আজ আপনাদের কাছে নিয়ে আসলাম imo Premium Finel Version এই ভার্সন ইউস করলে আশা করি অন্য কোন ভার্সন ইউজ করা লাগবে না। এটাতে আপনি সকল প্রকার ফিউচার আনলক পাবেন। Caller tune থেকে শুরু করে সবকিছু আনলক।
* প্রধান প্রধান ফিচার গুলি হচ্ছে। *
IMO Premium Mod APK V_2023.06.1091 (Premium Unlocked) #updated নিউ।
আগের ইমো আনইন্সটল করা লাগবেনা ইন্সটল করলে রিপ্লেস হয়ে ইন্সটল হয়ে যাবে অরজিনাল সিগনেচার ভেরিফিকেশন। ❣
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
⚙𝗙𝗲𝗮𝘁𝘂𝗿𝗲𝘀 𝗮𝗻𝗱 𝗠𝗼𝗱 :-
➥ Remove all ads
➥ Imo id Unlock
➥ Caller Tune Activated ✔✔
➥ Bypassed new login error
➥ Two Step Verification Activated
➥ Video Ringtone Sound
➥ Lang > Bangla, English, Hindi & Arabic
➥ Enabled global translator
➥ My files option fully working
➥ Settings all function working
➥ Unlocked many hidden features
➥ Removed useless invite dialog
➥ Removed unnecessary tabs
➥ Removed unnecessary files
➥ Removed all debug codes
➥ Many Hidden Features Unlock
➥ Premium Activated
➥ Reduced app 99 to 86.34 MB
➥ Support Android 7-8-9-10-11-12-13 ✅
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
আজে বাজে কমেন্ট কারির উদ্দেশ্য –
* কোন পোষ্টে আজেবাজে কমেন্ট করবেন না। *
আপনাদের যদি পোস্ট টা ভালো না লাগে তাহলে রিপোর্ট করে চলে যান।
আর যে আজেবাজে কমেন্ট করবেন। সে কমেন্টের উত্তর নিশ্চিত পেয়ে যাবেন।
আর পোস্টে আজেবাজে কমেন্ট করে পোস্ট দাতার পোষ্ট করার আগ্রহ কমিয়ে দেবেন না।
➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤
imo Premium ডাউনলোড লিঙ্কঃ(Telegram)
➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤➤
* ইমো প্রিমিয়াম কিছু স্ক্রিনশট দেখানো হলো *
আপনার প্রোফাইলে যারা ঢুকবে তাদের আইডি দেখতে পারবেন।
ইমো আইডি সেট করতে পারবেন যে আইডি সার্চ করলে আপনার আইডির সাথে সাথে আসবে।
সবকিছু আনলক।
সবকিছু আনলক।
সবকিছু আনলক।
আপনার মোবাইল থেকে রিংটোন সেট করতে পারবেন এবং ভিডিও রিংটোন সেট করতে পারবেন।
এবং ইমোর মধ্যে আনলিমিটেড কলার টিউন পাবেন সেট করার জন্য টিক চিহ্নতে ক্লিক দিবেন।
দেখুন সুন্দরভাবে সেট হয়ে গেছে।
যখন সবকিছু প্রিমিয়াম সার্ভিস পাবেন।
আসসালামুআলাইকুম
সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। Trickbd এর সাথে সবাই নিয়মিত থাকবেন,যাতে সকল প্রকার আপডেট পেতে পারেন।
এই গরমের সিজনে সাধারণত চিকেন পক্স উঠে থাকে।অনেকের আবার চিকেন পক্স এর কারনে মুখে দাগ হয়ে গেছে।কোনো ভাবেই এই দাগ অনেকে দূর করতে পারছে না।চিকেন পক্স হয়ে মুখে কালো দাগ কিভাবে আপনি সহজে বিভিন্ন মাধ্যমে দূর করবেন, আজকে আপনাদের জানাব।আশা করি সম্পন্ন আর্টিক্যালটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
মুখ মানুষের একটি অমুল্য সম্পদ।গ্রামের বৃদ্ধ লোকদের থেকে জানা যায়, যে সব লোকের ই একবার না একবার চিকেন পক্স হবেই। তবে এটা কতটা যোক্তিক এটা জানা নেই৷ তবে এই গরমের সিজনে সাধারণত চিকেন পক্স অনেকের হয়ে থাকে। অনেক আগে এই চিকেন পক্স ছিল একটি মহামারি।কারন এই চিকেন পক্স হয়ে প্রায় লোক আগে মারা যেত।আসলে চিকেন পক্স হলে খাবার,নিয়ম এগুলো মেনে চলতে হয়, আগের লোকদের তো ধারনা ছিল না এত।পুরো শরীর এই চিকেন পক্স ছড়িয়ে যায়,মাথা থেকে শুরু করে মুখ,পা,বুক,পিঠ এমনকি মুখের মধ্য ও এই চিকেন পক্স হয়ে থাকে।চিকেন পক্স হলে গরুর মাংস,শাক,বেগুন, ইলিশ মাছ ইত্যাদি এগুলো খাবার কোনো ভাবেই খাওয়া যাবে না।এতে পক্স আরো মহামারি আকার ধারন করতে পারে।এছাড়াও বাচ্চাদের এই চিকেন পক্স হলে বেশি চিন্তার কারন হয়ে দাঁড়ায়।এক নিউজে দেখা যায়, ৫০ জন শিশু চিকেন পক্স নিয়ে হাসপাতালে ভত্তি হয়,এবং ৪ জন শিশু মারা যায়,এটি ২০২৩ সালের ভিতরেই ঘটেছে।যাই হোক,চিকেন পক্স হলে চিন্তার কারন নেই,সাবধান থাকলে জয় হবেই।চিকেন পক্স হলে রোগীকে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার এর থেকে ওষুধ এনে খাওয়াতে হবে।সাধারণত ১০-১৫ দিন সময় লাগে সম্পন্ন সুস্থ হতে।এটি একটি ছোয়াচে রোগ তাই রোগীকে আলাদা ঘরে রাখতে হবে।নিয়ম মেনে চললে এই রোগ মহামারি হওয়ার কোনো ভয় নেই।আসকে চিকেন পক্স হলে রোগীর অনেক কস্ট হয়,শরীরে জ্বর হয়, কিছু খাইতে মন চায় না। চিকেন পক্স হলে রোগীকে পান্তা ও ঘোল ঠান্ডা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়াইতে হবে।এছাড়াও চিকেন পক্স হলে রোগীকে গোসল না করানোই ভাল।৭-১০ দিন পর গোসল করানো উচিৎ।
চিকেন পক্স সেরে ওঠার পর একটি কমন সমস্যা সবার মধ্য উঠে আসে, সেটি হলো মুখে কালো দাগ। অনেকে এটি নিয়ে অনেক চিন্তায় পড়ে যান। চিকেন পক্স হয়ে মুখে কালো দাগ হোক এটি ঠিক হবেই। কিন্তু অনেকে কি করে পক্স হলে মুখে টিপে টিপে পানি বের করে দেয়।এতে আরো বেশি সমস্যায় সমক্ষীন হতে হয়। এরকম করলে মুখে ক্ষত হয়ে যায় এবং সেটি চিরদিন থেকে যায়। এজন্য চিকেন পক্স হলে মুখে কালো দাগ হলে, আপনার করনীয় আগে ডাক্তার এর সাথে পরামর্শ নেয়া। ডাক্তার এর কাছে বিভিন্ন ক্রিম ও ওষুধ পাওয়া যায় এগুলো ব্যাবহার করলে তাড়াতাড়ি মুখের কালো দাগ চলে যায়। এছাড়াও আপনি ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধুতে পারেন ঘন ঘন৷ বাজার থেকে অরজিনাল মাখন নিয়ে এসে রাতে সোবার সময় মুখে লাগিয়ে শুয়ে, সকালে উঠে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে।এছাড়াও বাজারে তিলের তেল পাওয়া যায়,সেটি ব্যাবহার করলেও চিকেন পক্স এর কালো দাগ দূর হয়ে যায়।এছাড়াও ৬-৭ মাস পর চিকেন পক্স এর কালো দাগ এমনিতেই চলে যায়।তারপর ও মুখে ২-১ টা দাগ থেকেই যায়।ডাক্তার এর পরামর্শ ছাড়া কোনো ক্রিম বা কসমেটিক এর কোনো কিছু মুখে ব্যাবহার করবেন না, এতে আরো বেশি সমস্যা হতে পারে। এমনিতেই চলে যাবে মুখের কালো দাগ।
আজকে এপযন্ত, আবারো দেখা হবে নতুন কোনো আপডেট নিয়ে।
ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
আমাদের নিত্য নতুন জীবনকে সুন্দর করে উপভোগ করার জন্য এবং জীবন অতিবাহিত করার জন্য টাকার কোনো বিকল্প নেই।
টাকা দিয়ে হয়তো মানসিক শান্তি কিনতে পাওয়া সম্ভব না কিন্তু চাইলে মন কে প্রশান্তি দেওয়ার মত সক্ষমতা আছে এই টাকায়।
যদি আপনার কাছে টাকা থাকে সমাজের যেখানে যাবেন সেইখানেই আলাদা এক সম্মান পাবেন, যদি টাকা না থাকে আপনার কেউই সঠিক মূল্যায়ন করবে না আপনার।
এই দুনিয়ায় তে বর্তমানে সব কিছু আসল নকল রয়েছে,,আপনার কাছে যে টাকা আছে এর মধ্যে আসল নকল ও আছে।
তো কিভাবে বুঝবেন আপনার হাতে থাকা টাকাগুলো আসল নাকি নকল টাকা।
বিশেষ করে বাংলাদেশের রমজান ঈদ এবং কোরবানী ঈদ এর সময় মানুষ জন তাদের প্রিয় মানুষদের জন্য কেনাকাটা করা সহ অন্যান্য কাজে বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেন করেন।
এই সময় অনেক ক্ষেত্রে জাল টাকা চলে আসে গ্রাহকের কাছে যা, গ্রাহক বুঝতেই পারেন না,, যা নিয়ে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।
জাল টাকার কারবারিরা এই সময় অনেক জাল টাকা বাজারে ছড়িয়ে দেন, বিশেষ করে চকচকে নতুন নোট এর মধ্যে জাল টাকা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।
জাল টাকার নোট সম্পর্কে অনেকের স্পষ্ট ধারণা নেই তাই প্রতারিত হয়েও অনেকে টের পান না।
বিশেষ করে ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা, এবং ১০০০ টাকার নোট গুলোর মধ্যে জাল নোট পাওয়া যায়। যদি মনে হয় টাকার মধ্যে কোনো সমস্যা আছে তবে টাকার নিরাপত্তা সুতা, লোগো, ছাপ ইত্যাদি এর দিকে লক্ষ্য রাখা।
টাকার মধ্যে ২ পাশে ২ প্রকার ডিজাইন থাকে মাঝখানে লিখা, মূল্যমান ইত্যাদি থাকে।
প্রত্যেকটি নোট এর সাথে আলাদা আলাদা কিছু বর্ন বা অক্ষর থাকে যদি দেখা যায় প্রায় সব গুলোতে একই লিখা তাহলে বুঝে নিতে হবে সেটি নকল টাকা।
বাংলাদেশী টাকার সব গুলোর দিকে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে বঙ্গবন্ধুর ছাপ আছে সেটি যদি কোনো নোট এ না পাওয়া যায় সেটি নকল টাকা বলে গণ্য হবে।
টাকা এর পরিমাণ যদি বেশি হয় টাকা পরীক্ষা এর জন্য মেশিন আছে সেটিতে টাকা পরীক্ষা করতে হবে। তাহলে যদি আসল টাকা হয় টাকা বের হয়ে আসবে,,
আর যদি নকল টাকা হয় তাহলে টাকাটি আটকে যাবে এবং বিপ সাউন্ড হবে।
জাল নোট গুলোর ছাপ গুলো বেশ নিম্ন মানের হয়ে থাকে, আসল নোটে ‘বাঘের মাথা’ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মনোগ্রাম’ এর স্পষ্ট জলছাপ আছে। যা ভালো করে খেয়াল করলে আলোর বিপরীতে দেখা যায়।
প্রত্যেক মূল্যমানের নোটেই বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো সম্বলিত নিরাপত্তা সুতা থাকে। নোটের মূল্যমান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো নিরাপত্তা সুতার ৪টি স্থানে মুদ্রিত থাকে।
এ নিরাপত্তা সুতা অনেক মজবুত যা নোটের কাগজের সঙ্গে এমনভাবে সেঁটে দেওয়া থাকে যে নখের আঁচড়ে বা মুচড়িয়ে সুতা কোনোভাবেই উঠানো সম্ভব নয়। নকল নোটে এতো নিখুঁত ভাবে সুতাটি দিতে পারেনা
এছাড়াও আরো অনেক পদ্ধতি আছে নকল টাকা কে চেনার জন্য, এই ঈদ এর সময় সবার অনেক টাকা পয়সা লেনদেন হবে, সবাই সচেতনতা বজায় রেখে দেখে শুনে টাকা লেনদেন করবেন।
যার ফলে জাল নোট এর বিস্তার হবে না, এবং প্রতারিত হবেন না এই সময়।
তো এই ছিল বিস্তারিত ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য।
একটা সময় ছিল যখন আমরা Wired ইয়ারফোনে অথবা হেডফোনে অভ্যস্ত ছিলাম, কিন্তু এখন ২০২৩ সময় বদলে গিয়েছে ,গত কয়েকবছর থেকে আমরা Wireless সব ডিভাইসে অল্প অল্প করে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।
বর্তমান সময়ে আমরা ওয়্যারলেস ডিভাইসে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি যেন যেকোনো ডিভাইস ওয়্যারলেস ছাড়া আমাদের চলেই না। এমনই একটি প্রয়োজনীয় ডিভাইস আমাদের লাইফে ওয়্যারলেস ইয়ারফোন/হেডফোন । আজকে আমি একটি বাজেট এর ওয়্যারলেস নেকব্যান্ড নিয়ে রিভিউ করবো যেইটা আন্ডার ৪০০ একদম বেস্ট থেকেও বেস্ট।
যে কোনো উদ্যোক্তা যখন নিজের ব্যবসা শুরু করেন, তখন তা করার পেছনে তার অনেক স্বপ্ন থাকে। তবে ব্যবসার প্রাথমিক সময়কালে যে কোনো উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন থাকে যে কোনো না কোনোভাবে তার ব্যবসা থেকে লাভ করা যায় । তবে এটাও সত্য যে ব্যবসা থেকে লাভ করা যতটা সহজ মনে হয় ততটা সহজ নয়। ব্যবসার নিজস্ব বিশেষত্ব রয়েছে এবং অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এগুলো মোকাবেলায় উদ্যোক্তাকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।
আবার কখনো তার ব্যবসা কম-বেশি লাভ হয়। কিন্তু উদ্যোক্তার প্রত্যাশা অনুযায়ী লাভ অর্জিত হয় না, সেক্ষেত্রে উদ্যোক্তা যখন বেশি লাভের পরিকল্পনা করেন, তখন তিনি বুঝতে পারেন যে প্রথমে তাকে তার ব্যবসার আকার বাড়াতে হবে। তবেই তিনি তার প্রত্যাশা অনুযায়ী আরও লাভবান হতে পারবেন।
কারণ যাই হোক না কেন, আপনার ব্যবসা যদি ভালো হয় তাহলে আপনি নিশ্চয়ই এটাকে বড় করার কথা ভাববেন। আজকে আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে সেটাই জানার চেষ্টা করব।
এখানে লক্ষণীয় বিষয় হল যে আপনি যখনই আপনার ব্যবসা বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে চিন্তা করেন, মনে রাখবেন এমন কোনও উপায় নেই যার দ্বারা আপনি রাতারাতি আপনার ব্যবসা বৃদ্ধি করতে পারবেন। যদিও বেশি চাওয়াতে কোন ক্ষতি নেই, কিন্তু বেশি আকাঙ্ক্ষার তাড়নায় কোন ভুল পদক্ষেপ নেয়াটা খারাপ। তাই ব্যবসা বাড়ানোর আকাঙ্খায় কোনো ভুল পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। এখানে আমরা এমন কিছু টিপস দিচ্ছি, যেগুলোর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা তাদের ছোট ব্যবসা বাড়াতে অনুসরণ করে।
আপনিও আপনার ছোট ব্যবসা বাড়াতে এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করতে পারেন, তাই আসুন শুরু করা যাক।
১. আপনার পণ্য বা সেবার মান উন্নত করুন
আপনার ব্যবসা আপনার পণ্য বা সেবার উপর নির্ভর করে, যদি বিজনেস থেকে লাভ আসে তবে বুঝতে হবে মানুষ আপনার সেবা বা পণ্য গ্রুহণ করছে অতএব, এই সময়ে আপনার কোম্পানি আরও কিছু পণ্য বা সার্ভিস চালু করতে পারেন । ভিন্ন ধরনের প্রডাক্ট আপনার ব্যবসা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
২. আপনার গ্রাহকদের সম্পর্কে জানুন
আপনার গ্রাহকদের জানা মানে শুধু তাদের নাম, নম্বর, ইমেল আইডি ইত্যাদি জানা নয়। আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে তাদের পছন্দ, অপছন্দ, তারা কী পছন্দ করে এবং কী পছন্দ করে না তাও জানা দরকার। যাতে উদ্যোক্তা গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তার পণ্য বা সেবায় পরিবর্তন আনতে পারেন।
গ্রাহকরা কি চান? এ জন্য উদ্যোক্তা গ্রাহকদের কাছ থেকে মতামত, জরিপ ইত্যাদি নিতে পারেন। এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী একটি পণ্য বা সেবার মান আপডেট করতে পারে।
গ্রাহকরা সবসময় এমন একটি কোম্পানির পণ্য বা সার্ভিস কিনতে পছন্দ করেন, যা তাদের পছন্দ, প্রয়োজন। আর এর জন্য তারা অন্যদের চেয়ে বেশি টাকা দিতেও পিছপা হয় না। এজন্য গ্রাহকদের চাহিদা, চাওয়া, পছন্দ, অপছন্দ সম্পর্কে জানা যেকোনো ব্যবসায়িক ইউনিটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবং আপনি আপনার ছোট ব্যবসা বাড়াতে গ্রাহকের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
৩. আপনার ব্যবসার ওয়েবসাইট তৈরি করুন
আপনি বাংলাদেশে যেকোন স্থান থেকে আপনার ব্যবসা করলেও, শুধুমাত্র স্থানীয় লোকেরাই আপনার পণ্য বা সার্ভিস কিনবে এমন না। আপনি যদি চান, আপনি আপনার ব্যবসার একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন এবং সেই ওয়েবসাইটে আপনার পণ্য এবং সার্ভিসের বিবরণ সহ সেগুলি কেনার উপায় গুলো গ্রাহকদের দেওয়া যেতে পারে।
বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস এবং বিভিন্ন প্লাগিনের সাহায্যে কোডিং ছাড়াই খুব সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। আর আপনি চাইলে এই কাজের জন্য ওয়েব ডেভেলপারের সাহায্যও নিতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরির অনেক সুবিধা রয়েছে তবে সবচেয়ে বড় সুবিধা হল গ্রাহকরা বিশ্বের যেকোন স্থান থেকে আপনার পণ্য/সেবা দেখতে এবং কিনতে পারবেন।
এছাড়াও, আপনার ওয়েবসাইটে একটি আকর্ষণীয় ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করে, আপনি গুগল এড, ফেসবুক ইত্যাদিতে বিজ্ঞাপন চালিয়ে অনেক গ্রাহকের কাছে আপনার পণ্য এবং সেবা বিক্রি করতে পারেন।
৪. ব্যাবসার ডেটা এনালাইসিস করুন
অনেক বড় কোম্পানি তাদের ব্যবসা আরও বাড়াতে ডেটা কেনে। কিন্তু যেহেতু আপনার ব্যবসা ছোট এবং আপনি এটিকে প্রসারিত করার কথা ভাবছেন, তাহলে ডেটা কেনার জন্য অর্থ ব্যয় করা আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না। কিন্তু আপনি চাইলে গুগল অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে আসা ট্রাফিকের বিশ্লেষণ ডেটা পেতে পারেন। এবং আপনি এটি এনালাইসিস করতে পারেন, যে কোন বয়স এবং কোন এরিয়ার মানুষ আপনার পণ্যের উপর অগ্রুহী এটা জানতে পারবেন ।
এ ছাড়া আপনি যদি গুগল অ্যাডস বা ফেসবুক ইত্যাদির মাধ্যমে পেইড অ্যাড ক্যাম্পেইন চালান। তবে এই প্ল্যাটফর্মগুলি আপনার বিজ্ঞাপনকে সঠিকভাবে এনালাইসিস করার জন্য আপনাকে অনেক ধরণের ডেটা সাপ্লাই করে। ডেটা এনালাইসিস করে, আপনি আপনার পণ্য/সেবা, মার্কেটিংয়ের কৌশলে পরিবর্তন করে আপনার ছোট ব্যবসাকে বড় করার চেষ্টা করতে পারেন।
৫. সর্বদা একটি ব্যাকআপ প্ল্যান প্রস্তুত রাখুন
যে কোনো ব্যবসায় অনেক ঝুঁকি থাকে। যেহেতু উদ্যোক্তা ব্যবসাকে প্রভাবিত করে এমন সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, উদ্যোক্তার সবসময় একটি ব্যাকআপ পরিকল্পনা থাকা উচিত। যাতে তার ব্যাবসার লোকসান সামলে তুলতে পারে ।
এই ব্যাকআপ প্ল্যান উদ্যোক্তাকে তার ব্যবসাকে সংকটের সেই সময় থেকে বের করে আনতে সাহায্য করবে। উদ্যোক্তা চাইলে তার ব্যবসার অগ্রিম বীমা করিয়ে নেওয়া উচিত, যাতে স্বাভাবিক বা অন্য কোনো সংকট থাকলেও উদ্যোক্তার ব্যবসা খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
৬. ঋণ নিতে দ্বিধা করবেন না
এটা সত্য যে আপনি যখন আপনার ব্যবসা শুরু করছেন, এবং আপনি আপনার ছোট ব্যবসাকে প্রসারিত করার কথা ভাবছেন, তখন উভয় ক্ষেত্রেই আপনার অর্থের প্রয়োজন পড়ে। এমনকি বড় কোম্পানি যাদের হাজার হাজার কোটি টাকার টার্নওভার আছে তারাও তাদের ব্যবসা বড় করার জন্য ব্যাংক ইত্যাদি থেকে ঋণ নেয়।
আপনার ছোট ব্যবসার বৃদ্ধির জন্য অর্থ হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর, তাই আপনার যদি আপনার ব্যবসা বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত অর্থ না থাকে তবে আপনি ব্যাঙ্ক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকেও ঋণ নিতে পারেন। ঋণের জন্য আবেদন করার সময় চার্জ এবং সুদের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া উচিত।
৭. দক্ষ ও পরিশ্রমী কর্মী নিয়োগ করুন
যেকোন কোম্পানির অগ্রগতিতে সেই কোম্পানিতে কর্মরত কর্মচারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এবং এটাও দেখা গেছে যে অদক্ষ কর্মচারীদের কারণে অনেক ব্যবসা ব্যর্থ হয়। তাই আপনি যদি আপনার ছোট ব্যবসা বাড়াতে চান, তাহলে আপনাকে এমন উত্সাহী লোকদের খুঁজে বের করতে হবে যারা আপনি যে ক্ষেত্রে আপনার ব্যবসা শুরু করতে চান সেখানে কাজ করা উপভোগ করেন।
এতে কোনো সন্দেহ নেই, যদি আপনার কোম্পানিতে দক্ষ ও পরিশ্রমী লোক নিয়োগ করা হয়, তাহলে আপনার ব্যবসার সফলতার সম্ভাবনা অনেক বেশি হয়ে যায়। আপনার ছোট ব্যবসার বিকাশ ঘটাতে, আপনাকে কেবল দক্ষ এবং পরিশ্রমী লোক নিয়োগ করতে হবে না, তাদের অবহেলা এড়িয়ে তাদের সর্বদা অনুপ্রাণিত রাখার জন্য আপনাকে নতুন উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
৮. সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন
বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া সর্বব্যাপী, এবং বাংলাদেশে কোটি কোটি মানুষ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের সাথে সংযুক্ত। তাই আপনি যদি আপনার ছোট ব্যবসা বাড়ানোর কথা ভাবছেন, তবে আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়াকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। যখনই আপনি আপনার ওয়েবসাইটে নতুন কিছু আপডেট করবেন, সেই তথ্যটি আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিন।
উক্ত পোস্ট সম্পর্কে কারো কোন মন্তব্য থাকলে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর দিবেন। আরও সম্ভাব্য গ্রাহকরা সেই মন্তব্যগুলি ইত্যাদি পড়ে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া পেজের সাথে জড়িত হবে, এতে পেজের রিচ আরও বৃদ্ধি পাবে ।
৯. আপনার গ্রাহক সার্ভিসের মান উন্নত করুন
আপনি নিজেই মনে করেন যে আপনি একটি দোকান থেকে কিছু জিনিস নিয়েছেন, কিন্তু পরের মুহুর্তে আপনি মনে করেন যে আপনার এগুলোর প্রয়োজন নেই বরং অন্য কিছু। আপনি দোকানদারের কাছে গেলেন এবং তিনি আপনাকে অন্য জিনিস দিতে অস্বীকার করলেন। আপনি কি দ্বিতীয়বার সেই দোকানে যাওয়ার কথা ভাববেন? আচ্ছা এটা দোকানের ব্যাপার ছিল কিন্তু সত্যিটা হল আপনি যদি কাস্টমারকে খুশি রাখেন তাহলে সে প্রতিবারই সেই নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবা নিতে আপনার কাছেই আসবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দেখা গেছে এমন আচরণই ব্যাবসার ক্ষেত্রে লোকসান নিয়ে আসে ।
আপনি সেবা ভাল করলে কাস্টমার পূর্নরায় আবার আপনার কাছে আসবে শুধু যে তিনি নিজে আসেন তা নয়, তার পরিচিত-স্বজনদেরও বলবে আপনার থেকে কেনাকাটা করতে। তাই মনে রাখবেন যে আপনার পণ্য বা পরিষেবা যতই ভালো হোক না কেন, কাস্টমার সার্ভিস ভাল হওয়া জরুরি ।
আপনার গ্রাহকদের বুঝতে হবে ,যে তারা আপনার কাছে অনেক মূল্যবান, তাদের সমস্যার কথা শুনলে এবং সেগুলি সমাধান করা আপনার ব্যবসার প্রতি তাদের আস্থা বাড়াবে।
১০. পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে থাকুন
এক সময় সবাই button ফোনে কাজ করত এবং সে সময় ফোনের বাজারের রাজা ছিল নকিয়া। পরে স্মার্টফোন এলে রাজাও বদলে যায়। নোকিয়া তাদের সাথে নিজেকে মানিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে না আসার কারণে তাদের অস্তিত্ব নেই । এটা বলতে চাচ্ছি যে পরিবর্তন প্রকৃতির চিরন্তন নিয়ম, তাই আপনার কোম্পানি পণ্য বা সেবা যে তৈরি করছেন তা আগামীকাল মানুষের প্রয়োজন নাও হতে পারে ।
আপনি যদি আপনার ছোট ব্যবসা বাড়াতে চান তবে আপনাকে পরিবর্তনের সাথে সাথে আপনার ব্যবসা এবং কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে। আপনার পণ্য এবং পরিষেবাগুলিকে বাজারের চাহিদার উপর ভিত্তি করে পরিবর্তন করতে হবে, তবেই আপনার ব্যবসাটি দীর্ঘ সময়ের জন্য টেকসই হবে ।
যাইহোক, এখানে আমি ছোট ব্যবসা বৃদ্ধির কিছু দুর্দান্ত উপায় দিয়েছি। কিন্তু এত কিছুর পরেও, উপরে উল্লিখিত পদ্ধতিগুলির কোনওটিই এই গ্যারান্টি নেই যে এটি অবলম্বন করে আপনার ছোট ব্যবসা বড় হয়ে উঠবে। বরং, উদ্যোক্তাকে তার ছোট ব্যবসাকে উপরে নিয়ে যাওয়ার জন্য সময়ে সময়ে তার সিস্টেমকে উন্নত করতে হবে এবং তার আত্মবিশ্বাস বজায় রেখে তাকে আরও ভাল কিছু করার চেষ্টা করতে হবে। এটাই হচ্ছে একজন উদ্যোক্তার মূল বৈশিষ্ট্য ।
বর্তমান দুনিয়া হলো প্রযুক্তির দুনিয়া,, প্রযুক্তির কল্যাণে সব কিছু হাতের নাগালে চলে এসেছে আমাদের সবার।
আগে বন্ধু বান্ধব সবার সাথে আড্ডা দিতে হলে সামনাসামনি এসে আড্ডা দিতে হতো, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া এর কল্যাণে যেকোনো জায়গা তে বসে সবার সাথে যোগাযোগ রাখা যায়
বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপকে বেশি ব্যাবহার করছে তরুণ প্রজন্ম। বন্ধু বান্ধব সহ পরিচিত জনদের সাথে যোগাযোগ করা যাচ্ছে সহজেই।
আবার কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক কার্যক্রম গুলোও আজকাল হোয়াটসঅ্যাপ দিয়ে করা হয়।
কিন্তু দেখা যায় হোয়াটসঅ্যাপ চালু করলেই যার সাথে চ্যাট করা হয় তার নাম নাম্বার সব কিছু দেখা যায়।
যার ফলে ফোন এর ব্যাবহারকারী ছাড়াও অন্য কেউ ফোন চালু করে হোয়াটসঅ্যাপ ওপেন করলেই সব দেখতে পায়।
যা ব্যবহারকারীদের ব্যাক্তিগত গোপনীয়তা কে বাধার মুখে ফেলেছে, এই সমস্যা সমাধান এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপ “লক কনভারসেশন” সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে।
এটি চালু হলে এক বা একাধিক ব্যক্তি এর সাথে কথা বলার সময় আপনার দরকারি ব্যাক্তিদের সাথে কথা বলার ইনবক্স কে আপনি চাইলে লক করে দিতে পারেন।
শুধু মাত্র আপনার আঙ্গুল এর ছাপ দিয়েই এই লকটি খুলা সম্ভব হবে, অন্য কেউ হাজার চেষ্টা করেও পারবে না।
যার ফলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকি অনেক কম হয়ে যাবে। এবং সবকিছু নিরপদ থাকবে। তৃতীয় কোনো ব্যক্তি খুব সহজেই সেটির অ্যাকসেস আপনার অনুমতি ছাড়া নিতে পারবে না।
পরীক্ষামূলক ভাবে অ্যান্ড্রয়েড এর লেটেস্ট আপডেটেড ভার্সন দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ এই লক কনভারসেশন সুবিধা টা চালু করবে।
জানা যাচ্ছে এই বছর এর দিকে লক কনভারসেশন ফিচারটি সকল হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
তো এই ছিল বিস্তারিত ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য।
সম্প্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। অনেকে এই আবেদন করার জন্য দোকানে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা প্রদান করে আবেদন করে থাকেন। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। তাই আপনাদের কথা বিবেচনায় আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে ঘরে বসেই অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। চলুন শুরু করা যাক।
প্রথমেই দেখে নেই সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি টি।
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলার:(Download PDF) আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি:
১. প্রার্থীর এস.এস.সি/সমমান তথ্য
২. প্রার্থীর এইচ. এস. সি/সমমান তথ্য
৩. প্রার্থীর উচ্চ ডিগ্রীর তথ্য
৪. প্রার্থীর ছবি (৩০০*৩০০)
৫. প্রার্থীর স্বাক্ষর (৩০০*৬০)
৬. প্রার্থীর রঙিন ছবি।
আবেদন শুরু: ৩০-০৩-২০২৩ ইং (সকাল ১০:৩০ মিনিট) আবেদনের শেষ তারিখ: ১৪-০৪-২০২৩ ইং ( রাত ১১:৫৯ মিনিট) বয়স সীমা:১৪-০৪-২০২৩ ইং তারিখে সাধারণ প্রার্থীর সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বয়স সীমা (২১-৩০) বছর। মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স সীমা (২১-৩২) বছর। তবে ২৫-০৩-২০২০ তারিখে যাদের বয়স (২১-৩০) বছরের মধ্যে ছিল তারাও আবেদন করতে পারবেন।
অনলাইনে আবেদনের জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন: DPE Job Apply
এবার Screenshot গুলো Follow করুন।
ছবি আপলোড করার সময় ছবি অবশ্যই (300*300) পিক্সেল এর হতে হবে এবং সাইজ 100 kb হতে হবে।আর Signature আপলোডের ক্ষেত্রে (300*60) পিক্সেলের + 60 kb হতে হবে।
ছবির সাইজ এবং রেজ্যুলেশন ঠিক করতে PicResizeসাইটে ভিজিট করুন।
এবার এরকম প্রিভিউ আসলে Download করে নিন। ডাউনলোড করা pdf ফাইলে একটি User ID পাবেন। এটি সংরক্ষণ করুন।
এবার আসি পেমেন্ট এর পালায়। পেমেন্ট করার জন্য আপনার দরকার হবে একটি Teletalk প্রিপেইড সিম। টেলিটক প্রিপেইড সিম থেকে ২২০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে মেসেজের মাধ্যমে। নিচের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন। 1st SMS: DPER (space) user ID & send to 16222
এই মেসেজ দেওয়ার পর ফিরতি মেসেজে আপনাকে একটি PIN নাম্বার প্রদান করবে। এবার ২য় মেসেজ দিন নিচের মত করে:
2nd SMS: DPER (space) yes (space) PIN & send to 16222
দ্বিতীয় মেসেজ দেওয়ার পর আপনার টেলিটক প্রিপেইড সিম থেকে ২২০ টাকা চার্জ কাটবে এবং ফিরতি মেসেজে আপনাকে User ID এবং Password প্রদান করবে। এই ২ টি তথ্য দিয়ে “Download Applicants Copy” থেকে আপনার Paid আবেদন ফরম Download করুন।
বুঝতে সমস্যা হলে নিচের নির্দেশনা পড়ে নিন।
আবেদনের নির্দেশনা:(Download PDF)
আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন। তবুও কিছু না বুঝে থাকলে কমেন্টে জানাবেন।
আজকে আলোচনা করবো এমন একটি প্রয়োজনিয় সফটওয়্যার নিয়ে যেখানে আপনারা পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা সহ ,আল-কোরআান শিক্ষা,বিভিন্ন প্রকার দোয়া ও মাসায়েল এবং অনেক হাদিস সম্পর্কে জানতে পারবেন।
বর্তমান সিয়াম সাধনার মাস এবং আমদের সকলের প্রয়োজন হলো সহীহ শুদ্ধভাবে নামাজ শিক্ষা ,ইসলামের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখা এবং রাসুল (সা:) এর হাদিস মেনে চলা ।
তাই আপনাদের সুবিধার জন্য আমি আজকে এই সফটওয়্যারটি নিয়ে হাজির হয়েছি এই সফটওয়্যারের ভিতরে আপনি একের ভিতরে অনেক কিছু পেয়ে যাবেন।
প্রথমে প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করুন সহীহ নামাজ শিক্ষা অথবা নিচের লিংকে ক্লিক করুন
এই নামাজ শিক্ষা এপ্সে যে ক্যাটাগরি গুলো আছে তা হলো:
কালেমা,পবিত্রতা,আজান ও ইকামত,নামাজের বিবরণ,নামাজের ওয়াক্ত সূমহ ও রাকাত সমূহ,নামাজের নিয়্যেত , নামাজের দোয়া ও কালাম,রোজা ,ঈদ,হজ্ব ও ওমরাহ,কুরবানি ও আকিকা,যাকাত,দোয়া দুরুদ,আমল ও সায়্যিদুল ইস্তেগফার,বিভিন্ন আয়াতের আমল ও ফজিলত,চিত্র সহকারে নামাজ শিক্ষা,কাযা নামাজ,নামাজ আদায়ের নিয়ম,কতিপয় নফল নামাজের নিয়ম,সহীহ কোরআন শিক্ষা,পবিত্র কোরআন,আল কোরআন সূরা ক্রমুনাসারে,অডিও কোরআন,মৃত,কাফন – দাফন,জানাযার নিয়ম,কবরের প্রশ্ন ও শাস্তি,কবর জিয়ারতের নিয়ম,নামাজের সময়সূচি,কম্পাস ,তাসবিহ, হাদিস,আল্লাহর ৯৯ নাম সমূহ,ইসলামিক শিশুর সুন্দর নাম সহ আরো বিভিন্ন আমল রয়েছে এই সফটওয়্যারে।
আপনি আপনার জেলা বিত্তিক সময় নির্ধারন করতে পারবেন ।প্রথমে সফটওয়্যারটির 3ডটে ক্লিক করে সেটিংস অপশনে যান তারপর সার্চ আইকনে আপনার জেলার নাম লিখুন
তারপর ব্যাক বাটনে কিল্ক করুন ।দেখুন আপনার হোমপেজে আপনার জেলা অনুযায়ী নামাজের সময় এবং সেহরি -ইফতারের সময় শো করছে।
এই সফটওয়্যারের সকল ক্যাটাগরি আপনি অফলাইনে ব্যাবহার করতে পারবেন শুধুমাত্র অডিও তেলোয়াত এর সময় নেট কানেকশন চালু রেখে ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড সম্পূর্ন হয়ে গেলে পরে আপনি তেলোয়াাত গুলো অফলাইনে ব্যাবহার করতে পারবেন।
সিয়াম সাধনা এবং নামাজ শিক্ষার জন্য এই সফটওয়্যারটি অনেক প্রয়োজনিয় ।
পোষ্টের কোন অংশে ভুলক্রটি হলে সবাই ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।