Tuesday, May 31, 2022

এবার ২৪ ঘণ্টা সরাসরি দেখুন কোথায় কোথায় বিমান চলছে । সাথে আরো অনেক কিছু এবং 3D ভিডিও

এবার ২৪ ঘণ্টা সরাসরি দেখুন কোথায় কোথায় বিমান চলছে । সাথে আরো অনেক কিছু এবং 3D ভিডিও

আসসালামু আলাইকুম।
সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি।
তো কাজের কথায় আসি। আজ আমি আপনাদের জন্য এমন একটি অ্যাপ নিয়ে এসেছি যে অ্যাপটির মাধ্যমে আপনারা কোথায় কোথায় বিমান চলছে তা সরাসরি দেখতে পারবেন। তারপর বিমান গুলো কোন এয়ারপোর্ট থেকে কোন এয়ারপোর্টে যাচ্ছে তা দেখতে পারবেন। এবং বিমান গুলো কোন পাশ দিয়ে যাচ্ছে তাও দেখতে পারবেন। আরো অনেক কিছু। অ্যাপটি ডাউনলোড করলে আপনি সবকিছু বুঝতে পারবেন।


প্রথমে আপনি আপনার প্লেস্টোর এ Flightrader24 লিখে সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন সফটওয়্যারটি বা
এখান থেকে ডাউনলোড করুন

App name : Flightradar24
App size : 40 MB

এই সফটওয়্যারটি

তারপর ওপেন করবেন

তারপর

তারপর দেখুন এরকম আসবে

এখানে দেখতে পারবেন বিমানটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে

এখানে দেখতে পারবেন কোন দিক দিয়ে যাচ্ছে

এখানে বিমানের নিচের ভিডিও দেখতে পারবেন

এই অ্যাপটা আপনাদের সবার অনেক কাজে লাগবে।
পোষ্টটি আগে থাকতে পারে তবে আমার চোখে পরে নি তাই দিলাম।

কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে পারেন

সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

বি: দ্র: যদি কোন ভুল ভ্রান্তি হয় অথবা আপনার পোষ্টটি টি খারাপ লাগে তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
আশা করি সবাই ভালো থাকবেন।
নিত্য নতুন ট্রিক পেতে Trickbd এর সাথেই থাকুন।

The post এবার ২৪ ঘণ্টা সরাসরি দেখুন কোথায় কোথায় বিমান চলছে । সাথে আরো অনেক কিছু এবং 3D ভিডিও appeared first on Trickbd.com.


wifi হ্যাক করুন দারুণভাবে সব মোবাইল দিয়ে হবে (২টি উপায়ে) দেখুন।

wifi হ্যাক করুন দারুণভাবে সব মোবাইল দিয়ে হবে (২টি উপায়ে) দেখুন।

আসসালামু আলাইকুম


আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আর কথা না বাড়িয়ে চলুন কাজে চলে যাই

বন্ধুরা আমি দু:খিত আমি অ্যাপ গুলোর সরাসরি লিনক দিতে পারতেছি না।

wifi হ্যাক (১(
আপনারা প্লে স্টোরে গিয়ে এই অ্যাপ টি ডাউনলোড করে নিন

অ্যাপ টি ওপেন করুন

start এ ক্লিক করার পর আপনার আশে পাশে যতগুলো wifi আছে ততগুলো wifi নাম আসবে…. আমার একটি আছে। তো আমি একটা ক্লিক করলাম।

ক্লিক করার পর কিছুক্ষণ লোড নিবে লোড নেওয়ার পর ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড চলে আসবে

দেখুন পাসওয়ার্ড চলে এসেছে। পাশে যে কপি লেখাটি আছে সেখানে ক্লিক করলেই কপি হয়ে যাবে। কপি করার শেষে আপনার ফোন wifi এ গিয়ে পাসওয়ার্ড দিয়ে চালান…।

wifi হ্যাক(২)


আপনারা আপনার প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপ টি ডাউনলোড করে নিন।

অ্যাপ ওপেন করার পর এই রকম আসবে

তারপর

তারপর

এবার আপনার ফোনের লোকেশনটি on করে দিন

তারপর আপ্পে চলে আসেন

ক্লিক করার পর একটু নিচে আসেন।

নিচে আসার পর আপনি যে wifi হ্যাক করবেন সেটা সিলেক্ট করুন আমি একটা সিলেক্ট করলাম।

দেখুন এইটাতেও পাসওয়ার্ড বের হয়ে গেছে…..।

সকলকে ধন্যবাদ

The post wifi হ্যাক করুন দারুণভাবে সব মোবাইল দিয়ে হবে (২টি উপায়ে) দেখুন। appeared first on Trickbd.com.


ফ্রিতে Free Fire Diamond নিন অথবা প্রতিদিন ৫০ টাকা

ফ্রিতে Free Fire Diamond নিন অথবা প্রতিদিন ৫০ টাকা

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন

আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে একটি অ্যাপ থেকে প্রতিদিন Free Fire গেইম এ ডায়মন্ড

নিবেন অথবা প্রতিদিন কিভাবে ৫০ টাকা ইনকাম করে বিকাশ/রকেট/নগনে নিবেন ।

প্রথমে আপনার মোবাইল থেকে প্লে স্টোর ওপেন করুন এবার সার্চ করুন Paybe Rewards The It Zone

এবার এখান থেকে প্রথম অ্যাপ টি ইন্সটল করুন সাথে যেকোনো একটি VPN ইন্সটল করে কানেক্ট করে ফেলুন

এবার অ্যাপ টি ওপেন করুন

এবার এখান থেকে Sign Up এ ক্লিক করুন

তারপর

আপনার নাম ইমেইল এবং একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্টার করুন এবং আপনার ইমেইলে একটি ইমেইল

পাবেন সেখানে লিংকে ক্লিক করে ভেরিফাই করুন।

ভেরিফাই হয়ে গেলে আপনার ইউজার নেইম পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন তারপর এমন আসবে।

এখান থেকে প্রথম Claimed Bonus এ ক্লিক করে ১০ ডায়মন্ড ক্লেইক করুন তারপর Watch Ads এ ক্লিক করে এড দেখুন আর ডায়মন্ড ইনকাম করুন।

এখানে এড এর লিমিট রয়েছে ফ্রি মেমম্বার হিসেবে যা ইনকাম করতে পারেন কোনো ইনভেস্ট এর দরকার নেই ইনভেস্ট মানে রিস্ক তার পর Website visit এটা আনলিমিটেড করতে পারবেন আর আনলিমিটিড ইনকাম করতে পারবেন

এবার আপনি Withdraw তে ক্লিক করুন

দেখুন উপরে কোনায় ২০ ডায়মন্ড দেখাচ্ছে ডায়মন্ড এর উপরে ক্লিক করুন তারপর এমন আসবে

কনভার্ট এ ক্লিক করলে সাথে সাথে এটা টাকায় কনভার্ট হয়ে যাবে

এবং উপরে দেখুন আপনার ব্যালেন্স এবং কার্ড নাম্বার দেখাচ্ছে

এখান থেকে ব্যালেন্স ৫০ টাকা হলে এটা বিকাশ সহ ফ্রি ফায়ার এ নিতে পারবেন সাথে সাথে Withdraw তে ক্লিক

করার সাথে সাথে আপনার ব্যালেন্সে যুক্ত হয়ে যাবে।

এটা অনেকটা রিং আইডির মত অ্যাপ যে যত দিন সম্ভব ইনকাম করেনিন।

পেমেন্ট প্রুফ

The post ফ্রিতে Free Fire Diamond নিন অথবা প্রতিদিন ৫০ টাকা appeared first on Trickbd.com.


Monday, May 30, 2022

নিয়ে নিন বিখ্যাত harry potter and the philosopher stone বই এর রিভিউ

নিয়ে নিন বিখ্যাত harry potter and the philosopher stone বই এর রিভিউ

Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । আশা করি পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন । তো বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক

Book review —

Harry Potter and the philosopher stone
লেখক :: জে. কে. রাউলিং
অনুবাদক : সোহরাব হাসান ,,‌শেহাবউদ্দিন আহমেদ
অঙ্কনশিল্পী : থমাস টেইলর (যুক্তরাজ্য) ,, ম্যারি গ্র্যান্ডপ্রি (যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ)
ধারাবাহিক : হ্যারি পটার
ধরন : রূপকথা
প্রকাশক : ব্লুমসবারি (যুক্তরাজ্য) ,, অঙ্কুর প্রকাশনী (বাংলাদেশ)
প্রকাশনার তারিখ : ৩০ জুন ১৯৯৭ (যুক্তরাজ্য) ,‌‌ ১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ (যুক্তরাষ্ট্র) ,১৫ জুলাই ২০০৩ (বাংলাদেশ)
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ২২৩ (যুক্তরাজ্য) , ৩০৯ (যুক্তরাষ্ট্র) , ২৭২ (বাংলাদেশ)
আইএসবিএন : ০-৭৪৭৫-৩২৬৯-৯
পরবর্তী বই : Harry Potter and the secret chamber
সময় টা ১৯৯১ এর জুলাই মাস। হ্যারি পটার ঘুম থেকে উঠতে না উঠতেই জোরে ডাক দিল তার আন্টি। ঘুম থেকে উঠে তাকে ঘরের কাজ করতে বলা হলো। আজ আন্টির ছেলের জন্মদিন। তাই ১০ বছরের হ্যারি কে তার কাজিন ডাডলির জন্য নাস্তা বানাতে হলো। হ্যারির মা-বাবা নেই। তার আন্টি বলে তার মা বাবা কার এক্সিডেন্ট এ মারা গেছেন। তাই হ্যারি তার বয়স ১ থাকতেই তার আন্টির কাছে বড় হয়।কিন্তু এ বলা ভুল হবে যে সে বড় আদরে যত্নে হয়েছে। বড়ং এইটা বলতে হবে পযে,হ্যারি অনেক কষ্ট এ থাকছে। আন্টি তাকে এক বোঝা মনে করে এবং সে তার বোন লিলি অর্থাৎ হ্যারির মাকে দুচোখ এ দেখতে পারে না।তাই হ্যারি কে সবসময় তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে এবং চাকরের হালে রাখে। এই চিন্তা ভাবনা শুধু তার আন্টির না,তার আংকেল আর তার কাজিন ডাডলির ও।যাহোক একদিন হ্যারির নামে একটি চিঠি আসে।হ্যারি সেটি দেখতে চাই কিন্তু তার আন্টি দেখতে দেই না। এরপর একের পর এক চিঠি আসতেই থাকে এবং এক পর্যায়ে আংকেল আন্টি বিরক্ত হয়ে হ্যারি কে নিয়ে চলে যায়,একটি নির্জন লাইট হাউস এ। সেই রাত টি তারা সেই খানেই কাটাই। সেই রাত ১২ টার পর ছিল হ্যারির বার্থডে।হ্যারি জানে কেউ তার বার্থডের কথা মনে রাখবে না। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই দরজা ভেঙে ঢুকে পরে এক দানব আকারের মানব
শরীর বিশালাকার এবং পুরো মুখ ও মাথা দাড়ি তে ভরা। সে বলে উঠে -“হ্যাপি বার্থডে হ্যারি “। এর পর সে জানতে পারে তার নাম হ্যাগ্রিড, তিনি হগওয়ার্টস নামের স্কুলের গেমকিপার এবং তিনি বলেন যে হ্যারি একজন উইজার্ড। তার জন্য যে চিঠি টি বার বার পাঠানো হচ্ছিল সেটা হলো উইজার্ড দের জাদুর স্কুল -হগওয়ার্টস থেকে। তাকে সেখানে যেতে হবে তার যাদুর শিক্ষা অর্জনের জন্য। আর হ্যাগ্রিড এও জানায় যে সে জাদু জগতে সবচেয়ে আলোচিত মানুষ যে ইউ নো হু( যার নাম নিতে নেই, কারণ সে শক্তিশালী এবং খারাপ জাদুকর)এর হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিল।সে হগওয়ার্টস এ যায়। সে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী। আর তার সাথে তার জুটি গড়ে উঠে তার বেস্ট ফ্রেন্ড রন আর হারমায়নির সাথে। তাদের সাথে নিয়ে অনেক এডভেঞ্চার হয়। খোলাসা হয় তার মা বাবার মৃত্যুর কারণ। খোলাসা হয় তার বেঁচে থাকার কারণ।তার জন্য আপনাদের সকলকে পড়তে হবে -হ্যারি পটার এন্ড দা ফিলোসোফারস স্টোন।

লেখক -জে.কে.রাওলিং। হ্যারি পটার ৭টি বই নিয়ে তৈরী একটি সিরিজ।এর প্রথম বই হ্যারি পটার এন্ড দা ফিলোসোফার্স স্টোন।
Personal opinion : বই টি আমি পুরাটাই পড়েছি । আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে । আমি হ্যারি পটার সিরিজের একজন বড় ভক্ত । আর এই বইটাও ছিল দারুন ।
যাই হোক আমি আর কথা বলে আপনাদের আগ্রহ নষ্ট করব না । আপনারা নিজেরাই বইটা পড়ে নিন । বইটা যদি আপনারা অনলাইনে কিনতে চান , তাহলে daraz অথবা রকমারি তে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন । এছাড়া যেকোনো লাইব্রেরী তেই খুব সহজে পেয়ে যাবেন ।

তো আজকে এই পর্যন্তই । মানুষ মাত্রই ভুল হয় । তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আপনি চাইলে এই লিংক এ ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন ।

The post নিয়ে নিন বিখ্যাত harry potter and the philosopher stone বই এর রিভিউ appeared first on Trickbd.com.


নিয়ে নিন সেই সর্বকালের জনপ্রিয় মহাকাশ মুভি gravity এর রিভিউ

নিয়ে নিন সেই সর্বকালের জনপ্রিয় মহাকাশ মুভি gravity এর রিভিউ

Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । তাই বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক
Gravity
পরিচালক: আলফোনসো কুয়ারোন
দৈর্ঘ্য : ১ ঘণ্টা ৩১ মিনিট
ধরন: সাইফাই, ড্রামা, খিলার
সাল: ২০১৩
আইএমডিবি রেটিং: ৭.৭
একবার ভাবুন, আপনি প্রথমবার মহাকাশে গেছেন। উপভোগ
করছেন মহাশূন্যের শূন্যতা। হঠাৎ আপনার মহাকাশযান ধ্বংস
হয়ে গেল। মহাশূন্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সঙ্গী একমাত্র স্পেস
স্যুট। পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ করার কোনো উপায় নেই। এ
অবস্থায় আপনি কী করতে পারেন? এখানেই জীবনের শেষ
দেখে ফেলবেন? নাকি পৃথিবীতে ফিরে আসার শেষ প্রচেষ্টা
চালিয়ে যাবেন?
এ রকম একটি কাহিনির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে
২০১৩ সালের বহুল প্রশংসিত সাইফাই সিনেমা গ্র্যাভিটি।
সিনেমার শুরুতে দেখা যায়, দুজন নভোচারী নাসার একটি
মিশনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। একজন নারী নভোচারী রায়ান
স্টোন, যিনি জীবনের প্রথম মহাকাশে যাত্রা করবেন। অন্যজন
দলের কমান্ডার ম্যাট কোয়ালস্কি। এটিই তাঁর জীবনের শেষ
মিশন। নভোচারী দুজনের কাজ হাবল টেলিস্কোপে একটি নতুন
স্ক্যানিং ডিভাইস লাগানো এবং টেলিস্কোপের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার
আপগ্রেড করা। তাঁদের মিশন সাত দিনের। সপ্তম দিনে দেখা
যায়, রায়ান মহাকাশযানের বাইরে এসে কাজ করছেন। প্রথম
মিশন, তাই কিছুটা নার্ভাস তিনি। হঠাৎ পৃথিবী থেকে তাঁদের
জানানো হয়, মিশন বন্ধ করে তখনই পৃথিবীতে ফিরে যেতে।
কারণ, তাঁদের দিকে ছুটে আসছে একটি স্যাটেলাইটের
ধ্বংসাবশেষ। রাশিয়ার অকেজো একটি স্যাটেলাইটের অংশ।
এটিই কাল হয়ে দাঁড়ায় রায়ান স্টোনদের জন্য।
পৃথিবী থেকে সতর্ক বার্তা পাঠানো হলেও রায়ান চাচ্ছিলেন
কাজটা শেষ করে যেতে। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগেই এক
টুকরা ধ্বংসাবশেষ তাঁদের মহাকাশযানকে আঘাত করে এবং
রায়ান মহাকাশযান থেকে আলাদা হয়ে যান। স্টোন এখানেই
তাঁর শেষ দেখে ফেলেছিলেন। কিন্তু ম্যাট কোয়ালস্কি তাঁর
বিশেষ স্পেস স্যুট ব্যবহার করে বাঁচিয়ে দেন
রায়ানকে। অবশ্য ভাগ্য তাঁদের সহায় ছিল না।
তাঁদের মহাকাশযান এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
হয় যে পৃথিবীতে ফিরে যাওয়া অসম্ভব।
ম্যাট সিদ্ধান্ত নেন, বিশেষ নিয়ন্ত্রিত
স্পেস স্যুটের সাহায্যে তাঁরা ১ হাজার
৪৫০ কিলোমিটার দূরের আন্তর্জাতিক
মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছাবেন। সেখান
থেকে দুটি স্পেসক্র্যাফট নিয়ে পৌঁছাবেন পৃথিবীতে। কিন্তু
এবারও নিরাশ হতে হয় তাঁদের। কেননা, স্পেসক্র্যাফট ছিল
মাত্র একটি। এদিকে তাঁদের স্পেস স্যুটে অক্সিজেন শেষ হয়ে
আসছে। ম্যাট তখন নিজের জীবন উৎসর্গ করে রায়ানকে
স্পেসক্র্যাফট নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে যেতে বলেন। কেননা
দুজনের একসঙ্গে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। রায়ান চাচ্ছিলেন
ম্যাটকে বাঁচাতে। রায়ান স্টেশনে ঢুকে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ
করতে ব্যর্থ হন। এর মধ্যে আগুন লেগে যায় স্টেশনে। এরপরই
শুরু হয় ক্লাইমেক্স। সেটি কী? রায়ান কি পারবেন বেঁচে ফিরতে
কিংবা ম্যাটকে বাঁচাতে। জানতে হলে দেখে ফেলুন সিনেমাটি।
সিনেমায় রায়ানের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন স্যান্ড্রা
বুলক। ম্যাট কোয়ালস্কির চরিত্রে অভিনয় করেছেন জর্জ
কলোনি। সিনেমার পরিচালক আলফোনসো কুয়ারোন।
সিনেমার গল্প, অভিনয়, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ও ব্যাকগ্রাউন্ড
মিউজিক দুর্দান্ত। সিনেমাটি ৮৬তম অস্কারে সর্বোচ্চ ১০টি
বিভাগে নমিনেশন পায়। জেতে সাতটি পুরস্কার। ১০০ মিলিয়ন
বাজেটের সিনেমাটি আয় করে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের
বেশি। যাঁরা মহাকাশ ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য
এই সিনেমা দেখা আবশ্যক। সিনেমাজুড়ে
আপনি একটিথ্রিল অনুভব করবেন।
জানতে পারবেন মহাকাশের এক
অজানা অধ্যায়কে। বুঝতে পারবেন,
মহাকাশের বর্জ্য কতটা ক্ষতিকর।

তো আজকে এই পর্যন্তই । মানুষ মাত্রই ভুল হয় । তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আপনি চাইলে এই লিংক এ ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন ।

The post নিয়ে নিন সেই সর্বকালের জনপ্রিয় মহাকাশ মুভি gravity এর রিভিউ appeared first on Trickbd.com.


Video এর সাথে যদি Subtitle না মিলে, আগে পিছে হয়, তবে কিভাবে Easy subtitle App দিয়ে তা SYNC করবেন। (With Download Link)

Video এর সাথে যদি Subtitle না মিলে, আগে পিছে হয়, তবে কিভাবে Easy subtitle App দিয়ে তা SYNC করবেন। (With Download Link)


আসসালামু ওয়ালাইকুম।
আশা করি আল্লাহ্‌ সকলকে ভালো রেখেছেন।


মুভি দেখার সময় আমরা মাঝেমধ্যে অনেকেই একটা সমস্যায় পড়ি সেটা হলো মুভির ডায়লগের সাথে সাবটাইটেল মিলে না।হয়তো ৩-৪ সেকেন্ড আগে পরে লেখা আসে, এমনকি অনেক সময় ৯-১০ সেকেন্ডও আগে পরে লেখা আসে।


আজকের পোষ্টে আপনাদের দেখাবো এই সমস্যাকে কিভাবে ঠিক করা যাবে!


এই সমস্যা সমাধানের জন্য আপনার Easy subtitle নামে একটি এপ এর দরকার পরবে।

প্রথমত নিচে দেওয়া যে কোন মাধ্যম থেকে Easy subtitle অ্যাপটি Download করে নিন।

★ Play Store থেকে Easy Subtitle App টি ডাউনলোড করতে Play Store এ যেয়ে Easy subtitle লিখে Search করুন।
অথবা,
Click Here To Download Easy Subtitle App (Alternative Link)

এখন চলুন দেখি কি ভাবে Easy Subtitle App দিয়ে Subtitle মিলাবেন।

প্রথমে আপনার মুভির ১ম ডায়লগের সাথে সাবটাইটেলের ১ম ডায়লগের লেখাটা কতো সেকেন্ড আগে পরে তা দেখে নিবেন এবং মুভির শেষ ডায়লগের সাথে সাবটাইটেলের শেষ ডায়লগের লেখাটা কতো সেকেন্ড আগে পরে সেটাও দেখে নিবেন(এমনিতে শুধুমাত্র ১ম ডায়লগটি দেখলেও হয়)

প্রথমত অ্যাপে ঢুকে সেই ফোল্ডারে যান,যেখানে সাবটাইটেলটি রেখেছেন।

কাংখিত সাবটাইটেলটি সিলেক্ট করুন।

সিলেক্ট করার পর ঠিক ওপরের ডান সাইডে 3 line/option sign এ গিয়ে SMART SYNC এ ক্লিক করুন।

এখন সেখানে First subtitle এবং Last subtitle নামে ২টা অপশন আসবে।

এখন ধরুন,মুভিতে ১ম ডায়লগ বলছে ১৭ সেকেন্ডে কিন্তু সাবটাইটেলের ১ম ডায়লগের লেখাটা এসেছে ২২ সেকেন্ডে।তাহলে এখানে ৫ সেকেন্ড পরে সাবটাইটেলের লেখাটা আসছে না?

তাহলে ওই অ্যাপের First subtitle অপশনে যে টাইম দেওয়া থাকবে(আগে থেকেই ২২ সেকেন্ড দেওয়া থাকবে) তা থেকে ৫ সেকেন্ড কমালে যতো হয় ততো সেকেন্ড লেখবেন অর্থাৎ ১৭ লেখবেন।একই ভাবে Last subtitle এ যতো সেকেন্ড দেওয়া থাকবে তা ইডিট করে ৫ সেকেন্ড কমিয়ে দিলে যতো হয় ততো লেখবেন।

তারপর Apply এ ক্লিক করুন এবং ওপরে ডানে সেইভ করার চিহ্ন থাকবে ওটা ক্লিক করলে সেভ হয়ে যাবে।


অনেক ক্ষেত্রে সাবটাইটেলের শুরুতে সাবটাইটেল নির্মাতার নাম আসে, তার সম্বন্ধে আরো কিছু আসে,তো সেখানে আপনারা একটু মাথা খাটিয়ে সময়টা First subtitle, Last subtitle লেখবেন।

এভাবে করলে, ইনশাল্লাহ সাব মিলে যাবে।

The post Video এর সাথে যদি Subtitle না মিলে, আগে পিছে হয়, তবে কিভাবে Easy subtitle App দিয়ে তা SYNC করবেন। (With Download Link) appeared first on Trickbd.com.


শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস পড়ুন এখন

শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস পড়ুন এখন

Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । তাই বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক আজকে আমি একটি দারুন বই সম্পর্কে বলব ।
বইঃ দেবদাস
লেখকঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
প্রকাশনীঃ ঝিনুক প্রকাশনী
প্রথম প্রকাশঃ নভেম্বর, ২০১১
প্রচ্ছদঃ আক্কাস খান
মুদ্রিত মূল্যঃ ৯০৳
রিভিউ ও বইছবিঃ আহাদ

♦পর্যালোচনা♦
হাজারো পাঠকের হৃদয় জয় করা বই এটি। পাঠকের মনে আজীবনের জন্য জায়গা করে নিয়েছে বইটি।
শুরুটা- একদিন বৈশাখের দ্বিপ্রহরে রৌদ্রেরও অন্ত ছিলো না,উত্তাপেরও সীমা ছিলো না। ঠিক সেই সময়টিতে মুখুয্যেদের দেবদাস পাঠশালা..এভাবেই হয়েছে। কাহিনির প্রধান চরিত্র দেবদাস ও পার্বতী।
দেবদাস ও পার্বতী হাজারো খুনসুটি আর অভিমান নিয়ে বেড়ে উঠছিল। পার্বতী আর দেবদাস যেন পুরো বাড়ি দাপিয়ে বেড়ায়।
এভাবে চলতে চলতে- পার্বতী এই তের বছরে পা দিয়েছে। এই বয়সে শারীরিক সৌন্দর্য অকস্মাৎ যেন কোথা হইতে ছুটে এসে কিশোরীর সর্বাঙ্গ ছাইয়া ফেলে। পার্বতীর আপনজনেরা চমকিত হয়ে দেখেন যে তাদের ছোট মেয়ে পারু(পার্বতী) বড় হয়েছে।
পার্বতীর বাবা দেবদাসদের মতো বড়লোক নয়, তাদের ভরসা পার্বতী অতিশয় সুশ্রী। তারা পার্বতীর বিয়ে দিয়ে দেয় প্রায় চল্লিশ বছর বয়সী এক জমিদারের সাথে।
কাহিনী এখান থেকেই নতুন মোড় নেওয়া শুরু করে। পার্বতী স্বামীর বাড়ি এসে দেখে মস্ত বড় বাড়ি! সদর মহল, অন্দর মহল, পূজার দালান, নাটমন্দির ইত্যাদি। কিন্তু দেবদাস?
পার্বতীর বিয়ের পরে দেবদাস যেন প্রাণহীন দেহ নিয়ে চলাচল করে। আনমনা ভাব। দেবদাস পাগলের মতো পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।হটাৎ বাড়ি থেকে চলে যায় আবার কয়েকদিন পরে হটাৎ ফিরে আসে। সে কোনোকিছুতেই মনোযোগী হতে পারে না। দেবদাস যখন গৃহ থেকে দুরে আসে চন্দ্রমুখী নামের এক রমনীর আবির্ভাব ঘটে তার জীবনে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিল দেবদাসের?
সে কি আবারও পার্বতীর সাথে দেখা করতে পেরেছিল..?
এক হৃদয়বিদারক ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় উপন্যাসটি।

♦লেখনশৈলী ও বর্ণনা♦
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় যেভাবে কথাগুলো লিখেছেন তা পাঠকের মন জয় করতে বাধ্য। দৃশ্যপট যেনো ভাসছে চোখের সামনে।

♦পাঠ প্রতিক্রিয়া♦
উপন্যাসটি শেষ করে কেঁদে ফেলেছিলাম। আমি মনে করি যে কেউ এটি পড়লে তার চোখের কোণে জল আসবেই। শত শত রমণী হয়তো আজও বইটি বালিশের পাশে রেখে দেবদাসের পরিনতির কথা ভাবে।

♦ব্যক্তিগত রেটিং♦
বইটি এত ভালো লেগেছে যেন সম্পুর্ণ রেটিং দিলেও কম হয়ে যাবে। ১০/১০
বইটি আপনারা রকমারি তেই পেয়ে যাবেন । আর তাছাড়া লাইব্রেরী তেও খুব সহজেই পেতে পারেন । কারণ এটি খুবই জনপ্রিয় একটি বই । তো এটি সম্পর্কে আমার আর বেশি কিছু বলার নেই । আপনি নিজেই পরে নিন আর উপভোগ করুন ।
ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ধন্যবাদ।
তো আজকে এই পর্যন্তই । মানুষ মাত্রই ভুল হয় । তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আপনি চাইলে এই লিংক এ ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন ।

The post শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস পড়ুন এখন appeared first on Trickbd.com.


Sunday, May 29, 2022

শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস পড়ুন এখন

শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস পড়ুন এখন

Hello what’s up guys কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন । সবাইকে স্বাগতম আজকের একটি নতুন পোস্টে । টাইটেল আর thumbnail দেখে already বুঝে গেছেন আজকের টপিক কি । তাই বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট শুরু করা যাক আজকে আমি একটি দারুন বই সম্পর্কে বলব ।
বইঃ দেবদাস
লেখকঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
প্রকাশনীঃ ঝিনুক প্রকাশনী
প্রথম প্রকাশঃ নভেম্বর, ২০১১
প্রচ্ছদঃ আক্কাস খান
মুদ্রিত মূল্যঃ ৯০৳
রিভিউ ও বইছবিঃ আহাদ

♦পর্যালোচনা♦
হাজারো পাঠকের হৃদয় জয় করা বই এটি। পাঠকের মনে আজীবনের জন্য জায়গা করে নিয়েছে বইটি।
শুরুটা- একদিন বৈশাখের দ্বিপ্রহরে রৌদ্রেরও অন্ত ছিলো না,উত্তাপেরও সীমা ছিলো না। ঠিক সেই সময়টিতে মুখুয্যেদের দেবদাস পাঠশালা..এভাবেই হয়েছে। কাহিনির প্রধান চরিত্র দেবদাস ও পার্বতী।
দেবদাস ও পার্বতী হাজারো খুনসুটি আর অভিমান নিয়ে বেড়ে উঠছিল। পার্বতী আর দেবদাস যেন পুরো বাড়ি দাপিয়ে বেড়ায়।
এভাবে চলতে চলতে- পার্বতী এই তের বছরে পা দিয়েছে। এই বয়সে শারীরিক সৌন্দর্য অকস্মাৎ যেন কোথা হইতে ছুটে এসে কিশোরীর সর্বাঙ্গ ছাইয়া ফেলে। পার্বতীর আপনজনেরা চমকিত হয়ে দেখেন যে তাদের ছোট মেয়ে পারু(পার্বতী) বড় হয়েছে।
পার্বতীর বাবা দেবদাসদের মতো বড়লোক নয়, তাদের ভরসা পার্বতী অতিশয় সুশ্রী। তারা পার্বতীর বিয়ে দিয়ে দেয় প্রায় চল্লিশ বছর বয়সী এক জমিদারের সাথে।
কাহিনী এখান থেকেই নতুন মোড় নেওয়া শুরু করে। পার্বতী স্বামীর বাড়ি এসে দেখে মস্ত বড় বাড়ি! সদর মহল, অন্দর মহল, পূজার দালান, নাটমন্দির ইত্যাদি। কিন্তু দেবদাস?
পার্বতীর বিয়ের পরে দেবদাস যেন প্রাণহীন দেহ নিয়ে চলাচল করে। আনমনা ভাব। দেবদাস পাগলের মতো পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।হটাৎ বাড়ি থেকে চলে যায় আবার কয়েকদিন পরে হটাৎ ফিরে আসে। সে কোনোকিছুতেই মনোযোগী হতে পারে না। দেবদাস যখন গৃহ থেকে দুরে আসে চন্দ্রমুখী নামের এক রমনীর আবির্ভাব ঘটে তার জীবনে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিল দেবদাসের?
সে কি আবারও পার্বতীর সাথে দেখা করতে পেরেছিল..?
এক হৃদয়বিদারক ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় উপন্যাসটি।

♦লেখনশৈলী ও বর্ণনা♦
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় যেভাবে কথাগুলো লিখেছেন তা পাঠকের মন জয় করতে বাধ্য। দৃশ্যপট যেনো ভাসছে চোখের সামনে।

♦পাঠ প্রতিক্রিয়া♦
উপন্যাসটি শেষ করে কেঁদে ফেলেছিলাম। আমি মনে করি যে কেউ এটি পড়লে তার চোখের কোণে জল আসবেই। শত শত রমণী হয়তো আজও বইটি বালিশের পাশে রেখে দেবদাসের পরিনতির কথা ভাবে।

♦ব্যক্তিগত রেটিং♦
বইটি এত ভালো লেগেছে যেন সম্পুর্ণ রেটিং দিলেও কম হয়ে যাবে। ১০/১০
বইটি আপনারা রকমারি তেই পেয়ে যাবেন । আর তাছাড়া লাইব্রেরী তেও খুব সহজেই পেতে পারেন । কারণ এটি খুবই জনপ্রিয় একটি বই । তো এটি সম্পর্কে আমার আর বেশি কিছু বলার নেই । আপনি নিজেই পরে নিন আর উপভোগ করুন ।
ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ধন্যবাদ।
তো আজকে এই পর্যন্তই । মানুষ মাত্রই ভুল হয় । তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিয়েন । আশা করি পোস্টটি সবার ভালো লেগেছে । কোনো কিছু না বুঝতে পারলে কমেন্টে জানান । আপনি চাইলে এই লিংক এ ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে join করতে পারেন । আর যেকোনো প্রয়োজনে ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন ।

The post শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস পড়ুন এখন appeared first on Trickbd.com.