Sunday, January 23, 2022

কিভাবে Binance এপে কাস্টম PNL ব্যানার সেট করবেন? ট্রেডারদের জন্যে একটি গোপন ট্রিকস যা সকলেই জানে না।

কিভাবে Binance এপে কাস্টম PNL ব্যানার সেট করবেন? ট্রেডারদের জন্যে একটি গোপন ট্রিকস যা সকলেই জানে না।

আসসালামুয়ালাইকুম,

কেমন আছেন সবাই? আজকের পোস্টটি হয়তো অনেকটা সংক্ষিপ্ত তবে এই টিপস টি খুবই কার্যকরী। আপনি যখন আপনার ট্রেড এর প্রফিট কারো সাথে শেয়ার করবেন তখন সে সেটা কপি করতে পারে, এক্ষেত্রে সেখানে আপনার নাম বা কোম্পানির নাম থাকলে কেউ সেটা ফ্রক করে নিজের বলে চালিয়ে দিতে পারবে না। আর বার বার এডিট করে নাম বসানোর থেকে এভাবে নিজের নাম বসিয়ে দেওয়া আমি মনে করি খুবই উপকারী ও এতে সময় বাঁচে।

তো চলুন শুরু করা যাক:

১/

  • তো সর্বপ্রথমে স্ক্রিনশট অনুযায়ী Binance এপ এ গিয়ে ফিউচার অপশনটি সিলেক্ট করুন।

২/

 

  •  তারপর এই চিত্রের মত থ্রি ডট মেনুতে ক্লিক করুন।

৩/

  • ক্লিক করে আর্ন বোনাস সিলেক্ট করুন।

৪/

  • তারপর ইনভাইট ফ্রেন্ডস এ ক্লিক করুন।

৫/

  • তারপর কাস্টোমাইজ কোড এ ক্লিক করুন।

৬/

  • লাস্ট স্টেপ, এখন আপনার পছন্দমত নাম বসিয়ে কনফার্ম করে নিন।

শেষ পর্যন্ত পোস্টটি দেখার জন্যে ধন্যবাদ। আমি কখনোই ফিউচার ট্রেড করি না কিংবা সাপোর্ট অথবা প্রমোশন করি না, ইহা সম্পূর্ণ হারাম। ধন্যবাদ।

আপনি চাইলে আপনার টেলিগ্রাম চ্যানেল এ জয়েন হয়ে থাকতে পারেন। আমি আমার চ্যানেল এ প্রতিনিয়ত ক্রিপ্টো কারেন্সি মার্কেট আপডেট, টিপস, ট্রিকস ও মোস্ট প্রফিটেবল Airdrop শেয়ার করে থাকি। 

আমার টেলিগ্রাম চ্যানেল : Airdrop Xpert

আমার সাথে যোগাযোগ করুন : Sadi

The post কিভাবে Binance এপে কাস্টম PNL ব্যানার সেট করবেন? ট্রেডারদের জন্যে একটি গোপন ট্রিকস যা সকলেই জানে না। appeared first on Trickbd.com.


[Official Notice] সকল নোটিশ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ।

[Official Notice] সকল নোটিশ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ।

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নোটিশ আসে, যেগুলো TrickBD Notice ক্যাটাগরিতে থাকে। সকলের সুবিধার্থে এবং সাইটের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য সবগুলো একত্র করা হলো।
এখানে আপনি টাইটেল দেখে আপনার যে বিষয়ে জানার প্রয়োজন তা জেনে নিতে পারবেন। তাছাড়া যাদের একাউন্ট খোলা ও একাউন্ট রিলেটেড প্রবলেম আছে তাদের জন্য ও টিপস ও নোটিশ আছে।
এরপরেও কোনো বিষয় আলাদাভাবে এড করার প্রয়োজন হলে মেইল ও কমেন্ট করবেন। এখানে এড করে দেয়া হবে। যাতে সবার সুবিধা হয়।

নোটিশ:


 

সাধারণ জিজ্ঞাসা:


  • প্রশ্ন: ট্রিকবিডিতে একাউন্ট কিভাবে খুলব?
    উত্তর: এই লিংক থেকে TrickBD -র এন্ড্রয়েড এপটি ডাউনলোড করে একাউন্ট খুলতে পারবেন। তাছাড়া এপ এ অনেক ফিচার আছে যা উপভোগ করতে পারবেন।
  • প্রশ্ন: সাপোর্ট টিমের সাথে কিভাবে যোগাযোগ করব?
    উত্তর: উপরের নোটিশে মেইল দেয়া আছে। ওখানে যোগাযোগ করতে পারবেন।
  • প্রশ্ন: আমার টেক রিলেটেড সহযোগিতা প্রয়োজন। কী করব?
    উত্তর: Discord Server ও Facebook Group এ জয়েন দিয়ে ফেলুন দ্রুত। এক্সপার্টরা হয়তো আপনাকে সহযোগিতা করতে পারবে।
  • প্রশ্ন: আমার ট্রেইনার পদ বাতিল হয়েছে। কী করব?
    উত্তর: সাপোর্ট টিমকে একটি Apology Mail সেন্ড করুন। যদি আপনার রিকোয়েস্ট বিবেচনায় আনা হয়, তাহলে আপনি আরেকবার সুযোগ পাবেন।
  • প্রশ্ন: ট্রিকবিডি থেকে কিভাবে এক্সট্রা বোনাস পাওয়া যায়?
    উত্তর: নিয়মিত নীতিমালা মেনে মানসম্মত পোস্ট করে সাপোর্ট টিমের নজরে পড়লে আপনাকে জানানো হবে। এবং যদি আপনার মনে হয় আপনি যোগ্য, তাহলে সাপোর্ট টিমকে মেইল করে ভেরিফিকেশন প্রসেস সম্পন্ন করে এক্সপার্ট হিসেবে এক্সট্রা বোনাস পেতে পারেন। তবে সবকিছুই ভেরিফিকেশনে টিকলে তারপর।
  • প্রশ্ন: কোনো মেম্বার অসদাচরণ/স্প্যাম করলে তার বিরুদ্ধে কিভাবে অভিযোগ করব?
    উত্তর: TrickBD App দিয়ে সরাসরি ইউজার রিপোর্ট করা যায়। তাছাড়া ম্যানুয়ালি মেইলে/ডিসকর্ডেও রিপোর্ট করা যাবে।
  • প্রশ্ন: নীতিমালা বহির্ভূত পোস্ট দেখলে করণীয় কী?
    উত্তর: সাথে সাথেই রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করে কারণ লিখে সাবমিট দিবেন।
  • প্রশ্ন: আমার আইডি TrickBD App এ লগইন হয়না, কারণ কী?
    উত্তর: নতুন ভার্সন আপডেট করুন। তারপরেও সমস্যা হলে পাসওয়ার্ডে শুধু A-Z, a-z লেটার দিয়ে দেখুন। তারপরেও না হলে মেইলে জানান।
  • প্রশ্ন: কমেন্ট পেন্ডিং থাকে, কারণ কী?
    উত্তর: এপ দিয়ে কমেন্ট করুন আশাকরি সমস্যা হবেনা।
  • প্রশ্ন: নীতিমালা মেনে মানসম্মত পোস্ট করার পরেও এপ্রুভ হচ্ছেনা। করণীয় কী?
    উত্তর: পেন্ডিং পোস্ট ২০ হাজার+ এখন। তাই খুঁজে পাওয়া যায়না। আইডির লিংকসহ মেইল করলে বিবেচনার মাধ্যমে এপ্রুভ করা হবে।
  • প্রশ্ন: মিনিমাম উইথড্র এমাউন্ট কি কমানো হবে?
    উত্তর: এ নিয়ে কাজ চলছে। আশা করা যায় টাইম টু টাইম পেমেন্ট সিস্টেম ও ছোট এমাউন্ট উইথড্র দেয়ার সুযোগ দেয়া হবে।

 

 

 

আরো জানার থাকলে কমেন্ট করুন। উত্তর এখানে এড করা হবে। সহজে উত্তর খুঁজে পেতে আপনার ব্রাউজারের Find অপশন ব্যবহার করুন। পিসিতে হলে Ctrl+F শর্টকাট ‘কী’ ব্যবহার করুন।

The post [Official Notice] সকল নোটিশ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ। appeared first on Trickbd.com.


[Review & Giveaway] iTop Screen Recorder এর ময়নাতদন্ত।

[Review & Giveaway] iTop Screen Recorder এর ময়নাতদন্ত।

সাধারণ তথ্য:


Screen Recording কী?

Screen Recording হলো এমন এক ধরণের প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের মনিটর/ডিসপ্লেতে যা প্রদর্শন করছে তা ভিডিও আকারে সংরক্ষণ করা যায়। যেহেতু এটি অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত একটি সিস্টেম, তাই এ বিষয়ে বিশদ আলোচনার প্রয়োজন অনুভব না করায় বিষয়টি সংক্ষেপে এড়িয়ে যাচ্ছি।
অপ্রয়োজনীয় মনে হলে আপনারাও সরাসরি নিচের মূলপর্বে চলে যান।

Screen Recorder কীভাবে কাজ করে?

Screen Recorder ডিভাইসের স্ক্রিনের গতিবিধির উপর নজর রেখে প্রতিটি মুভমেন্টকে ক্যাপচার করে ফেলে। অর্থাৎ, আমরা যখন ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করি করি তখন যেরকম ফ্রেমে থাকা দৃশ্যকে ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও আকারে সংরক্ষণ করা হয়, ঠিক তেমনিভাবে মনিটরে যা হচ্ছে তাকে ফ্রেমে রেখে ভিডিও আকারে সংরক্ষণের কাজই Screen Recorder করে থাকে। আগে পুরো স্ক্রিনকে ফ্রেমে রেখে রেকর্ডিংয়ের কাজ হলেও বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট অংশকে ফ্রেমে রেখেও রেকর্ড করা সম্ভব।

Screen Recording কি তবে নিরাপদ নয়?

যেহেতু Screen Recording এর স্ক্রিনে দেখানো সবকিছু ট্র্যাক করা হয়, তাহলে স্বভাবতই প্রশ্ন আসতে পারে যে এটি আসলেই নিরাপদ কি না………..!
এক্ষেত্রে জবাব হবে হ্যাঁ ও না, দুটোই।
কেনো?
কারণ হলো, যেহেতু স্ক্রিন রেকর্ডার সফটওয়্যার আপনার ডিভাইসের ডিসপ্লেতে দেখানো যাবতীয় কার্যাবলী রেকর্ড করতে পারে, সেহেতু এটি চাইলেই কোনো নির্দিষ্ট মুহূর্তের ছবি/ভিডিও নিজস্ব সার্ভারে প্রেরণ ও করতে পারে। তাই এক্ষেত্রে কিছুটা রিস্ক থেকেও যায়। বর্তমানে প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্র এতটাই উন্নত যে, কখন কোন এপ/পেইজে আমরা ব্রাউজ করছি তা সহজেই ট্র্যাক করা হচ্ছে। এভাবেই গুগল, ফেইসবুকের মত প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের ডেটাতে এক্সেস নিচ্ছে। সুতরাং রিস্ক কিন্তু সবক্ষেত্রেই রয়েছে। তবুও প্রয়োজন অনুসারে ঝুঁকির কথা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হয়।
তবে আমার পরামর্শ থাকবে সবসময় জনপ্রিয় ও পরিচিত কোম্পানিগুলোর সফটওয়্যার ব্যবহার করার এবং অবশ্যই ক্র্যাক ভার্সন নয়। এতে অনেক বাগ থাকতে পারে। যদিও অনেকেই Crack/Mod এর উপরেই ভরসা করে থাকেন। এই সংখ্যাকে দেশীয় প্রেক্ষাপটে সিংহভাগ বলা চলে।

কেন Screen Recorder প্রয়োজন?

অনেকসময় এমন হয় যে আমরা স্ক্রিনে যা দেখছি তা অন্যদেরও দেখাতে চাই। তখন আমাদের স্ক্রিন রেকর্ড করার প্রয়োজন হয়।
যেমন: কোনো ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরির সময়, প্রেজেন্টেশন তৈরির সময় অথবা ভিডিও/গেমিং এর ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের সময়। বর্তমানে ইউটিউব, ফেসবুক বা এরকম ভিডিও প্লাটফর্মগুলোতে ভিডিও শেয়ারের ক্ষেত্রে হারহামেশাই Screen Recorder এর প্রয়োজন হচ্ছে।

মূল পর্ব:


iTop Screen Recorder কী?

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের Screen Recorder বর্তমান বাজারে প্রচলিত রয়েছে। iTop Inc. এর  iTop Screen Recorder তার মধ্যে অন্যতম। প্রচলিত অন্যান্য Screen Recorder এর মত iTop Screen Recorder ও বেশকিছু ফিচার দিয়ে থাকে। সাথে আবার কিছু এক্সট্রা ফ্যাসিলিটিস ও কিন্তু দিয়ে থাকে। নিচে সেগুলো হাইলাইট করার চেষ্টা করব।

iTop Screen Recorder ই কেন……?

iTop Screen Recorder অন্যান্য সাধারণ Screen Recorder এর মত স্ক্রিন রেকর্ড করার সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি আরো কিছু ফ্যাসিলিটিস দিয়ে থাকে।
এরকম নতুন আপডেট করা উল্লেখযোগ্য কিছু ফিচার নিচে নোট করা হলো।

  • Brand new game recording mode for easier and smoother game recording
  • Fully built on 64-bit Windows for more stable and efficient recording
  • Backup feature to restore recorded video in case of system crashes, insufficient space, or power failure
  • Option of deleting files to Recycle Bin to avoid the loss in the accidental deletion
  • Hotkey to quickly enable or disable camera during recording
  • Optimized GIF editing algorithm to improve the video quality and reduce the file size
  • Enhanced video editor for more convenient and accurate video trimming
  • Fully supported Windows 11
  • Optimized UI for better user experience
  • Supports 33 languages
  • And more can be discovered by you

মোদ্দাকথা হলো, iTop Screen Recorder কে One of the best Screen Recorder for PC বলা চলে।

কোন কোন বিষয়গুলো iTop Screen Recorder কে এতটা স্পেশাল করে তুলেছে…….?

  • Flexible Screen Capture: iTop Screen Recorder – এর এই ফিচারটি আমি অন্যকোনো সফটওয়্যারে এখনো পর্যন্ত পাইনি। এই ফিচারের মাধ্যমে স্ক্রিনের নির্দিষ্ট একটা অংশ রেকর্ড করা যায়। পুরো স্ক্রিনে আর যা-ই থাকুক না কেনো, ক্রপ করে ফ্রেমের অংশটাই রেকর্ড করবে। এটি আবার মাল্টিপল ডিসপ্লেও সাপোর্ট করে। এটাও একটা গুড অপশন।
  • Facecam Recording: লাইভ স্ট্রিমিং অথবা ইউটিউবে টিউটোরিয়াল দেয়ার সময় অনেকে নিজের ফেইস ও রেকর্ড করতে পছন্দ করে। তাদের জন্য খুব ইউজফুল একটি ফিচার। এটি দিয়ে পিসির ফ্রন্ট ক্যামেরার মাধ্যমে সহজেই স্ক্রিন ও ভয়েস রেকর্ডের পাশাপাশি ফেইস রেকর্ডের কাজটাও হয়ে যায়। তবে বর্তমানে প্রেজেন্টেশন রেডি করতে অনেক বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে ফেইসক্যাম রেকর্ড।
  • Take Screenshots While Recording: অনেকসময় হয় কী, রেকর্ড করার সময় নির্দিষ্ট কোনো মুহূর্তের স্ক্রিনশট নেয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এরজন্য পরে ভিডিও থেকে স্ক্রিনশট নিতে হয়। কিন্তু iTop Screen Recorder এ এই ঝামেলা নেই। রেকর্ডের পাশাপাশি স্ক্রিনশট ও নেয়া যায় সহজে।
  • Multiple Output/Convert Formats: iTop Screen Recorder ১২ টির ও বেশি আউটপুট ফরম্যাট অফার করে থাকে। বলা যায়, প্রায় সব ডিভাইসে সাপোর্ট করার মতো ফরম্যাট ই এটি দিতে পারে। MP4, AVI, FLV, MKV, MOV, TS, ও GIF সহ আরো অনেক ফরম্যাট সাপোর্টেড। এটি কিন্তু 4k রেকর্ডিং ও সাপোর্ট করে!
  • No Lagging While HD Recording: জরিপে দেখা গেছে এটি গড়ে মাত্র 8% দখলদারীত্ব দেখায় CPU তে। ফলে অন্যান্য সফটওয়্যারগুলো রান করতে পর্যাপ্ত সিপিউ ইউজেস পায়। বিশেষ করে গেমিংয়ের সময় যা একটি বড় ফ্যাক্টর। এক্ষেত্রে তারা ব্যবহার করেছে Advanced GPU rendering & encoding technology । ফলে বিভিন্ন 2D/3D গেইমের (E.g.: Minecraft, PlayerUnknown’s Battlegrounds, Roblox, World of Warcraft, League of Legends) সর্বোচ্চ 60 FPS পর্যন্ত ল্যাগ ফ্রি রেকর্ডিং পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম এই স্ক্রিন রেকর্ডার।
  • Record the Screen with Audio: এটি যদিও প্রায় Screen Recorder এ-ই থাকে। তবুও iTop কিছুটা এডভান্সড টেকনোলজি অফার করে যা অন্যান্য Screen Recorder থেকে কিছুটা বেশি সুবিধা দিয়ে থাকে।
  • Video Editing: iTop Screen Recorder হাইলাইট করার আরেকটি কারণ হলো এর ভিডিও এডিটিং ফিচার। ছোটখাটো এডিটিং এর কাজগুলো এক্সট্রা সফটওয়্যার ছাড়াই এর মাধ্যমে দিব্বি চালিয়ে দেয়া যায়।
  • BGM & Filter: এটিও ভিডিও এডিটিং এর একটি ফিচার যা আমরা সচরাচর ইউজ করে থাকি। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ও ফিল্টার লাগানো ছাড়া ভিডিও আজকাল অনেক কম পাওয়া যায়। বিশেষ করে ফেইসবুক/টিকটকে।
  • Recording Schedule: এটিও একটি আকর্ষনীয় ফিচার। যদি নির্দিষ্ট একটি সময়ে রেকর্ডিং অন করে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রেকর্ড করতে চাইয়, তাহলে এটি বেশ কাজের। টাইম সেট করে ঘুম দিলাম। ব্যাস!
  • Extra Audio Saving: এই ফিচারটি Zoom মিটিংয়ের রেকর্ডে দেখা যায়। রেকর্ড করলে ভিডিও ফাইলের পাশাপাশি অডিও ফরম্যাট ও প্রোভাইড করে এক্সট্রা। অনেক সময় এটি বেশ কাজে দেয়। বিশেষ করে অনলাইনে মিটিং রেকর্ড করলে।
  • No Time Limit & Custom Your Watermark: এটি প্রিমিয়াম একটি ফিচার। শুধু প্রো ভার্সনের জন্য। তবে বেশ কাজের। অনেকের নিজস্ব ওয়াটারমার্ক বসানোর প্রয়োজন হয় ভিডিওতে। যার জন্য ভিডিও রেকর্ড করার পরে আবার আলাদাভাবে এডিট করতে হয়। কিন্তু iTop Screen Recorder এর মাধ্যমে এই ঝামেলা থেকেও মুক্ত থাকা সম্ভব। ওয়টারমার্ক বসিয়ে দিলাম আর রেকর্ড করার পরে বিল্ট ইন এডিটর দিয়ে ছোটখাটো এডিট সেরে নিলাম। কাজ শেষ। আর রেকর্ডিং টাইম আনলিমিটেড তো আছেই।
  • Add Annotations When Recording With Real-time Doodle: এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফিচার যা ফ্রি রেকর্ডারগুলোতে পাওয়া যায়না। যারা টিউটোরিয়াল তৈরি করেন তারা জানেন, কোনো বিষয় সুন্দরভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে বুঝানোর জন্য স্ক্রিনে কিছু আঁকা/চিহ্নের মাধ্যমে বুঝানো কতটা জরুরী। iTop Screen Recorder সেই দিকটা মাথায় রেখে এই ফিচারটি ইনক্লুড করেছে হয়তো।
  • Mouse Click Effects: প্রেজেন্টেশন অথবা টিউটোরিয়াল যা-ই হোকনা কেনো, মাউসের ক্লিক বুঝা না গেলে অনেকসময় কিভাবে নেক্সট স্টেপে গেলো তা বুঝা মুশকিল হয়ে পড়ে। তবে এক্ষেত্রে মাউস ক্লিক ইফেক্ট থাকায় ক্লিকটা সুন্দরভাবে বুঝা যাবে ভিডিওতে।
  • Convenient Screen Capture with Hotkey: আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে iTop Screen Recorder এ রেকর্ড করার পাশাপাশি স্ক্রিনশট নেয়ার ও সিস্টেম রয়েছে। তবে সেটি খুব স্মার্টলি। যদি ভিডিও মাঝখানে কোনো অপশনে গিয়ে স্ক্রিনশট নিতে হয়, তাহলে সেটি খুব বাজে দেখায়। কিন্তু এক্ষেত্রে HotKey সিস্টেম থাকায় বুঝা-ই যাবেনা যে স্ক্রিনশট নেয়া হয়েছে। যাস্ট একটা কী’ চাপলেই হলো।
  • Quickly Record YouTube, Zoom, Twitch, Spotify, ESPN, etc.: এটি মূলত শর্টকাট সিস্টেম বলা যায়। অনেকসময় কাজে লাগে। এক ক্লিকে নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের কার্যকলাপ রেকর্ড করার কাজে এডভান্টেজ দেয়।
  • Quick-share to YouTube, Facebook, Instagram, etc.: বিভিন্ন অনলাইন ভিডিও প্লাটফর্ম, যেমন: YouTube, Vimeo, Facebook, Instagram, Google Drive, and Dropbox. ইত্যাদিতে সরাসরি ভিডিও শেয়ারের অপশন ও বিল্ট ইন রয়েছে। তাই ভিডিও শেয়ারিং নিয়েও এতো চিন্তা নেই।
iTop Screen Recorder সম্পর্কে আরো জানতে নিচের লিংকগুলো ফলো করুন।

Facebook: https://ift.tt/3yBhB7e
Twitter: https://twitter.com/ItopVpn
Official website: https://ift.tt/3qRqIys

আশাকরি উপরের লেখাগুলো পড়ে Screen Recording ও iTop Screen Recorder সম্পর্কে আইডিয়া ক্লিয়ার হয়েছে। এবার আসি Giveaway এর বিষয়ে।

Screenshots:


  • Main Interface
  • Select Screen Region

  • Record Game

  • Record Audio

  • My Creations

  • Edit Video
  • Watermark Setting

  • User Guide

  • Quick Launcher

  • General Setting

সংশ্লিষ্ট:


iTop Screen Recorder কয়েকটি Windows ভার্সনে কাজ করে। যা হলো:

  • Windows 7
  • Windows 8
  • Windows 10
  • Windows 11

ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন। প্রচলিত সব উইন্ডোজেই চলবে।

Product Name:
iTop Screen Recorder
Version:
2.0.0.414
Author: iTop Inc.
Release Date: 2021-11-19
File Size: 59.6MB
License Type: Freeware
Requires: Win11/Win10/Win8/Win7

Download Here

ও হ্যাঁ, এর আবার দু’টি প্যাকেজ ও রয়েছে। সেগুলো হলো:

  1. Free
  2. Premium

নিচে দুটো ভার্সনের মধ্যকার পার্থক্য দেখানো হলো।

আমাদের মতো গরিবদের জন্য ফ্রি-ই ভরসা। তবে ফ্রিতে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশনের সুবিধা পেলে মিস না করা-ই উত্তম। অনেকে রিসোর্স শেয়ার করে। এগুলো নজরে রাখলে হারহামেশাই পাওয়া যায় কিছু না কিছু। তবে যারা প্রফেশনাল কাজে Screen Recorder ইউজ করেন তাদের জন্য ভালো কোনো Screen Recorder দেখে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিশন কেনা উত্তম। বিশেষ করে যারা সিকিউরিটি নিয়ে কনসার্ন তাদের Cracked ইউজ না করা-ই ভালো। এগুলোতে ম্যালওয়্যার/ট্রোজানের প্রমাণ প্রায়শই পাওয়া যায়। অনেকসময় হার্ডডিস্ক করাপ্ট/ফাইল এনক্রিপ্টের মত ঘটনাও ঘটে, যার ভুক্তভোগী আমি নিজেই। তবে প্রফেশনাল কাজে ব্যবহার না করলে ফ্রি ভার্সন দিয়েই দিব্বি চলে যায়। এখন সিদ্ধান্ত আপনার।

Giveaway………………!!


যেহেতু এটি শুধু পিসির জন্য প্রযোজ্য, তাই সকলের License Key এর প্রয়োজন হবেনা। তবে যাদের প্রয়োজন তারা TrickBD এর Discord সার্ভারে #resource-request চ্যানেলে মেসেজ দিবেন। তবে ওখানে আরো অনেক প্রিমিয়াম রিসোর্স দেয়া হয় যা কিন্তু সবাই ব্যবহার করতে পারবেন।
কেউ পার্সোনালি মেসেজ করবেন না। কারণ, বর্তমানে কারো উপকার করলে প্রতিদান ভালো হয়না।
আর হ্যাঁ, ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই এই কী এপ্লাই করতে হবে। যার মেয়াদ কিন্তু একেবারে ৬ মাস! তাই যাদের প্রয়োজন, এই সময়ের মধ্যেই সংগ্রহ করতে পারেন।

দৃষ্টি আকর্ষণঃ


বিনা অনুমতিতে লেখার কোনো অংশ কপি করার চিন্তাও করবেন না।
আশা করি মনে রাখবেন কথাটা।

আর একান্তই যদি কোনো প্রয়োজন হয়,তবে ফেইসবুকে ও টেলিগ্রামে নক করতে পারেন।
প্রিমিয়াম একাউন্ট/লাইসেন্স কী’র জন্য অথবা অকারণে বিরক্ত না করার অনুরোধ রইলো।
আর ইচ্ছে করলে আমার YouTube চ্যানেল থেকে ঘুরে আসতে পারেন।
নিয়মিত আপডেট পেতে আশা করি Subscribe করে রাখবেন।

TrickBD Official Discord Server এ এড হয়ে যান।
এখানে অফিসিয়াল সাপোর্ট+ভালো ভালো লেখক ও কন্ট্রিবিউটরদের পাবেন।
এছাড়াও আরো অনেক সুবিধা দিচ্ছে ট্রিকবিডি থেকে।

সাথেই থাকুন।

“ধন্যবাদ”

The post [Review & Giveaway] iTop Screen Recorder এর ময়নাতদন্ত। appeared first on Trickbd.com.


Saturday, January 22, 2022

ফেইসবুক মার্কেটিং কি? ফেইসবুক মার্কেটিং কত প্রকার?

ফেইসবুক মার্কেটিং কি? ফেইসবুক মার্কেটিং কত প্রকার?

কার্ড, লিফলেট, পোস্টার, রেডিও টিভির মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়ার দিন একেবারেই শেষ না হলেও এর জোর বেশ কমে এসেছে৷ কেননা সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই পাল্টে যায়। বর্তমান যুগে তারাই এগিয়ে থাকে যারা ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধাকে পুঁজি করে সময়কে আরো আধুনিকে রুপান্তরিত করছে৷ এর অন্যতম একটি উদাহরণ হলো বর্তমানে জনপ্রিয় ফেইসবুক মার্কেটিং। জনপ্রিয়তা এবং প্রয়োজনীয়তার খাতিরেই এই বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকা অত্যাবশ্যকীয় দক্ষতা। অনলাইন মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে কোম্পানী বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্রচারণা, প্রসার ও সর্বোচ্চ পরিমাণে মানুষের সাথে যোগাযোগ এবং পণ্য বিক্রি করার উদ্দেশ্যে এই ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের অবদানকে কখনোই অস্বীকার করা যাবে না। চলুন বিস্তারিত জেনে আসি।

ফেইসবুক মার্কেটিং কি?

আপনি যদি ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার কোম্পানির প্রোডাক্ট বিক্রি করতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের সংজ্ঞা সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। মূলত ফেইসবুকের মাধ্যমে ফেইসবুক ব্যবহারকারির কাছে নিজের কিংবা কোনো কোম্পানির পণ্য, সেবা বিক্রয়ের পলিসিকে ফেইসবুক মার্কেটিং বলে। ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে ফেইসবুক ব্যবহারকারী।

এবার চলুন এই ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের প্রকারভেদ এবং তা কিভাবে কাজ করে সে-সম্পর্কে জেনে নিই।

মার্কেটাররা সাধারণত দুইভাবে ফেইসবুক মার্কেটিং করতে পারে। এর একটি হলো ফ্রি ফেইসবুক মার্কেটিং এবং অপরটি পেইড ফেইসবুক মার্কেটিং। তবে বর্তমানে ফ্রি ফেইসবুক মার্কেটিংটিই বেশ জনপ্রিয়।

ফ্রি ফেইসবুক মার্কেটিং কি?

ফ্রি ফেইসবুক মার্কেটিং হলো ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের সবচেয়ে সহজ এবং লাভজনক ধাপ বা প্রক্রিয়া। শুধুমাত্র একটি ফেইসবুক পেইজের মাধ্যমেই আপনি খুব সহজেই কাজটি করতে পারেন। একটি বিজনেস পেইজ তৈরি করে সেখানেই নিজের কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার প্রচার, প্রসার বিক্রয় করতে পারেন। এতো কোনো বাড়তি খরচ কিংবা ফি এর প্রয়োজন পড়বে না। তবে এক্ষেত্রে আপনার ফেইসবুক পেইজে প্রচুর পরিমানে ফ্যান ফলোয়ার থাকতে হবে।

ফেইসবুক বিজনেস পেইজ ছাড়াও আপনি বিভিন্ন গ্রুপে আপনার পণ্যের প্রচার এবং বিক্রয় করতে পারেন। পাশাপাশি ফেইসবুক প্রোফাইল এবং ম্যাসেঞ্জার তো রয়েছেই। আপনার নির্দিষ্ট অডিয়েন্সের কাছে আপনি খুব সহজেই ফ্রি ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন।

পেইড ফেইসবুক মার্কেটিং কি?

এবার আসুন পেইড ফেইসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। এক্ষেত্রে যেহেতু টাকার বিনিময়ে ফেইসবুক মার্কেটিং করা হয় সেহেতু এটি পেইড ফেইসবুক মার্কেটিং নামেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এক্ষেত্রে প্রতিটি বিজ্ঞাপনই টাকার মাধ্যমে দেয়া হয়। এর মূল কাজ হলো নিউজফিডে বিভিন্ন পন্যের স্পন্সরড পোষ্ট হিসেবে পণ্যকে শো করা এবং ফেইসবুক এর ডান পাশে বিভিন্ন পন্য ছবি বা অফার আকারে শো করা।

তবে হ্যাঁ! পেইড ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একটি ফেইসবুক বিজনেস পেইজ থাকতে হবে। কেননা ফেইসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে এই মার্কেটিংটি করা যায় না। আপনার কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে কিংবা নামের সাথে মিল রেখে একটি বিজনেস পেইজ খুলে নিতে পারেন। পরবর্তীতে সেই পেইজে আপনার পন্যের বিস্তারিত তথ্য সংযোজন করে আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিতে পারেন খুব সহজেই।

শেষকথা

ফেইসবুক মার্কেটিং নিয়ে বলতে গেলে এতো অল্প সময়ে কখনোই শেষ করা যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ সময়। কেননা এর বিস্তৃতি অনেক বৃহৎ। তবুও আশা করি এই বিষয়ে কিছু ধারনা দিতে পেরেছি। খুব শীঘ্রই ফেইসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা নিয়ে হাজির হবো।

The post ফেইসবুক মার্কেটিং কি? ফেইসবুক মার্কেটিং কত প্রকার? appeared first on Trickbd.com.


Monday, January 17, 2022

টেলিগ্রামে চালু করুন অটে রিপ্লাই মেসেজ

টেলিগ্রামে চালু করুন অটে রিপ্লাই মেসেজ

আসসালামুয়ালাইকুম প্রিয় ট্রিকবিডি ইউজার। আশা করি অনেক ভালো আছেন।
আমি তাইজুল ইসলাম। নিয়ে আসলাম নতুন আরেকটি আর্টিকেল যেখানে আমি দেখাবো যে, কিভাবে টেলিগ্রামে অটো রিপ্লাই সেট করবেন অর্থাৎ কেউ আপনাকে মেসেজ করলে অটো রিপ্লাই দিয়ে দিবে। আপনি অনলাইনে থাকুন আর না থাকুন।

পুরো আর্টিকেলটি পড়বেন তাহলে সব বুঝতে পারবেন।
আর হ্যাঁ পোস্টে শুধুমাত্র যারা জানে না তাদের জন্য।

তাহলে চলুন শুরু করা যাক

প্রথমে এটি করতে গেলে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে যেটি হল টেলিগ্রাফ।
প্লে স্টোর লিংকঃ Download App

এখন যে টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট দিয়ে এটি করতে চান সেটি টেলিগ্রাফে লগইন করুন। ভয় নেই কোন সমস্যা হবে না।

এবার টেলিগ্রাফ টি ওপেন করুন এবং স্ক্রিনশট দেখে কাজ করুন।

তারপর

এখন উপরের অপশনটি অন করে দিন। এবং নিচে কি রিপ্লাই আসবে যদি কেউ মেসেজ করে সেটা লিখে দিন।

ব্যাস হয়ে গেলো

দেখুন কেউ মেসেজ করলে তা অটো রিপ্লাই হবে।

আজকের মত এইটুকু। যদি কোন ভুল হয় তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

আর যদি পোস্টটি ভাল লাগে তাহলে আমার টেলিগ্রাম চ্যানেল এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে ঘুরে আসবেন

আল্লাহাফেজ

The post টেলিগ্রামে চালু করুন অটে রিপ্লাই মেসেজ appeared first on Trickbd.com.


Sunday, January 16, 2022

অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ২০২০ রিভিউ

অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ২০২০ রিভিউ

টেক জগতে অ্যাপল নামটা সর্বাধিক সমাদৃত। দুর্দান্ত সব টেক প্রোডাক্ট ইউজারদের হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে গত কয়েকদশক ধরে মার্কেটের শীর্ষস্থান নিজেদের করে রেখেছে এই টেক জায়ান্ট কোম্পানি।

অ্যাপল স্মার্টফোন (আইফোন) থেকে শুরু করে, অ্যাপল ওয়াচ, ওয়ারলেস হেডফোন, কি রিং, কি নেই অ্যাপলের ইনভেন্টরিতে।

তবে অ্যাপলের যাত্রা শুরুই হয় কম্পিউটার বা ডেস্কটপ প্রস্তুতকারক হিসেবে, ১৯৭৬ সালে প্রথম অ্যাপল-১ কম্পিউটার বাজারজাত করার মাধ্যমে।

২০০৬ সালের ১০ জানুয়ারী অ্যাপল ম্যাকিনটশ অপারেটিং সিস্টেম, সংক্ষেপে ম্যাক কম্পিউটার সিরিজের মাধ্যমে তাদের যাত্রা শুরু করে।

সেই ধারা অনুযায়ী ২০২০ সালে অ্যাপল পঞ্চম প্রজন্মের ম্যাকবুক প্রো মার্কেটে উন্মোচন করে যা ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।

ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী অ্যাপল পর্যায়ক্রমে ম্যাকবুক প্রো এর বিভিন্ন মডেল (১৩ ইঞ্চি, ১৫ ইঞ্চি, ১৬ ইঞ্চি) সরবরাহ করেছে।

তবে লেটেস্ট ম্যাকবুক প্রো ২০২০ (১৩.৩ ইঞ্চি) মডেলটির অন্যতম বিশেষ দিক হলো, এর মধ্যে রয়েছে অ্যাপল উদ্ভাবিত “এম-ওয়ান চিপ” প্রসেসর।

প্রসেসরের দিক থেকে অ্যাপল সবসময় কম্পিটিটরদের থেকে কয়েকধাপ এগিয়ে। যা গত কয়েক দশক ধরে আইফোনের “আইওএস” (iOS) অপারেটিং সিস্টেম এর মাধ্যমে বেশ ভালোভাবেই বোঝা যায়। কম্পিউটার প্রসেসরের জগতে ইন্টেল এত বছর একচেটিয়া ব্যবসা করলেও বর্তমানে ইন্টেলের হেড টু হেড কম্পিটিটর বিবেচনা করা হয় রাইজেন কে। আর এর মাঝেই চলে এসেছে অ্যাপলের নিজস্ব উদ্ভাবনকৃত প্রসেসর “এম ওয়ান চিপ”। তো চলুন দেখে নেওয়া যাক নতুন প্রসেসরের সাথে লেটেস্ট ম্যাকবুক প্রো এর সামঞ্জস্য এবং ব্যবহারকারীদের জন্য তা কতটা ইফেক্টিভ হতে যাচ্ছে।

এই পোস্টে আলোচনা করা হবে,

  • এম ওয়ান চিপ এর কার্যকারীতা
  • অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো পারফর্মেন্স এবং হার্ডওয়্যার রিভিউ
  • অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ভ্যারিয়েশন্স
  • এক নজরে অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ফুল স্পেকস
  • ম্যাকবুক প্রো প্রাইস

 

এম-ওয়ান চিপ এর কার্যকারীতা

এম ওয়ান চিপ প্রসেসর উদ্ভাবন নিঃসন্দেহে অ্যাপলের জন্য অনেক বড় একটি পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে অ্যাপল কম্পিউটার প্রসেসর তৈরীতে তাদের সুস্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালি কম্পিউটার প্রসেসর তৈরীতে আশাবাদী মনোভাব ব্যক্ত করেছে।

এখন কথা হলো, ব্যবহারকারীদের জন্য এই নতুন প্রসেসর কতটা উপযোগী?

সর্বপ্রথম দেখা যাক এম-ওয়ান চিপ এর বাহ্যিক গুণাবলী গুলো,

  • এটি একটি এ আর এম (ARM) প্রসেসর যা ইন্টেলের x86 প্রসেসর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা
  • এটি একটি ৮ কোর বিশিষ্ট প্রসেসর যার মধ্যে ৪ টি কোর উচ্চতর পারফরমেন্স এবং অপর ৪ টি উচ্চতর দক্ষতার সাথে যে কোন টাস্ক কমপ্লিট করার কাজে নিয়োজিত
  • ইন্টেল প্রসেসর অপেক্ষা অধিক কার্যকরী এবং শক্তিশালী প্রযুক্তির সংমিশ্রন ঘটেছে
  • এখন পর্যন্ত এটাই একমাত্র পার্সোনাল কম্পিউটার চিপ যা অত্যাধুনিক 5-ন্যানোমিটার প্রক্রিয়া প্রযুক্তিতে তৈরী এবং এতে রয়েছে সর্বাধিক ১৬ বিলিয়ন ট্রান্সিসটর যা অ্যাপলের একক কোন চিপের ক্ষেত্রে সর্বাধিক
  • M1 চিপ এর কার্যকারীতা উল্লেখ করতে গিয়ে অ্যাপল জানায়, এই চিপ ৩.৫ গুণ দ্রুত CPU পারফর্মেন্স, ৬ গুণ দ্রুত GPU পারফর্মেন্স এবং ১৫ গুণ দ্রুত মেশিন লার্নিং প্রসেসিং এ সক্ষম
  • সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে যে, M1 চিপের সাথে যুক্ত হয়েছে অ্যাপলের সবচেয়ে এডভান্সড GPU যা সিস্টেমকে জটিল গ্রাফিকাল অপারেশন যেমন একের অধিক 4K ভিডিও স্ট্রিমিং স্মুথলি চালিয়ে যেতে সাহায্য করবে
  • অ্যাপলের অত্যাধুনিক Image Signal Processor (ISP) উচ্চতর ভিডিও কোয়ালিটি নিশ্চিতকরনের পাশাপাশি নয়েজ রিডাকশন, অটো হোয়াইট ব্যালেন্স এর দারুণ সমন্বয়
  • ব্যাবহারকারীর সর্বাধিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বেস্ট ইন ক্লাস ‘Secure Enclave’ সিক্যুরিটি সাথে আছে হাই পারফর্মেন্স স্টোরেজ কন্ট্রোলার

সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে যে M1 চিপ কম্পিউটার প্রসেসরের জগতে একটি সুদূরপ্রসারী দৃষ্টান্ত তৈরী করবে।

অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো পারফর্মেন্স

পারফর্মেন্স এর দিক থেকে ম্যাকবুক প্রো ওভারঅল আউটস্ট্যান্ডিং। এতে সংযুক্ত অত্যাধুনিক M1 চিপ এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যা ব্যবহারকারীর যে কোন কমান্ড দ্রুত গতিতে প্রসেসিং করতে সক্ষম।

গিকবেঞ্চ এর রিপোর্ট অনুসারে অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো এর মাল্টি কোর পারফর্মেন্স স্কোর ৭৩৮২ এবং সিংগেল কোর পারফর্মেন্স স্কোর ১৭০৫।

রিউমারস শোনা যাচ্ছিলো যে অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো M1 চিপ ইন্টেল এর 11th জেনারেশন প্রসেসর অপেক্ষা অধিক কার্যকর।

সেটা দেখার জন্যই আমরা HP Spectre x360 2020 (Core i7 11th Gen) এবং ম্যাকবুক প্রো এর মধ্যে হেড টু হেড কম্পেয়ার সেশন শুরু করি।

এখানে উল্লেখ্য যে, আমাদের ব্যবহারকৃত HP Spectre x360 তে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড Intel Iris Graphics এবং NVIDIA GeForce GTX 1650 (4GB) আর অন্যদিকে এম ওয়ান চিপ এ ইনক্লুডেড GPU সম্পর্কে ইতোমধ্যেই আলোচনা করা হয়েছে।

তো পাঠকদের জন্য এই রিভিউ লিখার সময় ম্যাকবুক এবং HP Spectre এ একইসাথে ৫৫+ ট্যাব ওপেন করে একটি ছোটখাটো টেস্ট করার সময় দেখা গেলো, দুটো ডিভাসই বেশ সাবলীল।

তবে ম্যাকবুক এর পারফর্মেন্স যেনো একটু বেশিই স্মুথ মনে হচ্ছিল যেখানে HP Spectre এ কয়েক মিলি সেকেন্ড ডিলে হচ্ছিলো।

অতঃপর দুটো ডিভাইসে কিছু নির্দিষ্ট সফটয়্যার যেমন ফটোশপ রান করে কিছু জটিল ফটোশপ অপারেশন চালিয়ে দেখা গেলো, এদিক থেকেও ম্যাকবুক HP Spectre থেকে এগিয়ে।

এছাড়াও 3D and 4D মাল্টিমিডিয়া রেন্ডারিং এ ম্যাকবুক প্রো HP Spectre x360, Dell XPS 15 থেকেও দ্রুত গতির ডেমোন্সট্রেশনে সক্ষম।

আর যদি গেমিংয়ের কথা বলি তো, ল্যাপটপ গেমারদের জন্য ম্যাকবুক প্রো খুবই পারফেক্ট একটি ডিভাইস। এতে তারা যেকোন মেইনস্ট্রিম গেইম হাই ফ্রেইম রেট এ স্মুথলি খেলতে পারবে।

হার্ডওয়্যার রিভিউ

এতক্ষণ কথা বললাম, অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো এর অভ্যন্তরীণ বিষয়াদী নিয়ে, এখন কথা বলবো এতে সংযুক্ত হার্ডওয়্যারসমূহ নিয়ে। তো প্রথমে আলোচনা করা যাক,

অ্যাপল ম্যাজিক কি বোর্ড

অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ২০২০ মডেলে রয়েছে অ্যাপলের নিজেদের তৈরী ম্যাজিক কি-বোর্ড। যদিও এটি সত্যিকার কোন জাদু দেখাতে সক্ষম নয় কিন্তু আপনার দৈনন্দিন কি বোর্ড ব্যবহারে এটি নিয়ে আসতে পারে ব্যপক বৈচিত্র্য।

এ কী বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত কী গুলোর নিচে এক ধরনের সংকোচনযোগ্য রাবার ডোম রয়েছে যা অনেকটা স্প্রিং এর ভূমিকা পালন করে।

এর ফলে কী বোর্ডটি আপনাকে এক ধরনের বাউন্সি কমফি ফিল দিবে। এছাড়াও অ্যাপলের ম্যাজিক কী বোর্ডে রয়েছে Scissor Mechanism যা একে বাটারফ্লাই কী বোর্ডের তুলনায় অধিক কার্যকর হিসেবে উপস্থাপন করেছে।

ট্র্যাকপ্যাড

ম্যাকবুক ট্র্যাকপ্যাড নিয়ে কোন কথা হবে না, কারণ এর অসাধারণ রেস্পন্সিভনেস আপনার কাজের গতি যেমন বৃদ্ধি করবে অন্যদিকে নির্বিঘ্ন স্ক্রলিং, পিঞ্চিং এবং সোয়াইপিং নিশ্চিত করবে। এর পাশাপাশি আপনি যদি আগে থেকেই ম্যাকবুক প্রো ইউজার হয়ে থাকেন তো এর ট্র্যাকপ্যাডের বিভিন্ন Gesture সম্পর্কে তো জানা আছেই। তো এই ট্র্যাকপ্যাডে আপনি স্মুথলি যেকোন Gesture ব্যবহার করতে পারবেন।

ডিসপ্লে

এবার দেখে নেয়া যাক ম্যাকবুক প্রো এর ডিসপ্লে স্পেসিফিকেশন। ম্যাকবুক প্রো ২০২০ মডেলের এই ডিসপ্লে তে রয়েছে,

  • 3-ইঞ্চি (তির্যক) LED- ব্যাকলিট IPS প্রযুক্তির ডিসপ্লে
  • ৫০০ nits ব্রাইটনেস
  • True Tone Technology
  • 2560-বাই -1600 নেটিভ রেজুলেশন 227 ppi

সুতরাং, ম্যাকবুক প্রো এর রেটিনা ডিসপ্লে সব ধরনের কালার নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলে আপনার ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্সকে আরো রিয়েলিস্টিক করে তুলবে।

সাউন্ড/স্পিকার

ম্যাকবুক প্রো তে আছে হাই ডাইনামিক রেঞ্জ স্টেরিও স্পিকারস যা আপনাকে দিবে প্রিমিয়াম অডিও সাউন্ড কোয়ালিটি।

সাথে পাচ্ছেন ডলবি এট্মোস্ফিয়ার প্লেব্যাক সাপোর্ট সহ স্টুডিও কোয়ালিটি থ্রি মাইক এরে directional beamforming যুক্ত আছে।

ব্যাটারি এবং পাওয়ার

ইন ল্যাব টেস্টে ম্যাকবুক প্রো এর একটানা ২২ ঘন্টা রান টাইম রেকর্ড করা হয়েছে যা নিঃসন্দেহে অন্য ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ থেকে অনেক বেশি।

সাধারণ ল্যাপটপ যেখানে সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘন্টা ব্রেকলেস পারফর্মেন্স প্রদানে সক্ষম সেখানে ম্যাকবুক প্রো ব্যবহার করে আপনি একটানা

  • ১৭ ঘন্টা পর্যন্ত ওয়্যারলেস ওয়েব
  • ২০ ঘন্টা পর্যন্ত অ্যাপল টিভি অ্যাপ মুভি প্লেব্যাক

এর বিল্ট ইন 58.2-watt-hour লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারির সাথে আছে 61W USB C পাওয়ার এডাপ্টার। যা আপনাকে দিবে ফাস্ট চার্জিং এর নিশ্চয়তা।

সুতরাং আপনি জাস্ট একবার চার্জ দিয়েই সারাদিন নিশ্চিন্তে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

এক নজরে অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ফুল কনফিগারেশন

Model MacBook Pro (13-inch M1 2020)
Release Date May, 2020
Dimension 15.60 x 304.10 x 212.40 mm
Weight (KG) 1.4 KG
Colors Silver, Space Grey
Operating System macOS
Display ·         13.30-inch retina display

·         1600×2560 pixels resolution

·         Touchscreen

·         500 nits’ brightness

·         Wide color (P3)

·         True Tone technology

Processor Apple M1 Chip
RAM 8 GB
Expandable RAM 16 GB
Graphics
SSD 256 GB configurable to 512 GB, 1 TB, 2 TB
Wi fi 802.11ax Wi-Fi 6 wireless networking

IEEE 802.11a/b/g/n/ac compatible

Bluetooth version Bluetooth 5.0 wireless technology
Web camera 720p FaceTime HD camera
Fingerprint sensor Yes
USB ports Two Thunderbolt / USB 4 ports

 

অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ২০২০ ভ্যারিয়েন্টস

যেহেতু প্রতিবছরই অ্যাপল ডিভাইসগুলোর নতুন মডেল বের করে থাকে। কখনো আবার একইসাথে একটি ডিভাইসের কয়েকটি ভ্যারিয়েন্টস মার্কেটে ছেড়ে থাকে।

সে হিসেবে ২০২০ সালে অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো এর মোট ৩ টি ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আসে। এগুলো হলো,

  • MacBook Pro (13-inch, M1, 2020)
  • MacBook Pro (13-inch, 2020, Two Thunderbolt 3 ports)
  • MacBook Pro (13-inch, 2020, Four Thunderbolt 3 ports)

এর মধ্যে প্রথম টি হলো M1 chip ইনক্লুডেড এবং বাকি দুই ভ্যারিয়েন্টে Intel Core i5 প্রসেসর যুক্ত করা হয়েছে।

MacBook Pro (13-inch, 2020, Two Thunderbolt 3 ports) তে আছে 1.4GHz quad-core 8th‑generation Intel Core i5 যা আপনি 1.7GHz quad-core 8th‑generation Intel Core i7 তে আপগ্রেড করতে পারবেন।

এছাড়াও এর ২৫৬ জিবি SSD আপ টু ২ TB পর্যন্ত কনফিগারেবল। গ্রাফিক্স Intel Iris Plus Graphics 645।

অন্যদিকে, MacBook Pro (13-inch, 2020, Four Thunderbolt 3 ports) এই ভ্যারিয়েন্টটিতে রয়েছে 2.0GHz quad‑core 10th‑generation Intel Core i5 প্রসেসর যা আপনি চাইলে 2.3GHz quad‑core 10th‑generation Intel Core i7 কনফিগার করতে পারেন।

সেই সাথে এতে সংযুক্ত SSD টি আপ টু 4 TB পর্যন্ত কনফিগারেবল এবং এতে সংযুক্ত গ্রাফিক্সটি হলো Intel Iris Plus Graphics।

তো সব মিলিয়ে ম্যাকবুক প্রো এর এই তিনটি ভ্যারিয়েন্টস ২০২০ সালে মার্কেটে আসে। তবে এর মধ্যে M1 chip টা সর্বাধিক বিক্রির তালিকায় প্রথম স্থানে আছে।

ম্যাকবুক প্রো প্রাইস

দেখতে দেখতে আমরা আলোচনার একদম দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছি। ইতোমধ্যেই আমরা ম্যাকবুক প্রো M1 এর আদ্যপান্ত বিশ্লেষণ করে ফেলেছি। এখন বাকি শুধু প্রাইসিং।

তো চলুন দেখে নেয়া যাক বাংলাদেশে অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো এর মূল্য কেমন কি।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো হাই রেঞ্জ ল্যাপটপগুলোর মধ্যে একটি। তবে পারফর্মেন্স এর দিক দিয়ে বিবেচনা করলে দিজ ইজ দ্য বেস্ট ভ্যালু ল্যাপটপ ইউ ক্যান বাই।

যেহেতু আমরা ম্যাকবুক প্রো ২০২০ এর ১৩ ইঞ্চি মডেল টি নিয়ে আলোচনা করেছি, এ মডেলের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট এর বাংলাদেশী মূল্য যথাক্রমে নিচে উল্লেখ করা হলো।

MacBook Pro (13-inch, M1, 2020) – ১,৩৫,৯০০/=

MacBook Pro (13-inch, 2020, Two Thunderbolt 3 ports) – ১,১৫,৯০০/=

MacBook Pro (13-inch, 2020, Four Thunderbolt 3 ports) – ১,৫৫,০০০/=

এছাড়া আপনি যদি ম্যাকবুক প্রো এর অন্য মডেলগুলো যেমনঃ ১৬ ইঞ্চি ভ্যারিয়েন্টস গুলো নিতে চান তো বাজেট ২ লাখ এর উপর রাখতে হবে।

পরিশেষে, যদি আপনি বাজেটের মধ্যে অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো কিনতে চান তো আমাদের সাজেশন থাকবে ১৩.৩ ইঞ্চি M1 Chip সম্বলিত মডেলটি। এর মাধ্যমে আপনি অ্যাপল উদ্ভাবিত সম্পূর্ন নতুন হাই পারফর্মেন্স প্রসেসরের স্বাদ নিতে পারবেন এবং এটি যে কোন ব্যবহারের জন্য খুবই পারফেক্ট একটি ডিভাইস।

The post অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ২০২০ রিভিউ appeared first on Trickbd.com.


ব্লগের এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার তৈরি

ব্লগের এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার তৈরি

এসইও’র জন্য পার্মালিংক (URL) বা লিংক স্ট্রাকচার খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার রাঙ্কিং এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সতরাং লিংক স্ট্রাকচার সবসময় এসইও বান্ধব হওয়া উত্তম। ধরেন আপনি এসইও নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখবেন তাহলে, আপনার ব্লগের লিঙ্ক হওয়া উচিত কোনটি?

  • yourdomin.com/ned54df48g718?p=33

অথবা 

  • yourdomain.com/website-on-page-seo-tips

কোন পার্মালিনক টা আপনার কাছে সহজ মনে হয়? 

অবশ্যই দ্বিতীয়টা আপনার কাছে সহজবোধ্য মনে হওয়ার কথা! দ্বিতীয় পার্মালিংকটা দেখার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন, এখানে এসইও নিয়ে কোন কিছু বলা হয়েছে। কিন্তু প্রথমটা হ-য-ব-র-ল অর্থাৎ বিশৃংখলা ভাবে দেওয়া আছে। তাই আপনি বুঝতে পারবেন না এখানে কি বিষয়ে লেখা আছে।

গুগল সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটর এর কাছে দ্বিতীয় লিঙ্গ স্ট্রাকচারটা সহজ মনে হবে। সুতরাং আপনি যখন কোন ওয়েবসাইটের পেইজ, ক্যাটাগরির পোষ্ট এর পার্মালিনক দিবেন, অবশ্যই অর্থবোধক কিওয়ার্ড দিবেন। যাতে গুগল সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটররা খুব সহজেই বুঝতে পারে। নিজে এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার তৈরি করা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

এসইওর লিংক স্ট্রাকচার তৈরি করার কিছু টিপস:

১।  কোন পোষ্টের লিঙ্ক এ অবশ্যই আপনার টার্গেট বা ফোকাস কিওয়ার্ড রাখুন।

২।  পেজ বা ক্যাটাগরি লিংকে নাম দেয়ার সময় হাইফেন ( – ) ব্যবহার করুন। অবশ্যই বা ক্যাটাগরি নাম অনুযায়ী লিংক দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৩। ওয়েবসাইটের লিংকে ( _, !, (), @,$ ) এই ধরনের অক্ষর ব্যবহার করবেন না। কারন গুগল সার্চ ইন্জিন সাধারণত এই ধরনের অক্ষর ইনডেক্স করে না।

৪। ক্যাটাগরি বা পেজের নাম দেয়ার সময় ( a,in,of,to ) এমন অক্ষর গুলো ব্যবহার করবেন না। কারণ এগুলোকে সার্চ ইন্জিন সাধারণত “Skipping Word” বলে।

৫। আপনার ওয়েবসাইটের পোস্টগুলোর লিংক 75 ওয়ার্ড এর নিচে দেওয়ার চেষ্টা করুন। সার্চ ইঞ্জিনগুলা এটাই করতে বলে।

এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার তৈরী করবেনঃ

আমি সাধারণত দুইটি উপায় এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক ইনস্ট্রাক্টর তৈরি করা দেখাব। ১. WordPress ২. Blogger. নিচে ওয়েবসাইটের এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার তৈরি করা দেখানো হলো:

WordPress এর ক্ষেত্রে: WordPress ওয়েবসাইটের লিংক স্ট্রাকচার পরিবর্তন করা খুব সহজ। WordPress আপনার ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড  যান। তারপর সেখান থাকে Settings গিয়ে Permalink এ ক্লিক করে। Permalink Settings এ পার্মালিংক হিসাবে “Post name: yourdomin .com/sample-post/” সিলেক্ট করে দিন save করে দেন।  তাহলেই আপনার কাজ শেষ। আমার এত্তোক্ষণের  বকবকানি না বুঝলে, নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করুন। তাহলেই বুঝবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস পোস্টের ক্ষেত্রে পার্মালিংক: আপনার ওয়েবসাইট যদি ইংলিশ কনটেন্টে হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই পার্মালিংক এ আপনার ফোকাস কিওয়ার্ডটি রাখেন। পার্মালিনক 75 ওয়ার্ডের কম রাখার চেষ্টা করুন। ওয়েবসাইটের ক্যাটাগরি বা পেইজের নাম যদি বাংলাতে দেন। অবশ্যই ক্যাটাগরি বা পেইজের পার্মালিনক ইংলিশ দিবেন।

আর যদি আমার মত বাংলা কন্টেনের ওয়েবসাইট হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই পার্মালিনক ইংলিশ দেওয়ার চেষ্টা করুন। কারণ বাংলা পার্মালিনক দিলে হ-য-ব-র-ল অর্থাৎ বিশৃংখলা হয়ে যায়। নিজে চিত্রটি লক্ষ করুন, এখানে আমার ওয়েবসাইটের বাংলা কনটেন্ট এ ইংলিশ পার্মালিংক দিয়েছি।

Blogger এর ক্ষেত্রে পার্মালিংক: যদি আপনার সাইটি ব্লগার দিয়ে তৈরি  হয়ে থাকে, তাহলে আপনি কোন কন্টেন্ট পাবলিশ করার সময়, কন্টেন্ট এর ভিতরে ডান পাশে পার্মালিংক এ ক্লিক করে কাস্টমে ক্লিক করুন। এখানে আপনি এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক দিবেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ব্লগারের ক্ষেত্রে পোস্ট পাবলিস্ট করা থাকলে আপনি অংশটা খুঁজে পাবেন না। পোস্ট  draft এ হলে আপনি খুঁজে পাবেন।

শেষ কথা: 

আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করেছি ব্লগের এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার তৈরি নিয়ে। এটা অন পেজ এসইও একটি শাখা। আপনি হয়তো জানেন না অন পেজ এসইও এর মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইট গুগোল টপ রেংকিং আনতে পারেন। অনপেজ এসইও করে গুগোল টপ রাংকিং আনতে চাইলে এই আর্টিকেলটি পড়ুন “অন পেজ এসইও করে ওয়েবসাইট গুগোল রেংকিং 100% গ্যারান্টি“

আমি হচ্ছি শরিফুল ইসলাম। গত তিন বছর ধরে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ওয়ার্ডপ্রেস এবং এসইও বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতেছি। গুগলে আমাকে websoriful নামে খুঁজে পাবেন। অনলাইন ইনকাম , ডিজিটাল মার্কেটিং, ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানতে চাইলে আমার ওয়েবসাইট দেখতে পারেন। কোন প্রশ্ন থাকলে পোস্ট এ কমেন্ট করতে পারেন।

আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন। ভুল-ত্রুটি মার্জনীয়। সবাইকে ধন্যবাদ।

The post ব্লগের এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার তৈরি appeared first on Trickbd.com.


Thursday, January 13, 2022

আমি যেভাবে উয়েবসইট SEO করে গুগল প্রথম পৃষ্ঠায় আনি

আমি যেভাবে উয়েবসইট SEO করে গুগল প্রথম পৃষ্ঠায় আনি

আমি কিভাবে এসইও করি, তা সংক্ষেপে তুলে ধরলাম।

আমরা বাঙ্গালী, স্বভাবগতই অলস প্রকৃতির। আমরা সব কিছুতেই সর্টকাট খুজি, এমন কি সফলতারও সর্টকাট খুজি। কিন্তু কি-বোর্ডের সর্টকাট এর মাধ্যমেও সফলতা সম্ভব।

ইনশাআল্লাহ আমি কি-বোর্ডের সর্টকাট দিয়েই সফলতা পেয়েছি। প্রথমত আমি একজন প্রফেশনাল ফ্রিলান্সার। ফ্রিল্যাসিং মার্কেটপ্লেস WordPress এবং SEO বিশেষজ্ঞ হিসেবে ৩ বছর থেকে আজ করতেছি

এছাড়াও ব্লগার হিসেবে আমি আমার উয়েবসইট এ অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে ধারনা দেওয়া চেষ্টা করতেছি। আমার ব্যান্ডিং নাম websoriful

অনেক নতুন ব্লগার ভাইয়েরা ইদানিং দেখছি আপনারা হতাস হয়ে ফেজবুকে পোস্ট করেন। কেউ কেউ পোস্ট করেছেন–

বিভিন্ন কারনে এডসেন্স এপরুভ পাচ্ছেন না, কিওয়ার্ড যাচাই-বাচাই. কন্টেন্ট ইনডেক্স হচ্ছে না, এফিলিয়েট সাইট র‌্যাংক হচ্ছে না, ফাইবারে ২ বছর যাবৎ লেগে আছেন তবুও কাজ পাচ্ছেন না, পেলেও সঠিক স্কিল এর অভাবে কেউবা কাজ হারাচ্ছেন ইত্যাদি।

সব কিছুর মূলে বলবো আপনাদের সঠিক ভাবে স্কিল ডেভলপ করুন। প্রচুর প্রাকটিস করুন। বিশেষ ভাবে বলবো SEO ভাল ভাবে আয়ত্ব করুন।

কারন SEO ছাড়া আপনি ব্লগিংয়ে কোথাও সফল হতে পাবেন বলে আমার মনে হয় না। SEO এমন কিছু যা সঠিক ভাবে আয়ত্ব করতে পারলে সফলতার স্বর্ণ শিখরে আরোহন করা সম্ভব।

এখন চলুন এসইও বিষয়ে কিছু জেনে নেয়া যাক।

এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেটির মাধ্যমে যেকোন ওয়েব পেজ শত শত কিওয়ার্ডের জন্যে সার্চ ইঞ্জিনে টপে জায়গা নিয়ে থাকে, যাকে আমরা র‌্যাংক বলে থাকি।

আপনাদের মনে এখন প্রশ্ন হতে পারে,

এসইও কি ?

এসইও এর পূর্ণরূপ হচ্ছে “সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন”। সহজ কথায় আমরা যখন গুগল এ কোন কিছু লিখে সার্চ দিই, তখন গুগল কতগুলো রেজাল্ট দেখায়। সেখান থেকে আমরা আমাদের পছন্দমত লিংকে ক্লিক করে আমার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটে ভিজিট করে আমাদের দরকারি তথ্য খুঁজে পাই। আর যেই কারণে গুগল কিংবা কোন সার্চ ইঞ্জিন ওই রেজাল্টগুলো দেখায়, সেই কারণ কিংবা পদ্ধতিকে বলা হয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।

আপনাদের মনে আরেকটা প্রশ্ন আসতে পারে তা হলো

এসইও কেন দরকার ?

মনে করুন, আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে, যেখানে আপনি *”মেয়েদের থ্রি-পিস কাপড় বিক্রি করেন। এখন আপনি অবশ্যই চাইবেন যে গুগলে কেউ যখন বিবাহিত নারীদের থ্রি-পিস লিখে সার্চ দিবে তখন যেন গুগলে আপনার ওয়েবসাইটকেই প্রথমে দেখায়। তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের লিংকে ক্রেতারা এসে আপনার পণ্যটি কিনবে।

এখন এইযে পুরো প্রক্রিয়া যেটার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল “মেয়েদের থ্রি-পিস” এই কিওয়ার্ডের জন্যে দেখাবে সেটাই আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভাষায় এসইও বলে থাকি।

এসইও’র এর মৌলিক বিষয় কি কি ?

SEO এর মৌলিক বিষয়গুলো আমি সাধারণত ৫ টি ধাপে বিভক্ত করেছি। নিচে তা দেওয়া হলো:

  1. কম্পিটিটর এনালাইসিস
  2. কিওয়ার্ড রিসার্চ
  3. ব্যাকলিংক
  4. ভিজিটর এনালাইটিক্স
  5. সার্চ ইঞ্জিন রোবোট

১. কম্পিটিটর এনালাইসিস:-

প্রথমে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের এনালাইসিস করতে হবে। কারন আপনাকে তো আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলেই গুগল সার্চ এ প্রথম স্থান অর্জন করতে হবে। তাই কম্পিটিটর এনালাইসিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কম্পিটিটর এনালাইসিস করার জন্য আপনার যে কাজগুলো করতে হবে তা নিচে দেওয়া হলো:

  • Content Quantity,
  • Focus Keyword,
  • LSI Keyword,
  • Backlink,
  • DA/PA etc.

আপনার উয়েবসইট এ এই কাজ গুলো আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে ভালোভাবে করতে হবে

২. কিওয়ার্ড রিসার্চ:-

প্রথমে আপনার টার্গেট কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে হবে। কিওয়ার্ড রিসার্চ এর সময় সার্চ ভলিয়ম ইত্যাদি আরো অনেক কিছু দেখতে হবে। আপনার টার্গেট কিওয়ার্ড দিয়ে বর্তমানে কারা গুগল প্রথম পৃষ্ঠায় আছে, এগুলো খুঁজে বের করে তাদেরকে পেছনে ফেলতে হবে।

  • Keyword search volume,
  • Keyword difficulty,
  • keyword quantity,
  • LSI Keyword,
  • KGR Keyword etc.

৩. ব্যাকলিংক:-

উয়েবসইট রেংকিং এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আগে তার যত বেশি ব্যাকলিংক হত, গুগল রেংকিং এ সে তত এগিয়ে থাকতো। তবে বর্তমানে এমনটা নাই। তবে এখনো কোয়ালিটি ব্যাকলিংক এর গুরুত্ব অনেক বেশি।

নিচে ব্যাকলিংক এর কিছু প্রকারভেদ দেওয়া হলো:

  • Anchor Text,
  • Blog Comment,
  • Forum Posting,
  • Guest Posting,
  • Profile Backlink,
  • Social Bookmarking,
  • Web 2.0 etc.

৪. ভিজিটর এনালাইটিক্স:-

  • Find Search Engine,
  • Detect Keyword,
  • Visitor Bounce Rate,
  • Visitor Time Spend etc.

৫. সার্চ ইন্জিন রোবোট:-

  • ক্রলার,
  • ইনডেক্সার,
  • স্পাইডার

এসইও’র প্রকার ভেদ:-

এসইও এর ভালো খারাপ প্রকারভেদ হিসেবে এসইওকে ৩ভাগে ভাগ করা হয়। নিচে তা দেওয়া হলো:

  • ক. ব্ল্যাক হ্যাট এসইও
  • খ. গ্রে হ্যাট এসইও এবং
  • গ. হোয়াইট হ্যাট এসইও

ক. ব্ল্যাক হ্যাট:-

অবৈধ পন্থায় সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসাকে বলা হয় ব্ল্যাক হ্যাট এসইও। আপনি জানলে অবাক হবেন কারন, ব্ল্যাক হ্যাট টেকনিক ফলো করেও যেকোনো ওয়েবসাইটে র‌্যাংকে নিয়ে আসা সম্ভব।

যদি আপনি এই ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করে ভিজিটর আনতে চান। তাহলে আপনাকে যে কাজগুলো করতে হবে,

  • * কিওয়ার্ড স্টাফিং
  • * ক্লিকবেট টাইটেল
  • * অজস্র ব্যাকলিং

খ. গ্রে হ্যাট এসইও:-

এসইও সেক্টরে ভালো এবং খারাপের মাঝামাঝি যে নিয়ম আছে, তাকে বলা হয় গ্রে হ্যাট এসইও। বেশিরভাগ ব্লগার বা এসইও এক্সপার্টরা এই গ্রে হ্যাট এসইওকে পছন্দ করে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, “গ্রে হ্যাট এসইও এর কোনো সাইড ইফেক্ট নেই?”

হুমম, গ্রে হ্যাট টেকনিকেরও ব্যাপক সাইড ইফেক্ট রয়েছে। তবে একটা কথা আছেনা, “চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা, যদি না পড়ো ধরা”।

গ. হোয়াইট হ্যাট এসইও:-

এসইও এর যতো টেকনিক আছে, তার মধ্যেও সবচেয়ে Safe এবং legal হলো হোয়াইট হ্যাট এসইও। আর আপনি যখন হোয়াইট হ্যাটের সবগুলো টেকনিক সম্পর্কে বুঝতে পারবেন। তখন আপনিও নিজেকে একজন এসইও এক্সপার্ট হিসেবে দাবী করতে পারবেন।

আমি উয়েবসইট এ কিভাবে এসইও করবো:-

আপনি আপনার উয়েবসইট এ সাধারণত দুভাবে SEO করতে পারবেন। নিচে তা দেওয়া হলো:

  • ক. অর্গানিক এসইও এবং
  • খ. পেইড এসইও।

ক. অর্গানিক এসইও:-

যখন আপনি বিভিন্ন টেকনিক অবলম্বন করে সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসবেন। তখন ভিজিটর নিয়ে আসার সেই উপায়কে বলা হয় অর্গানিক এসইও।

খ. পেইড এসইও :-

আপনি পেইড এসইও করার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকেন। তাহলে আপনাকে বিপুল পরিমানে অর্থ ব্যয় করতে হবে।

অর্গানিক এসইও’র প্রকারভেদ:-

  1. ক. অন পেজ এসইও
  2. খ. অফ পেজ এসইও
  3. গ. টেকনিক্যাল এসইও

ক. অন পেজ এসইও:-

অনপেজ এসইও করার জন্য আপনাকে যে কাজগুলো করতে হবে তা হচ্ছে—

  • Title optimize,
  • Meta tag,
  • Optimise Description,
  • SEO Friendly Content,
  • Keyword research,
  • Keyword placement,
  • LSI keywords,
  • Content Longer,
  • Tag,
  • Category,
  • Menu placement,
  • Https,
  • SSL Certificate,
  • Robots.txt etc.

খ. অফ পেজ এসইও:-

অফপেজ এসইও করার জন্য কোন টেকনিক গুলো ফলো করবেন.

  • Anchor Text,
  • Blog Comment,
  • Forum Posting,
  • Guest Posting,
  • Profile Backlink,
  • Social Bookmarking,
  • Web 2.0 etc.

**গ. টেকনিক্যাল এসইও:- **

এমন কিছু বিষয় রয়েছে৷ যেগুলো টেকনিক্যাল এসইও এর আওতায় পড়ে। বিষয়গুলো হলো..

  • Sitemap & Robots.txt file upload,
  • Crawler error fixing,
  • Duplicate content,
  • 301 redirects,
  • URL structure,
  • SSL certificate,
  • Website structure & Design,
  • Page Loading speed,
  • Mobile Usability etc.

৭. এসইও করার টুলস:-

অনলাইনে SEO করার জন্য ২ ধরনের টুলস পাবেন।

  • ক. পেইড টুলস
  • খ. ফ্রী টুলস

ক. পেইড টুলসের কি কি:-

এই টুলস গুলোর কোনো ফ্রি ভার্সন নাই। তাই আপনাকে তাদের সার্ভিস কিনে ব্যবহার করতে হবে।

  • SEO Spider,
  • Ahrefs,
  • SEMrush,
  • Moz Pro,
  • KWFinder,
  • Searchmetrics,
  • Yoast SEO etc.

খ. ফ্রি টুলস কি কি:-

নিচের SEO টুলস গুলোর সাথে আপনি আপনার উয়েবসইট এর SEO এর জন্য কাজ করতে পারবেন। তাদের ফ্রি ভার্সন আছে আবার পেইড ভার্সনও আছে।

  • Google Analytics,
  • Google Trands,
  • Search Console,
  • Keyword Hero,
  • Screaming Frog,
  • SEOlyzer,
  • Answer The Public,
  • Keyword Planner,
  • Keyword Surfer,
  • Ubersuggest etc.

এ পর্যন্ত যা লিখছি তা আমার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত। সময় স্বল্পতার কারনে সংক্ষেপে লিখলাম। আশা করছি নতুনদের জন্য উপকারী হবে। ভুল-ত্রটি মার্জনীয়।

SEO বা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমার উয়েবসইট ভিজিট করুন। ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ

The post আমি যেভাবে উয়েবসইট SEO করে গুগল প্রথম পৃষ্ঠায় আনি appeared first on Trickbd.com.


Tuesday, January 11, 2022

যেকোনো ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগিন ফ্রিতে ডাউনলোড করুন ভাইরাস ছাড়া জিপিএল লাইসেন্স

যেকোনো ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগিন ফ্রিতে ডাউনলোড করুন ভাইরাস ছাড়া জিপিএল লাইসেন্স

ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন: ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress.org) হল একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS)। যেহেতু এটি একটি ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক। আপনি WordPress.org থেকে বিনামূল্যে যেকোনো থিম এবং প্লাগইন ডাউনলোড করতে পারেন। 

যাইহোক, কিছু থার্ড-পার্টি কোম্পানি, যেমন থিমফরেস্ট, আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগইন অফার করে। কিন্তু এর জন্য আপনাকে মূল্য দিতে হবে। যেহেতু ওয়ার্ডপ্রেসের সমস্ত থিম এবং প্লাগইন জিপিএল লাইসেন্সের অধীনে। তাই আপনি যেকোন প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন এর জন্য অর্থ প্রদান ছাড়াই ব্যবহার করতে পারেন। এটা সম্পূর্ণ আইনি। 

তবে আমি অবশ্যই থিম এবং প্লাগইন লেখকদের অর্থ প্রদানের বিষয়ে কথা বলব। কারণ এই সফটওয়্যারগুলো তৈরি করতে তারা অনেক পরিশ্রম করে। তারা কিছু টাকা প্রাপ্য. এবং আপনি যদি একটি প্রিমিয়াম থিম কিনে থাকেন তবে আপনি থিম এবং প্লাগইন লেখকের কাছ থেকে আপডেট এবং সমর্থন পাবেন।

যেহেতু সমস্ত ডাউনলোড ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন ফ্রি থিম এবং ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগইন জিপিএল লাইসেন্সের অধীনে। এই কারণেই অনেক থার্ড পার্টি কোম্পানি জিপিএল লাইসেন্সের অধীনে খুব দামি থিম এবং প্লাগইন কম দামে বিক্রি করে। এবং অনেকেই এগুলো বিনামূল্যে প্রদান করে থাকে।

আমি আপনাকে একটি কোম্পানির সাথে পরিচয় করিয়ে দেব যেটি বিনামূল্যে প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন প্রদান করে। আপনি জিপিএল লাইসেন্সের অধীনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাদের থেকে যেকোনো সফ্টওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন

আমি কিভাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন ডাউনলোড করতে পারি?

যেহেতু সমস্ত ডাউনলোড ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন ফ্রি থিম এবং ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগইন জিপিএল লাইসেন্সের অধীনে। এই কারণেই অনেক থার্ড পার্টি কোম্পানি জিপিএল লাইসেন্সের অধীনে খুব দামি থিম এবং প্লাগইন কম দামে বিক্রি করে। এবং অনেকেই এগুলো বিনামূল্যে প্রদান করে থাকে।

আমি আপনাকে একটি কোম্পানির সাথে পরিচয় করিয়ে দেব যেটি বিনামূল্যে প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন প্রদান করে। আপনি জিপিএল লাইসেন্সের অধীনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাদের থেকে যেকোনো সফ্টওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন

কেন ওয়াডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগিন ফ্রিতে দিবে?

এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন কেউ আপনাকে ফ্রিতে ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগিন দিবে না। অবশ্যই কোন উদ্দেশ্য থাকে| অনেক ওয়েবসাইট আপনাকে ফ্রিতে ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম দেয়ার মাধ্যমে থিম এর ভিতরে ভাইরাস প্রবেশ করিয়ে আপনাকে দিবে। আপনি এটা আপনার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না।

আবার অনেকেই আছে আপনাকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগিন দিবে। তারা আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দিবে। অবশ্যই তাদের ওয়েবসাইট লক্ষ্য করলে দেখবেন, তাদের ওয়েবসাইটে ads বসানো আছে, তারা এর থেকে ইনকাম করে।

আমি কিভাবে বিনামূল্যে ডাউনলোড করব?

আপনি যদি জিপিএ লাইসেন্সের অধীনে ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন ডাউনলোড করতে চান তবে আপনাকে তাদের ওয়েবসাইট দেখতে হবে। আমি অবশ্যই আপনাদের একটি বিশ্বাস্য ওয়েবসাইট দিব, এই ওয়েবসাইট থেকে থিম এবং প্লাগিনে কোন ভাইরাস খুঁজে পাবেন না।

সম্পূর্ণ বিনামূল্যের ভাইরাস-মুক্ত GPL লাইসেন্স থিম প্লাগইন ডাউনলোড করতে ভিজিট করুন

 আমি একটি প্রিমিয়াম থিম প্লাগইন আমি খুঁজছি, আমি তাদের ওয়েবসাইটে খুঁজে পাচ্ছি না

আপনার চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনি তাদের থেকে যেকোনো প্রিমিয়াম থিম  প্লাগইনের চেয়ে বিনামূল্যে অনুরোধ করতে পারেন। 

আপনি ফর্মটি পূরণ করুন এবং অপেক্ষা করুন। খুব দ্রুত ভাইরাস-মুক্ত প্রিমিয়াম থিম বা প্লাগইন আপনাকে আপনার ইমেল বা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পাঠাবে।

এছাড়াও তাদের ওয়েবসাইটে কোন একটি পোস্টে এ কমেন্ট করার মাধ্যমে পেতে পারেন

কিভাবে ফর্ম পূরণ করবেন?

নিচের ছবিটি দেখুন। তারা আপনার কাছ থেকে আপনার নাম এবং ইমেল ঠিকানা সহ কিছু তথ্য চায়৷ আপনি এগুলি পূরণ করুন এবং অপেক্ষা করুন

আমি কি আমার ব্যবসার ওয়েবসাইটে এই প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইনগুলি ব্যবহার করতে পারি?

হ্যাঁ আপনি আপনার ব্যবসার ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে কোনো অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। তবে, আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হওয়া থিম প্লাগইনটির আপডেট হওয়া সংস্করণ পাবেন না। এর জন্য আপনাকে সেই থিম প্লাগিনের লাইসেন্স কিনতে হবে

আমি কি একটি থিম অনেক ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারি?

হ্যাঁ আপনি এই GPL লাইসেন্সের অধীনে আপনার একাধিক ওয়েবসাইটে যে কোনো প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে এর জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে না।

তাহলে আমি কিভাবে এই থিম এবং প্লাগইন আপডেট করব?

এই ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন GPL লাইসেন্সের অধীনে বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। তাই আপনাকে ম্যানুয়ালি থিম প্লাগইন আপডেট করতে হবে।

যদি একটি ওয়ার্ডপ্রেস থিম প্লাগইন আপডেট করা হয়েছে। তারপর তাদের ওয়েবসাইটে তাদের ফর্ম পূরণ করতে ভুলবেন না এবং আপডেট সংস্করণের জন্য জিজ্ঞাসা করুন। তারা আপনাকে একটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আপডেট সংস্করণ প্রদান করবে। এবং আপনি আবার আপলোড. সত্যি বলতে, আপনি সহজেই এগুলি বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারেন

এই থিম বা প্লাগইন কোন ভাইরাস আছে?

না আমি তাদের কাছ থেকে প্রচুর প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগইন নিয়েছি এবং আমার বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ব্যবহার করেছি। আমি এখনও কোন ভাইরাস খুঁজে পাইনি. আপনি আপনার ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহার করার আগে, অবশ্যই, আপনি ভাইরাস টোটাল সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে ভাইরাস পরীক্ষা করতে পারেন ।

ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন বিনামূল্যে

ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগইন বিনামূল্যে ডাউনলোড করুন

আশা করি কন্টেন্টটি আপনাদের ভালো লাগবে, ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করবেন

কোন প্রশ্ন বা পরামর্শে ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন

The post যেকোনো ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগিন ফ্রিতে ডাউনলোড করুন ভাইরাস ছাড়া জিপিএল লাইসেন্স appeared first on Trickbd.com.


Monday, January 10, 2022

টেলিগ্রামের দরকারি কিছু ফিচার

টেলিগ্রামের দরকারি কিছু ফিচার

 

আসসালামু আলাইকুম।তো সবাই কেমন আছেন?আশা করি আল্লাহর রহমতে অনেক অনেক ভালো আছেন।আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ্ আমিও অনেক ভালো আছি।


আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি টেলিগ্রাম এর কিছু দরকারী টিপস।অনেকেই জানেন এই ফিচারস গুলো সমন্ধে।যারা জানেন না তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট।


টেলিগ্রাম মেসেজ এডিট

আমরা অনেকেই টেলিগ্রাম ইউজ করে মেসেজিং করি।আমরা যদি কাউকে ভুল করে মেসেজ দিয়ে ফেলি কিংবা মেসেজে কোনো শব্দের বানান ভুল থাকে,তখন সেটি ডিলেট না করেই আমরা মেসেজটি এডিট করতে পারি।মেসেজ এডিট করতে হলে প্রথমে সেন্ড করা মেসেজটি ক্লিক করে ধরে সিলেক্ট করুন।

তারপর উপরে এডিট আইকন এ ক্লিক করুন।

দেখুন আপনি যে মেসেজ টি দিয়েছেন,সেটি এডিট করার অপশন এসে গেছে।এখন আপনি ইচ্ছা মত এডিট করে সেন্ড করতে পারেন।

দেখুন মেসেজ এডিট হয়ে গেছে।কিন্তু একটি সমস্যা হলো মেসেজ এডিট করা হলে Edited লেখা দেখাবে।


পিকচার এর সাইজ না কমিয়েই সেন্ড করুন

আমরা টেলিগ্রাম এ অনেক পিকচার সেন্ড করি।কিন্তু পিকচার গুলো কম্প্রেস হয়ে সাইজ কমে যায় এবং কোয়ালিটি অনেক খারাপ হয়ে সেন্ড হয়।ফুল সাইজের পিকচার সেন্ড করতে যে পিকচার টি সেন্ড করবেন সেটি সিলেক্ট করুন।

তারপর দেখুন পাশে ৩ ডট অপশন রয়েছে।সেখানে ক্লিক করুন।

তারপর Send Without Compress এ ক্লিক করে সেন্ড করুন।


একের অধিক পিকচার গ্রুপ আকারে সেন্ড না করে আলাদা আলাদা করে সেন্ড করুন।

আমরা একসাথে অনেক পিকচার সেন্ড করি।সেগুলো একসাথে গ্রুপ আকারে সেন্ড হয়।চাইলে কিন্তু আমরা পিকচার গুলো আলাদা আলাদা করে সেন্ড করতে পারি।সেজন্য প্রথমে যেসব পিকচার সেন্ড করবেন সেগুলো সিলেক্ট করুন।

তারপর দেখুন ৩ ডট অপশন আছে।সেখানে ক্লিক করুন।

তারপর Send Without Grouping এ ক্লিক করে সেন্ড করুন।


সাইলেন্ট মেসেজ পাঠান

মেসেজ আসলে আমাদের ফোনে নোটিফিকেশন আসে।কাউকে মেসেজ দিলে তার ফোনে নোটিফিকেশন যায়।কিন্তু আমরা চাইলে নোটিফিকেশন ছাড়া মেসেজ দিতে পারি।অর্থাৎ আমরা যদি কাউকে মেসেজ দেই তবে তার ফোনে কোনো নোটিফিকেশন যাবে না।তার জন্য মেসেজ টাইপ করার পর সেন্ড বাটন এ ক্লিক করে ধরুন।

তারপর ২টা অপশন দেখতে পারবেন। সেখান থেকে Send Without Sound এ ক্লিক করে সেন্ড করে দিবেন।


সিডিউল মেসেজ

আমরা চাইলে সময় সেট করে দিয়ে মেসেজ সেন্ড করতে পারি।অর্থাৎ আজ আমরা যে ডেট/টাইম সিলেক্ট করে মেসেজ দিবো।প্রাপকের কাছে সেদিন/সে সময় উক্ত মেসেজ টি পৌঁছাবে।
সেজন্যে আমরা যে মেসেজ টি দিবো সেটি টাইপ করার পর সেন্ড বাটন এ ক্লিক করে ধরলে ২ টি অপশন আসবে।

সেখান থেকে Schedule Message এ ক্লিক করুন।তারপর সময়/তারিখ সিলেক্ট করুন।

তারপর Send On….. এ ক্লিক করুন।


টেলিগ্রাম পোল (ভোট)

ফেসবুক , মেসেঞ্জার এর মত টেলিগ্রামেও রয়েছে ভোটিং সিস্টেম(পল)। পোল ক্রিয়েট করতে প্রথমে অ্যাটাচমেন্ট আইকন এ ক্লিক করুন।

তারপর নিচে দেখুন পোল অপশন রয়েছে।সেখানে ক্লিক করুন।

তারপর আপনার ইচ্ছা মত পোল বানিয়ে উপরে দেখুন create বাটন রয়েছে।সেখানে ক্লিক করুন।

দেখুন হয়ে গেলো পোল।


কোনো ভুল – ভ্রান্তি হলে ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন।

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করুন।

The post টেলিগ্রামের দরকারি কিছু ফিচার appeared first on Trickbd.com.