Tuesday, January 3, 2023

আমাদের স্মার্ট ফোনগুলো সারারাত চার্জ করা কী সুবিধাজনক? কিন্তু এটি কতটা নিরাপদ?

আমাদের স্মার্ট ফোনগুলো সারারাত চার্জ করা কী সুবিধাজনক? কিন্তু এটি কতটা নিরাপদ?

 

বন্ধুরা আপনার সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহ রহমতে অনেক ভাল আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহতালার রহমতে অনেক ভালো আছি। তাহলে আজকের পোস্ট সুরু করা যাক :-

এই পোস্টটি কেন পড়বো?

এই পোস্টটি পড়ার কারণ জেনেই আপনি এখানে এসেছেন। আমি নিশ্চিত আপনি আপনার ফোন রাতে চার্জে দিয়ে ঘুমান অথবা ঘুমানোর চিন্তা ভাবনা করছেন।অথবা আপনি লং টাইম চার্জ দেন। কিন্তু  মনে মনে ভাবেন ফোনের ব্যাটারি কি নষ্ট হবে নাকি ভালো থাকবে? ফোনের উপর কি কোন ক্ষতি হবে? এসব চিন্তা থেকে দূর করার জন্য আজকের পোস্টটা নিয়ে এসেছি। তাহলে বন্ধুরা ধৈর্য ধরে আজকের পোস্টটা পড়ুন।


বর্তমান যুগের প্রতিটি ডিভাইস আই আমাদের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে অনেক দূরে চলে গেছে। আগের ফোনগুলোর চেয়ে বর্তমান ফোনগুলোর ব্যাটারি লাইফ, সিপিইউ, র‍্যাম, রোম, প্রফেসর, ইত্যাদির ক্ষমতা অনেক বেশি। যাই হোক, আমরা ভাবি যে আমাদের ফোনগুলো সারারাত চার্জে বা অনেক দীর্ঘ সময় ধরে থাকলে ব্যাটারির উপর সমস্যা হবে। কিন্তু আপনার ভাবনা চিন্তা কতটুকু সঠিক? সারারাত চার্জে রাখার জন্য আপনার ফোন কতটুকু ক্ষতি হচ্ছে?
হ্যাঁ বন্ধুরা আচ্ছা হলে চলুন এবার মেইন পোস্টে এগোনো যাক:-

 

সারারাত চার্জে রাখলে ডিভাইসের কি হয়?

আমরা বেসিক দিয়ে শুরু করি, আপনি যদি এটা আগে থেকেই জেনে থাকেন তাহলে নিচের স্টেপে যেতে পারেন, আপনি যখন আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তখন লিথিয়াম-আয়ন আপনার ব্যাটারির চার্জ কেটে নেয়। অর্থাৎ চার্জযুক্ত আয়নগুলি অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে চলে যায়।ব্যাটারি শেষ হওয়ার অর্থ হল আপনি সমস্ত আয়ন স্থানান্তর করেছেন (বা ব্যয় করেছেন)৷ আবার আপনি যখন চার্জে দিবেন তখন সেই আয়নগুলো আবার উল্টোদিকে যেতে থাকে বা যেতে বাধ্য হয়। যাই হোক আমি আর এগোচ্ছি না, কারণ আমি এখানে সাইন্সের ক্লাস নিতে আসি নি , চলুন পরের স্টেপে যাই।

বর্তমান সময়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি —– স্মার্ট ফোন গুলোতে অবশ্যই, মনে বাধ্যতামূলকভাবে power management integrated circuits (PMICs) থাকে। যেটা চার্জিং পোর্ট এবং ব্যাটারির মধ্যে উপস্থিত। এই ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক ডিভাইস গুলি ব্যাটারিতে কারেন্টের হার এবং প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। একবার ব্যাটারি 100% চার্জে পৌঁছে গেলে, ফোনের সার্কিটরি বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রাচীর অ্যাডাপ্টার থেকে পাওয়ার ড্র করা বন্ধ করে দেয়।

অর্থাৎ আপনার ফোনের 100% চার্জ হয়ে গেলে আর চার্জ হবে না। বরং আপনার ব্যাটারি থেকে চার্জ যেতে থাকবে , যতক্ষণ না সেটি 99% (বা এর কাছাকাছি) পৌঁছে। চার্জ কবে আসার পরে আবার 100% এ যায়। তারপর আবার কমে যায়। এভাবেই পুনরাবৃত্তি হতে থাকে।

সহজ কথায়, আপনি আপনার ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ ক্ষতির বিষয়ে চিন্তা না করেই সারারাত নিরাপদে চার্জ করতে পারেন।

থামেন থামেন, এতটুকু জেনেই দৌড় দিলে হবে না। আরো আপনাকে অবশ্যই জানা লাগবে।

প্রতিবার আপনার স্মার্টফোনকে পূর্ণ চার্জ করা ব্যাটারির ক্ষেত্রে কতটা সহনীয়?

যেহেতু আমি এর আগেই এক্সপ্লেইন করলাম, যে ব্যাটারি চার্জ পুনরাবৃত্তি হতে থাকে। কিন্তু এটা কতটা নিরাপদ?
দীর্ঘক্ষণ চার্জে দিয়ে রাখার মধ্যে একটা ত্রুটি বা সমস্যা রয়েছে। যা আমাদের সচেতন হওয়া উচিত।

আমরা যদি আমাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারি অনেক দিন অর্থাৎ ভালো পারফরমেন্স পেতে চাইলে সেটা অবশ্যই সব সময়ের জন্য 20% থেকে 80% এর মধ্যে রাখতে হবে। যদি এটি আপনি কঠোরভাবে মেনে চলেন, তাহলে আপনি আপনার ফোন যতদিন ইউজ করতে পারতেন, তার থেকেও অর্ধেক বেশি ইউজ করতে পারবেন।
যদি আপনার ফোন সম্পূর্ণ চার্জ করার অভ্যাস থেকে যায়, তাহলে আপনি চার্জে দিয়ে ঘুম যেতে পারবেন। কারণ একবার যখন 100% চার্জ হয়ে যায়, তখন পুনরাবৃত্তি হলেও আর সমস্যা হয় না।

 

আপনার ডিভাইসের ব্যাটারির ক্ষতি না করে কীভাবে চার্জ করবেন? (চার্জ করার জন্য ছোটখাটো টিপস)

ব্যাটারির আয়ু কমানোর জন্য প্রধান কারণ হচ্ছে তাপ। তাই চার্জে দেওয়ার আগে চেক করুন যে আপনার ফোনটি শীতল এবং বায়ু চলাচলে এলাকায় আছে কিনা।

উদাহরণস্বরূপ,
চার্জ যেতে হওয়ার পর আপনি যদি বালিশের মাঝে অথবা নিচে রাখেন, তাহলে আপনার ফোনটি সহজেই গরম হবে এবং চার্জের ক্ষমতা কমে আসবে। এক্ষেত্রে আপনার ব্যাটারির অনেক সমস্যা হবে। তাই এই বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন।

 

অনেক সময় ধরে ফোনে চার্জে রাখলে গরম যায়? কিভাবে এর থেকে রেহাই পাওয়া যায়?

 

ফোন চার্জে দিলে গরম হয়ে যায়। এর মূল কারণ হচ্ছে দ্রুত বা ফাস্ট চার্জিং। আপনি যদি আপনার ফোন চার্জে দিয়ে ঘুমাতে চান তাহলে ফাস্ট চার্জার পরিহার করুন। এবং আপনি পাঁচ বা দশ ওয়াটের চার্জার ব্যবহার করুন। রাতে সার্চ দিয়ে ঘুমিয়ে সকালে 100% পাওয়ার জন্য এটা যথেষ্ট।

 

এতক্ষণ ধরে পোস্টটা পড়ার পর কি ভাবছেন? চার্জে দিয়ে রাখবেন কি রাখবেন না এখনো কনফিউশনে আছেন, আরে শেষের কথাগুলো আমি শুধুমাত্র আপনাদেরকে টিপস দিয়েছি…. এগুলো মানবেন আর মানবেন কিনা আপনাদের দায়িত্ব।

কিন্তু মূল কথা অথবা শেষ কথা হচ্ছে, আপনি কোন ধরনের চিন্তা ছাড়াই আপনার স্মার্টফোনকে চার্জ এ দিয়ে দিয়ে ঘুম যেতে পারেন।

সোর্স : Android authority

তাহলে বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই, দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ট্রিক B:D এর সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ

 

The post আমাদের স্মার্ট ফোনগুলো সারারাত চার্জ করা কী সুবিধাজনক? কিন্তু এটি কতটা নিরাপদ? appeared first on Trickbd.com.


এইচএসসি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভর্তি হওয়ার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। (ভর্তি ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র)

এইচএসসি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভর্তি হওয়ার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। (ভর্তি ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র)

এসএসসি ২০২২ পরীক্ষা উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদের জানাই অভিনন্দন। এসএসসি পরীক্ষায় তো উত্তীর্ণ হলাম এখন এরপর যদি আমাদের পড়ার ইচ্ছে থাকে তাহলে সাধারণত আমাদের সকলকেই পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে এইচএসসি তে ভর্তি হতে হয়। পূর্বে এইচএসসিতে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীকে সরাসরি পছন্দের কলেজে গিয়ে ভর্তি হতে হতো। কিন্তু বিগত কিছু বছর যাবৎ এই পদ্ধতির পরিবর্তন হয়ে এখন অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন ভর্তির পদ্ধতি চালু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৮ই ডিসেম্বর ২০২২ইং থেকে অনলাইন আবেদনের কার্যক্রম শুরু হয়ে ১৫ই ডিসেম্বর ২০২২ইং তারিখ পর্যন্ত চলে এবং পরবর্তীতে সেই আবেদনের পরীপ্রেক্ষিতে গত ৩১শে ডিসেম্বর ২০২২ইং তারিখে এর ফলাফল বের হয়। তো এই ফলাফলের মধ্যে যারা তাদের পছন্দের কলেজের জন্য নির্বাচিত হয়েছে তাদের এখন উক্ত কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আর তার বিস্তারিত গাইডলাইন নিয়েই মূলত আমার আজকের এই টপিক।

নির্বাচিত কলেজ নিশ্চায়ন করাঃ

প্রথমত এইচএসসি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য কলেজ পছন্দ করে অনলাইনে যে আবেদন করেছেন, তার ফলাফল দেখে নেওয়া। ফলাফল কিভাবে দেখবেন এই নিয়ে ইতিমধ্যে পোস্ট করা আছে দেখে নিবেন। ফলাফল যদি আপনার সন্তোষজনক হয় অর্থাৎ আপনি যে কলেজে ভর্তি হতে চান ইচ্ছুক সেটি পেয়ে থাকেন, তাহলে এখন আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, আপনি উক্ত কলেজে ভর্তি হতে ইচ্ছুক এর প্রাথমিক নিশ্চায়ন করা। আর যা করতে হবে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট ফি জমাদানের মাধ্যমে। আর এই নিশ্চায়ন ফি হচ্ছে ৩২৮/- (তিনশত আটাশ) টাকা। এটি পেমেন্ট করতে পারবেন বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায় সহ বিভিন্ন উপায়ে। মনে রাখবেন ৩২৮/- টাকা পেমেন্ট করতে গেলে চার্জ বাবদ আরও ৫/- টাকা বেশি কাটবে। উল্লেখ্য এই নিশ্চায়ন ফি আপনাকে অবশ্যই ০১লা জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখ থেকে ০৮ই জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখের মধ্যে প্রদান করতে হবে। অন্যথায় আপনার আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে আবার নতুন করে আবেদন করা লাগবে। এখন কথা হচ্ছে কোনটির মাধ্যমে কিভাবে পেমেন্ট করবেন তা জানতে নিচের পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারেন অথবা স্ক্রিনশটগুলি দেখে নিতে পারেন।

বিকাশ – http://xiclassadmission.gov.bd/payment_2022/BKash.pdf

নগদ – http://xiclassadmission.gov.bd/payment_2022/nagad.pdf

রকেট – http://xiclassadmission.gov.bd/payment_2022/rocket.pdf

উপায় – http://xiclassadmission.gov.bd/payment_2022/upay.pdf

ট্যাপ – http://xiclassadmission.gov.bd/payment_2022/tap.pdf

ওকে ওয়ালেট – http://xiclassadmission.gov.bd/payment_2022/ok-walet.pdf

সোনালী ওয়েব পেমেন্ট – http://xiclassadmission.gov.bd/payment_2022/Sonali_web.pdf

সোনালী ইসেবা পেমেন্ট – http://xiclassadmission.gov.bd/payment_2022/sonali_esheba.pdf

এইখান থেকে আপনার পছন্দ মতো বা সুবিধামতো যেকোনো একটি পেমেন্ট সার্ভিস ব্যবহার করে আপনি এইচএসসি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে আপনার জন্য নির্বাচিত কলেজের নিশ্চায়ন ফি জমা দিয়ে দিবেন। এখানে প্রত্যেকটি পিডিএফ ফাইলের মধ্যে কিভাবে পেমেন্ট করবেন তার বিস্তারিত তথ্য দেওয়া রয়েছে।

কলেজে ভর্তির কার্যক্রমঃ

নির্বাচিত কলেজের নিশ্চায়ন ফি জমা দেওয়ার পর আপনাকে আগামী ২২শে জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ২২শে জানুয়ারি থেকে ২৬শে জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কলেজে ভর্তি হওয়ার সময়সীমা। তাই আপনাকে এই সময়সীমার মধ্যে যেকোনে একদিন গিয়ে নির্বাচিত কলেজে সরাসরি গিয়ে ভর্তি হতে হবে। সরাসরি ভর্তি হওয়ার সময় আপনার বেশকিছু কাগজপত্রাদির প্রয়োজন পড়বে। এছাড়াও একটি নির্দিষ্ট ফিও আপনাকে প্রদান করতে হবে। তো চলুন কাগজপত্র এবং কত টাকা পেমেন্ট করতে তা সম্পর্কে নিচ থেকে জানা যাক।

ভর্তি ফরমের নমুনা

ভর্তি ফরমের নমুনা

ভর্তির ফরম পূরণঃ

আপনাকে সর্বপ্রথম একটি ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে। আপনি যে কলেজে ভর্তি হবেন সে কলেজে সরাসরি গিয়ে অফিস কক্ষ থেকে উক্ত কলেজের একটি ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে নিবেন। অথবা কিছু কিছু কলেজের ক্ষেত্রে তাদের ওয়েবসাইট থেকেও সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। তারপর সেটির চাহিত তথ্য অনুযায়ী তথ্যগুলো পূরণ করবেন। ফরমটি পূরণ করার পর এটির সাথে বেশকিছু কাগজপত্র এবং ফি লাগবে তা নিচে তুলে ধরা হলো।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদীঃ

  • এসএসসি পাশের মূল মার্কশীট বা একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট সাথে ০৩ কপি ফটোকপি। (স্কুল থেকে সংগ্রহ করতে হবে। অনলাইন কপি না।)
  • এসএসসি পাশের মূল প্রশংসাপত্র বা টেস্টিমোনিয়াল সাথে ০৩ কপি ফটোকপি। (স্কুল থেকে সংগ্রহ করতে হবে।)
  • এসএসসি পাশের মূল প্রবেশপত্র বা অ্যাডমিট কার্ড সাথে ০৩ কপি ফটোকপি।
  • এসএসসি পাশের মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড সাথে ০৩ কপি ফটোকপি।
  • শিক্ষার্থীর অর্থাৎ আপনার  নিজের পাসপোর্ট সাইজের ৪-৮ কপি এবং স্ট্যাম্প সাইজের ২-৪ কপি রঙ্গিন ছবি। (আপনার ছবির পিছনে আপনার স্বাক্ষর দিয়ে নিবেন। তবে তা করার আগে কলেজ কর্তৃপক্ষের থেকে জেনে নিবেন।)
  • পিতা অথবা মাতার পাসপোর্ট সাইজের ২-৪ কপি এবং স্ট্যাম্প সাইজের ২-৪ কপি রঙ্গিন ছবি। (পিতা-মাতা মৃত হলে তাদের অবর্তমানে যারা আপনার অভিভাবক রয়েছেন তার ছবি নিবেন। ছবির পিছনে যার ছবি তার স্বাক্ষর নিয়ে নিবেন। তবে তার আগে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জেনে নিবেন।)
  • সিকিউরিটি কোড। (অনলাইনে আবেদন করার সময় আপনার মোবাইলে একটি সিকিউরিটি কোড প্রদান করা হয়েছে।)
  • আপনার জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি। (সত্যায়িত হলে ভালো হয়। তবে সেটা কলেজের উপর নির্ভর করে।)
  • পিতা অথবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ০২ কপি ফটোকপি। (যার ছবি প্রদান করবেন।)
  • মোবাইল নাম্বার। (সচল একটি মোবাইল নম্বর আপনাকে দিতে হবে। তবে চেষ্টা করবেন আবেদনের সময় যে মোবাইল নম্বরটি ব্যবহার করেছেন সেটি ব্যবহার করতে।)
  • অনলাইন ভর্তির কপি। (অনলাইনে আবেদন করার পর যে কপি হয়। তবে এটি কলেজের উপর নির্ভর করে। কিছু কিছু কলেজ এটি চাইবে আবার কিছু কিছু কলেজ এটি চাইবে না।)
  • কোটার সনদপত্র। (যারা অনলাইনে আবেদনের সময় কোটার বিষয় উল্লেখ করেছেন। যেমন মুক্তিযোদ্ধা, পোষ্য কোটা ইত্যাদি।)
  • পাঠ বিরতি বা শিক্ষা বিরতি সনদপত্র। (যারা দুইবারে বা তিনবারে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছেন। আর এটি পাবেন আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।)

কলেজে ভর্তির ফিঃ

বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন, সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, শহর ও মফস্বলে অবস্থিত কলেজ এর উপর ভিত্তি করে ভর্তির ফি এর পরিমাণে ভিন্নতা রয়েছে। অর্থাৎ আপনি যদি বাংলা ভার্সনে পড়েন তাহলে তার ফি এর পরিমাণ একরকম। আবার আপনি যদি ইংরেজি ভার্সনে পড়েন তাহলে তার ফি এর পরিমাণ আরেকরকম। এইরকম সরকারি কলেজ হলে একরম ফি, আবার বেসরকারি কলেজ হলে আরেক রকম ফি। এছাড়াও শহরে অবস্থিত কলেজ হলে একরকম ফি, আবার মফস্বল বা গ্রামে অবস্থিত কলেজ হলে আরেক রকম ফি। নিচে উক্ত বিষয়ের বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করা হলো।

সরকারি কলেজ এর ভর্তি ফিঃ

যদি আপনার পছন্দকৃত এবং আপনার জন্য নির্বাচিত কলেজটি সরকারি কলেজ হয়ে থাকে তো সেক্ষেত্রে আপনার জন্য এটি একটি বিশেষ সুখবর। কারণ সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার ফি এর পরিমাণ একদমই কম। এছাড়াও পরবর্তীতে অন্যান্য চাঁদার ক্ষেত্রে আপনি কম টাকার মধ্যে সেরে যেতে পারবেন। আগেও বলেছিলাম এখনও বলি এলাকা ভিত্তিক কলেজ অনুযায়ী কলেজের ভর্তি ফি আলাদা আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচে এর তালিকা দেওয়া হলো।

  • ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকায় অবস্থিত সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০০+ (পাঁচ হাজার) টাকার উপরে।
  • ঢাকা ব্যাতিত অন্যান মেট্টোপলিটন এলাকায় অবস্থিত সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০০+ (তিন হাজার) টাকার উপরে। (যেমন: চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা।)
  • বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০০+ (দুই হাজার) টাকার উপরে।
  • বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০০+ (এক হাজার পাঁচশত) টাকার উপরে।

উল্লেখ্য এখানে ফি এর পরিমাণ যা তুলে ধরা হয়েছে তা হলো নির্ধিষ্ট পরিমাণ ফি। আর ( + ) বা উপরে বলতে বুঝানো হয়েছে একটি কলেজে বিভিন্ন ধরনের চাঁদা থাকে, ঐ চাঁদা সহ সর্বমোট টাকাকে বুঝানো হয়েছে। এছাড়াও এখানে বলে রাখা ভালো যে, যদি কোনো কলেজে বাংলা এবং ইংরেজি ভার্সন থাকে তাহলে সবগুলোর ক্ষেত্রে একই পরিমাণ ফি হবে।

বেসরকারি কলেজ এর ভর্তি ফিঃ

আপনারা যারা আবেদনের সময় বেসরকারি কলেজগুলো পছন্দের তালিকায় রেখেছেন এবং সেগুলো থেকে কোনো একটি কলেজের জন্য আপনি নির্বাচিত হয়েছেন। তাহলে আপনার জন্য বলা যায় এটি একটি তেমন ভালো খবর নয়, যদি আপনার অর্থনৈতিক সমস্যা থেকে থাকে। আর যদি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আপনার কোনো সমস্যা না থাকে তাহলে এই বিষয় নিয়ে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। সরকারি কলেজের ন্যায় বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রেও এলাকা ভিত্তিক কলেজ অনুযায়ী কলেজের ভর্তি ফি আলাদা আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচে এর তালিকা দেওয়া হলো।

  • ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলা ভার্সনের জন্য ৭৫০০+ (সাত হাজার পাঁচশত) টাকার উপরে এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য ৮৫০০+ (আট হাজার পাঁচশত) টাকার উপরে।
  • ঢাকা ব্যাতিত অন্যান মেট্টোপলিটন এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলা ভার্সনের জন্য ৫০০০+ (পাঁচ হাজার) টাকার উপরে এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য ৬০০০+ (ছয় হাজার) টাকার উপরে। (যেমন: চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা।)
  • বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলা ভার্সনের জন্য ৩০০০+ (তিন হাজার) টাকার উপরে এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য ৪০০০+ (চার হাজার) টাকার উপরে।
  • বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলা ভার্সনের জন্য ২৫০০+ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকার উপরে এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য ৩০০০+ (তিন হাজার) টাকার উপরে।

উল্লেখ্য এখানে ফি এর পরিমাণ যা তুলে ধরা হয়েছে তা হলো নির্ধিষ্ট পরিমাণ ফি। আর ( + ) বা উপরে বলতে বুঝানো হয়েছে একটি কলেজে বিভিন্ন ধরনের চাঁদা থাকে, ঐ চাঁদা সহ সর্বমোট টাকাকে বুঝানো হয়েছে। এছাড়াও এখানে বলে রাখা ভালো যে, যদি কোনো কলেজে বাংলা এবং ইংরেজি ভার্সন থাকে এবং আপনি যদি বাংলা ভার্সনে ভর্তি হতে চান তাহলে তার ফি একরকম হবে, আর আপনি যদি ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি হতে চান তাহলে তার ফি আরেকরকম হবে অর্থাৎ পরিমাণ বেশি হবে।

সর্বশেষ কার্যক্রমঃ

কলেজের ভর্তি ফরম সঠিকভাবে পূরণ করার পর এর সাথে অর্থাৎ ফরমের সাথে উপরোল্লিখ বিভিন্ন কাগজপত্রাদি সংগ্রহ করে সুন্দরভাবে সেটআপ বা বাঁধাই করে নিবেন। তারপর কলেজের ফি এর পরিমাণ জেনে ফি সহ ফরম ও অন্যান্য কাগজপত্রাদি কলেজের ভর্তির কক্ষে জমা দিয়ে দিবেন।

কিছু কথাঃ

উক্ত পোস্টে আমি যে নিয়মাবলী তুলে ধরেছি, মোটামুটি সব কলেজের ক্ষেত্রেই এগুলো ফলো করা হবে। হয়তো কিছু কিছু কলেজের ক্ষেত্রে ভিন্নতা লক্ষ করা যেতে পারে। তবে এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। আপনি যে কলেজে ভর্তি হতে চান সে কলেজে ভর্তির হওয়ার আগে সরাসরি ভিজিট করে কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বা নোটিশ বোর্ড ঝুলানো থাকবে সেটি থেকে ভর্তির নিয়মাবলী জেনে নিতে পারেন অথবা উক্ত কলেজের যদি ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে সেখান থেকে তাদের নির্ধেশিকা দেখে নিতে পারেন। তো এইভাবে আপনি পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে কলেজে ভর্তি হতে যাবেন এবং সুন্দরভাবে, সুষ্ঠুভাবে ভর্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন বলে আশা রাখি।

আপনাদের সুবিধার্থে আমি আমার টিপস এন্ড ট্রিকসগুলি ভিডিও আকারে শেয়ার করার জন্য একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করেছি। আশা করি চ্যানেলটি Subscribe করবেন।

সৌজন্যে : বাংলাদেশের জনপ্রিয় এবং বর্তমান সময়ের বাংলা ভাষায় সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ক টিউটোরিয়াল সাইট – www.TutorialBD71.blogspot.com নিত্যনতুন বিভিন্ন বিষয়ে টিউটোরিয়াল পেতে সাইটটিতে সবসময় ভিজিট করুন।

The post এইচএসসি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভর্তি হওয়ার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। (ভর্তি ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র) appeared first on Trickbd.com.


যেভাবে গুগল এর পাশাপাশি আরও সহজ ৩টি উপায়ে ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বাড়াবেন।

যেভাবে গুগল এর পাশাপাশি আরও সহজ ৩টি উপায়ে ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বাড়াবেন।

আসসালামু আলাইকুম স্বাগতম ট্রিকবিডির নতুন আরো একটি পোস্টে আজকে আমি আপনাদের করব কিভাবে গুগল থেকে অর্গানিক ট্রাফিক আনা যায় এবং কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ডিজিটর বৃদ্ধি করতে পারবেন। এবং আমরা কিভাবে গুগল থেকে তাদের আলাদা সোর্স এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ডিজিটর বাড়াবো এই বিষয়গুলি আপনাদের সাথে আজকে শেয়ার করব।

আমার মতামত গুলি আপনাদের সাথে শেয়ার করব এখানে ভুল ত্রুটি হতে পারে অবশ্যই সেটি খেয়াল রেখে আর্টিকেল করবেন এবং আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি এই পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করে খুব সহজে আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বা ডিজিটর বৃদ্ধি করতে পারবেন।

সাধারণত যারা ওয়েবসাইটে কাজ করে থাকি তারা শুধুমাত্র google.com এখান থেকে আমাদের ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আনি কিন্তু আপনি কি জানেন আরো বিভিন্ন ধরনের মাধ্যম হতে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনতে পারবেন ? তাও অর্গানিক হিসেবে। যদি আপনি গুগল এডসেন্স নিয়ে কাজ করেন তাহলে অবশ্যই আপনার জন্য গুগল থেকে ট্রাফিক জরুরী কেননা সাধারণ একটি ওয়েবসাইটে যদি আপনি বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর বা ট্রাফিক আনেন এক্ষেত্রে এডসেন্স লিমিটেশন বা ইনভালেড ক্লিক কারণ দেখিয়ে এডসেন্স ডিজেবল হয়ে যেতে পারে।

এই কারণে আপনার কাছে ভালো হবে যদি আপনি গুগল থেকে তাদের বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনেন। তাহলে আশা করি এই সমস্যাগুলি আপনার ওয়েবসাইটে হবে না। এবং আপনার ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করার জন্য অবশ্যই ট্রাফিক প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইটের মেইন হচ্ছে ট্রাফিক যদি ওয়েবসাইটে ভিজিটর না থাকে এক্ষেত্রে আপনি ওয়েব সাইটে সুন্দর সুন্দর আর্টিকেল পাবলিস্ট করে সেখান থেকে ইনকাম বা অন্যান্য কোন উপায়ে উপার্জন করতে পারবেন না।

তাহলে চলুন এখন দেখে নেব আমরা গুগল থেকে অর্গানিক ট্রাফিক আনার সেরা কিছু উপায়। (এই উপায় গুলো বাদেও আরো বিভিন্ন ধরনের উপায় থাকতে পারে আপনার জানা থাকলে আপনি সেইগুলো শেয়ার করতে পারেন ট্রিকবিডি তে) শুধুমাত্র আমার জানার উপায় গুলি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আপনি যদি এইগুলো সঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়মিত অনেক ভালো পরিমাণে ট্রাফিক আনতে পারবেন যা অর্গানিক হিসেবে গণ্য হবে তাহলে চলুন দেখে নেই।

 

গুগল ডিসকভার থেকে ট্রাফিক।

বর্তমান সময়ে আমরা বেশিরভাগ মানুষ স্মার্ট মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে এবং এখানে আমরা অনেকেই বিভিন্ন সময় লক্ষ্য করে থাকি যে যখন আমরা গুগলে প্রবেশ করি অর্থাৎ আমাদের মোবাইল ফোনের যে গুগল অ্যাপ রয়েছে এখানে প্রবেশ করার পর আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন ধরনের পোস্ট আমাদের সামনে প্রদর্শন করানো হয়। এছাড়াও আপনি লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন বিভিন্ন সময় এখানে ট্রিকবিডির অনেক পোস্ট দেখানো হয় যেগুলো আমরা সার্চ করিনি।

অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে আমি সার্চ না করা শর্তেও কেন এই পোস্ট আমার সামনে প্রদর্শন করানো হলো ? এর উত্তর হল গুগল ডিসকভার অর্থাৎ এটিকে ডিসকভার বলা হয়ে থাকে আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি এই উপায়টি অবলম্বন করে অনেক বেশি ট্রাফিক জেনারেট করতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এবং এখান থেকে ধারনার বাহিরে ট্রাফিক আপনার ওয়েব সাইটে নিতে পারবেন।

কিভাবে আমার ওয়েবসাইটে ডিসকভার পাব ? এটি ওয়েব সাইটে পাবার জন্য নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই কিন্তু যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটে নিয়মিত কোয়ালিটি কন্টেন্ট আপলোড করতে পারেন এবং সঠিকভাবে এসইও করতে পারেন এছাড়া আপনাকে নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে যদি আপনি গুগলের থাকা সকল নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল পাবলিশ করেন তাহলে দেখতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল গুলি হঠাৎ করে গুগল ডিসকভারে চলে গিয়েছে।

যদি আপনার ওয়েবসাইটের কোন আর্টিকেল ডিসকভারে চলে যায় তাহলে আপনি সেটি আপনার গুগল সার্চ কনসোল নতুন একটি অপশন দেখতে পারবেন যে অপশনটির নাম হচ্ছে Discover নিচের স্ক্রিনশটটি লক্ষ্য করুন বুঝতে পারবেন।

এখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে থাকা যে সকল আর্টিকেল ডিসকভারে যাবে সে সকল আর্টিকেল দেখতে পারবেন এবং কত ইম্প্রেশন হয়েছে ও কত ক্লিক হয়েছে সকল তথ্য এখানে দেখতে পারবেন এরপর রয়েছে।

গুগল নিউজ থেকে ট্রাফিক।

অনেকেই হয়তো বা গুগল নিউজ এর সাথে পরিচিত রয়েছেন কেননা এটি পূর্বে আমাদের ট্রিকবিডিতে অনেক আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়েছে এই বিষয় নিয়ে আমি নতুন করে কিছু বলবো না এখানে কিছু মানুষের ভুল ধারণা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম ভুল ধারণা হলো google নিউজ অনেকেই ইনডিক্স হিসেবে ব্যবহার করে থাকে যা টোটাল একটি ভুল ধারণা।

তাকে আমি বুঝিয়ে বলতেছি আশা করি সকলেই বুঝতে পারবেন অনেকেই গুগল নিউজ ব্যবহার করে তাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের আর্টিকেলগুলি দ্রুত ইনডিক্স করার জন্য google.com সার্চ ইঞ্জিনে। আপনি যদি একটি বিষয় লক্ষ্য করে দেখেন সেটি হল আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করলেন এবং সেটি আপনার google নিউজে আপডেট করলেন এবং সেটি সাথে সাথে কিন্তু google.com এখানেও দেখতে পারবেন কিন্তু এখানে কথাটি হল আপনার পোস্টটি সম্পূর্ণ ইনডিক্স হয়নি।

মানে গুগল নিউজটি কিন্তু শুধুমাত্র ইনডিক্স এর কাজে ব্যবহৃত হয় না এটি আরো অন্যান্য কাজে ব্যবহার হয়। গুগল নিউজ মূলত বিভিন্ন ধরনের নিউজ প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে অনেক মোবাইল ফোনে আমরা আমাদের বাংলাদেশ বাদেও আরো বিভিন্ন ধরনের দেশের নিউজ আমরা দেখতে পাই যাকে বলা হয় তাকে google নিউজ এবং এটি এই কাজেই ব্যবহারিত হয়।

যদি আপনি গুগল নিউজ থেকে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়মিত ট্রাফিক আনতে চান এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটটি অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল মানে হতে হবে অর্থাৎ ওয়েবসাইটের নিয়মিত আর্টিকেল সহ অবশ্যই জনপ্রিয় ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এখানে খুবই কম দেখা যায় আমাদের বাংলাদেশের ওয়েবসাইটগুলি বাইরে দেশে যে ওয়েবসাইটগুলি রয়েছে সেগুলো বেশিরভাগ সময় আমরা এখানে দেখতে পারি।

যদি আপনার ওয়েবসাইটি সাবমিট করেন এবং সঠিকভাবে যদি আপনার ওয়েবসাইটে কাজ করেন তাহলে আশা করা যায় আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল গুলি মানুষের সামনে প্রদর্শন করানো হবে এবং এখান থেকে কিন্তু আপনার ধারণার বাইরে ট্রাফিক জেনারেট করতে পারবেন অর্থাৎ এইগুলো হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল মানের যেমন আমাদের মোবাইল ফোনের ক্রোম ব্রাউজার। মোবাইল কিনার পর এটি আমরা অটোমেটিক ভাবে আমাদের মোবাইল ফোনে পেয়ে যাই গুগল প্লে স্টোর থেকে ইনস্টল ছাড়াই।

Google নিউজে আবেদন করার পর আপনার ওয়েবসাইটটি যদি অনুমোদন হয় এবং আপনার ওয়েবসাইটের কোন পোস্ট যদি google নিউজে দেখানো হয় এক্ষেত্রে আপনি গুগল সার্চ কনসোল নতুন আরো একটি অপশন দেখতে পারবেন আমি স্ক্রিনশট দিয়ে দিচ্ছি আশা করি বুঝতে পারবেন।

গুগল ওয়েব স্টোরি থেকে ট্রাফিক।

প্রথমে যে আমরা আলোচনা করেছিলাম গুগল ডিসকভার নিয়ে সেরকম ভাবে আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটের নিয়মিত ওয়েব ষ্টোর তৈরি করতে পারেন যদি আপনার ওয়েবসাইটটি ওয়ার্ডপ্রেস হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য খুব সহজ হয়ে যাবে ওয়েব স্টোরি তৈরি করার জন্য বর্তমান সময়ে ডিসকভারে সাধারণ পোস্ট এর পাশাপাশি আমরা অনেক সময় বড় স্ক্রিনের কিছু পিকচার দেখতে পাই আমি একটি স্ক্রিনশট আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি এটিকে google ওয়েব স্টোরি বলা হয়ে থাকে।

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের জন্য ওয়েব স্টোরি তৈরি করা অনেক সহজ কেননা আপনি প্লাগিন এর মাধ্যমে এটি তৈরি করতে পারবেন এবং যদি সবকিছু আপনি সঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে আপনার স্টোরি গুলি মানুষের সামনে প্রদর্শন করানো হবে কিভাবে ওয়েব স্টোরি তৈরি করতে হয় এ নিয়ে আপনি ইউটিউবে ভিডিও দেখে নিতে পারেন কেননা টেক্সট এর মাধ্যমে এটি বোঝানো সম্ভব নয় অনেক সময় লাগে একটি স্টোরি তৈরি করতে এবং আপনি হয়তো জানেন না একটি ওয়েব স্টোরি থেকে মিলিয়ন এর বেশি ট্রাফিক আনতে পারবেন।

শুধুমাত্র ওয়েব স্টোরি তৈরি করলেই হবে না এখানে অবশ্যই আপনাকে সঠিকভাবে তৈরি করতে হবে যার জন্য ইউটিউব থেকে আপনি ভালো কোন ভিডিও দেখে নিবেন যদি আপনি নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটে ওয়েব স্টোরি তৈরি করতে পারেন এবং সেইগুলোকে যদি গুগল ইনডিক্স করতে পারেন তাহলে দেখতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর এর বন্যা বয়ে যাবে।

তো এই ছিল আমার আর্টিকেল এছাড়াও গুগল থেকে ভিজিটর আনার জন্য আরও বিভিন্ন ধরনের মাধ্যম রয়েছে সবগুলো মাধ্যম সম্পর্কে আমার ভালোমতো জানা নেই তবে এই মাধ্যমগুলি সম্পর্কে আমার মোটামুটি ধারণা ছিল যার কারণে আমি ট্রিক বিডিতে শেয়ার করলাম যদি আপনার ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি এই মাধ্যম গুলি আপনার ওয়েবসাইটের ব্যবহার করে দেখতে পারেন যদি সফলতা পান তাহলে আশা করা যায় ইনকামের জন্য গুগল এডসেন্স অনেক উপকারে আসবে।

আরো পড়ুন:

ইজোইক থেকে কিভাবে ইনকাম করবেন।

আমার একটি ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আমি চেষ্টা করি বিভিন্ন ধরনের বিষয় শেয়ার করার জন্য যদি আপনার কাছে সময় থাকে তাহলে আমার ওয়েবসাইটটি ঘুরে আসতে পারেন উপরে লিংক দিয়েছি সেখানে ক্লিক করা আমার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারেন। এছাড়াও এই আর্টিকেলটি যদি আপনার কাছে কোন কিছু সমস্যা মনে হয় তাহলে আমার সাথে শেয়ার করবেন আমি যদি সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব।

সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং নিত্য নতুন বিষয় গুলি জানতে ট্রিকবিডি ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন ধন্যবাদ সবাইকে।

The post যেভাবে গুগল এর পাশাপাশি আরও সহজ ৩টি উপায়ে ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বাড়াবেন। appeared first on Trickbd.com.


Monday, January 2, 2023

গুগলের পিক্সেল ফোনের Titan M2 সিকিউরিটি চিপ কী? এটা কিভাবে কাজ করে?

গুগলের পিক্সেল ফোনের Titan M2 সিকিউরিটি চিপ কী? এটা কিভাবে কাজ করে?

 

 

আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহ রহমতে অনেক ভাল আছেন। আমি আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি। আজকে আমি গুগলের Titan M2 চিপটি সম্পর্কে লিখতে বসলাম। কোথায় থাকে, কিভাবে কাজ করে ,এগুলো নিয়ে। তাহলে বন্ধুরা আজকের পোস্ট শুরু করা যাক :-

 

টাইটান এম 2 চিপটি কী?

Titan M2 হল একটি dedicated নিরাপত্তা চিপ যা Pixel 6 এবং Pixel 7 সিরিজের স্মার্টফোনগুলিতে ব্যবহার করা হয়েছে। আর গুগল Titan M2 in-house ডিজাইন করেছে যাতে এটি ডিভাইস গুলোর বৈশিষ্ট্য উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।চিপটি RISC-V CPU আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে নিজস্ব memory, RAM, এবং cryptographic accelerator রয়েছে।

Titan M2 হল এমন একটি security chip যা Google বছরের পর বছর ধরে স্মার্টফোনের নিরাপত্তা উন্নত করতে ব্যবহার করে আসছে। কোম্পানি এই চিপ গুলো Pixel phones এ ব্যবহার করে অ্যান্ড্রয়েডের ডিফল্ট নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য।

সুতরাং বোঝা যায়, অ্যান্ড্রয়েডের ডিফল্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়াতে Google Titan M2 চিপ ডিজাইন করেছে।

অ্যান্ড্রয়েডে বাধ্যতামূলক full-disk encryption দেওয়া থাকে। এই সিকিউরিটি ফিউচারটি বেশিরভাগ ডিভাইসে Trusted Execution Environment (TEE) নামে পরিচিত। আর এক কথায় বলা যায়, এটি হচ্ছে processor এর নিরাপদ এলাকা।

আমাদের এন্ড্রয়েড ফোন গুলি encryption keys গুলি এই সুরক্ষিত এলাকায় সংরক্ষণ করে। encryption keys এর মধ্যে অনেকগুলোই আছে।

যেমন, আমাদের pattern, PIN, passcode এগুলো।

আমাদের ফোন অথবা বর্তমানে যত ফোন আছে সব ফোনেরই  ( TEE ) অথবা এর মত অনুরূপ কিছু দেওয়া আছে। যেমন: অ্যাপলের Arm-based chips, এই চিপগুলো আমাদের ফোনে biometrics,place, malicious, সহ বিভিন্ন ডাটা চুরি করা অ্যাপস কে অ্যাক্সেস দেয় না।

কিন্তু গুগল Pixel 3 তে TEE ব্যবহার করে না। এবং সেখানে separate security module ইউজ করে। আর সেটাই হচ্ছে Titan M. এবং বর্তমানে Titan M কে Titan M2 বলে ডাকা হয়। আর এটি নিজেই একটি স্বতন্ত্র প্রসেসর হিসেবে কাজ করে।তথ্য সংরক্ষণের জন্য চিপের নিজস্ব ফ্ল্যাশ মেমরি রয়েছে। আর বড় কথা হচ্ছে ,

Titan M2 হল এমন একটি আলাদা চিপ যা memory or cache এর মত রিসোর্সকে প্রধান প্রসেসরের সাথে শেয়ার করে না।

Titan M2 chip কি করে?

Titan M2 সাধারণ চিপের চেয়ে একটু ভিন্ন। কারণ এই চিপগুলো সবচেয়ে কম ফাংশন নিয়ন্ত্রণ করে। এবং আক্রমণের সংখ্যা অনেক কমিয়ে ফেলে। এবং বেশিরভাগ সফ্টওয়্যার সরাসরি নিরাপত্তা চিপের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।

এটি কিভাবে কাজ করে?

এটি কাজ করার জন্য আপনাকে আপনার Pixel ফোনটি reboot করতে হবে। আর যখন এটি চালু হবে,তখন Titan M2 বুটলোডারের সাথে যোগাযোগ করে যাচাই করে যে আপনি Android এর সর্বশেষ কোন সংস্করণটি চালাচ্ছেন। আর তখন সে চেক করে আপনার ডিভাইসটিতে কোন আক্রমণ হয়েছিল কিনা। আর গুগল আরো জানায়, এটি অন্যান্য পদ্ধতিতে ফোন খোলা বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। অর্থাৎ কোন ধরনের পিন এবং পাসওয়ার্ড ছাড়াই পিসির মাধ্যমে যেভাবে ফোন খোলা যায় , এগুলো থেকে রক্ষা করবে।

সোর্স : Android authority

আশা করি আপনাদেরকে সুন্দর ভাবে বুঝাতে পেরেছি। তাহলে বন্ধুরা আজকে এ পর্যন্তই। দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে। সে পর্যন্ত আপনারা সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন trickbd এর সাথেই থাকুন।

The post গুগলের পিক্সেল ফোনের Titan M2 সিকিউরিটি চিপ কী? এটা কিভাবে কাজ করে? appeared first on Trickbd.com.


২০২৩ সালে স্মার্টফোনে যেসব বিপ্লব ঘটবে।

২০২৩ সালে স্মার্টফোনে যেসব বিপ্লব ঘটবে।

সদ্য বিদায়ি ২০২২ ছিল উদ্ভাবনের বছর। বাজারে এসেছিল সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ফোন। এরই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এ বছরও। শুধু তাই নয়, ২০২৩ সালে রীতিমতো বিপ্লব ঘটবে ফোনের দুনিয়ায়। কী বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে ২০২৩ সালে তাই নিয়ে আজকের আয়োজন।

স্যাটেলাইট সাপোর্ট:

প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের আইফোনে স্যাটেলাইট সাপোর্ট এনেছিল গত বছর। আশা করা যাচ্ছে ২০২৩ সালে অ্যানড্রয়েড ফোনেও এ সাপোর্ট পাওয়া যাবে। গুগলের অ্যান্ড্রয়েডের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিরোশিমা লকহেইমার আশার বাণী শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, ২০২৩ সালে অ্যানড্রয়েড ১৪ ভার্সনে স্যাটেলাইট সংযোগ থাকবে।

আপডেটযোগ্য রুট সার্টিফিকেট:

অ্যানড্রয়েড ফোন বিভিন্ন কারণে রুট করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু রুট করার পর অ্যানড্রয়েড সার্টিফিকেশন হারায়। পাশাপাশি অ্যানড্রয়েড সাপোর্টও অনেক সময় বন্ধ হয়ে যায়। এ সমস্যার সমাধানে এ বছরই মিলতে যাচ্ছে রুট সার্টিফিকেট আপডেট করার ক্ষমতা। গুগল প্লে সিস্টেম আপডেট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা রুট সার্টিফিকেট আপডেট করতে পারবে।

উন্নত ক্যামেরা :

২০২৩ সালে বাজারে আসা স্মার্টফোনে ২০০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দেখা গেছে। এরই ধারাবাহিকতা থাকবে নতুন বছরও। এ বছর অধিক মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকবে নতুন ফোনে।
আইফোনে ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট:
আইফোন ব্যবহারকারীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ফোনে অ্যানড্রয়েড টাইপ সি পোর্ট সংযুক্ত করা। সে দাবিতে সাড়া দিতে যাচ্ছে অ্যাপল। এ বছরই আইফোনে যুক্ত হচ্ছে টাইপ সি পোর্ট। ফলে অ্যানড্রয়েড ফোনের চার্জার দিয়েই আইফোন চার্জ দেওয়া যাবে।

অত্যাধুনিক ফাস্ট চার্জিং:

২০২২ সালে ফোনের ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তিতে অভাবনীয় উন্নতি সাধন করেছে। যা এ বছর আরও পরিণত হবে। নতুন বছরে ফোনে আরও বেশি উন্নত প্রযুক্তির ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির সন্নিবেশন ঘটবে। ১০ কিংবা ২০ মিনিট নয় ৫ মিনিট কিংবা ১ মিনিটেই চার্জ হবে ফোন, এমনই প্রযুক্তি আসবে এ বছর।

বিঃদ্রঃ এই পোষ্ট যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে নেওয়া হয়েছে।

The post ২০২৩ সালে স্মার্টফোনে যেসব বিপ্লব ঘটবে। appeared first on Trickbd.com.


Qualcomm আসার আগেই CPU startup Nuvia কে কেনার জন্য আলোচনায় ছিল google !

Qualcomm আসার আগেই CPU startup Nuvia কে কেনার জন্য আলোচনায় ছিল google !

তো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহ রহমতে ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছি। আজকে লিখতে বসলাম একটা অন্য বিষয় নিয়ে। হ্যাঁ বন্ধুরা আজকে আমি Nuvia নিয়ে আলোচনা করব। তাহলে বন্ধুরা, আরো দেরি কিসের? তাহলে বন্ধুরা আজকের পোস্ট শুরু করা যাক :-

Qualcomm কোম্পানিটি Nuvia কে 2021 সালে কিনে নেয় । আর 2023 সালে কোম্পানিটি custom CPU প্রযুক্তি ,Snapdragon chipsets এর মধ্য দিয়ে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে অন্য আরেকটি বড় কোম্পানি ফরমটি কিনার জন্য আলোচনা করতেছে।

The Information reports (h/t: 9to5Google)

Nuvia কে কেনার জন্য কথা বলছিল Google, Intel, and Microsoft । কিন্তু তার আগে Qualcomm $1.4 বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ফার্মটিকে কিনে নেয় ।

Nuvia কিভাবে তৈরি হয়?

তাহলে বন্ধুরা প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক Nuvia কিভাবে তৈরি হয়, Nuvia তৈরি হয় appal কোম্পানির প্রাক্তন ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বারা। আর কোম্পানিটি দাবি করেছে যে তাদের custom Phoenix CPU টি Apple A13, Snapdragon 865, and AMD Ryzen 4700U Zen 2 processor এর মতন উচ্চতর single-core পারফরম্যান্স করবে। কোয়ালকম তখন থেকে জোর দিয়ে বলেছে যে তার আসন্ন Nuvia-based Oryon CPU একটি “new level of performance” কেনার জন্য অফার করবে।

 

 

Google/nuvia দেখতে কেমন হবে?

এটি দেখতে অনেক সুন্দর এবং চমকপ্রদ হবে। কারণ গুগল তার Tensor line of processor এর জন্য startup এর custom CPU ব্যবহার করবে। এটি সম্ভবত Tensor series এর জন্য cutting-edge হতে পারে।কারণ সাম্প্রতিক Tensor 2 দিয়ে চলতেছে Arm’s older, off-the-shelf Cortex-X1, Cortex-A78, and Cortex-A55 CPU cores.

কিন্তু গুগলের কাছে nuvia অনেক প্রশ্ন তুলছে। তার মধ্যে একটি হলো, তাদের তথ্য গোপনীয়তা সম্পর্কে।

Google বর্তমানে তার টেনসর চিপ ডিজাইন ও তৈরি করতে Samsung LSI ব্যবহার করে । এই প্রসেসরগুলি Samsung এর Exynos SoCs এর সাথে প্রচুর পরিমাণে DNA শেয়ার করে। আর custom CPU cores এর সাথে custom TPU যুক্ত করলে চিপ আরো আপডেট হবে।

এক কথায় বলা যায় ,গুগলের টেনসর চিপসেটগুলিতে custom CPU , TPU, an Arm GPU আর Samsung modem এগুলো সবই থাকবে।

 

 

Nuvia under Google

ownership raises plenty of

questions, but it’s tough to

argue that Qualcomm isn’t

the more suitable owner.

 

♦ কি ভাবছেন ওপরের বাক্যটা ইংরেজি দিয়ে লিখেছি কেন? কারণ এটা গুগল জোর দিয়ে বলেছে। আর তখন আরো বলে, আপনাকে ভালো করে ভাবতে হবে, তারা স্যামসাং কে চুক্তিবদ্ধভাবে লাইসেন্স দিবে কিনা। সম্ভবত এই বাক্যটা Nuvia কে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। আমাদের এখানে কাজ নেই। কিন্তু Google আরো বলে , নুভিয়ার মালিকানাধীনের জন্য কোয়ালকমের দেওয়া 1.4 বিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি হতে পারে।

Mountain View company কে CPUs and chipsets অপ্টিমাইজ এবং ডেভেলআপ করার জন্য প্রচুর টাকা এবং লোক লাগবে। তখন একটি কোম্পানি, ধরেন সেটা হচ্ছে Qualcomm কে আরো অনেক ইঞ্জিনিয়ার কে নিযুক্ত করতে হবে। যেখানে অনেক টাকার খরচা পরে যায় । তাই এই বারতি টাকা খরচ না করে গুগল বর্তমানে চিপ ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্টের জন্য স্যামসাং-এর উপর নির্ভর করে।

সোর্স: androidauthority

তো বন্ধুরা এই ছিল আজকের জন্য পোস্টটা। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন trickbd এর সাথেই থাকবেন ধন্যবাদ।

The post Qualcomm আসার আগেই CPU startup Nuvia কে কেনার জন্য আলোচনায় ছিল google ! appeared first on Trickbd.com.


2nd line এর দিন শেষ এখন Safeum দিয়ে আনলিমিটেড ভার্চুয়াল নাম্বার নিয়ে নিন কোন ধরনের সমস্যা ছাড়া।

2nd line এর দিন শেষ এখন Safeum দিয়ে আনলিমিটেড ভার্চুয়াল নাম্বার নিয়ে নিন কোন ধরনের সমস্যা ছাড়া।

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি।

অনেক দিন পর আপনাদের সামনে হাজির হলাম নতুন কিছু নিয়ে। টাইটেল দেখে হয়তো বুঝে গেছে আজকের আলোচনার টপিক কি চলুন শুরু করা যাক।

Safeum কি?

Safeum হলো একটু ভার্চুয়াল নাম্বার যার মাধ্যমে কল, চ্যাটিং  আরো নানা কাজ করা যায়। আমরা নরমালি আইডি কার্ড দিয়ে সিম কিনে ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু safeum ব্যবহার করার জন্য কোন ধরনের আইডি কার্ড লাগবে না। একটা উদাহরণ দেওয়া যাক :

উদাহরণ,  আমরা টেম্প নাম্বারের জন্য অনেক গুলো অ্যাপস ব্যবহার করে থাকি যেমন 2nd line, Textline, Text Now , talktons ইত্যাদি । বর্তমানে বাংলাদেশে এই গুলোর access পাওয়া যায় না। যদিও অনেকে Vpn বা Proxy ব্যবহার করে ব্যবহার করে। এক কথায় কষ্ট করে ব্যবহার করতে হয় ।তো এদের মতো করেই ব্যবহার করতে পারবেন safeum কোন ধরনের সমস্যা হবে একদম সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।

Safeum সুবিধা :

Safe সুবিধা বলতে অনেক গুলোই আছে তার মধ্যে নিম্নে কিছু তুলে ধরা হলো :

  1. চ্যাটিং কে এনক্রিপ্ট করা যাবে।
  2. কার্ড ছাড়া নাম্বার পাওয়া যাবে।
  3. চ্যাটিং ডিলিট করতে পারবেন সেটা উভয় দিকে হবে।
  4. অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস খুব সহজেই নেওয়া যায়।
  5. Safeum নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অডিও ও ভিডিও কল করা যাবে সেটা এনক্রিপ্ট থাকবে।
  6. একসাথে তিনটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন

এছাড়াও আরো সুবিধা পাবেন সেটা ব্যবহার সময় বুঝতে পারবেন ।

Safeum অসুবিধা :

  1. প্রথমত প্রতিটি নাম্বার আপনি তিনদিন ব্যবহার করতে পারেন ফ্রীতে পরবর্তীতে সময় যদি ব্যবহার করতে চান তখন পে করে করতে হবে।
  2. এটি সব ধরনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না যেমন Google account খুলার সময় ।

Safeum Download

প্রথমে আমরা play store থেকে ডাউনলোড করে নিবো।

ইনস্টল হলে ওপেন করবো এবং সব গুলো পারমিশন দিয়ে নিবো।

তারপর sing up যাবো।

এখন অ্যাকাউন্ট করার জন্য একটা user name,  password

লাগবে সেটা ইচ্ছে মতো দিয়ে নিবেন।

User name or password দেওয়ার পর এই রকম আসবে আমরা

Being to use ক্লিক করবো।

দেখতে পাচ্ছেন আমাকে একটা নাম্বার দিয়েছে। এই নাম্বার টি Latvia দেশের।

নিচে কিছু অপশন আছে চাইলে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

আপনাদের দেখানোর জন্য আমি একটা azure অ্যাকাউন্ট করছি দেখতে পাচ্ছেন তার ভেরিফিকেশনের কোড দেখাচ্ছে।

এইভাবে চাইলে যেকোন কাজে ব্যবহার করতে পারেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজ করবে না। premium নিলে সেটা কাজ করবে।

 

তো এখন কথা হচ্ছে শুরু কি তিনটি নাম্বারই পাবো না আপনি আনলিমিটেড নাম্বার পাওয়ার জন্য তিনটি অ্যাকাউন্ট খোলার পর অ্যাপটিকে ক্লিয়ার ডাটা দিয়ে আবার অ্যাকাউন্ট করতে পারেন কোন ধরনের সমস্যা হবে না ।

তো আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ্ হাফেজ।

The post 2nd line এর দিন শেষ এখন Safeum দিয়ে আনলিমিটেড ভার্চুয়াল নাম্বার নিয়ে নিন কোন ধরনের সমস্যা ছাড়া। appeared first on Trickbd.com.


Sunday, January 1, 2023

জেনে নেওয়া যাক ২০২২ সালে সিনেমেটোগ্রাফি এবং ক্যামেরার জন্য কোন ফোনটি বেস্ট ছিল!!

জেনে নেওয়া যাক ২০২২ সালে সিনেমেটোগ্রাফি এবং ক্যামেরার জন্য কোন ফোনটি বেস্ট ছিল!!

আসসালামুয়ালাইকুম ! TrickBD তে সবাইকে স্বাগতম। কোনো ভুল হলে দয়া করে ক্ষমা করবেন। বেশি কথা না বলে শুরু করছি।

আজকে আমি কথা বলব ২০২২ সালে সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া চারটি স্মার্টফোন সম্পর্কে।

মূলত সিনেমাটোগ্রাফি এবং ছবি তোলার জন্য কোন ফোনটি পারফেক্ট এটা জানার জন্য

প্রায় তিন দিন ১০০০ এর ওপর ভোটাভুটির মাধ্যমে একটি বেস্ট ফোন নির্বাচন করা হয়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ফোনটি সকল গ্রাহকদের কাছে বেশি সাড়া জাগিয়েছিল ২০২২ সালে।

আজকে আমরা যে চারটি ফোন সম্পর্কে কথা বলব সেগুলোর লিস্টের প্রথমে রয়েছে Sony Xperia 1IV

দ্বিতীয়তে রয়েছে Google pixel 7 pro

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাপলের iPhone 14 pro Max

এবং চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে Samsung Galaxy s22 ultra

আপনাদের কি মনে হয় এই চারটি ফোনের মধ্যে কোন ফোনটি সবচেয়ে বেশি পারফেক্ট হবে সিনেমাটোগ্রাফির জন্য?,

ভোটিং গুলো দেখে নেওয়া যাক ।

প্রায় সবগুলো ফোনের মধ্যে ভোটিং হয়ে গিয়েছে। আর ভোটের ফলাফল অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে Google pixel 7 pro সবদিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে।

মানুষ সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেছে Google pixel 7 pro ফোনটিকে।

এবং এই ভোটের ফলাফল অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে iPhone 14 pro Max এবং Google pixel 7 pro এই দুইটা ফোন বেশি রেটিং পেয়েছে মানুষের কাছে।

কিন্তু তবুও সামান্য একটু রেটিং বেশি পেয়ে Google pixel 7 pro সেরা সিনেমাটোগ্রাফি/ক্যামেরা এর জন্য নির্বাচিত হয়েছে ২০২২ সালে।

প্রায় ৬৩ শতাংশ মানুষ Google pixel 7 pro ফোনটিকে বেশি পছন্দ করেছেন এবং এই ফোনের ওপর ভোট প্রদান করেছেন।

iPhone 14 pro Max এই ফোনটির ক্ষেত্রেও প্রায়ই কাছাকাছি ভোট পাওয়া গিয়েছে।

তো চলুন দেখে নেওয়া যাক এই চারটি ফোনের ক্যামেরা কতটুকু বেশি সন্তুষ্টজনক রয়েছে গ্রাহকদের কাছে।

তবে ভোটের ফলাফল অনুযায়ী দেখা গিয়েছে সকল গ্রাহক এই চারটি ফোনের ওপর সন্তোষজনক ভোট প্রদান করেছে।

এবং প্রায় সব দিক বিবেচনা করে দাম সহ বিস্তারিত ফিচার অনুযায়ী Google pixel 7 pro ফোনটি এগিয়ে রয়েছে।

এবং ক্যামেরা কোরিওগ্রাফি এর জন্য Google pixel 7 pro
ফোনটি গ্রাহকগণের দৃষ্টি কেড়েছে।

গ্রাহকগণ ক্যামেরা এর ক্ষেত্রে Sony Xperia 1 IV এবং Samsung Galaxy s22 ultra ফোনগুলো প্রায় ১০% এর মত ভোট দিয়েছে।

এবং দেখা যাচ্ছে যে এই দুইটি ফোন এগিয়ে রয়েছে সব দিক দিয়ে।

এবং সবদিক দিয়ে Google pixel 7 pro ফোনটি সেরা সিনেমাটোগ্রাফি বা ক্যামেরা এর জন্য ২০২২ সালে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

আশা করা যায় আরো নিত্য নতুন বিভিন্ন ফিচার আনবে google তার ফোন গুলোর ক্ষেত্রে।

তো বন্ধুরা এই ছিল বিস্তারিত ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য

যেকোনো প্রয়োজনে আমাকে পাবেন এই লিংকে

আমার ফেসবুক আইডি

The post জেনে নেওয়া যাক ২০২২ সালে সিনেমেটোগ্রাফি এবং ক্যামেরার জন্য কোন ফোনটি বেস্ট ছিল!! appeared first on Trickbd.com.


আনলিমিটেড ফ্রিতে সব সময়ের জন্য নিজের ফাইল, ডাটা, ছবি, ভিডিও স্টোরেজ ও ব্যাকাপ করে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।

আনলিমিটেড ফ্রিতে সব সময়ের জন্য নিজের ফাইল, ডাটা, ছবি, ভিডিও স্টোরেজ ও ব্যাকাপ করে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।

আমরা অনেক কিছুই আমাদের মোবাইল ফোনটাতে রাখি । যেমন ভিডিও, অডিও, ছবি, ডকুমেন্টস এবং আরও অনেক কিছু। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে একটা পর্যয়ে আমাদের মোবাইল এর মেমোরি ফুল হয়ে যায়। যার কারনে আমরা নতুন করে ছবি তুলতে বা ভিডিও করতে সমস্যা হয়। কোন কিছু ডাউনলোড করতে সমস্যা হয় । এখন কি উপায়?
অনেক সময় দেখা যায় আমরা আমাদের অনেক স্মৃতি বা প্রয়োজনীয় ফাইল ভিডিও ডিলেট করে দিতে বাধ্য হই।
হয়তো এগোলো আমরা ডিলেট না করে কোন অনলাইন ডাটা স্টোরে ব্যাকাপ হিসাবে রেখে দিতে পারি।
কিন্তু! স্টোরেজ ব্যাকাপ রাখলে আমাদের নির্দিষ্ট একটা পরিমান ও সময়ের জন্য অর্থ প্রদান করতে হয়। যা আমাদের অনেকের জন্য পে করা সম্ভব না। তাহলে এখন আমরা কি করতে পারি?
এর খুব সহজ একটা সমাধান হচ্ছে টেলিগ্রাম মেসেজিং এপ।
আমার এই এপের মাধ্যমে সব সময়ের জন্য আনলিমিটেড ডাটা স্টোরেজ করে রাখতে পারি কোন প্রকার টাকা ছাড়াই।
১ম ধাপ :
আমাদের একটা টেলিগ্রাম এপ লাগবে এবং নিজের সিম দিয়ে একটা একাউন্ট লগইন করা থাকতে হবে ।

২য় ধাপ :
এইবার আমরা আমাদের অই আইডি দিয়ে একটা গ্রুপ খুলতে হবে। গ্রুপ্রের প্রাইভেইসি প্রাইভেট থাকবে যাতে অন্য কেউ দেখতে না পারে।

৩য় ধাপ : নিজের যেই ফাইল স্টোর করে রাখতে চান সেইগুলো আপলোড করে রাখেন। শেষ স্টোর হয়ে গেলো আপনার ডাটা ফ্রিতে। এখন যদি আপনার অই ফাইল বা ডাটা ডিলেট হয়ে যায় আপনি খুব সহজে ঐ গ্রুপ থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

# কথা হচ্ছে আপনি ঐ গ্রুপটা নষ্ট না করলেই হলো।
# টেলিগ্রাম ডিলেট হয়ে গেলেও সমস্যা নাই।
# আবার লগইন করলে আপনি আপনার প্রাইভেট গ্রুপটি ফাইল বা ডাটাসহ পেয়ে যাবেন।

The post আনলিমিটেড ফ্রিতে সব সময়ের জন্য নিজের ফাইল, ডাটা, ছবি, ভিডিও স্টোরেজ ও ব্যাকাপ করে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়। appeared first on Trickbd.com.


কি ভাই আপনার দোয়া কবুল হচ্ছে না..? আপনি আসলে দোয়া করতেই জানেন না।

কি ভাই আপনার দোয়া কবুল হচ্ছে না..? আপনি আসলে দোয়া করতেই জানেন না।

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন…..? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি ।আসলে কেউ ভালো না থাকলে TrickBD তে ভিজিট করেনা ।তাই আপনাকে TrickBD তে আসার জন্য ধন্যবাদ ।ভালো কিছু জানতে সবাই TrickBD এর সাথেই থাকুন ।

কি ভাই আপনার দোয়া কবুল হচ্ছে না..? আপনি আসলে দোয়া করতেই জানেন না।


দোয়া তো আমরা সবাই করি কিন্তু কারো কবুল হয় কারো কবুল হয় না। দোয়া কবুল না হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। আপনার আমার দোয়া আল্লাহ আরশে গিয়ে নক করে না। কারণ আপনি দোয়া করতে জানেন না। আচ্ছা আপনাদের একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝাই। যেমন ধরেন আপনি একটা বড় কোম্পানিতে চাকরি করেন। আপনি আপনার বসকে খুশি রাখার জন্য সব কাজ করেন যেন আপনার বস আপনাকে বকাঝকা না করে আপনার প্রতি সন্তুষ্ট থাকে।

আপনার চাকরির পদোন্নতির জন্য আপনি বসকে খুশি রাখেন যা করতে বলে তাই করেন। দু চারটি কটুকথা বললেও হজম করে নেন। বস সামনে আসলে মুখে মুখে কথা বলেন না মাথা নিচু করে রাখেন। এত কিছু কিসের জন্য করেন আপনার চাকরি যেন না চলে যায়। বসের কাছে যখন ছুটি চান তখন বসেন সামনে নরম গলায় কথা বলেন। মাথা নিচু করে কথা বলেন। এতো কিছু করার পরেও আপনি আমি বসের মন জয় করতে পারি না।

একটা না একটা সমস্যা বস দেখাবেই। আমরা মানুষ জাতি এতো বোকা আমরা সৃষ্টিকর্তার কাছে মাথা নত না করে মানুষ কাছে মাথা নত করি এই জন্য আমাদের জীবন থেকে সমস্যা কখনো দূর হয় না। আপনি আমি অসুস্থ সবার আগে ডাক্তার কাছে যাই কেন ভাই সবার আগে আল্লাহ কাছে বলা যায় না যে আল্লাহ আমি অসুস্থ আমাকে সুস্থ করে দেও। তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে নফল নামাজ পড়ে আল্লাহকে বলা যায় কি। আমরা কি করি সবার আগে ডাক্তার। আল্লাহ বলে যা ডাক্তার পিছনে দৌড়াতে থাক দেখ তোর ডাক্তার তোকে কি ভালো করতে পারে।

গোপন রোগে আক্রান্ত কাউকে বলা দরকার নাই। সবার আগে আল্লাহকে বলেন তার ইবাদত সঠিকভাবে করেন সব ঠিক হয়ে যাবে। আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখতে হবে যে আল্লাহ তায়ালা ভালো করে দিতে পারেন। হজরত আইয়ুব (আঃ) ১৮ বছর কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন আল্লাহ তায়ালা উনার রোগ ভালো করে দিবেন। ১৮ বছর পরে আল্লাহ তায়ালা হজরত আইয়ুব (আঃ) এর রোগ ভালো করে দেন।

আমরা আসলে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখতেই পারি না। আমি বলছিনা যে আপনি ডাক্তারের কাছে যাবেন না। আপনি অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন তার আগে আপনি আল্লাহকে আপনার সমস্যার কথা জানাবেন আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখবেন তারপর ডাক্তারের কাছে যাবেন। আপনার রোগ আল্লাহ তায়ালা কোন অছিলায় ভালো করে দিবেন কেউ জানে না। তাই আল্লাহ তায়ালা উপর বিশ্বাস রেখে রোগের চিকিৎসা নিবেন ইনশাআল্লাহ আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন।

আচ্ছা একবার চিন্তা করেন তো আপনি আপনার চাকরি বাঁচানোর জন্য আপনার বসের সামনে যেমন মাথা নত করে থাকেন তার সব কথা মনে নেন। তার কথা মত সব কাজ করেন। আচ্ছা আল্লাহ কাছে যখন কিছু চান তখন আল্লাহ তায়ালা কাছে আপনি কতটুকু মাথা নত করেন একবার চিন্তা করে দেখেন। আপনি আমি নামাজ পড়ে হাত তুলেই দোয়া শুরু করে দেই নিজের জন্য দোয়া করি আমরা আল্লাহ আমার একটা সুন্দর বউ দাও, আল্লাহ আমার একটা চাকরি দেও, আল্লাহ আমার একটা গাড়ি দেও ইত্যাদি ইত্যাদি।

আচ্ছা এটা কোন দোয়ার সিস্টেম হইলো। দুনিয়াতে আপনি আমি যখন কোন এমপির কাছে সুপারিশ চাইতে যাই তখন চিঠিতে কি সরাসরি লিখি যে এমপি সাহেব আমার চাকরি লাগবো একটা চাকরির সুপারিশ করে দেন, এমপি সাহেব আমার একটা বড় পদ লাগব আমারে বড় পদ দেন। আমরা কি এভাবে চিঠি লিখি নাকি সালাম কালাম দিয়ে এমপির প্রসংসা করে তার পরে নিজের সমস্যা কথা জানাই৷ অবশ্যই আগে এমপির প্রসংশা করি এবং নম্র ভদ্র ভাবে কথা বলি।

দুনিয়ার মানুষের সাথে ভালো করে কিছু চাইতে পারি আল্লাহ তায়ালা কাছে কেন নত হয়ে চাইতে পারি না। আল্লাহ তায়ালা কাছে চাওয়া মত চাইতে পারলে আপনি অবশ্যই পাবেন। আমরা আল্লাহ তায়ালা কাছে এমনভাবে চাই আমি নিজেরাই বিশ্বাস করতে পারি না যে আসলে পাব কিনা। আল্লাহ তায়ালা কাছে চাওয়ার সিস্টেম দেখে নিজেরাই বুঝি এটা ভালোভাবে চাওয়া হয় নাই।

আপনি যখন আপনার বসের কাজ করে দেন তখন আপনি নিজেরই বুঝেন কোন কাজ কেমন ভাবে করলে আপনার বস খুশি হবে নিজের উপর বিশ্বাস থাকে যে এভাবে কাজটা করলে বস খুশি হবে বা কাজটা বস গ্রহন করবে। তখন সেইভাবে কাজটা করে জমা দেন। আপনার বস কাজটা গ্রহন করে নেয়। আর যদি কাজ খারাপ করে দেন তখন নিজেই বুঝবেন যে এই কাজ বস নিবে না বসকে এই ফাইল দিলে বস ফাইল মুখে ছুড়ে মারবে।

এটাই হলো নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস। আপনি কাজ করে নিজের বুঝতে পারবেন আপনার বস কোনটা গ্রহন করবে। তাহলে আপনি যখন আল্লাহ তায়ালা কাছে কিছু চান তখন কিভাবে আল্লাহ তায়ালা কাছে চান সেটা চাওয়া সময় আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনি কেমন চাওয়া চাইছেন। আপনি যদি চাওয়া পরে বিশ্বাস রাখতে পারেন যে আমার চাওয়ার সিস্টেম ঠিক আছে আল্লাহ তায়ালা আমার কথা শুনেছে এবং আমার চাওয়া পূরণ করবে তাহলে আপনার চাওয়া অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা কাছে কবুল হয়েছে।

আর যদি মনে হয় এটা আল্লাহ কবুল করেনি বা সন্দেহ আছে। এটা কিভাবে সম্ভব ইত্যাদি ইত্যাদি সন্দেহ থাকে তাহলে আপনি আল্লাহ উপর বিশ্বাস রাখতে পারেন নাই।

আপনারে একটা পানির মত সহজ উদাহরণ দেই। উদাহরণ পড়ে আপনি মনে মনে অনেক খুশি হবেন। আচ্ছা আপনি যে কাজটা পারেন মনে করেন আপনি ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। আপনাকে কেউ যদি বলে আপনি ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন তখন আপনি কি বলবেন..? আপনি তখন অবশ্যই বলবেন এটা কোন ব্যাপার হলো এটা কোন ব্যাপারি না। আপনি এই কথা কেন বলবেন জানেন কারণ আপনি ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন এবং এটার উপর আপনার আত্মবিশ্বাস রয়েছে।

আর যদি ইংরেজিতে কথা বলতে না পারেন তাহলে আপনি ইংরেজির কথা শুনলেই আপনার মাথায় পাহাড় ভেঙে পড়বে। আপনি বলবেন এটা কেমনে সম্ভব মানে আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না। কেন বিশ্বাস করতে পারবেন না কারণ আপনি ইংরেজি পারেন না।

আল্লাহ তায়ালা কাছে দোয়া করাটাও এরকম। আপনি যখন রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহ তায়ালা কাছে দুই হাত তুলে কায়মনোবাক্যে কান্না কাটি করে নিজের ভুল শিকার করে আল্লাহ তায়ালা কাছে ক্ষমা চাইবেন বা কিছু চাইবেন তখন আপনি নিজের বুঝতে পারবেন যে আপনার দোয়া কবুল হয়েছে। আপনার দোয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল করলে আপনি খুশি ফিল করবেন আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন যে আল্লাহ তায়ালা আমার কথা শুনেছে।

তখন নিজেই নিজেকে বিশ্বাস করবেন যে আল্লাহ তায়ালা আমার দোয়া কবুল করেছে এবং আল্লাহ তায়ালা উপর আপনার ভরসা হবে। আসলে আপনি যখন মন খুলে আল্লাহ তায়ালা কাছে কান্নাকাটি করে আপনার সমস্যা কথা বলবেন এবং বুঝতে পারবেন যে আল্লাহ তায়ালা আপনার কথা কবুল করেছে এটা আমি আপনাকে এই আর্টিকেলে বলে বুঝতে পারবনা৷ আপনার দোয়া যখন কবুল হবে তখন নিজেই ফিল করতে পারবেন কেমন ভালো লাগে।

কিছু কিছু মানুষের দোয়া কবুল হয় না। দোয়া কবুল না হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে যেমন দোয়া করার পরে দরূদ না পড়া। যার জন্য আপনার বলা কথা গুলো আল্লাহ তায়ালা কাছে যায় না আকাশ আর জমিনের মাঝে ঝুলে থাকে। তাই দোয়া শেষে দরূদ পড়া। আপনি যদি হারাম খেয়ে দোয়া করেন আপনার দোয়া কবুল হবে না। শুধু দোয়া নয় আপনি যদি মক্কা গিয়ে কাবাঘর স্পর্শ করেও দোয়া করেন তাও দোয়া কবুল হবে না।

নেশা জাতীয় কিছু খেয়ে ইবাদত করলে সেই ইবাদত আল্লাহ তায়ালা কবুল করে না। তাই কেউ যদি নেশা করে থাকেন তার কোন ইবাদত কবুল হবে না ৪০ দিন পর্যন্ত। যেনা করে থাকলে দোয়া কবুল হয় না। দোয়া মত দোয়া করতে পারলে হাত তুলার সাথে সাথেই রবের সাথে তোমার কথা শুরু হয়ে যাবে। আরে ভাই আপনি যখন দোয়া করে মজা পারবে তখন আল্লাহ তায়ালা কাছে হাত তুলার সাথে সাথে আপনার চোখ দিয়ে পানির বন্যা বয়ে যাবে।

যখন আল্লাহ তায়ালা সাথে কথা শুরু হয়ে যাবে তখন দোয়া থেকে উঠতে মন চাইবে না। উঠা তো দুরের কথা মনটা অন্য দিকে নিতে পারবেন না। যে এই মজা বুঝতে পেরেছে সে জানে আল্লাহ তায়ালা কাছে কিছু চাইলে তিনি খালি হাতে ফেরার না। এই বিশ্বাস তার হয়ে গেছে এই জন্য যখনই দোয়া করে আল্লাহ ভয়ে চোখ দিয়ে পানি পরে। আল্লাহ সাথে সম্পর্কে যখন ভালো হয়ে যাবে তখন চোখ দিয়ে পানি এমনি পড়বে। আজকে এ পর্যন্তই সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবে আল্লাহ হাফেজ।

আপনার ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল প্রয়োজন হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ফেসবুকে আমি

The post কি ভাই আপনার দোয়া কবুল হচ্ছে না..? আপনি আসলে দোয়া করতেই জানেন না। appeared first on Trickbd.com.