Saturday, June 3, 2023

Banglalink সিমে জন্য নিয়ে নিন ফ্রি ইন্টারনেট 300kb+ [ VPN ] – সুপার স্পিড।

Banglalink সিমে জন্য নিয়ে নিন ফ্রি ইন্টারনেট 300kb+ [ VPN ] – সুপার স্পিড।



আজ আমি আপনাকে দেখাবো কিভাবে আপনি বাংলালিংক সিমে ফ্রি ইন্টারনেট চালাবেন, খুব সহজে আশা করি সবাই ইউজ করতে পারবেন।

অনেকদিন ধরে আপনাদের মাঝে কোনো ফ্রি ইন্টারনেট শেয়ার করি না, আজকে আপনাদের মাঝে বাংলালিংক ফ্রি নেট নিয়ে হাজির হলাম।

তো এখন আসি মূল আলোচনায়!

সর্ব প্রথমে আপনাকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে।

Download link: (Play Store)

নিচে কিছু স্ক্রিনশট দেয়া হলো ওইভাবে চেষ্টা করবেন।
অবশ্যই যে সিমে এমবি আছে ওই সিমে ডাটা চালু করতে হবে এবং সব সার্ভার আপডেট হলে আর লাগবেনা।

তারপরে বাংলালিংক আনলিমিটেড সার্ভার সিলেক্ট করে রাখবেন।

এরপর Conected এ ক্লিক করুন।

এখন দেখুন কানেক্ট হয়ে গেছে।

সবকিছুই চালাতে পারবেন আমি ইউটিউবের ভিডিও দেখাচ্ছি।

ফেসবুকের ভিডিও দেখাচ্ছি,
আপনি ইচ্ছে করলে অন্য কিছু ব্যবহার করতে পারেন।

আশা করি সব কিছু বুঝতে পেরেছেন আজ এই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন TrickBD সাথেই থাকবেন

সবাইকে আসসালামু আলাইকুম।

সকল প্রকার প্রিমিয়াম এপস এবং ফ্রি নেট ফ্রিতে পাইতে নিচের গ্রুপে জয়েন হন।

Telegram- PremiumAppsShareVIP

The post Banglalink সিমে জন্য নিয়ে নিন ফ্রি ইন্টারনেট 300kb+ [ VPN ] – সুপার স্পিড। appeared first on Trickbd.com.


Goodbye Gmail : অব্যবহারিত অ্যাকাউন্টগুলি মুছে ফেলা হবে। আপনার একাউন্ট এখনই একটিভ করে নিন!

Goodbye Gmail : অব্যবহারিত অ্যাকাউন্টগুলি মুছে ফেলা হবে। আপনার একাউন্ট এখনই একটিভ করে নিন!

আসসালামু আলাইকুম।

আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। সম্প্রীতি google জানিয়েছে যে, তারা তাদের সার্ভার পরিষ্কার করবেন। এজন্য আমাদের মনোযোগী হতে হবে। কারণ এর মধ্যে আমাদের অ্যাকাউন্টও চলে যেতে পারে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে আজকের পোস্ট শুরু করি।

Image credit: Alamy

 

কি ধরনের অ্যাকাউন্ট ডিলিট হয়ে যাবে?

গুগল তাদের সার্ভার খালি এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য এটি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ পরিত্যক্ত অ্যাকাউন্টগুলি প্রতারক এবং হ্যাকারদের জন্য সহজ লক্ষ্য। যে অ্যাকাউন্টগুলি গত দুই বছর থেকে একটিভ নয় সেগুলো ডিলেট করা হবে।

 

 

কি কি ডিলিট হবে?

Gmail অ্যাকাউন্ট আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্ট। কারণ এটি আমাদের মাল্টি এক্সেস দিয়ে থাকে। অর্থাৎ বলতে চাচ্ছি, একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে আমরা অনেক কিছু চালাতে পারি। YouTube, Google ডক্স, Google Drive, Google Photos সহ আরো অনেক ওয়েবসাইটে সরাসরি জিমেইল দিয়ে লগইন করা যায়। এখন আমাদের যদি জিমেইল অ্যাকাউন্টটি ডিলিট হয়ে যায় তাহলে সবকিছু থেকেই ডিলেট হয়ে যাবে। আপনি আপনার অ্যাকাউন্টটি ডেটা কোথাও পাবেন না।

 

আমার অ্যাকাউন্ট ডিলিট এর হাত থেকে কিভাবে বাঁচাবো?

আমাদের যাদের ও ব্যবহৃত gmail একাউন্ট আছে, সেগুলো একটিভ রাখার জন্য নিজের কাজগুলো করতে পারেন। আমি নিচে স্টেপ বাই স্টেপ দিয়ে দিচ্ছি। তাহলে আশা করি আপনাদের পরিত্যক্ত জিমেল অ্যাকটিভ হয়ে যাবে।

 

1. জিমেইলটি আপনার ফোনে লগইন করুন।

2. Gmail একাউন্টটি, ইউটিউব প্লে স্টোর এবং এ জাতীয় google প্রদত্ত এপস এর সঙ্গে যুক্ত করুন।

3. এবং ওই জিমেইল ব্যবহার করে প্লে স্টোর থেকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করুন।

4. ওই জিমেইলটি দিয়ে আপনার ইমেইলে লগইন করুন। এবং একটি বার্তা পাঠান।

5. আপনার গুগল ড্রাইভে লগইন করুন। এবং কিছু আপলোড করুন।

 

আশা করি উপরের কাজগুলো করলে আপনার জিমেইল সম্পূর্ণরূপে একটিভ হয়ে যাবে। যাদের পরিত্যক্ত প্রয়োজনীয় জিমেইল আছে তারা অবশ্যই করে নিবেন। তা না হলে আপনার জিমেইলটি চাঁদের দেশে চলে যাবে।

Image credit: Pinterest

তাহলে বন্ধুরা আজকে এ পর্যন্তই। দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন trickbd এর সাথেই থাকুন।

The post Goodbye Gmail : অব্যবহারিত অ্যাকাউন্টগুলি মুছে ফেলা হবে। আপনার একাউন্ট এখনই একটিভ করে নিন! appeared first on Trickbd.com.


[Config Update] Gp,Robi ও Airtel সিম এ ফ্রি নেট চালানর জন্য কনফিগ ফাইল

[Config Update] Gp,Robi ও Airtel সিম এ ফ্রি নেট চালানর জন্য কনফিগ ফাইল

আসসালামুয়ালাইকুম ! TrickBD তে সবাইকে স্বাগতম। কোনো ভুল হলে দয়া করে ক্ষমা করবেন।

বর্তমানে আমরা অনেকেই ফ্রি নেট চালাতে চাই।  কিন্তু অনেকেই হয়ত চালাতে পারি না।  অথবা কনফিগ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারনে ফ্রি নেট চালাতে পারি না। তাই আজকে কনফিগ এর আপডেট নিয়ে হাজির হলাম।

কনফিগ ডাউনলোড করুন 👇

কনফিগ

নিচের স্টেপ গুলো ফলো করুন 👇

১)


২)

৩)

৪)

দেখুন কানেক্ট হয়েছে ✅
কানেক্ট হলে কমেন্ট এ জানাবেন।

আজ এতটুকুই।

নতুন কনফিগ এর আপডেট পেতে Join করুন 👇

BD All Sim Free Internet Tricks

TrickBD এর সাথে থাকার জন্য ধন্নবাদ। 🙂

The post [Config Update] Gp,Robi ও Airtel সিম এ ফ্রি নেট চালানর জন্য কনফিগ ফাইল appeared first on Trickbd.com.


Friday, June 2, 2023

Character.AI, a16z-সমর্থিত চ্যাটবট স্টার্টআপ, প্রথম সপ্তাহে  1.7M ইনস্টল !

Character.AI, a16z-সমর্থিত চ্যাটবট স্টার্টআপ, প্রথম সপ্তাহে 1.7M ইনস্টল !

আসসালামু আলাইকুম।

আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজকের পোস্টটা একটু বড় হবে তাই চলুন শুরু করা যাক।

Image Credits: Character.AI and TC

দিন দিন তো আর্ট অফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স এর চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। এগুলো ওয়েবসাইটের যে রকম অনেক জনপ্রিয়, এখন জনপ্রিয় হতে যাচ্ছে এপ্লিকেশনগুলিও।বাজারের শীর্ষস্থানীয় OpenAI-এর ChatGPT মোবাইল অ্যাপটি প্রথম ছয় দিনে অর্ধ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়ে শীর্ষে রয়েছে। এখন, আরেকটি AI অ্যাপ তার নিজস্ব লঞ্চ সাফল্যের কথা বলছে, কারণ a16z-সমর্থিত Character.AI অ্যাপ বাজারে এক সপ্তাহেরও কম সময়ে 1.7 মিলিয়নেরও বেশি নতুন ইনস্টল করেছে বলে দাবি করছে।

AI চ্যাটবট প্ল্যাটফর্মের মোবাইল সংস্করণটি 23 মে আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য বিশ্বব্যাপী চালু হয়েছে , যেখানে এটি বিশেষ করে Google Play- তে একটি শক্তিশালী ধামাকা হয়ে গেছে। প্রথম 48 ঘন্টার মধ্যে, অ্যাপটি 700,000 এরও বেশি অ্যান্ড্রয়েড ইনস্টল করা হয়েছে, উদাহরণস্বরূপ, Netflix, Disney+ এবং প্রাইম ভিডিওর মতো শীর্ষ বিনোদন অ্যাপগুলির থেকে এটি এগিয়ে আছে। এবং লঞ্চের পরদিনও এটি অব্যাহত আছে।

Image Credits: Character.AI and TC

 

অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চ করার আগে Character.AI ওয়েব অ্যাপটি প্রতি মাসে 200 মিলিয়ন ভিজিটর আসতো।Character.AI দাবি করে, ব্যবহারকারীরা প্রতি ভিজিটে গড়ে 29 মিনিট ব্যয় করছিলেন। এবং আজ পর্যন্ত, ব্যবহারকারীরা 10 মিলিয়নেরও বেশি কাস্টম AI তৈরি করেছে।

 

এপ্লিকেশনটির ফিউচার গুলি :

এই অ্যাপ্লিকেশনটিতে আপনারা পেতে যাচ্ছেন সব ধরনের AI, এবং এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। আপনাদের কোন ধরনের প্রেমিয়াম কিনতে করতে হবে না। এখানে আপনি নিজের মতো করে কাস্টমাইজ তৈরি Ai করতে পারবেন। এখানে ক্যাটাগরি অনুযায়ী AI নির্ধারিত করা আছে। আমি নিচে কিছু দিচ্ছি, একটু লক্ষ্য করলেই বুঝে যাবেন।

 

এখানে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রায় শতাধিক AI রয়েছে। এবং এপ্লিকেশনটি সবগুলোই ব্যবহার করার অনুমতি দিয়ে থাকে ।

আজকে আর কথা বাড়াতে চাচ্ছি না। আশা করি এতে আপনাদের অনেক উপকার হবে। দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন trickbd এর সাথেই দেখুন।

The post Character.AI, a16z-সমর্থিত চ্যাটবট স্টার্টআপ, প্রথম সপ্তাহে 1.7M ইনস্টল ! appeared first on Trickbd.com.


কেন KYC একটি ভালো মাপকাঠি। KYC সম্পর্কিত সকল প্রশ্নোত্তর এক পোস্টে

কেন KYC একটি ভালো মাপকাঠি। KYC সম্পর্কিত সকল প্রশ্নোত্তর এক পোস্টে

KYC কি?

KYC (Know Your Customer/Client) হল কোনো কোম্পানীর তার গ্রাহককে ভেরিফাই করার একটা প্রসেস।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেখানে অর্থসংক্রান্ত লেনদেন হয় সেখানে KYC একটা কোম্পানীর বৈধতা, সাথে কোম্পানীর ইউজারবেসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি সাধারন মাপকাঠি।

 

KYC ভেরিফাই করতে কি কি লাগে?

KYC কয়েক প্রকার হয়ঃ

  • ID verification
  • Biometric verification
  • Address verification
  • Digital ID verification
  • Financial verification

 

ID verification

আইডি ভেরিফিকেশনে নাম, ঠিকানা, ছবি, জন্মতারিখ, রক্তের গ্রুপ, পেশা, ক্রিমিনাল রেকর্ড (কিছু ক্ষেত্রে), অতীত ও বর্তমান কর্মক্ষেত্র ইত্যাদি লাগে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই এসব তথ্য দিয়ে ভেরিফাই করে। নিচের যেকোনোটি দিয়ে এই ভেরিফিকেশন করা যায় –

  • NID
  • Passport
  • Driving license
  • Social security card (for America)

 

Biometric verification

kyc biometric

বায়োমেট্রিক মানে ত বুঝেনই। হাত পায়ের ছাপ, চোখের ছাপ, মুখের ছাপ – যতরকমের ছাপ আছে আর কি। কিছু ক্ষেত্রে রক্তের গ্রুপও চেক করতে পারে।

মানে আপনি যদি প্লাস্টিক সার্জারিও করে ফেলেন তাও যাতে আপনাকে ধরতে পারে 🎃

ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় বায়োমেট্রিক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

 

Address verification

Address verification বলতে tax receipt, electricity bill, telephone bill, bank account statement এসব বুঝায়। ৬ মাস, ৩ মাস বা ১ মাস পুরাতন বিলের কাগজ দিয়ে ভেরিফাই সম্পন্ন করতে হয়। আপনি যে একটা অঞ্চলের বৈধ বাসিন্দা সেটা এর মাধ্যমে জানা যায়।

টিন সার্টিফিকেট কি এবং কিভাবে তৈরী করবো? [Don’t Miss]

 

Digital ID verification

seon kyc firm

এক্ষেত্রে অনলাইনে কেবল দরকারী তথ্য সাবমিট করলেই হয়। যেমন পাসপোর্ট/ লাইসেন্সের ছবি তুলে, তারপর ফোনে আপনার একটা সেলফি তুলে তাদেরকে পাঠানো। এটা AI ও মেশিন লার্নিং টেক ইউজ করে আপনার একটা ডিজিটাল আইডি তৈরি করে তাদের ডাটাবেসে জমা রাখে।

এমন ভেরিফিকেশন টাইপ অনেক জনপ্রিয় কারন এতে সময়, শ্রম কম লাগে। আর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা সব কোম্পানি চাইলেও সবাইকে স্বশরীরে যাচাই করার ক্ষমতা রাখে না।

একে অনেকসময় eKYC বলা হয়।

 

Financial verification

ব্যক্তির আর্থিক অবস্থা কি, ব্যাংক লেনদেন কেমন, কতটুকু সম্পদ আছে, সম্পত্তির সাথে অর্থের সামঞ্জস্য কতটুক এসব বিবেচনা করা হয় এখানে।

বড়মাপের কোনো পর্যায়ে না থাকলে আপনার আমার এটা নিয়ে না ভাবলেও চলবে 🙂

 

কারা KYC করতে বলে?

গুরুত্বপূর্ন আর্থিক লেনদেন যা গ্রাহকের পর্যাপ্ত পরিচিতি ব্যতীত প্রক্রিয়াজাত করা অনুচিত – এমন প্রতিষ্ঠানরা। এছাড়াও –

  • ঋণ নেয়া
  • বীমা করা
  • টেলিযোগাযোগ
  • বিনিয়োগ সংস্থা
  • অনলাইনে জুয়া, কেসিনো
  • সরকারী-বেসরকারী নানা কাজকর্ম

ট্রিকবিডির ইউজাররা তো Binance, Coinbase, বিভিন্ন এয়ারড্রপের কল্যাণে ডিজিটাল আইডি ভেরিফিকেশনের সাথে ভালোই পরিচিত আছেন। এই যে, একজন যেন ১০ টা অ্যাকাউন্ট খুলে এক এয়ারড্রপ বার বার নিতে না পারে, সেইজন্য এই ব্যবস্থা।

 

কেন তারা KYC করে?

KYC একটা সিস্টেমে spam, fraud, hacking, laundering এসব রোধ করে। এখানে আমাদেরও একটা সুবিধা আছে।

যদি কেউ KYC করতে বলে তার মানে এটা ভালো ইঙ্গিত যে কোম্পানিটা তাদের বিজনেস নিয়ে সিরিয়াস। তারা কাস্টমারের সাথে ভালোভাবেই ব্যবসা করতে চায় ও যথাযথ মূল্যায়ন দিতে আগ্রহী।

 

গুরুত্ব কতটুকু?

KYC হল পরিচিতি শনাক্তের একটা নূন্যতম পন্থা।

ধান্দাবাজি, প্রতারণা, কর জালিয়াতি, ট্যাক্স ফাঁকি, অর্থপাচার ইত্যাদি রোধ করতে KYC ভূমিকা রাখে। ডিজিটাল যুগে এই কথা আরো বেশি সত্যি।

যেহেতু KYC একজনের পরিচয় প্রতিষ্ঠানে জমা রাখে, তাই সহজেই কেউ জালিয়াতি করতে পারে না। করলেও তাকে ধরা সহজ হয়।

এটা আবার আমরা গ্রাহকদের জন্যও জরুরি। যেহেতু এটা দিয়ে প্রমাণিত হয় যে এটা আপনিই, তাই অন্য কেউ চাইলে আপনার পরিচয় ব্যবহার করে ক্রাইম করতে পারে না, যা identity theft নামেও পরিচিত।

 

কিভাবে তারা আমার ডাটা প্রসেস করে?

কেউ যদি লোকজনের NID, পাসপোর্টের মত সংবেদনশীল তথ্য নিরাপত্তার সহিত পরিচালনা করতে না পারে তো ওগুলো হ্যাকিংয়ের শিকার হলে আরো হিতে বিপরীত হতে পারে।

ইতিহাস ঘাটলে দেখবেন এমন ঘটনা আছেও! একারনে আমরা মাঝেমধ্যে KYC করতে আগ্রহী হয় নাহ।

তবে অবশ্যই এরকম একটা প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন নিরাপত্তা বলয় পার করতে হয়। বাইরের বিভিন্ন সিকিউরিটি ফার্ম দিয়ে অডিট করে, বার বার টেস্টিং করে, নতুন টেকনোলজিতে ইনভেস্ট করে তারা নিরাপত্তা বজায় রাখে।

অনেক দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে KYC করতে + সেগুলো নিয়মিত আপডেট রাখতে আইনও আছে।

 

এত ঝামেলা! KYC সেটাপ করে দেয়ার জন্য কোনো ফার্ম নাই?

ভালো প্রশ্ন।

এখন কেউই আসলে নিজে এসব করার ঝামেলা নেয় না। তারা একটা সফটওয়্যার ফার্মে দায়িত্ব দিয়ে দেয়, ওরা সব ম্যানেজ করে। যেহেতু ফার্মগুলো এসবে বিশেষজ্ঞ, তাই তারা গ্রাহকের নিরাপত্তাও ভালো নিশ্চিত করে।

টপ কিছু KYC solutions –

 

তাও যদি আমি ধান্দাবাজি করি?

একটা সিস্টেম বাইপাস করা কঠিন।

KYC মানে আপনাকে অন্য একজনের আইডেন্টিটি দেখাতে হবে। অনেকে ফ্যামিলি মেম্বারদের NID দিয়ে একাধিক KYC করে, যদি জেনে বুঝে করতে পারেন তাহলে ত ভালোই।

তবে IP address, mac address, location, cookies, system identifier, আপনার ডাটা তারা সেভ রাখে। তাদের মনে সন্দেহ হলে reverify request করতে পারে।

একটা কোম্পানী KYC verify করছে মানে তারা এখানে সিরিয়াস। শুধু লোক দেখানোর জন্য করছে না। তাদের সিস্টেমে ধান্দাবাজির প্রবণতা আছে দেখেই তারা স্টেপ নিয়েছে।

আপনি যদি জানেন যে আপনি কি করছেন, বুঝেন যে কোথায় কিভাবে কি করলে একাধিক KYC করা যাবে – Good for you 👍

 

Happy KYC 🤖

The post কেন KYC একটি ভালো মাপকাঠি। KYC সম্পর্কিত সকল প্রশ্নোত্তর এক পোস্টে appeared first on Trickbd.com.


Thursday, June 1, 2023

ভুয়া অ্যাপস থেকে যেভাবে নিজের ফোন কে রক্ষা করবেন!! জেনে নিন

ভুয়া অ্যাপস থেকে যেভাবে নিজের ফোন কে রক্ষা করবেন!! জেনে নিন

আসসালামু আলাইকুম ট্রিক বিডিতে সবাইকে স্বাগতম। আমি অভি আছি আপনাদের সাথে। কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি বলেই নতুন করে চলে আসলাম আপনাদের মাঝে।

বর্তমান সময়ে আমরা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী রয়েছি বাংলাদেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এর মোবাইল ফোন গুলো ব্যবহার করতে বিভিন্ন রকম অ্যাপস ব্যবহার করতে হয় আমাদেরকে।প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে অনেকেই বিভিন্ন রকম অ্যাপস ডাউনলোড করে থাকেন।

ফটো এডিটিং থেকে টাকা পাঠানোসহ অন্যান্য বিভিন্ন রকম অ্যাপস আমরা ব্যবহার করে থাকি আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনের জন্য। বর্তমানে প্রযুক্তির যুগ প্রযুক্তির ধরাছোঁয়ার বাইরে বিভিন্ন রকম হ্যাকারেরা ফেক অ্যাপস তৈরি করে থাকে। আমরা যখন এগুলো অ্যাপস ডাউনলোড করে সব রকম ফোনের পারমিশন দিয়ে দিই তখন ফোনের এক্সেস হ্যাকারদের হাতে চলে যায়।

আপনারা কি কখনো যাচাই করে দেখেছেন আপনি যে এই অ্যাপসটি ডাউনলোড করলেন সেটি কি আসল অ্যাপস নাকি এটি ফেক ভার্সন? অনেকেই আজকাল স্প্যামিং এর শিকার হচ্ছেন বিভিন্ন রকম অ্যাপস ডাউনলোড করে। ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, চ্যাটজিপিটি, ইনস্টাগ্রামের মতো বিখ্যাত ব্র্যান্ডের ভুয়া অ্যাপ বাজারে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। সাইবার অপরাধীরাও সেই সব অ্যাপগুলির মাধ্যমে স্ক্যাম চালিয়ে যাচ্ছে।

এসব জনপ্রিয় অ্যাপস গুলোর ফেক ভার্সন তৈরি করে গ্রাহকদের বিভিন্ন রকম তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে হ্যাকার চক্র। অনেক সময় ব্যাংক একাউন্টের টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে গ্রাহকের অজান্তে। আজকে আমি বলব কিভাবে ফেক অ্যাপস গুলো বুঝতে পারবেন।

প্রথমত আমি সাজেশন করব আপনারা বেশিরভাগ অ্যাপস গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করবেন যদি আপনি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন। কারণ গুগল প্লে স্টোরে কখনো ফেক অ্যাপস রাখা হয় না। যদিও কখনো কখনো অ্যাপসের মধ্যে কোন ভুল ত্রুটি পাওয়া যায় সাথে সাথে গুগোল সেটি ব্যান করে দেয়। যদি কখনো দেখেন অ্যাপস কোনো কারণ ছাড়াই আপনার পার্সোনাল ডাটা চাচ্ছে তাহলে সেগুলোতে এক্সেস দিবেন না কারণ হতে পারে অ্যাপসটি ফেক।

যদি আপনি আইফোন ইউজার হয়ে থাকেন অথবা আপনার যদি একটি আইপ্যাড থাকে তাহলে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন না আপনাদেরকে ডাউনলোড করতে হবে অ্যাপ স্টোর থেকে। গুগল প্লে স্টোরের মতো, অ্যাপল অ্যাপ স্টোরেও আসল অ্যাপই থাকে। সেখানে কোনও রকম নকল অ্যাপ পাওয়া গেলেও সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে ব্যান করে দেওয়া হয়।

যদি আপনারা কোন অ্যাপস যদি খুজে না পান তাহলে আপনারা সেই অ্যাপসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করবেন। কখনোই থার্ড পার্টি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপলোড করা অ্যাপস ডাউনলোড করবেন না এগুলোতে ম্যালওয়ার থাকে। যা আপনার তথ্যের এক্সেস নিতে পারে।

তো আপনারা চাইলে এইভাবে নিজেদেরকে নিরাপদ রাখতে পারবেন এবং নিজেদের ফোন কে হ্যাকার দের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন। তো এই ছিল বিস্তারিত ধন্যবাদ সবাইকে আমার পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য ট্রিক বিডি এর সাথেই থাকুন।

The post ভুয়া অ্যাপস থেকে যেভাবে নিজের ফোন কে রক্ষা করবেন!! জেনে নিন appeared first on Trickbd.com.


SHAREit এর স্পিড 10x বাড়ান নিমিষেই।

SHAREit এর স্পিড 10x বাড়ান নিমিষেই।

আসসালামু আলাইকুম।

আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভাল আছেন। আর যদি ভালো না থাকেন তাহলে trickbd ভিজিট করুন। আপনার শরীর না হলেও আশা করা যায় মন অনেকটাই ভালো হবে।

আজকে যে বিষয়টা নিয়ে লিখতে বসলাম সেটা হচ্ছে শেয়ারইট এর স্পিড বৃদ্ধি করার টেকনিক। আমরা প্রতিনিয়ত ডেটা শেয়ারইট এর মাধ্যমে আদান-প্রদান করে থাকি। বর্তমান সময়ে এটি অনেক জনপ্রিয় এবং কাজের অ্যাপ। আগে এটির আদান-প্রদান স্প্রিট অনেক স্লো হলেও বর্তমানে অনেকটা ফাস্ট হয়েছে। কারণ প্রত্যেকটা জিনিসই যতদিন যায় তত আপডেট হয়। আর আমাদের কাজ হচ্ছে সেই আপগ্রেড টাকে আরো একটু আলট্রা ম্যাডামে নিয়ে যাওয়া। যাই হোক, ট্রিকবিডি এর ভিজিটররা সাবার থেকে একটু আলাদা তো হবেই।

যাই হোক অনেক বকবক হলো এবার কাজের কথায় আসি। আসলে বকবক করার করার জন্য পর্যাপ্ত সময় সব পোস্টে পাওয়া যায় না। এই track টা অনেক ছোট হলেও কাজের। এক লাইনে শেষ করা যায় ট্রিকটা, তাই এর আগে একটু বকবক করে নিলাম 😂…….

 

তাহলে চলুন মূল কাজে যাই:

শেয়ারইট ব্যবহার তো আমরা সবাই জানি। তাই নতুন করে স্ক্রিনশট যুক্ত করলাম না। কারণ এখানে বোঝানোর মত কিছুই নেই। আপনারা যখন আপনাদের ফাইল ট্রান্সফার করবেন, তখন দুটি ফোনের মধ্যে যেকোনো একটির স্কিন অফ করে দিবেন। ব্যাস এটাই… দেখুন আপনার স্পিড আগের থেকে অনেক বেড়ে গেছে।

 

তাহলে বন্ধুরা আজকে এ পর্যন্তই। দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে, আসসালামু আলাইকুম।

The post SHAREit এর স্পিড 10x বাড়ান নিমিষেই। appeared first on Trickbd.com.


Bkash থেকে ২০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করে নিয়ে নিন ১০ টাকা ক্যাশব্যাক.!

Bkash থেকে ২০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করে নিয়ে নিন ১০ টাকা ক্যাশব্যাক.!

বিকাশ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন ভিত্তিক অর্থ স্থানান্তর সেবাদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচাইতে বড় অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান। এটি ব্যাঙ্ক হিসাববিহীন ব্যক্তিদের আর্থিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে.! বিকাশ তাদের গ্রাহকদের প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন অফার দিয়ে যাচ্ছে।

এখন যে কোনো বিকাশ গ্রাহক যেকোনো নাম্বার ২০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করে পেতে পারে ৫০% ক্যাশব্যাক অর্থাৎ ১০ টাকা ক্যাশব্যাক (শর্ত প্রযোজ্য) .!

নিজ বা অন্যের যেকোনো নাম্বার সন্ধ্যা ৬:০০ থেকে রাত ১০:০০ মধ্যে ২০ টাকা পরিমাণ মোবাইল রিচার্জ করলে প্রতি মিনিটে প্রথম ৬০ জন রিচার্জকারী পাবেন ১০ টাকা ক্যাশব্যাক এবং সফলভাবে মোবাইল রিচার্জ সম্পন্ন হলে পরবর্তী কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে ক্যাশব্যাক পেয়ে যাবেন.!

অফারটি চলবে আগামী ৭ জুন ২০২৩ পর্যন্ত

বিকাশ গ্রাহক বিকাশ অ্যাপ বা *২৪৭# ডায়াল করেও অফারটি উপভোগ করতে পারবে.! অফার চলাকালীন একজন গ্রাহক একবারি ক্যাশব্যাক অফারটি উপভোগ করতে পারবে এবং অফারটি সকল বিকাশ গ্রাহকেরা জন্য প্রযোজ্য.!

অজানা কোনো কারণে অফার পেতে বিলম্ব হলে বা ক্যাশব্যাক না পেলে, বিকাশ গ্রাহকরা 16247 -এ ডায়াল করে অথবা বিকাশ সেন্টার, বিকাশ গ্রাহক সেবাকেন্দ্র, ফেসবুক ফ্যান পেইজ, ওয়েব চ্যাট (লাইভ চ্যাট সার্ভিস)-এর পাশাপাশি support@bkash.com -এই ঠিকানায় ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন.!!

 

যেকোনো প্রয়োজনে Facebook এ আমি..!!

বাংলালিংক সিমে ফ্রি 1.5GB নিয়ে নিন

 

ধন্যবাদ

The post Bkash থেকে ২০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করে নিয়ে নিন ১০ টাকা ক্যাশব্যাক.! appeared first on Trickbd.com.


টেলিটক সিম কি? কেন কিনবেন/কিভাবে কিনবেন?সুবিধা-অসুবিধা কি কি? বিস্তারিত জেনে নিন এই পোস্ট থেকে ।

টেলিটক সিম কি? কেন কিনবেন/কিভাবে কিনবেন?সুবিধা-অসুবিধা কি কি? বিস্তারিত জেনে নিন এই পোস্ট থেকে ।

টেলিটক হচ্ছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধিন মোবাইল অপারেটর। এটি দেশের “ডাক ও টেলিযোগাযোগ” মন্ত্রনালয়ের অধীনে রযেছে এবং তারাই এটাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। দেশের নিজস্ব অপারেটর হওয়ায় অনেকে বলে থাকে যে_’দেশের জনগনই এটার প্রকৃত মালিক’,,। এই দেশের মানুষকে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এই সিমটি চালু করা হয়েছে। এটি অন্যান্য সিম কার্ডগুলোর মতোই স্বাভাবিকভাবে মিনিট,এস এম এস এবং ডাটা প্যাক ইত্যাদি সুবিধা দিয়ে থাকে। টেলিটক এর উদ্দেশ্য শুধু মুনাফা অর্জনই নয় বরং দেশের সকল জনগনকে প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসাই তাদের মূল লক্ষ্য। তারা সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছে যাতে দেশের দূর্গম এলাগুলোতে তাদের সেবা পৌছে দিতে পারে। টেলিটকে সাধারন সকল সুবিধা তো থাকছেই এছাড়াও থাকছে সর্বনিম্ন কলরেট ও সাশ্রয়ী ডাটা প্যাকেজ সুবিধা।

টেলিটক কেন ব্যবহার করবেন?
টেলিটক হচ্ছে আমাদের দেশের নিজস্ব মালিকানাধিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন। টেলিটক ব্যবহার করলে আমাদের দেশের টাকা দেশেই থাকবে এবং আমাদের দেশেরই উন্নয়ন হবে। এই সিমে ভালো ভালো কিছু সাশ্রয়ী দামের প্যাকেজ পাবেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ডাটা ও মিনিটের অফার পাবেন, তাছাড়া এটাতে স্টুডেন্ট প্যাকও রয়েছে।

টেলিটক সিম কিভাবে কিনবেন?
শিক্ষার্থীরা তাদের স্টুডেন্ট আইডি(এসএসসি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন ফর্মের যাবতীয় তথ্য) টেলিটকের ওয়েবসাইটে আবেদন করে বা এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন করে টেলিটক সিম সংগ্রহ করতে পারবেন। একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর নিকটবর্তী টেলিটক কাস্টমার কেয়ারে আপনার সিমটি ওরা পাঠিয়ে দেবে। সেখান থেকে সিমটি সংগ্রহ করতে পারবেন।
আর,,,
যাদের আইডি কার্ড আছে তারা সরাসরি কাস্টমার কেয়ার থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিষ্ট্রেশন করে পছন্দের প্যাকেজের সিমটি কিনতে পারবেন।

সিম-এর মূল্যঃ ২০০-২৫০ টাকা, ভিন্ন প্যাকেজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন দাম রাখা হয়। সিম এর কোনো অফার থাকলে আরো কম দামেও পেতে পারেন।

টেলিটকের চলমান কিছু প্যাকেজঃ
ভয়েস প্যাকেজ
[ ৫ টি ক্যাটাগরির প্যাকেজ দিয়ে সাজানো হয়েছে ]
১. প্রি-পেইড _সিমঃ
★_শতবর্ষ –> (১ সেকেন্ড পালস, ৪৭ পয়সা প্রতি মিনিট, ২৫ পয়সা এস.এম.এস)
★_টেলিটক_আগামী –> (১ সেকেন্ড পালস, ৪৫ পয়সা প্রতি মিনিট)
★_অপরাজিতা –> (৪৭ পয়সা প্রতি মিনিট,৯৯ টি এফ.এন.এফ)
★_স্বাগতম –> (১ সেকেন্ড পালস, ৪৭ পয়সা প্রতি মিনিট, ২৫ পয়সা এস.এম.এস)
★_বর্ণমালা –> (১ সেকেন্ড পালস, ৪৫ পয়সা প্রতি মিনিট)
★_মায়ের হাসি –> (১ সেকেন্ড পালস, ৪৭ পয়সা প্রতি মিনিট এবং ১০ টি এফ.এন.এফ)

২. পোস্ট-পেইডঃ
★_GRAVITY –> (১ সেকেন্ড পালস, ৬০ পয়সা প্রতি মিনিট এবং ২৫ পয়সা এস.এম.এস)

 

৩. কর্পোরেটঃ
★_CORPORATE –> (১ সেকেন্ড পালস, ৪৫ পয়সা ফ্ল্যাট রেট এবং ৩০ পয়সা এস.এম.এস)

৪. রেট কাটার ।
৫. ইন্টারন্যাশনাল রোমিং ।
[ খুঁটিনাটি সবকিছু দেখানোর কারণ হচ্ছে _আপনারা যাতে সবচেয়ে সাশ্রয়ী প্যাকেজ’টা বাচাই কটে নিতে পারেন ]

ডাটা প্যাকেজঃ
রেগুলার ডাটাঃ
★_৬ জিবি ১২৭ টাকা (আনলিমিটেড মেয়াদ) কোডঃ *১১১*১২৭#
★_২৬ জিবি ৩০৯ টাকা (আনলিমিটেড মেয়াদ) কোডঃ *১১১*৩০৯#
★_১০০ এমবি ৯ টাকা (৩ দিন) কোডঃ *১১১*৫০১#
★_৫০০ এমবি ৩৯ টাকা (৩০ দিন) কোডঃ *১১১*৫০৩#
★_১ জিবি ২৭ টাকা (৭ দিন) কোডঃ *১১১*২৭#
★_ ১ জিবি ২১ টাকা (৩ দিন) কোডঃ *১১১*৫৩৪#
আরো অনেক অনেক প্যাকেজ রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী যার যেটা পছন্দ হয় সেটা নেবেন।


আগামী (ডাটা প্যাকঃ)
★_১ জিবি ২২ টাকা (৭ দিন) কোডঃ *১১১*৬০০#
★_১ জিবি ৪৫ টাকা (৩০ দিন) কোডঃ *১১১*৬০১#
★_২ জিবি ৮১ টাকা (৩০ দিন) কোডঃ *১১১*৬০২#
★_১০ জিবি ১৭৭ টাকা (৩০ দিন) কোডঃ ১১১১*৬১০#
আরো কিছু প্যাকেজ আছে যেগুলো আপনারা বাচাই করে কিনতে নিতে পারবেন।

বর্নমালা (ডাটা প্যাক)

★_১ জিবি ২৪ টাকা (৭ দিন) কোডঃ **১১১*৬১১#
★_৫ জিবি ৯৬ টাকা (১৫ দিন) কোডঃ *১১১*৬১৫#
★_১০ জিবি ১৮৬ টাকা (৩০ দিন) কোডঃ *১১১*৬১৬#
আরো অনেক…….

অপরাজিতা (ডাটা প্যাক)
★_১ জিবি ৮ টাকা (৭দিন) কোডঃ *১২১*৮#
★_২ জিবি ৩৮ টাকা (৭ দিন)
আরো কয়েকটি রয়েছে….

[আপনাদেরকে সাধারণ কিছু ধারণা দেওয়ার জন্যেই প্যাকেজগুলো লিখে দিয়েছি। এখান থেকে দেখেই বুঝতে পারবেন কতোটা সাশ্রয় করে আপনি প্যাকগুলো কিনতে পারবেন! এবং কোনো অফার ছাড়াই ]

কিছু সরকারি সেবাঃ
টেলিটকের সবচাইতে ভালো একটি দিক হচ্ছে পেমেন্ট পদ্ধতি। যেকোনো সরকারি চারকরির জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে, যাবতীয় কাগজপত্রের সাথে কিছু টাকা আবেদন ফি বাবদ জমা দিতে হয়। এই টাকা আপনি আপনার টেলিটক সিম থেকে পাঠাতে পারবেন। তাছাড়া টেলিটকে এস.এম.এস এর মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারবেন সবার আগে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফিও জমা দিতে পারবেব এখান থেকে। টোল প্রি (১০৯০) জরুরী সেবা ও বিদ্যুৎ বিল দেওয়া।

তো ভিউয়ার্স আপনারা যদি সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই পুরোটা বুঝতে পেরেছেন। আপনাদের’কে সহজে বোঝানোর জন্য পোস্ট অনেকটা বড় করে লিখেছি। তবুও যদি কোথাও বুঝতে সমস্যা হয় তবে আমাকে কমেন্ট করে জানান।

ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন , আজকে বিদায় নিচ্ছি। আগাামী’তে আবার দেখা হবে, সে পর্যন্ত ভালো থাকুন সবাই_ আল্লাহ হাফেজ..!

The post টেলিটক সিম কি? কেন কিনবেন/কিভাবে কিনবেন?সুবিধা-অসুবিধা কি কি? বিস্তারিত জেনে নিন এই পোস্ট থেকে । appeared first on Trickbd.com.


ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম

আজকাল আমরা হয়তো অনেকেই ব্লগার এর সাথে পরিচিত আমরা জানি ব্লগার দিয়ে শুধু মাত্র ব্লগ তৈরি করা যায়।

কিন্তু কিছু বিশেষ টেকনিক অনুসরন করে ব্লগারেও তৈরি করা যায় মেইল এড্রেস।
ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম
ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম
আপনারা যারা টেম্পোরারি মেইল এর সাথে পরিচিত আপনারা হয়তো দেখেছেন টেম্পোরারি মেইল দিয়ে ফেসবুক আইডি খুললে সেটি কয়েক ঘন্টারমধ্যে আইডি ডিএকটিব করে দেয়।
তাছাড়া টেম্পোরারি মেইল সারা বছর রাখা যায় না কিন্তু আজকের বিশেষ পদ্ধতি অনুসরন করে আপনি যদি ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল এড্রেস বানাতে পারেন তাহলে কেমন হয়।অবশ্যই ভালো হয় সেজন্যই তো আজকে এই পোস্ট।এই পোস্টে আমি আপনাদের দেখাতে চলেছি কীভাবে ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল এড্রেস বানাবেন।
আজকের পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে তাই শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়তে থাকুন।

ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল এড্রেস বানানোর সুবিধাঃ

ব্লগার দিয়ে ইমেইল এড্রেস বানালে অনেক সুবিধা পাবেন যা আপনি টেম্পোরারি মেইল এ পাবেন না।
টেম্পোরারি মেইল এ কোনো ইমেইল আসলে সেটি কয়েক ঘন্টার মধ্যে অটোমেটিক রিমুভ হয়ে যায় কিন্তু আপনি যদি ব্লগার দিয়ে ইমেইল বানান তবে আপনি যতক্ষন পর্যন্ত ডিলিট না করবেন ততক্ষন পর্যন্ত ডিলিট হবে না।
ব্লগারে আপনি আনলিমিটেড ইমেইল বানাতে পারবেন কিন্তু টেম্পোরারি মেইলে আপনি একটি অ্যাপে একটিই মাত্র বানাতে পারবেন।
ব্লগার দিয়ে ফেসবুক সহ অন্যান্য আইডি খুললে সেটি কখনো ডিজেবল হবে না কিন্তু আপনি যদি টেম্পোরারি মেইল এ কোনো আইডি খুলেন তবে সেটি ডিজেবল হয়ে যায়।

কীভাবে ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল এড্রেস বানাবেনঃ

ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল বানাতে চাইলে আপনাকে একটি গুগল এড্রেস লাগবে।বর্তমানে সবারই ইমেইল এড্রেস আছে। 
আপনি প্রথমে গুগল দিয়ে ব্লগারে সাইন ইন করবেন।
তারপর একটি ব্লগ তৈরি করবেন এবং ব্লগের সেটিংসে চলে আসবেন।
ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম
ব্লগ তৈরি হয়ে গেলে ব্লগের সেটিংসে ক্লিক করবেন।
এখানে দেখতে পাবেন Email নামে কতগুলো আপশন দেওয়া আছে।আপনি এখান থেকে Post using email এই অপশনটা সিলেক্ট করে দিবেন।
ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম
তারপর Email সেকশন থেকে Post using Email তে ক্লিক করবেন।
সিলেক্ট করার পর দেখতে পাবেন আপনার জিমেইল এর ইউজারনেইম দেওয়া আছে আপনি পরে যে নামে ইমেইল বানাতে চান সেটি এখানে দিবেন।
যেমন দেখুন আমি দিলাম Fakemail এবং Save as Draft করে দিলাম।তারপর Save করে দিবেন।
ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম
তারপর Save Emails ad draft post দিবেন এবং আপনার আসল ইমেইল এর পরে একটি বক্স থাকবে এখানে যে মেইল বানাবেন সেটি দিবেন তারপর Save করে দিবেন।
তাহলে এখন আমার মেইলটি হচ্ছে mdrakibmiafb.fakemail@blogger.com এমন আপনি যেমন দিবেন আপনারটাও তেমন হবে।
ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম
এবার আমার তৈরিকৃত মেইলে একটি মেইল পাঠাচ্ছি
এখন কেউ যদি আপনাকে মেইল করে এই এড্রেসে তাহলে আপনার ইমেইলগুলো ব্লগার পোস্টের ড্রাফ্টে জমা হবে।
ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম
দেখুন ব্লগার ফেইক মেইলে আমার পাঠানো ইমেইল চলে আসছে।

আপনার যেটা প্রয়োজন হবে সেটাকে পাবলিশ করে পড়তে পারবেন এবং পড়া শেষে আবারও আনপাবলিশ করে দিবেন।

এভাবে আপনি যেকয়টা ইমেইল বানাতে চান ততটা ব্লগ তৈরি করে এভাবে নিয়ম অনুসরন করবেন।

পরিশেষে বলতে চাইঃ 

আমি আপনাদেরকে শুধুই দেখালাম কীভাবে ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল বানাতে হয়।
এভাবে ইমেইল বানিয়ে কোনো অসৎকাজে ব্যবহারে কোনো আইনি জটিলতায় পড়লে আমি বা ট্রিকশিখবো দায়ি থাকবে না।
এটা শুধু মাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে পোস্ট করা হয়েছে তাই কেউ এটি অন্যায় কাজে ব্যবহার করবেন না।
তো এই ছিল আজকের পোস্ট আশা করি এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে।

The post ব্লগার দিয়ে আনলিমিটেড ইমেইল তৈরি করার নিয়ম appeared first on Trickbd.com.