Sunday, July 31, 2022

সামনের মাসেই আসছে আইফোন ১৪ সিরিজ! কি নতুন চমক থাকছে এবারে সিরিজে?

সামনের মাসেই আসছে আইফোন ১৪ সিরিজ! কি নতুন চমক থাকছে এবারে সিরিজে?


গুঞ্জন উঠেছে এপেল তার পরবর্তী প্রজন্মের

iphone14

সিরিজের স্মার্টফোন লঞ্চ করতে চলেছে।

প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম গুলো জানিয়েছে

আগামী দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে সংস্থাটি আলোচ্য সিরিজের ঘোষণা করতে পারে। আই ফোনে নতুন সিরিয়াল ট্রাইল প্রোডাকশন ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এক মাসের মধ্যেই শুরু হবে বিপুল পরিমাণ উৎপাদন! লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছালে সেপ্টেম্বরেই ফোনটি উন্মোচন করা হবে।

ধারণা করা হচ্ছে আগামী

১৩ সেপ্টেম্বর

আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসার ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। প্রতিবছর ঠিক এই দিনে সংস্থাটি তাদের iphone সিরিস উন্মোচন করে থাকে তাই এই বছরও তার ব্যতিক্রম ঘটবে না বলে মনে করা হচ্ছে।

অ্যাপেল কর্তৃপক্ষ এসব বিষয় নিয়ে অফিসিয়াল ভাবে এখনো কিছুই জানায়নি, তবে ইতিমধ্যে ফাঁস হয়ে গেছে বাজারে আসতে যাওয়া নতুন মডেলের স্পেসিফিকেশন।

এবারও আইফোন ১৪ সিরিজের চারটি ভেরিয়েশন দেখতে পাবেন গ্রাহকরা

এগুলো হলো আইফোন ১৪, আইফোন ফোরটিন ম্যাক্স, আইফোন ফোরটিন প্রো, এবং আইফোন ফোরটিন প্রো ম্যাক্স।


এর মধ্যে আইফোন ১৪ ম্যাক্স, এবং আইফোন ফোরটিন প্রো ম্যাক্স, এর ডিসপ্লের আকার বড় হবে।  তুলনামূলকভাবে ছোট ডিসপ্লে থাকবে! আইফোন ফোরটিন এবং আইফোন প্র মডেল এ।

ম্যাক্স এবং প্রো মেক্স এর ডিসপ্লের আকার হবে ৬.৭ ইঞ্চি! অপরদিকে iphone ১৪ এবং ১৪ প্র তে ৬.১ ইঞ্চি ডিসপ্লে দেওয়া হতে পারে।

ইতিমধ্যে ১৪ সিরিজের মডেলের দাম ও প্রকাশ্যে এসেছে!

সবগুলো ভার্সন ই পূর্বের চেয়ে বেশি অর্থ দিয়ে কিনতে হবে গ্রাহকদের।

iPhone 14 & iPhone 14 Max নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে

৮৯৯ এবং ৯৯৯ ডলার

আর বাকি দুইটা ভার্সন কিনতে চাইলে গ্রাহকদের ব্যয় করতে হবে ১০৯৯ এবং ১১৯৯ ডলার।

প্রতিটি নতুন সিরিজেই গ্রাহকদের জন্য চমক রাখে আপেল সংযুক্ত করা হয় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

দুইটা ভেরিয়ান্টের ডিসপ্লের সেপে আনা হচ্ছে পরিবর্তন!

১৪ প্রো এবং ফোরটিন প্রো ম্যাক্সে মডেলে দুটিতে তিল শেপ ডিজাইনের ডিসপ্লে দেখা যাবে।
যেটি পূর্ববর্তী কোন iphone সিরিজে দেখা যায়নি।

তবে বাকি দুটি মডেলের ডিসপ্লেতে কোন পরিবর্তন আসবে না, সেগুলো পূর্বের মতোই হোয়াইট নস স্টাইলে ডিসপ্লে ডিজাইনের সঙ্গে বাজারে আসবে।


ধারণ করা হচ্ছে সবগুলোতে লাগানো হবে লেটেস্ট

a16 bionic chipset

অনেকে আবার বেস মডেল দুটিতে পুরোনো a15 bionic chipset দেওয়া হবে বলে দাবি করছেন।

নতুন সিরিজের চারটি ভেরিয়েশনেই দেওয়া হবে ৬ গিগাবাইট র্যাম।

ব্যাটারির সক্ষমতা আসতে পারে পরিবর্তন। এগুলোতে থাকবে ২০ ওয়ার্ডের ফার্স্ট চার্জিং সাপোর্ট।

ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বড় চমক আসতে চলেছে, আইফোন ১৪ প্রো এবং আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্স এর ক্যামেরায়।

এগুলোতে থাকবে

ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ

যার মধ্যে একটি হবে পূর্বের মডেল আইফোন থার্টিন প্রো ম্যাক্স এর চাইতেও ৬৭% বড় সেন্সর যুক্ত ৪৮ মেগাপিক্সেল।
এছাড়াও থাকবে

১২ মেগাপিক্সেলের

একটি করে আল্ট্রা অয়াইড এবং টেলি ফটো ক্যামেরা।

অপরদিকে আইফোন ১৪ এবং iphone ১৪ ম্যাক্স এ থাকবে ডুয়েল ক্যামেরা সেটআপ! যার মধ্যে

১২ মেগাপিক্সেলের

একটি প্রধান ক্যামেরা এবং আরেকটি ১২ মেগাপিক্সেলের আলট্রা ওয়াইট ক্যামেরা।

সেলফি ক্যামেরায় থাকছে অটো ফোকাস প্রযুক্তি ফাইভ এলিমেন্টের পরিবর্তে থাকবে ৬ এলিমেন্ট লেফট এর ফলে সেলফি ক্যামেরায় আগের চাইতে অনেক ভালো মানের ছবি তুলতে পারবেন গ্রাহকরা।

১৩ সেপ্টেম্বর লঞ্চ করা হলে

এর তিনদিন পর থেকে শুরু হবে ডিভাইস গুলোর জন্য প্রি অর্ডারের কার্যক্রম! আর শিপমেন্ট শুরু হতে হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।


YouTube Monetization Offer
৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং ১০০০ সাবস্ক্রাইবার নিন মাত্র ৩০৯০ টাকায়। ১০০% সেভ ওয়ে।✅
Contract Facebook: facebook.com/imran.sameya

আজকের মত এখানে ই শেষ করছি আশা করছি খুব শিগগিরই নতুন কিছু নিয়ে হাজির হচ্ছি সেই পর্যন্ত সাথেই থাকুন ট্রিকবিডির ধন্যবাদ।❤

The post সামনের মাসেই আসছে আইফোন ১৪ সিরিজ! কি নতুন চমক থাকছে এবারে সিরিজে? appeared first on Trickbd.com.


FACEBOOK এর হিস্টোরিতে দুইটি সিক্রেট টিপস।

FACEBOOK এর হিস্টোরিতে দুইটি সিক্রেট টিপস।

হেই, আমি অনামিকা চৌধুরী কি অবস্থা সবার? চিনতে পেরেছেন? জানি ভুলে গেছেন বাট আমি কিন্তু আপনাদেরকে ভুলি নাই।
কিছু প্রবলেমের কারণে ট্রিকবিডি থেকে ছিটকে গেছিলাম! যদিও সেসব প্রবলেম ট্রিকবিডি টিমের সাথে কথা বলে সলভ করে নিয়েছি।

এনিওয়ে বলে রাখি, আমি কিন্তু এখন ট্রিকবিডির ভেরিফাইড✔ একজন মেয়ে অথর। তাই কমেন্ট সেকশনে আজাইরা ছেলে-মেয়ে ছেলে মেয়ে কমেন্ট কইরেন না যেটা খুবই বিরক্তিকর লাগে।

তো সবকিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে চাই নতুন কিছু শেখাতে বা শিখতে চাই আশা করছি আপনাদের সাপোর্ট পাবো।

যাহোক মূল টপিকে চলে যাই! অনেকদিন লেখালেখি নাই বানান বা অন্য কোন ইস্যু থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। তো অনেকদিন পর যেহেতু পোস্ট লিখতে বসেছি তাই মেসেঞ্জার এর স্টোরির ওপর ছোট দুইটা সিক্রেট শেয়ার করব।

যে দুটি বিষয়ে কথা বলবো-


১। স্টোরি তে কিভাবে ৩০ সেকেন্ডের উপরে ভিডিও আপলোড করা যায়।
২। কিভাবে ফেসবুক স্টোরি ভিডিও ডাউনলোড করা যায়

তো আগেই বলে রাখি এই দুইটা সিক্রেট ট্রিকস হয়তো অনেকের জানা থাকতে পারে! আবার অনেকের অজানাই রয়ে গেছে।

যাদের এই ট্রিকস দুটি অলরেডি জানা আছে তারা এখনই স্কিপ করে চলে যেতে পারেন! আজ যাদের জানা নাই তারা অবশ্যই আগ্রহের সাথে পোস্টটি পড়তে থাকুন।

আমরা জেনে থাকি সাধারণত ফেসবুক স্টোরিতে সর্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও আপলোড করা যায়! কিন্তু আপনার ধারণা একদমই ভুল কারণ একটু বুদ্ধি খাটালেই ৩০ সেকেন্ড না ১০ ঘন্টার ভিডিও (ও ) স্টোরিতে দেওয়া যায়।

তো এই কাজটি করার জন্য! অবশ্যই ফোনে মেসেঞ্জার ইন্সটল থাকতে হবে।
এখন মোটামুটি সবার ফোনেই মেসেঞ্জার আমরা দেখে থাকি আর না থাকলে আপনি অবশ্যই গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিবেন।

১। প্রথমে মেসেঞ্জার ওপেন করুন-এরপর যে কারো ইনবক্সে চলে যান। যে কেউ হতে পারে আপনার ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড ইত্যাদি ইত্যাদি।

২। ইনবক্সে যাওয়ার পর আপনি আপনি নিচে দেখতে পারবেন আপনার ফোনের গ্যালারির মত একটি আইকন রয়েছে ওখানে ক্লিক করবেন।

৩। এবার আপনি যে লং ভিডিওটা হিস্টোরিতে দিতে চান! সেটা ২০ মিনিট হোক ৫০ মিনিট হোক আর ২ ঘন্টা হোক সেটার উপর ক্লিক করুন।

৪। এবার দেখুন দুইটা বাটন দেখতে পারতেছেন বাম পাশে (এডিট) এবং ডান পাশে (সেন্ড) নামের। তো আপনি সরাসরি ইডিট এর উপর ক্লিক করুন।

৫। এবার নিচে বাম পাশে দেখতে পারবেন ইউর স্টোরি নামে একটা অপশন রয়েছে! কোন কিছু না ভেবেই ওইটার উপর ক্লিক করে দিন।

মোটামুটি আপনার কাজ শেষ এবার আপনার ভিডিও যতই লম্বা হোক না কেন! সেটি হিস্টোরিতে আপলোড হয়ে যাবে, এবং সবাই তা দেখতে পারবে।

তোর প্রথম সিক্রেট টি মোটামুটি আমরা সবাই জেনে নিলাম এবার চলুন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে যেনে নেওয়া যাক।

কিভাবে ফেসবুক স্টোরি ভিডিও ফোনের গ্যালারিতে সেভ করবো?

আমাদের অনেকেই ফেসবুক স্টোরি ভিডিও দেখে থাকি। তো দেখতে দেখতে অনেক সময় একটা ভিডিও অনেক ভালো লেগে যায়।
কিন্তু আমরা সেটি ফোনে গ্যালারিতে সেভ করতে পারি না।
এর ফলে ওই ব্যক্তির ইনবক্সে গিয়ে ভিডিওটি চাইতে হয় , যেটা অনেকের কাছে ভালো নাও লাগতে পারে।

তবে আপনি এখন চাইলেই যে কারো স্টোরি ভিডিও ফোনের গ্যালারিতে সেভ করে নিতে পারবেন (উইথআউট পারমিশন।)
এটি করা ও খুবই সোজা আপনার ফোনের মধ্যে যে কোন একটা ব্রাউজারে চলে যাবেন।

আমি সব সময় গুগল ক্রোম সাজেস্ট করি এটা অনেক ভালো একটা ব্রাউজার। তো আপনিও গুগল ক্রোমে চলে যান।

এরপর যা করবেন-


১। আপনি ভিজিট করবেন www.facebook.com । এরপর আপনি আপনার ইমেল পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নিবেন

২। লগইন করার সাথে সাথে সরাসরি আপনাকে ফেসবুকের মধ্যে রিডারেক্ট করে নিয়ে চলে যাবে! এবার আপনার যেই ভিডিওটা পছন্দ ওই ভিডিওটাতে ক্লিক করুন। তারপর উপরে থ্রি ডট এ ক্লিক করুন।

৩। এবার নিচে খেয়াল করলে দেখবেন সেভ ভিডিও নামে একটা অপশন আছে ওখানে ক্লিক করবেন।

ব্যাচ শেষ মোটামুটি আপনার ফোনের গ্যালারিতে ভিডিওটি সেভ হয়ে যাবে। খুবই সহজ একটা প্রসেস।

অনেকদিন পর পোস্ট লিখলাম কেমন হলো জানিনা তবে আমি আশা করলাম আপনার কাছে ভালো লেগেছে আর্টিকেলটি। যদি ভালো লেগেই থাকে তাহলে একটা লাইক মাস্ট আমার জন্য।

কোন প্রবলেম ফেস করলে ফেসবুকে আমি- https://www.facebook.com/Anamika016

শেয়ার করতে পারেন ফেসবুক সহ নানা সোশ্যাল মিডিয়াতে। তো এখানেই বিদায় নিচ্ছে আজ দেখা হচ্ছে ইনশাল্লাহ তাড়াতাড়ি! সবাই ভালো থাকুন নিজের খেয়াল রাখুন আল্লাহ হাফেজ ❤

The post FACEBOOK এর হিস্টোরিতে দুইটি সিক্রেট টিপস। appeared first on Trickbd.com.


জেনেনিন উইন্ডোজ home, pro, enterprise ও education এর মধ্যে পার্থক্য। আপনি কোনটা ইন্সটল করবেন।

জেনেনিন উইন্ডোজ home, pro, enterprise ও education এর মধ্যে পার্থক্য। আপনি কোনটা ইন্সটল করবেন।

আসসাামুআলাইকুম বন্ধুরা। কেমন আছেন সবাই। আশাকরি মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে সকলে বেশ ভালো আছেন।







আজকে আমি আপনাদের সামনে নিয়ে হাজির হলাম উইন্ডোজ 10 বা 11 এর যে 4টি ভার্সন রয়েছে home, pro, enterprise, education. এই চারটি ভার্সন এর মধ্যে পার্থক্য কি? এই বিষয় টি অলরেডি অনেকই জানেন। আবার অনেকই আছেন যারা হয়ত এখনও এই ভার্সন গুলোর পার্থক্য টি জানেন না। যাঁরা জানেন না তারা এই পোষ্টে জেনে নিন। আমি সিরিয়াল অনুযায়ী এক এক করে সবগুলো পার্থকের বিষয় উল্লেখ করছি।







১. Ram
এই চারটি ভার্সনের মধ্য সর্ব প্রথম যেই পার্থক্য টি রয়েছে সেটি হচ্ছে ram. আপনি একটি হোম ভার্সন এর সর্বোচ্চ 128 জিবি ram ব্যাবহার করতে পারবেন। এর বেশী করতে পারবেন না।







আপনার মাদারবোর্ড এ সাপোর্ট করলেও আপনি পারবেন না। এবং হোম ছাড়া বাকি যেই তিনটি ভার্সন রয়েছে pro, enterprise, education ভার্সন গুলোতে সর্বোচ্চ ২ টেরাবাইট ram ব্যাবহার করতে পারবেন। যদিও এত পরিমাণ ram এখোন কোনো পিসিতে দরকার হয়না।







২. ডোমেইন জয়েন
ডোমেইন জয়েন সিস্টেম টি হচ্ছে যারা ইন্টার প্রাইজ ইউজার তারা তাদের ওয়েবসাইটের ডোমেইন(ডোমেইন হচ্ছে ওয়েব সাইট এর নাম। Trickbd হচ্ছে একটি ওয়েসাইট। আর trickbd.com নাম টি হচ্ছে এই ওয়েব সাইট এর ডোমেইন।) কে আপনার পিসির সাথে সংযুক্ত করতে পারবেন।


এই ফিচার টি শুধুমাত্র pro, enterprise, ও এডুকেশন ভার্সন এ রয়েছে।







৩. Group policy management
তৃতীয় বিষয় টি হচ্ছে গ্রুপ পলিসি ম্যানেজমেন্ট। মনে করুণ কোনো এক রুমে বা প্রতিষ্ঠান এ অনেকে গুলো পিসি রাখা আছে। এবং চাচ্ছেন একটি সেটিং পরিবর্তন করতে। এক্ষেত্রে আপনাকে করতে হবে কি প্রত্যেকটা পিসি ওপেন করে সেটিং টি পরিবর্তন করা। কিন্ত এমন টা আসলে করতে হবে না।

আপনি চাইলে একটি পিসি তেই আপনার পছন্দের সেটিং টি পরিবর্তন করে করে। অন্য সমস্ত পিসির সাথে সংযোগ করে সমস্ত পিসিতে এক সাথে সেটিং টি পরিবর্তন করতে পারবেন এই Group policy management এর মাধ্যমে। এই ফিচার টিও শুধুমাএ pro, enterprise ও education ভার্সন এ রয়েছে।







৪. Bitlocker
৪থ পার্থক্য টি হচ্ছে Bitlocker. ইহার মাধ্যম এ আপনি কোনো অ্যাপস কে বা ডেটা কে lock করে রাখতে পারবেন। এটাও শুধুমাত্র pro, enterprise ও education ভার্সন এ ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

৫. Enterprise mode explorer

এই ফীচার টি আমার কাছে সবচেয়ে বেশী আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। আপনারা অনেকেই আছেন যাঁরা old version এর ব্রাউজার ও software ব্যাবহার করতে পছন্দ করেন।

তাদের জন্য জন্যই রয়েছে এই enterprise mode internet explorer. ইহা সম্পুর্ন ওল্ড version। এই ফিচার টিও pro, enterprise ও education মোড এর জন্য।







৬. Assigned Access
আপনি যদি চান কোনো একটি specific অ্যাপ আপনার পিসিতে রান করবে বাকি সমস্ত অ্যাপ বন্ধ থাকবে। এবং রান হাওয়া অ্যাপ থেকে বের হতে পারবেন না। তাহলে আপনি এই ফীচার টি ইউজ করতে পারেন।

৭. Remote Dextop Connection
এটা মূলত TeamViewer(TeamViewer হচ্ছে এমন একটি software যার মাধ্যমে একটি পিসি থেকে অন্য পিসি তে অ্যাকসেস নেওয়া যায়। অর্থাৎ মনে করুণ আপনার পিসিতে একটি সমস্যা হয়েছে যা আপনি ঠিক করতে পারছেন না। আপনি ব্যাপার টি আমাকে জানালেন। আমি আপনাকে TeamViewer অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বললাম। আপনি বাসায় যেয়ে অ্যাপ টি আপনার পিসিতে download করলেন ইন্সটল করলেন। এরপর সেই অ্যাপ এ আপনার একটি ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দেখাবে সেটি আপনি আমাকে জানিয়ে দিবেন ফোন কল বা মেসেজ এর মাধ্যমে। তারপর আমি পিসিতে বসে ইন্টারনেট কানেকশন এর মাধ্যমে আপনার পিসি চালাতে পারবো। আর যেই সেটিং টি তে আপনার সমস্যা হচ্ছে সেটি আমি আমার ঘরে বসেই সমাধান করে দিতে পারব। ইহা মোটেই ঝুঁকিপূর্ণ নয়। লিগ্যাল process. আপনি দেখতে পারবেন আমি কিভাবে আপনার পিসি চালাচ্ছি। ) সটওয়্যারটির মত।

Remote Dextop Connection এও TeamViewer এর মতো একজন আর একজন এর পিসি চালাতে পারে ঘরে বসে ইন্টারনেট কানেকশন এর মাধ্যমে। এই ফিচার টি home ভার্শন এ মাত্র একপাশ আছে। বাকী ভার্সন গুলোতে দুইপাশ আছে। অর্থাৎ আপনি অন্য ভার্সন থেকে হোম ভার্সন কে কন্ট্রোল করতে পারেন। কিন্তু হোম ভার্সন দিয়ে কোনো পিসি কে কন্ট্রোল করতে পারবেন না।






৮. Windows to go
মনে করুণ আপনার পিসি তে আপনি অনেক গুলো সেটিং নিজের মত করে রেখেছেন। এবং অনেক গুলো সটওয়্যার ইন্সটল করে রেখেছেন মানে আপনার নিজের মত করে সাজিয়ে রেখেছেন। ফলে আপনার পিসি আপনি সুবিধা মত ব্যাবহার করতে পারছেন। কিন্তু আপনি শুধুমাত্র এই সুবিধা টি আপনার পিসি তেই ব্যাবহার করছেন। আপনি তো সেটা অন্য কারো পিসিতে ব্যাবহার করতে পারছেন না।

Windows to go এর মাধ্যমে আপনি আপনার উইন্ডোজ কে পেনড্রাইভ এর ভিতর লাইভে বুট করে পরে সেটা যে কারো পিসিতে ব্যাবহার করতে পারবেন। এবং তখন অন্য পিসিতেও আপনার উইন্ডোজের মত করে রাখা সমস্ত সেটিং ও সটওয়্যার দেখতে পাবেন। এই ট্রিক টি pro ভার্সন এও ব্যাবহার করা যায়না। শুধুমাত্র enterprise ও education ভার্সন এ ব্যাবহার করা যায়।







৯. Applock
পরবর্তি ফীচার টি হচ্ছে অ্যাপ লক। আপনারা সকলেই জানেন অ্যাপ লক এর কাজ কি। তাই এটা আমি আর বলছি না। এই ফিচার টি ও শুধুমাত্র enterprise ও education Mode এ রয়েছে।







তাছারা আমি নীচে যেই পিক টি দিয়েছি সেটির মাধ্যমে আপনি আরো ভালোমত বুঝতে পারবেন এই তিনটি ভার্শন এর পার্থক্য। আর হ্যা। উইন্ডোজ 10 ও 11 এ enterprise ও education Mode এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই enterprise হচ্ছে শুধুমাত্র ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠান এর জন্য। Education ভার্সন ব্যাবহার করা হয় শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ ব্যাবহার করার জন্য।

আজকের পোস্ট টি তাহলে এই পর্যন্তই থাক। আপনারা সকলেই ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন। আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানান। আর আমার পরবর্তী পোস্ট টি কিসের উপর চান সেটি আমাকে জনিয়ে দিন কমেন্টে, জিমেইল এ, অথবা টুইটারে।
জিমেইল: marufkhan1215@gmail.com
Twitter: 1215maruf

The post জেনেনিন উইন্ডোজ home, pro, enterprise ও education এর মধ্যে পার্থক্য। আপনি কোনটা ইন্সটল করবেন। appeared first on Trickbd.com.


চলে আসলো YouTube Vanced এর বিকল্প YouTube Vanced Extended, Ads কে গুডবাই।

চলে আসলো YouTube Vanced এর বিকল্প YouTube Vanced Extended, Ads কে গুডবাই।

আসসালামু আলাইকুম
অনেক দিন পর লিখতে বসলাম। আশা করি সকলে অনেক অনেক ভালো আছেন।
১০০ তম পোস্টি স্পেশাল রাখতে চায়েও পারি নাই।
কিন্তু আজকের পোস্ট টা কিছুটা হলেও স্পেশাল। শুধু তাদের জন্য যারা YouTube এর বিজ্ঞান বিরতিতে বিরক্ত তাদের জন্য।

কয়েক মাস আগে YouTube Vanced অফিসিয়াল ভাবে তাদের apps বন্ধ করে দেওয়ার নোটিশ দিয়েছে। কারণ গুগল থেকে তারা একটি লিগ্যাল চিঠি পেয়েছিলো। যাই হোক এত গভীরে না যাওয়াই উত্তম।

সেই সাথে ম্যাজিস্ক ও বারটা বাজাইছে।

এখন কাজের কথায় আসি। Original YouTube Prime এর মজা এখনো যদি নিতে চান। তো YouTube Vanced এর বিকল্প নেই। কারণ এটার মত আর কোনো apps দারে কাছে নাই।

যাই হোক বন্ধ হওয়ার পর আমরা অনেক কষ্ট পাইছি। কি আর করার।
কিন্তু আমাদের মত পাগলাদের জন্য YouTube Vanced এর বিকল্প চলে এসেছে বাজারে।

এটির নাম হচ্ছে Vanced Extended
অনেকে হয়তো যাবেন। আবার অনেকে আবার নতুন লাগতে পারে।
আমি বেশ কিছু দিন ব্যবহার করেছি।
শুরুতে আমার কাছে কিছুটা slow মনে হইছে কিন্তু সব ঠিক আছে। হয়তো সামনের আপডেট এ সব কিছু, ঠিক করে ফেলবে।
এটায় অনেক নতুন ফিচার যুক্ত করেছে।
এই apps এর ভিতর ইন্টানাল ডাউনলোড ম্যানাজার add করা আছে।
যার জন্য আর আপনাকে Vitmat, Tubemat, snaptube ব্যাবহার করতে হবে না।
উপরের স্কিশর্ট দেখেই হয়তো বুঝে গিয়েছেন।
এর মধ্যে রয়েছে অন্ধকার মোড (Dark Mod)
Picture in Picture মদে

মানে হইছে কি ভিডিও ব্যাকগ্রাউন্ড এ প্লে করে আরামছে ফেসবুক স্কোলিং, ম্যাসেনঞ্জারে চ্যাটিং সহ ফোনের যাবতীয় আসবার পত্র নাড়াচাড়া করতে পারবেন।
এর পর গান প্লে করে ফোন লক করে,, পকেট এ ডুকিয়ে রাখলেও গান প্লে হতেই থাকবে।
তো এখনো কি দেরি করবেন। চট পট ডাউনলোড করে ফেলুন। লিংক দিচ্ছি।
এর জন্য টেলিগ্রাম লাগবে Link
এট্টু জগা খিচুরি টাইপের পোস্ট করলাম।
এটার ফিচার সম্পর্কে পূর্ন ধারণা পেতে এই পোস্ট এ ঘুরে আসুন
এই পোস্ট এ ফোনে সেট আপ করার সকল প্রসেস দেওয়া আছে।

The post চলে আসলো YouTube Vanced এর বিকল্প YouTube Vanced Extended, Ads কে গুডবাই। appeared first on Trickbd.com.


[বাউন্টি – ০১] সম্পূর্ণ ফ্রিতে নিয়ে নিন মিনিমাম ৮$ থেকে আনলিমিটেড। ১০০% গ্যারান্টিড – আসল আর্নিং পোস্ট।

[বাউন্টি – ০১] সম্পূর্ণ ফ্রিতে নিয়ে নিন মিনিমাম ৮$ থেকে আনলিমিটেড। ১০০% গ্যারান্টিড – আসল আর্নিং পোস্ট।

কথা দিয়েছিলাম অথেনটিক বাউন্টি নিয়ে আপনাদের আপডেট দিবো। টেলিগ্রাম যা গতকালকেই শুরু হয়ে গিয়েছে কিন্তু ট্রিকবিডিতে তা আজকে থেকেই শুরু হয়ে গেলো। আমার সাথে আপনারা প্রথম কাজ করবেন UUEX বা USDT ওয়েবসাইটটি নিয়ে নিয়ে। যারা বাউন্টি এবং আমার করা বাউন্টি বিষয়ে প্রথম পোস্টটি মিস করেছেন তারা নিচের লিংক থেকে পড়ে আসুন।

লিংকঃ বাইন্টি হান্টিং নিয়ে বিস্তারিত – সম্পূর্ণ ফ্রিতে আয়, দরকার শুধুমাত্র ধৈর্য্য

Image-01

যদি ধৈর্য্যসহকারে কাজ করতে পারেন তবেই কাজটি করবেন। যদিও বেশি কাজ নেই। শুধুমাত্র অ্যাকাউন্ট তৈরি করে KYC ভ্যারিফাই করা এবং ৭দিন কনটিনিউওয়াসলি সাইনইন করা। আপনি কী প্রস্তুত আমার সাথে জার্নি করার? চলুন শুরু করি >

 

 

ধাপে ধাপে কাজ বা প্রসেস –

  • প্রথমে লিংকে ক্লিক করে ভালো করে একটি অ্যাকাউন্ট করে নিবেন। মোবাইল নাম্বার দিয়ে অ্যাকাউন্ট করার সময় কান্ট্রি কোড (+৮৮০) দিয়ে নাম্বারের ঘরে ১৭১৮৯৩৮৩৯৯ এভাবে নম্বর দিবেন। 

Image-02

  • মোবাইল নান্বার বা ইমেইল দেওয়ার পর পাসওয়ার্ড দিবেন। পাসওয়ার্ডটিতে ইংরেজি লেটার এবং সংখ্যা দুইটার কম্বিনেশন থাকতে হবে এবং কমপক্ষে পাসওয়ার্ড ৬টি সংখ্যার হতে হবে। যেমনঃ 87gH87gH [Image-02 দেখুন]
  • রেজিস্ট্রার বাটনে ক্লিক করার পরে ভেরিফিকেশন কোড দিতে বলবে। এখানে সবার আগে [Send] বাটনে ক্লিক করবেন। [Send] বাটনে ক্লিক না করলে ভেরিফিকেশন কোড পাবেন না।

Image-03

  • ধরে নিলাম, আপনারা অ্যাকাউন্ট করে ফেলেছেন। এখন Google Play Store এ যাবেন এবং সেখান থেকে UUEX অ্যাপটি ইন্সটল করে লগইন করবেন। অথবা, ডাউনলোড করুন এখান থেকে – Google Play Store Link

Image-04

  • অ্যাপ ইন্সটল হয়ে গেলে সেখানে লগইন করুন। লগইন এর পর বা দিকের কোনে ক্লিক করে প্রোফাইলে ঢুকবেন। সেখানে নিচের দিকে Security Settings অপশন পাবেন। সেখানে সঠিকভাবে Mobile, Email এবং Identity Verification[KYC] করে নিবেন।

Image-04

Image-05

  • Identity Verify হয়ে গেলে অ্যাপের হোমপেজে আসবেন এবং হোমপেজে থাকা Activity Centre এ প্রবেশ করবেন। অ্যাপটির ইন্টারফেজ অনেক সুন্দর খুজে পেতে সনস্যা হবে না আশা করি 😋

Image-06

  • Activity Centre এর মধ্যে Continues Sign in Event খুজে বের করে সেখানে Sign in করবেন। ইভেন্টটি একটু নিচের দিকে পাবেন।

Image-07

 

 

শর্তসমূহ –

  • যারা কাজ করবেন বিষয়টিকে একটু সিরিয়াসলি নিয়ে কাজ করবেন।
  •  টানা সাতদিন সাইন ইন না করলে কিন্তু তারা ডলার দিবে না।
  • ৮$ আপনি সঙ্গে সঙ্গেই উইথড্র দিতে পারবেন না। আপনাকে সাতদিন পরে ২টি ব্যাটেলে অংশ নিতে হবে লস হলে ৬$ এবং লাভ হলে আনলিমিটেড অ্যামাউন্ট নিজের পকেটে পুরতে পারবেন।
  • ৬$ মিনিমাম আর্নিং হবে এখানে, ম্যাক্সিমামের কোন হিসেব নাই 😀
  • ব্যাটেল নিয়ে ভয় পাবার কিছু নেই। ব্যাটেলে সহায়তা আমি করবো।

 

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আপনাদের ইন্সপায়রেশন আমার জন্য অনেক। এই পোস্ট কপি করে অন্য যায়গায় না দেওয়ার জন্য বলা হইলো, চাইলে আপনারা আপনাদের বন্ধুবান্ধবদের চ্যানেলে এড দিয়ে আমাকে আপনাদের কাছে আরও বাউন্টি শেয়ার করার জন্য অনুপ্রেরণা দিতে পারেন, ধন্যবাদ।

সবার আগে আপডেট পেতে জয়েন করুন টেলিগ্রাম চ্যানেলে- Bounty With Hossain 

টেলিগ্রামে আমিঃ Najmul

কোন সমস্যা হলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

The post [বাউন্টি – ০১] সম্পূর্ণ ফ্রিতে নিয়ে নিন মিনিমাম ৮$ থেকে আনলিমিটেড। ১০০% গ্যারান্টিড – আসল আর্নিং পোস্ট। appeared first on Trickbd.com.


Saturday, July 30, 2022

পরিচিত হয়ে নিন ই-বুক ও জনপ্রিয় কয়েকটি ই-বুক রিডারের সাথে

পরিচিত হয়ে নিন ই-বুক ও জনপ্রিয় কয়েকটি ই-বুক রিডারের সাথে

জেনে নিন সারা বিশ্বে জনপ্রিয় এমন কয়েকটি সেরা ইবুক রিডার সম্পকে

ই-বুক শব্দটির সাথে পরিচিত না থাকলেও আমরা মুটামুটিভাবে ই-বুকের সাথে পরিচিত । আমরা নিজের অজান্তেই ই-বুকের সাথে পরিচিত আছি । এই ইবুক ও ইবুকের ব্যবহার সম্পকে চলুন একটু জেনে নিই ।

ই-বুক কী??

ই-বুক শব্দটির পূণরুপ হলো ইলেক্ট্রনিক বুক বা বই । যে সকল বই সমূহ ইলেক্ট্রনিক রুপে সংরক্ষণ করা হয় এবং পরবতীতে তা পুনরায় ব্যবহার করা যায়,এরূপ বইগুলোকে এক কথায় ই-বুক বলে । আজকাল অধিকাংশ বই এই পদ্ধতিতে সংরক্ষিত আছে । এই ই-বুক সাধারণত ৫টি পদ্ধতিতে প্রকাশিত হয় । এগুলো যথাক্রমে নিম্নে প্রকাশিত হলো :

১। ই-বুক প্রথমত বিভিন্ন ফরম্যাটে ফাইল আকারে প্রকাশিত হয় । এই ফাইলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য : পিডিএফ .pdf(পোটেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট), টেক্সট(.txt), জিপ (.zip) ইত্যাদি ।

২। বিভিন্ন ওয়েবসাইট Html (Hyper text ) আকারে প্রকাশিত হয় ।

৩। অনেক সময় ই-বুক নিজেই একটি অ্যাপস আকারে প্রকাশিত হয় ।

৪। ভিডিও, ছবি, এনিমেশন ইত্যাদি বইয়ের সাথে যুক্ত করে Smart ই-বুক তৈরি করে প্রকাশিত করা হয় । অনেক সময় এই ই-বুক একটি নিদিষ্ট হাডওয়্যারে চলে । উদাহরণ হিসেবে ওপেন কম্পিউটারসের তৈরি আইবুকের কথা বলা যেতে পারে । এটি শুধুমাত্র আইপ্যাড বা ম্যাক কম্পিউটারে ভালোভাবে পড়া যায় ।

৫। ই-বুকের সাথে বাড়তি সুবিধা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটে এক বিশেষ ধরনের ই-বুক প্রকাশ করা হয় । এগুলোর বেশিরভাগ EPUB ফরম্যাটে প্রকাশিত হয় ।

জনপ্রিয় কয়েকটি ই-বুক রিডার

ই-বুক সংরক্ষণ করলেই তো আর মানুষের সুবিধার পরিপূরক হয় না । সেগুলো যদি ব্যবহারের উপযোগী না হয় তাহলে সংরক্ষণ করাটাই বোকামির হবে । এই ই-বুক ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়েছে ই-বুক রিডার । তো এরকম কয়েকটি জনপ্রিয় ই-বুক রিডারের নাম ও তাদের উপকারিতা সম্পকে জেনে নেওয়া যাক । যেসকল ই-বুক রিডার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছেঃ

১। গুগল ড্রাইভ
২। কিন্ডল
৩। আইবুক রিডার
৪। এডোব রিডার

গুগল ড্রাইভ (Google drive) ::

ইন্টারনেট জগতের এক মানবদরদীর নাম বলা যেতে পারে গুগলকে । পৃথিবীর এক বৃহদংশকে নিয়ে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে গুগল । গুগল বিশেষ কিছু সুবিধা দিয়েছে । তাদের মধ্যে অন্যতম গুগল ড্রাইভ । নিজের প্রাইভেসিকে রক্ষা করার সুযোগ দিচ্ছে এটি । পিডিএফ ফাইল ও অন্যান্য ই-বুক সহজেই যেকোন ইন্টারনেট সংযোগকৃত মোবাইলে পড়া যায় । এর আরও একটি সুবিধা হচ্ছে যে কেউ এখানে নিজের গুরুত্বপূণ ফাইল আপলোড করে রেখে দিতে পারে । ই-বুকের যেকোন পেজ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অন্যদের সাথে সহজে ভাগাভাগি করা যায় । প্রিন্টার যুক্ত কম্পিউটারের সাহায্যে ই-বুকের যেকোন পেজ প্রিন্ট করা যায় গুগল ড্রাইভের সাহায্যে ।

কিন্ডল (kindle):

Amazon.com কতৃক প্রকাশিত জনপ্রিয় ই-বুক রিডার কিন্ডল । পিডিএফ,টেক্সট ও অন্যান্য ফাইল ওপেন করা যায় । এমনকি ছবি থেকে পিডিএফ ফাইল তৈরি করা যায় এই অ্যাপের সাহায্যে ।

আইবুক রিডার :

সাধারণত EPUB ফরম্যাটের ফাইলগুলো এখানে ওপেন করা যায় । এই অ্যাপগুলো কিছু নিদিষ্ট ডিভাইসে ভালোভাবে ব্যবহার করা যায় ।

এডোব রিডার (Adobe reader)::

ই-বুকের জন্য শ্রেষ্ঠ রিডার এডোব রিডারকে বিবেচনা করা যেতে পারে । ই-বুক ওপেন করা থেকে প্রিন্ট করা পযন্ত সকল কাজ করা যায় এর সাহায্যে । এমনকি স্ক্যানারের সাহায্যে স্ক্যানারকৃত লেখাগুলো এডোব রিডারের সাহায্যে দেখা যায় । পিডিএফ ফাইল সংশোধন, ডিজাইন করা যায় । Smart টিভিতে এই অ্যাপটি কাযকর ।

তো বন্ধুরা । আজ এতটুকুই ছিল । সবাইকে পহেলা মুহার্রামের অগ্রিম সুভেচ্ছা ।

The post পরিচিত হয়ে নিন ই-বুক ও জনপ্রিয় কয়েকটি ই-বুক রিডারের সাথে appeared first on Trickbd.com.


°টিকটক° এর নামে শুধুই কি অশ্লীলতা? | °TikTok° অ্যাপ নিয়ে কেন এত মাতামাতি???

°টিকটক° এর নামে শুধুই কি অশ্লীলতা? | °TikTok° অ্যাপ নিয়ে কেন এত মাতামাতি???


বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলাদেশে চীনা টিকটক এর ব্যবহার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে, কেউ অর্থ উপার্জনের জন্য আবার কেউবা শখের বসে টিকটকে ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছেন।

এসব ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই রাতারাতি তারকা বনে যাচ্ছেন, নাটক সিনেমা গানের সেলেব্রেটিদের মতো টিকটক সেলিব্রেটিও তৈরি হয়েছে।
যাদের রয়েছে অসংখ্য ফ্যান ফলোয়ারও ।

অনেকের আবার উদ্ভট আচার-আচরণ কিংবা সাজগোজ , বেশ কিছুদিন আগে দেশে গ্রেপ্তার হওয়ার tiktok তারকা অপুর কর্মকাণ্ড নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়।

অপুর মতোই tiktok এর বেশিরভাগ ব্যবহারকারী মূলত কিশোর-কিশোরী ও তরুণ তরুণী। বিভিন্ন অভিযোগে tiktok অ্যাপ  নিষিদ্ধ হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে! টিকটক কি??? কেন এই অ্যাপটি এত জনপ্রিয়? আর কেনই বা এর এত সমালোচনা?

এসব নিয়েই এবারের আর্টিকেল।


টিকটক কি?


ভাইরাল হওয়া মজার মজার নাচ ও ঠোঁট মেলানো হাস্যকৌতুকের ভিডিও তৈরি ও শেয়ার হয় tik tok অ্যাপে। কম বয়সে ছেলেমেয়েদের কাছে এই মোবাইল অ্যাপ টি খুবই জনপ্রিয়।

এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর চাহিদা মত যেকোনো কিছুর সাথে নিজের ঠোট মিলিয়ে ছোট ছোট ভিডিও তৈরি করে তা শেয়ার করা যায়। আবার এর সাহায্যে নিজের পছন্দের গানের সঙ্গে নাচ বা নানা ধরনের কমিটিও তৈরি করা সম্ভব।

স্টিকার ফিল্টার ও অগমেন্টের রিয়েলিটি ও ব্যবহার করা যায় এসব ভিডিওতে , ফ্রি এই অ্যাপটিকে অনেকটা ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ ইউটিউব এর ছোটখাটো সংস্করণ বলা চলে।

TikTok এর যাত্রা শুরুর ইতিহাস।

বর্তমানে টিকটক সম্পূর্ণভাবে চিন ভিত্তিক হলেও টিকটকের যাত্রা শুরু হয়েছিল ভিন্ন ভিন্ন তিনটি অ্যাপ হিসেবে।
প্রথমটি ছিল মার্কিন একটি অ্যাপ যার নাম মিউজিকাল ডট লি, এটি শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে। প্রযুক্তি বিষয়ক চীনা কোম্পানি বাইক ডেন্স ২০১৬ সালে একই ধরনের একটি অ্যাপ চালু করে যার নাম *দই*।

পরে বাইট ড্যান্স টিক টক নাম নিয়ে সারা বিশ্বে তার প্রচার প্রমোশন ঘটাতে শুরু করে! ২০১৮ সালে মিউজিক্যাল কে কিনে নিয়ে তাকেও টিকটকের সঙ্গে একত্রিত করে বাইটডান্স। টিক টক এর প্রধান নির্বাহী সাবেক কর্মকর্তা কেভিন মায়ার।


টিকটক কিভাবে কাজ করে?


tiktok ব্যবহারকারীরা ১৫ সেকেন্ড থেকে ১০ মিনিট পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের ভিডিও পোস্ট করতে পারেন। পাশাপাশি এখানকার বিশাল তথ্যভাণ্ডার থেকে গান ও ফিল্টার বাছাই করতে পারেন।

একজন ব্যবহারকারীর যখন এক হাজারের বেশি ফলোয়ার হয় তখন তিনি তার ভক্তদের জন্য লাইভে আসতে পারেন।

শুধু তাই নয় এখানে তিনি ডিজিটাল উপহারও গ্রহণ করতে পারেন, যা অর্থের সাথেও বিনিময় করা যায়। একজন ব্যবহারকারী যাকে অনুসরণ করেন তিনি তার ভিডিও দেখতে পারেন।

এছাড়াও তিনি আগে যেসব বিষয়ে ভিডিও দেখেছেন। তার উপর ভিত্তি করে তিনি নতুন নতুন ভিডিও দেখতে পারেন , ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যেও ব্যক্তিগত বার্তা আদান প্রদান করতে পারেন এই মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে।

যারা কিছুটা অভিনয় করেন বা কমেডি করতে পারেন, তাদের নিজেদের প্রতিবাদ তুলে ধরার জন্য এই টিকটক একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উঠে এসেছে।


tiktok কি সস্তা জনপ্রিয়তার মাধ্যম?


অনেকের অভিযোগ বিকৃত অঙ্গভঙ্গি এবং অশ্লীল শব্দ ও যৌনতা প্রয়োগ করে শুধু সস্তার জনপ্রিয়তা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই এক শ্রেণীর ব্যবহারকারী টিকটক প্লাটফর্ম ব্যবহার করেন।

শুধু সাধারণ মানুষের নন টিকটক আসক্তিতে মজে আছেন সেলিব্রেটি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।

আর টিকটক এর ব্যবহারকারীদের মধ্যে তরুণ প্রজন্মই বেশি , সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন এই ধরনের ভিডিও আসক্তির পর্যায়ে চলে গেলে তা তরুন সমাজের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।


টিকটক কেন এত জনপ্রিয়?


করোনা ভাইরাস সংকটের সময় tiktok এর জনপ্রিয়তা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে লকডাউনের কারণে ঘর বন্দী মানুষের তীব্র আগ্রহ তৈরি হয় এই অ্যাপের প্রতি।

টিকটক এর মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮০ কোটি! ভারতে টিকটক নিষিদ্ধ করার আগে এটি সেখানে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

সে দেশের ১০ কোটিরও বেশি মানুষ ইতোমধ্যে tiktok ডাউনলোড করেছে! মজার মজার ভিডিও তৈরি ও শেয়ার করা যায় tiktok এ যা তরুণদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

tiktok এর ভিডিও আকারে ছোট ব্যবহার করা সহজ, এবং সব সময় এতে যুক্ত হয় নতুন নতুন ফিচার। ভিডিওতে নিজের কন্ঠ মেলানো বা ঠোঁট মেলানোর সুযোগ রয়েছে।

ভিডিওতে অন্যের কন্ঠ ও ব্যবহার করা যায় ২০১৯ সালের শুরু থেকেই ডাউনলোড চার্টের অন্যতম শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে টিকটক।

গত বছর instagram ও স্ন্যাপচ্যাট কে টপকে বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ ডাউনলোডকারী অ্যাপে পরিণত হয় tiktok এই কোম্পানির মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।


টিকটক কি চিন এর গুপ্তচরের ভূমিকা পালন করে?

টিকটকে ভিডিও সম্পাদনা করা অন্য যেকোনো অ্যাপের ভিডিও এডিট এর চেয়ে সহজ। টিকটক থেকে যেমন বিনোদন পাওয়া যায়, তেমনি এর মাধ্যমে রান্না ফটোগ্রাফি অথবা দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ের টিপস ও পরামর্শ পাওয়া যায়।

টিকটকে কারো সঙ্গে মেসেজ চালাচালি বা যোগাযোগ রক্ষা করার প্রয়োজন পড়ে না, অনেক বেশি লাগামহীনভাবে ভিডিও তৈরি করা যায় এখানে, ভিডিও তৈরি করার হাজার হাজার টেম্পলেট রয়েছে এতে।

এছাড়াও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করে আপলোড দেয়া যায় টিকটকে ,এর ভিডিও গুলো সাধারণত ৫ মিনিটের বেশি হয় না হলে মানুষের আগ্রহ সহজে হারায় না।

আর ভিডিও গুলো কাউকে আকৃষ্ট করতে খুবই কার্য করি। আর এখানে যেমন তেমন কনটেন্ট তৈরি করেও রীতিমত ভালো ভিউ পাওয়া যায়।

টিকটক কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে বহু প্রশ্ন আছে! ডাটা সংরক্ষণ থেকে শুরু করে এর অ্যালগরিদম নিয়ে রয়েছে অনেক রহস্য। একজন ব্যবহারকারী যখন tiktok ব্যবহার করেন তখন তার প্রচুর ডাটা খরচ হয়।

অ্যাপটির কিছু কিছু ডাটা খরচের ধরন দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন। খুব সম্প্রতি জানা গেছে এটি ব্যবহারকারীর কপি ও পেস্ট নিয়মিত মনে রাখে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও অভিযোগ করেছেন যে যারা tiktok ব্যবহার করেন শেষ পর্যন্ত তাদের সব তথ্য চীনের কমিউনিস্ট পার্টি হাতে গিয়ে পড়তে পারে।

টিকটক কর্তৃপক্ষ সব সময় বলে আসছে, ব্যবহারকারীর কাছ থেকে তারা যেসব তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো চীনের বাইরে সংরক্ষণ করা হয়! তারা বলছে যুক্তরাষ্ট্রের ডাটা যুক্তরাষ্ট্রেই সংরক্ষণ করা হয়।

তার ব্যাকআপ রাখা হয় সিঙ্গাপুরে, ইউরোপের গোপনীয়তার সংক্রান্ত ইউনিটেও সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের স্থানান্তর করা হয়েছে।

তবে তাত্ত্বিকভাবে বলা যেতে পারে যে হুয়াওয়ে এর মতো টিকটককের ও বিদেশি ব্যবহারকারীর তথ্যের ব্যাপারে চীনা সরকার হয়তো টিক টক প্রতিষ্ঠানের উপর চাপ তৈরি করতে পারে।

চীনে ২০১৭ সালে যে জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে! সে অনুযায়ী দেশটির যে কোন সংগঠন অথবা নাগরিক রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে সাহায্য সহযোগিতা করতে বাধ্য।

কেন দেশে দেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে টিকটক ?
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ টিকটক এর মত চিনা মোবাইল অ্যাপ তার দেশের নাগরিকদের তথ্য হাতে নিচ্ছে। একই অভিযোগে টিকটক নিষিদ্ধ করেছে ভারত ও।

যদিও সিনা প্রযুক্তি কোম্পানি bitedance লিমিটেড বলছে টিকটক ব্যবহারকারীদের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় বরাবর জোর দিয়েছেন তারা। আবার ইরান পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে টিক টক নিষিদ্ধ করা হয়েছে মূলত অপসংস্কৃতি ও অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে।


টিকটক এর ব্যবহারকারীরা কারা?

সব বয়সীদের কাছেই টিকটক জনপ্রিয়, তবে টিনেজার কিংবা কিশোর কিশোরীদের কাছে অপেক্ষাকৃত বেশি জনপ্রিয় এই অ্যাপটি।

যারা খুব সহজেই হাজার হাজার কিংবা লাখ লাখ ফলোয়ার পেতে চায় তাদের জন্য tiktok খুবই উপযোগী। কারণ সস্তা বিনোদনে খুব সহজেই যে কাউকে ছোটখাটো সেলিব্রেটি করে তুলতে পারে টিক টক।


YouTube Monetization Offer
৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং ১০০০ সাবস্ক্রাইবার নিন মাত্র ৩০৯০ টাকায়। ১০০% সেভ ওয়ে।✅
Contract Facebook: facebook.com/imran.sameya

আজকের মত এখানে ই শেষ করছি আশা করছি খুব শিগগিরই নতুন কিছু নিয়ে হাজির হচ্ছি সেই পর্যন্ত সাথেই থাকুন ট্রিকবিডির ধন্যবাদ।❤

The post °টিকটক° এর নামে শুধুই কি অশ্লীলতা? | °TikTok° অ্যাপ নিয়ে কেন এত মাতামাতি??? appeared first on Trickbd.com.


টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করতে uTorrent এর বিকল্প কিছু সফটওয়্যার।

uTorrent বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে পছন্দের এবং বহুল ব্যবহৃত টরেন্ট ক্লায়েন্টদের মধ্যে একটি। এটি একটি ওপেন-সোর্স অ্যাপ্লিকেশন ছিল। যার মাধ্যমে সহজে টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করা যেত। কিন্তু BitTorrent Inc এটি ক্রয় করার পর থেকে তারা এটিকে ক্লোজড সোর্স বানিয়েছে ওপেন সোর্স বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়াও এটিতে এখন অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন এবং অফার দিয়ে থাকে। এটির একটি প্রিমিয়াম ভার্সন আছে যার কারণে এটির ফ্রি ভার্সনে লিমিটেশন আছে। তাই এখন থেকে এটির সম্পূর্ণ ফিচার ব্যবহার করতে হলে আপনাকে টাকা গুণতে হবে। তাই চিন্তা করলাম এর বিকল্প কোন প্রোগ্রাম আছে কিনা যেগুলো দিয়ে টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করা যায়। অনেক খোজাখুজির পর কিছু বিকল্প প্রোগ্রাম পেয়ে যাই আর তাই চিন্তা করলাম এগুলো আপনাদের সাথেও শেয়ার করি।

uTorrent এর বিকল্প সফটওয়্যারঃ
পিসিতে টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করার জন্য আমরা টরেন্ট ডাউনলোডার হিসেবে সাধারণত uTorrent ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এর মালিকানা পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে এর অনেক পরিবর্তন আসে। যার ফলে ইউটরেন্ট এখন আর আগের মত নেই। তাই এর শূণ্যস্থান পূরণ করতে আমরা নিচ থেকে কিছু বিকল্প টরেন্ট ফাইল ডাউনলোডার অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করব।

Deluge
Tixati
Transmission
BitTorrent
qBittorrent
Vuze

Deluge:

Deluge হল উইন্ডোজের জন্য একটি ওপেন সোর্স এবং ক্রস-প্ল্যাটফর্ম অ্যাপ্লিকেশন। এই টরেন্ট ক্লায়েন্টটি চমৎকার, অতি স্মুথ এবং পাওয়ারফুল। অ্যাপ্লিকেশনটি অনেকগুলি প্লাগইন দ্বারা কাস্টমাইজযোগ্য। টরেন্ট ক্লায়েন্টের ইউজার ইন্টারফেসটি প্রথমে পাওয়া কিছুটা কঠিন। এটি অন্যান্য টরেন্ট ক্লায়েন্টদের থেকে কিছুটা আলাদা। এটির লেআউট চাহিদার তুলনায় বেশি স্মুথ থাকার কারণে ব্যবহার করে আরাম পাবেন। এটি ইনস্টল দেওয়ার সময় স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টলেশনের কারণে সকল প্রয়োজনীয় জিনিসগুলিকে কভার করে যারফলে আলাদা করে আর কোনকিছু ইনস্টল করা লাগবে না এবং কোনরকম ঝামেলা ছাড়াই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

Tixati:

Tixati আরেকটি ফ্রি টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করার সফটওয়্যার। যা uTorrent এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। যদি আপনি এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন খুঁজে থাকেন যা কিনা টরেন্ট ফাইলের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করবে তাহলে এই অ্যাপটি আপনার জন্য। এটি ক্লায়েন্ট ফাইল, ভিন্ন-ভিন্ন, পিয়ার ও ট্র্যাকারের বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করে থাকে। এমনকি সকল ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদাভাবে ইভেন্ট লগিং প্রদান করে থাকে। যদিও ইউজার ইন্টারফেসের কিছুটা উন্নতির প্রয়োজন অর্থাৎ আরেকটু হলে ভালো হতো। তবে চিন্তার কিছু নেই সকল প্রয়োজনীয় মূল বিষয়গুলি এটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যার কারণে এটিকে একটি সম্পূর্ণরূপে প্যাক অ্যাপ্লিকেশন বলা যায়। দুঃখের বিষয় হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশনটি কিছুটা ধীরগতির যা আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলতে পারে।

Transmission:

Transmission প্রথমে শুরু করেছিল শুধুমাত্র ম্যাক ওএস এর জন্য। পরবর্তীতে এটি ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয়তা পেলে এর ডেভেলপার বা কর্তৃপক্ষ উইন্ডোজ ওএস এর জন্যও নিয়ে আসে। এটির ইউজার ইন্টারফেস খুবই ভালো। এটি ওপেন-সোর্স অধিকাংশ ফিচার যুক্ত রয়েছে। যার সাইজ ২৫ এমবির চেয়েও কম। এতে এমবেডেড ট্র্যাকারের মতো কিছু উন্নত প্রক্রিয়া না থাকার কারণে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। কারণ দুর্বলতার জন্য হ্যাকিং এর ভয় থেকে যায়। যদিও এটা নিয়ে কাজ চলেতেছে। ট্রান্সমিশন এমনই একটি টরেন্ট ক্লায়েন্ট যা নিশ্চিত করবে যে আপনাকে একটি দুর্দান্ত ব্যবহার করার ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দিতে।

BitTorrent:

BitTorrent অনেকটা ক্লাসিক uTorrent এর একটি রিব্র্যান্ডেড সংস্করণের মত। এই টরেন্ট ক্লায়েন্টটি ওপেনসোর্স নয় যার মানে হলো সোর্স কোডটি সর্বজনীনভাবে অ্যাভিলেবল নয়। BitTorrent পাওয়ার-প্যাকড যা কাস্টমাইজযোগ্য। এটি দুইরকম সংস্করণে পাওয়া যায় প্রিমিয়াম এবং ফ্রি। ফ্রি সংস্করণে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়ে থাকে এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার এটিতে নেই। আর প্রিমিয়াম সংস্করণে উন্নত কিছু ফিচার যুক্ত রয়েছে এছাড়াও সেটিতে কোন বিজ্ঞাপন দেখানো হয় না। এখন আপনি চাইলে ফ্রি সংস্করণও ব্যবহার করতে পারেন আবার চাইলে প্রিমিয়াম সংস্করণও ব্যবহার করতে পারেন তবে এর জন্য টাকা খরচ করতে হবে। এটি আপনি উইন্ডোজ, ম্যাক ও অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্মে ব্যবহার করতে পারবেন।

qBittorent:

qBittorrent প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে µTorrent-এর বিকল্প একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার প্রদান করা। এটি একটি উন্নত মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম BitTorrent ক্লায়েন্ট। এটিতে চমৎকার Qt ইউজার ইন্টারফেসের পাশাপাশি রিমোট কন্ট্রোলের জন্য একটি ওয়েব UI এবং একটি সমন্বিত সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। এই ফ্রি ওপেন সোর্স সফটওয়্যারটি যতটা সম্ভব ব্যবহারের সময় কম CPU এবং মেমরি ব্যবহার করার চেষ্টা করে।

Vuze:

আমাদের সর্বশেষ তালিকাভুক্ত সফটওয়্যারটির নাম হচ্ছে Vuze এটিকে uTorrent-এর একটি স্মার্ট ক্রস-প্ল্যাটফর্ম বিকল্প বলা যায়। এটিতে একটি বিল্ট-ইন সার্চ ইঞ্জিন বা অনুসন্ধান বক্স রয়েছে। প্লাগ-ইন যুক্ত করার মাধ্যমে এটির কাজের পরিধি প্রসারিত করতে পারবেন। এছাড়াও শুধুমাত্র একটি ভার্চুয়াল নেটওয়ার্কে চালানোর জন্যও এটি সেট আপ করতে পারবেন। অ্যাপ্লিকেশনটি একই ফাইল ধারণ করে একাধিক টরেন্টের ঝাঁককে একত্রিত করে দ্রুত ডাউনলোডের জন্য কাজ করে থাকে। এটিতে ভাইরাস থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য বিল্ট-ইনভাবে ভাইরাস সুরক্ষার ফিচার যুক্ত করা আছে। অ্যাপটি ডাউনলোড করার সময় ডাউনলোডকৃত ফাইলকে আগে স্ক্যান করে নেয়।এতোক্ষণ তো এর সুনাম করলাম এর কিন্তু দুর্নামও আছে বা এটির নিজস্ব কিছু ত্রুটি আছে। এটির ফ্রি ভার্সনে প্রচুর পরিমাণে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। এমনকি অপ্রয়োজনীয় বা অবাঞ্ছিত সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ফেলে। এছাড়াও এটি অন্যগুলোর তুলনায় ভারি এবং ধীরগতির।

অবশেষে আমাদের আজকের টরেন্ট ডাউনলোডার সফটওয়্যারের টপিকের একদম শেষ প্রান্তে চলে এসেছি। আশা করি যারা ডার্ক জগতে ঘুরাঘুরি করেন তাদের জন্য এই টপিকটি খুবই হেল্প ফুল হবে। এই টপিকটি পড়ার পর uTorrent বিকল্প হিসেবে উল্লেখিত যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারেন। প্রত্যেকটিরই আলাদা আলাদাভাবে নিজস্ব সুবিধা এবং অসুবিধা আছে। আমি আপনাকে প্রতিটি একবার করে ব্যবহার করে দেখার পরামর্শ দেব এবং তারপর নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন আপনার জন্য কোন সফটওয়্যারটি উপযুক্ত। তারপরও আপনি যদি বলেন আমি বলতে তাহলে আমি বলব Vuze-এর মতো ওপেন-সোর্স uTorrent এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এটিতেই একমাত্র সকল ফিচারগুলি যুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র ও ছবি: ইন্টারনেট।

আপনাদের সুবিধার্থে আমি আমার টিপস এন্ড ট্রিকসগুলি ভিডিও আকারে শেয়ার করার জন্য একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করেছি। আশা করি চ্যানেলটি Subscribe করবেন।

সৌজন্যে : বাংলাদেশের জনপ্রিয় এবং বর্তমান সময়ের বাংলা ভাষায় সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ক টিউটোরিয়াল সাইট – www.TutorialBD71.blogspot.com নিত্যনতুন বিভিন্ন বিষয়ে টিউটোরিয়াল পেতে সাইটটিতে সবসময় ভিজিট করুন।

The post টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করতে uTorrent এর বিকল্প কিছু সফটওয়্যার। appeared first on Trickbd.com.