Monday, October 3, 2022

[MDGram] Plus এর থেকেও ভালো Telegram Unofficial Mod, iPhone Themed & Material You

[MDGram] Plus এর থেকেও ভালো Telegram Unofficial Mod, iPhone Themed & Material You

Hello.

আজকে আমরা টেলিগ্রামের একটি আনঅফিসিয়াল অ্যাপ ‘MDGram’ সম্পর্কে জানবো 

Features:

1) iOS Style Telegram ( আইফোনের ক্লিন মিলিলিয়াস্ট টেলিগ্রামের ফিল পাবেন ‘MDGRAM’ এর  মাধ্যমে

2) Lightweight and Clean Ui

3) এটা Feature Packed ( Translation, Forward to Whatsapp, Forward w/o mention etc.)

4) Telegram Premium Supported ( অনেক সময় কিছু TG Unofficial Mod TG Premium ফিচার গুলো সাপোর্ট করে না, “This Feature Isn’t Available For this version of Telegram“- MDGram এ সেরকম সমস্যা নাই  এখন কিছু স্ক্রিনশট দেখে নেই

5) Fully Adfree & Open Source

6) Highly Customizable and Supports custom telegram theming

Screenshots

 

Download: MDGram

 

anndd that’s it for today Allah Hafez:)

The post [MDGram] Plus এর থেকেও ভালো Telegram Unofficial Mod, iPhone Themed & Material You appeared first on Trickbd.com.


Sunday, October 2, 2022

অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-৩) ডাটা টাইপ (ইনপুট ও আউটপুট)

অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-৩) ডাটা টাইপ (ইনপুট ও আউটপুট)

গত পর্বগুলো যারা পড়েন নি, তারা এই লিংক থেকে পড়ে আসতে পারেন।
পর্ব ১
পর্ব ২

এখন,

আজকের পর্বে আমরা যোগ করা শিখবো।

তবে তার আগে আমাদেরকে ভ্যারিয়েবল সম্পর্কে জানতে হবে।
সব প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এ ভ্যারিয়েবল নামক একটা জিনিস আছে যেটার কাজ হলো একটি মান বা ডাটা ধারণ করা। এটা মুলত কম্পিউটার মেমরিতে সংখ্যা বা বিভিন্ন ডাটা রাখার কাজ করে।
এবার জানতে হবে যে ভ্যারিয়েবল ডিক্লেয়ারেশন সম্পর্কে।
আপনার লেখা ভ্যারিয়েবল টা কী ধরণের সেটা কম্পিউটারকে জানানোর পদ্ধতিই হলো ভ্যারিয়েবল ডিক্লেয়ারেশন। আরো সহজ ভাবে বললে এমন যে, আপনি যখন ভ্যারিয়েবল এর একটি মান লিখলেন সেটা কোন ধরনের মান সেটা কম্পিউটার কে জানানোই হলো ভ্যারিয়েবল ডিক্লেয়ারেশন।

মনে করুন, আপনি একটি দোকানে ডিম কিনতে গেলেন।
আপনিঃ ভাই, আমি ডিম কিনবো।
দোকানদারঃ কীসের ডিম নিবেন?
আপনিঃ মুরগির ডিম।
দোকানদারঃ দেশি ডিম নাকি হাইব্রিড?
আপনিঃ দেশি ডিম ১০ টা ও হাইব্রিড ডিম ২০ টা।

এখন খেয়াল করুন, এখানে এখানে দোকানদার হলো কম্পিউটার। ডিম হলো ভ্যারিয়েবল। দোকানদারের কাছে কিন্তু অনেক ধরণের ডিম থাকে, কিন্তু আপনি নির্দিষ্ট করে বললেন যে আপনি মুরগির ডিম নিবেন তখন আপনি ভ্যারিয়েবল ডিক্লেয়ারেশন করলেন। এরপর আপনি যে বললেন দেশি ডিম নিবেন ১০ টা ও হাইব্রিড ডিম নিবেন ২০ টা, এখানে ১০ ও ২০ হলো ডাটা।

আসুন এবার হিসাব করি যে আপনি মোট কয়টি ডিম নিলেন।

এখানে ডাটা আছে ১০ ও ২০ যেটা পুর্ণসংখ্যা।
তাহলে আমাদের ভ্যারিয়েবল ডিক্লেয়ারেশন হবে int
int শব্দটা আপনাকে মনে রাখতে হবে। যখন ডাটা সংখ্যাবাচক হবে তখন এটা লিখতে হবে। এই শব্দ টা এসেছে integer হতে যেটার অর্থ হলো পূর্ণসংখ্যা।

তাহলে,
ডিম= int

মনে করি,
দেশি ডিম= a
হাইব্রিড ডিম= b
মোট ডিম= sum
এখানে আপনি চাইলে যেকোনো শব্দ ধরে নিতে পারেন। নিজের নাম লিখলে চাইলে সেটাও আপনার ইচ্ছা।

এখন, দেশি ডিম নিয়েছি ১০ টা আর হাইব্রিড ডিম নিয়েছি ২০ টা।
তাহলে,
a=10
b=20
sum=a+b

আমরা জানি যে এর উত্তর কত, কিন্তু সেটা বিষয় না, উত্তর টা প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে বের করাটাই বিষয়।

তাহলে এবার আমরা প্রোগ্রামটি লিখবো এভাবে-


#include <stdio.h>
int main ()
{

int a;
int b;
int sum;

a=10;
b=20;
sum=a+b;

printf(“Total eggs %d”, sum);

return 0;

}


এবার দেখুন আউটপুট

আসুন বুঝার চেস্টা করি ভ্যারিয়েবল গুলো।
int a;
int b;
int sum;
এগুলো দিয়ে বুঝিয়েছি যে a, b ও sum এর ডেটা গুলো পুর্নসংখ্যা।
printf() ফাংশনের কাজ তো জানেন ই।
এর ভেতরে কোটেশনের মধ্যে আপনি যা লিখবেন সেটাই শো করবে। কিন্তু আমরা %d লিখেছি। এটা একটি নির্দেশক যেটা একটা নির্দিষ্ট ইন্টিজার এর মান দেখাবে। খেয়াল করে দেখুন আমি ঐখানে কোটেশন শেষে কমা চিহ্ন দিয়ে sum লিখেছি, তাই %d আমাদেরকে sum এর মান দেখাবে।

বুঝতে অসুবিধা হলে পরের উদাহরণ গুলো দেখুন, বুঝতে পারবেন।


এবার বুঝতে পারছেন %d এর কাজটা?

এখন আমরা একটু সহজ করে লেখা শিখবো। প্রোগ্রাম যতো অল্প শব্দ ব্যবহার করে লেখা যায় ততই ভালো, তবে খেয়াল রাখতে হবে যে আমাদের রেজাল্ট এর যেন কোনো পরিবর্তন না ঘটে।

তাহলে,
int a;
int b;
int sum;
এখানে দেখুন সব গুলোই int এর আওতায়, তাই আমরা এগুলোকে এক স্টেটমেন্টেই লিখতে পারি।
অর্থাৎ,

int a, b, sum;

তাহলে আমাদের প্রোগ্রামটি হবে এমন-

এটা রান করুন, রেজাল্ট সেম আসবে।
এখন, আমরা আরো একধাপ সংক্ষিপ্ত করবো।

a=10;
b=20;
sum=a+b;
এই মান গুলো কে যদি আমরা int a, b, sum; এই স্টেটমেন্টের সাথে যুক্ত করি, তাহলে কেমন হয়?
দেখুন,

এবারও রান করে দেখুন রেজাল্ট সেম ই আসবে।

এই চ্যাপ্টার এই পর্যন্ত ই। এবার একটু উপর লেভেলে যাবো।


#include <stdio.h>
int main ()
{

int a=10;
int b=20;
int c=30;
int d=40;
int e=50;

int sum1=a+b+c;
int sum2=b+c+d;
int sum3=c+d+e;

printf(“First Sum is %d”, sum1);

printf(“Second Sum is %d”, sum2);

printf(“Third Sum is %d”, sum3);

return 0;

}


এই প্রোগ্রাম রান করলে রেজাল্ট কী আসবে আগে ভাবুন, তারপর নিচের ছবিটা দেখুন।

তিনটা আলাদা আলদা উত্তর। ☺

কিন্তু……..

একটা সমস্যা এখনো রয়ে গেছে। রেজাল্ট টা একদম খিচুড়ি হিয়ে গেছে, তাইনা? 😅

তাহলে এখন আমরা শিখবো রেজাল্ট কীভাবে একাধিক লাইনে পাওয়া যায়।

এটা সিম্পল।

%d এর জায়গায় %d\n লিখুন কাজ হয়ে যাবে।
দেখুন-

আউটপুট-

দেখেছেন? কতো সুন্দর লাগছে এখন।

কিন্তু….. এখনো আরো “কিন্তু” বাকি আছে। 😅

হ্যা, যেটা ভাবছেন সেটাই। আমরা যে এতো বড় একটা প্রোগ্রাম লিখে ফেললাম, এখন সেটা সংক্ষেপে লেখার ট্রাই করবো।

ডিম এর প্রোগ্রাম টা যেভাবে ছোট করেছি এটাও যদি সেভাবে ছোট করি, তাহলে কী হবে বলুন তো?
আগে আপনি নিজের মতো করে করুন, তারপর আমারটা দেখুন, তাহলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি শিখতে পেরেছেন কিনা।

আসুন প্রথমে int গুলো সব এক জায়গায় লিখি।

এবার printf() এক জায়গায় করি।

আবার নিচের মতোও লিখতে পারেন। ইচ্ছা।

এবার দেখুন আউটপুট সেম।

আজ এ পর্যন্তই।

আশা করি বুঝাতে পেরেছি।


আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে এতো বড় বড় প্রোগ্রাম লিখে মাত্র এক/দুই লাইনের রেজাল্ট?!
ধৈর্য্য ধরুন, আর কয়েকদিন পর ই বুঝতে পারবেন। তখন ২ লাইন প্রোগ্রাম লিখে ২০০ লাইনের রেজাল্ট পেতে পারবেন। ☺
এটা তো ব্যাসিক। হাতেখড়ি বলতে পারেন। ধীরে ধীরে উপর লেভেলে উঠতে থাকলে বুঝবেন যে প্রোগ্রামিং এর আসল তৃপ্তি কোথায়।

The post অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-৩) ডাটা টাইপ (ইনপুট ও আউটপুট) appeared first on Trickbd.com.


কিভাবে কোনো ফাইলের ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক বের করবেন (IDM ব্যবহার করে)

কিভাবে কোনো ফাইলের ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক বের করবেন (IDM ব্যবহার করে)

আসসালামু আলাইকুম। ট্রিক বিডি তে লেখা এটি আমার প্রথম পোস্ট।

কোন ফাইলের লিঙ্ক শেয়ার করার সময় আমরা প্রায়ই একটি সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। সেটি হচ্ছে আসল লিঙ্ক না পাওয়া।  যে লিঙ্কটি দেয়া থাকে, সেটিতে ক্লিক করলে হাজারো Redirection এবং Ad যুক্ত সাইটে চলে যায়। যেটি খুবই বিরক্তিকর। যাকে আমরা লিঙ্কটি শেয়ার করি সে-ও সমান বিরক্তির শিকার হয়ে যান। বিশেষ করে Author রা বড় কোন ফাইল শেয়ার করার সময় সেই Ad যুক্ত লিঙ্ক শেয়ার করতে বাধ্য হন। কেননা Ad যুক্ত লিঙ্ক থেকে ফাইল ডাউনলোড করে সেটি আবার Google Drive এ আপলোড করা খুবই কষ্টকর।

আজকে আমরা IDM (Internet Download Manager) ব্যবহার করে কিভাবে কোন ফাইলের ডাইরেক্ট লিঙ্ক পাওয়া যায় সেটা শিখব।

আমরা এই ওয়েবসাইট থেকে আজকে একটা মুভি ডাউনলোড করব। শুরুতে একটি পেজ আসবে যেই পেজের নিচে আরেকটি লিঙ্ক থাকবে, যেটি ই হচ্ছে আসল ডাউনলোড লিঙ্ক। তারপর সেই লিঙ্ক এ আমরা ক্লিক করব।

তারপর IDM আপনাকে Download Window দেখাবে। এবং Start Download এ ক্লিক করলে আপনার মুভি ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।  কিন্তু আমাদের ফাইলটি ডাউনলোড নয়, Original Link টি দরকার। তাই Start Download এ ক্লিক না করে আমরা চিত্রে দেখানো Address bar থেকে লিঙ্ক টি Copy করব।

ব্যাস ! আপনি ফাইলটির Direct Download Link পেয়ে গেলেন। এই লিঙ্কটির নাম Direct Link কারণ, লিঙ্কটিতে ক্লিক করলে যেকোনো ফাইল Automatic Download হওয়া শুরু করে। এই পদ্ধতিটি শুধু মুভির সাইট ই নয়, যেকোনো সাইটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেকোনো ফাইলের Direct Download Link বের করে ফেলুন খুব ই সহজে।

আশা করি সবাই Process টি বুঝতে পেরেছেন।

 

The post কিভাবে কোনো ফাইলের ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক বের করবেন (IDM ব্যবহার করে) appeared first on Trickbd.com.


চোখের সামনে থাকা ভালোবাসাটা আমরা সহজে বুঝতে পারিনা Thiruchitrambalam (2022) সিনেমা রিভিউ No Spoiler

চোখের সামনে থাকা ভালোবাসাটা আমরা সহজে বুঝতে পারিনা Thiruchitrambalam (2022) সিনেমা রিভিউ No Spoiler

Thiruchitrambalam (2022)
Personal Rating : 9/10
Genres : Comedy, Drama, Musical
Run Time : 2 Hour 10 minute
IMDB : 8.0/10 (7.1K)
Language : Tamil (হিন্দি Dubbed আছে তবে তা Original কিনা জানি না।)

আসলে সত্যি বলতে কী এই ধরনের সিনেমা গুলোর কোন তুলনাই হয়না। আসলে এই সিনেমাগুলো আমাদের ভিতরের ঐ স্বচ্ছ অনুভূতিটাকে জাগিয়ে তোলে। আমি বলতে পারি এই সিনেমাটি দেখলে আপনার সময়টি নষ্ট হবে না। এই সিনেমাটির গল্প সাধারন হলেও এই সিনেমাটি অসাধারণ এর মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। থিরুচিত্রাম্বালাম এই সিনেমাটি আমার মতে এই বছরের সেরা সিনেমা গুলোর মধ্যে একটি।

No Spoiler

কোন এক বৃষ্টির রাতে ধানুশ স্কুটিতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। তখন হঠাৎ তার স্কুটিটি নষ্ট হয়ে যায় ফলে ধানুষ সেখানেই আটকা পড়ে যায়। ধানুষ তখন ঐ বৃষ্টির রাতে তার বেস্ট ফ্রেন্ডকে ম্যাসেজ করে সে যেনো তাকে এসে নিয়ে যায়। নিত্যা ধানুশের উপর রেগে থাকার পরেও তাকে সাহায্য করতে চলে আসে।

এখানে ধানুশের সব ধরনের বিপদে নিত্যা  বারবার ছুটে এসেছে। নিত্যা মিনান অভিনয়ের কথা বলতে গেলে এক কথায় অসাধারন । নিত্যা মিনান এর যে কয়টা মুভি দেখেছি সব  গুলোতেই তার অভিনয় আমার মন কেড়েছে। এই থিরুচিত্রাম্বালাম মুভিতে শোবানা চরিত্রে নিত্যা মিনানকে অনেক সুন্দর মানিয়েছে। আর অন্যদিকে ধানুশ তার কথা আর কী বলবো। আপনারা জানেন ধানুষের অভিনয় সম্পর্কে।আসলে চোখের সামনে থাকা ভালোবাসাটা আমরা সহজে বুঝতে পারিনা। আমাদের প্রায় প্রত্যেকেরই জীবনে এমন কয়েকজন মানুষ থাকে যে বা যারা আমাদের অনেক গুরুত্ব দেই তারা সুখে/ দুঃখে সব সময় আমাদের পাশে থাকে। আমাদের ভালো চাই আমাদের জন্যই তাদের জীবন উৎসর্গ করে দেই।

তারপরেও আপনি সেই মানুষটিকে অবহেলার কাতারে ফলে  রেখেছেন। আর আপনি ভুল ভুল মানুষের পেছোনেই সব কিছু দিয়ে যাচ্ছেন। এখনে আপনি যেই মানুষটিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছেন সে কিন্তু আবার আপনাকে আপনাকে অবহেলায় ফেলে রেখেছে। প্রকৃতির এই রকম হিসেবটা বড়ই অদ্ভুত। আর এই ঘটনাগুলোকে সুন্দর ভাবে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে এই সিনেমায়।

শেষে একটা কথায় বলা  আপনার জীবনকে সেই সব মানুষের জন্য উৎসর্গ করুন যেই মানুষগুলো আপনাকে ভালোবাসে আপনাকে যত্ন করে । এই রকম মানুষ গুলকেই আমরা অবহেলা করি, রাগ দেখাই তারপরেও তারা আমাদের বিপদে এগিয়ে আসে। এমন মানুষ ভুলোকে কখনও অধিকার থেকে বঞ্চিত করা উচিত না।

এই মুভিটি এখনও না দেখে থাকলে দেখে নিতে পারেন। নিঃস্বন্দেহে এই সিনেমাটি আপনার সময় নষ্ট করবে না।


Download Now 720p
Download Now 480p


তবে যেকোনো মুভির Update / Download Link এর জন্য নিচের Telegram Group এ জয়েন হতে পারেন। সেখানেই এই মুভির লিংকটা পেয়ে জাবেন।

Join Telegram Group


লিখার মধ্যে কোনো ভুল করে থাকলে বা আমার লিখা আপনার ভালো না লাগলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।

আল্লাহ হাফেজ

The post চোখের সামনে থাকা ভালোবাসাটা আমরা সহজে বুঝতে পারিনা Thiruchitrambalam (2022) সিনেমা রিভিউ No Spoiler appeared first on Trickbd.com.


Apple vs Samsung | | বিশ্ব বাজারে কে এগিয়ে রয়েছে? Deep Analysis

Apple vs Samsung | | বিশ্ব বাজারে কে এগিয়ে রয়েছে? Deep Analysis

আশা করছি সবাই ভালো আছেন। আমার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য মূলত কিছু মাস পোস্ট দেওয়া বন্ধ ছিল। তবে আবার রেগুলার আপনাদের মাঝে হাজির হব।

বর্তমানের বাজারে ১৭০টির-ও বেশি স্মার্টফোন কোম্পানি রয়েছে। যারা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে নতুন নতুন ফিচার উদ্ভাবনের মাধ্যমে ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে। আজকে আমরা এই প্রতিযোগিতামূলক বাজারের দুইটি সব থেকে বড় ও প্রতিদ্বন্দ্বী টেক জায়েন্ট নিয়ে আলোচনা করব।স্যামসাং এবং অ্যাপল, আজকে আমরা বিভিন্ন বিষয় এবং ফ্যাক্ট বিশ্লেষণের মাঝে এই দুটি কোম্পানি মধ্যে তুলনা করব আর দেখব স্মার্টফোন জগতে কে কতটুকু এগিয়ে।

অনেক গুলো ব্র‍্যান্ড থাকা সত্ত্বেও সাউথ কোরিয়ার স্যামসাং আর আমেরিকার অ্যাপল নানা ভাবে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ডেটা অনুযায়ী পৃথিবীর প্রতি ৩ জন স্মার্টফোন ব্যাবহারকারীর মধ্যে ১ জন স্যামসাং ব্যাবহার করেন। আর বিশ্বের ৬ বিলিয়ন স্মার্টফোন ব্যাবহার কারীর মধ্যে ১ বিলিয়ন ব্যবহারকারী অ্যাপলের আইফোন ব্যাবহার করেন। একদিকে যেমন কোম্পানি দুটি একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতায় রয়েছে, তেমনি তাদের ব্যাবহারকারীদের মধ্যেও নানা সময়ে চলে নানা রকম তর্ক-বিতর্ক। তাই চলুন আমরাও এই কোম্পানি দুটির বিভিন্ন বিষয় যেমন:সেলস, মার্কেট শেয়ার, রেভেনিউ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে একটি তুলনামূলক আলোচনা দেখি।

প্রথমেই দুই কোম্পানির ইতিহাস ছোট্ট করে জেনে নেই।
অ্যাপলের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে আপনারা সবাই টুকটাক জানেন। স্টিভ জবস, স্টিভ ওয়াজনিয়াক ও রোনাল্ড ওয়েন নামের তিনজন ছেলে তাদের গ্যারেজে বসে অ্যাপল-১ নামের কম্পিউটার বানানো শুরু করে। আর ১ এপ্রিল ১৯৭৬ সালে তারা অ্যাপলের প্রতিষ্ঠা করে। তারপর ১৯৭৭ সালে পৃথিবীর প্রথম কালার গ্রাফিক্স কম্পিউটার হিসেবে অ্যাপল-২, কম্পিউটার জগতে এক রেভুলোশন নিয়ে আসে। তিন যুগ পরে অ্যাপল ২০০৭ এ তাদের প্রথম স্মার্টফোন বাজারে আনে। যা অনেক সাকসেসফুল হয়। এমনকি এই সাকসেস এর কারণে এখনো অ্যাপল তাদের মোট মুনাফার অর্ধেক এই স্মার্টফোন থেকেই আয় করে। অ্যাপলের আইফোন এত সাকসেস হয় যে, এখন এইটি গ্লোবালি এরিস্ট্রোক্রেসি এবং প্রিমিয়ামের একটি সিম্বল হিসেবে উঠে এসেছে।
অন্যদিকে যদি আমরা স্যামসাং এর কথা বলি, তাহলে আপনার জেনে অবাক লাগবে এইটি প্রথমে একটি ট্রেডিং কোম্পানি ছিল। ১৯৩৪ সালে বায়ুং চুল নুডলস,ড্রাই ফিশ এবং বিভিন্ন দ্রব্য বিক্রি শুরু করে।তারপর ইন্সুরেন্স সিকিউরিটি রিটেইল ইত্যাদি ইন্ড্রাস্ট্রিতেও ব্যাবসাকে সম্প্রসারণ করে। ১৯৬০ এর দিকে স্যামসাং বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ম্যানুফেকচার করা শুরু করে। ১৯৮৮ সালে স্যামসাং তাদের প্রথম সেলফোন বাজারে ছাড়ে। এর পর বিভিন্ন ধরনের ফোন বাজারে এলেও তা আইফোনের ধারে কাছেও ছিল না। কিন্তু ২০০৯ এ যখন তাদের গ্যালাক্সি সিরিজ বাজারে আসে তখন তা অনেক জনপ্রিয় হয়। ফল সরূপ অ্যাপলের একটি ভালো প্রতিযোগী সৃষ্টি হয়।

যদিও অ্যাপল আগে থেকেই বিভিন্ন ফোন পার্টসের জন্য স্যামসাং এর উপর ডিপেন্ডেবল ছিল এবং এখনো রয়েছে। যার ফলে এই দুই কোম্পানি বাজারে প্রতিযোগী হলেও এদের মধ্যে ভালো পার্টনারশিপ দেখা যায়। কিন্তু ২০০৯ এ গ্যালাক্সি ফোন বাজারে আসার পর যখন ভালো হাইপ সৃষ্টি হয় তখন স্টিভ জবস বলেছিল স্যামসাং অ্যাপলের সম্পূর্ণ কপি এবং স্টিভ জবস এড্রোয়েডের উপর থার্মোনিউক্লিয়ার ওয়ারের ইঙ্গিত দিয়েছিল। সে সময় সে বলেছিল, স্যামসাং ডিরেক্ট অ্যাপলের ডিরেক্ট কপি এবং তাই তিনি এর বিরুদ্ধে মামলা করবেন। তবে স্যামসাং যেহেতু অ্যাপল স্মার্টফোন তৈরি সরঞ্জামের মেজর সাপ্লায়ার ছিল তাই রিলেশন খারাপ হওয়ার ভয়ে স্টিভ জব সেই সিন্ধান্ত থেকে পিছু হটে যায়।

কিন্তু ২০১১ তে অ্যাপল পেটেন্ট ইম্প্রিজমেন্ট এর জন্য স্যামসাং-এর বিরুদ্ধে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের একটি মামলা দায়ের করে। যার কাউন্টার সরূপ স্যামসাং – ও অ্যাপলের বিরুদ্ধে ৫টি পেটেন্ট ইম্ফ্রিজমেন্টের মামলা দায়ের করে। এভাবে বেশ কয়েকবার মামলা কাউন্টার মামলা চলার পর আল্টিমেটলি আদালত অ্যাপলের দিকে রায় দেয় এবং স্যামসাং-কে ১ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করে।তবে পরবর্তীতে বেশ কিছু ট্রায়াল হওয়ার পর এই এমাউন্ট কমায় স্যামসাং। এই ট্রেজেডিকে স্যামসাং অ্যাপল পেটেন্ট ব্যাটেল নামেও পরিচিত। এত কিছুর পরেও স্যামসাং তাদের জায়গায় টিকে থাকে, প্রতিনিয়ত নানা ধরনের ফিচার এড করে নতুন নতুন ফোন বাজারে আনে এবং তা ক্রেতাদের দৃষ্টি তাদের দিকে রাখতে সক্ষম হয়।

এতক্ষণ আমরা অতীতের কিছু হিস্ট্রি জানলাম। এখন আমরা বর্তমানের কিছু ডেটা এনালাইস করার চেষ্টা করব।

মার্কেট শেয়ার:

যদি মার্কেট শেয়ারের কথায় আসি তাহলে লেটেস্ট ডেটা অনুযায়ী স্যামসাং ২০২২ এর প্রথম কোয়াটারে হাইয়েস্ট সেলস এর রেকর্ড করে। স্যামসাং প্রায় ৭৩ মিলিয়ন সেল ফোন বিক্রির মাধ্যমে গ্লোবাল মার্কেটের ২৩% দখল করে।

অন্যদিকে অ্যাপল ৫৬ মিলিয়ন সেল ফোন বিক্রি করে ১৮% মার্কেট শেয়ার নিয়ে স্যামসাং এর পরে ২য় স্থানে রয়েছে। আর যদি আমাদের দেশের হিসেব করি তবে এখানে ২৪.৩১% শেয়ার নিয়ে সবথেকে বড় সরবরাহকারী হিসেবে ১ম স্থানে রয়েছে। আমাদের লিস্ট ডেভোলোপিং দেশে অ্যাপল তেমন সুবিধা করতে পারে নি। অ্যাপলের মার্কেট শেয়ার ৩.৮১%।
তবে হ্যা এখানে অনেক এক্সপার্ট বলেন, যদিও স্যামসাং গ্লোবাল মার্কেট শেয়ারে এগিয়ে তবে প্রিমিয়াম সেগমেন্টে ১ম স্থানে অ্যাপলই রয়েছে।এমনকি অ্যাপলের IPhone 13 এর স্মার্টফোনগুলো ২০২২ এর ১ম কোয়াটারে প্রিমিয়াম সেগমেন্টে মোট বিক্রি ২/৩ ভাগ দখল করে । যা মূলত ইউএস, চাইনা আর ইউরোপীয় দেশগুলোতে বিক্রি ফলে এচিভ করতে পেরেছে।

মার্কেট ক্যাপ ও রেভেনিউ:

যদিও গ্লোবালি স্মার্টফোন সেলিং এর দিকে স্যামসাং এগিয়ে তবে মার্কেট ক্যাপ আর রেভেনিউয়ের দিকে ১ম পজিশনে স্যামসাংই রয়েছে।অ্যাপলের টোটাল মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশ ২.২২ ট্রিলিয়ন ডলার। যা অ্যাপলকে বিশ্বের মোস্ট ভ্যালুএবল কোম্পানি করে। অ্যাপল যদি একটি দেশ হতো তাহলে তা হতো বিশ্বের ৮ম বৃহৎ GPD। অ্যাপল দুনিয়ার সব থেকে রিচয়েস্ট কোম্পানি এটা বলাই যায়। অন্যদিকে স্যামসাং এর মার্কেট ক্যাপ ২৪৭ বিলিয়ন ডলার যা ১০ম সব থেকে বড় টেক জায়েন্ট কোম্পানির জায়গায় বসিয়েছে এবং বিশ্বের ২৮তম সব থেকে বড় কোম্পানি।

যদি মুনাফার দিক বিবেচনা করি, তাহলে অ্যাপল স্মার্টফোন বিক্রির মাধ্যমে ২০২১ সালে বার্ষিক ১৯৬ বিলিয়ন ডলার মুনাফা জেনারেট করে, যা স্মার্টফোন মার্কেটে টোটাল রেভেনিউ এর ৪৪%। অন্যদিকে স্যামসাং স্মার্টফোন বিক্রি করে প্রায় ৭২ বিলিয়ন ডলার মুনাফা করে। যা ২০২০ সালের তুলনায় ১১% বেশি।এই আয়ে সব থেকে বেশি কন্ট্রিবিউট করে স্যামসাং এর S, M ও A সিরিজের ফোন গুলো। স্যামসাং এর ফোল্ডিং ফোনও ভালো পারফরম্যান্স দিচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা। তাদের এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ মিলিয়ন ফোল্ডিং ফোন বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে। যা নিঃসন্দেহে স্যামসাং-কে ফোল্ডিং ফোনের দুনিয়ায় রাজা বানিয়ে রেখেছে বলা যায়। এবং কোম্পানি আশা করে সামনে প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এই ফোন অ্যাপলকে ভালো টক্কর দিবে।সামনে স্যামসাং এর প্রিমিয়াম স্মার্টফোন সেগমেন্ট এর ৫০% এই ফোল্ডিং ফোন দখল করবে বলে জানিয়েছেন কোম্পানির অফিসিয়ালরা।

সিকিউরিটি:

সবার ধারণা অনুযায়ী অ্যাপলের ফোন গুলো বেশি সিকিউরিটি প্রোভাইড করে। যা বলতে গেলে সত্যি। কেননা যদি সিকিউরিটিএর দিকে তাকাই তবে অ্যাপল অনেক খানি এগিয়ে। অ্যাপল তাদের নিজেদের অ্যাপ ইকোসিস্টেম ব্যাবহার করে।তাদের রয়েছে নিজেদের অ্যাপ স্টোর। অন্যদিকে স্যামসাং এর জন্য সমস্যা হলো তাদের অ্যাপ সার্ভিসের জন্য গুগলের উপর নির্ভর করতে হয়।তবে গুগলের সার্ভিস যে খারাপ তা নয়, তবে অ্যাপল এর কাছে তা সব সময় জুনিয়র হিসেবেই থেকে এসেছে। যদিও স্যামসাং এর রয়েছে নিজেদের সিকিউরিটি সিস্টেম নক্স তবে তা সত্ত্বেও যেহেতু গুগলের সার্ভিস ব্যাবহার করছে তাই গুভল এডভার্টাইজমেন্ট এর জন্য ইউজারদের পার্সোনাল ডেটা বরাবরই কালেক্ট করে আসছে। আর ইউজার ইনফরমেশন সিকিউরিটি এর দিক থেকেও অ্যাপলকেই সুপিরিওর মানা হয়।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবদান:

দেশের মোট GDP তে অবদানের ক্ষেত্রে স্যামসাং অনেক এগিয়ে। কিছু ওয়েব সাইটের তথ্যর মতে স্যামসাং-এর সাউথ কোরিয়ার GDP-তে ২০% অবদান রয়েছে। অন্যদিকে ইউএস এর GDP তে অ্যাপলের কন্ট্রিবিউশান প্রায় ৫ শতাংশ। অনেক তথ্যর মতে তা আরো কম। তবে এখানে এই দুটি কোম্পানির এত বড় পার্থক্যর কারণ হলো দুটি দেশের মোট GDP। ইউএস এর GDP ২২ ট্রিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি। অন্যদিকে সাউথ কোরিয়ার GDP ১.৮৮ ট্রিলিয়ন ডলারের।
অ্যাপল বলেছে যে তারা ইউএস এর ইকোনমিতে ৪৩০ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করবে এবং বিশ হাজার নতুন জব তৈরি করবে। বর্তমানে অ্যাপলে টোটাল ১লাখ ৫৪ হাজার লোক কাজ করছে। এসবের পর অ্যাপল হচ্ছে ইউএস এর সব থেকে বড় টেক্সপেয়ার কোম্পানি। অন্যদিকে স্যামসাং- টোটাল আড়াই লাখেরও বেশি লোক কাজ করছে বিশ্বব্যাপী। তাছাড়া তাড়া বলেছে যে সামনে তারা ৩৫০ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করবে যার সাথে নতুন ৮০হাজার জব অফার তৈরি হবে।

পরিবেশ রক্ষা

এই সব দিকের পরেও দুটি কোম্পানি নিজ নিজ জায়গা থেকে এনভায়রনমেন্ট উন্নয়ন ও রক্ষায় ভূমিকা পালন করছে। তবে এই সেক্টরে অ্যাপল এনভায়রনমেন্টকে টপ পাইরোটিতে রেখেছে। তারা তাদের বক্স ছোট ও বক্সে কম প্লাস্টিক ব্যাবহার করার জন্য চার্জার সহ বিভিন্ন এক্সেসোরিস দেওয়া বন্ধ করেছে। তাছাড়া তারা বলেছে সামনে অ্যাপল সম্পূর্ণ ১০০% রিসাইকল মেটেরিয়াল দিয়ে বানানো হবে।ইতোমধ্যেই অ্যাপল পুরাতন ওয়েস্ট ফোন গুলো থেকে নানা নানান পার্টস সংগ্রহ করে পুনরায় ব্যাবহার করছে। তারা এই কাজের জন্য দুটি স্পেশাল রোবট-ও বানিয়েছে। তাছাড়া ম্যাকে ব্যাবহার করা এলুমিনিয়াম এর ৪০% রিসাইকেল করা হয় বলে জানিয়েছে অ্যাপল। অ্যাপলের আইফোন-১২ প্রায় ৯৮% রিসাইকল মেটেরিয়াল দিয়ে বানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যাপল কতৃপক্ষ। রিসেন্ট অ্যাপল ফাইবার বেইসড প্যাকেজিং-ও শুরু করেছে যাতে প্লাস্টিকের উপর নির্ভরশীলতা কমেছে অনেকাংশেই। অপরদিকে স্যামসাং নিজে এখনো এমন কোনো উদ্যোগের কথা অফিসিয়ালি বলে নি। তবে তারাও এমন কাজ অনেক আগে থেকেই শুরু করেছে। তারা ২০১০ এ ইকো রিসাইকল নামের একটি প্রজেক্ট স্টার্ট করেছিলো, যেখানে রাশিয়ার স্যামসাং আউটলেট গুলোতে স্পেশাল ওয়েস্ট বক্স ইন্সটল করা হয়। যার ফলে এখন পর্যন্ত রাশিয়াতে প্রায় ৫০০ টন ইলেকট্রনিক ওয়েস্ট কালেক্ট করেছে। তাছাড়া তারা বলেছে তারা ১৯৯৮ সাল থেকেই পরিবেশ রক্ষার্থে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন ১৯৯৮ সালে তারা রিসাইকেল সেন্টার স্ট্যাবলিশ করে।বেশ কিছুদিন আগে স্যামসাং RE-100 নামের একটি প্রজেক্টে নিজেদের যুক্ত করে। যেখানে স্যামসাং আগামী ৫ বছরে সম্পূর্ণভাবে রিনিউএবল এনার্জি কাজে লাগাবে।

এখন পর্যন্ত আমরা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে দুটি কোম্পানির নানা বিষয় বিশ্লেষণ করেছি। তবুও এসবের পরও এইটা ডিসাইড করা কষ্ট সাধ্য যে কোন কোম্পানি বিশ্বের বাজারে ১ম স্থানে রয়েছে। একদিকে যেমন অ্যাপল তাদের আইফোন দিয়ে বিশ্বের প্রিমিয়াম সেগমেন্টে রাজত্ব করছে, অপরদিকে স্যামসাং প্রিমিয়াম ও মিডরেঞ্জ বাজার মিলিয়ে অধিক মার্কেট শেয়ার দখল করে আছে। দুটি কোম্পানিই নানা ভাবে সোস্যাল ও এনভায়রনমেন্টাল এক্টিভিটি চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া দুটি কোম্পানিই গবেষণার মাধ্যমে বিশ্বের মধ্যে নতুন নতুন প্রযুক্তির ছোয়া এনে দিচ্ছে।

সর্বোপরি আমাদের এই দুটি কোম্পানি থেকে ব্যাক্তি, সামাজিক ও কর্পোরেট পর্যায়ে অনেক কিছু শিখার রয়েছে।
আশা করছি আপনাদের এই আলোচনা ভালো লেগেছে। আপনাদের মতামত বা এই রিলেটেড নতুন কোনো ফ্যাক্ট জানান কমেন্ট করে। ভালো থাকুক সুস্থ থাকুন।

একরাম আহমেদ শিশির (২/১০/২০২২)

The post Apple vs Samsung | | বিশ্ব বাজারে কে এগিয়ে রয়েছে? Deep Analysis appeared first on Trickbd.com.


Anime Lovers রা দেখে নিন এখন পর্যন্ত আমার খেলা সবচেয়ে Best Naruto & My Hero Academia Android Game!

Anime Lovers রা দেখে নিন এখন পর্যন্ত আমার খেলা সবচেয়ে Best Naruto & My Hero Academia Android Game!

আসসালামু আলাইকুম,

কেমন আছেন সবাই? আশা করছি মহান আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালোই আছেন।

সম্প্রতি Anime Type Android Games নিয়ে পোস্ট দেওয়া শুরু করেছি। ইতোমধ্যেই কিছু জনপ্রিয় Anime Series এর Games নিয়ে Already Post করে ফেলেছি।

আরো করবো। করার চেষ্টা করবো। যাই হোক, আজকের মূল টপিক হচ্ছে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় দুইটি Anime Series – Naruto এবং My Hero Academia কে নিয়ে।

যে দুটি গেম নিয়ে আজ লিখছি সে দুটি গেমই মূল Anime Series এর Storyline এর ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে Official ভাবেই।

এই দুটি গেমই আমার দেখা সেরা Anime Type Game মনে হয়েছে Android Platform এর জন্যে। দুটি গেমেরই আলাদা আলাদা প্রচুর বিশেষত্ব রয়েছে। তাই দুটি গেমই ডাউনলোড করে খেলার সাজেশন দিবো।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাওয়া যাক আমাদের মূল পোস্টে।

💣 Game Name : Naruto X Boruto Ninja Voltage

💣 Game Link : https://m.apkpure.com/naruto-x-boruto-ninja-voltage/com.bandainamcoent.ninjavoltage_app

💣 Game Developer : Bandai Namco Entertainment

 

অনেকেই হয়তোবা এই গেমটি সম্পর্কে জানেন। তবে যারা জানেন না তাদের জন্যেই পোস্ট করা। যাই হোক, এই গেমটিতে Naruto Shippuden আর Boruto কে এবং তাদের প্রায় সকল Characters (Main Storyline এর সাথে সংযুক্ত) দের নিয়ে এখানে খেলতে পারবেন।

সেসব Characters কে Upgrade করতে পারবেন। Characters গুলোকে নিয়ে Team বা Group বানিয়ে খেলতে পারবেন। এখানে Characters গুলোর Special Ability, Powerups গুলোও পেয়ে যাবেন।

Naruto Shippuden এর প্রচুর Characters আপনারা পেয়ে যাবেন।

কি কি Character নেই এখানে? Madara, Itachi, Kakashi, Naruto, Sakura, Boruto, Minato, kushina, Sasuke, Obito, Rin, Sarada, konohamaru, kisame, orochimaru, deidara, hidan, tsunade, jiraiya, hiruzen, kabuto, mitsuki, hinata ইত্যাদি ইত্যাদি সব Characters ই পেয়ে যাবেন এই গেমে।

এটি একটি Official Game হওয়ায় এখানে আপনি সকল Powers, Jutsu সবকিছুই পেয়ে যাবেন। আর গেমটির গ্রাফিক্সের তো কোনো তুলনাই নেই। এর গ্রাফিক্সের প্রেমে পড়ে যাবে যে কোনো Naruto প্রেমী।

এই গেমটিতে আপনি Main Storyline এর পাশাপাশি Side Stories, Missions, Tasks ইত্যাদি পেয়ে যাবেন। গেমটি আমার কাছে এই কারনে ভালো লেগেছে যে এর ভেতরে Team Up করে খেলা যায়।

একদম হুবহু Naruto Anime তে যেভাবে Shinobi রা একসাথে হয়ে Mission এ যায় Team up করে একদম ঐরকমই। আর এই গেমের Story Writer ও Masashi Kishimoto যাকে আপনারা Naruto Lover রা তো চিনেনই কে।

Google Play Store এ গেমটি Available থাকলেও আমাদের দেশে তা Available নেই। তাই Apkpure থেকে Download করে নিবেন।

গেমটি কোটিবার ডাউনলোড ছাড়িয়ে গিয়েছে। Naruto Series এর বর্তমানের সবচেয়ে Popular Game গুলোর মধ্যে এই গেমটি পড়ে। আশা করছি Naruto Fans দের গেমটি ভালো লাগবে।

 

গেমটির কিছু Gameplay Screenshots :

 

💣 Game Name : My Hero Academia – The Strongest Hero

💣 Game Link : https://m.apkpure.com/mha-the-strongest-hero/com.sonypicturestelevision.myheroacademia

💣 Game Developer : Crunchyroll Games, LLC

এই গেমটি আমার দেখা ও খেলা সবচেয়ে বেস্ট Anime Type Android Game Till Now! এর পিছনে অনেক কারন রয়েছে।

তার ভিতরে প্রথম কারন হচ্ছে আমি একটি Anime Type Game এর ভিতরে যা যা আশা করেছি এখানে তার সব আছে৷ কোনো কিছুই বাদ নেই। এই গেমটি বিশাল বড় সাইজের। আর এর সাইজ অনুযায়ী গেমে কোনো আপস করা হয়নি।

গেমটি Official হওয়ায় গেমটিকে একদম Perfect ভাবে Develop করা হয়েছে। তাছাড়া My Hero Academia আমার পছন্দের একটি Anime। এই Anime আমাকে অনেক Motivate করেছে।

আর অনেকদিন পর এই গেমটি খেলার পর আমার ভিতরে সুন্দর এক অনুভূতি কাজ করেছে যা বলে বোঝানো সম্ভব না। সবার ক্ষেত্রে হয়তোবা সেটা না ও হতে পারে। কিন্তু এই গেমটি আমার কাছে প্রচন্ড ভালো লেগেছে।

এই গেমটিতেও আপনি পূর্বের গেমটির মতোই সকল Characters পেয়ে যাবেন Original Anime Series এর। এখানে আপনি একেবারে My Hero Academia-র Season 1 থেকে Storyline পাবেন।

গেমটি ভিষণ Addictive। একবার হাতে নিলে ছাড়তেই ইচ্ছা করে না একেবারে। গেমটির গ্রাফিক্স মারাত্তক লেভেল এর। কোনো তুলনাই হয় না এর গ্রাফিক্স এর।

তাছাড়া Original Japanese Voice Actors দের দ্বারা Dubbed হওয়ায় গেমটি খেলে একেবারে সম্পূর্ণ Anime এর স্বাদই আমি পেয়েছি।মনে হচ্ছিলো Anime Series টাতে আমি নিজে ঢুকে সব Control করছি।

Game টিতে Main Character হিসেবে আপনি Izuku Midoria কে নিয়েই খেলবেন। তবে All Might সহ আরো বিভিন্ন Characters নিয়েও খেলতে পারবেন।

যারা Online Games খেলে অভ্যস্ত তাদের কাছে এই গেমটি প্রচুর ভালো লাগবে। যদিও আগের গেমটিও অনলাইনই। তবুও বলে রাখা ভালো। যাই হোক, আশা করছি যারা My Hero Academia Lover রয়েছেন তাদের কাছে এই গেমটি ভালো লেগেছে।

গেমটির কিছু Gameplay Screenshots :

গেম দুটির সাইজ অনেক বেশি। ভিতর থেকে ডেটা ডাউনলোড হবে। তাই যারা regular games খেলেন আর wifi user তারা অবশ্যই গেম দুটি খেলে দেখবেন। দুটি গেমই আমার প্রচুর ভালো লেগেছে।

আশা করছি আপনাদেরও গেম দুটি ভালো লাগবে। তাহলে আজকের মতো এখানেই বিদায় নিতে হচ্ছে। ইনশাল্লাহ দেখা হবে পরের কোনো পোস্টে।

ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর ভালো না লাগলে কোনো নেগেটিভ কমেন্ট করার প্রয়োজন নেই।
ধন্যবাদ।
ট্রিকবিডির সাথেই থাকুন।
THIS IS 4HS4N
LOGGING OUT….

 

The post Anime Lovers রা দেখে নিন এখন পর্যন্ত আমার খেলা সবচেয়ে Best Naruto & My Hero Academia Android Game! appeared first on Trickbd.com.