Thursday, November 7, 2024

Windows এর সফটওয়ার Uninstall করার সেরা/শ্রেষ্ট পদ্ধতি + যে কারনে আমাদের কম্পিউটার স্লো হয় ও C ড্রাইভ ফুল হয়

আসসালামুয়ালাইকুম

 

প্রতিদিন আমরা কম্পিউটারে নানান সফটওয়্যার ইনস্টল করি, কিন্তু সেগুলো আমরা কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Uninstall করি। কিন্তু আমরা কেও ভালো করে জানিওনা যে কন্ট্রল প্যনেল থেকে আনিইন্সটলের পর বেশিরভাগ/অনেক ফাইল থেকে যায়। এই ফাইলগুলো সময়ের সাথে সাথে আমাদের কম্পিউটারকে ধীরগতির করে ফেলে সেই সাথে  C  ড্রাইভের যায়গা ভরাটতো আছেই।

উদাহরন হিসেবে বলা যায়, এডবি ফটোশপের ট্রায়াল ভার্সন শেষ করার পর কন্ট্রল প্যনেল থেকে আনইন্সটল করে ইন্সটল করলেও ট্রায়াল ভার্সন রিসেট হয় না। এর কারন কী

তাই, কম্পিউটারের এই সমস্যার সহজ কার্যকর সমাধান হলো রেভো আনইনস্টলার। এটি কম্পিউটার থেকে সফটওয়্যারগুলোকে সকল ফাইল রেজিস্ট্রিসহ সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলে।







 

রেভো আনইনস্টলারের অসাধারণ কিছু ফিচার/সুবিধা

. সম্পূর্ণ মুছে ফেলা

রেভো আনইনস্টলারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি কেবল ইনস্টল করা সফটওয়্যারই মুছে দেয় না, বরং সেই সফটওয়্যারের সাথে যুক্ত যেকোনো অবাঞ্ছিত ফাইল, রেজিস্ট্রি এন্ট্রি এবং টেম্পোরারি ফাইলও সরিয়ে ফেলে।  সাধারণ আনইনস্টলারের তুলনায় এটি অনেক বেশি কার্যকর কারণ এটি ফাইলের গভীরে প্রবেশ করে এবং এমন অংশও খুঁজে বের করে যা সাধারণভাবে/ম্যানুয়ালি চোখে পড়ে না।

 

. হান্টার মোড

রেভো আনইনস্টলারের আরেকটি দারুণ ফিচার হলো হান্টার মোড’, যা ব্যবহারকারীকে কেবলমাত্র একটি সফটওয়্যারের আইকন বা উইন্ডো টার্গেট করেই সেই অ্যাপ্লিকেশনটি সরিয়ে ফেলার সুযোগ দেয়। আপনি যদি জানেন না কোন অ্যাপ্লিকেশন আপনার কম্পিউটারে সমস্যা তৈরি করছে, তবে হান্টার মোড ব্যবহার করে সহজেই সেই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। এটি একটি অসাধারণ ফিচার, বিশেষ করে যখন আপনি একটি নির্দিষ্ট সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে সমস্যায় পড়ে থাকেন।

. অ্যাডভান্সড স্ক্যানিং/রেজিস্ট্রি ক্লিনিং

অন্য একটি দারুণ ফিচার হলো এর অ্যাডভান্সড স্ক্যানিং ক্ষমতা। সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের পর তা কেবল ফাইল রেখে যায় না, রেজিস্ট্রিতে এন্ট্রি করে। রেভো আনইনস্টলার আপনার রেজিস্ট্রিও স্ক্যান করে এবং অবাঞ্ছিত এন্ট্রিগুলো মুছে দেয়। 

. ব্রাউজার ক্লিনার

এটি শুধু সফটওয়্যার মুছতেই নয়, এটি ব্রাউজারের ক্যাশে এবং অবাঞ্ছিত ডাটা মুছতে সাহায্য করে।

 

তো কিভাবে Revo Uninstaller ব্যবহা করবেন?

/ প্রথমে সফটওয়্যারটি নিচে দেয়া লিঙ্ক থেকে ডাওনলোড করুন। (ক্র্যাক ভার্সনেরও টেলিগ্রাম লিঙ্ক দেয়া আছে)

/ এরপর এটি ওপেন করলে আপনি আপনার পিসিতে ইন্সটল করা সমস্ত সফটওয়্যারগুলোর একটি লিস্ট দেখতে পাবেন। যে সফটওয়্যারটি মুছে ফেলতে চান, সেটি সিলেক্ট করে আনইনস্টল বাটনে ক্লিক করুন।

রেভো আপনাকে তিনটি অপশন দেবে: বিল্টইন, সেফ এবং অ্যাডভান্সড। অ্যাডভান্সড মোড বেছে নিলে এটি ডিপ স্ক্যান করে সমস্ত অবশিষ্ট ফাইল মুছে দেবে, তবে ডিফল্ট রাখাই ভালো/সেফ

 

 

ডাওনলোডঃ

Original

 

Crack/Pre-Activated

 

 

 

আমার টেলিগ্রাম চ্যানেলঃ

t.me/raiyanmodspc

 

 

 

আজকের মতো এই পর্যন্তই

গাযওয়াতুল হিন্দের জন্য প্রস্তুতি নিনফিলিস্তিনিদের জন্য দোয়া করুন

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে সহযোগী হোন

বাংলাদেশ চিরজীবি হোক

আল্লাহ হাফেয।

The post Windows এর সফটওয়ার Uninstall করার সেরা/শ্রেষ্ট পদ্ধতি + যে কারনে আমাদের কম্পিউটার স্লো হয় ও C ড্রাইভ ফুল হয় appeared first on Trickbd.com.


Tuesday, November 5, 2024

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে Suspend execution for cached apps এর কাজ কি ? [জেনে রাখা দরকার]

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে Suspend execution for cached apps এর কাজ কি ? [জেনে রাখা দরকার]

আসসালামু আলাইকুম !


Trickbd.com এর সকল সদস্যদের স্বাগতম ! ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন !



আমি সোহাগ আবারো Trickbd.com এ হাজির হলাম আপনাদের মাঝে অন্য একটি পোষ্টে, আজকের পোস্ট শুরু করা যাক !


•••

•••


আমরা কম বেশি সবাই Android phone এর Developers Options এর ব্যাপারে জানি। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডেভেলপার অপশন দেওয়া হয়েছে মূলত অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য। তারা এই অপশনগুলো ব্যবহার করে নিজেদের তৈরি অ্যাপগুলোকে ডিবাগ করে, পরীক্ষা করে এবং বিভিন্ন সেটিংস পরিবর্তন করে দেখে।

কিন্তু অনেক সাধারণ ব্যবহারকারীরাও এই ডেভেলপার অপশন ব্যবহার করেন যারা এটার বিষয়ে জানেন এবং এটার সম্বন্ধে জ্ঞান রয়েছে।

ডেভেলপার অপশনে এমন অনেক অপশন সম্পর্কে হয়তো আপনি জানেন যে কোনটা কি আর কোন কাজের জন্য। তেমন‌ই একটা অপশন হলো Suspend execution for cached apps এটার কাজ কি সেটা হয়তো আপনি জানেন। কিন্তু যারা জানে না তাদের জন্য এই পোস্ট।

যখন আপনি আপনার ফোনে এই অপশনটি চালু করবেন, তখন আপনার ফোনে যেসব অ্যাপ Cached হয়ে আছে (অর্থাৎ, সেগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে না, কিন্তু মেমোরিতে রয়েছে) সেগুলোর অ্যাক্টিভিটি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

ফলে আপনার ফোনে কি কি পরিবর্তন হবে বা কি কি সুবিধা এবং অসুবিধা হবে সেটাই বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো। কিন্তু তার আগে আপনাকে বুঝতে এবং জানতে হবে যে এন্ড্রয়েড ফোনে এই Cache Memory Cache Apps কি ? এর কাজ কি ?

Cache Memory কি?


 
আপনি যখন কোনো অ্যাপ ব্যবহার করেন, তখন সেই অ্যাপ কিছু তথ্য আপনার ফোনের মেমোরিতে সেভ করে রাখে। এই সেভ করা তথ্যকেই ক্যাশ মেমোরি বলে। এটি এক ধরনের অস্থায়ী স্টোরেজ, যা অ্যাপগুলিকে দ্রুত লোড হতে সাহায্য করে। যেমন, আপনি যখন কোনো ওয়েবসাইটে প্রথমবার যান, তখন সেই ওয়েবসাইটের কিছু তথ্য আপনার ফোনের ক্যাশে সেভ হয়। পরবর্তীতে যখন আপনি আবার সেই ওয়েবসাইটে যাবেন, তখন ফোনকে আবার সার্ভার থেকে সব তথ্য ডাউনলোড করতে হবে না, কারণ তা ক্যাশে থেকেই নেওয়া যাবে।

Cache Apps কি?


 
ক্যাশ অ্যাপস বলতে বোঝায় এমন সব অ্যাপ, যা ক্যাশ মেমোরি চালাতে সাহায্য করে। এই অ্যাপগুলো আপনার ফোনের ক্যাশ মেমোরিকে পরিষ্কার করে, অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো মুছে দেয় এবং ফোনের স্পিড বাড়াতে সাহায্য করে।

আপনার ফোনের Cached Apps কতখানি ফোনের RAM ব্যবহার করছে তা দেখতে আপনার ফোনের Developers Options এ যাবেন। এরপর Running Services এ ক্লিক করবেন।

Running Services এ গেলে দেখতে পাবেন যে আপনার ফোনের System এবং Apps কতখানি RAM ব্যবহার করছে এবং কতখানি RAM ফাঁকা আছে।

উপরে থ্রী ডট দেখতে পাবেন, সেটাতে ক্লিক করুন।

থ্রী ডটে ক্লিক করার পর Show cached processes লেখায় ক্লিক করুন।

তাহলেই আপনি দেখতে পাবেন যে Cached Apps আপনার ফোনের কতখানি ব়্যাম ব্যবহার করছে।

Cache Memory এর সুবিধা এবং অসুবিধা:


 
সুবিধা: ক্যাশ মেমোরির কারণে অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হয়। অনেক সময় ফর্ম ফিলআপ, লগইন ইত্যাদি তথ্য ক্যাশে সেভ থাকে, যার কারণে আপনাকে বারবার তথ্য দেওয়া লাগে না।

অসুবিধা: অতিরিক্ত ক্যাশ মেমোরি ধীরে ধীরে আপনার ফোনকে স্লো করে দেয় এবং ফোন মেমোরির জায়গা কমিয়ে দেয়। কারণ অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় ক্যাশ মেমোরিও সেভ হয়।

এখন মূল কথা হলো যে, Developers Options এ থাকা Suspend execution for cached apps এর কাজ কি?

সহজ কথায় বললে, এই অপশনটি আপনার ফোনের ব্যাটারি চার্জ কম খরচ করতে সাহায্য করে। যখন আপনি আপনার ফোনে কোনো অ্যাপ ব্যবহার করবেন না, তখন এই অপশনটি সেই অ্যাপগুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করা থেকে বিরত রাখে। ফলে ব্যাটারি খরচ কমে যায়। অ্যাপগুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করা থেকে বিরত রাখার ফলে আপনার ফোনের প্রসেসরকে কম কাজ করতে হয়। ফলে ফোনটি আরো ভালোভাবে চলে। এই অপশন ফোনের ব়্যাম, ব্যাটারি এবং প্রসেসর এর ওপর থেকে অতিরিক্ত প্রেশার কম করাতে চেষ্টা করে।

যেভাবে Suspend execution for cached apps অপশন চালু করবেন:

আপনাকে ডেভেলপার অপশনে গিয়ে Suspend execution for cached apps এই অপশনে ক্লিক করতে হবে।

Device defaultকরা থাকবে, আপনি Enabled লেখায় ক্লিক করবেন।

এই অপশন চালু করার পর অবশ্যই আপনাকে প্রথমবার আপনার ফোনকে Reboot বা Restart করতে হবে।

আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে আপনার ফোনের সিস্টেম যে RAM নিয়েছে সেটা আপনি ফেরত পাবেন না, কারণ ফোনের সিস্টেম এর জন্য সেটা লাগবেই। যেমন: আমার ফোনের 8GB RAM এর মধ্যে ফোনের সিস্টেম এবং অ‌্যাপস 3GB RAM নিয়েছে সেটা আমি ফেরত পাবো না। কিন্তু আমার ফোনের Cached Apps যে RAM নিয়েছে সেটার অনেকাংশে ফেরত পাবো।

এই অপশন চালু করার আগে:

এই অপশন চালু করার পরে:

মনে রাখবেন: এই অপশনটি ব্যবহার করলে কিছু অ্যাপ সঠিকভাবে কাজ নাও করতে পারে। তাই এই অপশনটি খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার করার আগে ভালো করে ভেবে দেখবেন‌।


°°°
এই পোষ্ট এতটুকুই ! এতক্ষণ সময় নিয়ে Trickbd.com এ পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন সবাই, আল্লাহ হাফেজ। 🙂


The post অ্যান্ড্রয়েড ফোনে Suspend execution for cached apps এর কাজ কি ? [জেনে রাখা দরকার] appeared first on Trickbd.com.


গ্রামীনফোনে Pay as you go বন্ধ করুন My GP অ্যাপ থেকে

আমরা অনেকেই গ্রামীনফোন সিমের Pay as you go বন্ধ করা নিয়ে অনেক অভিযোগ ছিল। অনেক রিকোয়েস্ট করার পর অবশেষে ৩ অক্টোবর গ্রামীনফোন পে এস ইউ গো বন্ধ করার সিস্টেম এনেছে।

এখন খুব সহজেই মাই জিপি অ্যাপ থেকে এই সার্ভিসটি একেবারে বন্ধ করা যাবে। এর আগে বাংলালিংক সিমে এই সার্ভিসটি বন্ধ করা যেতো।

আজকের পেস্টে আমি আপনাদেরকে দেখাবো কীভাবে সহজেই এই সার্ভিসটি বন্ধ করবেন আর এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানিয়েও দিলাম।

কেন Pay as you go বন্ধ করবেন?

Pay As You Go চালু থাকলে প্রতিবার সিমে এমবি শেষ হয়ে গেলে সিমে টাকা থাকলে সিম থেকে ৬ টাকা করে কেটে নেয় যা বিরক্তিকর। এই সার্ভিসটি বন্ধ করলে সিমে টাকা থাকলেও আর টাকা কেটে নিবে না।

সম্পূর্ণ প্রসেসটা দেখুনঃ

প্রথমে আপনার মাই জিপি অ্যাপটা আপডেট করে দেন তারপর অ্যাপটা অপেন করুন।

তারপর Service ট্যাবে যান।  সার্ভিস ট্যাবে যাওয়ার পর দেখতে পাবেন Pay As You Go এটাতে যাবেন।

তারপর Get Free Packs তে ক্লিক করে কনফার্ম করবেন।

তারপর দেখবেন একটি কনফার্ম মেসেজ দেখাবে।

আপনাকে একটা মেসেজে জানিয়ে দিবে যে আপনার সার্ভিসটি বন্ধ হয়েছে।

এভাবে আপনি খুব সহজেই মাইজিপি অ্যাপ থেকে Pay as you go সার্ভিসটি বন্ধ করতে পারবেন।

 

পরিশেষে যা বলতে চাইঃ

আশা করি আজকের পোস্টটি আপনাদের জন্য উপকারী হবে। অনেকেই হয়তো উপায়টা জানেন।

আজকের পোস্ট এখানেই শেষ। আমার পরবর্তী পোস্টটি একটি অনলাইন টোল নিয়ে হবে। আশা রাখি পরবর্তী পোস্টটি আপনাদের উপকারী হবে।

The post গ্রামীনফোনে Pay as you go বন্ধ করুন My GP অ্যাপ থেকে appeared first on Trickbd.com.


Evil PDF : কম্পিউটার/সাইবার সিকিউরিটির হুমকি ও নিরাপত্তা!

Evil PDF : কম্পিউটার/সাইবার সিকিউরিটির হুমকি ও নিরাপত্তা!

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ডকুমেন্টস শেয়ারের জন্য PDF ফাইল বহুল প্রচলিত।
তবে এটি সত্য যে সব PDF কিন্তু নিরাপদ নয়! কিছু PDF ক্ষতিকর ও হতে পারে, এবং সেসব PDF কে বলে Evil PDF!
আজকে আমরা জানবো Evil PDF কী, কিভাবে এগুলো কাজ করে, যেসব পদ্ধতিতে হ্যাকার/এটাকাররা এগুলো তৈরি করে, এবং কিভাবে Evil PDF এর এটাক থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন।

Evil PDF কী?


Evil PDF হলো ক্ষতিকর PDF ফাইল যেগুলো কম্পিউটার ও সিস্টেমের ক্ষতি করতে অথবা স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করতে ব্যবহার করা হয়।
অন্যসব PDF ফাইলের মতো হলেও এই ফাইলগুলোতে কিছু লুকোনো হুমকি (Threats) থাকে।
যেমন:
ম্যালওয়্যার: এই সফটওয়্যারগুলো মূলত বিশেষভাবে তৈরি করা হয় কম্পিউটার সিস্টেমের ব্যাঘাত ঘটাতে ও ক্ষতি করতে।
এগুলো বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেমন: ভাইরাস, ওর্মস এবং ট্রোজান।

ফিশিং লিংক: এই লিংকগুলো PDF এ Embedded অবস্থায় এড করা থাকে। আর ইউজার যখন এগুলোতে ক্লিক করে করে তখন হুবহু আসল ওয়েবসাইটের মতো নকল একটা ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। ফলে ইউজার না বুঝেই পার্সোনাল ইনফরমেশন, যেমন: পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশন শেয়ার করে ফেলে।

এটাকাররা কীভাবে Evil PDF তৈরি করে?


এটাকাররা এই কাজে বিভিন্ন টেকনিক ব্যবহার করে এগুলো তৈরি করতে। নিচে কিছু কমন মেথড উল্লেখ করা হলো।

  • জাভাস্ক্রিপ্ট এমবেডিং: এটাকাররা জাভাস্ক্রিপ্ট কোড এড করে রাখে যেগুলো PDF ওপেন করামাত্রই অটোমেটিক রান হয়। ফলে ইউজারকে বিন্দুমাত্র বুঝার সুযোগ না দিয়েই কম্পিউটারে ক্ষতিকর অপারেশন পরিচালনা করে থাকে।
  • একশন ইভেন্ট: কিছু PDF এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে এগুলো নির্দিষ্ট সময়ে কিছু কমান্ড এক্সিকিউট করতে পারে। যেমন: যখন PDF ওপেন করার সময় বা কোথাও ক্লিক করার পর। তখন ভেতরে ভেতরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছু ফাইল ডাউনলোড/ম্যালওয়্যার ইন্সটল হয়।
  • গোপন ফাইল: এটাকাররা চাইলে PDF ফাইলের ভেতরে ক্ষতিকর এক্সিকিউটেবল ফাইল/স্ক্রিপ্ট লুকিয়ে রাখতে পারে। এগুলো PDF ওপেন করার সময় অটোমেটিক রান হয় এবং ইউজারের সিস্টেমের দখল নিয়ে ফেলে।
  • ক্ষতিকর লিংক: এ বিষয়ে পূর্বে বলা হয়েছে। আসলের মতোই নকল ফিশিং লিংক এড করা থাকে যা দেখলে মনে হবে অরিজিনাল লিংক। কিন্তু ক্লিক করার পর গোপন ইনফরমেশন যেমন, ব্যংক ডিটেইলস চুরি হতে পারে।
  • সফটওয়্যারের দুর্বলতাকে ব্যবহার: অনেকসময় PDF Reader -গুলোর কোডেও কিছু দুর্বলতা থাকে। এটাকাররা এগুলো খুঁজে বের করে এবং এগুলোকে কাজে লাগিয়ে ক্ষতিকর কোড এক্সিকিউট করে এবং অনৈতিকভাবে সিস্টেমের দখল নিয়ে ফেলে।
  • স্টেগানোগ্রাফি: এই মেথডে গোপন ও ক্ষতিকর কন্টেন্ট PDF এ থাকা ছবি বা লেখার ভেতরে এমনভাবে রাখে যা সাধারণভাবে দেখে বুঝার কোনো উপায় নেই। কিন্তু প্রয়োজনে ছবি/লেখার আড়ালে থাকা ক্ষতিকর কন্টেন্ট কাজ শুরু করে দেয়।

Evil PDF এর কমন কিছু ব্যবহার:


Evil PDF বেশকিছু ক্ষতিকর কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন:

  • ফিশিং এটাক: হ্যাকাররা ফেইক ইনভয়েস/রিপোর্ট সেন্ড করে PDF আকারে। ফলে ইউজাররা সরল মনে বিশ্বাস করে বিশদ বিবরণ দেখতে ওপেন করে ফেলে এবং ফাইলে থাকা লিংকে ক্লিক করে। এরপর ফিশিং সাইটের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারায়।
  • ম্যালওয়্যার ডেলিভারি: আগেই বলা হয়েছে Evil PDF -গুলোতে ক্ষতিকর ফাইল/স্ক্রিপ্ট লুকোনো থাকতে পারে। যার একটি হলো র‍্যানসমওয়্যার। এই র‍্যানসমওয়্যার এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা সিস্টেমে থাকা ফাইলগুলো লক করে দেয় এবং এই ফাইলগুলো ডিক্রিপ্ট করতে ইউজারের কাছে অর্থ (পেমেন্ট) দাবি করে।
  • সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: এটাকাররা সাধারণত অনেক চালাক হয়। ফলে তারা সাধারণ মানুষদের নিয়ে গবেষণা করে এবং Evil PDF কে এমনভাবে উপস্থাপন করে যা দেখে যে কেউ সহজেই বিশ্বাস করে ফেলবে। যেমন: গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ফর্ম হিসেবে শেয়ার করে, ফলে যে কেউ এগুলো ব্যবহার করে এবং সহজেই হ্যাকার ম্যালওয়্যার ইন্সটল করে তার কার্যসিদ্ধি করে ফেলে।

ক্ষতিকর PDF চেনার উপায়!


যদিও এধরণের PDF চেনা খুবই চ্যালেঞ্জিং বিষয়। তবে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখলে অনেকসময় নিরাপদ থাকা সম্ভব। যেমন:

  • অযাচিত এটাচমেন্ট: যে ফাইলগুলো ব্যবহারকারী চায়নি অথচ সিস্টেমে পাওয়া গেছে, বিশেষ করে সন্দেহজনক ইমেইল ও অপরিচিত কোনো সেন্ডার/উৎস থেকে আসা কোনো ফাইল থেকে সাবধান থাকতে হবে।
  • কন্টেন্ট চালুর রিকুয়েষ্ট: যদি কোনো PDF স্ক্রিপ্ট বা কন্টেন্ট চালুর জন্য কোনো প্রম্পট শো করে, অবশ্যই অনুমতি দেয়ার আগে দুইবার ভাবা উচিত।
  • ফাইলের অস্বাভাবিক সাইজ: অনেকসময় এমন হয় যে ১-২ পেইজের কোনো PDF ১০-২০ এমবির ফাইল সাইজ শো করে। তখন কিন্তু ভাবতে হবে, ফাইলে গোপন ক্ষতির আশংকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • সন্দেহজনক ফাইল এক্সটেনশন: এটি খুবই কমন একটি প্যাটার্ন। এক্ষেত্রে মূল ফাইল হয় .exe বা .scr অথবা অন্যকোনো এক্সিকিউটেবল ফাইল। কিন্তু এটাকার চালাকি করে ফাইলের ছবি/থাম্বনেইল চেঞ্জ করে PDF এর মতো দেয়। ফলে সাধারণভাবে বুঝা সম্ভব হয়না এটি ক্ষতিকর ফাইল। আবার অনেকসময় ফাইল এক্সটেনশন রিভার্স করে দেয়। ফলে PDF শো করলেও ক্লিক করার পর এক্সিকিউট হয় অন্য ফাইল হিসেবে। তখন সব শেষ। তাই সবসময় ফাইলের এক্সটেনশনের দিকেও নজর রাখতে হবে।

ক্ষতিকর Evil PDF থেকে নিজেকে রক্ষার উপায়:


কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে সহজেই Evil PDF এর হাত থেকে নিজেকে যথাসম্ভব সুরক্ষিত রাখা যায়। যেমন:

  • সফটওয়্যার সবসময় আপডেট রাখা: PDF Reader গুলো সবসময় আপডেট রাখলে পুরনো ভার্সনে কোনো দুর্বলতা/ত্রুটি থাকলে সেগুলো সমাধান করার ফলে এটাকাররা সুযোগ পায়না আর। এছাড়াও এন্টিভাইরাস সবসময় সিস্টেমকে ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষিত রাখে।
  • জাভাস্ক্রিপ্ট ডিজেবল রাখা: PDF Reader এর সেটিংস থেকে জাভাস্ক্রিপ্ট অফ করে রাখলে Evil Pdf এ থাকা ক্ষতিকর কোড ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যাতিত অটো রান হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
  • ই-মেইল ফিল্টার ব্যবহার: ই-মেইল ফিল্টার ব্যবহার এর মাধ্যমে ই-মেইলে আসা ক্ষতিকর ও সন্দেহজনক ফাইলযুক্ত মাইলগুলো ফিল্টার করে ইনবক্সে আসার আগে ডিটেক্ট ও ব্লক করে দেয়া সম্ভব হয়। অথবা স্প্যামে পাঠানো হয়। ফলে সুরক্ষার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
  • পিডিএফ ফাইল স্ক্যান করা: কোনো সন্দেহজনক PDF ফাইল ওপেন করার পূর্বে ভালো কোনো এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে নিলেও ম্যালওয়্যার ডিটেকশনের রিপোর্ট পাওয়ায় ঝুঁকির সম্ভাবনা কমে।
  • অযাচিত উৎসের ফাইলে ক্লিক না করা: এমন যদি হয় কোনো ফাইলের সোর্স অজানা/সন্দেহজনক, তবে সেটি ওপেন না করাই শ্রেয়।
  • একাউন্টে 2FA/MFA চালু করা: অনলাইনে গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইটের একাউন্ট যেমন: Social Media অথবা Bank Account -গুলোতে টু ফ্যাক্টর/মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেম চালু রাখলে অতিরিক্ত একটা নিরাপত্তা বলয় তৈরি হয়। ফলে পাসওয়ার্ড জানলেও একাউন্টে সহজে এক্সেস নিতে পারেনা কেউ।
  • রেগুলার ব্যাকাপ: নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো যদি এক্সট্রা কোনো ড্রাইভ/অনলাইনে রেগুলার ব্যাকাপ রাখার অভ্যাস থাকে, তাহলে এটাকার ফাইল ডিলিট করলে/র‍্যানসমওয়্যার এটাক দিয়ে ফাইল লক করে দিলেও খুব সহজেই ফাইলগুলো ফেরত পাওয়া যায়।

এছাড়াও, নিজেকে এবং নিজের আয়ত্বে থাকা সকলকে এই বিষয়ে সচেতন করার মাধ্যমেই সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। যেমন, আমি এখন এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের সচেতন করছি। যারা এধরণের সমস্যায় পড়েছেন তারাই বুঝবেন এর মর্ম। র‍্যানসমওয়্যারের শিকার হয়ে অনেকেই নিজের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা হারিয়েছেন। অথচ বুঝতেই পারেননি কীভাবে এটা হলো! এই আর্টিকেলের মাধ্যমে কিছুটা হলেও আইডিয়া পাবেন এবং সতর্ক থাকতে পারবেন।

The post Evil PDF : কম্পিউটার/সাইবার সিকিউরিটির হুমকি ও নিরাপত্তা! appeared first on Trickbd.com.


Monday, November 4, 2024

এবার বিঙের মনিটাইজ নাও দিয়ে ইনকাম করুন আপনার ব্লগ সাইট থেকে

এবার বিঙের মনিটাইজ নাও দিয়ে ইনকাম করুন আপনার ব্লগ সাইট থেকে

বিংয়ের মনিটাইজ নাও (Monetize Now) প্রোগ্রাম হল একটি কার্যকরী ব্যবস্থা যা ওয়েবসাইট মালিক এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, তাদের অনলাইন কনটেন্ট থেকে আয় করার সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে। মাইক্রোসফটের বিং সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে পরিচালিত এই প্রোগ্রামটি বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ও উপার্জন মডেলের মাধ্যমে কাজ করে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নতুন রাজস্ব উৎস সৃষ্টি করে।

বিঙ মনিটাইজ নাও কি?

বিং মনিটাইজ নাও একটি বিজ্ঞাপন কার্যক্রম যা আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগের মাধ্যমে আয় করতে সহায়তা করে। আপনি যখন আপনার সাইটে বিঙের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করেন, তখন আপনি প্রতিটি ক্লিক বা ভিউ এর উপর ভিত্তি করে আয় করেন। এটি একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া যা আপনার সাইটে ট্রাফিক আসার সাথে সাথে আপনার আয় বাড়িয়ে দেয়।

বিঙ মনিটাইজ নাও-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ

সহজ সেটআপ

বিং মনিটাইজ নাও ব্যবহার করতে আপনাকে প্রথমে সাইন আপ করতে হবে। সাইন আপ করার পর, আপনাকে বিজ্ঞাপন কোড আপনার সাইটে যুক্ত করতে হবে। সেটআপ প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ এবং নির্দেশাবলী অনুসরণ করলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা যায়।

বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ফরম্যাট

বিং মনিটাইজ নাও-এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ধরণের বিজ্ঞাপন ফরম্যাট ব্যবহার করতে পারেন:

  • ব্যানার অ্যাডস: স্ক্রীনের উপর বা পাশে স্থাপন করা বিজ্ঞাপন।
  • নেটিভ অ্যাডস: কনটেন্টের সাথে সংযুক্ত বিজ্ঞাপন যা ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • ভিডিও অ্যাডস: ভিডিও কনটেন্টের মধ্যে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপন।

রিপোর্টিং এবং বিশ্লেষণ

বিং মনিটাইজ নাও আপনাকে আপনার বিজ্ঞাপন কার্যক্রমের উপর বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান করে। আপনি দেখতে পারবেন কিভাবে আপনার বিজ্ঞাপন কাজ করছে, কত ক্লিক আসছে এবং আপনার আয় কত হয়েছে। এই বিশ্লেষণগুলি আপনাকে উন্নত কৌশল গ্রহণে সহায়তা করবে।

কিভাবে বিঙ মনিটাইজ নাও চালু করবেন

রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

আপনাকে প্রথমে বিঙ-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে এবং সেখানে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। সাইন আপ করার সময় আপনাকে কিছু মৌলিক তথ্য প্রদান করতে হবে, যেমন আপনার নাম, ইমেইল ঠিকানা, এবং ওয়েবসাইটের ঠিকানা।

বিজ্ঞাপন কোড যুক্ত করা

একবার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, আপনাকে একটি বিজ্ঞাপন কোড দেওয়া হবে। এই কোডটি আপনার ওয়েবসাইটের HTML-এ যুক্ত করতে হবে। এটি সাধারণত <head> বা <body> ট্যাগের মধ্যে স্থাপন করা হয়।

প্রথম বিজ্ঞাপন চালু করা

আপনার কোড যুক্ত করার পরে, কিছু সময় অপেক্ষা করুন। বিঙ আপনার সাইটের বিজ্ঞাপনগুলি কার্যকর করতে শুরু করবে। এরপর, আপনি আপনার সাইটে বিজ্ঞাপনগুলি দেখতে পাবেন এবং আয়ের জন্য প্রস্তুত হবে।

মনিটাইজ নাও প্রোগ্রামের সুবিধাসমূহ

অনলাইন আয়ের সুযোগ

বিং মনিটাইজ নাও-এর মাধ্যমে আপনি আপনার অনলাইন কনটেন্ট থেকে সরাসরি আয় করতে পারেন। এটি একটি সহজ এবং কার্যকরী উপায় যা আপনি আপনার সাইটের দর্শকদের জন্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে আয় করতে পারবেন।

ব্র্যান্ড নিরাপত্তা

বিংয়ের বিজ্ঞাপনগুলি ব্র্যান্ড নিরাপত্তার উপর গুরুত্ব দেয়। এটি নিশ্চিত করে যে আপনার সাইটে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনগুলি মানসম্পন্ন এবং নিরাপদ। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনার দর্শকদের জন্য অশ্লীল বা অসমর্থিত কনটেন্ট প্রদর্শিত হবে না।

সাপোর্ট এবং টেকনিক্যাল সহায়তা

বিং মনিটাইজ নাও ব্যবহার করার সময় যদি কোনও সমস্যা হয়, তাহলে আপনি মাইক্রোসফটের টেকনিক্যাল সাপোর্টের সাহায্য নিতে পারেন। তারা বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে আপনার সহায়তা করবে।

বিঙ মনিটাইজ নাও থেকে আয় বাড়ানোর উপায়

গুণগতমান সম্পন্ন কনটেন্ট

আপনার কনটেন্ট যত মানসম্পন্ন হবে, ততই আপনার সাইটে দর্শকরা আসবে এবং বিজ্ঞাপনগুলিতে ক্লিক করার সম্ভাবনা বাড়বে। সঠিক তথ্য, গবেষণা ও বিশ্লেষণ সহ উচ্চ মানের কনটেন্ট তৈরি করুন।

SEO অপ্টিমাইজেশন

আপনার সাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) নিশ্চিত করুন। বিঙ এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটের র‌্যাঙ্ক বাড়ানোর জন্য উপযুক্ত কিওয়ার্ড গবেষণা এবং কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজি প্রয়োগ করুন।

সোসিয়াল মিডিয়া প্রচার

আপনার কনটেন্টকে সামাজিক মিডিয়াতে প্রচার করুন। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং লিঙ্কডইন-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আপনার সাইটে ট্রাফিক বাড়াতে পারেন।

নিয়মিত আপডেট

আপনার সাইটে নিয়মিতভাবে নতুন কনটেন্ট আপলোড করুন। এটি দর্শকদের আকৃষ্ট রাখবে এবং সার্চ ইঞ্জিনে আপনার র‌্যাঙ্ক বাড়াতে সাহায্য করবে।

বিঙ মনিটাইজ নাও-এর চ্যালেঞ্জসমূহ

প্রাথমিক মানচিত্র

বিং মনিটাইজ নাও চালু করার সময় অনেক ব্যবহারকারী প্রাথমিক মানচিত্রের সাথে সমস্যায় পড়তে পারেন। বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন কিভাবে কাজ করে, সেটি বোঝার জন্য কিছু সময় লাগতে পারে।

ট্রাফিক ডিপেন্ডেন্সি

আপনার আয় বাড়ানোর জন্য ওয়েবসাইটে উচ্চ মানের ট্রাফিক থাকা অত্যন্ত জরুরি। তাই আপনার প্রচেষ্টাগুলি দর্শকদের আকৃষ্ট করতে এবং ট্রাফিক বাড়াতে কেন্দ্রিত করা উচিত।

বিজ্ঞাপন ব্লকারের প্রভাব

অনেক ব্যবহারকারী বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করেন, যা আপনার বিজ্ঞাপনের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। এই কারণে, আপনাকে সৃজনশীল হতে হবে যাতে আপনি দর্শকদের আকৃষ্ট করতে পারেন।

বিঙ মনিটাইজ নাও-এর ভবিষ্যৎ

বিং মনিটাইজ নাও-এর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বলে মনে হচ্ছে। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রবণতার কারণে, বিজ্ঞাপনের নতুন নতুন ফরম্যাট এবং কৌশল তৈরি হচ্ছে। বিঙ এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে থাকবে এবং নতুন সুযোগ সরবরাহ করতে থাকবে।

উপসংহার

বিংয়ের মনিটাইজ নাও প্রোগ্রামটি ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য একটি অমূল্য সম্পদ। এটি সহজ সেটআপ, বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ফরম্যাট, এবং বিশদ রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে আয় করার একটি কার্যকরী উপায় প্রদান করে। সঠিক কৌশল এবং প্রচেষ্টার মাধ্যমে, আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে উল্লেখযোগ্য আয় অর্জন করতে পারেন।

সুতরাং, যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে আয় বাড়ানোর জন্য একটি কার্যকরী উপায় খুঁজছেন, তবে বিঙ মনিটাইজ নাও হতে পারে আপনার জন্য সঠিক পছন্দ। এখনই সাইন আপ করুন এবং আপনার অনলাইন কনটেন্টের মাধ্যমে আয় শুরু করুন!

ধন্যবাদ আমার সাইট http://bajuslive.com

The post এবার বিঙের মনিটাইজ নাও দিয়ে ইনকাম করুন আপনার ব্লগ সাইট থেকে appeared first on Trickbd.com.


Sunday, November 3, 2024

[ HOT POST ] নিজের নামে Sms Bomber website বানিয়ে নিন মাত্র ২ মিনিটে

প্রথমবার পোস্ট করতেছি তাই কোনো ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন দয়া করে 🫡

আজকে আমি দেখাবো কিভাবে নিজের নামে একটি Powerful Sms Bomber Website বানিয়ে নিবেন খুবই সহজে

নিচে Sms Bomber টির Interface দেখতে পারছেন👇


আপনাদের SMS Bomber টি কিছু টা এমন হবে আপনি আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী নাম ও অন্য সব Details পরিবর্তন করতে পারবেন ✅

👉 প্রথমে PHP ফাইলটি ডাওনলোড করে নিবেন তার পর


PHP Source File Link 👇 Download Source File

👉 Download করা হয়ে গেলে Quick Editor App টি ডাওনলোড করে নিবেন

👉 তার পর PHP ফাইল টা যেখানে ডাওনলোড করে রেখেছেন সেখান থেকে Quick Editor App এর মাধ্যমে Open করবেন

👉 Open করার পর কিছু টা এমন ইন্টারফেস দেখতে পারবেন

👉 Scroll Down করে একদম নিচে চলে আসবেন 144 Number লাইন এ Channel লিংক ও নাম দেখতে পারবেন

👉 আপনার Channel Link ও নাম দিয়ে Save করে নিবেন

👉 Save করা হয়ে গেলে TinyHost
এ গিয়ে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিবেন এটি একটি Free Hosting Provider সাইট আপানারা চাইলে অন্য কোন সাইট ও ব্যবহার করতে পারেন

👉 একাউন্ট করা হয়ে গেলে Upload ফাইল এ Click করবেন

👉 তার পর PHP Select করবেন

👉 তারপর আপনার Edit করা PHP ফাইল টা Upload করে Publish এ Click করবেন

👉 Upload হয়ে গেলে Visit Site এ Click করবেন

✅ Booom💥 আমাদের SMS Bomber Website তৈরি হয়ে গিয়েছে ✅
Demo = Demo Sms Bomber

ভিডিও টিউটোরিয়াল 👇


কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে জানাবেন 🫡

Thanksgiving To Trickbd

The post [ HOT POST ] নিজের নামে Sms Bomber website বানিয়ে নিন মাত্র ২ মিনিটে appeared first on Trickbd.com.