Sunday, May 29, 2022

[hot] বিশ্ব বিখ্যাত থ্রিলার, থ্রি এম সিরিজের দ্বিতীয় বই l পড়ে নিন এখনই

[hot] বিশ্ব বিখ্যাত থ্রিলার, থ্রি এম সিরিজের দ্বিতীয় বই l পড়ে নিন এখনই

হ্যালো ব্রো, স্বাগতম, সবাইকে, আমার আজকের আরেকটা নতুন টিউটোরিয়ালে । আশা করি সবাই খুবই ভালো আছেন। ভালো তো থাকারই কথা, কারন trickbd র সাথে থাকলে সবাই খুব ভালো থাকে । আর ভালো থাকার জন্যই মানুষ ট্রিকবিডিতে আসে। চলুন শুরু করা যাক।

আমার আজকের এই পোস্টে থাকবে দারুন একটি থ্রিলার বই এর রিভিউ ।

বইয়ের নাম থ্রি:টেন এ এম
লেখকঃ-
মূল লেখক নিক পিরোগ
অনুবাদকঃ সালমান হক
ধরনঃ থ্রিলার, রহস্যোপন্যাস
প্রথম প্রকাশঃ এপ্রিল, ২০১৬
প্রচ্ছদ মূল্যঃ ১৫০ টাকা

রিভিউঃ
থ্রি এ এম সিরিজের দ্বিতীয় বই এটি। এই সিরিজের প্রথম বইটি সম্পর্কে আমার ট্রিকবিডিতে আরেকটি পোস্ট রয়েছে আপনারা চাইলে সে পোস্টটি পড়ে আসতে পারেন । আমি এখানে আমার আগের পোস্টের লিংক দিয়ে দিচ্ছি

লিংক

হেনরি বিনস, যে কিনা অদ্ভুত এক সমস্যায় আক্রান্ত, দিনে তেইশ ঘন্টা ঘুমিয়ে রাত তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত একঘন্টা জেগে থাকা। এতদিন ভেবে আসছিল যে এটা তার কোন সমস্যাই। কিন্তু না, হঠাৎ করেই এমন এক অপ্রত্যাশিত সত্য তার সামনে এল, যা কল্পনাতীত। তার এই অদ্ভুত সমস্যার পিছনে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কিছু, কি সেটা?

এছাড়াও সামনে এল তার মা সম্পর্কে অযাচিত সব তথ্য। এতদিন মা সম্পর্কে যা জেনে এসেছে, সবই ছিল মিথ্যা। ত্রিশ বছর আগে তাদেরকে ছেড়ে যাওয়া মানুষটির তাহলে আসল পরিচয় কি; ভূতাত্ত্বিক, সিআইএ – এর এজেন্ট নাকি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী? তার মা কি আদৌ বেঁচে আছে? যদি বেঁচে থাকে তাহলে সে এখন কোথায় আর যদি মারা এগিয়ে থাকে তাহলে কে বা কারা তাকে খুন করল l

নেমে পড়ল হেনরি বিনস এই রহস্যের কিনারা করতে। সাথে তার বাবা, ইনগ্রিড রে আর ল্যাসির (বিড়াল) সাহায্যতো রয়েছেই। এছাড়াও এখানে তার বাবার মারডক নামের কুকুরটারও যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।  তবে আপনাকে যেটি সবচেয়ে বেশি অবাক করবে তা হল প্রেসিডেন্টের কার্য। সিরিজের প্রথম গল্পের মত হয়েছে দ্বিতীয় গল্পেও রয়েছে প্রেসিডেন্টের কার্যকলাপ l

তাছাড়া এইবার কিন্তু হ্যান্ড রবিন্স নিজেরই প্রাণের আশঙ্কা দেখা দেয় গল্প তবে কি শেষরক্ষা হয়েছিল হেনরির? হলেই বা কিভাবে হয়েছিল আর কে বা কারা তাকে উদ্ধার করল ? আর কেনই বা সে এরকম বিপদে পড়ল?

একের পর এক টুইস্ট তো আছেই, তবে আসল চমক রয়েছে একেবারে শেষে, যা এই পুরো কাহিনী সম্পর্কে আপনার ধারণা পাল্টে দেবে। এক কথায় অসাধারন একটা স্টোরি আমার কাছে আসলে দারুন লেগেছে বইটিl

তাই আর বিলম্ব না করে হেনরি বিনসের সাথে আরেকটি টানটান উত্তেজনাময় অ্যাডভেঞ্চারে আর রহস্যের সমাধানে নিজেকে যুক্ত করুন।

পারসোনাল রেটিংঃ ৯.৫/১০

যাই হোক আশা করছি যে আপনারা বইটি পড়বেন এবং এটাও আশা করছি যে বইটি অবশ্যই আপনার কাছে ভালো লাগবে l যারা লাইব্রেরী থেকে কিনে নিতে চান তারা তো অবশ্যই বইটি কিনে নিবেন l আর ট্রিকবিডি তে বর্তমানে কপিরাইট ইস্যু থাকায় আমি বইটির সরাসরি পিডিএফ দিতে পারলাম না l কারো যদি পিডিএফ এর দরকার হয় তাহলে দয়া করে গুগলে সার্চ করে নিবেন l আর যদি খুঁজে না পান তাহলে আমাকে ইনবক্সে নক দিবেন আমি লিংক দিয়ে দিব l তাছাড়াও যারা অনলাইনে কেনাকাটা করেন তারা চাইলে রকমারি থেকে কিনতে পারেন, অথবা ফেসবুকে বিভিন্ন বুকস শপ রয়েছে যেগুলোতে বাতিঘরের বইগুলোতে প্রায় সময় ডিসকাউন্ট দিতে দেখা যায়। আপনারা চাইলে ওইগুলো থেকেও বইটি কিনে নিতে পারেন।

জগত বইয়ের হোক l বইয়ের আলোতে আলোকিত হোক মানুষের মন এই আশা ব্যক্ত করে আজকে আমার এই পোস্টটি এখানেই শেষ করছি l

মানুষ মাত্রেই ভুল হয় , তাই পোষ্টে কোন ভুল থাকলে দয়া করে মাপ করে ‍দিয়েন, আর প্লিজ কমেন্টে লিখে ভুলগুলা শোধরানোর সুযোগ করে ‍দিয়েন।
কোন কিছু না বুঝলে বা কোন কিছু জানার থাকলে, আমাকে কমেন্টে জানান।

আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনি আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে জয়েন হতে পারেন l

আর যেকোন প্রবলেমে ফেসবুকে আমি
তাহলে সবাইকে ট্রিকবিডির সাথে থাকার জন্য আমন্ত্রন জানিয়ে আজকে আমি আমার আজকের পোস্ট এখানেই শেষ করছি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।



The post [hot] বিশ্ব বিখ্যাত থ্রিলার, থ্রি এম সিরিজের দ্বিতীয় বই l পড়ে নিন এখনই appeared first on Trickbd.com.


সর্বোচ্চ আয়কারী পৃথিবীর সেরা ১০টি মুভি

সর্বোচ্চ আয়কারী পৃথিবীর সেরা ১০টি মুভি

আজকে আমরা দেখবো সেরা ১০টি মুভি নিয়ে যা সর্বোচ্চ আয় করেছে। এই সেরা ১০টি মুভিকে সফল মুভিও বলতে পারেন, কারণ এই সেরা ১০টি মুভি বিশাল রেকর্ড অর্জন করেছে। আমি অবশ্যই সেরা ১০টি মুভি গুলোর লিংক দেওয়ার চেষ্টা করব, যাতে আপনার অনলাইনে এই মুভিগুলো দেখতে পারেন।

সুতরাং এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এই পোস্টে এই সেরা ১০টি মুভি গুলোর ডিটেলস আলোচনা সহ লিংক দেওয়া হবে। তো চলুন কথা না বলে শুরু করি।

10. Frozen 2 (2019)

আয় করার দিক থেকে 10 নম্বর Frozen 2 মুভিটি 2009 সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি 3D এনিমেশন মুভি। Frozen 2 এই মুভিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে 150 মিলিয়ন মার্কিন ডলার, এবং এই মুভিটি থেকে ব্যবসা করেছে 1.4 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মুভিটির imdb রেটিং ৬.৮/১০.

 Frozen 2 (2019) মুভিটির হিন্দি ভাষণ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

09. Fast and Furious 7

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে 9 নম্বর মুভিটি হচ্ছে Fast and Furious 7. the rock খেত অ্যাক্টরস Dwayne Johnson এই মুভিতে অভিনয় করেছেন। এই ছবিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে 190 মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এই মুভি থেকে ইনকাম করেছে 1.5 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মুভিটির  imdb Rating: 7.1/10. 

Fast and Furious 7 মুভিটির  হিন্দি ভাষণ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

08. The Avengers 2012

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে 8 নম্বর মুভিটি হচ্ছে 2012 সালে মুক্তি পাওয়া The Avengers. এই মুভিটি তৈরি করতে টোটাল খরচ হয়েছিল 220 মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ইনকাম করেছিল 1.6 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মুভিটির  imdb Rating: 8.4/10. 

The Avengers 2012 মুভিটির  হিন্দি ভাষণলিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

07. The Lion King 2019

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে 7 নম্বর মুভিটি হচ্ছে 2019 সালে মুক্তি পাওয়া The Lion King. এই মুভিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল টোটাল 260 মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এবং এই মুভিটি বক্স অফিস কালেকশন করেছে 1.7 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মুভিটির  imdb Rating: 6.8/10. 

The Lion King 2019 মুভিটির  হিন্দি ভাষণ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

06. Jurassic World 2015

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে 6 নম্বর মুভিটি হচ্ছে 2015 সালে মুক্তি পাওয়া jurassic world.এই মুভিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এ মুভি থেকে বক্স অফিস কালেকশন করেছে 1.6 বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। এই মুভিটির  imdb Rating: 6.9/10. 

Jurassic World 2015 মুভিটির  হিন্দি ভাষণ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

05. Avengers: Infinity War 2018

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে 5 নম্বর মুভিটি হচ্ছে 2018 সালে মুক্তি পাওয়া Avengers: Infinity War. এই মুভিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল 316 মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এ মুভি  থেকে ইনকাম করেছে 2 বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মুভিটির  imdb Rating: 8.4/10. 

Avengers: Infinity War 2018 মুভিটির  হিন্দি ভাষণ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

04. Star Wars: The Force Awakens 2015

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে 4 নম্বর মুভিটি হচ্ছে 2018 সালে মুক্তি পাওয়া Star Wars: The Force Awakens. এই মুভিটি 2.068 বিলিয়ন মার্কিন ডলার ইনকামের পাশাপাশি দুনিয়ার চতুর্থ সর্বোচ্চ আয়কারী মুভি লিস্ট জায়গা করে নিয়েছে। এই মুভিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল 306 মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মুভিটির  imdb Rating: 7.8/10. 

Star Wars: The Force Awakens 2015 মুভিটির  হিন্দি ভাষণ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

03. Titanic 1997 

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে 3 নম্বর মুভিটি হচ্ছে 1997 সালে মুক্তি পাওয়া Titanic: 1997 সালে মুক্তি পাওয়া Titanic মুভি হচ্ছে সব সময়ের হিট একটি মুভি। 25 বছর পরও এই মুভিটির এখনো প্রচুর জনপ্রিয় একটি মুভি। জেমস ক্যামেরন দ্বারা পরিচালিত  উইন্সলেট লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও এর জীবনের সেরা মুভি গুলোর একটি। 

1912 সালে ডুবে যাওয়া একটি টাইটানিক জাহাজের কাহিনী এই মুভিতে ফুটে উঠেছে। এই মুভিটি অনেক বছর সর্বোচ্চ আয় করা মুভি লিস্ট রয়েছিল। এই মুভিটি থেকে বক্স কালেকশন হয়েছিল 2.194 বিলিয়ন মার্কিন ডলার।  এই মুভিটির  imdb Rating: 7.9/10. 

Titanic: 1997 মুভিটির  হিন্দি ভাষণ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

02. Avatar  2009 

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে 2 নম্বর মুভিটি হচ্ছে 2009 সালে মুক্তি পাওয়া Avatar : Avatar মুভিটি ইনকাম করেছিল 2.5 বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এই মুভিটি বানাতে খরচ হয়েছিল 237 মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মুভিটির  imdb Rating: 7.8/10.

Avatar 2009 মুভিটির  হিন্দি ভাষণ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে

01. Avengers Endgame

সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি লিস্টে নম্বর 1 মুভিটি হচ্ছে 2019 সালে মুক্তি পাওয়া Avengers Endgame: Avatar মুভির রেকর্ড ভেঙ্গে 2.8 বিলিয়ন মার্কিন ডলার ইনকাম করে। Avengers Endgame মুভিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল 356 মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মুভিটির  imdb Rating: 8.4/10.

সবগুলো মুভি হিন্দি ভার্সন পেতে ভিজিট করুন

আজ এই পর্যন্তই, আমরা আলোচনা করার চেষ্টা করছি পৃথিবীর সর্বোচ্চ আয়কারী সেরা ১০টি মুভি সম্পর্কে এবং আপনাদেরকে লিঙ্ক দিয়ে দিয়েছি, যাতে আপনার অনলাইন এই মুভিগুলো দেখতে পারেন। রেগুলার এরকম মুভির রিভিউ এবং বিভিন্ন টিপস এন্ড ট্রিক্স পেতে এই ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন। সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

The post সর্বোচ্চ আয়কারী পৃথিবীর সেরা ১০টি মুভি appeared first on Trickbd.com.


Termux দিয়ে কিভাবে একটি ছবির সকল তথ্য বের করবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক।

Termux দিয়ে কিভাবে একটি ছবির সকল তথ্য বের করবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক।

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি।

আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে termux দিয়ে ইমেজের তথ্য দেখবেন মানে এক কথায় যাকে ইমেজ মেটাডাটা বলে । আমরা তো নরমালি কিছু ওয়েবসাইট ব্যবহার করে মেটাডাটা জানি কিন্তু একটু ভিন্ন যানা যাক।

Image Metadata কি?  

Image metadata হলো একটি  ইমেজের সকল তথ্য বের করা।  আর একটু সহজ করে বললে বলা যায় একটি ছবি কোন ফোন দিয়ে তোলা কি ব্যবহার করা হয়েছে সকল তথ্যই হচ্ছে image metadata।

একটি উদাহরণ দেওয়া যাক : ধরুন আপনি ফেইসবুক ব্যবহার করছেন হঠাৎ করে দেখলে যে কেউ একজন আপনার আইডি কার্ড এর ছবি আপলোড করছে সেটা কি সত্যি আপনার নাকি অন্য কারো সেটা জানা তো দরকার। তখন আপনি কিভাবে বুঝবেন সেটা নকল নাকি আসল। নকল নাকি আসল সেটা জানার জন্য অবশ্যই জানতে হবে যে ছবিটা কে তুলছে এবং কখন তুলছে কোথায় থেকে তুলছে এবং  আপনার জানতে হবে যদি নকল হয় তাহলে কি দিয়ে ইডিটিং করছে এবং কি কি ব্যবহার করে করা হইছে ইত্যাদি ।

অনেক সুবিধা অসুবিধা ও আছে আমি সেই গুলো বলতে চাচ্ছি না । আমি যা দেখাচ্ছি শুধু এডুকেশন পারপাস এর জন্য।  আশা করি এখন বুঝতে পারছেন তো বেশি কথা না বলে শুরু করা যাক।

প্রথমে আমরা termux এ চলে যাবো।

এখন আমরা termux কে আপডেট এবং আপগ্রেড করে নিবো।

pkg update && pkg upgrade -y

apt update && apt upgrade -y

উপরে দুইটি কমান্ড দেওয়া আছে যেটা আপনার ইচ্ছে সেটা ব্যবহার করবেন।

এখন আমরা image Metadata এর টুলসটি ইনস্টল করবো।

pkg install exiftool -y

এখন চাইলে আপনি apt install exif ও দিতে পারেন।

টুলস ইনস্টল করা শেষ।  এখন আমরা একটি ছবির metadata বের করবো। উপরে যেই কমান্ড দেওয়া আছে যেটা হচ্ছে

exiftool /sdcard/abir.jpg

এখানে আপনি exiftool লিখবেন এবং আপনার ছবিটা কোথায় আছে সেই লোকেশন দিতে হবে যেমন আমি দিছি /sdcard/abir.jpg।  তার মানে আমার ছবিটি আছে ফোন মেমোরিতে আর আবির হচ্ছে নাম আর jpg হচ্ছে ছবি extension বা কোন ফরমেটে আছে সেটা।

দেখতে পাচ্ছেন একটি ছবি থেকে কি পরিমাণ তথ্য পাওয়া যায়।

এখন আপনি চাইলে কিছু কমন metadata যাচাই করতে পারেন।

উদাহরণ : ধরুন আপনি একটা ছবি পাইলেন সেই ছবির সব কিছু আপনার ভালো লাগলো ।তখন তো মনে প্রশ্ন হবে ছবিটা কিভাবে তুলছে ISO কত ছিলো white balance কত shutter speed কত ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয় জানার আগ্রহ আপনার হবে।

সেই জন্য কমন কমান্ডটি ব্যবহার করে।

exiftool -common (filename.jpg)

চাইলে ছবির টাইম লোকেশন ইত্যাদি জানতে পারবেন।

exiftool (filename) | grep GPS

আপনি চাইলে ছবির উচ্চা লম্বা দৈর্ঘ্য প্রস্থ সব

exiftool “-*keyword*” (filename)

তো আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

The post Termux দিয়ে কিভাবে একটি ছবির সকল তথ্য বের করবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক। appeared first on Trickbd.com.


ইউটিউব এর চোখে সেরা ৫ টি জনপ্রিয় গান | Top 5 Most Popular Songs In YouTube

আসসালামু আলাইকুম,
তো পোস্ট টা শুরু করি ই ফাজলামো কইরা বিকজ আমি ফাজলামো করতে একটু বেশি পছন্দ করি তোমরা জানো 🐱

আর আমি এমন একটা পোস্ট মানে টপিক বাইক থুক্কু বাইর করছি যেটা তুমি ট্রিকবিডির ইতিহাসে কোন দিন পাও নাই। 😣

তো চলো বেশি প্কাচ প্কাচ না করে মূল পর্বে চইলা যাই।

অবসর কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অথবা গার্লফ্রেন্ডের কাছে ছ্যাকা খাইয়া ব্যাকা হওয়ার পর গান ই প্রশান্ত করে মন।😴
আর গানটি যদি হয় হিরো আলমের তাহলে অতি সাধারণ একটি দিনও অসাধারণ হয়ে যেতে পারে 😅

বিঃদ্রঃ হিরো আলমের গান শুনে মানসিক রোগী হয়ে গেলে আমি কিংবা ট্রিকবিডি দায়ী থাকবে না 😴

তো তোমরা হয়তো বা জানো না ইউটিউব এ এমন কিছু গান আছে, যা কোটি কোটি মানুষের পছন্দের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

তো ইউটিউব এর সেরা ৫ ভিউজ পাওয়া গান নিয়ে আজকের আয়োজন।


১। বেবি সার্ক
প্রথমে যে গানটি আসবে তার শিরোনাম বেবি সার্ক, গানটির শ্রোতা খুদে শিশুরা।
অসাধারণ এই গানটি শিশুদের মুখে মুখে শোনা যায়।
আর এই গানটি ইউটিউবের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সর্বোচ্চ মানুষের দেখা একটি মিউজিক ভিডিও।

এই গানটির উদ্ভব মূলত ক্যাম্প ফায়ার গান হিসাবে। ২০১৬ সালে বেবি সার্ক গানটি তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল।

এবং তারই ধারাবাহিকতায়, এটি এখন ইউটিউব এর সবচেয়ে বেশি ভিউ পাওয়া একটি গান।

২০২২ সালের জানুয়ারিতে এই গানটি ১০ বিলিয়ন ভিউজ ছুঁয়ে যাওয়া প্রথম ইউটিউব ভিডিও হয়ে উঠেছে।

পিঙ্ক ফঙ্ক নামে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন সংস্থা প্রথম ভিডিওসহ গানটির একটি সংস্করণ ইউটিউবে প্রকাশ করে।
পরে তা সোশ্যাল মিডিয়া অনলাইন এবং রেডিও জুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।


২। দেসপাসিতো।
গানটির সংগীত শিল্পী লুইস ফন্সি এবং ড্যাডি ইযাঙ্কী এর গাওয়া।
এই বিখ্যাত গানটি ২০১৭ সালের ১২ ই জানুয়ারি প্রকাশ করা হয়।
ইউটিউব এ গানটির বর্তমান ভিউজ ৭.৮ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে।

দেসপাসিতো গানটি গেয়ে, সর্বকালের সেরা লাতিন সংগীত হিসাবে বলা হয়,
মেলোডিপ হওয়ার পর গানটি ইউটিউবের ইতিহাসে অন্যতম সেরা একটি মিউজিক ভিডিও বা গান।


৩। শেপ অফ ইউ
এই গানটি ইংরেজি গায়ক। গীতিকার এড শীরান এর গাওয়া তার জীবনের অন্যতম সেরা গান।

এটি তার তৃতীয় স্টুডিও অ্যালবাম থেকে ডাবল লীড একক হিসেবে ৬ জানুয়ারি ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল ।
অভাবনীয় সাফল্য পাওয়ায় এই গানটি যুক্তরাজ্যের ২০১৭ এবং দর্শক এর সর্বাধিক বিক্রিত গান ছিল।

ইউটিউব এও গানটির ভিউ ৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন।


৪। সি ইউ এগেইন
এই গানটি আমেরিকান রেপার এবং গায়ক উইজ খলিফার একটি গান।
অভিনেতা পল ওয়ার্কার যিনি ৩০ নভেম্বর ২০১৩ সালে।
একটি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন।
আর তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্যই ২০১৫ ফিল্ম ফিউরিয়াস এর সাউন্ডট্র্যাকের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

গানটি প্রকাশ পায় ১০ মার্চ ২০১৫ সালে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্পটিফাই অ্যাপ এ একদিনে সর্বাধিক স্ট্রিম করা ট্রাকের রেকর্ড ধরে রেখেছে এই গানটি।

ইউটিউবে বর্তমানে গানটির ভিউজ ৫.৫ বিলিয়ন।


৫। আপডাউন ফাংক
গানটি ব্রিটিশ রেকর্ড প্রযোজক মার্ক জংশনের চতুর্থ স্টুডিও অ্যালবাম, আপডাউন স্পেশাল একটি গান আপডাউন ফাংক।

গানটি একটি ফাংক পপ ডিস্কো পপ সাউন্ডট্র্যাক। ইউটিউব এ গানটি পঞ্চম সর্বাধিক। ভিউ পাওয়া একটি গান।

৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ভিউ পেয়েছে এই গানটি। পপ সংস্কৃতিতে একটি বড় প্রভাব ফেলেছিল এই গানটি।

ও হ্যাঁ, আমার একটা

হিপহপ

আইডি আছে টাকার অভাবে বিক্রি করবো।🥺 দাম মাত্র ৫ হাজার! কোন বড়লোক বান্দা যদি কিনতে চাও তাহলে
https://www.facebook.com/profile.php?id=100081451283590 এই লিংকে ক্লিক করে আমার ফেসবুকে মেসেজ দিও ❤
থুক্কু আমার ফেসবুক আইডিতে মেসেজ দিও কারণ ফেসবুক তো মার্ক জুকারবার্গ এর আমার নয় 😫

আমার কাছে নরমাল আইডি ও আছে কম টাকায় প্যারা নাই চিল নক দিও 😃

তো আজকে তোমাদের এখানে ফাইলা আমি চলে যাই? আবার আসবো যদি মহান আল্লাহতালা আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন 🤗
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন 😃❤ আর ভালো হয়ে যান , কয়দিনই বা দুনিয়ায় আছেন আল্লাহ এর সঙ্গে প্রেম স্টার্ট করে দিন 😍

The post ইউটিউব এর চোখে সেরা ৫ টি জনপ্রিয় গান | Top 5 Most Popular Songs In YouTube appeared first on Trickbd.com.


Saturday, May 28, 2022

UCL Final ম্যাচ সহ যেকোনো খেলা দেখুন লাইভ

UCL Final ম্যাচ সহ যেকোনো খেলা দেখুন লাইভ

আজকে রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ খেলা হচ্ছে।
তাই আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম কিভাবে আপনারা ucl সহ যেকোনো খেলা বা স্পোর্টস চ্যানেল লাইভ আপনার মোবাইকে দেখতে পারবেন।

তাই জন্য প্রথমে টেলিগ্রাম থেকে BDIX TV অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন।
অ্যাপ টি চালু করলে আপনি নিচের মতো খেলা দেখতে পারবেন এবং বিভিন্ন চ্যানেল যুক্ত করা হবে সামনে।





আর যার যেধরনের চ্যানেল দরকার আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে জানাতে পারেন
আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল BDIX TV 24

The post UCL Final ম্যাচ সহ যেকোনো খেলা দেখুন লাইভ appeared first on Trickbd.com.


মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দারুন একটা বই

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দারুন একটা বই

হ্যালো ব্রো, স্বাগতম, সবাইকে, আমার আজকের আরেকটা নতুন টিউটোরিয়ালে । আশা করি সবাই খুবই ভালো আছেন। ভালো তো থাকারই কথা, কারন trickbd র সাথে থাকলে সবাই খুব ভালো থাকে । আর ভালো থাকার জন্যই মানুষ ট্রিকবিডিতে আসে। চলুন শুরু করা যাক।

বইয়ের নামঃ– আমার বন্ধু রাশেদ
লেখকঃ– মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
বইয়ের ধরনঃ– কিশোর উপন্যাস
প্রকাশকঃ– শরীফ হাসান তরফদার
প্রকাশনীঃ– জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
প্রকাশকালঃ– ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫
প্রচ্ছদঃ– ধ্রুব এষ
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ– ১১২ পৃষ্ঠা
মুদ্রিত মূল্যঃ– ২৫০ টাকা মাত্র

লেখক পরিচিতিঃ–

সমকালীন কথাসাহিত্যিক বা বিজ্ঞানমনস্ক লেখকের কথা বললেই চলে আসে মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের কথা। জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৫২ সালের ২৩’শে ডিসেম্বর, সিলেটে। তার পিতা শহীদ ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন। শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটন’ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়াও ‘ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’ এবং ‘বেল কমিউনিকেশান্স’ রিসার্চে বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করে সুদীর্ঘ ১৮’বছর পর দেশে ফিরে এসে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যোগ দিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’ বিভাগে। বর্তমানে তিনি সেখানেই কর্মরত আছেন৷ সাহিত্যজীবনে রচনা করেছেন অসংখ্য বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ও কিশোর সাহিত্য; তাদের মধ্যে ‘নিঃসঙ্গ গ্রহচারী’, ‘আমি তপু’, ‘আমার বন্ধু রাশেদ’, ‘টুকুনজিল’ ও ‘দীপু নাম্বার টু’ অন্যতম।

চরিত্র পরিচিতিঃ– রাশেদ, আশরাফ, ফজলু, অরু আপা, শফিক ভাই, ডাক্তার সাহেব, ইবু, কাজল ভাই ও অন্যান্য।

সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ–

দুষ্টু এক ছেলে! নাম তার রাশেদ। অবশ্য পারিবাদের দেয়া নাম লাড্ডু কিন্তু ক্লাসটিচার নামটা পাল্টে নাম রেখেছেন রাশেদ। রাশেদের মা নেই, বাবা জাত পাগল তাই ছন্নছাড়াদের মতোই জীবনযাপন তার। নতুন ক্লাসে এসে বেশ কয়েকজনের সাথে ভাব জমিয়ে নেয় এদের মধ্যে আছে ফজলু, ইবু, আশরাফ, দিলীপও। বয়স আর কত হবে এই বারো কী তেরো কিন্তু বিপদের সময় সে অকুতোভয় এক দুঃসাহসী বালক! এই বয়সে অন্যান্য ছেলেমেয়েরা যেখানে রাজনীতির নাম শুনলেও ভয় পায় সেখানে রাশেদের রাজনীতির জগতেও পদার্পণ রয়েছে। পাড়া-মহল্লার গুরুত্বপূর্ণ সব খবরাখবরই থাকে তার নখদর্পনে।

ঘটনাটা মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রীক; চারদিকে মুক্তিযুদ্ধের দামামা বাজছে; এমনকি গ্রামগঞ্জেও তার নৃশংসতা চলমান। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যে শুধু বড়রাই যুদ্ধ করেছে তা নয়, ছোটরাও বড়দেরকে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। তাদের মনেও সাধ ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের সুনাগরিক হবার। তাইতো তাদের মুখেও উচ্চারিত হত, “আমার দেশ, তোমার দেশ, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ” বা “জয় বাংলা”র ন্যায় বলিষ্ঠ শ্লোগানগুলি।

তেমনি রাশেদ আর তার চার বন্ধু মিলে দেশকে স্বাধীন করার উদ্দেশ্যে যোগ দেয় মুক্তিবাহিনীর সাথে। ছোট-ছোট অপারেশনে যোগদান করে। বয়সে ছোট হলেও হানাদার বাহিনীর সামনে তারা যেন তুখোড়! উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, এক রাতে বাসা থেকে পালিয়ে শফিকের সাথে রাতে মিলিটারি ক্যাম্পে হামলা করার কাহিনীর কথা, শফিককে মিলিটারিদের হাত থেকে বাঁচিয়ে আনাসহ ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু ক্রমশ দেশের পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকলে এক এক করে দেশ ছাড়তে হয় অনেককে। অন্য বন্ধুরা চলে গেলেও রাশেদ কোথায় যায় না। সে শেষ পর্যন্ত আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা করার জন্য। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়না তার….. ডিসেম্বরের প্রথমদিকে রাজাকারদের  হাতে ধৃত হয়ে প্রাণ দিতে হয় তাকে।

আমার নিজস্ব মতামত:

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক যতগুলো বই পড়েছি তার মধ্যে আনোয়ার পাশা’র ” রাইফেল রোটি আওরাত” আর মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের “আমার বন্ধু রাশেদ” পড়ে সবথেকে বেশী শিহরিত হয়েছি। যুদ্ধ যে কোনো ছেলেখেলা নয় সেটা সবাই’ই জানি কিন্তু যুদ্ধ করতে কোনোপ্রকার সময়সীমার প্রয়োজন হয়না তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ রাশেদ! এত ছোটো একটা ছেলে কী করে এতটা সাহসী আর অকুতোভয় হতে পারে আর কতটা দেশপ্রেম থাকলে এসব করা সম্ভব তা ভাষায় ব্যক্ত করা সম্ভব নয়। বাস্তবে রাশেদ বলে কেউ ছিলো কিনা তা জানা নেই তবে দেশমাতার প্রয়োজনে তখন এমন হাজার হাজার রাশেদের জন্ম হয়েছিলো তা স্পষ্ট।

“নমোনমো নমঃ সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি—
গঙ্গার তীর স্নিগ্ধ সমীর, জীবন জুড়ালে তুমি।”

এছাড়াও প্রেম-ভালোবাসার থীমও ও দুটি মনের অন্তর্দ্বন্দ্বের প্রতিরূপও পাওয়া যায় শফিক আর অরুর চরিত্রে। লেখকের অসাম্প্রদায়িক চিন্তাধারার প্রতিফলন ঘরেছে দিলীপের চরিত্রের মাধ্যমে। হিন্দু-মুসলমান কীভাবে একে অপরের সাথে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একসাথে বসবাস করেছে তা পরিলক্ষিত হয় উপন্যাসটির মধ্যে। বিংশ-একবিংশ শতাব্দীর কোনো লেখকের থেকে মুক্তিযুদ্ধের এরকম অতুলনীয় একটা দৃশ্যপট লেখনি হিসেবে পাওয়া যায় সেটা সত্যিই চমকপ্রদ! রাশেদ ও তার বন্ধুদের সাহসিকতার গল্প পড়ে নিজের মনেও এর ছাপ পড়েছে। মনে হয়েছে, “ইসস যদি তাদের সাথে যোগ দিতে পারতাম।”

প্রচ্ছদঃ

প্রচ্ছদটা কিছুটা অস্পষ্ট। লেখক হয়তো নিজের কল্পলোক থেকে কাউকে বাছাই করেছেন চরিত্র হিসেবে সেটা একটা কারণ হতে পারে। তবে যে’ই হোক না কেন সে যে অসম্ভব মনোবল আর সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে সেটা প্রচ্ছদেই ফুটে উঠেছে।

কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ লাইনঃ

— তুই আমার বন্ধু হবি?
আমি একটু অবাক হয়ে বললাম, কেন? আমি কি তোর বন্ধু না?
একেবারে প্রানের বন্ধু। সারা জীবনের বন্ধু। মরে গেলেও যে বন্ধু থেকে যায় সেই বন্ধু। হবি?
আমি মাথা নাড়লাম, হব।

–নিষিদ্ধ জিনিস দেখার একরকম আকর্ষণ থাকে।

— বেঁচে থাকা মানেই ভালো থাকা।

পার্সোনাল রেটিংঃ– ৯/১০.

যাই হোক আশা করছি যে, আপনারা বইটি পড়বেন এবং এটাও আশা করছি যে বইটি অবশ্যই আপনার কাছে ভালো লাগবে l যারা লাইব্রেরী থেকে কিনে নিতে চান তারা তো অবশ্যই বইটি কিনে নিবেন l আর ট্রিকবিডি তে বর্তমানে কপিরাইট ইস্যু থাকায় আমি বইটির সরাসরি পিডিএফ দিতে পারলাম না l কারো যদি পিডিএফ এর দরকার হয় তাহলে দয়া করে গুগলে সার্চ করে নিবেন l আর যদি খুঁজে না পান তাহলে আমাকে ইনবক্সে নক দিবেন আমি লিংক দিয়ে দিব l তাছাড়াও যারা অনলাইনে কেনাকাটা করেন তারা চাইলে রকমারি থেকে কিনতে পারেন, অথবা ফেসবুকে বিভিন্ন বুকস শপ রয়েছে যেগুলোতে বাতিঘরের বইগুলোতে প্রায় সময় ডিসকাউন্ট দিতে দেখা যায়। আপনারা চাইলে ওইগুলো থেকেও বইটি কিনে নিতে পারেন।

আমার আজকের পোস্ট এখানেই শেষ করছি।

মানুষ মাত্রেই ভুল হয় , তাই পোষ্টে কোন ভুল থাকলে দয়া করে মাপ করে ‍দিয়েন, আর প্লিজ কমেন্টে লিখে ভুলগুলা শোধরানোর সুযোগ করে ‍দিয়েন।
কোন কিছু না বুঝলে বা কোন কিছু জানার থাকলে, আমাকে কমেন্টে জানান।

আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনি আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে জয়েন হতে পারেন l

আর যেকোন প্রবলেমে ফেসবুকে আমি
তাহলে সবাইকে ট্রিকবিডির সাথে থাকার জন্য আমন্ত্রন জানিয়ে আজকে আমি আমার আজকের পোস্ট এখানেই শেষ করছি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।



The post মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দারুন একটা বই appeared first on Trickbd.com.


পড়ে নিন অনন্ত বিষাদগাথা বইয়ের শেষ গল্প [বিষন্নতা আমার ভয়]

পড়ে নিন অনন্ত বিষাদগাথা বইয়ের শেষ গল্প [বিষন্নতা আমার ভয়]

Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । তাই বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক
বিষণ্নতা আমার ভয়
সাদিয়া নোমান তন্বী
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ
Linguistic Associate, Alate

তৃষ্ণার্ত ল্যাম্পপোস্ট থেকে নিঃসৃত নিয়ন আলো, সদ্য জন্মানো কিছু নিকোটিনের
ধোঁয়া, আমার ঠুনকো মস্তিষ্কের দেয়ালে হোঁচট খেয়ে বেড়ে ওঠা বেয়ারা পৌছে
দিচ্ছে কত ছেঁড়া খামের চিঠি এই প্রাণহীন পরিত্যক্ত শহরে। ডাকপিয়ন নেই,
অপরিচিত শ্রোতা নেই, আমার চেনা স্তব্ধতা নেই এই ধুলো উড়নো রাস্তায়,
আনন্দের বিষাদ নেই, স্বার্থহীন পরিচয় নেই আমাদের মাঝে।
বিধাতা তুমি আছ? কষ্ট হলে এই নিরালংকার সুখকর অবয়ব বহাল রাখব কী
করে? রাত কেটে যাবে আমার বোকা বাক্স, বাঁকা চাঁদ, কুহেলি দেউড়ি, আগাম
নিদারূণ মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে। এস আমার শহরের, উষ্ণ ডানার ভিড়ে । তোমরাও
তো জানো একাকিত্বের বীভৎস চিৎকার কতটা তীব্র। দিনে সমস্তটা মুছে যাবে
গোধূলির এক কাপ দুধ চায়ে, পাখিরা উড়ে ঘুরে ঘুরে ওরা ঘরে ফেরে না,
ফেরিওয়ালা হাঁকে আমার কানে মৃত্যু গীত বাজায় । ভবঘুরে আমি, ঘুরছি প্রতিনিয়ত তোমাদের নগরে। তোমরা ভালো নেই,
তোমাদের তুমি নেই। তোমাদের অচিনপুরির প্রসঙ্গহীন কথাবার্তার শ্রোতা নেই।
সময় বড্ড ধিরস্থির যাবে, ভাবনায় যুক্ত হতে পারে তোমার নিরস অনুভূতি
মূল্যহীন। নদীর মত দুই ধার বেয়ে গড়িয়ে শেষ পর্যন্ত নোনাজলের সাগরে ডুবে
ভালো লাগার কুঁড়েঘর খুঁজতে পারো। খুঁজে নাও বা পেতে পারো। সম্পর্কহীন
নদীগুলোর শেষ প্রান্তে কৃষ্ণচূড়া ঝুকে আছে, তোমার শরীর বেয়ে যেই লাল রং
গড়াচ্ছিল তা এখানে দিব্বি আছে পরিবার বানিয়ে, সুখে আছে। বিষণ্নতা আমার
ভয়। তোমাদের মত আমারও ইচ্ছে হয় সুখের সন্ধানে বেরিয়ে থলে ভর্তি অক্ষয়
সুখ যোগার করে আনি, পরক্ষণে বুঝে উঠতে পারি কেবল আমার জমে থাকা
অনাগত সুখ পাখিদের বলি দিয়ে এলাম। অতঃপর শহরের মানুষগুলো তাদের রঙ
হারায়, মেঘ গুলো আসে। কালো মেঘের দল রোদ মুছে ভয়ার্ত উদ্যান বানায়
সেই উদ্যানে হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, অনেক অনেক তুমি আর আমি আছে
সেই উদ্যানে, ওরা খুঁজে বেরাচ্ছে এই বিষণ্নতার এক চিমটি অবসান। কে কবে
সুখ খুঁজে সুখ পেয়েছে? সেই উদ্যানে আছে দুঃখ এর হাট, ঝুলি ভর্তি দুঃখ বেচে
কেনা চলছে অবিরত। আসতে পার, দুঃখ কিনে তাদের বন্ধু বানিয়ে পুরনো বন্ধু
‘সুখের’ দেখা পেতে পার, কে কবে সুখ খুঁজে সুখ পেয়েছে?
অবরুদ্ধ চার দেয়াল, মাঝে আটকা পরে আছে সহস্র স্পন্দন, এই আধ খোলা
জানালার বাইরের দৃষ্টির পাল্লা ভার করে ছুটে চলে ধূসর আবেগের পৃথিবী যা
বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, তোমার আমার সাধারণ দৃষ্টি তা অতিক্রম করতে পারে না,
ওই যে দেখছ গোলাপ হাতে ছেড়া ফ্রক পরা কিশোরী, ভেতরে রক্ত চোষা কীট
প্রতিক্ষণে খুঁড়ে খুঁড়ে খেতে চাইছে তার মলিন মুখের স্নিগ্ধ হাসি। কীটগুলো হার
মেনেছে, মেয়েটি লড়াই করতে পারে। লড়াই করে আজন্মের লাল গোলাপ
ছিনিয়ে নিয়েছে। তোমার শহরে রাত নেমেছে, ইনসমনিয়া আমাদের সাদা খাতার
ভাঁজ খুলে নৌকা বানিয়ে রঙধনুর সমুদ্রে ভাসিয়ে দিয়ে নির্দয় হতে চায়। সেই
রঙধনুর সাতটি রঙ যন্ত্রণা, বেদনা, ব্যাকুলতা, উদ্বেগ, নিশ্চুপ, ঘৃণা, দুঃখ।
তোমার রঙহীন শহরে যোদ্ধার বড্ড অভাব, তুমি কেমন নাগরিক তবে? হাতিয়ার
নেই তোমাদের নগরে দুঃখ জয়ের ভাবনা নেই, তবে প্রশান্তি আশা কর কী করে?
ভয়ংকর যন্ত্রণা আমি পার করেছি, বন্ধুত্ব করেছি ভয়ের ওই নির্বিকারতার সঙ্গে ।
কী দারুণ যন্ত্রণার মৌন আলাপনে নিজেকে খুঁজেছি, পেয়েছি বারেবারে অমৃত
একাকীত্বের বাদ্যযন্ত্র, ওদেরও নিজেদের সুর আছে তাল আছে। আমি ধরতে
পারিনি সে সুর, ব্যর্থ নগরীর বেড়াজালে আটকেছি বটে, হোঁচট খেয়েছি, থেমেছি
আবার চালিয়ে গিয়েছি এই মৌন আলাপন। এই সুন্দর ভবনের দেখা আমি পাইনি বটে, কিন্তু তোমাদের ভবনের নিগূঢ় উদ্ধার করেছি। ধূসর রঙের কাশফুলে
একাকীত্ব, সঙ্গহীনতাকে উড়িয়ে বেড়াতে দেখেছি। তাসের ঘরে আমি আটকেছি,
ভেঙেছি, হেরেছি কতবার তার হিসাব কষে জীবনের নুড়ি পাথরে অস্তিত্বের বিন্দু
মাত্র ছিটে ফোঁটা অনড় রাখতে পারিনি। এত এত গোধূলি পার করে জানলার
কাঁচে কুয়াশা জমে যেই দৃঢ়তার পত্র দিয়েছে ডাকপিয়নটা আর খোলা হয়নি। খাম
দিয়ে নৌকা বানিয়ে ভেসেছি স্বার্থহীন পরিচয়ের আস্তানায় ।
নিভৃতে যতনে রাখা সব সুখ পাখি উড়ে বেড়ায় যত্নে গড়া স্বপ্নের রাজধানীতে,
একত্রিত হয় সব সুখকর মানচিত্র। তাদের আস্তানায় আমাদের নীল সবুজ রঙ
বেরঙের কল্পনা। ওদের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে লড়াই প্রয়োজন। চাঁদের বুড়ির দুঃখ
বেচার হাট থেকে কিছু দুঃখ কিনে তাদের মৌন আলাপনে অংশ নেয়া প্রয়োজন,
নতুন ভোরের আগামের প্রতীক্ষায় কত শত রাতের প্রয়োজন। তোমার আমার
বেঁচে থাকার ভীষণ প্রয়োজন ।
নিকষ আঁধারে থেকে পুরনো কাগজ খুলে স্মৃতিচিহ্ন মুছে, একটা দুটো দাগ কেটে
অবিরত ক্ষতস্থানে অস্থায়ী মলম, নিখুঁত মৃদুহাস্য মুখোশ পরিধানে এ গলি ও গলি
পারাপারে সুরক্ষা পেতে চাওয়া নিষ্পাপ আত্মাগুলো বর্ষা এলেই ছেঁড়া মুখোশ ভেদ
করে শুকতারার কাছে নালিশ জানাতে জানাতে এক পর্যায় ভেঙে পড়ে। ওদের
কুঁড়ে ঘরে হাঁটু জল, নৌকা পারাপারের মাঝি নেই একাই ডুবে মরে আবার বেঁচে
যায় ভোরের রোদে জল শুকিয়ে যায়, জীবন ঘুম ভাঙে ।
শুকনো বকুল ফুলের আস্তানায় কী করে এ ঘুম হারায়, জানে আমাদের
ইনসমনিয়ার শহর, রোজ রাতের হুইসেলে মিথ্যে কথার এলাকায় সত্য সুখের
ছায়া বয়ে যায়, মন খারাপ নগরের নাগরিকদের নীল ঘাসের ছাউনিতে রাস্তা
পারাপার, ভাবছি যাব চলে ওদের আস্তানায়। ব্যাস্ত নদীর কথোপকথন এ কান
দিলে বুঝতে পারি একাকীত্ব এও আছে ভয়ংকর সৌন্দর্য। আমি জিতে হেরেছি
অনেকবার, আবার হেরেও জিতে গেছি তাই তোমাদের হেরে যাওয়াকে জেতার
পদবী দিচ্ছি নিশ্চুপ।
আবেগপ্রবণ এই রক্ত মাংস গড়া দেহে কত শর্তহীন প্রবল দাবী জানিয়েছে তোমার
চার দেয়ালে ছড়িয়ে থাকা একাকীত্বের দু’মুখো দানব যা ছিঁড়ে খাচ্ছে নিউরন এর
সুতোর ভাঁজ। নিয়মিত শুকনো পাতাগুলো ঝরে যাচ্ছে, যাচ্ছে নিয়ে তোমাদের
ধূসর ভার বাতাসে বয়ে, বাতাসে করুণ গন্ধ বিরাজ করে নেক্রপলিস থেকে স্তব্ধ
করা ছিল যা লাশ কাঁটা ঘর এ যত্ন রাখা ছিল গা ছমছম আসক্তি। এসো না বেড়িয়ে আমি এই অমানসিক যন্ত্রণা থেকে, রক্তবর্ণ গোলাপেও আছে কাঁটা,
ভবঘুরে আমায় দেখছ যে এসেছি সব জয় করে। নিজেকে নিয়ে ডুবিয়েছি বুনো
ঘাস গজা ডাঙায়, হেসেছি একলাই ফড়িঙ এর পিঠে স্মৃতিরা খেলে কী সুন্দর
দূরের আকাশের রংধনু যেন নীরবে বেদনা বাতাসে উড়ে, বসন্তের কোকিলে বেজে
ওঠে ওয়ার্ল্ড ম্যাপে বুনে থাকা স্বপ্ন। এ সবই পেয়েছি অগণিত বছর কালো মেঘে
ভেসে বিজলির আঘাতে নিজেকে উৎসর্গ করার পর । অবিচ্ছিন্নবার আঘাত হেনে
অতঃপর ঘুঙুর পায়ে দেবীর মত রথে চড়ে এসেছে প্রজাপতির ডানায় উড়ে
সুখেরা, ঘুমের মাসি এসে চুমু খায় কপালে, চাঁদের দুঃখ বেচারা বুড়ি হাসে আমায়
দেখে। তাই বলছি হারানো প্রয়োজন, হারিয়ে নিজেকে খুঁজে পাওয়া ভীষণ
প্রয়োজন। পালিয়ে নয় মুখোমুখি জীবনের ক্ষত নিভিয়ে এস। এ শহরের রুপালি
পারদে আমাদের ডাইরির পাতা ছিঁড়ে আদরের নৌকো ভাসিয়ে পাখির ডানায় ভর
করে যাব বহুদূর।
বিষণ্নতা আমার ভয়, নিজ চোখে দেখেছি শকুনের মত কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে এ
শহরের বাতি নেভানো ঘরে একাকী থাকা মানবদের। প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছি দর্শকদের
ওরা কেন একা? এ বিষণ্নতা কি ছোটো না বড় তুমি জানো কী করে? তবে হাসছ
কেন ওদের উপর? ওদের রক্তাক্ত মনে দাগ কেটেছে না কভু শুনেছ, না হাত
দিয়ে ছুঁয়েছে এ ভারের বোঝা যারা একাকী সয়, তোমাদের কাছে হাস্যপাত্র হতে
চাইনি, একাকী দল বেঁধেছে অজানা আগামীর জোনাকিদের সঙ্গ করে, ওদের ধ্রুব
তারাগুলোও ধরা ছোঁয়ার খুব বেশি দূরে। দুঃখ মাপা যায় কি? দুঃখ মাপার
দাঁড়িপাল্লা এসেছে বাজারে, বিজ্ঞান আনতে পেরেছে? আমাদের পৃথিবীতে জন্ম
নেইনি স্বার্থহীন পরিচয়ের। স্বার্থহীন শ্রোতার বড্ড অভাব আমাদের এই অহেতুক
ভিড়ের রাস্তায় । হুট করে পাওয়া যায় এমন শ্রোতাদের, জন্মেছে কেবল তোমাদের
হাহাকারের হাঁক শুনতে। কজনার সময় হয় স্বার্থহীন ভাবে রোজ রাত কথা শুনে
এক অসুস্থ আত্মাকে সুস্থ করে তোলার, ওদের নিজেদের শুশ্রুষা এরা নিজেই দেয়
বটে। কারণ এ শহরে স্বার্থহীন পরিচয়ের খুব বেশি অভাব। ওরা খুঁজে না মৃত
বাড়িতে ছেঁড়া লাশের গন্ধ, ওরা ছড়িয়েছে সুবাস সে ঘরের বারান্দায়। এসে এক
পলকে তোমাদের ঘা ছুঁয়ে দিয়েছে উষ্ণ বেদনা। চিকচিকে বালিতে দু’ফোঁটা জল
গড়িয়েছে আলাপনে এরপর তো কত শত হাসি খেলা একসাথে।
দাবার গুটিতে ছক্কা হাঁকিয়েছে কে কবে? দুঃখ না ছুঁয়ে দুঃখ মেপে দেখে কে
কবে পেরেছে অসুস্থ আত্মার নিকটত্ব পেতে? ওতেও আছে মলিন সুখ, কাছাকাছি
থাকতে পারার সুখ।
অসীমতায় দূরে থাকা কালো মেঘের ঝাক। যারা দাবি করে তাদের কোন গল্প
নেই, ওরা জানে মানুষগুলোর কাছে দুঃখ মাপার যন্ত্র আছে, সেই যন্ত্র দিয়ে মেপে ওরা পরিমাণ বুঝে সমবেদনা জানাবে কিংবা রসিকতা করবে, কে কবে জড়িয়েছে
তাদের, হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন গুনেছে আপন ক্যালকুটারে মান বসিয়ে, রক্তের চেয়ে
পজেটিভ এই মানুষগুলোর সাজানো অন্তঃস্থ ঘর। ওদের ঘরের দরজায় কোন তালা
থাকে না, দেয়ালে আটকিয়ে রাখে শতাব্দীর পুরনো স্টপ ওয়াচ, অসুস্থ আত্মা
পেলেই থামিয়ে দেয় সময়, ওদের রঙিন ঘরে মধুর আবেদন প্রত্যাখানের সাধ্য
থাকে কি কোন মানবীর? বাতিঘরে দুজনা বসে জানাবে কতটা প্রয়োজনীয়
আমাদের শব্দ, নিয়ন আলোয় চোখের কোনে বাষ্প জমা কতটা প্রয়োজন,
শকুনের আস্তানায় একা থাকা ভয়ঙ্কর ওরা জানে, গাঁদা এই জীবন্ত ক্ষতের মলম
নিয়ে প্রতীক্ষা অসাধ্য নয়, দরজায় কড়া নাড়লে যেই দরজা সময় মত খোলে না
তা ব্যর্থতা ছাড়া কিছুই নয়। সুখ বড়ই অদ্ভুত জিনিস, একাকী থেকে তা অর্জন
মুশকিল। সুখ পেতে হয় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পাখির ডানায় ভর করে দূরের লালচে
আকাশে, যে পারে গোধূলি এসে ঝুঁকে পরে বন রাজার কোলে, যেখানে হাহাকার
শোনা যায় না, যাবে কী করে? হারমোনিকার সুরে সেই হাহাকারের পরাজায় ঘটে
যায় নিভিয়ে দেয় এ অরণ্যের সকল দুরাশা বাঁচার জন্যে যেই যুদ্ধ তারও প্রয়োজন
অস্ত্র । যেখানে সময় এসে থামে না, অহেতুক ভিড়ে বালুগুলোর চাকচিক্যে ডুবে
থাকে পূর্ণিমা, জ্যোৎস্নার অমৃত আলোরা মৃত যেই ছাদে, নিকৃষ্ট সে স্থান। চিরদিন
কেউ থাকে না সাথে, স্রোতেরও আসে দিক পরিবর্তন। নদী পাড়ে বসে অল্প কিছু
গল্পের সন্ধ্যা, পড়ন্ত বিকেলের ডুবে যাওয়া সূর্য এসবই অমর নয়, এই দৃশ্যগুলো
অমর। দৃশ্যগুলো সম্পর্ক বাঁচিয়ে রাখতে পারে না, ঠায় জায়গা করে নিতে পারে
কেবল, মনের শূন্য ঘরে গহীন কোথাও বালুচরে।
দূর পাহাড়ে, যেখানে রংধনু এসে নুয়ে পরে। আমাদের ভাঙা কুঁড়েঘরে রঙিন
কাগজ দিয়ে বুনো শত স্বপ্ন আছে। জোনাকিদের মিটি মিটি সোনালি আলো জ্বলে
যেখানে আমাদের ইচ্ছে, আশারা সেখানে বাসা বেঁধে আছে। সেই পাহাড়ের
চূড়ায় পৌঁছুতে প্রয়োজন কেবল ভোরের। শত প্রতীক্ষার পর, দীর্ঘ আলাপনের
পর, ঘড়ির কাঁটা যখন নিয়মিত চলতে শুরু করে, অতঃপর সুস্থ আত্মা নিয়ে
সাজানো নগরীতে সুন্দর দেহে সুস্থ শহরে দেখা হবে আমাদের রাস্তার মোরে
চায়ের কাপ হাতে কোন এক বৃষ্টির দিনে স্বাগত জানাব। বলব ‘কে কবে সুখ খুঁজে
সুখ পেয়েছে?’
ভালো থাকুক সকল দুঃখগুলো, তোলা থাকুক আমাদের আলাপনগুলো ।

তো আজকে এই পর্যন্তই । মানুষ মাত্রই ভুল হয় । তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আপনি চাইলে এই লিংক এ ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন ।

The post পড়ে নিন অনন্ত বিষাদগাথা বইয়ের শেষ গল্প [বিষন্নতা আমার ভয়] appeared first on Trickbd.com.


Termux দিয়ে কিভাবে YouTube এর ভিডিও ডাউনলোড করবেন দেখে নিন।

Termux দিয়ে কিভাবে YouTube এর ভিডিও ডাউনলোড করবেন দেখে নিন।

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি।

আজ আমি আপনাদের সামনে নিয়ে আসলাম কিভাবে termux দিয়ে ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করা যায়। আমরা সবাই কম বেশি ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করি সেটা হক গান,মুভি ,নাটক ইত্যাদি । আমরা ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য অবশ্যই অ্যাপস এর দরকার পরে। কিছু জনপ্রিয় অ্যাপস হলো : vidmate, Tubemate, snaptube etc কম বেশি সবাই ব্যবহার করি।  কিন্তু আমি আজ ভিন্ন ভাবে ভিডিও কিভাবে ডাউনলোড করা যায় সেটা দেখাবো।

Termux দিয়ে ভিডিও ডাউনলোড সুবিধা : 

আমরা যারা termux ব্যবহার করি তাদের জন্য অনেক বড় সুবিধা হলো আমরা এক সাথে কয়েকটি টার্মিনাল ওপেন করে কাজ করতে পারছি এতে করে আমার ফোনের প্রেসার কম পরছে আবার আমার আলাদা করে কোন অ্যাপস দরকার পরছে না। সাথে আমার ফোনের স্টো‌রেজ মেমোরি খালি থাকছে। মুটামুটি কিছু সুবিধা দেখতে পাচ্ছি।

Termux দিয়ে ভিডিও ডাউনলোড অসুবিধা :

আমি তেমন কোন অসুবিধা দেখছি না কিন্তু হ্যাঁ একটা জিনিস খারাপ লাগছে সেটা হচ্ছে স্পিড। ডাউনলোড এর সময় আমি তেমন স্পিড পাচ্ছিলাম না। জানি না  আমার লাইনে সমস্যা ছিলো নাকি । তারপর আমি এইটা তেমন ইসু ধরছি না।

তো বেশি কথা না বলে আমরা কাজে চলে যাই।

প্রথমে আমরা termux এ চলে যাবো।

এখন আমরা git package টি ইনস্টল করবো।

pkg install git

এখন আমরা python ইনস্টল করবো।

pkg install python

এখন আমরা github থেকে tools টি ডাউনলোড করবো।

git clone https://github.com/Edi-ID/yt.git

ইনস্টল হলে আমরা ls দিয়ে ইন্টার করবো।

তারপর। টুলসটির ভিতরে প্রবেশ করবো ।

cd yt

এখন আমরা ls দিয়ে ইন্টার করবো।

এখন আমরা মেইন টুলসটি রান করবো ।

python main.py

এখন আমরা python টুলসটি ইনস্টল করবো তার জন্য 1 দিয়ে ইন্টার করবো।

 

 

ইনস্টল হয়ে গেলে আমরা y দিয়ে আগের মেনুতে ফিরে আসবো।

এখন আমরা ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করবো তাই 2 দিয়ে ইন্টার করবো।

এখন আমরা যেই ভিডিওটি ডাউনলোড করবো সেটির লিংক কপি করে নিয়ে আসবো ।

এখানে পেস্ট করে ইন্টার করবো ।

এখন আমরা কি অডিও ডাউনলোড করবো নাকি ভিডিও সে সিলেক্ট করে দিবো আমি অডিও করবো তাই 1 দিয়ে ইন্টার করবো।

দেখতে পাচ্ছেন ডাউনলোড শুরু হয়ে গেছে।

ডাউনলোড শেষ হলে এই রকম ইন্টার পেইজ দেখতে পারবেন। এবং কোথায় সেইভ হয়েছে সেই লোকেশন ও দেখাবে।

দেখতে পাচ্ছেন আমার ডাউনলোড হয়ে গেছে।

তো আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন সবাই।

The post Termux দিয়ে কিভাবে YouTube এর ভিডিও ডাউনলোড করবেন দেখে নিন। appeared first on Trickbd.com.


দাঁতের যত্ন কিভাবে নিবেন তা সহজে শিখে নিন

দাঁতের যত্ন কিভাবে নিবেন তা সহজে শিখে নিন

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সকলে ভালো আছেন ।

আজকে আমি আপনাদের সাথে দাঁত পরিস্কার ও যত্ন নেওয়া সম্পকে কিছু কথা বলতে যাচ্ছি । আশা করি সকলে মনোযোগ সহকারে পড়বেন এবং ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন ।


দাঁতের যত্ন নেওয়ার উপায় :-


১। দাঁতের যত্ন এবং দাঁতকে ক্ষয় ও ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে আমাদের সবচেয়ে যে বিষয়টির উপর নজর দিতে হবে সেটি হলো দিনে ২বার দাঁত ব্রাশ করা । সকাল ও রাত্রে ব্রাশ করলে দাঁতে ময়লা জমতে পারে না । ফলে দাঁত অনেক সুন্দর থাকে ।

তবে আপনাদেরকে মনে রাখতে হবে খাওয়ার পর কিছু খাবার দাঁতের মধ্যে আঁটকে থাকে । এগুলো দীঘক্ষণ দাঁতের মধ্যে আঁটকে থাকলে পচে দূঘন্ধ সৃষ্টি করতে পারে । তাই প্রতিবার খাওয়ার পর দাঁতের ফাকে লেগে থাকা খাবার বের করতে হবে ।

২। মিষ্টি ও টক জাতীয় খাবার অতিরিক্ত না খাওয়া । আমরা অনেকেই মিষ্টি ও টক খেতে অভ্যস্ত । কিন্তু অতিরিক্ত মিষ্টি ও টক খাওয়া দাঁতের জন্য উপকারী নয় । এতে দাঁতের শক্তি ক্রমাগতভাবে হ্রাস পেতে পারে । তাই আমরা অতিরিক্ত মিষ্টি ও টক খাওয়া পরিত্যাগ করতে হবে ।


আরও পড়ুন : Lip Swelling After Dental Work


৩। দাঁত মাজার জন্য আমরা যে ব্রাশ করি তা যেন অতিরিক্ত শক্ত না হয় । অতিরিক্ত শক্ত থাকলে দাঁত মাজার সময় আঘাত করতে পারে । ফলে দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়তে পারে । এটি দাঁতের জন্য মোটেই ভালো নয় । মাঝারি ধরনের ব্রাশ ব্যাবহার সব থেকে ভালো ।

৪। আমরা একটি ব্রাশ কিনে অনেক দিন ধরে চালাই । এটি একটি খারাপ অভ্যাস । কমপক্ষে দুই মাস পর পর আমাদের ব্যাবহারকৃত ব্রাশ বদলানো উচিত ।

৫। অতিরিক্ত ঠান্ডা জাতীয় জিনিস না খাওয়া । দাঁতকে যদি স্বযত্নে রাখতে হয় তাহলে যে কাজটি করা উচিত তা হলো অতিরিক্ত ঠান্ডা জাতীয় জিনিস যেমন আইসক্রিম, কোমল পানীয়, কোল্ড কফি ইত্যাদি নিয়মিত না খাওয়া । এ ব্যাপারে আমাদের সতক থাকতে হবে ।

৬। শিশুদেরকে দাঁতের নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য চকলেট ও এ জাতীয় সকল খাবার থেকে দূরে রাখতে হবে ।

৭। আমাদের অনেক সময় দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পরে । এটা কখনোই দাঁতের জন্য ভালো লক্ষণ নয় । তাই দাঁত দিয়ে রক্ত পড়লে আমাদেরকে স্থানীয় দন্ত বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলতে হবে । তারা যে পরামশ দেন তা মেনে চলতে হবে ।

৮। দাঁতকে সাদা করতে আপনারা লেবুর রস ও একটু লবণকে পেস্ট হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন । লেবুর রস ও লবণ ব্রাশে ভালোভাবে লাগিয়ে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিবেন । তারপর ব্রাশ করবেন । এতে করে আপনার দাঁত সাদা হতে পারে ।

তো আজ আমার পক্ষ থেকে এতটুকুই ছিল । সবাইকে ধন্যবাদ ।

The post দাঁতের যত্ন কিভাবে নিবেন তা সহজে শিখে নিন appeared first on Trickbd.com.


Friday, May 27, 2022

দেখে নিন সর্বকালের সেরা thriller and adventure বই রিভিউ [amazonia]

দেখে নিন সর্বকালের সেরা thriller and adventure বই রিভিউ [amazonia]

Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । তাই বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক
Book Name : Amazonia
Writer : James Rollins
Genre : Thriller, Science fiction, Adventure fiction, Suspense
Review language : Bangla

Book Review : একাধিক বেস্টসেলার অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চার থ্রিলারের লেখক জেমস রলিন্সের জন্ম ১৯৬১ সালে আমেরিকার শিকাগোতে। রোলিন্স ব্যাক্তিগত জীবনে একজন অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষ। তার প্রায় প্রতিটি রচনাতেই দেখা যায় অ্যাডভেঞ্চারের ছাপ। জেমস রোলিন্স বর্তমানে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন। তার বিখ্যাত লেখাগুলোর মধ্যে এক্সকেভেশান,আইস হান্ট, ম্যাপ অব বোনস অন্যতম। এছাড়াও ইন্ডিয়ানা জোনসের চতুর্থ কাহিনী রচনা করেছেন। ঠিক তেমনই আমাজনিয়া তার খুবই জনপ্রিয় একটি রচনা যা পাঠকদের কাছে সেরা অ্যাডভেঞ্চার থ্রিলারগুলোর মধ্যে একটি। এ বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠাই পাঠকদের পদে পদে বিচলিত ও কৌতুহল জাগ্রত করবে। প্রথমে বইয়ের সাইজ দেখেই চমকালাম ভেবে যে এটা পড়তেই দু’মাস লেগে যাবে। তবে একটু ভিতরে পড়তেই বইয়ের আসল মজা টের পাওয়া গেল। অন্যান্য বইয়ের মতো বুকমার্ক রেখে পড়লে চলবে না, পড়তে পড়তে চলে যেতে হবে আমাজনের গভীর জংগলের মাঝে। যেই জনশুন্য ও ভীতিকর পরিবেশে আপনি সম্পূর্ণ একা। রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরপুর জেমস রলিন্সের লিখা আমাজনের জংগলের কিছু গা ছমছমে ও রহস্যজনক ঘটনা নিয়ে এই গল্পটি আপনাদের কৌতুহলউদ্দীপক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করি….
পৃথিবীর সবচাইতে বিপদশন্কূল অরণ্যে সিয়াইএ’র এক অপারেটিভ এবং সাবেক স্পেশাল ফোর্সের সৈনিক এজেন্ট জেরাল্ড ক্লার্ক মৃত্যুদ্বারেপ্রান্তে উপনীত হয়ে হাজির হলো এক মিশনারি গ্রামে। এজেন্টের মৃত্যুতে ওয়াশিংটনে তার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা হতবুদ্ধিকর হয়ে পড়লো। এই এজেন্ট যখন আমাজনে গিয়েছিলো তখন তার ছিলো একটি হাত কিন্তু মৃত্যুর সময় দেখা গেলো তার দুটি হাত। আমাজনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নাথান র‍্যান্ডের নেতৃত্যে রেন্জার্সদের একটি দলকে সেই রহস্যময় ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য পাঠানো হলো। অচিরেই সেই দলটি টের পেলো তাদের পিছনে কেউ লেগেছে…
ব্রাজিলের আমাজন বনের ভীতিকর পরিবেশের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে শ্বাসরুদ্ধকর এই থ্রিলারটি। রোলিন্স তার উপন্যাসে বাস্তব জগতের সত্যিকারের ঘটনা আর বিস্তয়কর প্রযুক্তির যে বর্ণনা দেন তা পাঠকদের জন্য হয়ে উঠে দারুন লোভনীয়। এমনটি মনে করা হয় যে ২০০৮ সালে মাইকেল ক্রাইচটন মারা যাওয়ার পর নিশ্চিতভাবেই তার ব্যাটনটি রোলিন্সের হাতে দিয়ে গেছেন! – বুক ওয়ার্লড
আমাজনের অব্যাখ্যাত রহস্য, অজানাশত্রু এবং রেঞ্জার্সদের সেই প্রানের ভয় এর কারন অবিশ্বাস্য হলেও সত্য… গল্পের শেষে কি হবে এডভেঞ্চারারদের?এরপর কি হতে যাচ্ছে? কেউ কি আদৌ পারবে সে রহস্য উদঘাটন করতে? জানতে হলে পড়ুন ।
আর যদি আমার নিজের রিভিউ এর কথা বলেন , তাহলে আমার কাছে বই টি অসাধারন লেগেছে । কখন কি হবে চরম উত্তেজনায় রহস্যময় বইটি। আপনি কোনোভাবেই বোরিং হবেন না । আপনি যখন পড়বেন দেখবেন সময় কোথায় চলে যাচ্ছে । আপনি যদি থৃলার প্রেমি হয়ে থাকেন এই বইটি মিস করবেন না । আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে । আর সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ।

রহস্যপ্রেমী,গোয়েন্দাপ্রেমী, থ্রিলারপ্রেমীদের কাছে এটা একটা মাস্টারপিস বই। পুরোটা বই জুড়েই রয়েছে টানটান উত্তেজনা।
তাই যারা পড়েননি এখনো, আর দেরী না করে তাড়াতাড়ি সংগ্রহ করুন আর নেমে পড়ুন রহস্যের কিনারা করতে l
ট্রিকবিডিতে কপিরাইট ইস্যু থাকায় আমি ডাউনলোড লিংক দিতে পারছি না । তবে আপনারা সহজেই গুগলে পেতে পারেন , অথবা সরাসরি কিনে নিতে পারেন । তো আজকে এই পর্যন্তই । মানুষ মাত্রই ভুল হয় । তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আপনি চাইলে এই লিংক এ ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন ।

The post দেখে নিন সর্বকালের সেরা thriller and adventure বই রিভিউ [amazonia] appeared first on Trickbd.com.