Sunday, October 2, 2022

Anime Lovers রা দেখে নিন এখন পর্যন্ত আমার খেলা সবচেয়ে Best Naruto & My Hero Academia Android Game!

Anime Lovers রা দেখে নিন এখন পর্যন্ত আমার খেলা সবচেয়ে Best Naruto & My Hero Academia Android Game!

আসসালামু আলাইকুম,

কেমন আছেন সবাই? আশা করছি মহান আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালোই আছেন।

সম্প্রতি Anime Type Android Games নিয়ে পোস্ট দেওয়া শুরু করেছি। ইতোমধ্যেই কিছু জনপ্রিয় Anime Series এর Games নিয়ে Already Post করে ফেলেছি।

আরো করবো। করার চেষ্টা করবো। যাই হোক, আজকের মূল টপিক হচ্ছে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় দুইটি Anime Series – Naruto এবং My Hero Academia কে নিয়ে।

যে দুটি গেম নিয়ে আজ লিখছি সে দুটি গেমই মূল Anime Series এর Storyline এর ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে Official ভাবেই।

এই দুটি গেমই আমার দেখা সেরা Anime Type Game মনে হয়েছে Android Platform এর জন্যে। দুটি গেমেরই আলাদা আলাদা প্রচুর বিশেষত্ব রয়েছে। তাই দুটি গেমই ডাউনলোড করে খেলার সাজেশন দিবো।

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাওয়া যাক আমাদের মূল পোস্টে।

💣 Game Name : Naruto X Boruto Ninja Voltage

💣 Game Link : https://m.apkpure.com/naruto-x-boruto-ninja-voltage/com.bandainamcoent.ninjavoltage_app

💣 Game Developer : Bandai Namco Entertainment

 

অনেকেই হয়তোবা এই গেমটি সম্পর্কে জানেন। তবে যারা জানেন না তাদের জন্যেই পোস্ট করা। যাই হোক, এই গেমটিতে Naruto Shippuden আর Boruto কে এবং তাদের প্রায় সকল Characters (Main Storyline এর সাথে সংযুক্ত) দের নিয়ে এখানে খেলতে পারবেন।

সেসব Characters কে Upgrade করতে পারবেন। Characters গুলোকে নিয়ে Team বা Group বানিয়ে খেলতে পারবেন। এখানে Characters গুলোর Special Ability, Powerups গুলোও পেয়ে যাবেন।

Naruto Shippuden এর প্রচুর Characters আপনারা পেয়ে যাবেন।

কি কি Character নেই এখানে? Madara, Itachi, Kakashi, Naruto, Sakura, Boruto, Minato, kushina, Sasuke, Obito, Rin, Sarada, konohamaru, kisame, orochimaru, deidara, hidan, tsunade, jiraiya, hiruzen, kabuto, mitsuki, hinata ইত্যাদি ইত্যাদি সব Characters ই পেয়ে যাবেন এই গেমে।

এটি একটি Official Game হওয়ায় এখানে আপনি সকল Powers, Jutsu সবকিছুই পেয়ে যাবেন। আর গেমটির গ্রাফিক্সের তো কোনো তুলনাই নেই। এর গ্রাফিক্সের প্রেমে পড়ে যাবে যে কোনো Naruto প্রেমী।

এই গেমটিতে আপনি Main Storyline এর পাশাপাশি Side Stories, Missions, Tasks ইত্যাদি পেয়ে যাবেন। গেমটি আমার কাছে এই কারনে ভালো লেগেছে যে এর ভেতরে Team Up করে খেলা যায়।

একদম হুবহু Naruto Anime তে যেভাবে Shinobi রা একসাথে হয়ে Mission এ যায় Team up করে একদম ঐরকমই। আর এই গেমের Story Writer ও Masashi Kishimoto যাকে আপনারা Naruto Lover রা তো চিনেনই কে।

Google Play Store এ গেমটি Available থাকলেও আমাদের দেশে তা Available নেই। তাই Apkpure থেকে Download করে নিবেন।

গেমটি কোটিবার ডাউনলোড ছাড়িয়ে গিয়েছে। Naruto Series এর বর্তমানের সবচেয়ে Popular Game গুলোর মধ্যে এই গেমটি পড়ে। আশা করছি Naruto Fans দের গেমটি ভালো লাগবে।

 

গেমটির কিছু Gameplay Screenshots :

 

💣 Game Name : My Hero Academia – The Strongest Hero

💣 Game Link : https://m.apkpure.com/mha-the-strongest-hero/com.sonypicturestelevision.myheroacademia

💣 Game Developer : Crunchyroll Games, LLC

এই গেমটি আমার দেখা ও খেলা সবচেয়ে বেস্ট Anime Type Android Game Till Now! এর পিছনে অনেক কারন রয়েছে।

তার ভিতরে প্রথম কারন হচ্ছে আমি একটি Anime Type Game এর ভিতরে যা যা আশা করেছি এখানে তার সব আছে৷ কোনো কিছুই বাদ নেই। এই গেমটি বিশাল বড় সাইজের। আর এর সাইজ অনুযায়ী গেমে কোনো আপস করা হয়নি।

গেমটি Official হওয়ায় গেমটিকে একদম Perfect ভাবে Develop করা হয়েছে। তাছাড়া My Hero Academia আমার পছন্দের একটি Anime। এই Anime আমাকে অনেক Motivate করেছে।

আর অনেকদিন পর এই গেমটি খেলার পর আমার ভিতরে সুন্দর এক অনুভূতি কাজ করেছে যা বলে বোঝানো সম্ভব না। সবার ক্ষেত্রে হয়তোবা সেটা না ও হতে পারে। কিন্তু এই গেমটি আমার কাছে প্রচন্ড ভালো লেগেছে।

এই গেমটিতেও আপনি পূর্বের গেমটির মতোই সকল Characters পেয়ে যাবেন Original Anime Series এর। এখানে আপনি একেবারে My Hero Academia-র Season 1 থেকে Storyline পাবেন।

গেমটি ভিষণ Addictive। একবার হাতে নিলে ছাড়তেই ইচ্ছা করে না একেবারে। গেমটির গ্রাফিক্স মারাত্তক লেভেল এর। কোনো তুলনাই হয় না এর গ্রাফিক্স এর।

তাছাড়া Original Japanese Voice Actors দের দ্বারা Dubbed হওয়ায় গেমটি খেলে একেবারে সম্পূর্ণ Anime এর স্বাদই আমি পেয়েছি।মনে হচ্ছিলো Anime Series টাতে আমি নিজে ঢুকে সব Control করছি।

Game টিতে Main Character হিসেবে আপনি Izuku Midoria কে নিয়েই খেলবেন। তবে All Might সহ আরো বিভিন্ন Characters নিয়েও খেলতে পারবেন।

যারা Online Games খেলে অভ্যস্ত তাদের কাছে এই গেমটি প্রচুর ভালো লাগবে। যদিও আগের গেমটিও অনলাইনই। তবুও বলে রাখা ভালো। যাই হোক, আশা করছি যারা My Hero Academia Lover রয়েছেন তাদের কাছে এই গেমটি ভালো লেগেছে।

গেমটির কিছু Gameplay Screenshots :

গেম দুটির সাইজ অনেক বেশি। ভিতর থেকে ডেটা ডাউনলোড হবে। তাই যারা regular games খেলেন আর wifi user তারা অবশ্যই গেম দুটি খেলে দেখবেন। দুটি গেমই আমার প্রচুর ভালো লেগেছে।

আশা করছি আপনাদেরও গেম দুটি ভালো লাগবে। তাহলে আজকের মতো এখানেই বিদায় নিতে হচ্ছে। ইনশাল্লাহ দেখা হবে পরের কোনো পোস্টে।

ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর ভালো না লাগলে কোনো নেগেটিভ কমেন্ট করার প্রয়োজন নেই।
ধন্যবাদ।
ট্রিকবিডির সাথেই থাকুন।
THIS IS 4HS4N
LOGGING OUT….

 

The post Anime Lovers রা দেখে নিন এখন পর্যন্ত আমার খেলা সবচেয়ে Best Naruto & My Hero Academia Android Game! appeared first on Trickbd.com.


Saturday, October 1, 2022

অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-২) “Hello World”

অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-২) “Hello World”

যারা এর আগের পর্ব মিস করেছেন, তার নিচের লিংক থেকে পড়ে আসতে পারেন-
পর্ব ১

আজকের পর্বের নাম Hello World দেয়ার পেছনে কারণ হলো আজ আপনি সি প্রোগ্রামিং দিয়ে এটাই লেখা শিখবেন।
এটা আপনার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে যে আপনি কী লিখবেন, কিন্তু প্রোগ্রামিং ইতিহাসের ঐতিহ্য এটা। মানুষ কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এ তার জীবনের প্রথম প্রোগ্রাম এটা লিখেই আসতেছে। ব্যতিক্রম করে না, তা নয়। এটা একটা অনুভুতির ব্যাপার। এটা অনেকটা এমন যে আপনি সফলভাবে প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে Hello World লিখে পৃথিবীকে জানাচ্ছেন যে আপনি প্রোগ্রামিং জগতে প্রবেশ করলেন। ☺

যাইহোক,

প্রথমে অ্যাপটা ওপেন করুন যেটা গত পর্বে দিয়েছিলাম।
গতকালকের Hello World ফাইল ওপেন করুন


ইনপুট এ আমার মতো লিখুন।


#include <stdio.h>
int main ()
{
printf(“Hello World”);
return 0;
}

আপ্নারা ভাবতে পারেন যে কোনো কিছু না বুঝিয়ে আগেই কেন ইনপুট লেখাচ্ছি। এটা পরে বুঝবেন। আগে লিখুন।

এবার প্রোগ্রাম টি রান করুন। রান করলে নিচের মতো আসবে।

অর্থাৎ, আমরা সফলভাবে আমাদের প্রথম প্রোগ্রাম রান করতে পেরেছি। কংগ্রাচুলেশনস!

এবার আমি বুঝাই যে আমি কী করেছি।

আমি প্রথম লাইনে লিখেছি
#include <stdio.h>

এটা আর একটুখানি পর বুঝাচ্ছি।

তারপর লিখেছি
int main()
লেখা দেখেই বুঝতে পারছেন যে এটা মুল ফাংশন।
ফাংশন কী?
– ফাংশন হলো সেই সকল শব্দ যেটা দিয়ে আমরা কম্পিউটারকে দিক-নির্দেশনা দিবো। অর্থাৎ, প্রোগ্রাম এর কোথায় কোন কাজটা করবে সেটা বলা।
মুল ফাংশন হলো সেই ফাংশন যেখান থেকে সি-প্রোগ্রাম তার কাজ করা শুরু করে।

এরপর নিচের চিহ্ন টা দিয়েছি।
{
এই ২য় ব্র‍্যাকেট চিহ্ন টার কাজ হলো int main() ফাংশন কে একটি বোধগাম্য রুপ দেয়া। এটা মুল ফাংশনেরই অংশ। মুল ফাংশন লেখার পর { চিহ্ন দিয়ে প্রোগ্রাম লেখা শুরু এবং প্রোগ্রাম শেষে } চিহ্ন দিয়ে ক্লোজ করে দিতে হয়।

এরপর লিখেছি

printf(“Hello World”);

এখানে printf() একটি ফাংশন যার কাজ হলো আমাদের ডিভাইসের স্ক্রীনে কিছু দেখানো। প্রথম ব্র‍্যাকেটের মধ্যে আমরা কোটেশন (“”) চিহ্ন এর ভেতরে যা লিখবো সেটাই আমাদেরকে স্ক্রীনে দেখানো হবে। আর সেমিকোলন চিহ্ন (;) দ্বারা বুঝায় যে স্টেটমেন্ট শেষ।
স্টেটমেন্ট কী?
– আমরা যে printf(“Hello World”); এই লাইনটা লিখলাম, এটাই একটি স্টেটমেন্ট। এর সংজ্ঞা নেই আমার জ্ঞানে। এটাকে মনে করেন একটি বাক্য এবং সেমিকোলন হলো বাক্যের দাড়ি।

ফাংশন কীভাবে কাজ করে?
– এটার উত্তর লুকিয়ে আছে প্রথম লাইনে। আমাদের প্রথম লাইন ছিল
#include
এই লাইন দিয়ে আমরা বুঝিয়েছি যে সম্পুর্ন প্রোগ্রামটি stdio.h নামক একটি হেডার ফাইলের আওতায় রয়েছে।
এই একটা ফাইলের মধ্যেই লেখা আছে কীভাবে যাবতীয় ফাংশন কাজ করবে।
এখন এইটুকুই জেনে রাখুন, ঐ হেডার ফাইল কীভাবে কাজ করে সেটা পরে বুঝাবো।

এরপর আমি লিখেছি
return 0;
এটাকে সহজ ভাষায় বললে এমন হবে যে- এই ফাংশনটি কম্পিউটার কে এটা বলে যে প্রোগ্রাম লেখা এ পর্যন্তই শেষ এবং সেটা রান করার সম্পুর্ন উপযোগী। অর্থাৎ, এই ফাংশন যদি ব্যবহার করা নাহয় তাহলে কম্পাইলার অবিরত প্রোগ্রাম রান করতে থাকবে এবং রেজাল্ট বারবার আপডেট হতে থাকবে, যেটা ডিভাইস মেমরি তে প্রভাব ফেলে।
এটার ব্যবহার ও কাজ নিয়ে আরো বিস্তারিত অনেক আছে, কিন্তু আমাদের অতসব জানার প্রয়োজন নেই আপাতত।

নিচের স্ক্রীনশট খেয়াল করুন।

আমি এবার তিনটা আলাদা আলাদা স্টেটমেন্ট দিলাম এবং শেষে একটি রিটার্ন দিয়েছি। রান করলে নিচের মতো আসলো।

কিন্তু কী হবে যদি আমরা প্রত্যেক স্টেটমেন্ট এর পরে একটা করে রিটার্ন বসাই?
আসুন দেখি।


অবাক হলেন? ভাবছেন যে শুধু প্রথমটা আসলো কেন?
আমি আগেই বলেছি যে রিটার্ন এর কাজ হলো মুল ফাংশন এর কাজ যে শেষ সেটা বলা। তাই এখানে সর্বপ্রথম প্রথম স্টেটমেন্ট এর পরে রিটার্ন পেয়েছে এবং সেখানেই প্রোগ্রাম থেমে গেছে। এরপরে কী আসবে সেটা কোনো প্রভাব ই ফেলবে না।
নিচের টা দেখুন তাহলে আরেকটু ক্লিয়ার হবে।

এই হলো ব্যাসিক। কিন্তু এর সাথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস রয়েছে। সেটা হলো সাজ-সজ্জা।
আমার লেখা ইনপুট টা আবার খেয়াল করুন।

দেখুন এখানে আমি প্রতি লাইনেই বেশ কয়েক জায়গায় স্পেস দিয়ে সুন্দর করে লিখেছি। এটাও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রোগ্রামিং এর। তবে আপনি যদি এভাবে না লিখে পরপর লিখে প্রোগ্রাম রান করেন তাতেও প্রোগ্রাম সঠিকভাবে চলবে। কিন্তু প্রোগ্রাম সাজানোর এই অভ্যাস গড়ে তোলা আমাদের উচিত।
প্রোগ্রাম কে এভাবে গুছিয়ে লেখা কে ইনডেন্টেশন বলা হয়।
এটা আমাদের ব্যক্তিগত প্র‍্যাকটিস বা প্রোগ্রাম কম্পাইলিং এ কোনো প্রভাব ফেলবে না, তবে আপনি যদি কোনো জায়গায় প্রেজেন্টেশন নিয়ে যান, ধরুন আপনি কোনো চাকরির ইন্টারভিউতে প্রোগ্রাম লিখলেন, আপনার এই অভ্যাশের অভাবেই আপনাকে বাতিল করা হতে পারে। এর হাই চান্স আছে৷

মনে করুন,
আপনি পরীক্ষার হলে। আপনাকে প্রশ্ন দেয়া হলো। আপনার কাছে একটা সাদা কাগজ আছে যেটাতে আপনি প্রশ্নের উত্তর লিখতে চান। সেজন্য আপনি খাতায় মার্জিন টানলেন এবং মার্জিন এর ভিতরে লেখা শুরু করলেন।
এখানে int main() ফাংশনটি ঐ মার্জিন। আর এরপর মার্জিনের ভেতরে আপনি আপনার উত্তর গুলো লিখলেন যেটা printf() এবং মার্জিনের বাইরে লেখার অধিকার থাকে শুধু টিচারদের, টিচার হলো কম্পাইলার এবং তাদের নিয়ম-কানুন হলো stdio.h ফাইল। এরপর লেখা শেষে আপনি সমাপ্তি চিহ্ন দিয়ে বুঝালেন যে আপনার কথা শেষ, এটা হলো return 0.
আর আপনি যে সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখবেন খাতায়, সেটা হলো ইনডেন্টেশন। আপনি নির্ভুলে সব উত্তর লিখে জমা দিলেন, ফলাফল এ সব ঠিক হলো। অর্থাৎ আপনার প্রোগ্রাম সঠিকভাবে রান হয়েছে।

আজ এ পর্যন্তই।

আমি নিজের মতো করে যতো সহজ ভাবে বুঝানো সম্ভব, চেস্টা করেছি। আশা করি বুঝতে কোথাও অসুবিধা হয়নি।
কমেন্ট বক্স আছে, প্রশ্ন থাকলে জানাবেন।

এই পর্ব ভালো ভাবে বুঝতে পারলে আগামী পর্ব বুঝতে আরো বেশি সুবিধা হবে। আগামী পর্বটা বেশ বড় হবে এবং এক ধরণের তিনটি ভিন্ন ভিন্ন লেভেলের প্রোগ্রাম শিখবো।

The post অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-২) “Hello World” appeared first on Trickbd.com.


Facebook গ্রুপ এর মত মেসেঞ্জারে চ্যাট গ্রুপ এ যেভাবে পোল তৈরি করবেন জেনে নিন!!

Facebook গ্রুপ এর মত মেসেঞ্জারে চ্যাট গ্রুপ এ যেভাবে পোল তৈরি করবেন জেনে নিন!!

আসসালামুয়ালাইকুম ! TrickBD তে সবাইকে স্বাগতম। কোনো ভুল হলে দয়া করে ক্ষমা করবেন। বেশি কথা না বলে শুরু করছি।

আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক ক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যাবহার করে থাকি। বলা যায় আমাদের জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয় গুলোর মধ্যে এটি পরিণত হয়েছে।

আমরা ফেসবুক গ্রুপ এ বিভিন্ন সময় দেখতে পায় কোনো একটি বিষয় এ মতামত প্রদান করার জন্য পোল তৈরি করা হয়। যাতে সবাই সবার মতামত প্রদান করে।

কিন্তু মেসেঞ্জার এ গ্রুপ গুলোতে এই পোল সিস্টেম টা অনেকেই করতে পারেন না, এরফলে সবার মতামত গ্রহণ করতে সমস্যা হয়।

আজকে আমি দেখাবো কিভাবে মেসেঞ্জার গ্রুপ এ কীভাবে পোল তৈরি করবেন।

প্রথমে আপনার স্মার্ট ফোনের মেসেঞ্জার অ্যাপ টি ওপেন করুন।

এইবার আপনি আপনার মেসেঞ্জার এর পার্সোনাল চ্যাট গ্রুপ যেটা আছে সেটাই প্রবেশ করুন,এবং স্ক্রিনশট এর আইকন এ ক্লিক করুন।

“Polls” নামে একটি লেখা দেখতে পাবেন সেটাই ক্লিক করুন।

এইবার এইখানে আপনি আপনার প্রশ্ন সেট করুন, এবং নিচে আপনার পছন্দ মত অপশন সেট করে দিন।

প্রশ্ন সেট করা শেষ হলে এইবার
“Creat poll” লেখাতে ক্লিক করুন।

এই দেখুন আমার মেসেঞ্জার এ পোল তৈরি করা হয়ে গেলো।

এইভাবে চাইলে আপনারা আপনাদের মেসেঞ্জার গ্রুপ এ পোল সিস্টেম তৈরি করতে পারবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে পোস্টটি পড়ার জন্য। দেখা হবে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে খুব জলদি।

ততক্ষণ থাকবেন TRICKBD এর সাথেই, নিত্য নতুন সব আপডেট পেতে।

আল্লাহ হাফেজ।

The post Facebook গ্রুপ এর মত মেসেঞ্জারে চ্যাট গ্রুপ এ যেভাবে পোল তৈরি করবেন জেনে নিন!! appeared first on Trickbd.com.


অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-১) পরিচিতি ও কম্পাইলার সেট আপ

অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-১) পরিচিতি ও কম্পাইলার সেট আপ

সি-প্রোগ্রামিং নিয়ে আমার লেখা এটা প্রথম পর্ব।

আজকের পর্বে শুধু সি-প্রোগ্রামিং এর পরিচিতি ও প্রোগ্রাম রান করার জন্য কম্পাইলার সেট আপ করবো এবং তার সম্পর্কে জানবো।

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কী?
– বইয়ের ভাষায় বলবো না। আমি প্রোগ্রামিং ভাষা কে যেভাবে দেখি- ” প্রোগ্রামিং ভাষাকে একটি ডিকশনারির সাথে তুলনা করতে পারেন। একটা ডিকশনারিতে অনেক অনেক শব্দ থাকে যেগুলোর সজ্জিত ও অর্থবহ ব্যবহার করে বাক্য গঠন করি এবং তার মাধ্যমে লোকজনের সাথে কথা বলি। এখন এই প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজও এমনি, এটা তে বহুত শব্দ আছে যেগুলো দিয়ে আমরা কম্পিউটার কে নিজের মনের কথা বলতে পারি। এখন আমরা কম্পিউটার এর সাথে তো সুখ দুঃখের আলাপ নিশ্চয় করবো না, তাইনা? 😅 আমরা কম্পিউটার কে নিজের মনের কথা তখনই বুঝাতে চাই যখন আমরা কম্পিউটার কে কোনো কাজ করাতে চাই। সেটাই হলো প্রোগ্রামিং ভাষা। কম্পিউটার এর ভাষা। ”

সি প্রোগ্রামিং হলো খুবই জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ, এখন কম্পিউটারের সাথে এই ভাষায় কথা বলতে অর্থাৎ তাকে কাজ নির্দেশ করতে এটা শেখা।

সি প্রোগ্রামিং:
সি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। সি নির্মাণ করেন ডেনিস রিচি, বেল ল্যাবে ‘৭০এর দশকে কাজ করার সময়। ভাষাটি তৈরির প্রথম উদ্দেশ্য ছিল ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম এর কোড লেখা, কিন্তু অচিরেই এটি একটি বহুলব্যবহৃত ভাষায় পরিণত হয়। সি++ ও জাভাসহ পরিবর্তীকালের অনেক প্রোগ্রামিং ভাষার উপর সি’র গভীর প্রভাব পড়েছে।
Source: Wikipedia

কম্পাইলার কী?
– যে অ্যাপ এর মাধ্যমে আপ্নারা কোনো কোড লিখে তার আউটপুট দেখতে পারবেন, সেটাকেই মুলত কম্পাইলার বলা হয়।

অ্যান্ড্রয়েডের জন্য কম্পাইলারঃ
আমি অফলাইন কম্পাইলার ব্যবহার করার সাজেস্ট করবো সবাইকে। এতে আপনি ইন্টারনেটবিহীন পরিস্থিতি তেও প্র‍্যাক্টিস করতে পারবেন।
Mobile C কম্পাইলার-

আমি এইটাই ব্যবহার করবো এই পর্ব এবং আগামী পর্ব গুলোতে৷ এটা পেইড অ্যাপ। তবে আমি থার্ড পার্টি থেকে ডাউনলোড করেছি।
লিংকঃ ApkSOS
প্লে-স্টোর লিংকঃ Play Store

যারা পাইরেটেড অ্যাপ পছন্দ করেন না, তারা ব্যবহার করতে পারেন Coding C –

এটা প্লে স্টোরে ফ্রীতেই পাবেন। নেট সংযোগে এড দেখাতে পারে। সাইজেও আগের টার চেয়ে কম।
প্লে-স্টোর লিংকঃ Play Store

কম্পিউটারের জন্য কম্পাইলারঃ
যাদের পিসি আছে, তারা CodeBlocks ব্যবহার করতে পারবেন।
Link: Ofiicial Page
যেহেতু আমার পিসি নেই, তাই আমি পিসির স্ক্রীনশট দিয়ে শেখাতে পারবো না।

যাইহোক,

নিচের স্ক্রীনশট গুলো খেয়াল করুন।














আজ এপর্যন্তই।

আমি এখনো নিশ্চিত না যে আমার এই সি-প্রোগ্রামিং নিয়ে কতজন আগ্রহী হবেন, কতজন আসলেই শেখার চেস্টা করবেন সেটা নিয়েও সন্দেহ। তাও পোস্ট করতেছি।

আশা করি অন্তত একজন কে শেখাতে পারবো।

The post অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে সি-প্রোগ্রামিং শিখুন (পর্ব-১) পরিচিতি ও কম্পাইলার সেট আপ appeared first on Trickbd.com.


Windows CMD, PowerShell এবং Terminal কি আসুন জেনে নেই।

Windows CMD, PowerShell এবং Terminal কি আসুন জেনে নেই।

আমরা সাধারণত যারা Windows অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারী আছি তারা বিভিন্ন ধরনের কমান্ড প্রদানের জন্য একটি কমান্ড প্রম্পটের সাথে পরিচিত রয়েছি। যা CMD নামে বেশ পরিচিত। এই কমান্ড অপশনটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একদম শুরু থেকেই রয়েছে। কিন্তু উইন্ডোজ এখন সিএমডি এর পাশাপাশি আরো দুইটি কমান্ড অপশন নিয়ে এসেছে। যেগুলোর একটি হলো PowerShell এবং আরেকটি হলো Terminal নামক কমান্ড অপশন। পাওয়ারশেল উইন্ডোজ এক্সপি থেকে শুরু হয় আর টার্মিনাল উইন্ডোজ ১০ থেকে আত্মপ্রকাশ করে। তো চলুন এগুলো সম্পর্কে নিচে থেকে বিস্তারিত জানা যাক।

Command Prompt বা CMD:

Command Prompt বা CMD প্রাথমিকভাবে Command.com নামে পরিচিত। এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ৯৫ এবং ৯৮ ভার্সনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ উইন্ডোজ ব্যবহারকারী এই কমান্ড-লাইন টুলটিকে MS-DOS হিসাবে জেনে থাকে। কারণ, এটি প্রধানত DIR কমান্ড হিসাবে DOS কমান্ডগুলি চালানোর জন্য ব্যবহৃত হত। এটি ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা চালানোর জন্যও ব্যবহৃত হয়েছিল।

মাইক্রোসফট পরবর্তীতে উইন্ডোজ নিউ টেকনোলজিতে (এনটি) কমান্ড প্রম্পট চালু করে। এখন এই CMD বিভিন্ন উন্নত Administrative কার্য সম্পাদন করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি দিয়ে স্ক্রিপ্ট এবং ব্যাচ ফাইলগুলি চালিয়ে বিভিন্ন ধরণের উইন্ডোজ সমস্যা সমাধান করতেও ব্যবহৃত হয়।

Windows PowerShell:

উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমে ২০০৬ সালে উইন্ডোজ পাওয়ারশেল চালু হয়েছিল। এটি দিয়ে আপনি কমান্ড প্রম্পটে যা কিছু চালাতে পারেন বা কমান্ড করতে পারেন তা উইন্ডোজ পাওয়ারশেল দিয়েও করতে পারবেন। তবে এই PowerShell হল একটি কমান্ড শেল এবং স্ক্রিপ্টিং ভাষা যা বিভিন্ন সিস্টেমের প্রশাসনিক কাজ সম্পাদন করার জন্য তৈরি করা হয়।

Windows Terminal:

পূর্বের দুইটি কমান্ড অপশনের পাশাপাশি নতুন করে Windows Terminal নামে একটি কমান্ড অপশন চালু করা হয়েছে। প্রথম দুইটি থেকে এটি একদম ভিন্ন। কারণ এটি একটি ওপেনসোর্স সিস্টেম যা GitHub এর মাধ্যমে কাজ করে।উইন্ডোজ টার্মিনালে আপনি কমান্ড প্রম্পট, উইন্ডোজ পাওয়ারশেল, লিনাক্স ও পাশাপাশি WSL-এর কমান্ডগুলি চালাতে পারবেন।
Windows টার্মিনাল Windows 10 অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি সর্বশেষ Windows 11 অপারেটিং সিস্টেমেও ব্যবহার করতে পারবেন। যা সিস্টেমের সাথে ইনস্টল করা থাকে। এমনকি আপনি Microsoft স্টোর থেকেও এটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

তিনটি কমান্ড অপশনের কোনটি ব্যবহার করবেন:

সর্বশেষ উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এখন তিন ধরনের কমান্ড অপশন রয়েছে। যা আমরা উপরের আলোচনা থেকে জেনেছি। এখন আপনি হয়তো বলতে পারেন আমি কোনটি ব্যবহার করব। আমি বলব আপনার ইচ্ছা। তবে যেহেতু একদম লেটেস্ট হচ্ছে টার্মিনাল। সেটি ব্যবহার করার জন্য আমি সাজেস্ট করবো। কারণ এটি দিয়ে সিএসডি এবং পাওয়ারশেল সহ আরো অ্যাডভান্স লেভেলের কমান্ডের ব্যবহার করতে পারবেন।

আপনাদের সুবিধার্থে আমি আমার টিপস এন্ড ট্রিকসগুলি ভিডিও আকারে শেয়ার করার জন্য একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করেছি। আশা করি চ্যানেলটি Subscribe করবেন।

সৌজন্যে : বাংলাদেশের জনপ্রিয় এবং বর্তমান সময়ের বাংলা ভাষায় সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ক টিউটোরিয়াল সাইট – www.TutorialBD71.blogspot.com নিত্যনতুন বিভিন্ন বিষয়ে টিউটোরিয়াল পেতে সাইটটিতে সবসময় ভিজিট করুন।

The post Windows CMD, PowerShell এবং Terminal কি আসুন জেনে নেই। appeared first on Trickbd.com.


Unstoppable Domains থেকে ফ্রিতে একটি .NFT ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করুন! 🥳

Unstoppable Domains থেকে ফ্রিতে একটি .NFT ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করুন! 🥳

NFT Domain কি?

ওয়েব টুতে যেমন .com ও .net জনপ্রিয়। ওয়েব থ্রিতেও .nft .crypto অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পাবে, ধারণা করা যাচ্ছে।

বর্তমানে .crypto .nft .x .wallet .bitcoin .dao .888 .zil ও .blockchain এই এক্সটেনশনগুলো এনএফটিতে অ্যাভেইলেবল রয়েছে।

যেভাবে একটি NFT Domain ফ্রিতেই রেজিস্ট্রেশন করে নিবেন

আপনারা Unstoppabledomains. com থেকে এনএফটি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

1. প্রথমে একটি ব্রাউজার ওপেন করে, আপনার টুইটার অ্যাকাউন্ট লগইন করুন। টুইটার একাউন্ট না থাকলে, নতুন করে একটি টুইটার একাউন্ট খুলে নিন।

2. দ্বিতীয় ধাপে, সেম ব্রাউজার থেকেই UnstoppableDomains.com এ লগইন করুন। একাউন্ট না থাকলে, নতুন করে একটি একাউন্ট খুলে নিন।

3. তৃতীয় ধাপে, সেম ব্রাউজার থেকে, https://t.ly/_Glr এই লিঙ্কে প্রবেশ করে, ভেরিফাই টুইটারে ক্লিক করুন। তারপর টুইটার এর সাথে কানেক্ট করুন। এখন আপনার টুইটার অ্যাকাউন্টের ইউজার নেম এর সাথে মিল করে, ফ্রীতে একটি .NFT ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করার সুযোগ দিবে।

এখন আপনার টুইটার অ্যাকাউন্টের ইউজার নেম এর সাথে মিল করে, ফ্রীতে একটি .NFT ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করার সুযোগ দিবে।
যদি আপনার Claim করতে চাওয়া ডোমেইন Name টি আপনার টুইটার ইউজারনেমের সাথে না মিলে তাহলে আপনি যে ডোমেইনটি নিতে চান সেই অনুযায়ী টুইটার ইউজারনেম চেঞ্জ করে ডোমেইন নেওয়ার পর আবারো আগের ইউজারনেম দিয়ে দিতে পারেন।

টুইটারে যত ইচ্ছা তত Username চেঞ্জ করা যায়, so প্যারা নাই ।

4. রেজিস্ট্রেশন শেষে, https://unstoppabledomains.com এ গিয়ে লগিন করে আপনার ডোমেইনটি ম্যানেজ করতে পারবেন।

আর হ্যাঁ, ডোমেইন এর মেয়াদ পাবেন আজীবন। কখনো ডোমেইন রিনিউ করতে হবে না 🔥

Here is the Proof:

 

পোস্টটি প্রথম প্রকাশিত হয় Tech Help BD ফেসবুক গ্রুপে

 

The post Unstoppable Domains থেকে ফ্রিতে একটি .NFT ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করুন! 🥳 appeared first on Trickbd.com.


জনপ্রিয় 5 টি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর সাথে পরিচিত হয়ে নিন

জনপ্রিয় 5 টি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর সাথে পরিচিত হয়ে নিন

আসসালামুআলাইকুম

আসা করি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আর ভালো না থাকলে তো ভালো লাগার ওয়েবসাইট TrickBD আছেই। যেখানে আমরা নিত্য নতুন টিপস এবং Trick পেয়ে থাকি।

তো , যাই হোক। আজকে যেই টপিক নিয়ে লিখতে জাচ্ছি তা আপনারা ইতিমধ্যেই জেনে গেছেন উপরিউক্ত টাইটেল দেখেই। হ্যাঁ , বন্ধুরা আজকে আমি জনপ্রিয় ৫ টি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। বর্তমান যুগে প্রোগ্রামিং এর জনপ্রিয়তা হু হু করে বাড়ছে। নিত্য নতুন প্রোগ্রামার দেড় সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়তাছে। তেমনি মার্কেট প্লেস এও সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন কাজের ধারা। কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এই অনর্থক নই বা অকেজো নই। কিন্তু , আপনি যেই ল্যাঙ্গুয়েজ শিখার জন্য বেছে নিবেন সেটা আপনাকে ভালো ভাবে শিখতে হবে। আপনি যে ল্যাঙ্গুয়েজ এর উপর ডিপেন্ড করে আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গড়তে চান আপনাকে সেই ল্যাঙ্গুয়েজ এ মাষ্টার হতে হবে। আপনি যদি ভালো প্রোগ্রামার হতে পারেন তাহলে আপনার কাজের অভাব পরবে না। আজকের এই পোস্ট এ আমি এমন 5 টি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলোর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। যেগুলো শিখে আপনি আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। নিম্নে ছেই বহুল জনপ্রিয় 5 টি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে আলোচনা করা হোলো।

C / C++

C একটি সহজ programing ভাষা। অনেকেই প্রোগ্রামিং জারনি শুরু করেন C দিয়ে। এটি একটি বিগিনার ফ্রেন্ডলি ল্যাঙ্গুয়েজ। C++ c ভাষা এর বর্ধিত রূপ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। C++ ডেভলপ করেছেন Bjarne Stroustrup. বর্তমান সময়ে এই ল্যাঙ্গুয়েজ এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক। C++ কে c এর সুপার সেট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। C এর কেওয়ার্ডস সংখ্যা 32 টি এবং C++ এর কেওয়ার্ডস সংখ্যা 63 টি টিই। C++ একটি ক্রস প্লাটফোর্ম ভাষা। এটি দারা হাই পারফরমেন্স অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয়ে থাকে। বর্তমানে C++ দারা Operating System, Embedded System, GUI (Graphical User Interface) বিভিন্ন হাই গ্রাফিক্স সমৃদ্ধ গেমস তৈরি করতে ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি দারা Procedural Programming, Functional Programming এবং Object Oriented Programming করা যায়।

নিম্নে C++ এর Hello World উদাহারণ দেওয়া হোলো।

#include 
using namespace std;

int main() {
  cout << "Hello World!";
  return 0;
}

JavaScript

সবচেয়ে জনপ্রিয় ল্যাঙ্গুয়েজ গুলোর মধ্যে অন্যতম একুটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হোলো Javascript. এটি একটি হাই লেভেল scripting প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 1995 সালে Javascript ডেভলপ করেন Brendan Eich. এটি একটি সহজ প্রোগ্রামিং ভাষা। আপনি যদি ওয়েব ডেভলপার হতে চান। আপনাকে অবশ্যই Javascript শিখতে হবে। এটি মুলত তৈরি করা হয়েছিল Front-End ডেভলপমেন্ট এর জন্য। কিন্তু, বর্তমান সময়ে এটি দারা Front-End এবং Back-End তথা Full Stack Development করা সম্ভব। এটির অনেক Framwork এবং librari রয়েছে। Market প্লেস এ ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। আর ওয়েব ডেভলপমেন্ট এ নিজের ক্যারিয়ার গড়তে এটি শিখা আবশ্যক। Javascript এবং Java দুটি ভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাসা। Javascript দিয়ে Functional প্রোগ্রামিং করা হয়ে থাকে। Javascript এ Object Oriented Programing সাপোর্ট করে। অপেক্ষাকৃত একটি সহজ প্রোগ্রামিং ভাষা হওয়াই অনেকে তাদের ১ম ভাষা হিসেবে এটি শিখে থাকে। Javscript এর Hello World উদাহারণ দেওয়া হোলো।

console.log("Hello world");

Python

Python একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এটির ডিমান্ড ও হাই। এটি একটি সহজ প্রোগ্রামিং ভাষা। এর কোড পরিষ্কার এবং সহজ বোধগম্য। Python একটি বিগিনার ফ্রেন্ডলি ল্যাঙ্গুয়েজ। তাই অনেকেই কোডিং জারনি Python দিয়ে শুরু করে থাকে। Python অনেক কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। Game ডেভলপার, ওয়েব ডিজাইনার, ফুল স্টাক ডেভলপমেন্ট, Mching Learning, Data Scientist, Data analyst, Data Engineer, Software Engineer etc. এটি Machin Learning এর ক্ষেত্রে ব্যাপক জনপ্রিয়। এটি Functional প্রোগ্রামিং এবং OOP (ObJect Oriented Programing) সাপোর্ট করে। এতে রয়েছে অটোমেটিক gc(Gargbag Collector) java এর মতো। অনেক কম্পানি Python Devloper দেড় নিয়োগ দিয়ে থাকে। যেমন, Google, Intel, Nasa , Amazon tc. Python ডেভলপার দেড় অনেক ফিল্ড এ কাজ রয়েছে। যেকোনো একটা বেছে নিয়ে এটি দিয়ে ক্যারিয়ার গর্ত পারবেন। নিম্নে Python এর Hello World উদাহারণ দেওয়া হোলো।

print("Hello World");

Java

Java একটি হাই লেভেল Object Oriented Programing ল্যাঙ্গুয়েজ। 1995 সালে Sun Microsystem Java প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদ্ভাবন করে। James Gosling যিনি Father Of Java অর্থাৎ জাভা এর জন্ম দাতা হিসেবে পরিচিত। Java একটি হাই ডিমান্ডেবল প্রোগ্রামিং ভাষা। বিভিন্ন কাজে এটা ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন Web Application, Mobail Application, Desktop Application, Application Server, Games, Database Connection etc. আপনি যদি জাভা ভাসা শিখে থাকেন তাহলে খুব সহজেই একটি Android অ্যাপ তৈরি করতে পারবেন। বর্তমানে 6 billion এর বেশি ডিভাইস জাভা টেকনোলজি ব্যবহার করে থাকে। এতে রয়েছে JRE (Java Runtime Environment) JDK (Java Development Kit) API (Application Programing Interface)। Java মুলত OOP কনসেপ্ট এর উপর তৈরি। সব কিছুই জাভা এর এক একটি অবজেক্ট। এটি স্বাধীন, সিকিউয়ার্ড, মাল্টিথ্রেডেড, স্কেলাবল ভাষা। এতে 4 ধরনের প্লাটফর্ম বিদ্যমান। যথা, Java SE, Java EE, Java ME, Java FX. নিম্নে জাভা এর Hello World উদাহারণ দেওয়া হোলো।

public class Main {
  public static void main(String[] args) {
    System.out.println("Hello World");
  }
}

Kotlin

Kotlin একটি স্টাটিকেলি টাইপড প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি 2011 সালে পরিচিতি লাভ করে। এই ল্যাঙ্গুয়েজ টি ডেভলপ করেছে JetBrains. খুবি অল্প সময়ের মধ্যে এই ভাষা টি অনেক জনপ্রিয় একটি ভাষাই পরিনত হয়েছে। এটা Java এর বিকল্প একটি ভাষা। Kotlin JVM (Java Virtual Machine) এ রান হতে পারে। এটি প্রধানত JVM কে টার্গেট করেই তৈরি করা হয়েছে। এটি Javascript এও কম্পাইল হতে পারে। তবে এই ভাষা বেসির্‌ভাগি java এর সাথে সামজ্জিস্যাপুর্ন। 2017 সালে Google এই ভাষা টি কে অফিশিয়াল এয়ান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভলপমেন্ট এর ভাষা হিসেবে ঘোষনা করেছে। Kotlin OOP (Object Oriented Programing) এবং ফাঙ্কশনাল প্রোগ্রামিং support করে। এর ফাইল এক্সটেনশন হোলো .kt. Kotlin ও একটি হাই ডিমান্ডেবল ভাষা। অনেক কম্পানি কটলিন ডেভলপার হায়ার করে থাকে যেমন Google, Amazon, Netflix etc. নিম্নে Kotlin এর Hello World উদাহারণ দেওয়া হোলো।

fun main() {
   var string: String  = "Hello, World"  
   println("$string")
}

The post জনপ্রিয় 5 টি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর সাথে পরিচিত হয়ে নিন appeared first on Trickbd.com.