Saturday, August 29, 2020

[🔥হট অফার] ফ্রী ডাউনলোড করুন Real Estate Business Blogger Template !

[🔥হট অফার] ফ্রী ডাউনলোড করুন Real Estate Business Blogger Template !

Real Estate Business Blogger Template

আস্সালামুআলাইুম…
হ্যালো বন্ধুরা !
আমি মিজানুর রহমান, ট্রিকবিডির থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!  আশা করি ট্রিকবিডির প্রতিটি পোস্ট আপনাদের কাছে ভাল লাগবে?

👉আজ আমি আপনাদের সামনে নিয়ে আসলাম Real Estate Business Blogger Template .

থিমটি সম্পূর্ণ Responsive থীম। ডাউনলোড করে নিন একটি অসাধারন ব্লগার প্রিমিয়াম টেম্পলেট। যারা ভাবতেছেন ব্লগার একটি সাইট বানাবেন তারা অবশ্যই এই টেমপ্লেটটি ইউজ করতে পারেন। কারণ এই টেমপ্লেটটি তে রয়েছে অসাধারণ সকল ফিচার যা আপনার সাইটকে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় করে তুলবে।

👉আর অবশ্য এই থীমটি আমি আপনাদেরকে ফ্রীতে দিচ্ছি । এটা আপনারা টাকা দিয়া কিনতে হবে না।

➥কথা না বাড়িয়ে কাজ এ চলে যাই।

                         🔸🔸থিমটির পরিচয়:🔸🔸🔸
নামঃ Real Estate Business Blogger Template
বর্তমান সংস্করণ: v1.0
পাবলিশারঃ মিজানুর রহমান

✿থীম সম্পর্কে বর্ণনাঃ

এই রিয়েল এস্টেট ওয়েবসাইটটির ইন্টারফেসটি সুন্দরভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, এসইও স্ট্যান্ডার্ড, গতির জন্য অনুকূলিত, রিয়েল এস্টেট, ভ্রমণ, ভ্রমণ, ভাড়া ওয়েবসাইটের জন্য উপযুক্ত, …, বর্তমান স্টাইলিশ ডিজাইন দ্বারা। দুর্দান্ত হাইলাইটিং পরিষেবা এবং পণ্য ….

 

✿থীম স্ক্রিনশট:

✿টেমপ্লেট বৈশিষ্ট্য:-

  • Responsive interface and compatible with all mobile devices and computers.
  • Integrated professional and beautiful effects, Slideshow utility for projects.
  • Integrated Facebook share and comment buttons.
  • Utility related articles and category pages with paging
  • Integrated call button for customers to contact immediately
  • Custom Social Icons Widget
  • Custom Error Page
  • Author Box With Easy Customize & Multi Author Support
  • Useful Shortcodes Built-In : Contact Form, Buttons, Alert Boxs.
  • Post Formats Icon : Standard, YouTube, Vimeo, Instagram, Facebook, Twitter, Map, Soundcloud.

ডেমো

ডাউনলোড করুন

 

➥কিভাবে টেম্পলেট ইনস্টল করবেন?

  • > প্রথমে ব্লগের Dashboard এ যান।
  • > তারপর Template এ যান।
  • > এবার Restore/Backup এ ক্লিক করুন উপরের চিত্রের মতো আসবে ডাউনলোড করা টেম্পলেট choose করে upload করুন।
  • > আপলোড হয়ে গেলে নিজের মতো customize করুন।

 

✿আপডেট সম্পর্কে:

Version v1.0– 15 February 18

- Fixed: Template Options.
- Fixed: Some Minor Bugs.

✿থীম সাপোর্টঃ

  • প্রিমিয়াম ভার্সন এর সাপোর্ট এর জন্য Contact Us

✿ফর হেল্পঃ

অবশ্য আপনাদের কোন সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। আমি আমার সম্পূর্ণ দেয়ে হেল্প কারার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ!

➥সকল প্রকার টিপস পেতে ট্রিকবিডির  সাথে থাকুন। 

 

সবাই ভালো থাকবেন ধন্যবাদ

খোদা হাফেজ

The post [🔥হট অফার] ফ্রী ডাউনলোড করুন Real Estate Business Blogger Template ! appeared first on Trickbd.com.


[জেনে নিন] Android এ Launcher কি বা এর কাজ কি?

[জেনে নিন] Android এ Launcher কি বা এর কাজ কি?

Android এ Launcher কি বা এর কাজ কি?

আস্সালামুআলাইুম…
হ্যালো বন্ধুরা !
আমি মিজানুর রহমান, ট্রিকবিডির থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!  আশা করি ট্রিকবিডির প্রতিটি পোস্ট আপনাদের কাছে ভাল লাগবে?

👉আজ আমি আপনাদের সামনে বিস্তারিত আলোচনা করবো Android এ Launcher কি বা এর কাজ কি?

তাহলে সাথে থাকুন শেষ পর্যন্ত ,

➥কথা না বাড়িয়ে কাজ এ চলে যাই।

 

Android এ Launcher কি বা এর কাজ কি?

অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে এই যে android এ Launcher ব্যবহার করি কিন্তু এই launcher এর মানে কি তা আদো জানি না
তাই আজ আমি আপনাদের এর উত্তর নিয়ে পোষ্ট করলাম চলুন দেখা যাক এর মানে

Android Launcher কি:-

“Launch” শব্দটির অর্থ হচ্ছে শুরু করা বা আরম্ভ করা। আর “Launcher” শব্দটির অর্থ আরম্ভকারী। অর্থাৎ, যার মাধ্যমে শুরু বা আরম্ভ করা হয়। একটু বিস্তারিত বলতে গেলে বলা যায়, অ্যান্ড্রয়েডে Launcher হচ্ছে সেই জিনিস যা আপনার।মোবাইলের “Main View’ প্রদর্শন করে। আপনার ফোনের বিভিন্ন Featuresকে মোবাইলের Home Screen ফুটিয়ে তুলতেই মূলত Launcher ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মানে Launcher এর মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইলকে নতুন ইন্টারফেস দিতে পারবেন।

Launcher এর মাধ্যমে মোবাইলের Homescreens, Application Drawer, Witgets, Theme ইত্যাদির UI বা User Interface ফুটিয়ে তোলা হয়। প্রায় প্রত্যেক Mobile Phone Company তাদের ফোনে নিজস্ব Launcher ব্যবহার করে, যাকে Stock Launcher বলা হয়ে থাকে। যেটা সব ফোন কম্পানিই Default হিসেবে দিয়ে থাকে।

তাছাড়া Google Play Store অনেক জনপ্রিয় Third Party
Launcher পাওয়া যায়, যার এক একটির এক এক রকম ফিচার বা সুবিধা। যেগুলো ব্যবহার করে ফোনটিকে আরো সুন্দর ও আকর্ষনীয় করে তোলা যায়।

কিছু জনপ্রিয় Third Party Launcher:-

→360 Launcher
→ADW Launcher
→Apex Launcher Pro
→Apus Launcher
→Dodol Launcher
→Go Launcher EX
→L Launcher Prime
→Next Launcher 3D Shell
→Nova Launcher Prime
→Smart Launcher
→Smart Launcher 2
→Solo Launcher
→SPB Shell 3D
→Windows 7/8 Launcher ইত্যাদি।

তো পেয়ে গেলেন আপনার কাংখিত সমস্যার সমাধানটি এবার এনজয় করুন.

➥সকল প্রকার টিপস পেতে ট্রিকবিডির  সাথে থাকুন। 

আশা করি আপনাদের ভাল লেগেছে…।
ধন্যবাদ সবাইকে…
সবাই ভালো থাকবেন ধন্যবাদ

খোদা হাফেজ

The post [জেনে নিন] Android এ Launcher কি বা এর কাজ কি? appeared first on Trickbd.com.


[জেনে নিন] ফোনের MB শেষ হলেই আপনার অজান্তে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে এবার নিয়ে নিন সমাধান।

[জেনে নিন] ফোনের MB শেষ হলেই আপনার অজান্তে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে এবার নিয়ে নিন সমাধান।

ফোনের MB শেষ হলেই আপনার অজান্তে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে এবার নিয়ে নিন সমাধান

আস্সালামুআলাইুম…
হ্যালো বন্ধুরা !
আমি মিজানুর রহমান, ট্রিকবিডির থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!  আশা করি ট্রিকবিডির প্রতিটি পোস্ট আপনাদের কাছে ভাল লাগবে?

👉আজ আমি আপনাদের সামনে বিস্তারিত আলোচনা করবো ফোনের  এমবি শেষ হলেই আপনার অজান্তে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে এবার নিয়ে নিন সমাধান আপনার পারমিশন ছাড়া ১ টা পয়সাও কাটতে পারবে না।

তাহলে সাথে থাকুন শেষ পর্যন্ত ,

➥কথা না বাড়িয়ে কাজ এ চলে যাই।

ফোনের MB শেষ হলেই আপনার অজান্তে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে। হ্যা এরকম আমারও হয় এরকম আমার যে কত টাকা শেষ হয়েছে তা আমার হিসাব নেই। মনে করুন 20 mb কিনলাম এবং balance এ আরও 30 টাকা ছিল এখন mb তো শেষ হলোই সাথে ব্যালেন্স এর টাকাও শেষ হয়ে গেল মানে আম ছালা দুটাই গেল।
তাই আজ আমি দেখাবো কিভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন এবং mb শেষ হলেও আপনার একটা পয়সাও কাটবে না.
তো চলুন শুরু করা যাক।

যা যা প্রয়োজনঃ-

1] এই apps টি ডাউনলোড করুন:- data lock lite.apk
অথবা play store ওপেন করে data lock lite লিখে সার্চ করুন তাহলে এই apps টি প্রথমেই পাবেন ডাউনলোড করুন
2] ১ mb ইন্টারনেট
3] আর একটু সময়.

কাজের ধারাঃ-

1] উপরের লিংক থেকে প্রথমে apps টি ডাউনলোড করে install করে নিন
2] এরপর apps টি open করুন, apps টি open হলে নিচের ছবির মত আসবে এবং base plan নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন তারপর base plan নামে অপশনে click করুন
3] তাহলে নিচের ছবির মত আসবে। তাহলে এখানে limit to বক্সে unlimited লেখা দেখতে পাবেন এবার unlimited বক্স এ click করুন
4] এবার নিচের ছবির মত আসবে, এবার আপনি limit to বক্সে আপনি কি পরিমান net ব্যবহার করতে চান সেটা লিখুন মানে হলো আপনি 10mb বা 20mb নেট কিনছেন এখন এটা limit to বক্সে 20 লিখুন এবার ok তে click করুন তারপর done এ click করুন ব্যাস কাজ শেষ.
এবার যখন আপনার 20mb শেষ হয়ে যাবে তখন automatic ডাটা কানেকশন off হয়ে যাবে.
তো পেয়ে গেলেন আপনার সমস্যার সমাধানটি
এবার enjoy করুন এবং বন্ধুদের সাথে post এর লিংক শেয়ার করুন.

➥সকল প্রকার টিপস পেতে ট্রিকবিডির  সাথে থাকুন। 

আশা করি আপনাদের ভাল লেগেছে…।
ধন্যবাদ সবাইকে…
সবাই ভালো থাকবেন ধন্যবাদ
আজ এ পর্যন্তই আল্লাহ হাফেজ

The post [জেনে নিন] ফোনের MB শেষ হলেই আপনার অজান্তে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে এবার নিয়ে নিন সমাধান। appeared first on Trickbd.com.


[জেনে নিন] পিসি ছাড়াই Android দিয়ে তৈরী বা পোর্ট করুন CTR (Carliv Touch Recovery)

[জেনে নিন] পিসি ছাড়াই Android দিয়ে তৈরী বা পোর্ট করুন CTR (Carliv Touch Recovery)

পিসি ছাড়াই CTR (Carliv Touch Recovery) তৈরী বা পোর্ট করুন Android দিয়ে

আস্সালামুআলাইুম…
হ্যালো বন্ধুরা !
আমি মিজানুর রহমান, ট্রিকবিডির থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!  আশা করি ট্রিকবিডির প্রতিটি পোস্ট আপনাদের কাছে ভাল লাগবে?

👉আজ আমি আপনাদের সামনে বিস্তারিত আলোচনা করবো পিসি ছাড়াই CTR (Carliv Touch Recovery) তৈরী বা পোর্ট করুন Android দিয়ে.

তাহলে সাথে থাকুন শেষ পর্যন্ত ,

➥কথা না বাড়িয়ে কাজ এ চলে যাই।

পিসি ছাড়াই CTR (Carliv Touch Recovery) তৈরী বা পোর্ট করুন

অনেক সময় বহু খোঁজার পরও ফোনের কাস্টম রিকভারি পাওয়া সম্ভব হয় না। তখন ফোন রুট করতে একটু দিধার মধ্যে পড়ে যেতে হয়। কেননা কাস্টম রিকভারি না পেলে রুট করার পর রমের ব্যাকাপ করতে সমস্যা হয়। অনেকে খুঁজে Custom Recovery না পেলে কিভাবে নিজেই CTR (Carliv Touch Recovery) Port করতে হয়, তাই নিয়ে আজকের এই পোষ্ট।

যা যা দরকার:-

(1) Rooted Android;
(কিভাবে রুট করবেন, তা আপনার ব্যাপার) :
(2) BusyBox Pro;
(গুগল থেকে ডাউনলোড করে নিন) :
(3) Apktool;
http://­code.google.com/p/­apktool (Size:50MB+)
:
(4) Root Explorer
Click Here

(5) Stock Recovery.img ও boot.img;
(স্টক রমের ভিতরে পাবেন।)
:
(6) CTR Sample Recovery.img
(নিচের example হতে আপনার ফোনের রেজুলেশন অনুযায়ী CTR Sample ডাউনলোড করে নিন net থেকে।) :
Resolution:–> 240*240

Resolution:–> 320*480

Resolution:–> 480*800

Resolution:–> 480*854

Resolution:–> 540*960

Resolution:–> 600*1024

Resolution:–> 720*1280

Resolution:–> 768*1024

Resolution:–> 768*1280

Resolution:–> 800*1200

Resolution:–> 800*1280

Resolution:–> 1024*600

Resolution:–> 1280*1920

Resolution:–> 1280*720

Resolution:–> 1280*768

এই রকম resulation অনুযায়ী আপনি নেট থেকে download করে নিন

কাজের ধাপসমুহ:-
ধাপঃ-(১)

প্রথমে BusyBox Install করে Open করুন। Root Permission চাইলে Grant করুন এবং এর ভিতর থেকে Install এ ক্লিক করে Normal Install এ ক্লিক করে কাজটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

ধাপঃ-(২)

এবার ApKTool ডাউনলোড করে এর Zip ফাইলটি Extract করে মেমোরির হোম ডিরেক্টরিতে রাখুন (কোন ফোল্ডারে নয়)। Extract হলে ApKTool নামে একটি ফোল্ডার পাবেন, সেখান থেকে ApKTools.apk install করুন। এই ফোল্ডার থেকে আর কোন ফাইল ডিলেট বা টাচ করবেন না।

ধাপঃ-(৩)

এবার Apktool ওপেন করে Root Permission চাইলে Grant করুন।

ধাপঃ-(৪)

এবার আপনার ডাউনলোড করা CTR Sample রিকভারি ইমেজের নাম পরিবর্তন করে শুধু recovery.img করুন।

ধাপঃ-(৫)

Root Explorer ওপেন করুন। RW তে ক্লিক করুন এবং Root Permission চাইলে Grant করুন। এরপর Cache ফোল্ডারে প্রবেশ করুন এখানে দুটো ফোল্ডার পাবেন lost+found এবং recovery এইগুলো ডিলেট করুন। (যদি ডিলেট না হয় দুটো ফোল্ডারকে মাল্টি সিলেক্ট করে Permission: RW-R-R করে দিন)।

ধাপঃ-(৬)

এবার cache ফোল্ডারে Ported Recovery নামে একটি, Boot নামে একটি এবং Stock Recovery নামে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। (মোট তিনটি ফোল্ডার হবে)।

ধাপঃ-(৭)

এবার মেমরি কার্ডে থাকা boot.img টা device/cache/Boot ফোল্ডারে পেস্ট করুন।

ধাপঃ-(৮)

এবার CTR Simple recovery.img টা কপি করে device/cache/Ported Recovery ফোল্ডার এ পেস্ট করুন। (রিকভরি ইমেজটির নামঃ recovery.img হবে)।

ধাপঃ-(৯)

এবার ফোনের স্টক রিকভারি recovery.img টা কপি করে
device /cache/Stock Recovery ফোল্ডারে পেস্ট করুন। (রিকভরি ইমেজটির নামঃ recovery.img হবে।)

ধাপঃ-(১০)

এবার apktool ওপেন করুন cache ফোল্ডারের ওপর কয়েক সেকেন্ড টাচ করে ধরে রাখুন এবং get acces permission (need root) এ ক্লিক করুন।

ধাপঃ-(১১)

এবার Boot ফোল্ডার হতেও একইভাবে “get acces permission (need root) এ ক্লিক করুন। এবং ওপেন করুন। boot.img তে ক্লিক করুন এবং expack-mt65xx (need root) এ ক্লিক করুন এবার boot.img এক্সট্রাক্ট হবে। এক্সট্রাক্টিং কম্পলিট হলে 1249+1 record in 1249+1 record out এবং 3068 blocks বা জাতিয় কিছু লেখা আসবে।
এক্সট্রাক্ট হলেঃ
kernel নামে ফাইল;
ramdisk.cpio.gz নামে ফাইল এবং;
ramdisk নামে একট ফোল্ড

ধাপঃ-(১২)

ঠিক ওই ভাবে get acces permission নিয়ে device/cache/Ported Recovery থেকে recovery.img এক্সট্রাক্ট করুন।
ধাপঃ-(১৩)

এইভাবে device/cache/Stock Recovery থেকে recovery.img এক্সট্রাক্ট করুন।

ধাপঃ-(১৪)

এখন Root Explorer দিয়ে- Ported Recovery ফোল্ডার থেকে ramdisk ফোল্ডারে গিয়েঃ
meta_init.rc
meta_init.modem.rc
meta_init.project.rc
fstab
uventd.rc
uventd.goldfish.rc
এই ফাইলগুলো ডিলিট করুন।

ধাপঃ-(১৫)

এবার Boot ফোল্ডারের ramdisk ফোল্ডারে গিয়েঃ
meta_init.modem.rc
meta_init.project.rc
meta_init.rc
এই ফাইলগুলো কপি করে Ported Recovery এর ramdisk ফোল্ডারে পেস্ট করুন।

ধাপঃ-(১৬)

এবার Stock Recovery ফোল্ডারের ramdisk ফোল্ডার হতেঃ-
fstab
ueventd.rc
ueventd.goldfish.rc
এই ফাইলগুলা কপি করে Ported Recovery এর ramdisk ফোল্ডারে পেস্ট করুন।

ধাপঃ-(১৭)

এবার Stock Recovery ফোল্ডার হতে kernel ফাইলটি কপি করে Ported Recovery ফোল্ডারে পেস্ট & ওভাররাইট করুন।

ধাপঃ-(১৮)

এবার device/cache ফোল্ডার হতে Stock Recovery এবং Boot ফোল্ডার টি ডিলেট করুন।

ধাপঃ-(১৯)

এবার আবার apktool ওপেন করে device/ cache/Ported Recovery এ যান। এবার ramdisk ফোল্ডারে ক্লিক করুন এবং “repack-mt65xx(need root)” এ ক্লিক করুন। ফলে লোডিং হবে এবং OK লেখা আসবে। ব্যস কাজ শেষ।

ধাপঃ-(২০)

এবার Root Explorer দিয়ে- device/cache/Poted Recovery হতে new.img কপি করে SDCard এর হোম ডিরেক্টরিতে রাখুন এবং recovery.img নামে রিনেম করে Flashify বা MobileUnle Tool এর সাহায্যে ফ্ল্যাশ করুন।

 

আশা করি সবাই উপকূত হবেন.

শেষকথা:- সকল প্রকার কাজ নিজ দ্বায়িত্বে করবেন কোন প্রকার ক্ষতির জন্য আমি বা সাইট দায়ী থাকবে না

 

➥সকল প্রকার টিপস পেতে ট্রিকবিডির  সাথে থাকুন। 

আশা করি আপনাদের ভাল লেগেছে…।
ধন্যবাদ সবাইকে…
সবাই ভালো থাকবেন ধন্যবাদ
আজ এ পর্যন্তই আল্লাহ হাফেজ

 

The post [জেনে নিন] পিসি ছাড়াই Android দিয়ে তৈরী বা পোর্ট করুন CTR (Carliv Touch Recovery) appeared first on Trickbd.com.


[জেনে নিন] আর্টিকেল রাইটিং কি? কোথায়? কিভাবে আপনি আর্টিকেল রাইটিং করে টাকা আয় করবেন?  সম্পূর্ণ বিস্তারিত।

[জেনে নিন] আর্টিকেল রাইটিং কি? কোথায়? কিভাবে আপনি আর্টিকেল রাইটিং করে টাকা আয় করবেন?  সম্পূর্ণ বিস্তারিত।

আর্টিকেল রাইটিং কি? কোথায়? কিভাবে আপনি আর্টিকেল রাইটিং করে টাকা আয় করবেন?

আস্সালামুআলাইুম…
হ্যালো বন্ধুরা !
আমি মিজানুর রহমান, ট্রিকবিডির থাকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!  আশা করি ট্রিকবিডির প্রতিটি পোস্ট আপনাদের কাছে ভাল লাগবে?

👉আজ আমি আপনাদের সামনে বিস্তারিত আলোচনা করবো আর্টিকেল রাইটিং কি? কোথায়? কিভাবে আপনি আর্টিকেল রাইটিং করে টাকা আয় করবেন?

তাহলে সাথে থাকুন শেষ পর্যন্ত ,

➥কথা না বাড়িয়ে কাজ এ চলে যাই।

আপনি কি ইংরেজি খুব ভালো জানেন? তাহলে জানুন কীভাবে মাসিক ৫০০ ডলার বা তার বেশী ইনকাম করবেন? কিংবা কীভাবে আর্টিকেল রাইটার হবেন? এবং প্যাসিভ ইনকাম জেনারেট করবেন।

৫০০ ডলার দেখে রিএক্ট না দিয়ে আশা করবো পুরো পোস্টটি পড়বেন। কারণ এই পোস্ট পড়লে আপনি আর্টিকেল রাইটিং শিখতে পারবেন সেই সাথে জানবেন আর্টিকেল রাইটার হলে কোথায় কাজ করবেন কিংবা এফিলিয়েট মার্কেটিং কী কীভাবে করে জানতে পারবেন।

তাহলে শুরু করি, গতকাল আমার একটি পোস্টের সবাই অনেক রিকুয়েস্ট করেছিলেন যে আর্টিকেল রাইটিং সেই সাথে প্যাসিভ ইনকাম নিয়ে কিছু বলি। সবার এতো আগ্রহ দেখে লিখতে বসেই গেলাম। আশা করি শেষ পর্যন্ত দেখলে নিরাশ হবেন না।

আচ্ছা শুরুতেই আমরা জানি আর্টিকেল রাইটিং কী?

ধরুন আমি একটি ব্লগ বানাতে চাই “ বিড়াল নিয়ে” তো আমি আমার ব্লগে পোস্ট দিতে হবে । এখন আমার কিন্তু ব্লগে আর্টিকেল লিখার জন্য মানুষ লাগবে। এবং ব্লগের পোস্ট একটি আর্টিকেল। আর্টিকেলের অনেক ধরন আছে সেটা নিয়ে পরে আলোচনা করতেছি তার আগে বলি “ what is web design “ লিখে গুগলে সার্চ করুন। তারপর যে কনটেন্ট গুলো পাবেন সেগুলোই একেকটা আর্টিকেল। আপনি আপনার স্কুল/কলেজ জীবনের “রচনা’র” সাথে আর্টিকেলের তুলনা করতে পারেন।

এখন কীভাবে আপনি একজন আর্টিকেল রাইটার হবেন?

এই প্রশ্নটি সবার থাকে, যে কীভাবে আমি আর্টিকেল রাইটার হবো। এই প্রশ্নের উত্তর খুজার আগে আপনাকে আরেকটি প্রশ্নের উত্তর খুজতে হবে। যেমন আমি আর্টিকেল লিখে কী করবো? অর্থাৎ আর্টিকেল রাইটার’রা দুইভাবে কাজ করে।

০১। নিজের জন্যঃ নিজের জন্য অর্থাৎ সে তার নিজের ব্লগের জন্য আর্টিকেল লিখে, এটাকে একটু যদি ভেঙ্গে বলি তাহলে সে SEO/ ওয়েব ডেভলোপমেন্ট শিখে বা অন্যের সাহায্য নিজে একটি ব্লগ তৈরি করে । তারপর সেখানে সে ভিবিন্ন টপিকের উপর আর্টিকেল লিখে। সেগুলো মানুষ যখন পড়ে তখন তার এফিলিয়েট থেকে নয়তো গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয়। ( এফিলিয়েট মার্কেটিং কী) সেটা নিয়ে পরে বলতেছি।

২। ক্লাইন্টের কাজ কিংবা মার্কেটপ্লেসে কাজ করেঃ এই পয়েন্টটি ভেংগে বলি তাহলে সে ফাইবার বা অনলাইন মার্কেটে প্লেসে ক্লাইনটকে অফার করে আমি একজন আর্টিকেল রাইটার আমি এতো টাকায় আপনাকে এতো শব্দের আর্টিকেল লিখে দিবো। আবার আর্টিকেল বেচাকেনার অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট আছে। সেখানে ও অনেক মানুষ আর্টিকেল জ্বমা দেয়। এপ্রুভ হয়ে গেলে একটি টাকা পায়। সাইট লিংকগুলো পরে দিচ্ছি।

আশা করি উপরে পরে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন আপনি আর্টিকেল হয়ে নিজের জন্য নাকী ক্লাইন্টের জন্য কাজ করবেন।

ধরে নিলাম আপনি চাচ্ছেন নিজের জন্য আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছেন তাহলে আপনাকে কী করতে হবে?

ওয়েল, আপনাকে এখন ব্লগিং বা এফিলিয়েট সেক্টর বেছে নিতে হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কী? কিংবা একটি এফিলিয়েট সাইট তৈরি করতে কী কী লাগে?

এফিলিয়েট মার্কেটিং কী সেটা যদি সহজে বলি তার উত্তর হলোঃ অনলাইনে ভিবিন্ন বড় বড় কোম্পানির জিনিষ গুলো আপনি “বিক্রি করে” দিবেন । বিনিময়ে সেটির কমিশন পাবেন। আরো সহজ করে যদি বলি “ ধরেন আপনার মুখের ভাষা অনেক কিউট, আপনি সহজেই মানুষ পটাতে পারে” এখন আপনার এলাকার বড় কোন দোকান থেকে এক কেজি তেল নিয়ে একটি ভালো রিভিউ দিয়ে আপনার পরিচিত কারো কাছে বিক্রি করে দিলেন” এখন ঐ যে আপনি বড় দোকানের তেল আপনার কারো কাছে রিভিউ দিয়ে বিক্রি করিয়ে দিয়েছেন তার বিনিময়ে বড় দোকানদার আপনাকে ১০% বা বেশী কমিশন দিলো। ঐ কমিশন জিনিষটাই হলো এফিলিয়েট।

এখন এই অফলাইনের এফিলিয়েট সিস্টেমটাকে যদি আমরা অনলাইনে তুলনা করি তাহলে কাহিনী এমন হয় “ আমি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলাম, সেখানে আমি কম্পিউটার নিয়ে ভালো ভালো টিপস দিলাম, টিপসের পাশে অনলাইনের কোন বড় শপ (আমাজন) এর কম্পিউটার এর লিংক এড করে দিলাম, সেখানে লিখে দিলাম এই কম্পিউটারটি যদি কিনতে চান তাহলে এখান থেকে কিনতে পারেন। যখন আপনার ওয়েবসাইটে এসে কেও ভিজিট করে এবং সে যদি ইম্প্রেস হয়ে আপনার দেওয়া লিংক হতে কম্পিউটারটি কিনে ফেলে তাহলেই আমাজন থেকে আপনাকে কমিশন দিবে।

আশা করি এফিলিয়েট জিনিষটা কী কিংবা কীভাবে কাজ করে বুঝতে পেরেছেন।

তাহলে চলুন এখন জানি একটি এফিলিয়েট ওয়েবসাইট তৈরি করতে কী কী লাগে?

সর্বপ্রথম আপনাকে নিশ সিলেক্ট করতে হবে। নিশ কী?ঐ যে আপনি কোন টপিক নিয়ে কাজ করবেন সেটা রিসার্চ করতে হবে, কারণ অনলাইনে লাখ লাখ টপিক আছে।

নিশ ঠিক করার পর আপনাকে নিশ রিলেটেড কি ওয়ার্ড বাচাই করতে হবে। এখন কিওার্ড কীভাবে বের করবেন?

যেমন ধরেন আপনি নিশ বের করেছেনঃ ল্যাপটপ। এখন আপনাকে ল্যাপটপ রিলেটেড কি ওয়ার্ড বের করতে হবে। যেমন best laptop under 1000$

কী শিখলে বা কোথা থেকে নিশ বা কিওার্ড বের করতে পারবেন?

আপনি SEO শিখলেই এগুলো বের করতে পারবেন। এই লিংক https://www.semrush.com/academy/courses হতে ফ্রিতে SEO টি কোর্সগুলো করলে আশা করি সব বুঝতে পারবেন।

ধরে নিলাম আপনি নিশ কিওায়ার্ড বের করে ফেললেন, এখন আপনাকে একটি ডোমেইন বাছাই করতে হবে। ডোমেইন কী আশা করি সেটা সবাই জানি। ডোমেইন বাচাই করার আমরা যে কনটেন্ট লিখবো সেটার জন্য যায়গা দরকার হবে। যায়গা অর্থাৎ হোস্টিং লাগবে। তাই আমাদের ডোমেইন হোস্টিং’র দরকার হবে।

প্রশ্ন হবে ডোমেইন হোস্টিং’র দাম কত হবে?

ডোমেইন হোস্টিং’র দাম ডিপেন্ড করে কত টুকু লাগবে। তবে ৮০০ টাকায় .com ডোমেইন আর ১/২ হাজার টাকায় হোস্টিং পেয়ে যাবেন। ডোমেইন হোস্টিং কিনার পর আপনাকে একটি ওয়েবসাইট বানাতে হবে। যদি ডেভলোপার দিয়ে বানাতে চান তাহলে আপনাকে হয়তো এক্সটা খরচ দিতে হবে, আর যদি নিজে বানাতে চান তাহলে WORDPRESS শিখে বানাতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস কী? ওয়ার্ডপ্রেস হলো কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়ার। আপনার কন্টেন্ট গুলো এডিট বা ম্যানেজ করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস।

ওয়ার্ডপ্রেস কোথা থেকে শিখবেন? https://learn.wordpress.org/ এখান থেকে ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে পারেন অথবা যদি মনে করেন ওয়ার্ডপ্রেস আরো প্রোফেশনালি শিখবো তাহলে Learnwithsfর ৩য় ব্যাচের জন্য আবেদন করতে পারেন।

যাই হউক আপনি ওয়ার্ডপ্রেস শিখে মোটামোটি সাইট রেডি করে ফেলেছেন। আবার আপনি SEO শিখে কিওয়ার্ড ও বাচাই করেছেন। তাহলে এখন কাজ কী? কাজ হলো কনটেন্ট লিখা। কী কনটেন্ট লিখবেন? সেটা তো আগেই বলেছি।

কন্টেন্ট লিখার আগে আপনাকে এফিলিয়েট আরো ডিপ জানতে হবে। এফিলিয়েট নিয়ে আরো ডিপ জানতে এই কোর্সটি দেখতে পারেনঃ https://www.udemy.com/…/free-affiliate-marketing-course-fo…/

এখন আপনার প্রশ্ন হবে নিজের জন্য আর্টিকেল লিখে ওয়েবসাইট বানিয়ে কত ভাবে ইনকাম করতে পারবো?

০১। আপনি এফিলিয়েট সাইট থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

এফিলিয়েট কোন সাইটের করবো?

বিশ্বের প্রায় সকল ওয়েবসাইট এফিলিয়েট ওয়েবসাইট এফিলিয়েট অফার করে। আপনার সুবিধার জন্য কিছু সাইটের নাম দিলাম।

  • · ShareASale Affiliates.
  • · Amazon Associates.
  • · eBay Partners.
  • · Shopify Affiliate Program.
  • · Clickbank.
  • · Rakuten Marketing Affiliates.
  • · Leadpages Partner Program.
  • · StudioPress Affiliate Website.

০২। আপনি ব্লগিং ওয়েবসাইট করে গুগল এডসেন্স বা অন্য কোন এড ওয়েবসাইটের এড থেকে আর্নিং করতে পারবেন।

সহজ কথায় আপনি যদি আপনার কন্টেন্ট দিয়ে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারেন তাহলে যে কোন ভাবেই ইনকাম করতে পারবেন। তবে গুগল এডসেন্স নিয়ে না জানলে এই কোর্সটি করতে পারেনঃ https://alison.com/…/l…/35748/introduction-to-google-adsense

আশা করি নিজে কীভাবে কন্টেন্ট রাইটিং করে ইনকাম করতে পারবেন সেটি বুঝতে পেরেছেন।

এখন আসি কীভাবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন?

মার্কেটে প্লেসে যদি কাজ করতে চান তাহলে সবার আগে প্রোটফলিও তৈরি করে নিবেন, অর্থাৎ আপনি যে ভালো লিখতে পারেন সেটার প্রমান আগে তৈরি করে নিবেন। এখন আপনার প্রশ্ন হবে আমি আমার লিখা কোথাও লিখবো? আপনি কি মাল্টিব্লগ সাইট গুলোতে ফ্রিতে কিছু লিখা দিতে পারেন।

নিচে কিছু সাইটের তালিকা দিলাম সেখানে লিখতে পারেনঃ

Medium.com এটি অনেক জনপ্রিয় একটি সাইট এখানে একাউন্ট করে খুব সহজেই আর্টিকেল লিখতে পারবেন , এবং ভালো টপিক হলে হাজার হাজার মানুষ পড়বে।

https://www.quora.com আপনি কোয়ারাতে নিজের লিখাগুলো দিতে পারেন।

অথবা https://hubpageshelp.com, https://www.livejournal.com/ , https://www.linkedin.com/ এই ওয়েবসাইট গুলোতে।

যদি মনে করেন আমি আমার নিজের সাইটে আমার প্রটফলিও রাখবো তাহলে আপনি ২ টি কাজ করতে পারেন এক ওয়ার্ডপ্রেস শিখে নিজের প্রটফলিও ওয়েবসাইট বানাতে পারেন। আর যদি মনে করেন ইনভেস্ট না করে ফ্রিতে কোথাও নিজের নাম নিয়ে একটি সাইট করে লেখা গুলো রাখবেন তাহলে https://www.blogger.com অথবা www.sites.google.com ব্যাবহার করতে পারেন। এই সাইটগুলোর কাজ খুবই সহজ। একবার লগিন করলে বা ইউটিউবে how to create blogger website লিখে সার্চ করলেই ভিডিও পেয়ে যাবেন।

প্রটফলিও তৈরি করার পর মার্কেট প্লেসে কন্টেন্ট রাইটিং এর সার্ভিস দিতে পারেন।

মার্কেট প্লেস গুলার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ফাইভার।

এখানে গিগ করে আপনি কাজ করতে পারেন, তবে ফাইভার নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই https://learn.fiverr.com/…/online-freelancing-essentials-be… কোর্সটি দেখুন। তাছাড়া আপনি upwork.com কিংবা freelancer.com ওয়েবসাইট গুলোতে কাজ করতে পারেন।

নোটঃ যে ওয়েবসাইটে কাজ করতে চান সেই ওয়েবসাইটে ডুকে আগে সব রুলস পড়ে নিবেন।

তাছাড়া আপনি চাইলে আপনার লেখা আর্টিকেল ভিবিন্ন ওয়েবসাইটে বিক্রি করতে পারেবন। নিচে কিছু সাইটের তালিকা দিলাম যেখানে আপনি আর্টিকেল বিক্রি করতে পারবেন।

https://www.constant-content.com/

https://dotwriter.com/

https://www.iwriter.com/

https://lifehacker.com/

https://www.godaddy.com/garage/contribute/

https://www.bitchmedia.org/writers-guidelines

www.fundsforwriters.com/submissions/

https://the-ken.com/write-for-us/

https://www.inside485.com/write-for-us

https://www.wow-womenonwriting.com/

নোটঃ প্রতিটি সাইটের আলাদা রুলস আছে। এবং প্রতিটি সাইট একেক রেইটে পেমেন্ট করে। সুতরাং যেখানেই কাজ করবেন, কাজ করার আগে তাদের ট্রামস এন্ড কন্ডিশন পড়ে নিবেন। আশা করি এইবার ক্লিয়ার হয়ে গেছেন কোথায় কাজ করতে হবে।

এখন কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর দেইঃ

আমি কী বাংলায় আর্টিকেল লিখতে পারবো? কিংবা আর্টিকেল রাইটার হতে হলে কেমন ইংলিশ জানতে হবে?

আপনি চাইলে বাংলায় আর্টিকেল লিখতে পারেন, তবে আহামরি পেমেন্ট পাবেন না। তবে এটা আপনাকে খুজে নিতে হবে। আর আর্টিকেল রাইটার হতে হলে আপনাকে অব্যশই ভালো ইংলিশ জানতে হবে। আপনি আর্টিকেল রাইটিং নিয়ে আরো বিস্তারিত জানতে বা বুঝতে এই কোর্স গুলো ফলো করতে পারেনঃ https://www.edx.org/learn/writing

আর্টিকেল রাইটার হতে হলে আমার কী পিসি থাকা লাগবে?

নাহ, আর্টিকেল রাইটিং আপনি মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন। কেননা স্পেশাল কোন টুলস দরকার পরে না, যে টুলস গুলো লাগে যেমন ওয়ার্ড/নোটপ্যাড ইত্যাদি মোবাইল দিয়েই ব্যাবহার করতে পারবেন।

নিচে কিছু টুলসের নাম দিলাম যেগুলো আর্টিকেল রাইটার হতে হলে আপনার দরকার লাগবেঃ

https://articlerewritertool.com/

https://ideaflip.com/

https://www.hubspot.com/blog-topic-generator

https://www.portent.com/tools/title-maker

https://www.grammarly.com/

https://stackedit.io/

https://www.copyscape.com/

https://coschedule.com/click-to-tweet

https://buffer.com/

এবার কিছু টিপসঃ

০১। আপনাকে প্রোফেশনাল আর্টিকেল রাইটার হতে হলে বড় বড় রাইটারদের অনুসরণ করতে হবে, এ ক্ষেত্রে মিডিয়াম , বা হাবস্পট এর মত ওয়েবসাইট গুলো অনুসরণ করবেন।

০২। রিসার্চ করা জানতে হবে, এ ক্ষেত্রে কিওার্ড প্ল্যানার টুলস গুলো ব্যাবহার করবেন।

০৩। বিকল্প খুজা জানতে হবে, যেমন ধরেন আপনি আইরাইটারে লিখবেন বলে নিয়ত করেছেন, কোন কারণে মুড চাচ্ছে না, সে ক্ষেত্রে https://alternativeto.net/ এই ওয়েবসাইটে গিয়ে যে সাইটের বিকল্প খুজবেন তার নাম লিখতে পারেন।

০৪। তাড়াহুড়া করা যাবে না, যেই কাজ করেন যেই আর্টিকেল লিখেন টান্ডা মাথায় ভেবে চিনতে রিসার্চ করতে পারেন।

০৫। প্রতিটি আর্টিকেলে ইমেইজ ব্যাবহার করবেন। তবে ক্লাইন যদি না বলে তাহলে ব্যাবহার করার দরকার নাই। আপনি যদি কপিরাইট ফ্রি ইমেজ ব্যাবহার করতে চান তাহলে এই পোস্ট দেখতে পারেনঃ https://bit.ly/2Bz2aDv

০৬। ইউনিক হবার চেষ্টা করবেনঃ যেই আর্টিকেল লিখবেন সেটি অন্যের চেয়ে আলাদা করার চেষ্টা করবেন। নিঞ্জা আর্টিকেল রাইটার হবার এই পোস্টটি পড়তে পারেনঃ https://bit.ly/3goYyD3

০৭। অপেক্ষা করা শিখতে হবেঃ আপনি যদি লিখতে লিখতে ওর্ডার না পান সে ক্ষেত্রে হাল ছেড়ে দিবেন না, অপেক্ষা করবেন, ধৈর্য ধরবেন। কারণ অপেক্ষা না করলে সফল হওয়া যায় না। যখনি মনে করবেন ব্যার্থ হয়ে যাচ্ছি তখনি চিন্তা করবেন যারা সফল তাদের দুই হাত থাকলে আমার দুই হাত দিয়ে আমি পারি না কেনো?

০৮। ফ্রিল্যান্সিং রিলেটেড গ্রুপ গুলোতে এক্টিভ থাকুনঃ কারণ এই সব গ্রুপ গুলোতে অনেকের রাইটার এর দরকার হয় এবং তারা পোস্ট করে, যেমন আমার অনেক রাইটার লাগে আমি এবং আমি সফল ফ্রিল্যান্সার গ্রুপে পোস্ট দেই যাতে আমি অনলাইনে ঝামেলায় না গিয়ে সরসরি রাইটার্স পেয়ে যাই। তাই ঐ সব পোস্টে রেস্পন্স করবেন। কম রেইটে হলে ও কাজ করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

০৯। নিজের স্কিল বাড়ানঃ প্রতিদিন নতুন কিছু শিখার চেষ্টা করুন, নতুন কিছু করার প্ল্যান করুন। নতুন কোন আইডিয়া জেনারেট করুন।

১০। SEO শিখুনঃ চেষ্টা করবেন আর্টিকেল রাইটিং এর সাথে সাথে SEO শিখতে। বা এট লিস্ট বুঝতে SEO কী? কারণ SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখলে আপনার অনেক ডিমান্ড বেড়ে যাবে।

এখন আসি প্যাসিভ ইনকাম নিয়েঃ

প্যাসিভ ইনকাম কী?

ধরুন আপনি বিয়ে করেছেন তারপর হানিমুনে গিয়ে ৩ মাস কাজ থেকে দূরে আছেন। এখন ঐ ৩ মাসে যেই টাকাটা আসবে আপনি না থাকা সত্তেও যে এমাউন্ট জেনারেট হবে সেটিই প্যাসিভ ইনকাম।

কীভাবে প্যাসিভ ইনকাম জেনারেট করবেন?

আপনি যদি একটি ভালো এফিলিয়েট ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন এবং এটি যদি র‍্যাংক করে ফেলে তাহলে আপনি ৩ মাস কাজ না ও করলে আপনার সাইটে মানুষ আসবে, প্রোডাক্ট কিনবে আপনি কমিশন পাবেন। প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করার আগে স্কিল তৈরি করেন। দেখবেন প্যাসিভ ইনকামের অনেক রাস্তা আপনার অজান্তেই তৈরি হয়ে গেছে।

এইবার কিছু পরমার্শঃ

যদি আপনি মনে করেন আপনি একটি এফিলিয়েট সাইট তৈরি করবেন সে ক্ষেত্রে গ্রুপিং হিসাবে কাজ করতে পারেন। যেমন আমরা উপরে পড়ে জেনেছি এফিলিয়েট সাইট তৈরি করতে হলে SEO সহ ওয়েব ডেভলোপেমেন্ট শিখতে হয়। এ ক্ষেত্রে একা যদি মনে করেন সব শিখতে পারবেন না তাহলে আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড’রা মিলে গ্রুপ করতে পারেন, যেমন রুমন তুই ওয়ার্ডপ্রেস শিখ, ঝুমন তুই SEO শিখ, আর আমি সুমন কন্টেন্ট লিখবো। তাহলে দেখবেন সহজেই একটি সাইট দাড় করাতে পারবেন।

গ্রুপিং করে শিখতে গেলে মেন্টর এর দরকার লাগবে! হ্যা অব্যাশই লাগবে। তবে চিন্তার কিছু নাই। আমি আছি। জাস্ট গ্রুপ খুলে আমাকে এড করে দিবেন, ফ্রি হলে গাইড দেওয়ার চেষ্টা করবো। তবে এর আগে নিজেরা ৩০% ব্যাসিক শেষ করতে হবে। আর শিখতে হলে কোথা থেকে শিখবেন? উপরে আমি সব কিছুর ফ্রি কোর্স দিছি অথবা এডভান্স কিছু লাগলে সফল ফ্রিল্যান্সার – Sofol Freelancer বা Home IT Freelancer bd গ্রুপে পোস্ট করলেই বা খুজলেই পেয়ে যাবেন।

০১। আপনি যদি কোন ভাবে এই পোস্টের কথা ভুলে যান তাহলে যখনি প্রোফাইলে ডুকবেন তখনি সামনে আসবে এবং মনে করিয়ে দিবে আমাকে চেষ্টা করতে হবে।

নোটঃ আমার প্রোফাইলে ডুকে প্রোফাইল থেকে শেয়ার করবেন, কারন গ্রুপ প্রাইভেট শেয়ার করা যাবে না। আর আমাকে মেসেজ দেওয়ার আগে ফ্রেন্ডরিকুয়েস্ট দিবেন। কারণ আমি মেসেঞ্জার খুব কম চালাই/ কোন সমস্যা হলে আগে গ্রুপে পোস্ট করবেন তারপর একান্ত দরকার হলে ইনবক্স।

০২। আপনার কোন বন্ধু দেখে সে তার জীবন পরিবর্তনের রাস্তা দেখতে পারেন।

অনেক লম্বা লেখা পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আর কিছু বানান ভুল আছে , আশা করি ইগ্নোর করবেন, কারণ আমি বাংলা বেশ ভালো লিখতে পারি না।

আশা করি আবারো দেখা হবে নেক্সট কিছু নিয়ে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন এবং কোন প্রশ্ন থাকলে করুন।

➥সকল প্রকার টিপস পেতে ট্রিকবিডির  সাথে থাকুন। 

আশা করি আপনাদের ভাল লেগেছে…।
ধন্যবাদ সবাইকে…
সবাই ভালো থাকবেন ধন্যবাদ
আজ এ পর্যন্তই আল্লাহ হাফেজ

The post [জেনে নিন] আর্টিকেল রাইটিং কি? কোথায়? কিভাবে আপনি আর্টিকেল রাইটিং করে টাকা আয় করবেন?  সম্পূর্ণ বিস্তারিত। appeared first on Trickbd.com.


Thursday, August 27, 2020

গুগল থেকে ইনকাম করার সেরা কয়েকটি টিপস।

গুগল থেকে ইনকাম করার সেরা কয়েকটি টিপস।

আসসালামু আলাইকুম,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশাকরি ভালো আছেন। কারণ ট্রিকবিডি এর সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে। আমি মোঃ রাসেল রহমান রকি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি নতুন একটি টিউটোরিয়াল নিয়ে।

আজকে আমি আপনাদের সামনে আলোচনা করব কীভাবে গুগল থেকে ইনকাম করা যায় বা করবেন।

গুগলঃ

আমরা অনেকে আছি যারা অনলাইন ইনকাম করতে চাই অনলাইন ইনকাম জন্য বিভিন্ন পথ খুঁজে থাকি।

অনেক বলে ইন্টারনেট ইনকাম করা সহজ তা কিন্তু সঠিক না ইন্টারনেট ইনকাম কঠিন কাজ করণ আপনাকে ভালোভাবে দক্ষ হয়ে মার্কেটপ্লেস কাজ করতে হবে। আপনি দক্ষ না হলে কাজ করতে পারবেন না।

অনলাইন ইনকাম জন্য এখনে আপনি চোরামি করে আনিং করতে পারবেন না যদিও করে থাকেন তাহলে বেশি সময় করতে পারবেন না। আগে আপনাকে দক্ষ হয়ে মাঠে নামতে হবে।

আমরা অনেকে আছি যারা অনলাইন কাজ না জেনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস কাজ করা শুরু করে দেই ফলে আমরা সেখান থেকে আনিং করতে পারি না

আপনাদের আগে টাকার পিছনে ঘুরলে হবে না আগে আপনাকে কাজের প্রতি দক্ষ হতে হবে। আপনি যদি কোন কাজে বেশি দক্ষ হয়ে যান তখন আপনি যেকোন জায়গায় কাজ করে ইনকাম করতে হবে।

আপনারা অনেকে কোন কিছু প্রয়োজন হলে গুগলে গিয়ে সার্চ করি আপনি কিন্তু গুগলের সব কারণ আপনি গুগল চালাছেন আপনাকে গুগল চালাছে।

গুগল আপনার সার্চ তথ্য বের করে সে মাকিটিং করে এড মাধ্যমে আয় করছে এতে আপনি কিছু পাচ্ছেন না।

আপনি চাইলে গুগল কাজে লাগিয়ে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন অনায়াসে আপনাকে বৈধ ভাবে কাজ করতে হবে।

আপনি গুগল কাজে লাগিয়ে মাসে ভালো পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে যাতে গুগলকে কাজে লাগিয়ে আপনি ইনকাম করতে পারবেন

আমি আজকে আপনাদের ৩টি কাজ কথা বলবো যা থেকে আপনি গুগল কাজে লাগিয়ে সেখান থেকে ভালো পরিমান আনিং করতে পারবেন।

ব্লগিং(Blogging)

হ্যাঁ আপনি চাইলে ব্লগিং করে গুগল থেকে ইনকাম করতে পারবে। এছাড়া আপনি কোন ইনভেস্ট ছাড়াই ‘ব্লাগারে’একটি ফ্রি ওয়েবসাইট করে গুগল থাকে আনিং করতে পারবেন।

আপনি ব্লাগার ছাড়াও ওয়াডপ্রেস সাইট তৈরি করে আনিং করতে পারবেন এমন না যে আপনি ব্লাগার গুগল দেখে শুধু ব্লাগার থেকে করতে পারবেন তেমন না আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস সাইট করা জন্য আপনার ডোমেন+হোস্টিং লাগবে যা আপনার টাকা খরচ হবে। ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট করে আপনি ক্যারিয়ার বিল্ড করে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

আমি গুগল তৈরি ফ্রি প্লাটফর্ম কথা বলেছি তা সম্পূর্ণ ফ্রি তাছাড়া আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে পরামর্শ দিব যে আগে কোন টাকা পয়সা খরচ না করার

আপনার যদি পরে মনে হয় ওয়ার্ডপ্রেস মুভ করবেন চিন্তা থাকে তাহলে আপনি ডোমেইন+হোস্টিং কিনে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট মুভ করবেন।

আপনি যদি সঠিক ভাবে কাজ করেন তাহলে আপনি ব্লগিং করে গুগল প্লাটফর্ম থেকে ভালো ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব(Youtube)

আপনারা জানেন গুগল কিন্তু ইউটিউব প্লাটফর্ম তাই আপনি গুগল এডসেন্স কাজে লাগিয়ে গুগল থেকে ভালো পরিমান আনিং করতে পারবেন।

এখন অনলাইন ইনকাম সবচেয়ে সহজ হচ্ছে ইউটিউব কারণ আপনি ইউটিবং করে রাতারাতি সেলিব্রেটি হয়ে যান তাহলে আপনি ভালো পরিমান আনিং করতে পারবেন।

আপনাকে একটা কথা বলি ব্লগিং চেয়ে ইউটিউব আনিং সহজ করণ একটা ওয়েবসাইট অনেক ট্রফিক জেনারেট করতে হয় কিন্তু ইউটিউব তা করতে হয় না।

ইউটিউব আপনি চাইলে এখই চ্যানেল খুলে নিবেন কখন না,, আগে আপনাকে সব নলেজ সম্পর্কে জানতে হবে আপনি সে জিনিসগুলো ভালোভাবে জেনে তারপর মাঠে নামবেন।

আপনি যদি মনে করে ইউটিউব অনেক সহজ তা হলে ভুল! কারণ ইউটিউব আপনাকে ইউনিক কনসেপ্ট করে কাজ করতে হবে না হলে আপনি ভালো কিছু করতে পারবেন না।

আপনাকে অনেক বলে থাকে আপনি ইউটিউব পারবেন না তা কিন্তু ভুল আপনিও পারবেন যদি আপনার কাছে ভালো ইউনিক কন্টেন্ট থাকে আপনি ভালো ইউটিবং করতে পারবেন।।

আপনার কাছে যদি ভালো ইউনিক কনসেপ্ট থাকে তাহলে ভাইরাল হতে বেশি সময় লাগবে না।

ইউটিউবে যদি আপনার একটা ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় তাহলে আপনার চ্যানেল অনেক গ্রো হয়ে যাবে।

আপনি চাইলে ইউটিউবে কপি কন্টেন্ট দিয়ে ভালো কিছু করতে পারবেন না।ভালো কিছু করার জন্য আপনাকে ইউনিক কন্টেন্ট ও কনসেপ্ট দিয়ে কাজ করতে হবে তাহলে আপনি ভালো আনিং করতে পারবেন।

গুগল এডমোব(Google Admob)

হ্যাঁ এডমোব কাজ যেমন একটু কঠিন কিন্তু এখান থেকে অনেক ভালো পরিমান ইনকাম করা যায়।

গুগল এডমোব কি?গুগল এডমোব হলো গুগল এডসেন্স মতো একটি প্লাটফর্ম যেখান থাকে আপনি চাইলে আপনার এপস মনিটাইজেশন করে আনিং করতে পারবেন।

আপনাকে গুগল এডমোব থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে আগে একটি এপস বানতে হবে সে এব মনিটাইজেশন করে ইনকাম করতে পারবেন। আপনাকে এপস তৈরি জন্য সময় দিতে হবে আপনাকে বিভিন্ন টেম্পপ্লেট কাজ জানতে হবে।

আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে কিছু টেম্পপ্লেট কিনে কাজ করতে হবে আপনাকে শিখতে হবে। আপনাকে প্রচুর টাইম দিতে হবে এপস জন্য অনেক মেধা খাটাতে হবে

নতুন এপস তৈরি করতে হবে এভাবে আপনাকে আস্থে আস্থে আগাতে হবে। আপনি যদি ভালো এপস বানাতে পারেন।

তাহলে আপনি এখান থেকে বিপুল পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন শুধু আপনার এপস মনিটাইজেশন করে। আপনাকে এপস জন্য সময় ও মেধা খাটাতে হবে তাহলে আপনি এডমোব থেকে ভালো ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।

আর্টিকেল থেকে কি শিখলাম?

আজকে আপনি আপনাদের আর্টিকেল মাধ্যমে যারা অনলাইন ইনকাম করতে চাই কিন্তু যারা ইনকাম করতে পারি না আমি আপনাদের অনলাইন ইনকাম কিছু পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করেছি যাতে আপনি শক্ত ক্যারিয়ার বিল্ড করতে পারেন।

আপনি আমার আর্টিকেল মাধ্যেম যা শিখেছেন তা যদি আপনি প্রোপারভাবে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনি অনলাইন থাকে ভালো ইনকাম রাস্তা খুঁজে পাবেন।
আজ এ পর্যন্ত আবারো হাজির হবো নতুন কোন ট্রিক নিয়ে । সে পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন । আর আমাদের TrickBD এর সাথেই থাকুন ।
আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে অব্যশই কমেন্ট করবেন।

The post গুগল থেকে ইনকাম করার সেরা কয়েকটি টিপস। appeared first on Trickbd.com.


(TheGm404)এবার হ্যাক করুন Gmail,facebook,Twitter পাসওয়ার্ড SpyMie keylogger দিয়ে

(TheGm404)এবার হ্যাক করুন Gmail,facebook,Twitter পাসওয়ার্ড SpyMie keylogger দিয়ে

অাসসালামু অালাইকুম।বন্ধুরা কেমন অাছেন।অাশা করি সবাই ভালো অাছেন।এটা অামার TRICKBD তে প্রথম পোষ্ট।এখন মূল বিষয় অাসি।

#KEYLOGGER কি=অামরা অনেকেই বিভিন্ন keylogger ব্যবহার করেছি।keylogger হল এমন অ্যাপ যা অাপনার keybord এর সকল টাইপিং history সংরক্ষন করে।বিভিন্ন কাজের জন্য অালাদা অালাদা keylogger রয়েছে।অাজ অাপনাদের জন্য যে অ্যাপটি শেয়ার করব তার মধ্যে keylogger এর সব অপশন রয়েছে।

# KEYLOGGER কাজ=keylogger ব্যবহার করে অাপনার বন্ধু-প্রিয়জন এর facebook,gmail,Twitter অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারেন।অাপনি চাইলে কারো chat এর উপর নজরদারি করতে পারেন।সবথেকে হ্যাকিং কাজে keylogger বেশি ব্যবহার করা হয়।এ মাধ্যমে অন্যের password hack করা যায়।

#KEYLOGGER কোথায় পাব=এই keylogger অ্যাপটির নাম হচ্ছে SpyMie.অাপনি প্লে স্টোরে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন অথবা এই লিংক SpyMieথেকে ডাউনলোড করুন।

ApkMonk Link:https://ift.tt/3gBzxUT

তারপর ওপেন করুন

screenshot এ দেখানো যায়গায় ক্লিক করুন
তারপর

তারপর এখানে email দিন

কাজ শেষ log দেখুন

সব কাজ ঠিক-ঠাক মত করুন

#SpyMie রিভিও=অামার দেখা সবথেকে ভালো keylogger এটি।এটি নিজের পাশাপাশি victim এর ফোনে ব্যবহার করা যাবে।এতে icon hide সিস্টেম রয়েছে যাতে ধরা খাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।অ্যাপটিতে keylogger টাইপিং history সময় সহ সংরক্ষন হয়।এতে
সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অপশনটি হলো keylog বা টাইপিং হিস্টরি EMAIL এ সেন্ড হওয়া।যা দিয়ে victim কে বড় ধরনের বাশ দেওয়া যাবে।

সবাই ভালো থাকবেন ও জীবনে ভালো কিছু করার জন্য দোয়া এবং প্রয়োজনে সহযোগিতা করবেন।

The post (TheGm404)এবার হ্যাক করুন Gmail,facebook,Twitter পাসওয়ার্ড SpyMie keylogger দিয়ে appeared first on Trickbd.com.


(TheGm404)জিমেইল হ্যাক কি সম্ভব!এখনই দেখে নিন

(TheGm404)জিমেইল হ্যাক কি সম্ভব!এখনই দেখে নিন

wellcome ট্রিকবিডি সকল মেম্বার।সবাইকে আসসালামু আলাইকুম।

আমি GM ZAZAHID।এটা আমার ১ম।পোস্ট Trickbd তে।পোস্ট ভালো হলে অবশ্যই লাইক দিবেন কিন্তু।

আজকের পোস্টের বিষয় BRUTEFORCE  ATTACK GMAIL.

অাজকে অামি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Gmail  এ। আপনি burretforce attack দিবেন।

*চলুন  burretforce attack কি সেটা জেনে নেওয়া যাক।

#burretforce attack/dictionary attack:এটাকে ডিকশনারি আট্যাক ও বলা হয়। আমি এই পোস্টে Brute force  attackএই বলছি কারন আমি কোনো password list ব্যবহার করছি না এই পোস্টে।এটা কোনো  ট্রিক না বরং সরাসরি হ্যাকিং ও বলতে পারেন।

# bruteforce attack. কিভাবে কাজ করে:সফটওয়ার একটার পর একটা password দিয়ে লগিন করার চেষ্টা করতে থাকে।যখন সঠিক  password মিলে যায় বা খুজে পায় তখনই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যায়।এটা ম্যানুয়ালিও করা যায় যা অনেক সময়সাপেক্ষ এবং তা করতে গেলে নম্বর ভেরিফিকেশন,ডিভাইস ভেরিফিকেশন,হিউম্যান ভেরিফিকেশনসহ বহু ঝামেলা পোহাতে হয়।একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে ম্যানুয়ালি চেস্টা করতে ৪০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট এর বেশি সময় লাগে যেখানে ওই একই একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাটাক দিলে গড়ে প্রতিটি পাসওয়ার্ড টেস্ট করতে ৩ -৪ সেকেন্ড সময় লাগে।

Bruteforce  দিয়ে কি আসলেই
 হ্যাক হয়:কথাটা হাস্যকর মনে হলেও এটা আপনার ভাগ্যের ওপর নিভর্র করে।যদি সঠিক টা মিলে যায় তাহলে ৩ মিনিটে হ্যাক হয়ে যেতে পারে না হলে ৩০ ঘন্টায় ও সঠিক পাসওয়ার্ড নাও পেতে পারেন।জিমেইল বর্তমানে প্রায় সকল কাজে ব্যবহার হয়।যেমন:ড্রাইভ,ইউটিউব,আক্যাউন্টসহ বহু কাজে ব্যবহার হয়।এজন্যই গুগল জিমেইলকে আনেক সিকিউর করছে।জিমেইল এ রিকেপচা সিস্টেম থাকায়   Bruteforce তেমন কার্যকর না।কিছু পাসওয়ার্ড টেস্ট হওয়ার পরই গুগল বুঝে যায় তাই আর পাসওয়ার্ড টেস্ট হয় না।আমি যেভাবে Bruteforce  অ্যাটাক টা দেখালাম তাতে মাএ ১৫০-২০০ এর মতো পাসওয়ার্ড টেস্ট হয়।যা দিয়ে আসল পাসওয়ার্ড বের করার সম্ভাবনা মাএ ৫%।যতগুলো পাসওয়ার্ড টেস্ট হয় সেগুলো কমন ও বহুল ব্যবহূত কমনপাসওয়ার্ড এজন্যই শেয়ার করলাম আপনাদের।
অার সংগা দিলাম না তাহলে লিখতে আমার ৩ দিন লেগে যাবে।

প্রথমে  প্লে স্টোর থেকে Termux অ্যাপটি নামিয়ে ইনস্টল করে নিন।
প্রয়োজনে hacker keybord

অারেক টা কথা redmik keybord টাইপিং এ সমস্যা করে তাই আপনারা hacker keybord, progamar keybord
ব্যবহার করবেন।

অ্যাপটি ওপেন করুন ইনস্টল হতে ১ মিনিটের মতো সময় লাগবে।
এখন কমান্ডগুলো একে একে টাইপ করুন এবং এন্টার বা সার্চ এ ক্লিক করুন।খেয়াল রাখবেন প্রতিটি কমান্ডের কাজ শেষ হলে এরকম $ আইকন আসবে।তারপর পরবর্তী কমান্ড আবার টাইপ করবেন।
 LET,S START NOW……
$pkg updatey কাজ হলে $ দেখাবে
কন্টিনিউ করতে y টাইপ করে এন্টার দিন।
সবসময় কমান্ড টাইপ করার পর কাজ শেষ হলে $ আইকন আসলে পর আবার নতুন কমান্ড টাইপ করবেন।
$pkg upgrade
$pkg install git
$git clone https://ift.tt/2CsJJz1
$cd Hunner
$chmod +x *
$python hunner.py
৬ নাম্বার অপশন  Brute mail সিলেক্ট  করুন।তারপর আপনার ভিক্টিমের জিমেইল দিয়ে এন্টার দিন।

Hunner>>mail>>password কিছুই টাইপ করবেন নাএন্টার দিন।
১ নম্বর অপশন Gmail সিলেক্ট করবেন………..
Bruteforce শুরু হয়ে গেছে,,,,,,

অপেক্ষা করুন হ্যাক হলে হতেও পারে………………………………..
অামি একটা Example dilam যা আমার ভিডিও থেকে অানা।আসলে জিমেইল টা আমি এখন ডিলেট দিয়া দিছি।

কিছু কথা:অাজকে এতো বকবক করলাম শুধু নতুনদের বোঝানোর জন্য।এটা কোনো  বড় হ্যাকিং নয়।তবে যদি সবাই এটা ব্যবহার বোঝে তাহলে পরবর্তীতে ৪০০- ৪৫০ পাসওয়ার্ড টেস্ট হয়  সেইটা দেখাবো।ওটা একটু ঝামেলা তাই পোস্ট দেই নি।আমি আবারও বললাম হ্যাক না আপনাদের একটা সামান্য ধারনা দিলাম মাএ।পরবর্তী পোস্ট এ কথা থেকে কাজ বেশি হবে।
সবাইকে পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।





The post (TheGm404)জিমেইল হ্যাক কি সম্ভব!এখনই দেখে নিন appeared first on Trickbd.com.


(TheGm404) এসএমএস ফরওয়ার্ড হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার সাধের অ্যাকাউন্টটি

(TheGm404) এসএমএস ফরওয়ার্ড হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার সাধের অ্যাকাউন্টটি

আসসালামু আলাইকুম

স্বাগতম সকল ট্রিকবিডি মেম্বার আশা করি সবাই ভাল আছেন

তো আমি একটা অ্যাপ রিভিউ করব এবং তার সাথে হ্যাকিংয়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করব।

আজকের পোস্ট বিষয়গুলো হলো:-
1) এসএমএস ফরোয়ার্ড কি
2) এসএমএস ফরোয়ার্ড কেন করা হয়
3) কিভাবে এসএমএস ফরওয়ার্ড করব
4)GHX FORWARDER REVIEW
5) এসএমএস ফরওয়ার্ডার ভালো দিক
6) এসএমএস ফরওয়ার্ড এর খারাপ দিক

—–এসএমএস ফরোয়ার্ড কি——-

এসএমএস ফরওয়ার্ড হয়ে এমন একটা সিস্টেম যার মাধ্যমে আপনার এসএমএসগুলো অন্য কোন ডিভাইস এ ফরওয়ার্ড করা হয়। মনে করুন আপনার কাছে দুটি ডিভাইস আছে একটা সিম্ফোনি আরেকটা নোকিয়া। এখন আপনার সিম্ফোনি ফোনটাই যতগুলো এসএমএস বা মেসেজ আসে সেই মেসেজগুলা অটোমেটিক আপনার নোকিয়া মোবাইলে চলে যায়। এটাই এসএমএস ফরোয়ার্ড ।

—–এসএমএস ফরোয়ার্ড কেন করা হয়—–

বিভিন্ন পারপোজ বা প্রয়োজন অনুসারে এসএমএস ফরোয়ার্ড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। এটাই অবৈধ কাজে বেশি ব্যবহার করা হয়।আবার অনেকে প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে পারেন যেমন আপনার একটা সিম বন্ধ রয়েছে কিন্তু ঐ সিমের এসএমএস গুলো আপনি রিড করতে চান তখন ওই বন্ধ সিমের মেসেজ গুলো আপনার সচল সিমে ফরোয়ার্ড করতে পারেন।

—–এসএমএস ফরওয়ার্ড কিভাবে করব—–

এসএমএস ফরওয়ার্ড এর জন্য আপনি দুই ধরনের সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন।
প্রথম টেকনিক হল ইউএসডিডি কোড মাধ্যমে।
আর অন্যদিকে কোন এন্ড্রয়েড এপিকে এর মাধ্যমে।
তবে ইউএসডিডি কোড সিস্টেম জিএসএম ফোন বাটন মোবাইল এ কাজ করবে। আর এন্ড্রয়েড ফোনে উভয় সিস্টেমেই কাজ করবে।

আপাতত আইওএস অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কথা বলছি না কারণ এটা ইউজার খুবই কম আছে(টেকনিক ১ ব্যবহার করবেন)।

———-টেকনিক 1————:
আপনি আপনার অপারেটর সার্ভিস সেন্টারে ফোন দিয়ে আপনার অপারেটরের ফরওয়ার্ড কোড জেনে নিন (১২১)। তার আপনাকে সম্পূর্ণ প্রসেস বলে দেবে কিভাবে কি করবেন।
তবে এক্ষেত্রে একটা বড় সমস্যা হলো তারা যেকোনো সময় চাইলে এটা বন্ধ করে দিতে পারে (অপারেটর কোম্পানি)।

——-টেকনিক 2——–:

এক্ষেত্রে আপনাকে GHX FORWARDER সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। এটা ভিকটিমের ইনকামিং মেসেজ ক্যাপচার করবে এবং আপনার সিমে ফরওয়ার্ড করে দিবে। এই টেকনিক আপনি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করতে পারবেন।

——GHX FORWARDER REVIEW—–

ফরওয়ার্ডার সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা তো পেয়ে গেছেন এবার একটু প্র্যাকটিক্যালি দেখা যাক।

#এপিকে টির কিছু ফিচার

1)Android(4.4-8.0) Supported
2)Fully Fud(0-36)All Antivirus Bypass
3)24X7 Day persistent
4)Instant Forward Sms
5)Offline Work(No Internet Required)
6)After Rebot Auto Start Working
7)Remotely Control Without Touching (This Option Available on silent version)
8)Sim Oparator Not Detect This

#এটা দিয়ে কি কি করা যেতে পারে
১) ওটিপি বাইপাস/টু স্টেপ অথেন্টিকেশন
২) ফেসবুক/ টুইটার /ইমো এর মত অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস
৩) একথায় এসএমএস দিয়ে ভেরিফিকেশন করা হয় এমন সব একাউন্ট

——Public Version Review—-
#কিভাবে কি করবো এখন শুরু করা যাক
Google Drive Link: https://bit.ly/GhxForwarder(Direct)

১) সফটওয়্যার টি ডাউনলোড এন্ড টার্গেট ফোনে
ইনস্টল করে দিন
২) টার্গেট নাম্বারে আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে সেটাপে ক্লিক করুন
৩)Hide Me! বাটনে ক্লিক করুন তাহলে সফটওয়্যারটি Hide হয়ে যাবে

ব্যাস আপনার কাজ শেষ এখন আপনার দেয়া এই নাম্বারে মেসেজ আসা শুরু করবে।
প্রয়োজনে আপনি অন্য ফোন থেকে ভিকটিমের ফোনে একটি মেসেজ পাঠিয়ে পরীক্ষা করে নিতে পারেন।

——Silent Version Review——
without touching remotely ফরওয়ার্ড যা silent ভার্সনে ডিজাইন করা হয়েছে।

এটা Install করে ওপেন করার সাথে সাথে অটোমেটিক হাইড & একটিভ যাবে

এটা-সেটাপের জন্য আপনার অ্যাপ এডিটর প্রয়োজন হবে।
প্রথমে ফাইল থেকে সফটওয়্যার টি ওপেন করুন অ্যাপ এডিটর দিয়ে।
Flow This Step:
1) Select Apk From File
1)Full Edit(Resource Re Build) ক্লিক করুন
2)File ক্লিক করুন
3)res ফোল্ডার ওপেন করুন
4)Value ফোল্ডার ওপেন করুন
5)string.xml এ ক্লিক করুন

screenshot দেখানো নাম্বারটি remove করে আপনার নাম্বার দিয়ে apk rebuild করে দিন।
হয়ে গেল আপনার সাইলেন্ট ফরওয়ার্ডার।
এটা কিভাবে পাবেন সেটা নিয়ে পোস্ট শেষে কথা বলা হয়েছে।

—–এসএমএস ফরওয়ার্ডার ভালো দিক—–
হতে পারে আপনি কোন সাইবের ক্রিমিনাল কে ধরতে চেষ্টা করছেন হতে পারে তার উপর নজর রাখতে চাইছেন তাহলে এটা হতে পারে একটা ভালো মাধ্যম। অথবা আপনি দেশের স্বার্থে একটা খারাপ মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করছেন তাহলে এটা একটি নিঃসন্দেহে ভালো কাজ।

—–এসএমএস ফরওয়ার্ডার খারাপ দিক—–
যেমন এটার মাধ্যমে যে কারো পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট সিকিউরিটি নষ্ট হয়।তোর থেকে সামান্য একটা 6 ডিজিটের কোড এর কারনে তার সকল সিকিউরিটি শেষ।তার মূল্যবান বা একান্ত নিজস্ব পার্সোনাল জিনিস ভাইরাল হয়ে যেতে পারে।

আসে এটা সামাজিক অ্যাকাউন্ট থেকে হতে পারে কারণ এসএমএসের কোড মাধ্যমে যেকোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা সম্ভব। বিভিন্ন ফিডের নিম্নে স্ক্যামাররা এই টেকনিক ব্যবহার করে খুব সহজেই হাতিয়ে নিচ্ছে একাউন্ট।

—–এখন আপনাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর——

১) এই পোস্ট করার মানে কি এটা তো অনেকে জানে?

#এটা করা মানে কিভাবে হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট সেটা সম্পর্কে একটা কনসেপ্ট বা ধারণা দেওয়া হয়েছে।

২) যদি ভিকটিমের ফোন হাতে নেওয়া লাগে তাহলে মজা কোথায়?

#হ্যাঁ সবার সিকিউরিটি নিরাপত্তার জন্য ফোন হাতে নেয়া হয়েছে সিস্টেম আমি মেক করেছি।
কারণ কারো প্রাইভেসি নষ্ট করা আমার কাজ নয়।
আমি সাইলেন্ট Version Review করেছি তবে সেটা সবাইকে শেয়ার করতেছি না সিকিউরিটি নিরাপত্তার জন্য।

৩) আমি কিভাবে silent ভার্শন পেতে পারি?
যদিও সাইলেন্ট ভার্শন সবাইকে শেয়ার করতেছি না। কারণ এটা অন্য নিরাপত্তা হুমকি কারণ হতে পারে।যেহেতু রিভিউ করছি তাই আপনাদের মাঝে কিছু মানুষকে অবশ্যই দিব।

আপনারা কমেন্টে আপনাদের ইমেইল অথবা ফেসবুক আইডি অথবা ইমো আইডি দিয়ে যেকোনো একটি লিখে কমেন্ট করুন যাতে বিজয়ির কাছে সফটওয়ারটি পৌঁছাতে পারি।

——কারা পাবে সাইলেন্ট ভার্শন———
সর্বপ্রথম 50 জন কমেন্টকারী ব্যক্তিদের মধ্যে স্পিন করা হবে এবং তাদের মধ্য থেকে 10 জন ব্যক্তিকে সফটওয়ারটি দেওয়া হবে।
আমি অনুরোধ করছি বিজয় ভাইদের আপনারা অবশ্যই এটি ভালো কাজে ব্যবহার করবেন।

আমাদের পার্সোনাল ইনফো:
ফেসবুক: টিম বাংলাদেশ
ইউটিউব:GM SMART HACKER
লিংক দেয়ার প্রয়োজন নেই সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।
টেকনোলজি সম্পর্কে যেকোনো বিষয়ে ফ্রি মাইন্ডে জিজ্ঞেস করতে জয়েন করতে পারেন।

আসসালামু আলাইকুম।
আল্লাহাফেজ।

The post (TheGm404) এসএমএস ফরওয়ার্ড হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার সাধের অ্যাকাউন্টটি appeared first on Trickbd.com.


(TheGm404) আসুন আমরাও একটু মজা করি চিনি এবং পরিচিত হই Gmail Bombing সাথে

(TheGm404) আসুন আমরাও একটু মজা করি চিনি এবং পরিচিত হই Gmail Bombing সাথে

আসসালামু আলাইকুম
স্বাগতম সকল ট্রিকবিডি মেম্বার

আজকের পোস্টের বিষয় হল:-
1)Gmail Bombing কি
2) জিমেল বম্বিং কিভাবে করব
3) জিমেইল Bombing এর লাভ বা ক্ষতি

———Gmail Bombing——-
আগে জেনে নেই Gmail বম্বিং কি। মনে করুন আপনি আপনার ফোন থেকে আপনার বন্ধুকে 100 মেসেজ পাঠালেন কোন প্রয়োজন ছাড়া এতে তেমন কোন ক্ষতি না হলেওযসে কিছুটা বিরক্ত হয়েছে সে তার প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারতেছে না আপনার মেসেজের জন্য। এটাই বোম্বিং।

——Gmail Bombing কিভাবে করবেন——

Gmail বম্বিং করার জন্য অনেক সিস্টেম থাকতে পারে তবে আমার কাছে যে সিস্টেম টা আছে আমি সেটা আপনাদের শেয়ার দিচ্ছি।

এটি একটি python3 কমান্ড লাইন টূল যা রান করার জন্য আপনার টার্মিনাল সফটওয়্যার প্রয়োজন

১) প্রথমে প্লে স্টোর থেকে টারমাক্স সফটওয়্যার ইন্সটল করে নিন

২) কমান্ডগুলো একটি একটি করে কপি করে পেস্ট করে দিন

i)pkg install git -y
ii)pkg install python
iii)git clone https://ift.tt/3gzUy2b
iv)cd gmail-attack
v)python3 g_attack.py

অবশেষে সফল ভাবে আপনি tool টি Run করেছেন

আপনার পরবর্তী স্টেপ শুরু করা যাক:

i)এখানে গিয়ে গুগল একাউন্টে les secure অপশনটি এনাবল করে দিন https://ift.tt/2qvTXGx

//প্রতি স্টেপ কমপ্লিট করার পর ইন্টার করবেন
ii) আবার Termux মধ্যে যাই
আপনার ই-মেইল লিখুন(myMain@gmail.com)

iii) আপনার ই-মেইলের পাসওয়ার্ড(Ex12345) লিখুন(পাসওয়ার্ড শো করবে না)
iv) victim এর ইমেইল এড্রেস লিখুন এবার যাকে mail bomb করতে চান(victim@gmail.com)
v) যে Message লিখতে চান সেই টা লিখুন(Love You Baby)
vi) কত সংখ্যকবার মেসেজ সেন্ড করতে চান সেটা লিখুন(1000)
যদি সবকিছু ঠিকঠাক দেন তাহলে মেল বম্বিং শুরু হয়ে যাবে।

আর যদি less secure off থাকে বা জিমেইল পাসওয়ার্ড Wrong প্রবেশ করেন তাহলে এই মেসেজ শো করবে

//INBOX PROOF

[x] The username or password you entered is incorrect.
[x] Check if the Options of Applications are less secure is enabled

—-Gmail Bombing লাভ বা ক্ষতি—–
এটা মত লাভ বা ক্ষতির জন্য করা হয় না এটা ফান করার জন্যই মূলত করা হয়। আমি যখন প্রথম পাইথন শিখি তখন এই mail library নিয়ে কাজ করি। তখন আমার মনে হল যে একটি একই sms যদি একজনকে বারবার পাঠাই তাহলে সেটা দিয়ে বোম্বিং ব্যবহার করা যাবে। সেই আইডিয়া নিয়ে খুব ছোট্ট একটি প্রোগ্রাম ডেভলপ করি।

তবে আপনি যদি কাউকে 10000 mail সেন্ড করেন তাহলে সে যখন তার inbox প্রবেশ করবে তাহলে তার সমস্ত inbox আপনার mail ভরে যাবে। এগুলো একটা একটা করে delete ছাড়া আর কোন উপায় নেই। যা অনেক সময় টার্গেটের লস করবে।

—Advantage Of This Bomber—-
gmail Attack Tool সকল মেসেজ ইনবক্সে সেন্ড করবে কোন mail spam যাবে না ।যদি আপনি 10000 মেসেজ সেন্ড করেন 10000 মেসেজ সেন্ড হবে যখন আপনার ফোনের ডাটা On আছে ম্যাসেজ সেন্ড হতেই থাকবে কোনভাবে কানেকশন Close হবে না।

Request All Viewer—- :

আমি একটা জিনিস ফলো করেছি যে ট্রিকবিডি কোন কিছুকে পোস্ট করলে সেটা কেডিট অন্যকেউ Edit করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়।

ওপেনসোর্স প্রজেক্টে আমাদের শিখার জন্য সেটা এডিট করে নিজের নামে চালিয়ে জ্ঞান বাড়বে না। যদি আপনি সেটাকে এডিট করে আরো এডভান্স কোন কিছু এড করেন তাহলে সেটার মান বৃদ্ধি হবে ।

ভাই যেহেতু এটা ওপেনসোর্স আপনি ব্যবহার করুন কোন সমস্যা নেই কিন্তু আমার কষ্টের দাম অবশ্যই রাখবেন কোন ভাবেই ক্রেডিট ছাড়া কেউ কপি করবেন না।

About Me:-
From:Cyber Security
Facebook:Team Bangladesh
YouTube:Gm Smart Hacker

The post (TheGm404) আসুন আমরাও একটু মজা করি চিনি এবং পরিচিত হই Gmail Bombing সাথে appeared first on Trickbd.com.