও হাজির হয়েছি নতুন কিছু নিয়ে তাহলে চলুন আর দেরি না করে শুরু করা যাক


আজকে আমি Andriod ইউজারদের জন্য অসাধারন একটি Apps নিয়ে এসেছি।এটি মাধ্যমে আপনারা ফোনের যে কোনা জায়গায় পিসির মত ভিডিও গান চালাতে পারবেন
Apps Name=s Player
Apps Size=3MB
প্রথমে Apps টি Download করে নিন Download Link click here to download

ব্যাবহারের নিয়ম

*apps টি Download করে Open করার পর এই রকম দেখতে পারবেন

এবার আপনি এখান থেকে যেকোনো একটি ভিডিও সিলেক্ট করুন।এবার নিচের Sshot এর মত মার্ক করা জায়গায় ক্লিক করুন


এবার নিচের মত উপরে বামদিকে মার্ক করা জায়গায় ক্লিক করুন

তারপর এই রকম দেখতে পাবেন

এবার Player ক্লিক করে নিচের Sshot এর মত সবগুলা অন করে দিন

এবার Home বাটন টিপে কেটে দিন।দেখুন আপনার ফোনের Home Screen এ গানটি চলছে


এবার আপানার ফোনের যে কোনো জায়গায় ঢুকলেও গানটি চলবে।গানটি বন্ধ করতে গানটির উপরে ক্লিক করে Cross করে দিন
আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।পোষ্টটি কেমন লাগল অবশ্যই জানাবেন।
সবাই সুস্থ থাকবেন
***আল্লাহ হাফেজ***

The post {Hot Post}এখন থেকে Andriod ইউজাররা পিসির মত ফোনের যে কোনো জায়গায় ভিডিও গান চালান।না দেখলেই মিস appeared first on Trickbd.com.


Wednesday, January 15, 2020

API আসলে কি ? দেখে নিন উদাহরণ সহ বিস্তারিত…

API আসলে কি ? দেখে নিন উদাহরণ সহ বিস্তারিত…



API কি ? উদাহরণ সহ বিস্তারিত…

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছেন ।

আজকে আমি আলোচনা করব API কি এর উপর, এবং এর ব্যাবহার এবং কিছু উদাহরণ দিয়ে API বুঝানোর চেষ্টা করব ।

একনজরে টপিক সমূহ :

  • API কি ?
  • API এর কয়েকটি উদাহরণ
  • API এর ব্যবহার

প্রোগ্রামিংয়ে বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়ে গেছে । কিন্তু এপিআই কি জিনিস তা অনেকের কাছেই ক্লিয়ার না । আর এপিআই ডেভেলপমেন্টের কথা যদি বলা হয় তাহলে অনেকেই গুগল বা ফেসবুক এপিআই এর উদাহরন দিয়ে ইতি টেনে দেয় ।
বাংলাদেশের সফ্টওয়্যার ফার্মগুলোর মধ্যে এপিআই এর আগ্রহ চোখে পড়ার মত, তবে এপিআই ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ভার্সিটি পর্যায়ে তেমন কোন সাড়া পাওয়া যায় না । তাই নতুনদের এপিআই ডেভেলপমেন্ট সর্ম্পকে
কিছু ধারনা দেয়াই আমার উদ্দেশ্য ।

এপিআই কি?

এপিআই হল Application Program Interface (API) যার মাধ্যমে একটি প্রোগ্রাম আরেকটি প্রোগ্রামের সাথে কিছু কথা [ ডাটা ] শেয়ার করতে পারে ।

An application program interface (API) is a set of routines, protocols, and tools for building software applications. Basically, an API specifies how software components should interact. Additionally, APIs are used when programming graphical user interface (GUI) components.

তো কেন দরকার এত কথা, প্রোগ্রামদের মধ্যে এত প্রেম কেন দরকার ? আমার প্রোগ্রামের ডাটা বা রিসোর্স আমি অন্য প্রোগ্রামের সাথে কেন শেয়ার করব ? উদাহরনের মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করে দেখি বুঝতে পারি কি না :
MS Word to API to Printer

এপিআই উদাহরন ১ :

ধরুন Canon কোম্পানি প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্টার বানিয়েছে কিন্তু তারা তো মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড বা টেক্স এডিটর বানায়নি । তাহলে মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড কিভাবে ঐ প্রিন্টারে প্রিন্ট দিবে ?
নিশ্চই Microsoft আর Canon এর মাঝে কোন গোপন ব্যাপার-স্যাপার আছে ? ধরে নিলাম আছে, তাহলে অপেন অফিস বা অন্যন্য এডিটর,গুগল ক্রোম বা অন্যান্য প্রোগ্রাম গুলো কি করবে ?
কিংবা আপনি যদি কোন এডিটর বানান তবে আপনি কি করবেন ? তাছাড়া Canon ছাড়াও আরো অনেক প্রিন্টার আছে, আর হাজার হাজার এ্যাপ্লিকেশন আছে যেগুলো থেকে প্রিন্ট করা যায়।
তাহলে এসব প্রোগ্রাম কিভাবে প্রিন্টারের সাথে তথ্য বা ফাংশন আদান প্রদান করে? কিভাবে একটি প্রোগ্রাম প্রিন্টারকে বলবে তার ডকুমেন্টটি প্রিন্ট করে দিতে?

এ.পি.আই আসলে নতুন কিছু না । Canon বা অন্য যে কোন প্রিন্টারের সাথে কোন এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়ারের কোন সম্পর্ক নেই । দুটো প্রোগ্রামই একটি ইন্টারফেস বা মাধ্যম ব্যাবহার করে যোগাযোগ করে থাকে ।
এই মাধ্যমকেই এপিআই বলে । মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডে প্রিন্ট কমান্ড দিলে সে এপিআই এর কাছে প্রিন্টার স্ট্যাটাস রিকোয়েস্ট করে, এবং সব ঠিক থাকলে এপিআইকে ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে দেয় ।
এপিআই প্রিন্টার কে ঐ ডকুমেন্ট টি প্রিন্ট করতে বলে। প্রিন্টারের আসলে জানার দরকার সেই কোন প্রোগ্রাম প্রিন্ট করতে বলছে , তার কাছে এটা ডকুমেন্ট আসছে সে এটা রিড করে প্রিন্ট করবে ।

এপিআই উদাহরন ২ :

এবার একটি ছোট প্রোগ্রাম এর উদাহারন দেখা যাক !

# Open a file file = open (‘api.txt’ , ‘r’ ) # Read line line = file .readline() print line

উপরের প্রোগামটি একটি টেক্স ফাইলের [api.txt] প্রথম লাইন প্রিন্ট করবে । কিন্তু সেটা কিভাবে? আমি কি সরাসরি হার্ডডিস্ক থেকে বাইনারী ডাটা রিড করছি নাকি আমি কারো ভায়া হয়ে ডাটা পাচ্ছি ?

অথবা আপনি একটি ওয়ার্ড ফাইল ওপেন করলেন, মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড প্রো.

প্রত্যেক অপারেটিং সিস্টেমের ই ফাইল হ্যান্ডেল করার জন্য ফাইল সিস্টেস এপিআই [ File System API ] থাকে । উইন্ডোজে NTFS এবং FAT ফাইল সিস্টেম অপারেশন হ্যান্ডেল করার জন্য এপিআই প্রদান করে থাকে ,
তেমনি লিনাক্সে ex2,ex3 সহ বিভিন্ন ফাইল সিস্টেম এপিআই থাকতে পারে । আমাদের প্রোগ্রামটি প্রথমে অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল সিস্টেম এপিআই’র কাছে api.txt ফাইলটি রিড করার জন্য রিকোয়েস্ট করবে ।
ফাইল সিস্টেম এপিআই রিকোয়েস্ট ভেরিফাই করে ডাটা রিটার্ন করবে । অনুরুপভাবে রাইট করার জন্যও একই ভাবে এপিআই এর মাধ্যমে এক্সেস করতে হবে। সুতরাং এপিআই হল একটা কন্টেন্ট প্রোভাইডার বা হেন্ড্যেলার ।
তবে এই প্রোভাইডার কিছু নির্দিষ্ট শর্তে ডাটা এক্সেস দেয় আর সেই সর্তগুলোই বিভিন্ন ফাংশনে বিভক্ত থাকে । তাহলে আমরা বলতে পারি, এপিআই হল বিভিন্ন ফাংশনের সমষ্টি যা দুটো সিস্টেমের মধ্যে ডাটা আদান প্রদানের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে ।

মি. এক্স: বুঝলাম এপিআই অনেক হাই লেভেলের সাবজেক্ট ! অপারেটিং সিস্টেম , ডিভাইস কিংবা বড় বড় সিস্টেম বানানোর জন্য এপিআই এর প্রয়োজন! ভাই আমি অত্যন্ত সাধারন প্রোগামার, আমি এসব জেনে কি করব, ঘুমোতে গেলাম !

এপিআই কথন: আপনি যে টাইপের বা যে লেভের প্রোগ্রামারই হোন না কেন এপিআই কি এবং সেটা আপনার লাইফ কতটা সহজ করে দিচ্ছে তা পুরো টিউটোরিয়াল জুড়ে বিভিন্ন উদাহরনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে ।

আমি প্রোগ্রামার নই ! এপিআই কি তা জেনে আমি কি করব?

আপনি যদি কোন সফ্টওয়্যার বা ওয়েব সার্ভিস বা মোবাইল এ্যাপ অথবা কোন হার্ডওয়্যার সলুশন তৈরী করতে চান কিংবা আপনি একজন ডিসিশন মেকার হন তবে API আপনার কাজে দিতে পারে ।

এপিআই এর সার্বজননীন ব্যবহার

একেক রকমের ব্যবহারকারীর কাছে একেক প্লাটফর্ম বেশি পছন্দের । কেউ স্মার্ট ফোনেই তাদের বেশিরভাগ কাজ করতে পছন্দ করে কেউ পিসিতে। কেউ এন্ড্রয়েড ব্যবহার করে কেউ বা আইফোন অথবা উইন্ডোজ, ফায়ারফক্স, লিনাক্স।
প্রতিনিয়ত স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ছে, সেই সাথে বাড়ছে নতুন নতুন ও.এস. । এখন আপনি যদি চান আপনি যে সিস্টেম তৈরী করবেন তা সর্বাপেক্ষা বেশি মানুষকে অফার করতে,
তাহলে অবশ্যই আপনার সিস্টেমকে মাল্টিপ্লাটফর্মের জন্য উপযুক্ত করে তৈরী করতে হবে।

উদাহরন : আপনি প্রাত্যহিক হিসাব রাখার একটা প্রোগ্রাম বানাবেন যেটা ল্যাপটপে , এন্ড্রয়েডে , আইফোনে …. ইত্যাদিতে চলবে এবং সব ডিভাইসে হিসাব নিকাশ সবসময় আপডেটেড থাকবে ।

সাথে সাথে আপনি চাইবেন, অদূর ভবিষ্যতে আপনি নতুন কোন অপারেটিং সিস্টেম আসলে সেটাতে যেন সহজেই ইন্টগ্রেট করতে পারেন কিংবা আপনার পিএইচপি তে করা ওয়েব এ্যাপটি এঙ্গুলার জে.এস বা এ.এস.পি তে রি-ডেভেলপ করবেন ।
এক্ষেত্রে আপনি সহজেই নতুন কোন ফ্রন্টএন্ড এপিআই এর সাথে জুড়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবেন । এপিআই অনেক টা আপনার শরীর এবং শরীরে বিভিন্ন ফাংশন যেমন, হাটা, কথা বলা, অনুভুতি, ঘুমানো ইত্যাদি ।
আপনাকে একেক ড্রেসে একেক সময় একেক রকম লাগে । আপনার বেশভুষন বা স্টাইল যাই হোক আপনার দেহের অভ্যন্তরীন কাজ একই।
যেহেতু আপনার সিস্টেম এন্ড্রয়েড, আইফোন, পিসি সব যায়গায় একই কাজ করবে তাহলে প্রত্যেকটার জন্য আলাদা আলাদা কোড না লিখে সবগুলোর জন্য একটি ব্রেইন তৈরী করলেন যার টেকনিক্যাল নাম এপিআই ।
অনেকটা আপনি আপনার মাথা কেটে কয়েকটা বিভিন্ন স্টাইলের বডিতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত করে দিলেন । এখন আপনি যদি এই ব্রেইনে কোন পরিবর্তন আনেন সাথে সাথে সব প্লাটর্ফমে কিংবা আপনার নির্ধারিত প্লাটফর্মে সেই আপডেট টা চলে যাচ্ছে ।

সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে এপিআই শুধু বিগবস-রাই ব্যবহার করে না, কারণ এটি প্রতিনিয়তই ব্যবহার করতে হচ্ছে ডেভেলোপারদেরকে, আর এর ব্যবহার শুধু হার্ডওয়্যার এবং ওএস এর মধ্যে সিমাবদ্ধ না । নিচে কয়েক প্রকার এপিআই এর উদাহরন দেয়া হল:

web service APIs, OS functional APIs, Hardware APIs,
SOAP XML-RPC JSON-RPC REST, Access to file system, Access to User Interface, Video Acceleration, Hard disk drivers, PCI Busses ইত্যাদি ।

তো বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই, জানিনা পোস্টটা কেমন হয়েছে, এটা আমার প্রথম পোস্ট, হয়ত কিছু এলোমেলো হয়ে থাকতে পারে…আজ থেকে লেখা শুরু করলাম, সো ভুলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন…আর হ্যাঁ, পোস্টের কিছু তথ্য ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ।

API সম্পর্কে আরো জানতে চাইলে Google তো আছেই ! Just Search and read !

অথবা নিচে ক্লিক করুন সোজা গুগলে নিয়ে যাবে 😊

নিচে ক্লিক করুন:👇

  • All about API
  • সবাই ভালো থাকবেন+সুস্থ থাকবেন

    আল্লাহ হাফেজ

    The post API আসলে কি ? দেখে নিন উদাহরণ সহ বিস্তারিত… appeared first on Trickbd.com.


    এখন কম্পিউটারে​ যেকোনো এনকোডিং-এ লেখা হবে সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং আরও দ্রুত !

    এখন কম্পিউটারে​ যেকোনো এনকোডিং-এ লেখা হবে সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং আরও দ্রুত !

    Review of Borno Keyboard

    এখন কম্পিউটারে যেকোনো এনকোডিং-এ লেখা হবে সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং আরও দ্রুত!

    আসসালামু আলাইকুম। ট্রিকবিডির সকলকে আমার সালাম জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করলাম। আশা করি আপনারা সকলে ভালোই আছেন। আমিও ভালো আছি আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ।
    যাইহোক, আজকে যে বিষয় নিয়ে টিউন করবো তা হলো-
    কিভাবে একটি কীবোর্ড দিয়েই যেকোনো এনকোডিং-এ নির্ভুলভাবে লিখতে পারবেন সে বিষয়ে।

    ভুমিকা :

    আজকাল যেকোনো এক্সপার্ট কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে যেটা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তা হলো লেখালেখি, সেটা হতে পারে কোনো ব্লগ সাইটের জন্য অথবা ফেসবুকে লেখা পোস্ট দেয়ার জন্য অথবা হতে পারে সেটা ভিন্ন এনকোডিং এ লিখে গ্রাফিক্সে ব্যবহার করার জন্য।
    বাংলা লেখালেখির জন্য যে বিষয়টা সবচে প্রথমে আসে তা হলো একটা ভালোমানের কীবোর্ড। কীবোর্ড ভালো না হলে লেখা কচ্চপের মত ধীরগতিতে চলে । অনেকসময় ভুল কারেকশন করতেই অনেক টাইম চলে যায়!
    একটা কীবোর্ডেই যদি যেকোনো এনকোডিং-এ নির্ভুলভাবে লেখার ব্যবস্থা থাকতো তবে কেমন হতো?

    এরকম একটা কীবোর্ড নিয়েই আজকে কথা হবে !

    সেরা তিনটি কীবোর্ড নিয়ে আলোচনা:

  • বিজয়
  • অভ্র
  • বর্ণ
  • বাংলাদেশে যে কীবোর্ডটি সবচে বেশি ব্যবহৃত হয় তা হলো “বিজয়”। বিজয়ের বিভিন্ন ভার্সন আছে, যেমন “বিজয় বাহান্ন”, “বিজয় একুশে”, “বিজয় একাত্তর”। বিজয় বাহান্ন এবং বিজয় একুশে কীবোর্ডে ক্লাসিক এনকোডিং ব্যবহার করে sutonnymj ফন্টে লেখা যায়। আর বিজয় একাত্তর ভার্সনে ক্লাসিক এবং একাত্তর এনকোডিং ব্যবহার করা যায়। তবে আমি বিজয় ব্যবহার করিনা বেশ কয়েকটা কারণে, তার মধ্যে দুইটা কারণ হলো এতে Ctrl+Alt+B এই বড় একটা শর্টকাট এর মাধ্যমে কীবোর্ড মোড সুইচ করতে হয়, যা আমার কাছে প্রচুর ঝামেলার মনে হয়। আরেকটা কারণ হলো এই কীবোর্ড দিয়ে অনেকবার চেষ্টা করেও আমি “Nox” নামক সফটওয়্যার এ ইউনিকোড ফরম্যাটে লিখতে ব্যর্থ হয়েছি। একটা ওয়ার্ডও লেখা যায়না এই কীবোর্ড দিয়ে। সেজন্য এই কীবোর্ডটা আমি শুরুতেই বাদ দিয়ে দিয়েছি, বেশিদিন ব্যবহার করিনি। তবে এর লে-আউট টা সবার মত আমারও প্রচুর ভালো লাগে। সেজন্য পরবর্তীতে বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত এবং সাড়া জাগানো কীবোর্ড অভ্রতে ইউনিবিজয়ে বহুদিন টাইপ করেছি। এবং এতে “Ctrl+Space” -চাপলেই কীবোর্ড মোড পরিবর্তন হয় এই বিষয়টা প্রচুর ভালো লেগেছে। এবং এতে কীবোর্ড মোড পরিবর্তনও করা যায় অতি দ্রুত। তবে অভ্রতে লিখতে লিখতে সমস্য হয়ে গেলো এক জায়গায় এসে, গ্রাফিক্সে যখন কাজ করা শুরু করি তখন আনসিতে বেশ কয়েকটা যু্ক্তবর্ণ ঠিকমতো লেখা যায়না, যেমন:

    1. স এবং ত যুক্ত হয়না, যেমন: বাস্তব 
    2.      ম এবং ন যুক্ত হয়না, যেমন: নিম্ন 
    3.      রু লেখা যায়না 
    4.      ল এবং ল লেখা যায়না, যেমন: বিসমিল্লাহ 
    5.      স এবং ন যুক্ত করা যায়না, যেমন: স্নেহ 
    6.      ম এবং ল যুক্ত হয়না, যেমন: অম্ল 
    7.      ন এবং ত যুক্ত হয়না, যেমন: অন্তর 
    8.      প এবং ল যুক্ত হয়না, যেমন: প্লাবন 
    9.      ব এবং ল যুক্ত হয়না, যেমন: ব্লেন্ডার 
    10.     দ্রু, গ্রু, প্রু, ব্রু, শ্রু, ধ্রুবতারা এসব লেখা যায়না ইত্যাদি।

    সমস্যার কারণ:

    অভ্রতে যে আনসি এনকোডিংটা ব্যবহার করা হয়েছে তা হলো বিজয় ২০০০ ভার্সন এর এনকোডিং থেকে নেয়া, কারণ পূর্বে এই এনকোডিং টা এবং ২০০০ ভার্সনের sutonnyjm ফন্টটা বেশ জনপ্রিয় ছিলো। আর এখন বিজয়ের আপডেট ভার্সনগুলোতে ফন্টের বেশকিছু পরিবর্তন করা হয়েছে, যার ফলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেক কনফিউশনেরও তৈরি হয়েছে। এমন কি বিজয় সফটওয়্যার অনেক সময় নিজেই নিজের ফন্টের সাথে কম্পাটিবল হয়না! বিজয় ইন্সটল দেয়া সত্বেও অনেকসময় অন্য ভার্সনের ফন্টে লেখা কোনো ফাইল খুললে ফন্টগুলো আনসি কোডেই দেখায়! বাংলায় দেখায়না! তখন অন্য আনসি ফন্ট দিয়ে এই ফাইলটা আবার ব্যবহরোপযোগী করতে হয়।

    সমস্যার সমাধান:

    অভ্রতে শুদ্ধভাবে লেখার জন্য বিজয়ের ২০০০ ভার্সনের ফন্টটি আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করে নিয়ে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তবে এই ফন্টে লেখাগুলো পরবর্তীতে বিজয়ের অন্য ফন্টগুলোর সাথে কাজ করবেনা, উপরে উল্লেখিত ঐসব ভুল আসবে। সুতরাং সবসময় ২০০০ ভার্সনের ফন্ট দিয়েই ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে বর্তমানে যতগুলো আনসি আপডেট ফন্ট আছে সেগুলো ব্যবহারে কিঞ্চিত বঞ্চিত হতে পারেন।
    তবে সমস্তরকমের ক্লাসিক আনসি ফন্টের জন্যও সমাধান দেয়া সম্ভব অবশ্য। তবে সেগুলো মেনুয়্যালি সলভ করতে হবে। আমি একটা পিডিএফ ফাইল তৈরি করেছি সেখানে সমস্ত সমস্যা এবং সমস্যার সমাধনও দেয়া হয়েছে। যুক্তবর্ণও দিয়েছি অনেকগুলো যেগুলোতে সমস্যা হয় অভ্র দিয়ে লিখতে।
    দুইটা পদ্ধতিতে সমাধান দিয়েছি, আপনি যেকোনো একটা পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। অথবা পিডিএফ থেকে কপি পেস্ট করেও কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন!
    তবে এইভাবে মেনুয়্যালি কাজ করতে সামান্য হলেও সময়ের অপচয় ঘটে, সেজন্য অভ্র কিছুদিন যাবৎ ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছি। তবে বাংলা ভাষা অর্থাৎ আমার আপনার মায়ের ভাষা বিনামূল্যে সবার মাঝে কিঠোর পরিশ্রম করেও বিনা পারিশ্রমিকে ছড়িয়ে দিয়েছে এই অভ্র, সুতরাং অভ্রের জন্য শ্রম দেয়া সকলকে আমার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং শুভকামনা জানাই। বিশেষ করে জনাব মেহদী হাসান খান এবং তাবিন ইসলাম সিয়াম ভাইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। যদিও অভ্রতে বর্তমানে বেশকিছু ইমপ্রুভমেন্ট দরকার বর্তমান সময়ের আনসি এনকোডিং-এর সাথে কম্পাটিবল করার জন্য, অথবা লে-আউট এডিটরের সাথে সিকোয়েন্স এবং কম্বিনেশন অপশন এড করে দেয়া হলেও মেনুয়ালি লে-আউট তৈরি করে সব সমস্যার সমাধান করা যেত, এমনকি একাত্তর এনকোডিং এও লেখা সম্ভব হতো। যাইহোক, তবুও অভ্র কীবোর্ডের প্রতি শুরু থেকে ভালোবাসা ছিলো, এখনো আছে, আর ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ।

    এবার আমার ব্যক্তিগত মতামতে সবচে সেরা কীবোর্ডের আলোচনা হপ্পে ভায়া! নড়েচড়ে বসেন সবাই!

    আমার ব্যক্তিগত মতামতে সবচেয়ে সেরা কীবোর্ড হলো “বর্ণ”, ইংরেজীতে “Borno” ।

    নিচে বর্ণ সম্পর্কে অবিস্তারিত অর্থাৎ সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করা হলো:

    বর্ণ কীবোর্ড:

    বর্ণ যিনি ডেভেলপ করেছেন তাঁর নাম হলো জনাব জায়েদ আহসান সা’দ। এই সুন্দর সফটওয়্যারটি প্রথম প্রকাশিত হয় ০৯ নভেন্বর ২০১৮ তে। এই কীবোর্ড ইউনিকোডের সর্বশেষ ভার্সন সমর্থন করে। আপনি এই কীবোর্ড ব্যহবার করে ফনেটিকে অর্থাৎ ইংরেজী টাইপ করে বাংলায় লিখেতে পারবেন অথবা ফিক্সট কীবোর্ড লে-আউট ব্যবহার করেও বাংলায় লিখতে পারবেন, যেমন ইউনিবিজয়, প্রভাত, ন্যাশনাল এক একটি ফিক্স কীবোর্ড লে-আউট। এতে আপনি বর্ণের নিজস্ব এনকোডিং ব্যবহার করে আনসিতেও লিখতে পারবেন। বর্ণের দুইটি ফন্ট আছে “Bornomala” এবং “Bornopata” নামে, এই দুইটা ফন্টে আপনি একই সাথে ইংরেজি লিখতে পারবেন, ইউনিকোডে বাংলা লিখতে পারবেন এবং বর্ণ এনকোডিংও এই একই ফন্টে লিখতে পারবেন। ফনেটিকে লেখার জন্য অভ্রের মতো এতেও অটো কম্প্লিটেশন অপশন রয়েছে যার মাধ্যমে মাত্র দুই তিনটা বর্ণ লিখেই আপনার কাঙ্খিত শব্দ লিখে ফেলতে পারবেন, এতে ১৫০০০০ ওয়ার্ড বা শব্দ যুক্ত করে দেয়া আছে। এই অটো কম্প্লিটেশনে কিছুটা ভিন্নতাও রয়েছে, তা হলো এই অটো কম্প্লিটেশন অপশন আপনি ফিক্সট কীবোর্ড লে-আউটে লেখার সময়ও ব্যবহার করতে পারবেন। কন্ট্রোল+স্পেস এর মাধ্যমে কিবোর্ড মোড পরিবর্তন করতে পারবেন, সেজন্য অপশন থেকে শর্টকার্ট হিসেবে কন্ট্রোল+স্পেস এনাবেল করে দিতে হবে। কন্ট্রোল+স্পেস শর্টকার্টটা আগে ছিলোনা, আমি ডেভেলপার এর সাথে মেইলে যোগাযোগ করে এই ফিচারের কথা বলার পর উনি সেদিনই শর্টকার্ট টা যুক্ত করে দিয়েছেন। যে কোনো সমস্যায় মেইলে দ্রুত রেসপন্সও করেন। আপনাদের যদি কোনো মতামত বা পরামর্শ থাকে তবে মেইলে উনাকে অবগত করতে পারেন এবং এই কীবোর্ডকে আরো উন্নয়নে সংযুক্ত হতে পারেন। বর্ণ কীবোর্ডের আরো বিশেষত্ব আছে… যার জন্য এই কীবোর্ডকে আমি সেরা হিসেবে দেখি…।
    বর্ণ কীবোর্ডে এর সাথে লে-আউট এডিটর আছে, যেটার মাধ্যমে আপনি যেকোনো প্রকার লে-আউট তৈরি করে নিতে পারেন। ইউনিবিজয় লে-আউটও তৈরি করতে পারবেন অথবা বিজয়ের ক্লাসিক এনকোডিং-এ যে লে-আউট ব্যবহৃত হয় সেরকম লে-আউটও তৈরি করে নিতে পারবেন। তবে আপনাদের এত কষ্ট করে আর লে-আউট তৈরি করতে হবেনা, আমি নিজেই ইউনিবিজয়ের মত লে-আউট তৈরি করে ফেলেছি। এবং এই লে-আউটে আরো সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। এই লে-আউটে দুইটা পদ্ধতির যে কোনো পদ্ধতিতে যে কোনো ফলা এবং রেফ ব্যবহার করতে পারবেন, যা বিজয় কীবোর্ডের লে-আউটের মাধ্যমে লেখা যায়না। বিজয়ের সকল সুবিধাতো আছেই, সাথে এই পদ্ধতিটা বোনাস ! ইউনিবিজয়ের মতো করে চারটা লে-আউট তৈরি করে ফেলেছি সবগুলোতেই এই সুবিধা যুক্ত করা আছে।

    লে-আউট এবং তার শর্টকার্টগুলো :

    
    1. UNICODE BANGLA        :   Ctrl+Alt+U
    2. CLASSIC ENCODING      :   Ctrl+Alt+Z
    3  EKATTOR ENCODING      :   Ctrl+Alt+E
    4. BORNO ALL ENCODING    :   Ctrl+Alt+A

    এগুলো হলো লে-আউটে সুইচ করার শর্টকার্ট, বর্ণ কীবোর্ড অন অফ করার জন্য কন্ট্রোল+স্পেস ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ অন থাকলে কাঙ্খিত লে-আউট কাজ করবে এবং অফ থাকলে ইংরেজী লেখা যাবে।

    সর্বশেষ আপডেট বর্ণ কীবোর্ড ডাউনলোড করতে বর্ণের অফিসিয়াল সাইট ভিজিট করুন-

    সেইসাথে “Bornopata” ফন্টটিও এই পেজ থেকেই ডাউনলোড করে নিন-
    কীবোর্ড ইন্সটল শেষে নিজের নামে লাইসেন্স করে নিতে পারবেন।
    অথবা লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন, তবে লাইসেন্স করে নেয়াটা ভালো।

    বর্ণ অফিসিয়াল ডাউনলোড লিংক :

    Layout -এর ডাউনলোড লিংক ( Google Drive Link) :

    প্রয়োজনে যোগাযোগ :

    Contact Facebook:👇

  • Facebook
  • যদি সময় পাই তবে পরবর্তী টিউনে অভ্রের সকল সমস্যা এর সমাধন নিয়ে শিগ্রই হাজির হব ইনশাআল্লাহ...
    ততক্ষণ পর্যন্ত সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সেই কামনা করে বিদায় নিচ্ছি।
    আল্লাহ হাফেজ।

    The post এখন কম্পিউটারে​ যেকোনো এনকোডিং-এ লেখা হবে সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং আরও দ্রুত ! appeared first on Trickbd.com.


    নিয়ে নিন অভ্রতে লেখা নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান

    নিয়ে নিন অভ্রতে লেখা নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান











    অভ্র কীবোর্ডের সকল সমস্যার সমাধান

    এবার অভ্র কীবোর্ড দিয়ে আনসিতেও লিখুন নির্ভুলভাবে, আর নয় ফন্ট ভাঙ্গা! ফন্ট ভাঙ্গা সহ সকল সমস্যার সমাধান।

    আসসালামু আলাইকুম। ট্রিকবিডির সকলকে আমার সালাম জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করলাম। আশা করি আপনারা সকলে ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি আল্লাহর অশেষ রহমতে ।
    যাইহোক, আজকে যে বিষয় নিয়ে টিউন করবো তা হলো-
    কিভাবে অভ্র কীবোর্ড দিয়ে আনসি এনকোডিং-এ নির্ভুলভাবে লিখতে পারবেন সে বিষয়ে।

    ভুমিকা :

    ভুমিকা : আমরা এ যাবৎকাল পর্যন্ত বিভিন্ন কীবোর্ড ব্যবহার করে এসেছি, কেউবা বিজয় ব্যবহার করেন আবার কেউবা অভ্রকে মন থেকে ভালোবাসেন। সেজন্য অভ্র দিয়ে লিখতেই অধিক পছন্দ করেন। কিন্তু কথা হলো আমরা যখন গ্রাফিক্সে লিখতে যাই তখন আর ইউনিকোড ফন্ট তেমন কাজে আসেনা, তখন আনসি ফন্টগুলো ব্যবহার করতে হয়। আনসি ফন্টগুলো ব্যবহার করার সময় অভ্র ব্যবহারকারীরা মাঝে মাঝে ঝামেলায় পড়ে যায়। যা প্রচুর বিরক্তিকরও বটে। এ ঝামেলাগুলোর অধিকাংশই যুক্ত বর্ণ লেখা সম্পর্কিত।

    সেসব সমস্যা এবং এবং সমস্যার সমাধান নিয়েই হবে আজকের আলোচনা।

    সমস্যাসমূহ:

    1. স এবং ত যুক্ত হয়না, যেমন: বাস্তব 
    2.      ম এবং ন যুক্ত হয়না, যেমন: নিম্ন 
    3.      রু লেখা যায়না 
    4.      ল এবং ল লেখা যায়না, যেমন: বিসমিল্লাহ 
    5.      স এবং ন যুক্ত করা যায়না, যেমন: স্নেহ 
    6.      ম এবং ল যুক্ত হয়না, যেমন: অম্ল 
    7.      ন এবং ত যুক্ত হয়না, যেমন: অন্তর 
    8.      প এবং ল যুক্ত হয়না, যেমন: প্লাবন 
    9.      ব এবং ল যুক্ত হয়না, যেমন: ব্লেন্ডার 
    10.     দ্রু, গ্রু, প্রু, ব্রু, শ্রু, ধ্রুবতারা এসব লেখা যায়না ইত্যাদি।

    সমস্যার কারণ:

    অভ্রতে যে আনসি এনকোডিংটা ব্যবহার করা হয়েছে তা হলো বিজয় ২০০০ ভার্সন এর এনকোডিং থেকে নেয়া, কারণ পূর্বে এই এনকোডিং টা এবং ২০০০ ভার্সনের sutonnyjm ফন্টটা বেশ জনপ্রিয় ছিলো। আর এখন বিজয়ের আপডেট ভার্সনগুলোতে ফন্টের বেশকিছু পরিবর্তন করা হয়েছে, যার ফলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেক কনফিউশনেরও তৈরি হয়েছে। এমন কি বিজয় সফটওয়্যার অনেক সময় নিজেই নিজের ফন্টের সাথে কম্পাটিবল হয়না! বিজয় ইন্সটল দেয়া সত্বেও অনেকসময় অন্য ভার্সনের ফন্টে লেখা কোনো ফাইল খুললে ফন্টগুলো আনসি কোডেই দেখায়! বাংলায় দেখায়না! তখন অন্য আনসি ফন্ট দিয়ে এই ফাইলটা আবার ব্যবহরোপযোগী করতে হয়।

    সমস্যার সমাধান:
    অভ্রতে শুদ্ধভাবে লেখার জন্য বিজয়ের ২০০০ ভার্সনের ফন্টটি আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করে নিয়ে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
    তবে এই ফন্টে লেখাগুলো পরবর্তীতে বিজয়ের অন্য ফন্টগুলোর সাথে কাজ করবেনা, উপরে উল্লেখিত ঐসব ভুল আসবে। সুতরাং সবসময় ২০০০ ভার্সনের ফন্ট দিয়েই ব্যবহার করতে হবে।
    এর ফলে বর্তমানে যতগুলো আনসি আপডেট ফন্ট আছে সেগুলো ব্যবহারে কিঞ্চিত বঞ্চিত হতে পারেন।
    তবে সমস্তরকমের ক্লাসিক আনসি ফন্টের জন্যও সমাধান দেয়া সম্ভব অবশ্য। তবে সেগুলো মেনুয়্যালি সলভ করতে হবে। আমি একটা পিডিএফ ফাইল তৈরি করেছি
    সেখানে সমস্ত সমস্যা এবং সমস্যার সমাধনও দেয়া হয়েছে। যুক্তবর্ণও দিয়েছি অনেকগুলো যেগুলোতে সমস্যা হয় অভ্র দিয়ে লিখতে।
    দুইটা পদ্ধতিতে সমাধান দিয়েছি, আপনি যেকোনো একটা পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। অথবা পিডিএফ থেকে কপি পেস্ট করেও কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন!
    এখানে পোস্ট করে সমাধন দিতে গেলে পোস্ট অসম্ভবরকমের বড় হয়ে যাবে, সাথে চিত্রের মাধমে বুঝাইতে গেলে আরও বড় হয়ে যাবে। তারপরও এখানে দুয়েকটা সমাধান দেয়া যেতে পারে…
    সমস্যা ১ : স এবং ত যুক্ত হয়না

    সমাধান – স এবং ত যুক্ত করতে হলে স্ত লিখার পর একটি ম যুক্ত করে দিন এদের সাথে। অর্থাৎ এই তিনটি বর্ণই যক্ত অবস্থায় থাকবে, স+ত+ম

    সমস্যা ৪, ৮ এবং ৯ : ল এবং ল, ব এবং ল যুক্ত হয়না

    সমাধান- যেকোনো বর্ণের নিচে ল যুক্ত করতে চাইলে বর্ণটি লিখে ইউনিবিজয়ে স্ন লিখুন

    অথবা ফনেটিকে ল্ল লিখতে চাইলে লিখুন lsn (এলএসএন)

    প্ল লিখতে চাইলে লিখুন psn (পিএসএন)

    ব্ল লিখতে চাইলে লিখুন bsn (বিএসএন)



    বাকি সমস্যাগুলো পিডিএফ থেকে দেখে নিন, সেখানে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে ছবি সহ।

    আপনি যদি এসব মেনুয়ালি সলভ করতে পছন্দ না করেন অথবা সময় অপচয় করতে না চান তবে বর্ণ কীবোর্ড ব্যবহার করতে পারেন।

    বর্ণ কীবোর্ডের জন্য আমি আনসি লে-আউট তৈরি করেছি সেটি দিয়ে শুদ্ধভাবে sutonnymj ফন্টে লিখতে পারবেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই

    এমনকি একাত্তর এনকোডিং -এও লিখতে পারবেন।

    নিচে বর্ণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করা হলো:

    বর্ণ কীবোর্ড:

    বর্ণ যিনি ডেভেলপ করেছেন তাঁর নাম হলো জনাব জায়েদ আহসান সা’দ। এই সুন্দর সফটওয়্যারটি প্রথম প্রকাশিত হয় ০৯ নভেন্বর ২০১৮ তে। এই কীবোর্ড ইউনিকোডের সর্বশেষ ভার্সন সমর্থন করে। আপনি এই কীবোর্ড ব্যহবার করে ফনেটিকে অর্থাৎ ইংরেজী টাইপ করে বাংলায় লিখেতে পারবেন অথবা ফিক্সট কীবোর্ড লে-আউট ব্যবহার করেও বাংলায় লিখতে পারবেন, যেমন ইউনিবিজয়, প্রভাত, ন্যাশনাল এক একটি ফিক্স কীবোর্ড লে-আউট। এতে আপনি বর্ণের নিজস্ব এনকোডিং ব্যবহার করে আনসিতেও লিখতে পারবেন। বর্ণের দুইটি ফন্ট আছে “Bornomala” এবং “Bornopata” নামে, এই দুইটা ফন্টে আপনি একই সাথে ইংরেজি লিখতে পারবেন, ইউনিকোডে বাংলা লিখতে পারবেন এবং বর্ণ এনকোডিংও এই একই ফন্টে লিখতে পারবেন। ফনেটিকে লেখার জন্য অভ্রের মতো এতেও অটো কম্প্লিটেশন অপশন রয়েছে যার মাধ্যমে মাত্র দুই তিনটা বর্ণ লিখেই আপনার কাঙ্খিত শব্দ লিখে ফেলতে পারবেন, এতে ১৫০০০০ ওয়ার্ড বা শব্দ যুক্ত করে দেয়া আছে। এই অটো কম্প্লিটেশনে কিছুটা ভিন্নতাও রয়েছে, তা হলো এই অটো কম্প্লিটেশন অপশন আপনি ফিক্সট কীবোর্ড লে-আউটে লেখার সময়ও ব্যবহার করতে পারবেন। কন্ট্রোল+স্পেস এর মাধ্যমে কিবোর্ড মোড পরিবর্তন করতে পারবেন, সেজন্য অপশন থেকে শর্টকার্ট হিসেবে কন্ট্রোল+স্পেস এনাবেল করে দিতে হবে। কন্ট্রোল+স্পেস শর্টকার্টটা আগে ছিলোনা, আমি ডেভেলপার এর সাথে মেইলে যোগাযোগ করে এই ফিচারের কথা বলার পর উনি সেদিনই শর্টকার্ট টা যুক্ত করে দিয়েছেন। যে কোনো সমস্যায় মেইলে দ্রুত রেসপন্সও করেন। আপনাদের যদি কোনো মতামত বা পরামর্শ থাকে তবে মেইলে উনাকে অবগত করতে পারেন এবং এই কীবোর্ডকে আরো উন্নয়নে সংযুক্ত হতে পারেন। বর্ণ কীবোর্ডের আরো বিশেষত্ব আছে… যার জন্য এই কীবোর্ডকে আমি সেরা হিসেবে দেখি…।
    বর্ণ কীবোর্ডে এর সাথে লে-আউট এডিটর আছে, যেটার মাধ্যমে আপনি যেকোনো প্রকার লে-আউট তৈরি করে নিতে পারেন। ইউনিবিজয় লে-আউটও তৈরি করতে পারবেন অথবা বিজয়ের ক্লাসিক এনকোডিং-এ যে লে-আউট ব্যবহৃত হয় সেরকম লে-আউটও তৈরি করে নিতে পারবেন। তবে আপনাদের এত কষ্ট করে আর লে-আউট তৈরি করতে হবেনা, আমি নিজেই ইউনিবিজয়ের মত লে-আউট তৈরি করে ফেলেছি। এবং এই লে-আউটে আরো সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। এই লে-আউটে দুইটা পদ্ধতির যে কোনো পদ্ধতিতে যে কোনো ফলা এবং রেফ ব্যবহার করতে পারবেন, যা বিজয় কীবোর্ডের লে-আউটের মাধ্যমে লেখা যায়না। বিজয়ের সকল সুবিধাতো আছেই, সাথে এই পদ্ধতিটা বোনাস ! ইউনিবিজয়ের মতো করে চারটা লে-আউট তৈরি করে ফেলেছি সবগুলোতেই এই সুবিধা যুক্ত করা আছে।

    লে-আউট এবং তার শর্টকার্টগুলো :

    
    1. UNICODE BANGLA        :   Ctrl+Alt+U
    2. CLASSIC ENCODING      :   Ctrl+Alt+Z
    3  EKATTOR ENCODING      :   Ctrl+Alt+E
    4. BORNO ALL ENCODING    :   Ctrl+Alt+A

    এগুলো হলো লে-আউটে সুইচ করার শর্টকার্ট, বর্ণ কীবোর্ড অন অফ করার জন্য কন্ট্রোল+স্পেস ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ অন থাকলে কাঙ্খিত লে-আউট কাজ করবে এবং অফ থাকলে ইংরেজী লেখা যাবে।

    সর্বশেষ আপডেট বর্ণ কীবোর্ড ডাউনলোড করতে বর্ণের অফিসিয়াল সাইট ভিজিট করুন-

    সেইসাথে “Bornopata” ফন্টটিও এই পেজ থেকেই ডাউনলোড করে নিন-
    কীবোর্ড ইন্সটল শেষে নিজের নামে লাইসেন্স করে নিতে পারবেন।
    অথবা লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন, তবে লাইসেন্স করে নেয়াটা ভালো।

    বর্ণ অফিসিয়াল ডাউনলোড লিংক :

    Layout -এর ডাউনলোড লিংক ( Google Drive Link) :

    অভ্রর সকল সমস্যার সমাধান নিয়ে রচিত পিডিএফ ফাইল -এর ডাউনলোড লিংক ( Google Drive Link) :

    প্রয়োজনে যোগাযোগ :

    Contact Facebook:👇

  • Facebook
  • পরবর্তী কোনো টিউনে আবার দেখা হবে ইনশাআল্লাহ...
    ততক্ষণ পর্যন্ত সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সেই কামনা করে বিদায় নিচ্ছি।
    আল্লাহ হাফেজ।

    The post নিয়ে নিন অভ্রতে লেখা নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান appeared first on Trickbd.com.


    Thursday, January 9, 2020

    [Must Read] FTP ও BDIX এর আদ্যোপান্ত। (Boost Your Internet Speed)

    [Must Read] FTP ও BDIX এর আদ্যোপান্ত। (Boost Your Internet Speed)

    আলোচনা:


    অনেকদিন পর ট্রিকবিডিতে লিখছি।
    লিখতে ইচ্ছে করছিলোনা আসলে।
    পুরাতন ট্রেইনারদের পোস্ট নেই, পোস্টে মেম্বারদের রেসপন্স নেই, মাঝেমধ্যে গুটিকয়েক মানসম্মত পোস্ট দেখা যায়।
    তাও আবার কালেভদ্রে।
    বেশিরভাগই দেখা যায় আর্নিং পোস্ট আর এপ/থিম/মুভি রিভিউ।
    তাও আবার শুধু কয়েকটা ফিচার উল্লেখ করে।
    ঐ নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে গিয়ে কেউ কিছু লিখেনা।
    কেনো লিখেনা তা জানিনা।
    তবে আমার মনে হয়, যারা নিয়মিত লিখেন তারা প্রয়োজনে সপ্তাহে একটা করে পোস্ট করুন।
    তবুও চেষ্টা করুন যা জানেন তার সবটুকু ঢেলে দেয়ার।
    ঘনঘন পোস্ট করলে হয়তো আপনি ৫-১০ টাকা করে বেশি পাবেন, তবে মানুষের ভালোবাসা কমই পাবেন।
    দেখা যায় অনেকেই ভালো পোস্টেও গালি দেয় আজকাল।
    এরকম করলে আপনাদের জন্য কে লিখবে?

    যাইহোক,
    লিখালিখি করলে আপনাদেরই লাভ।
    যেমন:

    •  কোনোকিছু একদম পারফেক্টলি লিখতে হলে ভালোভাবেই তা জানতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার জানাও হয়ে গেলো।
    •  যত জানবেন তত জ্ঞান সমৃদ্ধ হবে। যেহেতু প্রযুক্তি বিষয়ক আর্টিকেল লিখবেন, সেহেতু আপনার অনেক ইংলিশ ওয়ার্ড জানা হবে যা অনেকের কাছেই দুর্বোধ্য মনে হবে।
    •  সবচেয়ে বড় উপকার যেটা হবে সেটা হলো, আপনার রাইটিং স্কিল তো বাড়বেই বাড়বে, সাথে কিছু বলার স্টাইলেও পরিবর্তন আসবে। শব্দপ্রয়োগ অসাধারণ হবে। বানান ভুলের হার দিনদিন কমবে। যা আপনার একাডেমিক লাইফেও বেশ ভালো কাজে দিবে।

    যাক, অনেক জ্ঞান দিলাম।
    এবার আমি একটা অফার দিবো।
    অফারটি হলো,
    এখন থেকে ট্রিকবিডির পোস্টগুলো আমি পার্সোনালি মনিটরিং করবো।
    কোনো পোস্ট খুব ভালো লাগলে সেই পোস্টে কমেন্ট করে যোগাযোগের জন্য বলবো।
    গরিব মানুষ আমি।
    ৫-১০ টাকা মোবাইল রিচার্জ দিতে পারবো সর্বোচ্চ। 😁
    তবে এক্ষেত্রে পিসি রিলেটেড পোস্টগুলো প্রাধান্য পাবে বেশি।
    আইফোনের জটিল ট্রিকস পেলে তাও কাউন্ট করা যাবে।
    এটা কিন্তু কোনো কম্পিটিশন নয়।
    যাস্ট ভালো লাগা থেকে হাদিয়া দেয়া হবে।🙂

    যাকগে,
    এবার মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

    মূল টপিক:


    শিরোনাম দেখেই তো ধারণা হয়ে গেছে যে আজকের আলোচনা হবে BDIX এবং FTP নিয়ে।
    প্রথমেই শুরু করি FTP দিয়ে।
    কারণটা পুরো লেখাটা পড়লেই বুঝতে পারবেন।

    FTP-


    FTP বা File Transfer Protocol হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা দিয়ে খুব খুব খুব সহজে ফাইল শেয়ার করা যায়।
    তবে এক্ষেত্রে একটি সীমাবদ্ধতা কিন্তু থেকেই যায়।
    এই সীমাবদ্ধতা হলো, এর রেঞ্জ।
    অর্থাৎ এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট এরিয়াতেই কাজ করে।
    এর বাইরে গেলে আপনি ঐ সার্ভারের ফাইলগুলোতে আর এক্সেস করতে পারবেন না।
    সহজভাবে বুঝাই,
    আমরা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ShareIt/ShareMe/Zapya/Xender ইত্যাদি এপস দিয়ে যে পদ্ধতিতে ফাইলগুলো আদানপ্রদান করি, এটাই হলো FTP সার্ভার।
    এক্ষেত্রে এই এপগুলো WiFi নেটওয়ার্কের মাধ্যমে FTP সার্ভার ক্রিয়েট করে।
    তবে চাইলে তারের মাধ্যমেও এই সার্ভার তৈরি করা যায়।
    যেমন: আমরা যারা ওয়াফাই/ব্রডব্যান্ড কানেকশন ইউজ করি, তাদের বেশিরভাগই হয়তো জানিনা যে প্রত্যেক ISP এর আলাদা কিছু সার্ভার থাকে। যেগুলোতে স্পিড আপনার ক্রয়কৃত স্পিডের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হয়।
    উদাহরণস্বরূপ আমার লাইনের কথা ই ধরুন।
    মূল স্পিড কিনেছি 8 mbps অর্থ্যাৎ 1 MBps
    কিন্তু আমাদের ISP (Internet Service Provider) এর প্রোভাইড করা FTP সার্ভারের স্পিড কত জানেন কী?
    100 mbps বা 12 MBps
    এবার ভেবে দেখুন তো,  ১ জিবির একটা ফাইল ডাউনলোড হতে কতক্ষণ লাগবে?

    কত সময় আপনার সাশ্রয় হচ্ছে?
    এখন কথা হলো,
    এই সার্ভারগুলো কিভাবে তৈরি করা হয়?
    এই সার্ভারগুলো চাইলে যে কেউই তৈরি করতে পারবে।
    ধরি, আপনার বাসায় একটা ওয়াইফাই রাউটার আছে।
    আপনি চাচ্ছেন যেনো সবাই নিজ নিজ ফোন থেকে আপনার কম্পিউটারে থাকা ফাইলগুলোতে এক্সেস পাক যাতে যার যা ইচ্ছে সে তা দেখতে/নিতে পারে।
    এক্ষেত্রে আপনি চাইলে আপনার কম্পিউটার/মোবাইল থেকেও FTP সার্ভার তৈরি করতে পারবেন।
    আবার সরাসরি রাউটারে স্টোরেজ কানেক্ট করে ও করতে পারবেন। (ISP রা এভাবেই অনলাইন সার্ভারের খরচ বাঁচাতে Local FTP সার্ভার তৈরি করে ইউজারদের বেশি স্পিডের সুবিধা দিয়ে থাকে।)
    কিভাবে তৈরি করবেন সেই প্রসেস বুঝতে না পারলে কমেন্ট-এ জানাবেন।
    অন্য কোনোদিন এ নিয়ে পোস্ট করবো।
    তো, মনে করুন আপনি FTP সার্ভার তৈরি করে ফেলেছেন।
    এবার এর ভালো/খারাপ দিকগুলো একটু দেখি।
    সুবিধা হলো:

    1.  হুবহু আপনার মোবাইল/পিসি/স্টোরেজ (মেমোরি/পেন ড্রাইভ) এ ফাইলগুলো যেভাবে আছে সেভাবেই দেখতে পাবেন।
    2. কোনো ঝামেলা ছাড়াই এক ক্লিকে সব ফাইলে এক্সেস করতে পারবেন
    3. অনলাইনের যেকোনো সাইটের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি স্পিড পাবেন।
    4. রিড/রাইট পারমিশন দিলে নেটওয়ার্কে যুক্ত সকলেই নিজেদের কাছে থাকা ফাইল সার্ভারে এড/রিমুভ করতে পারবে
    5. বিনামূল্যে/স্বল্পখরচে তথ্য ও ফাইল আদান-প্রদান করা যাবে।

    অসুবিধা হলো:

    1. একটি নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
    2. অনেক বেশি ধারণ ক্ষমতার মেমোরি/স্টোরেজ দরকার হবে।
    3. সিকিউরিটির বিষয়ে পর্যাপ্ত আইডিয়া না থাকলে তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থেকেই যাবে।

    আশা করি FTP এর মূল বিষয়গুলো ক্লিয়ার হয়েছে।
    এবার যদি বলি,
    “FTP শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট এরিয়াতেই সীমাবদ্ধ নয়“
    ভাবছেন হয়তো,
    এতক্ষণ কী বললো তাহলে?

    হ্যাঁ,
    আপনাদের জানাতে চাই যে FTP সার্ভারকে শুধু একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে না রেখে এখন সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দেয়া যায়।
    তবে সেটা অনেকটা ব্যয়বহুল বলা চলে।
    এর জন্য আলাদাভাবে অনলাইনে ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে হয়।
    তাই খরচ তো একটু হবেই।
    এক্ষেত্রে আপনার লোকাল যে FTP সার্ভার ছিলো, সেটি এখন WorlWide অনলাইন সার্ভার হয়ে যাবে।
    অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটে পরিণত হবে।
    তবে এক্ষেত্রে ফাইলগুলো আপনার বাসাতেই থাকবে।
    অনলাইনের কোনো হোস্টিং সাইটে নয়।☺

    তাহলে কী শিখলেন এতক্ষণ?
    FTP দুই প্রকার।

    1. Local FTP
    2. Online FTP

    উল্লেখ্য যে, Local FTP সার্ভারের লিংকগুলো আইপি এড্রেসের মতো হয়।
    যেমন:
    ftp://172.20.0.19
    ftp://192.25.0.1

    Diagram:

    এবার আসি BDIX এর বিষয়ে:


    BDIX কী আসলে?
    চলুন একটু ব্যাখ্যা করা যাক।
    BDIX এর অর্থ হলো Bangladesh Internet Exchange
    অর্থাৎ এটি বাংলাদেশের ISP (Internet Service Provider) দের তৈরি করা এমন একটি সিস্টেম যার মাধ্যমে প্রত্যেক ISP (যারা ওয়াইফাই/ব্রডব্যান্ড কানেকশন দেয়) এর যে নির্দিষ্ট সাইটগুলো থাকে সেগুলো অন্য ISP এর ইউজারদের ও বেশি স্পিডে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়া হয়।
    এই BDIX হলো একটি সংগঠন।
    যেখানে দেশের প্রায় সব ISP এড আছে।
    এর প্রধান উদ্দেশ্য-ই হলো অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ব্যান্ডউইথ কেনার খরচ বাচিয়ে বেশি স্পিড/ফাইল বিনিময়।
    এর ফলে ইউজারদের কাছে কম খরচে ডেডিকেটেড সার্ভারের (FTP/Site) মাধ্যমে বেশি স্পিড প্রোভাইড করা সম্ভব হয়।
    এই শেয়ারিং সিস্টেমটি হলো,
    মনে করুন,
    আপনি Orange Communication থেকে ইন্টারনেট নিলেন।
    এদের প্রোভাইড করা সার্ভার থেকে আপনি ভালোই স্পিড পাচ্ছেন।
    কিন্তু ঐ সার্ভারে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইল নেই।
    এমতাবস্থায় ISP চাইবে তার গ্রাহকদের অধিক সুবিধা দিতে।
    তাই সে অন্য ISP এর সাথে চুক্তি করবে।
    আপনারা আমাদেরকে আপনাদের রিসোর্স শেয়ার করুন/আমরা আপনাদের রিসোর্স এ এতো MBps স্পিড দিবো, বিনিময়ে আপনাদের ও তা রিটার্ন করতে হবে।
    এভাবে চুক্তির মাধ্যমে দেশে স্পিড ও রিসোর্স এর মধ্যে সামঞ্জস্য তৈরির লক্ষ্যে BDIX এর যাত্রা।
    তবে BDIX এ যেহেতু শুধু বাংলাদেশের ISP রাই যুক্ত, তাই তাদের ডেডিকেটেড সার্ভারে আপনি অন্যকোনো দেশ থেকে চাইলেও এক্সেস করতে পারবেন না।
    তাছাড়া কিছু সার্ভারে যেমন: Google সার্ভারে তাদের দেয়া এক্সট্রা স্পিডও পাবেন না।
    নরমালি সবার যেরকম স্পিড সেরকমই পাবেন।

    Diagram:

    আশা করি FTP ও BDIX এর আদ্যোপান্ত বুঝতে পেরেছেন।
    নিচে কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের লিংক দিলাম।
    প্রয়োজন হলে ডাউনলোড করে নিবেন।

    প্রয়োজনীয় লিংক ও সফটওয়্যার:


    BDIX Official Web Site
    BDIX Tester – TrickBD Team
    Prox – WiFi Booster – TrickBD Team
    BDIX Tester
    BDIX Tools

    দৃষ্টি আকর্ষণঃ

    বরাবরের মত আবারও বলছি,
    আমার লিখা কপি করার চিন্তাও করবেন না।
    সুস্থ্য মস্তিকের মানুষ হলে,

    আশা করি মনে রাখবেন কথাটা।

    আর একান্তই যদি কোনো প্রয়োজন হয়,তবে ফেইসবুকে নক করতে পারেন।
    আর ইচ্ছে করলে আমার YouTube চ্যানেল থেকে ঘুরে আসতে পারেন।
    নিয়মিত আপডেট পেতে আশা করি Subscribe করে রাখবেন।

    “ধন্যবাদ”

    The post [Must Read] FTP ও BDIX এর আদ্যোপান্ত। (Boost Your Internet Speed) appeared first on Trickbd.com.


    Sunday, December 22, 2019

    বিকাশ অ্যাপ দিয়ে এখন ক্যাশআউট চার্জ হাজারে ১৭.৫ টাকা

    বিকাশ অ্যাপ দিয়ে এখন ক্যাশআউট চার্জ হাজারে ১৭.৫ টাকা

    বিকাশ তাদের অ্যাপ পাবলিশ করা উপলক্ষে প্রমোশনাল অফার হিসেবে অ্যাপ থেকে সেন্ড মানি ফ্রি এবং ক্যাশআউট চার্জ হাজারে ১৫ টাকা করেছিলো কিন্তু তাদের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী এখন থেকে মাসে প্রথম ৫ বার সেন্ড মানি চার্জ ফ্রি থাকবে এবং ষষ্ঠ বার থেকে প্রতি সেন্ড মানি তে ৫ টাকা করে কেটে নেওয়া হবে এবং হাজারে ক্যাশআউট চার্জ থাকবে ১৭.৫ টাকা যা ইউএসএসডির মাধ্যমে করলে থাকতো ১৮.৫ টাকা।

    তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া নোটিস অনুযায়ী এই চার্জ ২২ ডিসেম্বর, ২০১৯ থেকে কার্যকর করা হবে।

    The post বিকাশ অ্যাপ দিয়ে এখন ক্যাশআউট চার্জ হাজারে ১৭.৫ টাকা appeared first on ATC ToTo.