Friday, September 18, 2020

বোতলের ত্রিকোনা চিহ্নটি কেন থাকে? জানলে অবাক হবেন!

বোতলের ত্রিকোনা চিহ্নটি কেন থাকে? জানলে অবাক হবেন!

আপনি কি জানেন? বোতলের ত্রিকোনা চিহ্নটি কেন থাকে?

চিত্র-ইন্টারনেট থেকে।

কিন্তু, আমরা না জেনেই এগুলো দিনের পর দিন ব্যবহার করে যাচ্ছি । অনেকে তো বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানো ফিডিং বোতল টাই গরম করে বসেন। প্লাস্টিক বোতলের এরকম যথেচ্ছ ব্যবহার আদৌও কি স্বাস্থ্যকর? এই বিষয়ে আমরা বাচ বিচার করি না, অর্থাৎ এ ব্যাপারে আমরা অসচেতন।। প্লাস্টিক বোতলের ত্রিকোনা চিহ্নটি বুঝে নিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে নিমেষে।

প্লাস্টিকের বোতলের নিচের চিহ্ন-

১: ত্রিকোণ চিহ্ন – এটা আসলে প্লাস্টিক বোতলের চারিত্রিক ইন্ডেক্স। যা বলে বোতলটা বিধিসম্মতভাবে তৌরি কিনা।কিন্তু বোতলটা কতটা নির্ভরযোগ্য তা জানা যায় এই ত্রিকোণ চিহ্ন এর ভেতরে থাকা সংখ্যাটি থেকে।

২. ত্রিকোণ এর মধ্যে যদি ১ থাকে– তবে সেটি একবার ব্যবহার করা যাবে, এবং প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে পলি ইথিলিন টেরেপথ্যালেট(PET) পলিমার ব্যবহার করা হয়, এই চিহ্ন করা বোতল গুলি বহু ব্যবহার স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক।

৩. ত্রিকোণ এর মধ্যে যদি ২ থাকে– এই ধরনের প্লাস্টিক বোতল ঘন পলিইথিলিন পলিমার (HDPE) দিয়ে তৈরি। এগুলি মোটা পলিথিনের ব্যাগ ও শ্যামপু, ডিটারজেন্ট এর বোতল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

৪. ত্রিকোণ এর মধ্যে ৩ থাকলে– এগুলি এক বেশি ব্যবহার করা উচিত নয় । কারণ এগুলি পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC)দিয়ে তৈরি। এগুলি ক্যান্সারের কারণ হয়। পিনাট বাটার বোতলে এগুলি ব্যবহৃত হয়।

৫. ত্রিকোণ এর মধ্যে ৪ থাকলে–এগুলি বহু বার ব্যবহার যোগ্য । বেশিরভাগ প্লাস্টিক ক্যারি প্যাকেট এর ব্যবহার হয়। দামি বোতলে এগুলি ব্যবহার হয়।

৬. ত্রিকোণ এর মধ্যে ৫ থাকলে এগুলি নিরাপদ এবং বহুবার ব্যবহারযোগ্য। খাবারের কন্টেনার , কৌশিক পত্রের মোরক , সিরাপের বতলগুলিতে এগুলি ব্যবহার হয়।

৭. ত্রিকোণ এর মধ্যে ৬ ও ৭ থাকলে এগুলু প্লাস্টিকের সবচেয়ে খারাপ কোয়ালিটি, বা রেড কার্ড বলা যেতে পারে। এগুলি তৈরি হয় পলিস্টারিন ও পলিকার্বনেট বিস ফেনল দিয়ে। কারণ এই ধরনের প্লাস্টিক মানুষের হরমোনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এবং ক্রমাগত ক্যান্সার সৃষ্টি করার প্রবণতা থাকে।

তথ্যগুলি অন্যদের জানাতে শেয়ার করতে পারে ন।

ধন্যবাদ সবাইকে ৷

The post বোতলের ত্রিকোনা চিহ্নটি কেন থাকে? জানলে অবাক হবেন! appeared first on Trickbd.com.


জাভার জন্যা নিয়ে নিন প্রোয়জনীয় জাভা অ্যাপ ।সাথে রয়েছে মোড করা Java app

জাভার জন্যা নিয়ে নিন প্রোয়জনীয় জাভা অ্যাপ ।সাথে রয়েছে মোড করা Java app

আসসালামু ওয়ালাইকুম ।সম্মানিত ট্রিকবিডী ভিজিটর আশা করি আপনারা ভালো আছেন ।

আজকের বিষয় :
আজ আমি জাভা ইউজারদের জন্যা জাভা অ্যাপ Mod করার প্রয়োজনীয় কিছু Java অ্যাপ নিয়ে এসেছি

কিছু কথা :

পোষ্টে যদি কোন ভুলক্রটি হয় ।তাহলে ক্ষমার দ্রৃষ্টিতে দেখবেন ।

চলুন শুরু করা যাক ।

আমরা অনেক জায়গায় দেখি বিশেষ করে ফেইসবুকে বা বিভিন্ন সাইটে অনেক ক্ষেতেই দেখা যায় কেউ জাভা গেম বা অ্যাপ মোড করছে ।কিন্তু প্রশ্ন হলো সে কিভাবে মোড করে ।আর আমি কিভাবে মোড করতে পারবো ।হা এটা জাভা ফোন দিয়েও করা যায় ।যারা গেম বা অ্যাপ মোড করে ।তারা কিছু অ্যাপের সাহায্যে এগুলো করে ।

এখন থেকে আপনিও জাভা অ্যাপ মোড করতে পারবেন কারন । আজ আমি আপনাদের সাথে সেই জাভা অ্যাপগুলো শেয়ার করবো।

তো চলুন নিচ থেকে সেই জাভা অ্যাপগুলো সম্পর্কে জেনে নিয় ।

  • 1.java app name:
    mini commander
  • অ্যাপ এর কাজ :
    যেকোন অ্যাপ মোড এবং জাভা গেম হ্যাক করতে পারবেন
  • byte code
  • অ্যাপ এর কাজ :mod করার সময় Code edit করতে কাজ লাগবে
  • jar name:
    Classic editor
  • অ্যাপের কাজ:
    Classic ইডিট করতে পারবেন
  • অ্যাপের নাম :Ringtone maker.jar
  • অ্যাপের কাজ :Android এর মত Ringtone তৈরি করতে পারবেন ।
  • Cllashack.1.7.jar
  • Classtranslator.jar
  • pakcreator.jar
  • multimidlet.jar
  • j2me editor.jar
  • অ্যাপের কাজ :
    Source code edit করতে পারবেন
  • অ্যাপের কাজ :
    গেম হ্যাক করতে কাজে লাগবে ২
  • All jar download here

  • নামাজ সর্ম্পকৃত একটা হাদিস ।

  • ﻋَﻦ ﺍﺑْﻦِ ﻣَﺴْﻌُﻮْﺩٍ
    ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﷺ ﻗَﺎﻝَ
    ﻋَﺠِﺐَ ﺭَﺑُّﻨَﺎ ﻋَﺰَّ
    ﻭَﺟَﻞَّ ﻣِﻦْ ﺭَﺟُﻠَﻴْﻦِ
    ﺭَﺟُﻞٍ ﺛَﺎﺭَ ﻋَﻦ
    ﻭِﻃَﺎﺋِﻪِ ﻭَﻟِﺤَﺎﻓِﻪِ ﻣِﻦْ
    ﺑَﻴْﻦِ ﺃَﻫْﻠِﻪِ ﻭَﺣِﺒِّﻪِ
    ﺇِﻟَﻰ ﺻَﻠَﺎﺗِﻪِ
    পরিচ্ছেদঃ মহান আল্লাহর গুণাবলী (৩১) ইবনে মাসঊদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা সেই ব্যক্তির প্রতি বিস্মিত
    হন, যে নিজের বিছানা, লেপ ও স্ত্রী ছেড়ে উঠে নামায পড়ে।
    (আহমাদ০৩৯৪৯
    বাইহাক্বী ১৮৩০৫, ত্বাবারানী১০৩৮৩, ইবনে হিব্বান ২৫৫৮, সিলসিলাহ সহীহাহ ৮/৩৪)
  • ঘরে থাকুন সুস্হ থাকুন ।আর ট্রিকবিডি ভিজিট করুন ।খোদা হফেজ ।

    The post জাভার জন্যা নিয়ে নিন প্রোয়জনীয় জাভা অ্যাপ ।সাথে রয়েছে মোড করা Java app appeared first on Trickbd.com.


    Wednesday, September 16, 2020

    আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে ওয়েবক্যাম ব্যবহার করুন একদম সহজে

     

    আসসালামু আলাইকুম। এটি ট্রিকবিডিতে আমার প্রথম পোস্ট। আশা করি সব ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি ওয়েব ডিজাইনিং, ব্লগিং, অ্যান্ড্রয়েড ইত্যাদি বিষয়ক পোস্ট করবো। তাহলে চলুন শুরু করি।

    আমাদের মধ্যে অনেকেই কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপের ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে ভিডিও কলিং, অনলাইনে ক্লাস অথবা ইউটিউবের ভিডিও বানিয়ে থাকি। আবার অনেক সময় জরুরী কাজের জন্য ওয়েবক্যাম ব্যবহার করতে হতে পারে। কিন্তু সবার কাছে তো আর ওয়েবক্যাম থাকে না।

    আপনার কাছে যদি একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন থাকে, তাহলে আপনি আলাদা ওয়েবক্যাম কেনার খরচ থেকে বাঁচতে পারেন। শুনে অদ্ভুত লাগছে? আজ আমি দেখাবো, কীভাবে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিকে কম্পিউটারের ওয়েবক্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

    এই প্রক্রিয়ায় মোবাইলের ক্যামেরায় ভিডিও স্ট্রিমিং হয়ে কম্পিউটারের একটি নির্দিষ্ট পোর্টে যাবে। কম্পিউটারের একটি সফটওয়্যার এটিকে ওয়েবক্যাম ভিডিও হিসেবে দেখাবে। শুনে একটু কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু এটি পাবজি খেলার চেয়ে অনেক সহজ।

    এখানে মোবাইলকে ওয়েবক্যাম হিসেবে ব্যবহার করার দুইটি মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করবো। আশা করি বুঝতে কোনো সমস্যা হবে না।

    ⦿ USB এর মাধ্যমে

    ➦ USB এর মাধ্যমে ওয়েবক্যাম ব্যবহার করার জন্য Dev4Apps এর মোবাইল অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। ” DroidCam Wireless Version ” এখানে ক্লিক করে প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন।

    ➦ কম্পিউটারে আপনার পছন্দের ব্রাউজারে ঢুকে এই ওয়েবসাইটে যান ➛ DroidCam Windows Client। এখান থেকে DroidCam Client App ডাউনলোড করুন। এটি একটি জিপ ফাইলে থাকবে। এক্সট্র্যাক্ট করার পর ফাইলে ক্লিক করলে সেট আপ শুরু হবে।

    ➦ সেট আপ শেষ হলে আপনার মোবাইলটি USB Cable দিয়ে কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করুন। সেটিংস থেকে USB Debugging মোড চালু রাখতে হবে।

    ➦ এবার কম্পিউটারে DroidCam Client App এ গিয়ে USB অপশনটি সিলেক্ট করে দিন। মোবাইল ঠিকমতো কানেক্ট হলে ” Start ” এ ক্লিক করুন।

    এইতো হয়ে গেলো। এবার ফোনের ক্যামেরা চালু হবে এবং আপনি ওয়েবক্যাম ব্যবহার করতে পারবেন। মোবাইলটিকে হাতে না রেখে কোনো সমতল জায়গায় রাখুন, তা না হলে ভিডিও কোয়ালিটি খারাপ আসবে। নিচে গুগল হ্যাং আউটে ” DroidCam ” ব্যবহার করে ভিডিও কলের একটি স্ক্রীনশট দিলাম।

    ⦿ WiFi এর মাধ্যমে

    ➦ WiFi দিয়ে কম্পিউটারে ওয়েবক্যাম ব্যবহারের জন্য যে অ্যাপটি ব্যবহার করবো, সেটি হলো IP Webcam। লিংকে ক্লিক করে অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন।

    ➦ এবার কম্পিউটারে এই ফাইলটি ডাউনলোড করুন ➛ IP Webcam PC। সেট আপ করার পর অ্যাপ্লিকেশনে ঢুকুন।

    ➦ মোবাইলে অ্যাপটিতে ঢুকে স্ক্রল করলে নিচে ” Start Server ” অপশন পাবেন। ক্লিক করুন। সবকিছু ঠিক থাকলে কম্পিউটারের সাথে Automatic কানেক্ট হয়ে যাবে।

    কেন অ্যান্ড্রয়েডকে ওয়েবক্যাম হিসেবে ব্যবহার করবেন?

    এই প্রশ্নের উত্তর আমার চেয়ে আপনিই ভালো জানবেন। হয়তো আপনি কম্পিউটার ব্যবহার করে গেম স্ট্রিমিং করতে চান, অথবা ভিডিও তৈরী করতে চান। কিন্তু এই মহামারীর সময়ে বাহিরে গিয়ে ওয়েবক্যাম কেনা সম্ভব না, অথবা কেনার মতো যথেষ্ট টাকাও হাতে নেই, এক্ষেত্রে নিজের মোবাইলটিকে কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

    পোস্টটি প্রথম প্রকাশিত হয় আমার ব্লগ Rijonistic এ। নিত্য নতুন প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন পোস্ট পেতে আমার ব্লগটি ঘুরে আসতে পারেন।

    সুপ্রিয় পাঠক, লেখাটি কেমন লাগলো নিচের কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের কমেন্টই আমাদের মোটিভেট করে আরো ভালো মানের পোস্ট লেখার জন্য। ধন্যবাদ।

     

    The post আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে ওয়েবক্যাম ব্যবহার করুন একদম সহজে appeared first on Trickbd.com.


    রিয়েলমি সি-১৭ এর গ্লোভাল লঞ্চ শুরু বাংলাদেশ থেকে

    জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি আর কয়েকদিন পরেই গ্লোবাললি লঞ্চ করতে যাচ্ছে তাদের সি সিরিজের প্রথম মিড লেভেল স্মার্টফোন রিয়েলমি সি-১৭। তবে অবাক করার মত তথ্য হচ্ছে সি-১৭ গ্লোবাল লঞ্চ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে।
    Realme C17
    স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে তরুণ প্রজন্মের কাছে এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে রিয়েলমি। সবটাই তাদের স্টাইলিশ ডিজাইন এবং দারুণ পারফর্মেন্স দ্বারা সম্ভব হয়েছে।
    বর্তমানে সারা বিশ্বে রিয়েল সি সিরিজের ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক কোটির উপরে। আর রিয়েলমি সি-১৭ হচ্ছে রিয়েলমি সি সিরিজের প্রথম মিড-লেভেল স্মার্টফোন। ধারণা করা হয় ফ্লাগশিপ ফিচার সমৃদ্ধ এই স্মার্টফোনটি লঞ্চ হবে আকর্ষণীয় মূল্যে।
    রিয়েলমি সি-১৭ এ ডিসপ্লে হিসেবে পাবেন এইচডি প্লাস অর্থাৎ 720 x 1600 পিক্সেল এর IPS LCD 6.5 ইঞ্চি ডিসপ্লে। সাথে আরো পাবেন 90 Hz রিফ্রেস ফেসেলেটিস। যা ফোনটির অন্যতম উল্লেখযোগ্য ফিচার। যারা ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য ফোনটি একদম পার্ফেক্ট।
    ফোনটির পারফরম্যান্স সম্পর্কে যতদূর জানা যায়, এই ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকম্ম SM4250 স্নাপড্রাগণ 460 চিপসেট। রিয়েলমি সি-১৭ তে পাবেন 6 জিবি র‍্যাম 128 জিবি ইন্টারনাল স্পেস। এই ফোনটিতে সফটওয়্যার সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড 10। তাই খুব ভারী ভাবে ইউজ করলেও ফোনের উপর তেমন কোন প্রভাব পড়বে না।
    রিয়েলমি তাদের এই ফোনটিতে দিচ্ছে 5000 mAh এর লিথিয়াম পলিমার নন রিমুভাল ব্যাটারি। আপনি যদি সাধারণ ইউজার হন তাহলে মোটামুটি দুই থেকে দেড় দিন ব্যাকআপ পাবেন। এবং আরো থাকছে 18 ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। ফোনটিতে ফুল চার্জ হতে সময় লাগে ২ ঘন্টার মত।
    ফোনটির পিছনে থাকবে একটি এলইডি ফ্লাশ লাইট সহ চারটি ক্যামেরা। যার মধ্যে থাকবে 13 মেগা পিক্সেলের প্রাইমারী ক্যামেরা, 8 মেগা পিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা, 2 মেগা পিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা ও 2 মেগা পিক্সেলের ডেথ সেন্সর ক্যামেরা। আশাকরি বেস্ট কোয়ালিটির ফটো পাওয়া যাবে। এবং প্রটেড শট গুলো ও মোটামুটি ভালো হবে।
    দাম সম্পর্কে কিছু বলতে পারছি না। তবে আশাকরা যায় বাজেটের মধ্যে ফোনটি হবে সেরা ফোন। আর সাধারণত আমরা যেসব ফিচার এসপেক্ট করি তা সবই থাকবে এই ফোনটিতে।
    ফোনটি সম্পর্কে আপনার অভিমত কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন। আর হ্যা অব্যশই আর্টিকেলটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।

    The post রিয়েলমি সি-১৭ এর গ্লোভাল লঞ্চ শুরু বাংলাদেশ থেকে appeared first on Trickbd.com.


    ওয়ালটন প্রিমো এইচ ৯ প্রো বাংলা রিভিউ

    ওয়ালটন প্রিমো এইচ ৯ প্রো বাংলা রিভিউ

    ধিরে ধিরে মানুষের মনে জায়গা করে নিচ্ছে দেশি কোম্পানি ওয়ালটন। কিছুদিন যাবত ওয়ালটন কম দামে বেশ কিছু ভালো মানের ফোন প্রভাইড করছে।

    তারই ধারাবাহিতায় ওয়ালটন কিছুদিন পূর্বে দেশের বাজারে রিলিজ করে এন্ট্রি লেভেল স্মার্টফোন ওয়ালটন প্রিমো H9 প্রো। যেটি ওয়ালটন প্রিমো H9 এর পরিপূরক হিসেবে বাজারে আসে।

    প্রথমেই কথা বলব ফোনটির ডিজাইন ও বিল্ড মেটেরিয়াল নিয়ে।

    ফোনটি অল বডি প্লাস্টিক। তবে স্মুথ ফিনিশিং থাকায় হাতে নেওয়ার সময় আলাদা অনুভূতি তৈরি হয়।

    ফোনটি ৪টি কালার ভেরিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। ক্রিস্টাল স্কাই, পারপেল, মিড নাইট সায়ান এবং ব্লাক। ৪টি কালারই পছন্দ হওয়ার মত।

    ফোনটির উপরে থাকছে ৩.৫ এমএম হেড ফোন জ্যাক, লেফট সাইডে ট্রিপল স্লট যাতে দুটি ন্যানো সিম কার্ড সহ একটি মাইক্রো এসডি কার্ড ইউজ করা যাবে। রাইট সাইডে পাওয়ার বাটন ও ভলিউম ব্রোকার।

    এক কথায় বলতে গেলে ছোট বড় সবারই পছন্দসই ডিজাইন। আমার পার্সোনাল্লি ডিজাইন খুব ভালো লেগেছে এবং আশাকরি আপনাদেরব পছন্দ হবে।

    স্মার্টফোনের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে এর ডিসপ্লে। তো চলুন ডিসপ্লে সম্পর্কে কিছুটা জেনেনি,

    ওয়ালটন প্রিমো H9 প্রোতে ডিসপ্লে হিসেবে পাচ্ছেন এইচডি প্লাস অর্থাৎ 720 x 1560 পিক্সেল এর IPS LCD 6.1 ইঞ্চি ডিসপ্লে। যা এই বাজেটে একদম পার্ফেক্ট। আর ডিসপ্লে বড় হওয়ায় ভিডিও দেখেও মোটামুটি মজা পাবেন।

    এবার কথা বলব ফোনটির ব্যাটারি সম্পর্কে,

    ফোনটির অন্যতম আকর্ষণ এর ব্যাটারি। একটু কম বাজেটে ফোন কেনার কথা ভাবলে ভালো ব্যাটারির কথা চিন্তা করা যায়। কিন্তু ওয়ালটন তাদের এই ফোনটিতে দিচ্ছে ৪০০০ mAh এর লিথিয়াম পলিমার নন রিমুভাল ব্যাটারি। আপনি যদি সাধারণ ইউজার হন তাহলে মোটামুটি এক থেকে দেড় দিন ব্যাকআপ পাবেন। তবে থাকছে না কোন ফাস্ট চার্জার। তাই চার্জ হতে একটু বেশি সময় লাগে।

    তো চলুন পারফরম্যান্স সম্পর্কে জেনেনি,

    ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেকের পাওয়ারফুল প্রসেসর হেলিও A20. এবং 4 জিবি র‍্যাম ও 64 জিবি ইন্টারনাল স্পেস। এই দামে 2 জিবি র‍্যাম ও 32 জিবি রম এসপেক্ট করছিলাম। কিন্তু ওয়ালটনতো পুরাই বাজিমাত করে দিল। ফোনটি ব্যবহার করে আপনি পাবজি, পাবজি লাইট, ফ্রী ফায়ার সহ অন্যান্য গেম গুলো ভালো ভাবেই খেলতে পারবেন। এই ফোনটি রান করছে এন্ড্রয়েড 10 এ। সর্বোপরি পারফরমেন্স নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন জায়গা রাখেনি ওয়ালটন। সাধারণ ইউজার থেকে হেভি ইউজার কারো কোন সমস্যা হওয়ার কথা না।

    চলুন এবার ক্যামেরা নিয়ে কথা বলি,

    ফোনটির পিছনে আছে একটি led ফ্লাশ লাইট সহ তিনটি ক্যামেরা। যার মধ্যে থাকছে ১৩ mp প্রাইমারী ক্যামেরা, ৫ mp আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা ও ০.৩ mp ডেথ সেন্সর ক্যামেরা। যদি ফটো কোয়ালিটির কথা বলি তাহলে অবশ্যই এই বাজেটে ঠিক আছে। তবে ভালো ফটো পাওয়ার জন্য অধিক লাইট প্রয়োজন। প্রটেড শট গুলো ও মোটামুটি ভালো ছিল।

    ফোনটির সামনে থাকছে ৮ mp র ফন্ট ক্যামেরা। যা থেকেও মোটামুটি ভালো মানের ফটো পাবেন।

    পিছনের ক্যামেরা ইউজ করে ১০৮০ পিক্সেলে ভিডিও রেকর্ড করা যাবে। পাশাপাশি সেল্ফি ক্যামেরা দিয়ে ৭২০ পিক্সেলে ভিডিও রেকর্ড করা যাবে।

    সর্বশেষ আমার ব্যাক্তিগত মতামত হলো আন্ডার 10k বাজেটে ফোনটি মোটামুটি ভালো মানের ফোন। আর এই বাজেটে আমরা যেসব ফিচার এসপেক্ট করি তা সবই রয়েছে এই ফোনটিতে। তবে যদি কারো দেশি প্রোডাক্টে এলার্জি থাকে তার কথা ভিন্ন। তবে আমার দেশি প্রোডাক্টে এলার্জি নাই।

    The post ওয়ালটন প্রিমো এইচ ৯ প্রো বাংলা রিভিউ appeared first on Trickbd.com.


    Monday, September 14, 2020

    কোন কোম্পানির প্রসেসর সবথেকে ভালো দেখে নিন।(না দেখলে মিস)

    কোন কোম্পানির প্রসেসর সবথেকে ভালো দেখে নিন।(না দেখলে মিস)

    আসসালামু আলাইকুম,
    প্রিয় ট্রিকবিডিয়ান,
    কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভাল আছেন।ভালো থাকারই কথা কেননা আমরা ট্রিকবিডি থেকে দৈনিক কিছু না কিছু শিখতে পারি এবং আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করতে পারি।

    আজ আমরা কথা বলবো কোন কোম্পানির প্রসেসর সেরা।চলুন শুরু করা যাক,

    আমরা সবাই এখন বর্তমান যুগে স্মার্টফোন ইউজ করি। স্মার্টফোনের এক বিশেষ অংশের নাম প্রসেসর।প্রসেসর মানেই তো বুঝতেই পারছেন সেটা যেকোনো কাজ কি প্রসেস করে।এখন প্রসেসর যত ভালো হবে বা উন্নত হবে ততই মোবাইলের কোন একটা কাজ খুব তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হবে।আশা করি আপনাদের সবারই হয়তো প্রসেসর সম্পর্কে মোটামুটি ভালই ধারনা আছে।

    তো বন্ধুরা আজকে আমরা কথা বলবো জনপ্রিয় পাঁচটি প্রসেসর নিয়ে।যার মধ্যে অন্যতম- snapdragon , bionic , mediatek , exynos এবং kirin

    প্রথমে কথা বলব kirin সম্পর্কেঃ



    kirin খুবই ভালো মানের একটি প্রসেসর।তারা এআরএম থেকে প্রসেসর এর আর্কিটেকচার নিয়ে আসেএবং তারা সেটা টিএসএমসি ল্যাব থেকে তৈরি করে।তাদের প্রসেসর এর পারফর্মেন্স ভালো,তাদের এমপিও ভালো এবং তাদের প্রসেসর এর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও ভালো।শুধুমাত্র তারা পিছিয়ে থাকে তাদের GPU এর কারনে।এই প্রসেসর বেশিরভাগ ব্যবহৃত হয় HUAWAI ফোনে।এই প্রসেসরে ঠিকমত   আপডেট পাওয়া যায়না।এই প্রসেসরে জিকেএম এর সাপোর্ট পাওয়া যায় না এবং তাদের প্রসেসরে Image কোয়ালিটিতেও ভাল মানের পাওয়া যায় না।

    তারপর আমরা কথা বলবো Exynos prossesor সম্পের্কঃ



    Exynos প্রসেসর samsung এর নিজের ক্ষেতের চাষ মানে তাদের নিজস্ব প্রসেসর এটা।একটা সময় ছিল যখন এই প্রসেসর বড় বড় ফ্লাগশিপ ফোনে ব্যবহৃত হতো এবং এর চাহিদাও ছিল অনেক।এই Exynos প্রসেসর এর সাথে sanapdragon ও হার মানতো।এখন এমন এক অবস্থা হয়েছে যে SAMSUNG-এর Exynos প্রসেসর আমরা আমাদের স্মার্টফোনের চাই-ই না।স্যামসাং বর্তমানে এই প্রসেসর তৈরি করে তাদের খরচা বাঁচানোর জন্য মানে তাদের প্রচুর লাভ চাই।তারা তাদের প্রসেসর বিক্রির চেষ্টা করেছিল এবং সেটা কিনেছিল vivo এর কিছু মডেল।কিন্তু কোন জনপ্রিয়তা পায়নি।এই প্রসেসর এর কিছু খারাপ এবং ভাল দিকও আছে।এই প্রসেসর প্রায় kirin এর মতোই আপডেট ঠিকমতো পাওয়া যায় না।এই প্রসেসরে যে  GPU ব্যবহার করা হয়েছে তা Mali GPU…যা কোথাও না কোথাও গিয়ে sanapdragon এর Adreno GPU থেকে পিছিয়ে আছে।তারাও এআরএম থেকে technology কিনে।তারপর তারা এটাকে কিছু qualification করে তারা mangoes architecture নাম দিয়ে দেয়।তারপর দেখা যায় সেটার processing power অতটা ভালো নয়।বর্তমানে তারা develop  হওয়ার চেষ্টা করছে।তারা তাদের image quality ভালো করার জন্য google এর সাথে সম্পর্ক করছে।আশা করি সামনে এই প্রসেসর ভালো কিছু নিয়ে আসবে।

    এখন কথা বলব mediatek নিয়েঃ



    Mediatek সাধারণত low বাজেটে কম দামি ফোনগুলোতে ব্যবহার করা হয়।এই প্রসেসর ব্যবহার করা হতো vivo,oppo এর মতো ফোনগুলোতে।কম বাজেটে প্রসেসর কিনতো এবং ফোনগুলো বেশি দামে বিক্রি করতো।
    কিন্তু এখন সেই Mediatek পাল্টে গেছে।তারাও এআরএম থেকে আর্কিটেকচার কিনে,কিন্তু কোনোরকম modify না করে সরাসরি বসিয়ে দেয়।আমরা দেখতে পাচ্ছি এখন কম বাজেটে mediatek এর নতুন সিরিজ helio G70,P60,P80,G85 এগুলা খুবই ভালো গেমিং এর ক্ষেত্রে। তাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও খুব ভালোভাবে দেওয়া আছে।তাদের এই ভালোমানের প্রসেসর বানানো শুরু হয়েছিল মূলত helio G90T প্রসেসর দিয়ে।যেটা আমরা redmi note 8 pro তে দেখতে পাই।সেই processor-টা গেমিং এর জন্য দুর্ধর্ষ প্রসেসর।এখন বিশেষ করে শাওমির মিড বাজেটের ফোন গুলো mediatek helio ব্যবহার করছে।এ প্রসেসরে যেমন ভালো দিক পাওয়া যায় তেমন আবার খারাপ দিকও আছে।তাদের অনেক প্রসেসর আছে যেগুলোতে এখনো অনেক হিটিং সমস্যা পাওয়া যায়।তাদের প্রসেসর এর কোন ধারাবাহিকতা নেই।কোন প্রসেসর একেবারেই ভাল হয় আবার কোন প্রসেসর খারাপ হয় যাতে হিটিং ইস্যু খুবই ভালো মানের পাওয়া যায়।আবার তাদের প্রসেসরে ডেভেলপার সাপোর্ট ভালোভাবে পাওয়া যায় না।সুতরাং এই প্রসেসরটি মিড-লো বাজেটের ফোনের জন্য মোটামুটি ভালোই।

    এখন যেটা সম্পর্কে বলবো সেটা হল এন্ড্রয়েডের সবথেকে সেরা প্রসেসর sanapdragon সম্পর্কেঃ



    গেম ডেভেলপাররা যে সময় গেম তৈরি করে তখন তারা সাধারণত একেকটা প্রসেসর এর জন্য তাদের গেমগুলোকে অপটিমাইজ করে। সেটা অন্যান্য প্রসেসর এর জন্য অপটিমাইজ করে কম কিন্তু ৯০% করে তারা sanapdragon এর ক্ষেত্রে।Qualcomm কোম্পানি এ প্রসেসর তৈরি করে এবং তারাও এ আরএম এর থেকে আর্কিটেকচার কিনে এবং সেটাকে modify করে তারপর cortex নাম দিয়ে তাদের প্রসেসরে সেটা ইমপ্লিমেন্ট করে।তাদের cortex খুবই ভালো এবং তাদের যে adreno GPU  আছে সেটা বরাবরের মতই ভালো।Adreno GPU এর জন্য সব সময় সব গেম কে এবং সব রকম অ্যাপ্লিকেশন কেও ডেভেলপ করা হয়।এ প্রসেসরে আপডেটও ঠিকমতো পাওয়া যায়। তাদের প্রসেসর জিকেএম সাপোর্ট ভালো পাওয়া যায়।তাদের প্রসেসরের জন্য কাস্টম রম প্রচুর পাওয়া যায়।পারফরম্যান্স ফিচার, পাওয়ার, এ.আই, এমপিইউ,যে কোন জিনিস নিয়ে নিন সেখানে Qualcomm sanapdragon সব সময় এগিয়ে থাকবে।এই প্রসেসর এর image quality ও দূধর্ষ। তারা 4k 60fps দিয়ে image prossesing সেটা অনেক আগে নিয়ে এসেছিল।তাদের পারফরম্যান্স আরও ভালো করার জন্য তারা 4G,5G মডেম তৈরি করছে।Qualcomm prossesor এর একটাই সমস্যা যে তাদের দাম অনেক বেশি।তারা তাদের প্রসেসরগুলোর তৈরি করে এবং বিভিন্ন দামে কোম্পানির কাছে বিক্রি করে যা অন্যান্য ভালো প্রসেসর এর তুলনায় দাম অনেক বেশি।এবং এই প্রসেসর কোম্পানি কিনতে বাধ্য কেননা গ্রাহক এই প্রসেসর চোখ বন্ধ করে কিনছে।একটা তথ্যে এসেছিল অনেক আগে যে,তারা তাদের একটা প্রসেসরে(sanapdragon 875)প্রায় ২৫০ ডলার লাভ করে।যেটা দিয়ে একটা ভালো মানের মোবাইল পাওয়া যায়।সুতরাং পরিশেষে বলা যায় তারা তাদের কোম্পানির মনোপলি কমাতে হবে।

    Qualcomm থেকেও ভালো প্রসেসর নির্মাণ করে Bionic chip।নিচে বিস্তারিতঃ



    Bionic Apple এর নিজস্ব প্রসেসর।
    Bionic A13,A12,A13 এসব যে চিপের নাম আমরা শুনেছি সেই প্রসেসরগুলো অবশ্যই Qualcomm prossesor থেকে অনেক ভাল পারফর্ম করে।পারফরম্যান্স বলুন ইমেজ প্রসেসিং বলুন সবদিক দিয়েই এগিয়ে থাকে এই চিপসেটটি।তারাও টিএসএমসি থেকেই তাদের চিপসেট তৈরি করে আনে কিন্তু তারা তাদের চিপসেট অন্য কোন কোম্পানি কে দেয় না বা বিক্রি করে না,শুধুমাত্র তাদের কোম্পানির জন্যই এটা তৈরি করে।তাদের চিপসেটে কোন ধরনের সমস্যা পাওয়া যায় না।

    অবশেষে যদি তারা তাদের এই চিপসেট টি বিক্রি   করত তাহলে হয়ত Qualcomm sanapdragon দামের ক্ষেত্রে কিছুটা আয়ত্তে আসত।
    সুতরাং আমরা যদি কোনো মোবাইল কিনি মিড বাজেটে তাহলে অবশ্যই Qualcomm sanapdragon কিনার চেষ্টা করব।

    আজ এই পর্যন্ত।মানুষ মাত্রই ভুল।সুতরাং ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।আমি ট্রিকবিডিতে নতুন তাই সবার সাপোর্ট আশা করছি।
    সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন এবং ট্রিকবিডির সাথে থাকবেন।
    আল্লাহ হাফেজ

    টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন

    The post কোন কোম্পানির প্রসেসর সবথেকে ভালো দেখে নিন।(না দেখলে মিস) appeared first on Trickbd.com.


    Sunday, September 13, 2020

    যেভাবে মোবাইল থেকে একাধিক 2captcha একাউন্ট একাসাথে ব্যবহার করবেন।

    যেভাবে মোবাইল থেকে একাধিক 2captcha একাউন্ট একাসাথে ব্যবহার করবেন।

    2captcha Multiple Account

    আসসালামু আলাইকুম।
    জানিনা আপনারা সকলে কেমন আছেন?
    সারা দুনিয়ার অবস্থা ভালো নেই কোরনা নামক প্রানঘাতি ভাইরাসের জন্য।
    ট্রিকবিডিতে এটাই আমার প্রথম পোস্ট।
    –
    আপনারা যারা ট্রিকবিডির সাথে দীর্ঘদিন ধরে আছেন তারা নিশ্চয়ই 2captcha নিয়ে অসংখ্য পোস্ট দেখেছেন।
    –
    আমিও আজ আপনাদের সাথে 2captcha নিয়ে কথা বলব। তবে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে। হ্যাঁ আমি চেষ্টা করব কিভাবে মোবাইল থেকে একাধিক 2Captcha একাউন্ট কিভাবে ব্যবহার করবেন। আমি চেষ্টা এই পোস্টিতে রেজিষ্ট্রেশন থেকে শুরু করে টাকা উত্তোলন করা পর্যন্ত। যদি এই ধরনের পোস্ট আগে হয়ে থাকে আমাকে বলবেন আমি ডিলেট করে দিবো।
    –
    তো আর বেশি কথা না বলে চলুন মুল পর্ব শুরু করি।।।।।
    –
    প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে নিচের দেয়া লিংকে প্রবেশ করুন
    সরাসরি লিংক
    রেফারেল লিংক
    –
    ওয়েবসাইটে আসার পর “Quick Start” এ ক্লিক করুন।

    –
    নিচের দেয়া স্ক্রিনশট এর মত করে রেজিশট্রেশন ফরম পূরন করুন। মনে রাখবেন আপনার পাসোয়ার্ড অবশ্যই বড় হাতের ছোট হাতের নামার ও যেকোন চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে।

    –
    তারপর “I’m a worker” নির্বাচন করুন।

    –
    একাউন্ট তৈরি হয়ে যাওয়ার পর আপনাকে ইমেইল কনফার্ম করতে হবে।তার জন্য আপনার জিমেইল এপে চলে যান।

    –
    ইমেইল কনফার্ম হয়ে গেলে “Email has been confirmed” একটি মেসেজ পাবেন।
    –
    তারপর আবার লগ ইন পেইজে চলে যান।
    আপনার ইমেইল ও পাসোয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করুন।

    –
    –
    তারপর আবার আপনাকে ” I’m a worker” নির্বাচন করতে হবে। আপনার একাউন্ট এবার সম্পুর্ন প্রস্তুত।

    –
    এভাবে আপনাকে দুইটা একাউন্ট করে নিতে হবে। দুইটা একাউন্ট তৈরি হয়ে যাওয়ার পর আপনাকে নিচের এপটি ইন্সটল করে নিতে হবে।
    App Download Link
    –
    এপটি ইন্সটল করার পর Open করুন। এরকম একটি Widget চালু হবে যা স্ক্রিনের উপর ভাসমান থাকবে।

    –
    সেটা তে ক্লিক করুন ক্লিক করার পর এরকম একটি ইন্টারফেস চলে আসবে।

    –
    এখান থেকে ব্রাউজার টি সিলেক্ট করে নিন।

    –
    ব্রাউজার টি সিলেক্ট করার পর দেখতে পাবেন আপনার ফোনের উপর একটি ভাসমান ব্রাউজার চালু হয়েছে।

    –
    এবার সার্চ বক্সে ‘2captcha ডট কম” লিখুন


    –
    আপনার একটা একাউন্ট লগ ইন করে নিন

    –
    লগ ইন হয়ে গেলে মোবাইল ইন্টারফেস থেকে মোবাইল ইন্টার ফেস এ চলে আসুন।


    –
    এবার এপটি মিনিমাইজ করে রাখুন।


    –
    মিনিমাইজ করার পর আপনারা আপনাদের ফোনের যেকোন একটি ব্রাউজার নির্বাচন করুন। আমি ক্রোম ব্রাউজার নির্বাচন করলাম।

    –
    ক্রোম ব্রাউজার থেকে আরেকটি ২ ক্যাপচা একাউন্ট আগের মত লগ ইন করে মোবাইল ইন্টারফেস চালু করে নিবেন। এবং Start এ ক্লিক করে কাজ শুরু করবেন।


    –
    এবার মিনিমাইজ করে রাখা ব্রাউজার টি Open করে একই নিয়মে Start এ ক্লিক করুন।

    –
    আর এভাবে কাজ করতে শুরু করুন।




    –
    –
    আমি যত বার উইথড্রো দিয়েছি তার পেমেন্ট প্রুফ



    –
    আশা করি আমার পোস্টের ভুল ভ্রান্তি গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আজকের মত এখানেই আল্লাহ হাফেয।
    আমার ফেইসবুক আইডি
    আমার ফেইসবুক পেইজ
    আমার ফেইসবুক গ্রপ

    The post যেভাবে মোবাইল থেকে একাধিক 2captcha একাউন্ট একাসাথে ব্যবহার করবেন। appeared first on Trickbd.com.