Saturday, July 2, 2022

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভালোবাসার বিনিময় | I Love You Hazrat Muhammad Sallallahu Alaihi Wasallam 😻

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভালোবাসার বিনিময় | I Love You Hazrat Muhammad Sallallahu Alaihi Wasallam 😻


জুমার দিন সিংহাসনে বসে আছেন উসমানী সালফানাদের ৩৪ তম সুলতান ও খলিফাতুল মুসলিমীন সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ খান। তার হাতে শাহী লাঠি পরনে রাজকীয় পোশাক সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, তার সবচাইতে বিশ্বস্ত তাহাসিন পাশা।

শুক্রবার সালফানতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আশা আবেদন পত্র গুলো তাহাসিন পাশা মহামান্য সুলতান কে পড়ে শোনান।

আজকেও বেশ কিছু আবেদন জমা হয়েছে।

খুবই মনোযোগ সহকারে সুলতান সবগুলো চিঠি এবং নথিপত্র এর বিষয়বস্তু শুনছেন।

তার দৃষ্টি তীক্ষ্ণ।

অনেক চিঠির মাঝে হঠাৎ তাহাসিন পাশা একটি চিঠি কে না পড়ে এড়িয়ে গেলেন। সুলতান আব্দুল হামিদের দৃষ্টি এড়ালো না বিষয়টি।
তিনি একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, পাশা ওই চিঠিটা আপনি কেন পড়লেন না?

তাহসিন পাশা মাথা নিচু করে লজ্জিত ভঙ্গিতে বললেন-আমি লজ্জিত মহামান্য সুলতান। সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল খান কে জিজ্ঞেস করলেন ( কেন?

তাফসিন পাশা ইতস্ত করে বললেন-ওই চিটিতে এক পাগল লোক দাবি করেছেন যে আপনি তার কাছে ঋণগ্রস্ত।


আমরা তাকে প্রাসাদে ডেকে কিছু অর্থ দিতে চেয়েছি, কিন্তু সে তা নেয়নি।
কিছুটা বিস্মিত হলেন সুলতান আব্দুল হামিদ। জিজ্ঞেস করলেন কোথায় সেই ব্যক্তি?

তাহসিন পাশা বললেন-এই প্রাসাদেই সে আছে সুলতান। সুলতান আব্দুল হামিদ আদেশ করলেন-(তাকে ডাকুন)

তাহাসিন পাসা লোকটিকে ভিতরে পাঠাতে বললেন, কিছুক্ষণ পর বিনীতভাবে একজন লোক কক্ষে প্রবেশ করলেন।

লোকটির নাম মোঃ ফয়সাল- তাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে তার উপর দিয়ে বেশ দূর সময় অতিক্রম করছে।
কপাল থেকে ঘাম টপটপ করে ঝরে পড়ছে।

সে এসে দাঁড়ালো সুলতানের সামনে-লোকটিকে নির্দেশ দেয়া হলো তার কথাগুলো মহামান্য সুলতানকে জানানোর জন্য।


লোকটি বিনয় ভঙ্গিতে বলল-মহামান্য সুলতান আপনি আমার কাছে ঋণগ্রস্ত।
আবারো অবাক হয়ে গেলেন সুলতান আব্দুল হামিদ।
তাহাসিন পাশা চোখেও কৌতুহল।

সুলতান বুঝতে পারছেন না কেন এই লোকটা তাকে ঋণগ্রস্ত বলছেন। সুলতান তো তাকে আগে কখনো দেখেন ও নি।

সুলতান নরম সুরে জিজ্ঞেস করলেন-আমি কিভাবে তোমার কাছে ঋণগ্রস্ত?
লোকটি মাথা নিচু করে বলতে শুরু করলো। সুলতান আমি একজন ব্যবসায়ী, কিছুদিন আগে আমি ব্যবসায়ের লকশনের সমীক্ষণ হই।

এর ফলে আমার ব্যবসা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়, আমি পুরোপুরি দেউলিয়া হয়ে প্রচুর ঋণের কবলে পড়ে যাই।
এ পর্যন্ত বলার পর তাহসিন ভাষা সামান্য বিরক্তি হয়ে বললেন-মহামান্য সুলতান জিজ্ঞেস করেছেন সুলতান তোমার কাছে কিভাবে ঋণী?

ফয়সাল বলল-আমি এটাই বলছি। সুলতান মনোযোগ সহকারে তার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেছেন।
সে আবার বলতে শুরু করল-প্রচুর ঋণে ডুবে যাওয়ার পর আমি প্রতি রাতে আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন আল্লাহতালা আমার ঋণ থেকে উদ্ধার করেন।

এভাবে দোয়া করতে করতে গতকাল রাতে-আমি একটা স্বপ্ন দেখি, স্বপ্নে আমার রাসূল সাঃ এর দিদার নসিব হয়।

সুলতান আব্দুল হামিদ বুকে হাত রেখে দরুদ পড়লেন এবং কিছুটা বিস্মিত হয়ে তাকে কথা চালিয়ে যেতে বললেন।

লোকটি এবার মাথা উচু করে সামান্য আনন্দের সাথে বলল-
স্বপ্নে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইরশাদ করেছেন-আমার হামিদ কে গিয়ে বল সে প্রতি রাতে আমার প্রতি দুরুদ ও সালাত পাঠ করে।
কিন্তু গতকাল রাতে সে আমার প্রতি দুরুদ ও সালাত পাঠ করেনি।
যাও তোমার প্রয়োজনের কথা তাকে গিয়ে বল।

এটা সোনা মাত্রই সুলতানা আব্দুল হামিদ দাঁড়িয়ে গেলেন। তার শরীর কিছুটা কেপে উঠলো। তার হাতের লাঠির আঘাতে মাটিতে ঠকঠক আওয়াজ হলো।

সুলতান জেনো তার নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না।
সত্যি ই কি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই শব্দ ব্যবহার করেছেন?

যে রাসূলের প্রতি এত ভালোবাসা, এত সম্মান সেই রাসূল কি তাকে আমার হামিদ বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
সুলতান আব্দুল হামিদ স্তম্ভিত কন্ঠে বললেন-আবার বল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন?
ফয়সাল বলল-আমার হামিদ কে গিয়ে বলো।

এ পর্যন্ত বলতেই সুলতান তার হাত উঠিয়ে তাকে থামতে ইশারা করলেন।
দয়া থেকে একটি মুর্দা ভর্তি থলে বের করে তার হাতে দিয়ে বললেন। পুনরায় বলো তিনি কি বলেছেন?


ফয়সাল আবার বললো- আমার হামিদ কে গিয়ে বলো, সুলতান আগের মতই তাকে থামতে ইশারা করলেন এবং আরেকটি মুর্দা ভর্তি থলি তার হাতে দিলেন।

ফয়সালের চেহারা আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠলো, সুলতান আবেগ তরিত কন্ঠে আবার বললেন পুনরায় বল বৎস রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন?

ফয়সাল আবারও উত্তর দিল-রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-আমার হামিদ কে গিয়ে বল।
সুলতান আবারও তাকে থামিয়ে তার হাতে মুদ্রা ভর্তি থলে দিলেন।

এরপর পুনরায় তাকে বলতে বললেন-ফয়সাল আবার বলল-আমার হামিদ কে গিয়ে বল।

সুলতান আরেকটি থলি তার হাতে দিলেন।

তাহসিন পাষার চোখ গড়িয়ে ততক্ষণে অঝোর ধারায় পানি পড়ছে।
এতগুলো বছর তিনি সুলতানের পাশে আছেন। সারা জীবন তিনি নিজের পাশে থেকে রাসুলের প্রতি সুলতানের ভালবাসা দেখেছেন।

কি প্রচন্ড টান এই মানুষটার রাসূল সাঃ এর প্রতি অনুভব করেন। তা খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি।


আজকে সেই ভালবাসার এমন স্বীকৃতি তা কেউ আবেগ আপ্লুত করেছে।
তিনি কাঁদতে কাঁদতে ফয়সাল কে বললেন এই অর্থ কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়?

ফয়সাল বলল অবশ্যই যথেষ্ট, আমি এটা দিয়ে খুব সহজেই আমার ঋণ শোধ করতে পারব।

লোকটা চলে গেল।

তাহাসিন পাশা তখনও কাঁদছেন। তিনি বললেন সুলতান আপনি তো প্রায় সব অর্থই তাকে দিয়ে দিলেন?
সুলতান আব্দুল হামিদ অনুতাপদের স্বরে বললেন-এটা তুমি কি বলছো পাশা?

আল্লাহর কসম আমি তো আমার ধন-সম্পত্তি শুধু নয় বরং আমার সম্পূর্ণ সাম্রাজ্য তাকে দিয়ে দিতাম।

গতকাল রাতে আমি অনেক ক্লান্ত ছিলাম, দরুদ পাঠ করতে আমি ভুলে যাই আর ঘুমিয়ে পড়ি। অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে পাশা।


আল্লাহ আমায় ক্ষমা করুন। তারপর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে আমার হামিদ কথাটি শুনতে পাওয়াই। আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

আমি নরমালি প্রত্যেকটা পোষ্টের নিচে কোন না কোন বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকি কিন্তু আমার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর নিয়ে পোস্ট করেছি বিজ্ঞাপন থাকার প্রশ্নই থাকেনা। 😻

তো প্রিয় ভাই ও বোনেরা আজকের মত এ পর্যন্তই মহান আল্লাহতালা বাঁচিয়ে রাখলে ইনশাল্লাহ আবার দেখা হবে নতুন কোন পোষ্টের মাধ্যমে সবার সাথে ইনশাআল্লাহ ❤

ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন। আল্লাহ হাফেজ 🤗

The post প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভালোবাসার বিনিময় | I Love You Hazrat Muhammad Sallallahu Alaihi Wasallam 😻 appeared first on Trickbd.com.


প্রশ্ন উত্তর করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম।

প্রশ্ন উত্তর করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম।

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমিও মহান রব্বুল আলামীন এর রহমতে ভালো আছি। অনেকদিন পরেই আপনাদের সাথে একটা নতুন আর্টিকেল নিয়ে আমি হাজির হলাম। আর্টিকেল এর টাইটেল দেখে আপনারা সবাই হয়তো বুঝতে পেরেছেন যে আজ আমি কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি। হ্যা প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা ঠিকই ধরেছেন আজ আমি অনলাইন ইনকাম এর উপর আজকের ব্লগটি লিখতে চলেছি। তো চলুন আর বেশি কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয়ে চলে যাওয়া যাক।

অনলাইনে ইনকাম করতে কে বা না চাই। যার কাছে একটি স্মার্ট ফোন আর নেটওয়ার্ক সংযোগ রয়েছে তারা সবাই চাই কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করা যায়। এখনতো আরার জাভা ইউজাররা বাটোন ফোনে এমন এমন কাজ করে ফেলছে যা এন্ড্রয়েড ইউজাররাও করতে পারে না। তারা তাদের বাটোন ফোনে ফেসবুক, গুহল সব ব্যবহার করতে পারে। যাই হোক আমি এখন আর জাভার বাটোন ফোনের দিকে যাচ্ছিনে নিজের বিষয় এ আবার ফিরে আসি। তো আপনাদের এই অনলাইনে ইনকাম করার আগ্রহ দেখছি দিনে দিনে বেড়েই চলেছে।  তাই আর বেশি দেরি না করে আমিও খোজাখুজি শুরু করে দিলাম। অনেক খোঁজা খুজি করার পর একটা নতুন ওয়েবসাইট পেয়েছি যেটা শুধু অল্প কিছু কাজের মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারেন। সেই ওয়েবসাইট এর কাজ হলো প্রশ্ন, উত্তর করা। অর্থাৎ আপনি ওখানে ১০০ টা প্রশ্ন করবেন এবং অন্যের যেকোনো ১০০ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।  এই ১০০ প্রশ্ন আর ১০০ উত্তর করার মাধ্যমে আপনি পেয়ে যাবেন ৫০টাকা। 
আর একটা কথা প্রশ্ন উত্তর করার সময় আপনার প্রশ্ন অথবা উত্তর অবশ্যই অবশ্যই  কপিপেস্ট মুক্ত হতে হবে। যদি কনো প্রকার কপি-পেস্ট যদি পাওয়া যায় তাহলে সাইটের এডমিন বা মডারেটর আপনার পোস্টটাকে বাতিল, আপনার টাকা না দেওয়া এমনকি আপনার একাউন্ট টাও বাতিল করে দিবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে সেখানে একাউন্ট খুলবেন এবং কাজ করবেন!

প্রথমে আপনাকে গুগলে সার্চ করতে হবে easyanswer xyz সেখানে যদি খুজে না পান তাহলে এই লিংকে প্রবেশ করতে হবে  ওয়েবসাইটের লিংক
★প্রবেশ করার পর আপনার কাছে যে স্ক্রিন “প্রবেশ” নামে একটি আইকন আছে। সেখানে ক্লিককরার পর দেখা দিবে ” নিবন্ধন” সেখানে ক্লিক করুন। নিচের ছবি অনুযায়ী। pickedpicked
pickedpicked
 
★এই দুটি কাজ করার পর নিবন্ধনে ক্লিক করলে আপনার সামনে চলে আসবে এমন একটা ইন্টারফেস। 
picked
এই ফর্ম টি পূরণ করে “নিবন্ধন কর” তে ক্লিক করলে আপনার একাউন্ট তৈরি করা কমপ্লিট।
 এর পর সাইটের এডমিন বা মডারেটর যদি আপনার একাউন্টটি এপ্রুভ করে তাহলে আপনি ওখানে কাজ শুরু করতে পারেন।
এডমিন আপনার একউন্টটি এপ্রুভ করার জন্য যে বিষয়টি লক্ষ করবে সেটা হলো আপনার ই-মেইল ঠিকানা ভেরিফাই করা আছে কি-না। যদি থাকে তাহলে ৫ মিনিট থেকে ২৪ ঘন্টার ভেতরে এডমিন আপনার একাউন্ট টি এপ্রুভ করবে।

★ ই-মেইল ঠিকানা যেভাবে ভেরিফাই করবেন সেটা নিচে ছবির মাধ্যমে দেখানো হলো।
picked
প্রথমে আপনার প্রফাইল আইকনে ক্লিক করবেন।
picked
#এরপর আপনার ইউজার নেম এ ক্লিক করবেন।
picked
# এরপর  “আমার বিশদ বিবরন এ ক্লিক করবেন।
picked
#নিচের দিকে দেখবেন যে লেখা রয়েছে “দয়া করে ই-মেইল ঠিকানাটি যাচাই করুন।” ওখানে ক্লিক করবেন।
★ওখানে ক্লিক করার পর আপনার যে ই-মেইল টি দেওয়া আছে সেখানে একটা লিংক যাবে। ওখানে ক্লিক করবেন
[বিঃদ্রঃ আপনারা সবাই ই-মেইল টি পাবেন না। এর জন্য আপনাকে ই-মেইল অ্যাপ এ গিয়ে “spam” বক্স চেক করতে হবে ওখানে মেইল থাকবে] 
এই ভাবে মেইল ভেরিফাই করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। একাউন্ট এপ্রুভ হওযার পর।
picked
প্রশ্ন করুন” এ ক্লিক করে কাজ করবেন। আর উত্তর করার জন্য প্রশ্নে ক্লিক করে উত্তর বক্সে আপনার উত্তর লিখে সাবমিট করে দিবেন। এই কাজ।

তো এই ছিল।  ভালো লাগলে কষ্ট করে একটা লাইক দিয়েন। বিদায়।
















The post প্রশ্ন উত্তর করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম। appeared first on Trickbd.com.


নিয়ে নিন একটি অন্যরকম ভৌতিক উপন্যাস [সেই বাড়িতে রহস্য]

নিয়ে নিন একটি অন্যরকম ভৌতিক উপন্যাস [সেই বাড়িতে রহস্য]

Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । আশা করি পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন । তো বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক      

সেই বাড়ির রহস্য

part-১- ৭

রাতে পুঁটি মাছের ঝোল দিয়ে পেট পুরে খাওয়া দাওয়া শেষ করে বাড়ি থেকে একটু দুরের একটা চা’য়ের দোকানে বসে বসে মনের সুখে সিগারেট টানছি।

সিগারেট বললে নিতান্তই ভুল হবে,তামাক পাতা গুড়ো করে সদ্য সাদা কাগজ দিয়ে মোড়ানো একটা চার ইঞ্চির সরু লাঠি।যাকে কাচা বাংলাতে আমরা বিড়ি বলি।অবশ্য জীবনে প্রথমবারের মত বিড়ি খেতে পেরে মনের ভিতরে একদিকে যেমন সংকোচের শেষ নেই,তেমনি সিগারেটের নেশাটাও মাথার মগজে গিয়ে চরমভাবে হানা দিচ্ছে।

রাতে খাবার পর আবার বিড়ির ধোঁয়া নাকে না ঢুকলে অম্বল হয় আমার।আর সেই জন্য বাড়ি থেকে একটু দুরে এই দোকানটাতে আসা।কিন্তু ভাগ্যটা এতোটায় খারাপ যে তার দোকানে ডারবি সিগারেট টাও নেই।

যে দু একটা ছিলো সেইটাও আমার আগে কেউ বসিয়ে দিছে।

শেষমেষ কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে

সিগারেটের বদলে এই বিড়ি খাওয়া।যাকে বলে দুধের স্বাধ ঘোলে মেটানো।

আমার নাম রাজেশ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি বি এ করছি।এই তিনবছরে পুরো ভার্সিটি জুড়ে আমার একটামাত্র বন্ধু জুটেছে আর তার নাম হলো রিফাত।জাতে দু’জন দুটি ধর্মের হলেও মনের দিক থেকে একবারে সোনায় সোহাগা।আর রিফাতের জন্যই আমার গ্রামে আসা।সবে মাত্র তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা শেষ হতে না হতেই রিফাত তার সাথে গ্রামে আনার জন্য আষ্ঠেপৃষ্ঠে ধরলো।

আমারো যে একবারে ইচ্ছে ছিলো না তাও নই,ছোট থেকে শহুরের আলো বাতাস গায়ে মেখে বড় হয়েছি তাই আমার-ও খুব ইচ্ছে ছিলো গ্রামের মেঠোপথে ধুলিছড়ানো রাস্তাতে হাঁটার।তাই আমিও আর না করি নি।

কিন্তু রিফাতদের গ্রামটাকে গ্রাম বললে নিছক বোকামি করা হবে,কারণ গ্রামে আসার পর থেকে না দেখেছি কোনো মাটির কুড়ে ঘর,আর না দেখেছি কোনো মেঠো পথ।সবকিছুই যেন শহরের মত দেখতে।

ছোট্ট কাঠের দোকানটাতে আমি সহ মোট চারজন লোক বসে আছি।দোকানি আর বাকি দু’জনও দোকানির মতই প্রবীণ।বয়সটা আনুমানিক সত্তর থেকে নব্বয় এর মত হবে।মুরুব্বিদেরসামনে সিগারেট খাওয়াটা বড্ড বেমানান,তাই হাতের ফাঁকে রেখে চুপচাপ বসে আছি আর মাঝে মাঝে সুযোগ বুঝে টান দিচ্ছি।

ওরা তিনজনে সেই তখন থেকে কিছু একটা নিয়ে কানাঘুষা করছে।

কিন্তু বিষয়টা আমার বোধগম্য হচ্ছে না।

তাই হাতে থাকা বিড়িটা লুকিয়ে রেখে ওদের একটু পাশে গিয়ে দোকানিকে বললাম,”দাদু এক কাপ চা দিন।”

আমার কথা শুনে বাকি দু’জন আমার দিকে শুধু ফ্যালফ্যালিয়ে তাকানো ছাড়া আর তেমন কিছুই বললো না।

দোকানদার দাদু চা’য়ের কাপটা হাতে দিতে গিয়ে বললো,”কি হে ছোকরা বাড়ি কোথায়?

আমি চা’য়ের কাপটা হাতে ধরে মৃধু হেসে বললাম,”আমার বাড়ি ঢাকাতে,এখানে একবন্ধুর বাসায় বেড়াতে এসেছি।”

আমার কথা শুনে পাশে থাকা দু’জন লোক আমার দিকে এমনভাবে ঘুরে তাকালো যেন তারা ভিনগ্রহ থেকে ছাড়পত্র পেয়ে চলে আসা অদ্ভুৎ কিছু দেখতে চলেছে।

তাদের তাকিয়ে থাকা দেখে আমি নিজ হতে জিজ্ঞেস করলাম,”আচ্ছা দাদু আপনারা কি নিয়ে কথা বলছিলেন?”

দু’জনের ভিতর থেকে একজন বলে উঠলো,”তোমরা হলে এখনকার মর্ডাণ ছেলে।তোমরা কি আর এসবে বিশ্বাস করবে?”

বিশ্বাস অবিশ্বাসের কথা উঠতেই জানার ইচ্ছেটা আরো বেড়ে গেলো।আমি আরেকটু গা ঘেষে বসে বললাম,”কি এমন কথা দাদু,যে বিশ্বাস করবো না!”

-আসলে আমাদের গ্রামে একটা পৌরমহল আছে,প্রায় দেড়শত বছরের পুরোনো।ঐখানে প্রেতাত্মা বসবাস করে।প্রতিবছর ঐ পৌরবাড়িতে আষাঢ় মাসের শেষের দিকে কারো না কারো লাস পাওয়া যাই।আর দুদিন পর আবারো আষাঢ় মাস শেষ হয়ে যাবে।

উপরওয়ালাই জানে এবার কার বুকের ধন কে,ও বাড়িতে পাওয়া যাবে।

বয়স্ক লোক দুটির কথা শুনে কেন জানি মনে হলো আমার এতোদিনের স্বপ্নটা পূরণ হতে চলেছে।আমারো অনেকদিনের স্বপ্ন এরকম একটা ভৌতিক কিছুর সাথে নিজেকে জড়ানো।

যাতে সুপারন্যাচারাল বিষয়টা সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞান লাভ করতে পারি।

নিজেকে ওতপ্রতভাবে জটিয়ে বসিয়ে বললাম,”দাদু যে কি বলেন।এই বিংশ শতাব্দিতে এসে এসব কি বলছেন?

-বলেছিলাম,তোমরা বিশ্বাসের পাত্র নই।তবুও ওদিকটাতে সাবধানে যেও,তুমি গ্রামের মেহমান,রক্তের তাড়নাতে আবার ভুলভাল কিছু করে বসো না যেন।

-তা দাদু আপনার সেই ভৌতিক মহলটা কোন দিকে?

পাশের জন্য হাত উচিয়ে ফ্যাসফ্যাসে গলাতে বললো,”ঐ যে ঐদিকটাতে।

আমি সামান্য ঘাড় বাকিয়ে বললাম”

-ওহ্ আচ্ছা।

দাদুদের সাথে কথা বলে বসার টুল ছেড়ে উঠতে যাবো,দেখি হাতের ফাঁকে লুকিয়ে রাখা বিড়িখান চোখ বুঁজে চুপটি মেরে বসে আছে।দোকানদার দাদুর সাথে আরো একবার লাইটার টা নিয়ে বিড়িটা ধরিয়ে হাঁটা শুরু করে দিলাম।

অন্ধ্যকার রাতে জলন্ত বিড়ির আগুনে তেমন ভাবে কিছুই দেখা যাচ্ছে না,শুধুমাত্র মুখ দিয়ে বের হওয়া ধোঁয়া ছাড়া।চারপাশটা বেশ নিস্তব্দ,আর শুনশান।রাস্তার পাশের কলাবাগান থেকে ঝিঝি পোকার ডানা ঝাঁপটানোর আওয়াজে চারপাশটাকে মুখরিতে করে তুলতে চায়ছে।

আসবার পথে রাস্তার ধারে কয়েকটা সোডিয়ামের হলুদ বাল্ব গুলো জ্বললেও এখন তা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে পুরো গ্রামটাকে অন্ধ্যকারে মোড়ানো এক গোলক ধাঁধার মত লাগছে।

একটু পর পর বিড়িতে টান দিচ্ছি আর হাঁটছি।অন্যকেউ হলে হয়তো নির্ঘাত পথভ্রষ্ট হতো এই জমকালো রাতের আঁধারে।কিন্তু আমার স্মৃতিশক্তি বেশ প্রখর,আর তাই অন্ধ্যকারের ভিতরেও ঠিকি দিক ঠিক রেখে হেটে যাচ্ছি।

রিফাতদের বাসা থেকে দোকানটা খুব একটা দুরে না হলেও আমার একাকিত্বর কারণে এখন বেশটুকু দুরে মনে হচ্ছে।নিজের অজান্তে মুখ দিয়ে ধোঁয়া ছাড়ার সাথে সাথে গুনগুন করে গান গায়ছি আর সরু পথটা ধরে হেটে যাচ্ছি।

বাইপাস মোড়টা ছাড়াতেই থমকে দাঁড়ালাম,হঠাৎ করেই চোখ আটকে গেলো নিজের সামনে একটা মস্ত বড় বাড়ি দেখে।অন্ধ্যকারের মাঝে বাড়িটাকে দেখতে অনেকটা মাথা উচানো দানবের মত দেখাচ্ছে।তাহলে কি এইটায় ঐ বাড়ি,যে বাড়িটার কথা একটু আগে চায়ের দোকানে হচ্ছিলো।

কিছুক্ষণ গভির মনোযোগ দিয়ে বাড়িটাকে দেখলাম।চারপাশটাজুড়ে কেমন যানি গা ছমছম করার মত আর বেশ ভূতুড়ে টাইপের।মাঝেমাঝে জোনাক পোঁকার নিভুনিভু সবুজ আলোতে বাড়িটাকে আরো বেশি ভয়ংকর করে তুলছে।

অন্ধ্যকারের মাঝে নিজের মনের ভিতরে প্রতিচ্ছবি এঁকে নিলাম বাড়িটার।

প্যান্টের ভিতরে থাকা ফোনটা ভ্রাইবেশন কম্পনের কারণে বুকের ভিতরটা ধক্ করে উঠলো।বাড়িটার দিকে তাকিয়ে থেকে ফোনটা বার করে রিসিভ করলাম।

-হ্যালো,কোথায় তুই?

-এইতো সিগারেট খেতে এসেছিলাম।তোর বাসার আশপাশেই আছি।

-তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আয়,এইটা তোর শহর না যে মেলা রাত অবধি রাস্তা-ঘাটে ঘুরাঘুরি করবি।সেই কখন বের হয়ছিস,অচেনা জায়গাতে আমাকে তো সাথে করে নিয়ে যাবি।

-আরে সমস্যা নেই,আমি চলে এসেছি প্রায়।

-আচ্ছা তাড়াতাড়ি চলে আয়,গ্রামে রাতে বেশি ঘুরাঘুরি করলে পরে আবার ঝামেলা হয়ে যেতে পারে।

-আচ্ছা যাচ্ছি।

এই ব্যাটা রিফাতটাও হয়ছে,সবে রাত বারোটা বাজে এতো তাড়াতাড়ি কি ঘুম আসে আমার।এই তিনবছর একসাথে থেকেও ব্যাটাকে কিছু শেখানো গেলো না।

পকেট থেকে অবশিষ্ট থাকা বিড়িটা ধরিয়ে খেতে খেতে রিফাতদের বাসার দিকে হাঁটতে লাগলাম আবারো।

পরদিন সকালে…

“ঘড়িতে ছয় টা বেজে পনেরো মিনিট।নিজে ঘুম থেকে উঠে রিফাতকে ডেকে তুললাম।

লাইফে ৩য় বার এতো সকালে ঘুম থেকে উঠছি।প্রথম বার উঠেছিলাম যেদিন বড় আপুর বিয়ে হয়েছিলো।২য় বার উঠেছিলাম যেদিন আমি রিয়াকে প্রপোজ করার জন্য রিয়ার স্বর্ত অনুযায়ী কাকভেজা শিশির ঘাসের উপর পড়ে থাকা কুয়াসাতে কারো পা পড়ার আগেই তাকে রক্তগোলাপ দিয়ে প্রপোজ করতে হবে”সেদিন।

মেয়েটা আসলেই একটু অন্যরকম,নইতো আমার মত ছেলেকে সে ঠকাতে পারতো না।কি না করেছি তার জন্য,যে কি না নিজের হাতে কোনোদিন এক লাইন কিছু লিখতো না,সেই আমি রোজ রাতে বই থেকে কবিতা বাছায় বাছায় করে করে তার জন্য রাত জেগে জেগে কবিতা লিখেছি।নিজের পড়ালেখা গোল্লাতে দিয়ে তার জন্য দিনের পর দিন নোটস রেডি করে দিতামম।

আর সেই কি না আমাকে ঠকালো।

আসলেই মেয়েদেরকে বিশ্বাস করাটায় দুষ্কর।

মেয়েদের মন অনেকটায় আষাড় মাসের আকাশের মত,এই নীলে ভরা স্বচ্ছ আকাশ,আবার ক্ষনিকের ভিতর মেঘ জমে এক পশলা বৃষ্টি।

সে যাই হোক,আজকে রিফাত আমাকে তার গ্রামটাকে ঘুরেঘুরে দেখাবে।আর সেইজন্য খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে রিফাতকে ডেকে তুলেছি।

আমার উদ্দ্যেশ্য গতকাল রাতে মুরুব্বিদের মুখে শোনা ঐ পৌর বাড়িটাকে খুব কাছ থেকে দেখবার।

সারারাত অপেক্ষা করেছি কখন ভোর হবে,আর কখন ঐ বাড়িটার ভিতরে গিয়ে ঢুকবো।

সকাল পনে আট টার দিকে আমি আর রিফাত বার হলাম গ্রাম ঘুরার জন্য।রিফাতদের এই গ্রামে বেশ ক্ষ্যাতি আছে বলতে হয়।

কারণ যেই রিফাতকে দেখছে সেই নিজ থেকে কথা বলছে,ছোটরা সালাম দিচ্ছে,আর মুরুব্বিরা বাবাজি বাবাজি করছে। আসলে ওর বাবা এই গ্রামের চেয়ারম্যান, হয়তো সেই জন্য এত নাম যশ।

খানিকটা পথ হাঁটার পর,গতকাল রাতের আঁধারে দেখা মস্ত বড় বাড়িটার সামনে আসতেই রিফাতকে থামিয়ে বললাম,”দোস্ত বাড়িটা তো অনেক সুন্দর।

কাদের রে এই বাড়িটা।

রিফাত আমার কথা শুনে তার চোখ দুটি মোটামোটা করে বললো,”এই বাড়িটাকে তোর সুন্দর মনে হচ্ছে।আরে এইটা একটা অভিশ্প্ত পৌর বাড়ি।প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শেষের দিকে এই বাড়ির আশপাশে কারো না কারো মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যাই।এই বাড়িতে ভূত আছে।

রিফাতের কথা শুনে আমি কিছু না জানার ভান করে বললাম,”তাই নাকি,তাহলে তো বাড়িটার ভিতরটা একটু দেখার দরকার।

রিফাত তৎক্ষণাৎ হাত বাড়িয়ে বাধা দিয়ে বললো,”নাহ্ ঐ বাড়িতে যাবো না।পাগল হয়েছিস তুই?

-কেন?

-বললাম না ঐ বাড়িটা অভিশপ্ত বাড়ি,ঐখানে সব প্রেতাত্মার বসবাস।এ বাড়ির আশপাশে কেউ ঘেষতে চায় না,আর তুই ভিতরে ঢুকতে চায়ছিস।

-আরে তুই ও না,এতোদিন শহরে থেকেও এসবে বিশ্বাস করিস তুই?

-হ্যা করি,কারণ ও বাড়িতে সত্যি সত্যি ভূত আছে।

অনেকে দিনের বেলাতেও বাড়ির বাহিরে ভূত দেখেছে।

-তুই দেখেছিস?

-নাহ্,আমি তো কখনো ঐ বাড়ির দিকে ঘুরেও তাকায় নি।

রিফাতের কথা শুনে রাস্তা হতে বাড়িটাকে ভালোভাবে দেখতে লাগলাম।বাড়িটা আসলেই অনেক বছরের পুরানো।আর তা ইটের গায়ে লেগে থাকা শ্যাওলা গাছ আর নানান ধরনের সব ঝোপঝাড়-ই বলে দিচ্ছে।

বাড়ির ভিতরে ভূতের গুষ্ঠি সহ বসবাস করলেও বাড়িটাকে আমার দেখতেই হবে।

কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকার পর মুচকি হেসে দিয়ে বললাম

-তুই না আসলেই একটা গর্দভ,চল তো আমার সাথে তোর আইজকা ভূত দেখাবো।

বলেই রিফাতকে টানতে টানতে পৌর বাড়িটার দিকে হাঁটতে শুরু করে দিলাম।

part – 2

রিফাত অদ্ভুৎভাবে গোঙ্গাচ্ছে আর আমার হাত থেকে ওর হাতটা ছুটিয়ে নিতে চায়ছে।কিন্তু আমিও নাছোড়বান্দা,একবার যখন মুখ থেকে বার করেছি তখন ঐ বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করবোই করবো।

মেইন রোড ছেড়ে দু’জনেই ঝোপঝাঁড় সরিয়ে সরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি,কেমন যানি একটা ভ্যাপসা গরম চারপাশ থেকে জড়িয়ে ধরতে চায়ছে।মিনিট কয়েক হাটার পর দু’জনেই থমকে দাঁড়ালাম।

রিফাত ও হাতটা এক ঝাড়াতে সরিয়ে নিতে নিতে বললো”,সবসময় নিজের ইচ্ছাটাকেই প্রধান্য দিস কেন বলতে পারিস।

বার বার বলার পরও এইখানটাতে আসার কোনো দরকার ছিলো।এখন যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যায় তখন।

আমি সামনের দিকে তাকিয়ে থেকে বললাম”,কিচ্ছু হবে না,চল ভিতরে ঢুকবো।

আমার কথা শুনে রিফাত হকচকিয়ে বলে উঠলো”,না না নাহ্,আমি ভিতরে ঢুকবো না।বাবা যদি যানে তাহলে তো আমাকে আস্তো রাখবে না।

এবার কিছুটা রেগেমেগে বললাম”,তোর বাপ কি করে জানবে রে,আর এতোদুর অবধি যখন এসেছি তখন ভিতরে আমি ঢুকবোই।আর সাথে তোকেও ঢুকতে হবে।আর এতো ভয় কিসের,দিনের বেলাতে কি ভূত থাকে নাকি? ভুতেরা তো রাতে বার হয়।আমরা দিনের আলোতে চুপিচুপি সবকিছু দেখে কেটে পড়বো।

রিফাত মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললো”,দেখ দোস্ত।

আমি বললাম”,চুপ থাক তুই,চল আমার সাথে।

বলেই হ্যাচকা টানে পৌর বাড়িটার মেইন গেইট দিয়ে ভিতরে ঢুকতে লাগলাম।সূর্যটা ঠিক তখন মাথার উপর ছুঁয় ছুঁয় করছে।

বাড়িটার উপরের অংশ প্রাই ভেঙ্গে পড়ার উপরে।ভেঙ্গে যাওয়া ছাদের ফাঁক দিয়ে সুর্যের আলো এসে পড়াতে ভিতরের সবকিছুই বেশ দৃশ্যমান।সারি সারি ইট গুলো পোকাতে খাওয়া আর নোনা লেগে ক্ষয়ে যাওয়ার মত অবস্থা।

দেওয়াল বেয়ে বিভিন্ন লতা-পাতা আর নানান ঝোপঝাঁড় জন্মে পরিপুর্ণ বাড়িটা।

শক্ত একটা কাঠের লাঠি হাতে করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি,আর আমার পিছনে পিছন আসছে রিফাত।

সদর দরজাটা খুলতেই কতগুলো চামচিকা আর বাদুড় ডানা ঝাপটিয়ে বাইরে বেরিয়ে গেলো।কিছুক্ষণের জন্য ঘাবড়ে গেলেও নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে এগোতে লাগলাম।

পৌর বাড়িটা মোট পাঁচটা রুম বিশিষ্ট,তার ভিতরে সবগুলোরই দরজা ভাঙ্গা।

এক এক করে সব গুলো রুমে প্রবেশ করলাম,কিন্তু সেখানে তেমন কিছুই নেই।তবে প্রতিটা ঘরের দেওয়ালে অদ্ভুৎ কিছু লেখা,আর রোমান সংখ্যা দিয়ে খোদায় করা আছে।

অক্ষর গুলো কোন দেশের তা জানার জন্য ফোনের ক্যামেরা বন্দি করে নিয়ে আরো একবার বাড়িটাতে ঘুরে নিলাম।বাড়িটা শুধু মাত্র পৌরবাড়ি ছাড়া আর কিছুই না।

এলাকার মানুষ অযথা গাঁজাখুরি কথাতে কান দিয়ে মিছামিছি ভয় করে।ভূত কি ভূতের কংকাল টা পর্যন্ত নেই এইখানে।এতক্ষণে রিফাতের ও ভয়টা কমে গিয়েছে অনেকটা।দু’জনে মিলে ঘাড় জড়াজড়ি করে পৌর মহল থেকে বার হলাম।

শরিরটা খুবই ক্লান্ত,ভর দুপুরে অনেকক্ষণ ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থেকে দেহখানা এখন দু পায়ে ভর দিয়ে থাকতে একবারে নারাজ।

তাই আর কোথাও না গিয়ে সরাসরি রিফাতদের বাড়ির পথে রওনা দিলাম।

বাসায় ফিরে ক্লান্ত শরিরটা নিয়ে খাটের উপর বসতেই নিজের অজান্তে ঘুম জড়িয়ে আসলো।

সন্ধ্যার সময় ঘুম ভাঙ্গলো রিফাতের মায়ের ডাক শুনে।

“বাবা রাজেশ,এখনো কি ঘুমাচ্ছো?

আন্টির ডাক শুনে তড়িঘড়ি করে উঠে দরজা খুলে বললাম,”হ্যাঁ আন্টি,একটু ঘুম জড়িয়ে এসেছিলো।কিছু বলবেন কি?

-কেউ তো বাড়িতে নেই,আমিও চলে যাবো তাই তোমাকে বলতে এসেছিলাম।

-কোথায় যাবেন আন্টি,আর রিফাত কোথায়?

-কেন তোমাকে কি কিছু বলে নি রিফাত!

-নাহ্, কি বলুন তো আন্টি!

-আসলে আজকে সন্ধ্যার পর কতমতলার মোড়ে গানের আসর বসবে।সেখানেই যাচ্ছি সবাই।

-ওহ্ তাহলে আমিই বা একা ঘরে থাকবো কি জন্য।

চলুন একসাথে যাই।

আন্টিকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে তাড়াতাড়ি ফ্রেস হয়ে নিয়ে আন্টির সাথে বেরিয়ে পড়লাম গানের আসর দেখার জন্য।

দুর হতে আন্টি হাত উচিয়ে দেখিয়ে বললো,”ঐযে ওখানে গানের আসর বসে।

এতক্ষণে মনে হয় শুরু হয়ে গিছে।

তুমি যাও আমরা মেয়েদের জন্য আলাদা বসার জায়গা আছে।আমি সেখানে যাই।

আন্টির কথা শুনে শত শত জমায়েত হওয়া মানুষের ভিতরে এসে দাঁড়ালাম।

রিফাতের বাবা একহাতে দোতারা বাজাচ্ছে।

আর একজন মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে গান করছে।

ভাঁটিয়ালি গান আর পালাগান।

বুঝলাম না এলাকার চেয়ারম্যান হয়ে রিফাতের আব্বু দোতারা কেন বাজাচ্ছে,আমার হিসেবে তো তার এখানে চিপগেষ্ট হয়ে আসার কথা।

একটু পর দেখলাম রিফাত ঘাড়ে হাত দিয়ে আমাকে ইশারা করে বলছে,তাদের গানের অাসর কেমন লাগছে আমার।

আমি কোনো কথা না বলে শুধু মাথা দুলিয়ে হ্যাঁ সুচক উক্তি করে আবারো সামনে তাকালাম।শত শত মানুষ জমায়েত হয়েছে শুধু মাত্র এই আসর দেখবে বলে।আমিও সবার সাথে তাল মিলিয়ে হাত তালি দিয়ে গান উপভোগ করতে লাগলাম।

রাতে আমি,রিফাত আর রিফাতের বাবা একসাথে খেতে বসেছি।রিফাতের মা আমাদেরকে খাবার বেড়ে দিচ্ছে।গ্রামে নাকি এমনটায় হয়,পরিবারের সবার খাওয়া শেষ করে তারপর কর্তি খেতে বসে।

ইলিশ ভাজার বাটিটা আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললো”,বাবা আরেকটা মাছ দেয়?

আমি অর্ধভাঙ্গা গলাতে বললাম”,না আন্টি আর লাগবে না।তবে আংকেল আপনি কিন্তু দোতারাটা দারুন বাজাতে পারেন।

আপনাকে দেখে বুঝবারই উপায় নেই, যে আপনি দোতারা বাজাতে পারেন।এবার আমাদের ঢাকাতে কোনো গ্রাম্য উৎসবের আয়োজন করলে অবশ্যয় আপনাকে ইনভাইট করবো।

দেখবেন লোকজনের আপনার দোতারার সুর শুনে প্রসংসাতে পঞ্চমুখ করে ফেলবে।

আংকেল ভাত খাওয়া রেখে একগাল হেসে দিয়ে বললো”,গ্রামের মানুষের দোয়াতে আমি আজ মেম্বার থেকে চেয়্যারম্যান,সামনে বছরে ভাবছি এমপির পদে দাঁড়াবো।

-বাহ্ ভালোই তো,তবে আপনাকে দেখে কিন্তু বুৃঝবারই উপায় নেই আপনি দোতরা বাজাতে পারেন!

-এইতো মাঝেমধ্যে টুকিটাকি বাঁজায় আর কি।

কথাটা বলে আন্টিকে আরো এক পিচ মাছ ভাজা তুলে দিতে বললো আংকেল।

আমিও আর নিজেকে আটকে রাখতে পারলাম না।

বললাম”,আংকেল শুনলাম আপনাদের মহল্লাতে একটা ভূত বাড়ি আছে।লোকমুখে সেদিন শুনলাম আষাঢ় মাসের শেষের দিকে নাকি প্রতিবছরই কারো না কারো লাশ পড়ে থাকতে দেখা যাই বাড়িটার আশপাশে।

আংকেল আমার কথাটা শুনে ভাত খাওয়া বন্ধ করে গম্ভির কণ্ঠে বলল”,হ্যাঁ তুমি ঠিকি শুনেছো।

কোন দুষ্টু আত্মার কবলে যে মহল্লাটা পড়ে আছে কে জানে?

প্রতিবছরই একটা করে নবজাতক শিশু গায়েব হয়ে যাই,আর তারপরের দিন মৃত অবস্থাতে পৌর বাড়িটার বাইরে পড়ে থাকে।

খুবই অদ্ভুৎ ভাবে শিশুগুলোকে মারা হয়।

পুরো শরিরে কিসের যেন হুল ফুটানো থাকে।

আংকেলের কথা শুনে সাথে সাথে শরিরের সব লোম গুলো শিহরিত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো।চায়ের দোকানে থাকা মানুষ গুলো যা বলেছিলো আংকেল তো দেখি তার থেকে বেশিই বাড়িয়ে বলছে।

কিন্তু আমি তো নিজেই ও বাড়িতে গেছিলাম,কোই তেমন কিছুই তো দেখলাম না।যেভাবেই হোক এবারের খুনের রহস্যটা আমাকে জানতেই হবে।

রাতে খাওয়া শেষ করে মোবাইলে লিখে রাখা রোমান সংখ্যা আর প্রাচিন শব্দগুলো নিয়ে গুগলে সার্চ করতে লাগলাম।

কিন্তু কোনো অর্থ খুঁজে পেলাম না।

মাথারা ভিতরে হাজারটা প্রশ্ন খেলে বেড়াচ্ছে,শব্দগুলো কোন ভাষার হতে পারে,কি এমন অর্থ হতে পারে।

নাকি এটা কারো মনগড়া কারুকার্য হবে?

টেনশন কমাতে ঘর থেকে বাহির হয়ে আবারো হাঁটা শুরু করে দিলাম।উদ্দ্যেশ্য গতকালকের চায়ের দোকানে গিয়ে একটা সিগারেট খেয়ে কিছুটা প্রশান্তি খুঁজার।

কিছুক্ষণ হাঁটার পর দেখলাম চায়ের দোকানি তার সবকিছু গুছিয়ে দোকানের সাটার বন্ধ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

আমি তাড়াতাড়ি করে গিয়ে বললাম,”দাদু আজ এত সক্কাল সক্কাল দোকানে তালা মারছেন যে?

দাদি কি জরুরি তলব করেছে নাকি?

দোকানি তালাটা হাতে নিয়ে ক্ষীণ কণ্ঠে বললো,”তুমি তো দেহি খুব রসের মানুষ।

একদিনের পরিচয়ে গায়ে পড়ে তামাসা করছো।

দোকানি কথাটা রাগ করে বললো কি হেসে বললো বুঝলাম না তবে দোকানির খুব তাড়া সেটা তার ছটফটানি দেখেই বুঝতে পারছি।

-কি হে ছোকরা কিছু কি লাগবো তাড়াতাড়ি কও।

-হ্যাঁ,দাদু আজকে কি সিগারেট হবে।নাকি আজকেও বিড়ি খেতে হবে।

দোকানি কোনো রকম কথা না বলে দোকানের মুখটা দিয়ে মাথা ঢুকিয়ে বললো”,কোন সিগারেট দিমু কও?

-ব্যানসন আছে কি?

-না,তবে ডার্বি আর স্টার হবে।

-তাহলে স্টার দিন দুটো আর একটা ম্যাচবক্স।

দোকানি দুটো সিগারেট সহ একটা প্যাকেট হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো,”এইখানে বেশিক্ষণ থাইকো না।আগামীকাল তো মাসের শেষ দিন।

না জানি ঐ ভূতবাড়িতে আবার কার লাশ পাওয়া যাই।

আমি সিগারেটের টাকাটা দেওয়া মাত্রই দোকানি পঞ্জের সেন্ডেল পায়ে দিয়ে পচাত পচাত শব্দ করে হাঁটতে লাগলো।

আমি দোকানের পাশে থাকা বাঁশের তৈরি মাচাতে চুপচাপ বসে প্যাকেট থেকে সিগারেটটা বার করে টানতে লাগলাম।

এই এলাকার তো দেখি সবারই মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

সত্যি সত্যি কি ও বাড়িতে ভূত আছে,কিন্তু দিনের বেলাতে তো তেমন কিছুই অনুভব করতে পারলাম না।

সমস্ত ভাবনা সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে বার করে দিয়ে আবার হাঁটতে লাগলাম।

গতকালকে থেকে আজকের রাতটা আরো অন্ধ্যকার দেখাচ্ছে।অবশিষ্ট আরো একটা সিগারেট ধরিয়ে নিয়ে মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে হাঁটছি আর ভাবছি সত্যি সত্যি কি আগামিকালকে কারো লাশ পড়ে থাকবে ঐ বাড়িটার সামনে।

কিন্তু আংকেল তো বললো নবজাতক শিশুদেরকে পড়ে থাকতে দেখা যাই শুধু।

ভূতের আবার বয়সের কি দরকার,তার কাছে তো সবাই সমান।

তাহলে বেছে বেছে নবজাতক গুলোকেই কেন টার্গেট করে।মাথাতে কিছুই ঢুকছে না।

যতটা দ্রুত সম্ভব পা চালিয়ে হাঁটতে লাগলাম।

পৌর বাড়িটা ঠিক রিফাতদের বাড়ি ফেরার পথের মুখে পড়ে।

তাই ইচ্ছে না করলেও বাড়ি ফেরার পথে নিজের অজান্তে বাড়িটার দিকে নজর পড়লো।

বাড়িটার দিকে তাকাতেই চমকে উঠলাম,কেউ একজন মোমবাতি হাতে করে বাড়িটার ভিতরে হাঁটা চলা করছে।চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে প্রখর দৃষ্টি দিয়ে দেখার চেষ্টা করতে লাগলাম।

কিন্তু অন্ধ্যকারের ভিতরো আবছায়া ছাড়া আর তেমন কিছুই বোঝা যাচ্ছে না।

সাহস করে যেতে চায়লেও মনটা কোনোমতে সায় দিচ্ছে না।

তাই আঁড়ালে দাঁড়িয়ে চুপচাপ দেখতে লাগলাম কে হতে পারে,কারণ বাড়িটার ভিতরে আর যেই হোক না কেন,কোনো ভূত না এটা সিউর।

কারণ অশরিরি আত্মা তো আগুনকে ভয় পাই।

আর ঐটা তো নিজ হাতে আগুন নিয়ে হাটাহাটি করছে।

অনেক্ষণ যাবৎ দাঁড়িয়ে থাকার পর দেখলাম মোমবাতি হাতে করে কেউ একজন বাইরে বেরিয়ে আসছে।

নিজেকে শক্ত করে দাঁড়িয়ে থেকে তাকিয়ে আছি।

ঝোঁপঝাড় পেরিয়ে যখন ভিতরের ভূতটা বাইরে এসে দাঁড়ালো তখন তো আমি পুরা অবাক।

তাহলে কি এই লোকটায় এতোদিন ধরে ভূত হয়ে সবাইকে ভয় দেখিয়ে এসেছে।

ভয় না হয় দেখালো কিন্তু এর সাথে নবজাতক শিশু হত্যার কারণটা কি?

সত্যিটা আগামীকালকেই জানা যাবে।

মনে মনে হেসে দিয়ে বললাম,”ভূত বাবাজি এবার তোমার খেল খতম,এবারের আষাঢ়ে তোমার আষাঢ়ি গল্পের সমাপ্তি ঘটাবো আমি।

Last part  3

লোকটা মোমবাতিটা নিভিয়ে ফেলে সোজা চম্পট লাগালো।কিন্তু মনের ভিতরে হাজারটা প্রশ্ন ছুড়ে গেলো যেতে যেতে।ঘরের ভিতর তো তেমন কিছুই দেখলাম না,তাহলে এতো রাতে সবার অগোচরে এভাবে পৌর বাড়িতে ঢুকার কারণ কি?

তাহলে কি এই লোকটায় সবকিছুর মূলে আছে।নাকি অন্যকোনো মতলবে ঢুকেছিলো।

সবকিছুর উত্তর আগামীকালকেই পেয়ে যাবো।

এখন শুধু অপেক্ষার পালা,হাতের ফাঁকে লুকিয়ে রাখা সিগারেট টাও আপনা আপনি জ্বলে শেষ হয়ে গেছে।

মনের ভিতরে সব চিন্তা চেতনাকে চেপে রেখে সোজা রিফাতদের বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।বাড়ির ভিতরে ঢুকতেই কেউ একজন গম্ভির স্বরে বলে উঠলো,”এতো রাতে কোথায় গিয়েছিলে?

অন্ধ্যকারে হুট করে কারো কথা শুনে বুকের ভিতরটা ধক্ করে উঠলো।

তাকিয়ে দেখলাম ঘুটঘটে অন্ধ্যকারের মাঝে সিগারেটের নিভুনিভু আলোটা ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছে না।

তাড়াতাড়ি করে ঘাড় ঘুরিয়ে বললাম,”একটু হাটাহাটি করতে গেছিলাম।

বলেই মোবাইলের টর্চটা ফেলতেই দেখলাম।

রিফাতের আব্বু গায়ে কালো চাদর মুড়িয়ে চেয়ারের উপর হেলান দিয়ে বসে আছে।এই গরমের দিনে চাদর মুড়িয়ে থাকাটা বেশ অদ্ভুৎ লাগলো আমার কাছে।

আমাকে টর্চ মারতে দেখে সিগারেটটা নিচে ফেলে পা দিয়ে মাড়িয়ে দিতে দিতে বললো,”রাতের বেলাতে এভাবে হুটহাট বাইরে যাওয়া মোটেও ভালো না।আগামীকাল তো আষাঢ় মাসের শেষ দিন,তাই এখন তো একবারেই নই।

আর তা ছাড়া তুমি আমাদের বাড়ির অতিথি,তোমার কিছু হয়ে গেলে তখন আমার সম্মানে দাগ কাটবে,যা আমি মোটেও চায় না।

যাও রিফাতকে ডেকে তাড়াতাড়ি সুয়ে পড়ো রাত অনেক হয়ছে।

আংকেলকে আমার এই মূহুর্তে সম্পূর্ণ আলাদা লাগছে।তার কথার ভিতরে কেমন যানি ক্ষিপ্ততা লুকিয়ে আছে মনে হচ্ছে।একটু আগেও তো বেশ হাসতে হাসতে কথা বলছিলো।সে যাই হোক মেহমান হিসেবে তো এতটুকু খবরদারি দেখাতেই পারে।

আংকেলের সাথে বিদায় নিয়ে সোজা রিফাতের ঘরে ঢুকে

চুপচাপ সুয়ে পড়লাম,রিফাত ব্যাটা মরার মত পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছে। কিন্তু কথাগুলো কাউকে না বলা অবধি কেন জানি মনের ভিতরটা ছটফট করছে,মনে হচ্ছে পেট ফেটে যাবে এক্ষণি।কিন্তু রিফাতকে বললে কি আর ও বিশ্বাস করবে।তার থেকে কালকে হাতে নাতে ধরার পর তখন সবাইকে বিষয়টা খুলে বললেই হবে।রিফাতের মাথার নিচ থেকে একটা বালিশ টেনে নিয়ে চুপচাপ ওর পাশে সুয়ে পড়লাম।

সকালে রিফাতের ডাকে ঘুম ভাঙ্গলো।

,”কিরে কালকে রাতে আবার কোথায় গেছিলি?

-আমার যা কাজ,রাতে খাবার পর আমি কোথায় যাই ভালোই তো জানিস?

-ওসব ছায়পাস না খেলে কি হয় না।

-বাঘকে ধানের ক্ষেত আর তোকে এসব বলা একই কথা।

-বাদ দে,নে তাড়াতাড়ি উঠে ফ্রেস হয়ে নে।

একটু বাহিরে যাবো।

-কোথায় যাবি?

-একটু গঞ্জে যাবো,বাবা আজকে যেতে পারবে না।তাই আমাকে যেতে বলছে।

-ওহ্ আচ্ছা।

ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে হাল্কা কিছু মুখে দিয়ে বেরিয়ে পড়লাম রিফাতের সাথে।

রিফাতদের গোলিটা ছাড়াতেই পৌর বাড়িটার সামনে এসে থমকে দাড়িয়ে বললাম,”তোদের হিসাব মত তো তাহলে আজকে রাতে ভূত বাবাজি আরো একটা নবজাতকের প্রাণনাশ করবে তাই না?

রিফাত কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললো,”তোর মাথাতে কি এসব ছাড়া আর কিছুই ঘুরে না।

চল তো তাড়াতাড়ি।

-আজকে রাতে খেলা হবে।

তোরে নিয়ে আইজকা রাতে ভূত বাবাজিকে দমন করবো।

-দেখা যাবে এখন তো চল।

-আচ্ছা ঠিক আছে চল।

গঞ্জে গিয়ে রিফাতের সাথে তাদের আড়ত আর দোকান গুলো ঘুরে ঘুরে দেখলাম।

রিফাতকে দেখে তো মনেই হয় না ওদের এতো টাকা পয়সা আর সম্পদ আছে।

এতো টাকা পয়সা থাকার পরও দিব্যি ফকিন্নির মত চলা ফেরা করে ব্যাটা।

গঞ্জ থেকে ফিরতে গিয়ে তখন প্রাই দুপুর গড়িয়ে বিকেল হওয়ার উপরে।

এদিকে আমার মনের ভিতরে সবসময় একটা উৎসুক কাজ করছে।

বাড়ি ফেরার পথে দেখলাম রাস্তার মাঝখানে কিছু মানুৃষ ভিড় জমিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

আর ভিতর থেকে একজন মহিলা চিৎকার করে কেঁদে কেঁদে বলছে,”আমার বুকের ধনকে ফিরিয়ে এনে দাও।একটু আগেও তো আমার সামনে হাসছিলো খেলছিলো।

না জানি আমার বুকের মানিকটাকে এবারের আষাঢ় মাসের বলির স্বীকার হতে হয়।

ভিড় ঠেলে ভিতরে গিয়ে দেখলাম একজন মহিলা তার স্বামীকে জড়িয়ে ধরে কথাগুলো বলছে আর কাঁদছে।উৎসুক জনতার মাঝে শুধু ভয় আর অসহায়ত্ব ছাড়া তেমন কিছুই লক্ষ্য করলাম না।

তারমানে এবারের আষাঢ়ের বলির পাঠা হিসেবে এই মহিলার বাচ্চাকে হরণ করেছে।

বাড়ি ফিরে এদিক ওদিক রিফাতের আব্বুকে খোঁজার চেষ্টা করলাম কিন্তু কোথাও নেই।

আন্টিকে জিজ্ঞাসা করাতে বললো,”রিফাতের বাবার অনেক মানুষের সাথে উঠাবসা।

তার কাজের জন্য একটু শহরে গিছে।

আমতা আমতা করে বললাম

-ফিরবে কবে আন্টি?

-বললো তো আগামীকালকেই চলে আসবে।কেন, কোনো দরকার ছিলো বাবা?

-না আন্টি এমনি।

এবার পুরোপুরি সিউর হয়ে গেলাম এই নবজাতক হত্যার পিছনে সম্পূর্ণ রিফাতের বাবার হাত রয়েছে।

লোকটাকে দেখে তো বুঝবারই উপায় নেই,ভিতরে ভিতরে এসব কুকর্ম করে বেড়ায়।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই দেখলাম মহল্লার সবাই এক এক করে ঘরের দরজা আটকানো শুরু করে দিছে।

এমনকি আমি আর রিফাত যেই ঘরে থাকি সেই ঘরের দরজাটাও বন্ধ করে রাখতে বলেছে রিফাতের মা।

আজকের রাতে নাকি বাড়ি থেকে বার হওয়া নিষেধ।

আর পৌর বাড়িটার দিকে যাওয়া তো একবারেই মানা।সন্ধ্যার পর পরই নাকি পৌর বাড়িটা প্রাণবন্ত হয়ে উঠে।আর তখন ঐ বাড়ির ভিতর থেকে নানান রকমের অদ্ভুৎ সব আওয়াজ বের হয়ে আসে।

তাই সবাই নিজের প্রাণের মায়াতে সন্ধ্যার আগে সব কাজ কর্ম সেরে ঘরের দরজা বন্ধ করে বসে থাকে।কিন্তু আমাকে তো যেভাবেই হোক ঐ বাড়িতে একটাবার যেতেই হবে।

নিজের চোখে ভূত বাবাজির কর্মকান্ড না দেখা অবধি কোনমতেই শান্তি পাচ্ছি না।

ধিরে ধিরে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নেমে আসলো।

বেশ কয়েকবার জানালা খুলে দেখলাম বাইরের পরিবেশটা একদম শান্ত।কোনোরকম হৈ হুট্টুগল নেই।

আমি আর রিফাত শুধু বসে বসে অপেক্ষা করছি।

রিফাতটাকে অনেক কষ্টে ম্যানেজ করতে হয়ছে।

প্রথমে যাবো শুনে তো হাটু কাপা শুরু করে দিছিলো।

পরো সবকিছু বুঝিয়ে বলার পর কোনমতে রাজি করিয়েছি।

বলেছি পৌর বাড়িতে এমন একটা ভূত দেখবি যেটা দেখে তোর নিজের চোখ খসে পড়বে।

তবে সেই ভূত তোর বা আমার কোনো ক্ষতি করবে না।

নিতান্তই ভদ্র আর সুশিল সমাজের ভূত সে।

রাত তখন এগারোটা বাজে,নিঃশব্দে ঘরের দরজা খুলে আমি আর রিফাত বেরিয়ে গেলাম।

চারপাশটাতে কেমন যানি নিরবতা আর নিস্তব্দতা ছড়িয়ে আছে।

মনে হচ্ছে অভিশাপের অনলে নিঃশ্বেস হয়ে যাওয়া জনমানবহীন কোনো এক নগরির মাঝ দিয়ে হেটে যাচ্ছি আমরা দুজনে।

রিফাতদের বাড়ির গোলিটা পেরিয়ে পৌর বাড়িটার সামনে এসে দাঁড়ালাম।

পুরো বাড়িটা ঘুটঘুটে অন্ধ্যকার।জোৎস্নার লেশমাত্র নেই আজকে।

ঠিক যেন আমাবশ্যার মত হয়ে আছে।

রিফাতের হাতটা ধরে দু’জনে এগিয়ে যেতে লাগলাম বাড়িটার দিকে।

দিনের বেলাতে একবার যাওয়াতে খুব একটা কষ্ট হলো না সদর দরজাটা খুঁজে পেতে।কিন্তু ভিতরে কোথাও কোনো জনমানব নেই।

তাহলে দুপুরে যে বাচ্চা শিশুটা গায়েব হয়েছিলো সে কোথায়?

এক এক করে সবজায়গা খুঁজতে লাগলাম।

কিন্তু কোথাও কিছু দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম একটা রুমে।

রিফাত দেওয়ালের গায়ে লেখা গুলো দেখে বিড়বিড় করে কিছু একটা বলতেই 

অবশেষে দু’জনকে অবাক করে দিলো ছোট্ট একটা সুড়ঙ্গ পথ বের হয়ে এসে।

দিনের বেলাতে তো এই পথের কোনো চিহ্ন ছিলো না।ইঠের মেঝে ফেঁড়ে ছোট্ট একটা সরু পথের দরজা উম্মচন হয়ে গেলো কোনোরকম করাসাজি ছাড়া।ঠিক যেন আলি বাবার চল্লিশ চোরের গুহার মত ,কিভাবে সম্ভব!

হ্যাঁ,তাহলে দেওয়ালের বুকে লিখে রাখা এইসব শব্দগুলো আর রোমান সংখ্যাগুলো দিয়েই মনে হয় সুড়ঙ্গের মুখ খুলে।।

সুড়ঙ্গের মুৃৃখে দাঁড়িয়ে একে অপরের দিকে তাকিয়ে আছি হতবাক হয়ে।

সুড়ঙ্গের ভিতর থেকে আগুনের ভাপসা গরম আর রশ্নি বেরিয়ে আসছে।

সরু একটা সিড়ি নিচের দিকে নেমে গিছে।

রিফাত নামতে নারাজ হলেও আমার জোরাজোরিতে নামতে রাজি হলো।

দু’জনে মিলে সুড়ঙ্গের সিড়ি বেয়ে নিচে নামতে লাগলাম।

উপরের মহলটা ঠিক যতটা ভাঙ্গাচোরা নিচেরটা ঠিক ততোটায় জাকজমক আর অবিশ্মরনীয়।

দু’জনেই অবাক হয়ে যাচ্ছি মাটির নিচে এত সুন্দর একটা মহল দেখে।

সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে,কোনো এক দক্ষ কারিগর তার নিপুন হাতের দক্ষতা দিয়ে কারুকার্যগুলো করেছে।

পা টিপে টিপে এগিয়ে যেতে লাগলাম সামনের দিকে।

এমন সময় মনে হলো অদূরে কেউ একজন বিড়বিড় করে হেড়ে গলাতে কিছু একটা পাঠ করছে।

ভেসে আসা শব্দের দিকে এগোতে লাগলাম,দুজনে।

আমার সকল সন্দেহ ঠিক,তারমানে রিফাতের বাবা এতোদিন ধরে এসব কাজ করে এসেছে।

অর্ধনগ্ন অবস্থাতে কপালে লাল সিঁদুর লাগিয়ে বসে বসে জপ করছে।আর তার সামনে সুয়ে আছে অজ্ঞানরত অবস্থাতে বাচ্চা শিশুটা।

মাঝে মাঝে হুশ হাশ করে হাত দিয়ে সাদা লাল রং এর গুড়োর মত কিছু একটা ছুড়ে মারছে বিশালাকৃতির একটা মূর্তির দিকে।কিছু বুঝে উঠার আগেই রিফাত চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো,”বাবা তুমি এখানে!

রিফাতের চিৎকারের শব্দ শুনে মন্ত্র জপা বন্ধ করে দিয়ে ঘুরে তাকালো তার বাবা।

তার চোখ দুটি আগ্নেয়গিরির মত জলজল করছে।

কোনোরকম কথা না বলে চুপচাপ বসে রইলো তার সাধনাতে।

রিফাত যেন এইমুহূর্তে তার জন্মদাতা বাবাকেই চিনতে ভুল করছে।ঘৃণাভরে ছুটে গিয়ে সামনে দাঁড়াতেই আংকেল কিছু একটা ছুঁড়ে মারতেই রিফাত জ্ঞানশুন্য হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।আর সেই সাথে আমিও।

যখন চোখ মেলে তাকালাম তখন দেখলাম আমার পুরো শরিরটা রশি দিয়ে বেঁধে রেখে দিছে।

আর রিফাত জ্ঞানশুন্য অবস্থাতে মাটিতে পড়ে আছে।সমস্ত শক্তি দিয়েও নড়তে না পেরে চিৎকার দিয়ে বলে উঠলাম,”আংকেল যেই মানুষগুলো আপনাকে অন্ধ্যের মত বিশ্বাস করে আপনি তাদেরই বুকে ছুরি চালাচ্ছেন।

কেন করছেন এসব,একটা একটা করে বাচ্চা শিশুকে হত্যা করে ভূতের কান্ড বলে চালিয়ে দিচ্ছেন।

আংকেল হুংকার দিয়ে বললো,”চুপ,একদম চুপ।শয়তানের মা এখনি জাগ্রত হবে।আমার মনের ইচ্ছে পূরণ করতে গেলে এতটুকু করতেই হবে আমাকে।

আর কইদিন পর এমপির ইলেকশন,আমাকে জিততেই হবে।আমি যতবার আমার ইচ্ছে পূরণ করেছি ততোবারই একটা করে নবজাতক শিশুকে বলি দিতে হয়ছে।

আর আমি জানি শয়তানের মা আমাকে কখনো নিরাশ করে নি এবারো করবে না।

-আংকেল আপনি একজন মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে এসব কি বলছেন?

আর আপনার ইচ্ছে পূরণের জন্য আপনি এভাবে একটা নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করতে পারেন না।

রিফাতের বাবা আমার কথার অগ্রাহ্য করে তার মন্ত্র পাঠে মনোযোগ দিলেন আবার।

ফুল দিয়ে সাজানো একটা থালার ভিতর থেকে বড় সাইজের একটা পিন বার করে চোখের সামনে নিয়ে বিড়বিড়িয়ে কিছু বলে যাচ্ছেন।

এমন সময় রিফাতের জ্ঞান ফিরলে তাকে ইশারা করে বললাম যেভাবেই হোক তাকে আটকাতে।

রিফাত সাত পাঁচ না ভেবে পাশের দেওয়ালে জ্বলতে থাকা একটা জলন্ত মশালের লাঠি দিয়ে স্বজোরে মাথা বরাবর বসিয়ে দিতেই তার বাবা মাথা চেপে ধরে সুয়ে পড়লো।

রিফাত এখনো তার নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না।এইটা কি সত্যি সত্যি তার বাবা।নাকি বাবারূপি অন্যকেউ ছিলো।

রিফাত তাড়াতাড়ি আমার হাতের বাধন খুলে দিলে আমি আর রিফাত দুজনে আংকেলকে ঐ রশি দিয়েই বেধে ফেললাম।তারপর বাচ্চা ছেলেটার বুকে কান পেতে তার হৃদস্পন্দন চলছে কি না পরিক্ষা করে নিলাম।

হ্যাঁ,ছেলেটা এখনো বেঁচে আছে,শুধুমাত্র অজ্ঞান হয়ে গেছে সে।

-এই লোকটা আমার বাবা ছিঃ।

কথাটা বলে ঘৃণাভরে তাকিয়ে রইলো রিফাত তার বাবার দিকে।রিফাতের চোখ দুটো জলে ছলছল করছে তার বাবার কুকর্ম নিজের চোখে দেখে।

ভোরের দিকে থানাতে কল দিলে পার্শবর্তি থানার পুলিশ এসে পৌর বাড়িটা থেকে আমাদের সহ রিফাতের বাবাকে তাদের সাথে নিয়ে বের হলো।

পৌর বাড়ির চারপাশে গ্রামের সকল মানুষ এসে ভিড় জমিয়েছে।

সবাই বিস্মিত নয়নে তাকিয়ে আছে,যে মানুষটাকে তারা অন্ধবিশ্বাস করে এসেছে সেই মানুষটা এতোদিন ভূতের নামে এইসব কর্মকান্ড চালিয়ে এসেছে।

রিফাতের বাবাকে গাড়িতে তোলার সময় রিফাতের মা শুধু এক পলক তাকানো ছাড়া আর কিছুই বললো না।

বাচ্চা শিশুটিকে পেয়ে বাচ্চার মা ভিষণ খুশি,সাথে প্রচন্ডভাবে শকট্ ও হয়ে আছে।

রিফাতের ডান হাতটা শক্ত করে চেপে ধরে বললাম,”দোস্ত আমাকে ক্ষমা করে দিস।আমার জন্য তোদের সাজানো সংসারটা নষ্ট হয়ে গেলো।

রিফাত কান্নাজড়িতে চোখে মুচকি হেসে বললো,”এইসব পাপের কামায় খেয়ে আর কতদিন,সময় এসেছে এবার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর।

মাকে সাথে করে নিয়ে যাবো,ঢাকাতে গিয়ে একটা চাকুরি খুঁজে দিতে পারবি।

অল্প বেতনের হলেও চলবে।

তবে তুই সত্যিই বলেছিলিস,ভূতটাকে প্রথম দেখাতে আমার চোখ দুটি খসে পড়ার মতই অবস্থা হয়ে গেছিলো।কখনো স্বপ্নেও ভাবি নি,আমার বাবা এমন একটা সাইকো কিলার হবে।

-তোর মা মানে আমারো মা,চল দু”জন মিলে আমাদের মায়ের কষ্টগুলোকে ভাগাভাগি করে নিবো।

সেদিন রাতেই গ্রামের সবকিছু ছেড়ে ছুড়ে রিফাত আর আন্টিকে নিয়ে ঢাকাতে ফিরে আসি।তবে রিফাতের বাবার বুদ্ধি আছে বলতে হবে,তা না হলে পুরো গ্রামের মানুষকে ভূতবাড়ি বলে পৌর বাড়িটার পরিচিতো করাতে পারতো না কখনো।

সমাপ্ত….

তো আজকে এই পর্যন্তই । মানুষ মাত্রই ভুল হয় । তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আপনি চাইলে এই লিংক এ ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে  আমার সাথে যোগাযোগ করবেন । 

           
           
           
           
           
           

The post নিয়ে নিন একটি অন্যরকম ভৌতিক উপন্যাস [সেই বাড়িতে রহস্য] appeared first on Trickbd.com.


প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভালোবাসার বিনিময় | I Love You Hazrat Muhammad Sallallahu Alaihi Wasallam 😻

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভালোবাসার বিনিময় | I Love You Hazrat Muhammad Sallallahu Alaihi Wasallam 😻


জুমার দিন সিংহাসনে বসে আছেন উসমানী সালফানাদের ৩৪ তম সুলতান ও খলিফাতুল মুসলিমীন সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ খান। তার হাতে শাহী লাঠি পরনে রাজকীয় পোশাক সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, তার সবচাইতে বিশ্বস্ত তাহাসিন পাশা।

শুক্রবার সালফানতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আশা আবেদন পত্র গুলো তাহাসিন পাশা মহামান্য সুলতান কে পড়ে শোনান।

আজকেও বেশ কিছু আবেদন জমা হয়েছে।

খুবই মনোযোগ সহকারে সুলতান সবগুলো চিঠি এবং নথিপত্র এর বিষয়বস্তু শুনছেন।

তার দৃষ্টি তীক্ষ্ণ।

অনেক চিঠির মাঝে হঠাৎ তাহাসিন পাশা একটি চিঠি কে না পড়ে এড়িয়ে গেলেন। সুলতান আব্দুল হামিদের দৃষ্টি এড়ালো না বিষয়টি।
তিনি একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, পাশা ওই চিঠিটা আপনি কেন পড়লেন না?

তাহসিন পাশা মাথা নিচু করে লজ্জিত ভঙ্গিতে বললেন-আমি লজ্জিত মহামান্য সুলতান। সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল খান কে জিজ্ঞেস করলেন ( কেন?

তাফসিন পাশা ইতস্ত করে বললেন-ওই চিটিতে এক পাগল লোক দাবি করেছেন যে আপনি তার কাছে ঋণগ্রস্ত।


আমরা তাকে প্রাসাদে ডেকে কিছু অর্থ দিতে চেয়েছি, কিন্তু সে তা নেয়নি।
কিছুটা বিস্মিত হলেন সুলতান আব্দুল হামিদ। জিজ্ঞেস করলেন কোথায় সেই ব্যক্তি?

তাহসিন পাশা বললেন-এই প্রাসাদেই সে আছে সুলতান। সুলতান আব্দুল হামিদ আদেশ করলেন-(তাকে ডাকুন)

তাহাসিন পাসা লোকটিকে ভিতরে পাঠাতে বললেন, কিছুক্ষণ পর বিনীতভাবে একজন লোক কক্ষে প্রবেশ করলেন।

লোকটির নাম মোঃ ফয়সাল- তাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে তার উপর দিয়ে বেশ দূর সময় অতিক্রম করছে।
কপাল থেকে ঘাম টপটপ করে ঝরে পড়ছে।

সে এসে দাঁড়ালো সুলতানের সামনে-লোকটিকে নির্দেশ দেয়া হলো তার কথাগুলো মহামান্য সুলতানকে জানানোর জন্য।


লোকটি বিনয় ভঙ্গিতে বলল-মহামান্য সুলতান আপনি আমার কাছে ঋণগ্রস্ত।
আবারো অবাক হয়ে গেলেন সুলতান আব্দুল হামিদ।
তাহাসিন পাশা চোখেও কৌতুহল।

সুলতান বুঝতে পারছেন না কেন এই লোকটা তাকে ঋণগ্রস্ত বলছেন। সুলতান তো তাকে আগে কখনো দেখেন ও নি।

সুলতান নরম সুরে জিজ্ঞেস করলেন-আমি কিভাবে তোমার কাছে ঋণগ্রস্ত?
লোকটি মাথা নিচু করে বলতে শুরু করলো। সুলতান আমি একজন ব্যবসায়ী, কিছুদিন আগে আমি ব্যবসায়ের লকশনের সমীক্ষণ হই।

এর ফলে আমার ব্যবসা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়, আমি পুরোপুরি দেউলিয়া হয়ে প্রচুর ঋণের কবলে পড়ে যাই।
এ পর্যন্ত বলার পর তাহসিন ভাষা সামান্য বিরক্তি হয়ে বললেন-মহামান্য সুলতান জিজ্ঞেস করেছেন সুলতান তোমার কাছে কিভাবে ঋণী?

ফয়সাল বলল-আমি এটাই বলছি। সুলতান মনোযোগ সহকারে তার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেছেন।
সে আবার বলতে শুরু করল-প্রচুর ঋণে ডুবে যাওয়ার পর আমি প্রতি রাতে আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন আল্লাহতালা আমার ঋণ থেকে উদ্ধার করেন।

এভাবে দোয়া করতে করতে গতকাল রাতে-আমি একটা স্বপ্ন দেখি, স্বপ্নে আমার রাসূল সাঃ এর দিদার নসিব হয়।

সুলতান আব্দুল হামিদ বুকে হাত রেখে দরুদ পড়লেন এবং কিছুটা বিস্মিত হয়ে তাকে কথা চালিয়ে যেতে বললেন।

লোকটি এবার মাথা উচু করে সামান্য আনন্দের সাথে বলল-
স্বপ্নে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইরশাদ করেছেন-আমার হামিদ কে গিয়ে বল সে প্রতি রাতে আমার প্রতি দুরুদ ও সালাত পাঠ করে।
কিন্তু গতকাল রাতে সে আমার প্রতি দুরুদ ও সালাত পাঠ করেনি।
যাও তোমার প্রয়োজনের কথা তাকে গিয়ে বল।

এটা সোনা মাত্রই সুলতানা আব্দুল হামিদ দাঁড়িয়ে গেলেন। তার শরীর কিছুটা কেপে উঠলো। তার হাতের লাঠির আঘাতে মাটিতে ঠকঠক আওয়াজ হলো।

সুলতান জেনো তার নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না।
সত্যি ই কি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই শব্দ ব্যবহার করেছেন?

যে রাসূলের প্রতি এত ভালোবাসা, এত সম্মান সেই রাসূল কি তাকে আমার হামিদ বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
সুলতান আব্দুল হামিদ স্তম্ভিত কন্ঠে বললেন-আবার বল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন?
ফয়সাল বলল-আমার হামিদ কে গিয়ে বলো।

এ পর্যন্ত বলতেই সুলতান তার হাত উঠিয়ে তাকে থামতে ইশারা করলেন।
দয়া থেকে একটি মুর্দা ভর্তি থলে বের করে তার হাতে দিয়ে বললেন। পুনরায় বলো তিনি কি বলেছেন?


ফয়সাল আবার বললো- আমার হামিদ কে গিয়ে বলো, সুলতান আগের মতই তাকে থামতে ইশারা করলেন এবং আরেকটি মুর্দা ভর্তি থলি তার হাতে দিলেন।

ফয়সালের চেহারা আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠলো, সুলতান আবেগ তরিত কন্ঠে আবার বললেন পুনরায় বল বৎস রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন?

ফয়সাল আবারও উত্তর দিল-রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-আমার হামিদ কে গিয়ে বল।
সুলতান আবারও তাকে থামিয়ে তার হাতে মুদ্রা ভর্তি থলে দিলেন।

এরপর পুনরায় তাকে বলতে বললেন-ফয়সাল আবার বলল-আমার হামিদ কে গিয়ে বল।

সুলতান আরেকটি থলি তার হাতে দিলেন।

তাহসিন পাষার চোখ গড়িয়ে ততক্ষণে অঝোর ধারায় পানি পড়ছে।
এতগুলো বছর তিনি সুলতানের পাশে আছেন। সারা জীবন তিনি নিজের পাশে থেকে রাসুলের প্রতি সুলতানের ভালবাসা দেখেছেন।

কি প্রচন্ড টান এই মানুষটার রাসূল সাঃ এর প্রতি অনুভব করেন। তা খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি।


আজকে সেই ভালবাসার এমন স্বীকৃতি তা কেউ আবেগ আপ্লুত করেছে।
তিনি কাঁদতে কাঁদতে ফয়সাল কে বললেন এই অর্থ কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়?

ফয়সাল বলল অবশ্যই যথেষ্ট, আমি এটা দিয়ে খুব সহজেই আমার ঋণ শোধ করতে পারব।

লোকটা চলে গেল।

তাহাসিন পাশা তখনও কাঁদছেন। তিনি বললেন সুলতান আপনি তো প্রায় সব অর্থই তাকে দিয়ে দিলেন?
সুলতান আব্দুল হামিদ অনুতাপদের স্বরে বললেন-এটা তুমি কি বলছো পাশা?

আল্লাহর কসম আমি তো আমার ধন-সম্পত্তি শুধু নয় বরং আমার সম্পূর্ণ সাম্রাজ্য তাকে দিয়ে দিতাম।

গতকাল রাতে আমি অনেক ক্লান্ত ছিলাম, দরুদ পাঠ করতে আমি ভুলে যাই আর ঘুমিয়ে পড়ি। অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে পাশা।


আল্লাহ আমায় ক্ষমা করুন। তারপর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে আমার হামিদ কথাটি শুনতে পাওয়াই। আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

আমি নরমালি প্রত্যেকটা পোষ্টের নিচে কোন না কোন বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকি কিন্তু আমার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর নিয়ে পোস্ট করেছি বিজ্ঞাপন থাকার প্রশ্নই থাকেনা। 😻

তো প্রিয় ভাই ও বোনেরা আজকের মত এ পর্যন্তই মহান আল্লাহতালা বাঁচিয়ে রাখলে ইনশাল্লাহ আবার দেখা হবে নতুন কোন পোষ্টের মাধ্যমে সবার সাথে ইনশাআল্লাহ ❤

ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন। আল্লাহ হাফেজ 🤗

The post প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভালোবাসার বিনিময় | I Love You Hazrat Muhammad Sallallahu Alaihi Wasallam 😻 appeared first on Trickbd.com.


নিয়ন টেক আপডেট, ১ম সপ্তাহ (২৫ জুুন ২০২২ – ১ জুলাই ২০২২)

নিয়ন টেক আপডেট, ১ম সপ্তাহ (২৫ জুুন ২০২২ – ১ জুলাই ২০২২)

Nothing Phone (1) এর দাম ও ব্ল্যাক ভ্যারিয়েন্টের ছবি লিক হয়েছে

শুরুতে থাকছে বর্তমান সময়ে গ্লোবালি সবচেয়ে বেশি হাইপ হওয়া একটি ফোনের খবর, Nothing Phone (1)। ১২ জুলাই রিলিজ হতে যাওয়া স্মার্টফোনটির হোয়াইট কালার ভ্যারিয়েন্টটি দেখা গিয়েছিলো আগেই। নতুন করে এর ব্লাক কালার ভ্যারিয়েন্টটি লিক হয়েছে। ট্রান্সপ্যারেন্ট ব্যতিক্রমী ডিজাইনের স্মার্টফোনটি ব্লাক কালার ভ্যারিয়েন্টে আরো দৃষ্টিনন্দন দেখাচ্ছে, যেহেতু এখানে হোয়াইট LED ব্যবহার হয়েছে।

সেইসাথে ফাঁস হয়েছে Nothing Phone (1) এর তিনটি ভ্যারিয়েন্টের দাম। টিপ্সটার মুকুল শর্মা জার্মানীর এমাজন লিস্টিং অনুযায়ী Nothing Ear (1) + Nothing Phone (1) বান্ডেলের মূল্য প্রকাশ করেছেন। তা হলো:

8+128GB: €469.99
8+256GB: €499.99
12+256GB: €549.99

সেই সাথে তিনি উল্লেখ করেন ভারতীয় দাম সম্ভবত কম হবে। প্রসঙ্গত, Nothing Phone (1) 778G+ SoC-সহ প্রিমিয়াম মিড বাজেট স্পেসিফিকেশন নিয়ে আসছে, ফুল-ফ্লেজড ফ্ল্যাগশিপ পর্যায়ের নয়। সে হিসেবে মনে হচ্ছে Nothing খুব এগ্রেসিভ প্রাইসিংয়ের দিকে যাচ্ছে না।

সূত্র: টেকভাইরাল

আসতে পারে নাথিংয়ের আরেকটি ইয়ারবাড, Ear (1) Stick

নাথিং নিয়ে আরেকটি খবর আছে আমাদের কাছে, এবং এটিও ফাঁস করেছেন মুকুল শর্মা। তবে Nothing Ear (1) ছিলো নাথিংয়ের প্রথম প্রোডাক্ট, সেখান থেকে সম্ভাব্য আপকামিং Ear (1) Stick-এর ছবিতে কিছু সাটল চেঞ্জ ও বক্সের ভিন্নতা ছাড়া একই ধরণের ডিজাইনে এটিকে দেখা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে এটি Nothing Ear (1)-এর সাশ্রয়ী সংস্করণ হতে পারে।

সূত্র: টেকরাডার

Tamarind EX11 Pro সিরিজের ল্যাপটপ নিয়ে এলো ওয়ালটন

টামারিন্ড সিরিজের নতুন ল্যাপটপ এনেছে ওয়ালটন। Tamarind EX11 Pro মূলত Tamarind EX10 Pro-এর আপডেট, যেখানে ইনটেলের দশম জেনারেশনের প্রসেসর থেকে একাদশ জেনারেশন প্রসেসরে উন্নীত করা হয়েছে, এবং হায়ার ফ্রিকুয়েন্সি (3200 MHz) র‌্যাম ও SATAIII এর পরিবর্তে NVMe SSD ব্যবহার করা হয়েছে।

Tamarind EX11 Pro সিরিজে তিনটি প্রসেসর ভ্যারিয়েন্ট মডেল রয়েছে- TAMARIND EX311G (i3-1115G4), TAMARIND EX511G (i5-1135G7) ও TAMARIND EX711G (i7-1165G7)।এদের মূল্য যথাক্রমে 58950 টাকা, 69550 টাকা ও 84550 টাকা। তবে বর্তমানে EX311G ও EX511G পাওয়া যাচ্ছে, EX711G এখনো আপকামিং।

ল্যাপটপগুলোর ডিসপ্লে 14″ FHD রেজ্যুলেশনের, কালার গ্যামুট 45% NTSC। একটি 8 GB DDR4 3200 MHz র‌্যাম স্টিক ইন্সটল্ড রয়েছে এবং আরেকটি খালি স্লট আছে। ২টি 2 W এর স্পিকার থাকছে। কীবোর্ডে ব্যাকলিট সমর্থন নেই, আলাদা নাম্বারপ্যাড নেই। ব্যাটারী 36 Wh ও চার্জার অ্যাডাপ্টর 45 W এর। HDMI, RJ-45 LAN ও Type C পোর্টসহ পোর্টসের দিক থেকে এটি পরিপূর্ণ। থাকছে মাইক্রোএসডি কার্ড স্লটও। ল্যাপটপগুলোর সাথে থাকছে জেনুইন উইন্ডোজ ১১।

অফিসিয়াল পেজ

এছাড়া Prelude সিরিজের কিছু মডেল আপকামিং রয়েছে।

Helio 30 ও Symphony Z55 দুটি নতুন স্মার্টফোন নিয়ে আসলো সিম্ফনি

সম্ভবত ঈদকে কেন্দ্র করে পরপর দু’দিনে নতুন দুটি স্মার্টফোন নিয়ে এলো সিম্ফনি। সিম্ফনি সচারচর যে বাজেটে সেক্টরে ফোন এনে থাকে, সে হিসেবে দুটোই হায়ার বাজেট ডিভাইস। বিশেষ করে Helio 30 মূলত ৪ বছর পর এন্ট্রি লেভেলের ছেড়ে লোয়ার মিডরেঞ্জ সেকশনে সিম্ফনির নতুন কোন ডিভাইস।

২৯ জুন বাজারে আসে Helio 30, যার মাধ্যমে প্রায় ৪ বছর পর সিম্ফনির সাবব্র্যান্ড হিসেবে হেলিও ফিরে আসে। Helio 30-র দাম রাখা হয়েছে ভ্যাট ছাড়া ১৪৯৯০ টাকা, ৫% ভ্যাট প্রযোজ্য হলে এটি হবে ১৫৭৪০ টাকা।

লেদার ব্যাকপার্টসহ সুন্দর ডিজাইনের স্মার্টফোনটিতে 6.67″ FHD+ পাঞ্চহোল ডিসপ্লে, 6 GB DDR4 র‌্যাম, 128 GB UFS 2.1 স্টোরেজ, Helio P70 চিপসেট, 108 MP UHD মেইন ক্যামেরা, 16 MP সেলফি ক্যামেরা ও 5000 mAh ব্যাটারী থাকছে।

আরো দেখুন: Helio 30: ১৫ হাজার টাকা বাজেটে হেলিওর নতুন স্মার্টফোন এলো চমকের সাথে!

Symphony Z55-এ আরো একবারের জন্য দেখা মিলবে 6.52″ HD+ নচ ডিসপ্লে, যা বর্তমানে এন্ট্রি লেভেলে খুবই কম। এর ব্যাকপার্টটি রিফ্লেক্টিং গ্লাস-লাইক, যেকারণে বেশ সুন্দর দেখায় ডিভাইসটি। Lunar Gray, Honey Dew Green ও Champagne Gold তিনটি দৃষ্টিনন্দন রঙে এসেছে ফোনটি। থাকছে 5000 mAh ব্যাটারী।

থাকছে Helio G25, একটি এন্ট্রি লেভেল চিপসেট, 2.0 GHz অক্টাকোর Cortex-A53 প্রসেসরসহ। 4 GB র‌্যাম ও 64 GB স্টোরেজ। এখানে 52 MP ক্যামেরার কথা বলা হয়েছে, তবে তা মূলত Z42-এর মতই UHD মোডে সফটওয়্যার অ্যালগরিদমের মাধ্যমে হায়ার রেজ্যুলেশন আউটপুট দিবে (আরো জানুন), একচুয়াল 52 MP ক্যামেরা নয়। সেলফি ক্যামেরাটি 8 MP।

Symphony Z55-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইম্প্রুভমেন্ট হলো এখানে ম্যাগনেটিক বা কম্পাস সেন্সর থাকছে, যেটা Z সিরিজের রিসেন্ট ফোনগুলোতে একটি মিসিং ফিচার ছিলো। তবে থাকছে না জাইরো সেন্সর। ফোনটির একটি বড় আকর্ষণ হলো লেটেস্ট Android 12 থাকছে এখানে।

অফিসিয়াল পেজ

সামনে Android 12-সহ আরেকটু কম বাজেটে Symphony ATOM III আসতে পারে বলে আভাস রয়েছে।

TSMC-র আগেই 3 nm প্রসেস প্রযুক্তির চিপ প্রোডাকশন শুরু করলো স্যামসাং

প্রতিদ্বন্দ্বী TSMC-র আগেই MBCFET (Multi-Bridge-Channel FET) ব্যবহার করে 3 nm প্রসেস প্রযুক্তির চিপ নির্মাণ শুরু করলো স্যামসাং। বলা হচ্ছে প্রথম জেনারেশনের 3 nm আর্কিটেকচারের চিপগুলো 5 nm চিপ থেকে পাওয়ার কনজাম্পশনে 45%, পারফর্মেন্সে 23% উন্নতি ও আকার 16% কমিয়ে আনতে পারে। MBCFET স্যামসাং কতৃক Gate-All-Around (GAA) ট্রানজিস্টর প্রযুক্তির একটি ইমপ্লিমেন্টেশন।

বিস্তারিত: TECHPOWERUP

এডুকেশনের জন্য গুগল ওয়ার্কস্পেসের আনলিমিটেড ক্লাউড স্টোরেজের যুগ শেষ হলো

জুলাই ২০২২ থেকে Google Workspace for Education-এর গ্রাহকদের জন্য গুগলের নতুন পলিসি প্রযোজ্য হচ্ছে, যেখানে প্রতিটি স্কুল বা ইউনিভার্সিটির জন্য সর্বমোট ১০০ টেরাবাইট স্টোরেজ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এখন থেকে edu মেইলের অধিকারীরা আর পাবেন না আনলিমিটেড গুগল ড্রাইভ স্টোরেজ।

বিস্তারিত

নভেম্বরে অবশেষে বন্ধ হচ্ছে গুগল হ্যাংআউটস

একসময়ে গুগলের প্রধানতম মেসেজিং প্লাটফর্ম হ্যাংআউটস অবশেষে বন্ধ হচ্ছে এ বছরের নভেম্বরে। অক্টোবর ২০২০-এ সর্বসাধারণের জন্য অবমুক্ত গুগল চ্যাটস মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে আসার পর হ্যাংআউটস ইউজাররা অনেকেই এতে মুভ করেছেন এবং এখন থেকে গুগল হ্যাংআউটস ইউজারদের গুগল চ্যাটের দিকে পুশ করতে থাকবে।

বিস্তারিত

iFixit-এর সাথে পিক্সেল ডিভাইসের জন্য DIY রিপয়ার সুবিধা আনলো গুগল

পিক্সেল 2 থেকে 6 সিরিজ পর্যন্ত ডিভাইসগুলোর জন্য iFixit-এ এখন থেকে জেনুইন স্পেয়ার পার্টস পাওয়া যাবে। iFixit থেকে রিপেয়ার কিট অর্ডার করলে রিপ্লেসমেন্ট পার্টস ও সেইসাথে রিপ্লেস করার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস ও ম্যানুয়াল পাওয়া যাবে। ইউএস, ইউকে, অস্ট্রেলিয়া ও যে ইউরোপীয় দেশগুলোতে পিক্সেল এভেইলেবল সেখানে এই সার্ভিস চালু হয়েছে।

রিপ্লেসমেন্টের জন্য এভেইলেবল পার্টসগুলোর মধ্যে রয়েছে স্ক্রিন, রেয়ার ক্যামেরা, ব্যাটারী ও কিছুক্ষেত্রে চার্জিং অ্যাসেম্বলী। ডিভাইস ও পার্টসভেদে দাম $22.99 থেকে $192.99 পর্যন্ত।

বিস্তারিত

মাইক্রোসফট টিমসের নতুন আপডেটে শেয়ার্ড কনটেন্ট পপ-আউট সুবিধা আসতে পারে

রোডম্যাপ অনুযায়ী মাইক্রোসফটের ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার মাইক্রোসফট টিমসের নতুন আপডেটে শেয়ারকৃত কনটেন্ট পপ-আউট উইন্ডোতে ওপেন করার সুবিধা। এতে বিশেষ করে মাল্টি-মনিটর ইউজাররা উন্নত সুবিধা পাবেন।

সূত্র ও বিস্তারিত: টেকরাডার

Thunderbird 102 এসেছে ভিজুয়াল ইম্প্রুভমেন্টের সাথে, কাজ চলছে আরো অসাধারণ কিছুর জন্য

মজিলার ওপেন সোর্স ইমেইল ক্লায়েন্ট Thunderbird এর নতুন ভার্সন Thunderbird 102 এসেছে মেজর নতুনত্ব ও ইম্প্রুভমেন্টের সাথে। রিফ্রেশড অ্যাপ আইকনস ও কালারফুল ফোল্ডার একে একটি বেটার লুক এনে দিয়েছে। সাথে বামদিকে একটি নতুন কলাপসেবল Spaces টুলবার যুক্ত হয়েছে।

নতুন এড্রেসবুকে বেটার কন্টাক্ট ম্যানেজমেন্ট থাকছে, নতুন ইমপোর্ট/এক্সপোর্ট ওয়াইজার্ড যুক্ত হয়েছে, মেসেজ হেডার রিডিজাইন করা হয়েছে, যুক্ত হয়েছে ম্যাট্রিক্স চ্যাট সমর্থন। নতুন ফিচারগুলোর বিস্তারিত দেখুন এখানে

তবে এখনও থান্ডারবার্ডের লুক যদি যথেষ্ট মডার্ন মনে না হয়, পরবর্তী বছরে ভার্সন 114-এর জন্য থান্ডারবার্ড তাদের পরিকল্পিত মেজর রিডিজাইনে প্রিভিউ প্রকাশ করেছে, আর সত্যি বলতে, এটা অসাধারণ!

আরো দেখুন: OMG!LINUX

স্প্যাম এড়াতে সাবস্ক্রাইবার কাউন্ট হাইডের অপশন তুলে নিচ্ছে ইউটিউব

জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলের অনুরূপ তৈরি করে স্প্যামিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করাটা বেশ কমন। বিভ্রান্তি কমাতে ইউটিউবের সাবস্ক্রাইব কাউন্ট হাইডের অপশন ২৯ জুলাই থেকে আর থাকবে না। তাই নকল চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইবার কাউন্ট থেকে চিহ্নিত করা সহজ হবে।

বিস্তারিত: TechCrunch

একটি নিয়নবাতি পরিবেশনা

The post নিয়ন টেক আপডেট, ১ম সপ্তাহ (২৫ জুুন ২০২২ – ১ জুলাই ২০২২) appeared first on Trickbd.com.


কিভাবে খুব সহজে Jacqueline Fernandez এর স্কেচ তৈরী করবো

কিভাবে খুব সহজে Jacqueline Fernandez এর স্কেচ তৈরী করবো

আজকে আমরা শুধুমাত্র রুল পেন্সিলের সাহায্যে ইন্ডিয়ান অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ এর ছবি আঁকবো | Jacqueline Fernandez এর ছবি আঁকতে আমাদের খুব সতর্ক ও ধৈর্য ধরতে হবে। প্রথমে জ্যাকলিনের চোখ, তারপর তার মুখ এবং অবশেষে তার চুল আঁকুন। জ্যাকলিনের এই ছবি আঁকার জন্য আমাদের কোনো রঙের প্রয়োজন নেই। শুধু প্রয়োজন কয়েক ধরনের নিয়ম।

জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, একজন সুন্দরী অভিনেত্রী, যিনি একজন শ্রীলঙ্কান অভিনেত্রী এবং মডেল। তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রে কাজ করেন, প্রধানত হিন্দিতে, রিয়েলিটি শো এবং মিউজিক ভিডিওতে উপস্থিত হওয়ার পাশাপাশি। 2009 সালে, আলাদিনের সাথে আত্মপ্রকাশ করে, তারপর থেকে তিনি হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে একটি ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি 11 আগস্ট 1985 (বয়স 36 বছর) মানামা, বাহরাইনে জন্মগ্রহণ করেন। জীবনে কঠোর পরিশ্রম করে আজ এই জায়গায় এসেছেন।

কিভাবে জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ স্কেচ ছবি আঁকবো

জ্যাকলিনের ছবি আঁকার ভিডিও টিউটোরিয়াল

জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ অঙ্কনের প্রয়োজনীয় উপকরণ :

জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের ছবি আঁকতে আমাদের প্রয়োজনীয় উপকরণগুলি এখানে রয়েছে৷

  • সাদা কাগজ
  • পেন্সিল
  • পেন্সিল শার্পনার
  • ইরেজার
  • টিস্যু পেপার

জ্যাকলিনের ছবি আঁকার পদ্ধতি ধাপে ধাপে :

1. জ্যাকলিনের মুখের রূপরেখার কাঠামো আঁকুন।

প্রথমে, আমরা জ্যাকলিনের মুখের রূপরেখার কাঠামো আঁকি। জ্যাকলিনের মুখের গঠন এমনভাবে আঁকুন যাতে এটি জ্যাকলিনের মতো দেখায়।

2. জ্যাকলিনের চোখ আঁকুন।

প্রথমে, জ্যাকলিনের বাম চোখ আঁকুন। তারপর ডান চোখ আঁকুন। প্রসারিত এবং সরু চোখ আঁকুন। তারপর নীচে একটি সুন্দর নাক আঁকো ।

3. জ্যাকলিনের ঠোঁট এবং কান আঁকুন।

আমরা নাকের ঠিক নীচে জ্যাকলিনের সুন্দর ঠোঁট আঁকব। আমরা বাম দিকে একটি কান আঁকবো ,আস্তে আস্তে চোখের নিচে নাক আঁকবো । অবশেষে, ঘাড়ের নীচে, আমরা কাঁধ আঁকব।

4. চুল এবং মাথা আঁকুন।

আমরা জ্যাকলিনের মাথা তার ভ্রুতে সুন্দর করে আঁকব। মাথার পিছনে চুল আঁখবো। এবার আমরা এই ছবিটিতে শেড দেব।

5. তার মাথায় চুল আঁকুন।

আমরা নিয়মের সাহায্যে তার মাথায় চুল আঁকব। মাথার চুল এক এক করে আঁকুন। মনে রাখবেন, চুল নিচ থেকে উপরের দিকে যেতে হবে।

6. জ্যাকলিনের চোখ এবং ভ্রু আঁকুন।

এবার আমরা জ্যাকলিনের চোখে ছায়া দেব। চোখের গোলাকে আরও একটু কালো রঙ দেব। চোখের তারার দুই পাশে খুব হালকা কালো রঙ দিন। চোখের উপরে ভ্রুতে গাঢ় কালো রঙ লাগান।

7. মাথা, নাক, এবং ঠোঁটের পিছনে চুল শেড দিন।

মাথার পিছনে লম্বা কোঁকড়া লাইন এঁকে চুল আঁকুন। প্রথমে একটি হালকা নিয়মের সাহায্যে এবং তারপরে আরও হালকা শেড দিয়ে তার চুল রং করুন। ঠোঁটের ভিতর একটু কালো। নাকে হালকা কালো শেড দিন।

8. জ্যাকলিনের পোশাক শেড করুন।

পোশাকের বাইরের দিকটা একটু বেশি কালো করে দিন। পোশাকের মাঝখানে হালকা কালো শেড দিন। খুব সুন্দর ভাবে মন দিয়ে শেড দিন।

9. তার হাতে জ্যাকলিনের নাম লিখুন।

সবশেষে, জ্যাকলিনের হাতের ওপর জ্যাকলিন নাম লিখুন। একটু ভেবেচিন্তে লিখুন, যাতে বানান ভুল না হয়। আমাদের সাথে পুরো ছবি আঁকার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ.

দেখুন আমাদের জ্যাকলিন অঙ্কন প্রায় সম্পূর্ণ। আমাদের ওয়েবসাইটে এই ধরনের আরো অনেক অঙ্কন ধারণা আছে. এবং আরো অনেক ছবি পরে আসবে। তাই আপনারা সবাই আমাদের ব্রাউজারে এই ওয়েবসাইটটি বুকমার্ক করুন এবং আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Draw with Pappu করুন।

আপনাকে অবশ্যই ছবিটি আঁকতে হবে এবং নীচে দেওয়া লিঙ্কের সাহায্যে আপনার জ্যাকলিনের একটি ছবি আমাকে পাঠাতে হবে। আমি অবশ্যই আমার গল্পে আপনার ছবি দেওয়ার চেষ্টা করব।

Whatsapp , ফেসবুক , ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আপনার অঙ্কন পাঠান

আরও পড়ুন – How to draw sunset

The post কিভাবে খুব সহজে Jacqueline Fernandez এর স্কেচ তৈরী করবো appeared first on Trickbd.com.


BDIX কি? BDIX স্পীড কিভাবে বাইপাস করব?

BDIX কি? BDIX স্পীড কিভাবে বাইপাস করব?

BDIX এর পূর্ণরূপ হল “Bangladesh Internet Exchange”.
এটি এমন একটি সেবা যা সাধারনত Broadband ISP (Internet Service Provider) গুলো দিয়ে থাকে।

সাধারনত প্রত্যেক ISP তাদের কাস্টমারদের উচ্চ গতিতে ফাইল ডাউনলোড এর সুবিধা প্রদান করার জন্য নিজস্ব FTP (File Transfer Protocol) Server ব্যাবহার করে থাকে।

এবং, BDIX এমন একটি সিস্টেম যা এই FTP Server গুলোকে একসাথে সংযুক্ত করে। অর্থাৎ FTP Server গুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত থাকে BDIX এর মাধ্যমে। যার ফলে কোনো একজন ব্যবহারকারী BDIX এর মাধ্যমে সহজেই দেশের একটি এলাকাতে থেকেও অন্য একটি এলাকার FTP Server থেকে উচ্চ গতিতে ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন।

BDIX প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদন পায় ২০১৪ সালে।

 

BDIX স্পীড কিভাবে বাইপাস করব?

BDIX স্পীড বাইপাস করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো প্রক্সি ব্যবহার করা।

প্রক্সির জন্য আপনি নিচের সাইট ব্যবহার করতে পারেম। এখানে socks4, socks5, http প্রক্সি পেয়ে যাবেন। যা দিয়ে আপনি অনায়াসে foxy proxy estention দিয়ে স্পীড বাইপাস করে নিতে পারবেন।

 সাইট লংক ঃ

http://proxydb.net/?country=BD

 

এছাড়া আপনি আপনার isp  এর সাথে যোগাযোগ করে তাদের ftp server ব্যবহার করে BDIS স্পীড বাইপাস করে নিতে পারবেন।

অ্যাপ দিয়ে BDIX বাইপাস





panda vpn pro এর বাংলাদেশী serrver দিয়ে স্পীদ বাইপাস করা যায়।

যেহেতু বাংলাদেশী server  প্রিমিয়াম তাই আপনি এটি  ব্যবহার করতে হলে আপনাকে পেইড কিংবা মোড অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে।

এর জন্য আপনি  mirrordroid, rexdl এসকল নামকরা সাইট থেকে Panda vpn mod apk সংগ্রহ করতে পারেন।

এছাড়া আপনি চাইলে টেলিগ্রামের মাধ্যমেও এটি নিতে পারেন।

এর জন্য এখানে ক্লিক করুন  

The post BDIX কি? BDIX স্পীড কিভাবে বাইপাস করব? appeared first on Trickbd.com.