Thursday, November 25, 2021

NO Spoiler ‘বাংলা মাস্টারক্লাস সিনেমা’ [পর্ব – ০৩]

NO Spoiler ‘বাংলা মাস্টারক্লাস সিনেমা’ [পর্ব – ০৩]

🔴 No Spoiler
‘বাংলা মাস্টারক্লাস সিনেমা’
পর্ব – ০৩
যাদের বাংলাদেশী সিনেমা নিয়ে এলার্জি আছে তাদের জন্য কিছু বাংলা মাস্টারক্লাস কিংবা প্রথম সারির সিনেমার লিস্ট।
লিস্টটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত,যারা নিজের দেশের সিনেমাকে জানতে আগ্রহী তারা দেখতে পারেন সিনেমাগুলো।
প্রতিটি পর্বেই দশটি করে,মোট পাঁচটি পর্বে পঞ্চাশটি দারুন ছবির খোঁজ দেয়ার প্রচেষ্টা থাকবে।বেশিরভাগ সিনেমাই ইউটিউবে আছে।

🎬— ‘চার সতীনের ঘর’
আমাদের সমাজের বেশ বড় একটা সমস্যা কে সোজাসাপ্টা সিনেমার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন পরিচালক নার্গিস আক্তার।বলা যায়,এক প্রকার জোর করেই আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এই সমস্যা কে সবসময় নারীদের দোষ হিসাবে ধরিয়ে দেয়।পারিবারিক ড্রামা জনরার ছবিটিতে চার সতীনের ভূমিকায় ছিলেন যথাক্রমে ববিতা,দিতি,ময়ূরী,শাবনূর।এই চারজনের ইমেজ,অভিনয় লেভেল অনুযায়ীই পরিচালক চুজ করেছেন।তাদের বিপরীতে ছিলেন আলমগীর,এবং ছোট বউয়ের প্রেমিক চরিত্রে মাহফুজ।
আই.এম.ডি.বি : ৬.৪/১০
ব্যক্তিগত : ৮/১০

🎬— ‘মোল্লা বাড়ির বউ’
আরেকটি কুসংস্কারের উপর বেসড করে সাজানো গল্প।সিনেমাটি শুধু দর্শক নন্দিতই নয় বরং সর্বমহলে প্রশংসিত।সালাউদ্দিন লাভলুর ভাল ভাল নাটক আমরা দেখেছি,তারই একমাত্র সিনেমা,মুক্তির বছর সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমাও।গল্পে কুসংস্কারের রেশ যে একটা পরিবার,কতগুলো সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে সেটা গল্পের লেখক এ.টি.এম শামসুজ্জামান বেশ জোরালো ভাবেই বুজিয়েছে।অসাধারন মেকিং,ঠিকঠাক ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক,এবং হাস্যরসে ভরা এই ছবিতে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছে মৌসুমী,শাবনূর,রিয়াজ,প্রান রায় এবং এ.টি.এম শামসুজ্জামান।বলা যায় দুই নায়িকা এবং নায়কের অন্যতম অভিনয় নির্ভর সিনেমাও।পুরো ছবিই আপনাকে আনন্দে রাখবে,কিন্তু শেষের টুইস্টের জন্য যেন প্রস্তুতই ছিলাম না।
আই.এম.ডি.বি : ৭/১০
ব্যক্তিগত : ৮/১০

🎬— ‘শাস্তি’
রবীন্দ্র গল্প প্রথমবারের মতো পর্দায় আসে শাস্তি সিনেমার মাধ্যমে।এর গল্পটাই অসাধারণ,তবে শাস্তি নামটা আর শেষের শাস্তিটার রেশ কাটতে আপনার বেশ সময় লাগবে।সিনেমাটা দেখার পর আমরা অনেকেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে শব্দচয়নে বেশ যত্নশীল হবো।এখন অবধি পূর্নিমার সেরা কাজ,সাথে রিয়াজ,ইলিয়াস কাঞ্চন,চম্পারও দারুন অভিনয়।ন্যাশনাল এ্যাওয়ার্ড মিলে গিয়েছিল দুখিরাম ও রাধা চরিত্রের ইলিয়াস কাঞ্চন এবং চম্পার।এই সিনেমার সবথেকে ভাললাগার দিক গল্পটা যেমনি,ঠিক তেমনি প্রেজেন্ট করা হয়েছে।
আই.এম.ডি.বি : ৭.৬/১০
ব্যক্তিগত : ৮.৫/১০

🎬— ‘শুভা’
‘শুভা’একজন বোবা মেয়ে,এই বোবা মেয়ের গল্পই লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার শুভা গল্পে।আর তার সাকসেস পর্দা উপস্থাপন করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম।এটিই আমার কাছে,শাকিব খানের একমাত্র কর্মাশিয়াল জনরার বাইরে গিয়ে অভিনয় করা সিনেমা।প্রতাপ চরিত্রে তাকে বেশ ভালই লেগেছে।শান্ত,স্থির,কথাহীন এক সুন্দরী তরুনীর ভূমিকায় পূর্নিমাও ঠিকঠাক।
আই.এম.ডি.বি : ৮.৫/১০
ব্যক্তিগত : ৭.৫/১০

🎬— ‘চন্দ্রকথা’
‘তুমি বাসো কিনা,আমি তা জানিনা।ভালবাসো কিনা,তাও আমি জানিনা।’এই গানটি আমার বেশ আগে থেকেই পছন্দ।পরবর্তীতে গানটি শুনলাম চন্দ্রকথা সিনেমায়।হুমায়ূন আহমেদ এই গল্পটাও বেশ যত্ন নিয়ে লিখেছেন,এবং এর পর্দা উপস্থাপনও বেশ ভাল।আসাদুজ্জামান নূর,শাওন,ফেরদৌস,আহমেদ রুবেল,চম্পা এরা বেশ ভালই অভিনয় করেছে।একটা সহজ-সরল গল্পকে কিভাবে এলোমেলো করে দেয়া যায় সেটা হুমায়ূন আহমেদ বেশ ভালভাবেই জানত।এই সিনেমার গানগুলো সবই বেশ পছন্দের।
আই.এম.ডি.বি : ৭.৬/১০
ব্যক্তিগত : ৮.৫/১০

🎬— ‘আগুনের পরশমনি’
যুদ্ধের প্লটে যদি দারুন গল্প,দারুন উত্তেজনার,দারুন পারিবারিক ড্রামার সিনেমা খোঁজা হয় তাহলে আগুনের পরশমনি বেস্ট,শুধু যুদ্ধেরই নয় সিনেমা হিসাবেও বেস্ট।গল্পে যুদ্ধের সময়ের একটা পরিবারের অবস্থা উঠে এসেছে,উঠে এসেছে সেই সময়ের অবস্থাও।ছবিটা যতবারই দেখেছি,ততবারই মনে হয়েছে এটা সিনেমা নয় যেন আমিই এই পরিস্থিতিতে ডুকে পড়েছি।এই ছবির নাম ছোটবেলায় মনে থাকত না,শুধু মনে থাকত একটা ছোট মেয়ে ডিমের খোসার উপর মানুষের ছবি আকঁত।সবাই যে যার চরিত্রে সেরাটা দিয়েছে।উপন্যাসের মতোই পারফেক্ট নির্মান ছিল।অভিনয় করেছিলেন,আসাদুজ্জামান নূর,বিপাশা হায়াত,শীলা আহমেদ,আবুল হায়াত,ডলি জহুর।
আই.এম.ডি.বি : ৯.১/১০
ব্যক্তিগত : ৯.৫/১০

🎬— ‘নিরন্তর’
নিরন্তর সিনেমায় শাবনূরকে যখন কাস্ট করা হয়,তখন অনেকেই বলেছিল শাবনূর এরকম অফ ট্রাক গল্পে ভাল করবে না।কিন্ত একজন প্রাইভেট পতিতার চরিত্রে শাবনূর একদম তার অচেনা রুপ দেখিয়েছে।খদ্দেরের বিছানায় সে কি কারিশাম,আবার এই মেয়েটিই সংসারে ফিরে শান্ত বহমান নদীর মতো চুপচাপ।হুমায়ূন আহমেদের অন্যসব উপন্যাসের মতো এটায় খুব আবেগ রাখেনি,তবে জীবনের যে নিষ্টুরতা,বাস্তবতা যে কারও জীবনের নরম অনুভূতি গুলো কেড়ে নেয়,সেটা সে লেখায় ভালই বুজিয়েছে।এবং সিনেমাটি বাংলাদেশ থেকে অস্কারে নমিনেশন পেয়েছিল।
আই.এম.ডি.বি : ৬.৮/১০
ব্যক্তিগত : ৭.৫/১০

🎬— ‘জয়যাত্রা’
যুদ্ধের প্লটের আরেকটা টানটান উত্তেজনার সিনেমা।একটা ছাউনি দেয়া নৌকায় কতগুলো পরিবারের সদস্যদের ঠাঁই হয়।কত ধর্ম,বর্ণ,মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে সব এক হয়ে গিয়েছিলো একটি নৌকায়।সিনেমার প্রত্যেকটা দৃশ্য জীবন্ত,দৃশ্য কথা বলে।অসাধারন এই সিনেমার গল্প লিখেছেন আমজাদ হোসন,পরিচালক ছিলেন তৌকির আহমেদ।সম্ভবত এই সিনেমায় ই এতগুলো পরিচিত মুখের একসাথে দেখা মিলেছিল।অভিনয় করেছিলেন,মাহফুজ আহমেদ,বিপাশা হায়াত,আজিজুল হাকিম,তারিক আনাম খান,আবুল হায়াত,রোমানা,চাঁদনী,শাহেদ শরীফ,ইনতেখাব দিনার,জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়,মোশাররফ করিম,নাজৃা আনোয়ার,শামস সুমন,হুমায়ুন ফরিদী।
আই.এম.ডি.বি : ৮.৩/১০
ব্যক্তিগত : ৯.৫/১০

🎬— ‘শ্যামল ছায়া’
যুদ্ধের আরেকটা ফাইনেস্ট মুভির তালিকায় থাকা একটি।জয়যাত্রার মতো এখানেও গল্প আগাবে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকায়,তবে একটু আলাদা ভাবে।এখানে কিছু ভিন্ন রঙে জীবনকে চেনা যাবে।শেষের টুইস্টটুকু সত্যিই কমপ্লিট একটা গল্পের মতো মানিয়ে দিয়েছে।অভিনয় করেছিল শাওন,আহমেদ রুবেল,রিয়াজ,তানিয়া আহমেদ,হুমায়ূন ফরিদী।
আই.এম.ডি.বি : ৮.৫/১০
ব্যক্তিগত : ৮.৫/১০

🎬— ‘কাল সকালে’
আগেই বলেছিলাম আমজাদ হোসেন মানেই কনটেন্টের গুরু।একটি গ্রাম্য সহজ-সরল,বোকা-সোকা মেয়ের যে কি পরিমান ট্রাজেডি সইতে হয় সেটা সে এই গল্পে ভালই তুলে ধরেছে।গল্পের ‘মালতী’ চরিত্রটা যেন সমাজের নিরব ধর্ষকদের অত্যাচারের প্রতীক।পুরো গল্পটাকেই একা টেনে নিয়ে গেছে শাবনূর।এবং এই সিনেমাটি চিত্রনায়িকা শাবনূরের সবথেকে প্রিয় সিনেমা।
আই.এম.ডি.বি : ৭.৪/১০
ব্যক্তিগত : ৮/১০

টু বি কন্টিনিউ. . . . .

The post NO Spoiler ‘বাংলা মাস্টারক্লাস সিনেমা’ [পর্ব – ০৩] appeared first on Trickbd.com.


NO Spoiler ‘বাংলা মাস্টারক্লাস সিনেমা’ [পর্ব – ০২]

NO Spoiler ‘বাংলা মাস্টারক্লাস সিনেমা’ [পর্ব – ০২]

🔴 No Spoiler
‘বাংলা মাস্টারক্লাস সিনেমা’
পর্ব – ০২
যাদের বাংলাদেশী সিনেমা নিয়ে এলার্জি আছে তাদের জন্য কিছু বাংলা মাস্টারক্লাস কিংবা প্রথম সারির সিনেমার লিস্ট।
লিস্টটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত,যারা নিজের দেশের সিনেমাকে জানতে আগ্রহী তারা দেখতে পারেন সিনেমাগুলো।
প্রতিটি পর্বেই দশটি করে,মোট পাঁচটি পর্বে পঞ্চাশটি দারুন ছবির খোঁজ দেয়ার প্রচেষ্টা থাকবে।বেশিরভাগ সিনেমাই ইউটিউবে আছে।

🎬— ‘ওরা এগারো জন’
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম বাংলা সিনেমা।এই সিনেমায় মুক্তিযুদ্ধের কাহিনীকে সবথেকে নিছকভাবে দেখানো হয়েছে,কেননা প্রত্যেকটা কলাকৌশলীই ছিলেন,যুদ্ধের সময়ের এবং বেশিরভাগই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।পুরো সিনেমা জুড়েই টেনশন কাজ করবে।আর চাষী নজরুল ইসলাম তার সুনিপুণ হাতে এর নির্মান করেছিলেন।অভিনয় করেছিলেন খসরু,রাজ্জাক,শাবানা,নতুন।
আই.এম.ডি.বি : ৮.৮/১০
ব্যক্তিগত : ৮.৫/১০

🎬— ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’
রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত সিনেমাটিতেই সম্ভবত আমার দেখা প্রথম বাংলা সিনেমা,যেখানে নারীর নিজস্ব একটা আইডিন্টি রয়েছে,সেটাকে পুঁজি বানিয়ে গল্প বুনেছে।সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাবানা,রাজ্জাক,বুলবুল আহমেদ।
আই.এম.ডি.বি : ৮.৮/১০
ব্যক্তিগত : ৮.৫/১০

🎬— ‘আনন্দ অশ্রু’
আমাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে,বাংলা সিনেমার প্রিয় তিনটি রোমান্টিক সিনেমার নাম বলো,তাহলে আমি আনন্দ অশ্রুর নাম নিবো।‘খসরু’ আর ‘দোলা’ র নিছক ভালবাসার সেই করুন পরিনতি নাইন্টিন কিডস থেকে শুরু করে বর্তমান জেনারেশনও পছন্দ করেছে।সম্ভবত এই সিনেমার গানগুলোই বর্তমান শিল্পীরা সবথেকে বেশি কভার করেছে এখন অবধি।এই সিনেমা না দেখলে বুজতেই পারতাম না,ক্লাস এইট/নাইনে পড়ুয়া একটা মেয়ে কতটা ম্যাচিউরড অভিনয় করতে পারে।
আই.এম.ডি.বি : ৮/১০
ব্যক্তিগত : ৮.৫/১০

🎬— ‘অবুজ হৃদয়’
এখন অবধি ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে সেরা কাজের ভেতর অন্যতম একটা কাজ মনে হয় অবুজ হৃদয় কে।মাঝেমধ্যে গল্পে প্রেমকে ছাড়িয়ে গেছে বন্ধুত্বের অনুরাগ।এই সিনেমার ‘তুমি আমার জীবন’ গানের লোকশন,কোরিওগ্রাফি তখনকার সময়ের তুলনায় বেস্ট।
সিনেমায় অসাধারণ অভিনয় করেছিল জাফর ইকবাল,ববিতা,চম্পা।
আই.এম.ডি.বি : ৬.৮/১০
ব্যক্তিগত : ৭.৫/১০

🎬— ‘মনের মাঝে তুমি’
যে সিনেমার মাধ্যমে পূর্নিমা দামী তারকা বনে যান,সেটি মনের মাঝে তুমি।ভারত-বাংলাদেশের জয়েন্ট ভেনচারের এই একটা মাত্র কাজই আমার সবসময় এগিয়ে রাখতে ভাল লাগে।মিষ্টি প্রেম আর অসাধারণ মিউজিকের সমন্বয়ে তৈরী সিনেমাটি সেরা দশ রোমান্টিক বাংলা সিনেমায় জায়গা পাবে।এই সিনেমার পরই বাংলা সিনেমায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল রিয়াজ-পূর্নিমা জুটিও।এছাড়াও একটি বিশেষ চরিত্রে ছিলেন জিশু সেনগুপ্ত।
আই.এম.ডি.বি : ৭.১/১০
ব্যক্তিগত : ৭.৫/১০

🎬— ‘বাঙ্গলা’
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটকে ঘিরে আরেকটি মাস্টারক্লাস সিনেমা।আহমেদ ছফার উপন্যাস ‘অঙ্কার’ অবলম্বনে তৈরী এই সিনেমায়,ভাষা এবং মুখের কথা যে কতটা দামী সেটা হাড়েহাড়ে টের পাওয়া যায়।আর এজন্যই আমাদের সাহসী যোদ্ধার স্বাধীনভাবে কথা বলতে যুদ্ধ করেছিলেন।সিনেমায় অসাধারণ একটা আপস এন্ড ডাউন কেমিস্ট্রি তৈরী করেছিল মাহফুজ আহমেদ ও শাবনূর।শাবনূর যে কি পরিমান ভাল অভিনেত্রী সেটা এই সিনেমা না দেখলে অনেকটাই অজানা রয়ে যাবে।শেষ দৃশ্যটার জন্য খুব খারাপ লেগেছিল।এত সুন্দর একটা গল্পের জন্য আহমেদ ছফাকে একটা বড়সড়ো ধন্যবাদ দিতেই হয়।
আই.এম.ডি.বি : পাওয়া যায়নি।
ব্যক্তিগত : ৮.৫/১০

🎬— ‘শ্রাবন মেঘের দিন’
পুরো চঞ্চলতায় ঘেরা একটা গল্প মেঘের দিনের মতো অন্ধকার হয়ে যায় শ্রাবন মেঘের দিন সিনেমায়।শাওনের করা প্রতিটি চরিত্রই ভীষন প্রিয়,তবে ‘কুসুম’ চরিত্রটার প্রতি আলাদা একটা টান আছে।অভিনয়ে কেউ কারও থেকে কম যাননি জাহিদ হাসান এবং মাহফুজ আহমেদ।যদিও এই গল্পের প্রধান চরিত্র ‘সাহানা’,যারা বইটি আগে পড়েছেন তারা সেটা বুজতে পেরেছেন আগেই। কিন্তু পর্দায় ত্রিভুজ প্রেমকে বেশি ফোকাসড করায় সিনেমায় চরিত্রটা আড়ালেই থেকে যায়।কিন্তু শাওনের থেকে এই সিনেমায় মুক্তি আরও বেশি ভাল অভিনয় করেছে।
আই.এম.ডি.বি : ৮.৫/১০
ব্যক্তিগত : ৮.৫/১০

🎬— ‘দুই দুয়ারী’
রহস্য মানবের দেখা মিলেছিল পর্দায় দুই দুয়ারী সিনেমার মাধ্যমে।একজন রহস্য মানব অদ্ভুতভাবে এক ভদ্রলোকের গাড়ির সামনে এসে পড়ে,এবং পরবর্তীতে তার বাড়িতে স্থান পায় আশ্রয় হিসাবে।রহস্য মানব,এক জোড়া তরুন-তরুনীর প্রেম দুটো বিষয় মিলিয়ে আমার কাছে দারুন ছিল।রিয়াজ,মাহফুজ বরাবরই সাহিত্য নির্ভর সিনেমায় ভাল।এই ছবিতেও তারা ভাল করেছে,আর সঙ্গে শাওন।
আই.এম.ডি.বি : ৭.৮/১০
ব্যক্তিগত : ৮/১০

🎬— ‘নয় নাম্বার বিপদ সংকেত’
হুমায়ূন আহমেদ রহস্য মানবের জন্ম দিয়ে সেটার নামও দিয়েছিল।কিন্তু রহস্য মানবীও জন্ম দিয়েছিল তবে সেভাবে নাম দেননি।এই সিনেমায় একটি বাড়িতে হাজির হয় এক অদ্ভুত তরুনী।যদিও এই সিনেমাকে হুমায়ূন স্যার নিজেই অর্থহীন বলেছিল।গল্পটা অর্থহীনই,তবে আমার দেখা এখন অবধি সেরা কমেডি ফিল্ম।সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তানিয়া আহমেদ,দিতি,ফারুক আহমেদ,জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়,রহমত আলী।
আই.এম.ডি.বি : ৭/১০
ব্যক্তিগত : ৭.৫/১০

🎬— ‘না বলো না’
চিঠির প্রেমগুলা বরাবরই আমার কাছে একটু ফ্রেস লাগে।তার সাথে যদি থাকে অসাধারন গান আর টুইস্ট।অসাধারন একটা ভালবাসার গল্প বেশ জটিলতার সাথেই উঠে আসবে গল্পে।সীমলা এবং রিয়াজ দুজনকেই পারফেক্ট জুটি হিসাবে লাগছে।যদিও এই জুটিটা এরকম একটা সিনেমা করার পরও আর কোন সেরকম আলোচিত সিনেমার জন্ম দেয়নি।এছাড়াও ছিলেন ফেরদৌস,সোমা।
আই.এম.ডি.বি : ৬.৮/১০
ব্যক্তিগত : ৮/১০

টু বি কন্টিনিউ. . . . .

The post NO Spoiler ‘বাংলা মাস্টারক্লাস সিনেমা’ [পর্ব – ০২] appeared first on Trickbd.com.


Tuesday, November 23, 2021

ইউটিউব থেকে আয় ২০২২ ( ৮ টি উপায়ে )

ইউটিউব থেকে আয় ২০২২ ( ৮ টি উপায়ে )

ইউটিউব থেকে আয় নিয়ে আমাদের অনেকের বিভ্রান্তি আছে। আমাদের মধ্যে অনেকেই জানেনা কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করতে হয়। আজ আমি আপনাদের এই বিভ্রান্তি গুলো দুর করার চেষ্টা করবো। আজ আমি আলোচনা করবো কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়। তো বন্ধুরা আর দেরি না করে চলুন শুরু করি

ইউটিউব থেকে আয়

১. গুগল এডসেন্স

অনেকে মনে করে ইউটিউব ভিডিওতে শুধু ভিউ আসলেই আয়। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ইউটিউব থেকে বেশিরভাগ আয় হয় গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে। গুগল আপনার ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখাবে এবং সেই বিজ্ঞাপনের উপর যত ক্লিক পড়বে তত আয় হবে। তবে গুগল এডসেন্স পেতে হলে আপনাকে ইউটিউব থেকে মনিটাইজেশন পেতে হবে। মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য আবার ইউটিউবের কিছু শর্ত আছে। চলুন ইউটিউবের মনিটাইজেশন শর্ত গুলো দেখে নিই।

ইউটিউবের মনিটাইজেশন শর্ত:-

  • প্রথমে আপনার চ্যানেলে কমপক্ষে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
  • এরপর ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচটাইম আপনাকে পুরন করা লাগবে।
  • আপনার ভিডিও গুলো ইউটিউবের মনিটাইজেশন পলিসি অনুযায়ী হতে হবে।

এই শর্ত গুলো আপনি পুরন করতে পারলে মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরপর ইউটিউব আপনার চ্যানেল রিভিউ করবে এবং মনিটাইজেশন পাওয়ার মতো হলে দিয়ে দেবে। মনিটাইজেশন পাওয়ার পর ইউটিউব আপনার ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখাবে এবং সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক ও ইম্প্রেশনের উপর ভিত্তি করে আপনার এডসেন্স একাউন্টে অর্থ জমা হবে। তবে মনিটাইজেশন পাওয়ার পরেই আপনি টাকা পেয়ে যাবেন তা কিন্তু নয়। প্রথমে আপনার এডসেন্স একাউন্টে দশ ডলার পুর্ন হওয়ার উপর আপনার পোস্ট অফিসের ঠিকানাই ইউটিউব একটি এড্রেস ভেরিফিকেশন পিন পাঠাবে। পোস্ট অফিসের এড্রেস আপনাকে দেওয়া লাগবে। সেই কোড আপনার এডসেন্স একাউন্টে বসিয়ে এড্রেস ভেরিফাই করতে হবে। এরপর আপনার একাউন্টে একশ ডলার পুর্ন হলে তারপর আপনি ব্যাঙ্ক একাউন্ট অ্যাড করতে পারবেন এবং সেই একাউন্টে ইউটিউব টাকা পাঠিয়ে দেবে। তবে এমন ব্যাঙ্ক একাউন্ট হতে হবে যার মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল মানি ট্রান্সফার করা যায়। পরবর্তীতে প্রত্যেক মাসে ইউটিউব অটোমেটিক আপনার একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেবে। এভাবেই ইউটিউব থেকে এডসেন্সের মাধ্যমে আয় হয়। আশাকরি আপনাদের বিভ্রান্তি কিছুটা দুর করতে পেরেছি।

২. স্পন্সর

গুগল এডসেন্সের পরে ইউটিউব থেকে আয়ের আরেকটি উপায় হলো স্পন্সর নিয়ে আয়। কিছু ছোট বড় কোম্পানি যাদের পন্য এখনো প্রচার হয়নি তারা তাদের পন্য প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন অথবা স্পন্সর দিয়ে থাকে। তবে স্পন্সর দেওয়ার মাধ্যমে পন্যের প্রচার অনেক বেশি হয়। তবে এর জন্য আপনার চ্যানেলের কন্টেন্ট অনেক জনপ্রিয় হতে হবে। কারন জনপ্রিয় না হলে কেউ আপনাকে স্পন্সর দেবে না। আবার যে কোম্পানি স্পন্সর দেবে সেই কোম্পানি যেনো আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে তার একটি সিস্টেম থাকতে হবে। স্পন্সর পেলে একসাথে অনেক ভালো পরিমাণে আয় হয়।

৩. আফিলিয়েট মার্কেটিং

ইউটিউব থেকে বর্তমানে আফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনেকেই আয় করছে। যাদের চ্যানেলে প্রচুর ভিউ এবং সাবস্ক্রাইবার রয়েছে কিন্তু মনিটাইজেশন পায়নি তারা সাধারণত আফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করে। বর্তমানে এমাজন আফিলিয়েট মার্কেটিং নেটওয়ার্কের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয়। এখন প্রশ্ন হলো আফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে কিভাবে আয় হয়? প্রথমে আপনাকে এমাজন আফিলিয়েট মার্কেটিং এ সাইন আপ করতে হবে। এরপর প্রতিটা পন্যের একটি আফিলিয়েট লিংক আপনাকে দেওয়া হবে। সেই লিংক থেকে যদি কেও পন্য কিনে তাহলে আপনি সেই পন্যের উপর নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। যদি চ্যানেল অনেক জনপ্রিয় হয় তাহলে আফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করা যায়।

৪. নিজস্ব বিজনেস প্রমোশন

আপনার যদি ছোট খাটো ব্যবসা থাকে এবং সাথে একটি জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে সেই চ্যানেলের মাধ্যমে নিজের ব্যবসা প্রচার করতে পারেন। ব্যবসা অনলাইন ভিত্তিক হলে সবথেকে ভালো হয়। নিজস্ব ব্যবসা আপনি আপনার চ্যানেলের প্রচার করতে পারেন এবং সেই ব্যবসা থেকে আয় করতে পারবেন। অনেকে আছে যারা ছোট খাটো অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা শুরু করে নিজের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্রচার করে। যদি ভালো প্রচার হয় তাহলে আপনার ব্যবসা আস্তে আস্তে বড় হবে এবং পরবর্তীতে ব্যবসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে। তবে প্রচারের পাশাপাশি ভালো সার্ভিস না দিলে আপনার ব্যবসা বেশিদিন টিকতে পারবেন। অতএব ভালো সার্ভিস নিজের ছোট্ট অনলাইন ভিত্তিক বিজনেস ইউটিউবের মাধ্যমে প্রচার করুন এবং মুনাফা আয় করুন।

৫. সুপার চ্যাট

বর্তমানে এটি বাংলাদেশে ব্যবহার যোগ্য না। তবে আশা করা যায় একদিন বাংলাদেশ থেকেও সুপার চ্যাটের মাধ্যমে আয় করা যাবে। যারা লাইভস্ট্রিম করে তাদের জন্য ইউটিউব সুপার চ্যাটের মাধ্যমে আয় করার সুযোগ করে দিয়েছে। প্রশ্ন হতে পারে সুপার চ্যাট কি? যখন লাইভস্ট্রিম করা হয় তখন বহু লোক লাইভ চ্যাট করে। একসাথে অনেক মানুষ চ্যাট করার কারনে যে লাইভস্ট্রিম করে সে সবার চ্যাটের রিপ্লাই দিতে পারে না। তবে সুপার চ্যাটের মাধ্যমে একজন ভিজিটর কিছু টাকা দিয়ে নিজের কমেন্ট লিখতে পারে যা সরাসরি লাইভস্ট্রিমারের কাছে পৌছায়। ভিজিটর যত টাকা দিয়ে কমেন্ট করবে তার মতামত ততক্ষণ পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে এবং সেই কমেন্ট ইউটিউব অন্য কালারে ও হাইলাইট করে রাখবে। সাধারণত যারা গেম লাইভস্ট্রিম করে তারা এভাবে আয় করে। সুপার চ্যাট থেকে আশা অর্থের বেশিরভাগ চ্যানেল কর্তৃপক্ষ পায় এবং কিছু অংশ ইউটিউব রেখে দেই। তবে দুঃখের বিষয় হলো এটি বাংলাদেশে এখনো চালু হয়নি। তবে বাংলাদেশে পেইপাল যেহেতু চালু হবে তাই সুপার চ্যাট চালু হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

৬. ইউটিউব শর্টস্

ইউটিউবের সাম্প্রতিক সময়ের বড় আপডেটের মধ্যে ইউটিউব শর্টস্ অন্যতম। আমরা অনেকেই টিকটক দেখতে পছন্দ করি। আমরা যেমন টিকটকে কম দৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখি ঠিক তেমনি ইউটিউব শর্টস্ এ কম দৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখা যায়। ইউটিউব শর্টস্ এর মাধ্যমেও আয় করা যায়। তবে এই ফিচারটি বাংলাদেশে ব্যবহার যোগ্য নয়। আপনার চ্যানেলে শুন্য সাবস্ক্রাইবার থাকলেও আপনি ইউটিউব শর্টস্ এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। এমনকি ইউটিউব চ্যানেলে মনিটাইজেশন না থাকলেও। এখন প্রশ্ন হলো ইউটিউব শর্টস্ এর মাধ্যমে কিভাবে আয় হয়? আপনি যদি ইউটিউবে শর্টস্ ভিডিও আপলোড দেন তাহলে মাস শেষে আপনার ভিডিওর ভিউ অনুযায়ী আপনাকে রিওয়ার্ড দেওয়া হবে। তবে ভিডিওতে যত ভিউ পাবেন আপনার রিওয়ার্ডের অর্থের পরিমাণ তত বাড়বে। রিওয়ার্ড হিসেবে সর্বোচ্চ সাত লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। বর্তমানে অনেক বড় বড় চ্যানেল পর্যন্ত ইউটিউবে শর্টস্ আপলোড করছে। এর জন্য শুধু কপিরাইট মুক্ত নিজের কন্টেন্ট হলেই চলবে। আবার আপনাকে কষ্ট করে বড় বড় ভিডিও তৈরি করা লাগছে না। টিকটকের মতো ইউটিউব শর্টস্ এ শর্ট ভিডিও আপলোড করে এভাবে আয় করতে পারবেন। এখন রিওয়ার্ড হিসেবে ইউটিউব আপনাকে যে টাকা দেবে সেটা হাতে পাবেন কিভাবে? যখন আপনাকে রিওয়ার্ড দেওয়া হবে সেটা ইমেইলের মাধ্যমে ইউটিউব আপনাকে জানিয়ে দেবে। এরপর সেটি আপনাকে ক্লেইম করতে হবে। ক্লেইম করার পর আপনার এডসেন্স একাউন্টে সেটি জমা হবে। যদি এডসেন্স একাউন্টে না থাকে তাহলে ইউটিউব এডসেন্স একাউ খুলতে বলবে। পরে আপনি এডসেন্স থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

৭. শর্টলিংক

নতুন চ্যানেলের ক্ষেত্রে এটি ইউটিউব থেকে আয়ের একটি পদ্ধতি হতে পারে। বর্তমানে অনেক লেজিট শর্টলিংক সাইট আছে যার লিংকে ক্লিক পড়লে তার জন্য টাকা দেই। এখন প্রশ্ন হতে পারে শর্টলিংক সাইট কি? শর্টলিংক সাইট হলো এমন এক প্রকারের সাইট যেখানে বড় বড় লিংক ছোট করা হয়। আমরা যখন কোনো ওয়েবসাইটের লিংক কপি করি তখন সেটা অনেক বড় দেখাই এবং দেখতে খারাপ লাগে। তাই এসব সাইটের মাধ্যমে লিংক ছোট করা হয়। কিছু সাইট আছে যেগুলো সেই সাইট থেকে ছোট করা লিংকে ক্লিক করলে আপনাকে টাকা দেবে। এরকম সাইট থেকে সাধারণত খুব বেশি আয় হয় না। তবে পার্শ্ব আয় হিসেবে শর্টলিংকের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

৮. রেফার

বর্তমানে অনেক অ্যাপ বা ওয়েবসাইট আছে যেখানে রেফার করার মাধ্যমে আয় করা যায়। রেফার করার মাধ্যমে সাধারণত অনেক বেশি আয় হয়। রেফার এবং আফিলিয়েট মার্কেটিং প্রায় একই কিন্তু আফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কেও একজন যখন পন্য কিনবে তার উপর কমিশন দেওয়া হয়। তবে রেফার করার ক্ষেত্রে শুধু লিংকে ক্লিক করে সাইন আপ করলেই আপনি কমিশন পাবেন। বর্তমানে এটি অনেক জনপ্রিয় পদ্ধতি। বিশেষ করে যাদের অনলাইন আয় বিষয়ক চ্যানেল আছে তারা এভাবে আয় করে। আপনিও যদি অনলাইন আয় বিষয়ক টিপস শেয়ার করে থাকেন তাহলে এভাবে আয় করতে পারেন।

এই ছিল আমাদের আজকের আলোচনা। কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে পারেন। উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।

ধন্যবাদ সবাইকে

The post ইউটিউব থেকে আয় ২০২২ ( ৮ টি উপায়ে ) appeared first on Trickbd.com.


Thursday, November 18, 2021

AdSense আসলে কি? Google আমাদেরকে কেন টাকা দিবে? (বিস্তারিত গাইড)

AdSense আসলে কি? Google আমাদেরকে কেন টাকা দিবে? (বিস্তারিত গাইড)

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। গুগল এডসেন্স আসলে কি?কেন আমরা গুগল এডসেন্স সম্পর্কে জানব? গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দিবে? এই সকল বিষয়বস্তু গুলো নিয়েই আমাদের আজকের এই আর্টিকেল। আপনারা যদি এই সম্পর্কে বিস্তারিত নলেজ বা জ্ঞান অর্জন করতে চান তাহলে,

অন্ততপক্ষে আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ার বিশেষ অনুরোধ রইল। গুগল এডসেন্স অনলাইন জগতে সবচেয়ে বড় একটি নেটওয়ার্ক। গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। শুধুমাত্র গুগল এডসেন্স থেকে অনেকে লক্ষাধিক টাকা প্রতি মাসে আয় করতে পারে। এমনকি তার চেয়েও আরো বেশি অধিক পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

তবে আনুমানিক এমন লোক খুজে পাওয়া যায় যারা, শুধুমাত্র গুগল অ্যাডসেন্স থেকে প্রতিমাসে 10 লাখ টাকার উপর ইনকাম করতে পারে। তাই আমরা আজকের এই আর্টিকেলে জনপ্রিয় এই গুগল এডসেন্স নেটওয়ার্ক, সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব। প্রিয় বন্ধুরা চলুন আর কথা না বাড়িয়ে, বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক এখনই।

গুগল এডসেন্স আসলে কিঃ গুগল এডসেন্স গুগলের একটি প্রোডাক্ট। যার মাধ্যমে যে কেউ চাইলে ইনকাম করতে পারবে। গুগলের বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন রয়েছে যেগুলো, আপনি আমি অথবা যে কেউ চাইলেই, গুগলের বিজ্ঞাপন গুলো এডসেন্সের মাধ্যমে নিয়ে ইনকাম করতে পারব। গুগোল অ্যাডসেন্সে প্রায় 500 ক্যাটেগরি এর বেশি বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়।

সারা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেটওয়ার্কের অন্যতম একটি নেটওয়ার্ক হল গুগল এডসেন্স। এই গুগল এডসেন্স থেকে, আপনি আমি সকলেই গুগলের বিজ্ঞাপন গুলো সংগ্রহ করতে পারব। তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন যে, গুগল এডসেন্স থেকে আপনি যদি ইনকাম করতে চান সে ক্ষেত্রে, আপনার বয়স অবশ্যই 18 বছরের উপরে থাকতে হবে।

কেন আমরা গুগল এডসেন্স সম্পর্কে জানব?

গুগল এডসেন্সঃ আপনি যদি অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে চান, তার জন্য আপনার গুগল এডসেন্স সম্পর্কে জানা জরুরী। অনলাইনে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে টাকা ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে। যেমন আপনি যদি ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে,

অবশ্যই আপনার গুগল এডসেন্স সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। গুগল এডসেন্স ছাড়া আপনি আপনার ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করার সুযোগ পাবেন না। যদিও অন্যান্য পদ্ধতি অবলম্বন করে ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করা যায় তবে, বেশিরভাগ লোকই গুগল এডসেন্স এর সাহায্যে, ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম শুরু করতে পারে।

তাছাড়া আপনি যদি কোন ওয়েবসাইট থেকে টাকা আর্নিং করতে চান তাহলে, আপনার প্রথম ওয়েব সাইটের ইনকাম টা গুগল এডসেন্স শুরু করতে পারে। তবে যে গুগল এডসেন্স থেকে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন এমনটা কিন্তু নয়। আপনি চাইলে কিন্তু গুগল এডসেন্স বাদে অন্যান্য পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। তবে বেশিরভাগ লোকই টাকা ইনকাম করার শুরুটা,

গুগল এডসেন্স দিয়ে করতে চাই। আর তাছাড়া গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আমাদের জানার অন্যতম আরেকটি বিশেষ কারণ হলোঃ গুগল এডসেন্স থেকে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। আর আমরা যারা গুগল এডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করব, তাহলে আমরা হবো এখানকার পাবলিশার।গুগলের বিজ্ঞাপন গুলো আমরা অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কারণেই,

আমরা হব পাবলিশার। আর গুগোল অ্যাডসেন্সে বিজ্ঞাপন দেখে প্রচুর পরিমাণ টাকা ইনকাম করা যায়। একই কারণে, অর্থাৎ ইনকাম করার খাতিরে গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আমাদের অবশ্যই জানা উচিত। এখনো অনেক লোক রয়েছে যারা শুধুমাত্র গুগল এডসেন্স থেকেই 10 লাখ টাকার ওপরে প্রতি মাসে আয় করতে পারে। আপনি হয়তো জেনে অবাক হচ্ছেন তাইনা!

তবে বাস্তবে এটা কিন্তু সত্য যে, গুগল এডসেন্স থেকে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। গুগল এডসেন্স থেকে আমরা যদি টাকা ইনকাম করতে চাই তাহলে, কমপক্ষে আমাদের বয়স 18 বছর হতে হবে। উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা স্পষ্ট এই কথাই প্রমাণ পাই, ইনকাম করার জন্য অবশ্যই আমাদের, গুগল এডসেন্স সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।

গুগোল কেন আপনাদেরকে বা আমাদেরকে টাকা 💸 দিয়ে থাকে?

গুগোলঃ এতক্ষণ আমরা গুগল এডসেন্স সম্পর্কে বেশ কিছু জেনেছি। এবং এটাও আমরা জেনেছি যে, গুগল এডসেন্স থেকে আমরা টাকা ইনকাম করাতে পারব। এখন এই যে গুগোল থেকে আমরা এডসেন্স এর মাধ্যমে, বিজ্ঞাপনগুলো নিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারব, এই গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দিবে?

আপনারা হয়তো এতক্ষণে কেউ কেউ আন্দাজ করে নিতে পেরেছেন যে, গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দিতে রাজি হবে! সংক্ষেপে এক কথায় যদি বলি, তাহলে গুগল আমাদেরকে টাকা দেওয়ার অন্যতম কারণ হলোঃ গুগলকে আমরা সাহায্য বা সহযোগিতা করছি। মূলত গুগলের একটু সহযোগিতা করার বিনিময়ে গুগোল আমাদেরকে টাকা দিবে।

কিন্তু এমনিতে এমনিতে গুগোল কখনো আপনাকে টাকা দিবে না। গুগলের কোন একটি সাহায্য বা কাজ আপনাকে করে দিতে হবে, তাহলেই কেবলমাত্র গুগল আপনাকে তার বিনিময় টাকা দিতে রাজি হবে। এমনিতে এমনিতে কেউই কখনো কারো টাকা দিতে রাজি হয়না যেটা আমরা সকলেই জানি! এখন প্রশ্ন হলো গুগলের আমরা কি করে দিলাম?

যার জন্য গুগোল আমাদেরকে টাকা দিচ্ছে! এটাই যদি আপনার মনে মনে প্রকাশ পায় তাহলে, তার উত্তরে আমরা আপনাদেরকে যেটা বলব সেটা হলঃ আপনারা গুগলের যে বিজ্ঞাপনগুলো নিয়ে, মানুষের কাছে প্রচার করলেন বা দেখালেন। ঠিক এ কারণেই গুগোল আপনাদেরকে টাকা দিবে। প্রশ্ন আসতে পারে এত বিজ্ঞাপন গুগল কোথায় পাই?

গুগোল এত বিজ্ঞাপন মানুষের কাছে দিয়ে কেন এত টাকা খরচ করে? গুগলের এতে লাভ কি হয়? প্রিয় বন্ধুরা এই সকল প্রশ্ন যদি আপনাদের ভিতরে থাকে তাহলে, সাধারণত গুগলের বিভিন্ন ধরনের লোকেরা বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। যারা গুগলের বিজ্ঞাপন দেয় তারা মূলত তাদের বিজনেস প্রচার এর চাহিদা ও জনপ্রিয়তা, অর্জন করার জন্য গুগলকে প্রচার করতে বলে।

গুগলকে বলার অন্যতম একটি কারণ হলো, অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে গুগোল এর মেম্বার সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে। অর্থাৎ অন্য যে সকল কোম্পানি রয়েছে তার চেয়ে, গুগলের ইউজার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আর যারা বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে তারা, যে জায়গায় কম সময়ে বেশি মানুষের কাছে প্রচার হবে, জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে,

এই ধরনের কোম্পানিকে খোঁজে। ঠিক এ কারণেই ওই কোম্পানির লোকেরা তাদের ব্যবসা সার্ভিসগুলো প্রচার করার জন্য, গুগোল কে বেছে নিয়ে গুগলকে টাকা দেয়। আর এই কাজগুলো আপনার আমার মত লোকেরাই গুগলকে করে দেয়। অন্যদিকে গুগোল কোন কাজ না করে, আমাদের দিয়ে করিয়ে নেয়।

আর আমরা তাদের এই কাজে সহযোগিতা করার জন্য, সামান্য পরিমাণ পারিশ্রমিক কিছু টাকা দিয়ে থাকেন। আর গুগোল বসে বসেই এভাবে প্রচুর পরিমাণে ইনকাম করে। আর তার ইনকামের কিছুটা অংশ আমাদের কাছে শেয়ার করে থাকে। এতক্ষণে হয়তো বা আপনারা বুঝতে পেরেছেন যে, গুগল কেন আসলেই আমাকে টাকা দিবে সেটা বুঝতে পেরেছেন।

পরিশেষে প্রিয় বন্ধুরা,


আজকে আমরা গুগল এডসেন্স আসলে কি? গুগল এডসেন্স সম্পর্কে জানান কেন প্রয়োজন? গুগোল আমাদেরকে কেন টাকা দিবে? ইত্যাদি বিষয়বস্তু গুলো নিয়ে আমরা step-by-step আলোচনা করেছি। সম্পূর্ণ না জানালেও আমরা চেষ্টা করেছি বিস্তারিত বোঝানোর জন্য। যদি কোথাও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন কিছু জানার থাকে তাহলে,

সেটা অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে একদমই ভুলবেন না। আপনাদের কমেন্টে অবশ্যই আমরা রিপ্লে দেওয়ার চেষ্টা করব। আমাদের আজকের আর্টিকেলটি পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। পরিশেষে সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।

The post AdSense আসলে কি? Google আমাদেরকে কেন টাকা দিবে? (বিস্তারিত গাইড) appeared first on Trickbd.com.


ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন দিয়েন, ফেসবুক পেজ তৈরি করুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর সাহায্যে (স্ক্রিনশট সহ)?

ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন দিয়েন, ফেসবুক পেজ তৈরি করুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর সাহায্যে (স্ক্রিনশট সহ)?

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কিভাবে একটি পরিপূর্ণ পেজ তৈরি করা যায়? আজকে আমরা এই বিষয়বস্তু গুলো নিয়ে আলোচনা করব। যদিও ফেসবুক পেজ আমাদের বিভিন্ন কাজে প্রয়োজন হয়ে থাকে। এমনকি বর্তমান সময়ে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে।

আপনারা চাইলে ফেসবুকে প্রফেশনাল একটি পেস্ট তৈরি করে টাকা ইনকাম করতে পারেন। প্রচুর পরিমাণে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। অনেকেই শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ থেকে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করে থাকে। ফেসবুকে একাধিক ইনকাম করার উপায় থাকলেও, ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম অন্যতম একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি।

যে কেউ চাইলেই ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করতে পারে। তবে কমপক্ষে আপনার বয়স 18 হলেই ফেসবুক আপনাকে টাকা ইনকাম করার সুযোগ দিবে। তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমরা শিখব, এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কিভাবে ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হয়? (স্ক্রিনশট সহ) যদি বিষয়টি বিস্তারিত জানতে চান অবশ্যই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

কেন আপনি ফেসবুক পেজ তৈরি করবেন? ফেসবুক পেজ তৈরি করে কোন লাভ আছে কি?

ফেসবুক পেজ তৈরি করে লাভঃ আগেই বলেছি ফেসবুক পেজ তৈরি করে বর্তমানে, টাকা ইনকাম করা অসম্ভবের কিছু নয়। আপনি চাইলে, আপনার যেকোন ব্যবসা বিজনেস ইত্যাদি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বড় করতে পারেন। নতুবা কোনো ছোটখাটো কাজকর্ম আপনারা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বড় করতে পারেন।

ধরুন আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন? তাহলে কিন্তু আপনি চাইলেই একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করে, সহজে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন এই ফেসবুক পেজ দিয়ে! ঠিক তেমনিভাবে আপনারা কিন্তু আপনাদের ইচ্ছা খুশি অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের ছোটখাটো ব্যবসা ইত্যাদি কাজে লাগাতে পারবেন, এই ফেসবুক পেজ দিয়ে।

এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কি ফেসবুক পেজ তৈরি করা সম্ভব?

ফেসবুক পেজঃ আপনি যদি এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে ফেসবুক পেজ তৈরী করতে চান তাহলে, অবশ্যই আপনি তৈরি করতে পারবেন ফেসবুক পেজ। কিন্তু প্রফেশনাল ভাবে ফেসবুক পেজ তৈরি করতে ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করতে হয়। আর এমনিতেও আপনারা চাইলেই, আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর মাধ্যমে,

ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে, একটি পেজ তৈরি করতে পারবেন। যে কেউ চাইলেই ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে, একটি ফেসবুক পেজ সহজে তৈরি করতে পারে। তো চলুন বন্ধুরা এখন আমরা স্ক্রিনশটসহ কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে, ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে একটি পেজ তৈরি করব?এই বিষয়বস্তুগুলো নিয়ে জেনে নিই।

ফেসবুক পেজ অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর মাধ্যমে, ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে তৈরি করার নিয়ম? (স্ক্রীনশট সহ)

ফেসবুক পেজ তৈরি করার নিয়মঃ

এখন আপনি যদি ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে, একটি পেজ তৈরি করতে আগ্রহী হন তাহলে, প্রথমে আপনাকে ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন টা ওপেন করতে হবে। অ্যাপ্লিকেশনটি ওপেন করার পর থ্রি ডট মেনুতে ক্লিক করতে হবে। বোঝার জন্য নিচের স্ক্রীনশটএর চিহ্নিত অংশের দিকে খেয়াল করুন।

উপরের ছবিটির চিহ্নিত অংশ ক্লিক করলেই নতুন একটি ড্যাশবোর্ড আকারের আপনার একাউন্টি শো হবে। আপনার একাউন্টের যাবতীয় দেশগুলো এখানে আপনারা দেখতে পারবেন। এখানে আপনি পেজ অপশনে বা বাটনে ক্লিক করুন। বোঝার জন্য নিচের স্ক্রিনশটের চিহ্নিত জায়গাটি লক্ষ করুন।

আশা করি আপনারা উপরোক্ত ছবি দেখে বুঝতে পেরেছেন যে, step-by-step আমাদের কি কি করতে হবে। যখন আপনারা ফেসবুক পেজ এ অপশনে ক্লিক করবেন তখন, আপনার ফেসবুকে যদি কোন পেজ থেকে থাকে তাহলে সেগুলো দেখতে পারবেন। আর যদি কোন পেজ না থাকে তাহলে কোন পেজ সো হবে না।

এখন আপনি যদি নতুন একটি পেজ তৈরী করতে চান তাহলে, ওখানকার পেজের ক্রিয়েট অপশনে ক্লিক করুন। যদি বুঝতে অসুবিধা হয় তার জন্য নিচের ছবিটি ভালভাবে লক্ষ করুন।

আশাকরি উপরের ছবি দেখে ক্রিয়েট অপশনটি বুঝতে পেরেছেন কোনটা। গ্রেট অপশনে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন আরেকটি পেইজ চলে আসবে। এখানে আপনারা একেবারে নিচের দিকে গেট স্টারটেড একটি অপশন দেখতে পারবেন। আপনি যদি সত্যিই একটি ফেসবুক পেজ তৈরী করতে চান তাহলে, গেট স্টার্ট এখানে ক্লিক করুন।

ফেসবুক পেজ তৈরি করার জন্য চারটি ধাপ পার করতে হবে?

আপনি যদি ফেসবুক পেইজটি সম্পুর্ন ভাবে তৈরী করতে চান তাহলে, আপনাকে অবশ্যই চারটি ধাপ পার করতে হবে। এই চারটি ধাপ পার করার জন্য, প্রথমে আপনারা যখন গেট স্টার্টেড এখানে ক্লিক করবেন। তখন দেখতে পারবেন নতুন একটি পেজ ওপেন হবে। এখানে আপনারা আপনাদের পেজের নাম কি হবে?

সেটা দিতে বলবে, এখন আপনারা আপনাদের ইচ্ছামত একটি ফেসবুকের পেজের নাম দিতে পারেন। কোথায় ফেসবুক পেজ এর নাম সিলেক্ট করতে হবে, এটি দেখার জন্য নিচের স্ক্রিনশটটি ভালভাবে লক্ষ করুন।

আপনারা যদি উপরের স্ক্রিনশটের চিহ্নিত জায়গাটির দিকে লক্ষ্য করেন তাহলে, বুঝতে পারবেন আপনাদের ফেসবুক পেজ এর নাম কোথায় দিতে হবে সেটা। ওই অপশনে আপনার ফেসবুকের নামটি দিয়ে নেক্সট অপশনে ক্লিক করুন। নেক্সট অপশনে ক্লিক করা হয়ে গেলেই আপনাদের প্রথম স্টেপ টি কমপ্লিট হয়ে গেল। আপনাদের সামনে দ্বিতীয় আরেকটি স্টেপ চলে আসবে।

এই স্টেপে আপনাদের, ফেসবুক পেজটি কোন রিলেটেড। সেটা এখানে দিতে হবে। তাই আপনি আপনার ইচ্ছামত একটি ক্যাটাগরি এখন থেকে সিলেক্ট করে দিবেন। একটি ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে আপনারা নেক্সট অপশনে ক্লিক করবেন। আমি পার্সোনাল ব্লগ চিহ্নিত করে , আপনাদের বোঝার জন্য স্ক্রিনশটটি নিচে দিলাম।

যখন আপনারা পেজ এর ক্যাটাগরি টা সিলেক্ট করে, নেক্সট অপশনে ক্লিক করবেন তখন নতুন একটি পেজ আসবে। এখানে আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে, আর আপনি যদি চান এই ওয়েবসাইটটি আপনার ফেসবুকের পেজে দিতে চান তাহলে, দিতে পারেন কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই। স্ক্রিনশটটি দেখুন।

আর যদি না দিতে চান তাহলে নিচে টিকমার্ক চিহ্নিত করে নেক্সট অপশনে ক্লিক করুন। নেক্সট অপশনে ক্লিক করলে আমাদের তিনটি স্টেপ কমপ্লিট হয়ে যাবে। এখন আমাদের চতুর্থ নম্বর স্টেপ সামনে আসবে। এই চতুর্থ নম্বর স্টেপ পার করতে পারলেই, আমাদের একটি ফেসবুক পেজ তৈরি হয়ে যাবে।

যখন আপনারা আপনাদের ওয়েবসাইট দিয়ে অথবা না দিয়ে টিক মার্ক অপশনে ক্লিক করে, নেক্সট অপশন এ ক্লিক করবেন তখন নতুন আরেকটি পেজ ওপেন হবে। এই পেজে আপনাদের আপনার ফেসবুকের পেজের যে, প্রোফাইল পিকচার এবং কভার পিকচার থাকবে, এটি এখানে সুন্দর ভাবে দিতে হবে।

যদি আপনারা এখানে আপনাদের এই সাইন নম্বর স্টেপটি কমপ্লিট করতে পারেন তাহলে, ভালোভাবেই আপনি একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করে নিতে পারবেন। আপনাদের বোঝানোর জন্য আমরা আপনাদের একটি স্ক্রিনশট দিলাম নিচে।

পরিশেষে প্রিয় বন্ধুরা,

আজকে আমরা শিখলাম যে, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে, কিভাবে একটি পরিপূর্ণ পেজ তৈরি করতে হয়? (স্ক্রিনশট সহ) এই বিষয়বস্তুগুলো নিয়ে step-by-step বিস্তারিত আলোচনা করেছি। যদিও আপনাদেরকে সুন্দর ভাবে বলা বা বোঝানোর চেষ্টা করেছি।

যদি কোন প্রকার সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের কমেন্টে আমরা অবশ্যই রিপ্লে দেওয়ার চেষ্টা করব। বরাবরের মতো আমাদের আজকের আর্টিকেলটি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকের আর্টিকেলটি এ পর্যন্তই দেখা হবে অন্য কোন আর্টিকেলে। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।

The post ফেসবুকের অফিশিয়াল অ্যাপ্লিকেশন দিয়েন, ফেসবুক পেজ তৈরি করুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর সাহায্যে (স্ক্রিনশট সহ)? appeared first on Trickbd.com.


আপনি কি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য ছোটাছুটি করছেন? তাহলে আপনার জন্যই এই আর্টিকেল!

আপনি কি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য ছোটাছুটি করছেন? তাহলে আপনার জন্যই এই আর্টিকেল!

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আপনারা যারা অনলাইনে কোন ভালো কাজ খুঁজে পাচ্ছেন না! কিন্তু অনলাইনে ছোটখাটো কাজ করে টাকা ইনকাম করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি অনেক বেশি উপযোগী হবে।

কারণ আজকের এই আর্টিকেলের আপনারা জানতে চলেছেন যে, অনলাইনে বসে না থেকে টাকা ইনকাম করার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে। যে উপায় গুলো নিয়ে আপনাদের সাথে আজকে আলোচনা করতে যাচ্ছি, সত্যিকার অর্থে এই উপায়গুলো কাজে লাগিয়ে অনলাইনে সহজে টাকা ইনকাম করা যায়।

অনেকেই এই সহজ পদ্ধতি গুলো কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বেশি ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারে। অনলাইনে ইনকাম করার জন্য তেমন কিছু প্রয়োজন হয় না। একটু পরিশ্রম আর ধৈর্য থাকলে অবশ্য আপনারাও অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখন আর কথা না বাড়িয়ে, চলুন এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত এখনি জেনে নিই।

আপনি কি সত্যি অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে চান?

অনলাইনে ইনকামঃ বন্ধুরা আপনি যদি সত্যি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তাহলে, অবশ্যই আপনারা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে এখানে একটি বিষয় নিয়ে অবশ্যই আপনার জানা প্রয়োজন।

সেটা হলো নিজের ইচ্ছা শক্তি, পরিশ্রম, ধৈর্য, সততা ইত্যাদি। এগুলো অবশ্যই আপনার ভেতরে থাকা প্রয়োজন অনলাইনে আয় করার জন্য। এখন আপনি যদি এগুলো আপনার ভিতর রাখতে পারেন, তাহলে অবশ্যই আপনারাও অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার উপায়?

অনলাইনে ইনকামঃ এখন আপনি যদি অনলাইনে টাকা ইনকাম সত্যি করার ইচ্ছুক থাকেন তাহলে, আপনাকে প্রথমেই এমন একটি পদ্ধতি খুঁজতে হবে যেখানে, ওই পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি টাকা ইনকাম করার আগ্রহী হয়ে থাকেন।

বর্তমানে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার অনেক ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। তবে আপনারা হয়তোবা সকল ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। কেননা কিছু কিছু কাজের ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা অবশ্যই প্রয়োজন হয়ে থাকে। এই দক্ষতা অর্জন না করে অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো করা সম্ভব নয়।

তবে শুধু যে দক্ষতা ছাড়া ইনকাম করা সম্ভব নয়, বা আপনারা দক্ষতা ছাড়া অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন না এরকমটা কিন্তু নয়! কেননা অনলাইনে সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করেও টাকা ইনকাম করা সম্ভব। দক্ষতা ব্যতীত অনলাইনে অনেক ধরনের কাজ করে টাকা ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ তিনটি পদ্ধতি?

প্রিয় বন্ধুরা, এখন আমরা তিনটি সহজ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব। সত্যিকার অর্থে এই তিনটি পদ্ধতি অবলম্বন করে যে কেউ চাইলে অনলাইনে ইনকাম করতে পারে। এমনকি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জনপ্রিয় পদ্ধতির, অন্যতম পদ্ধতিগুলো নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি।

অনলাইনে 💸 ইনকাম করার সর্বপ্রথম পদ্ধতি?

ইউটিউব থেকে ইনকামঃ বর্তমান সময়ে ইউটিউব হলো সারা বিশ্বের জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফর্ম। এই ইউটিউবে যে কেউ চাইলে ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম করতে পারে। আপনারা হয়তো ইউটিউবে প্রচুর পরিমাণে ক্যাটাগরি ভিডিও দেখতে পারবেন। এক ধরনের ক্যাটাগরির ভিডিও হাজারবার আপলোড করা হয়েছে ইউটিউবে।

তবে এক একজন এক এক রকম ক্যাটাগরি নিয়ে ইউটিউবে কাজ করে। আপনারা কি জানেন এই যে এত সব ভিডিও কোথা থেকে আসে? আরে ভাই আপনার আমার মত অনেক লোকেরাই ইউটিউবে আপলোড করে থাকে। আপনি যদি বলেন একটু ভিডিও আপলোড করে তাদের লাভ কি হয়?

বিনা কারণে কেউ ভিডিও ইউটিউবে কেনই বা আপলোড করবে! বেশিরভাগ ইউটিউবার ইউটিউব এ ভিডিও আপলোড করার মূল উদ্দেশ্য হলোঃ ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করা। খুব কম লোকই আছে যারা ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করে না শুধু ভিডিও আপলোড করে থাকে।

তাই আপনারাও চাইলে, ইউটিউবে একটি চ্যানেল তৈরি করে ইনকাম করতে পারেন। আরে ইউটিউবে টাকা ইনকাম করার জন্য তেমন কোনো দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। আপনার শুধু ভিডিও তৈরি করার অভিজ্ঞতা থাকলেই হল। মানুষের প্রয়োজনীয় এবং ভিডিও কনটেন্ট কোয়ালিটি ভালো রেখে, সহজে ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

অনেক ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে যাদের মাসিক ইনকাম প্রায় লাখ টাকার উপরে। শুধুমাত্র তারা ইউটিউব থেকে এত পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারে যে, নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে ইউটিউব কে বেছে নিয়েছে। আপনারা ইউটিউবে একটি চ্যানেল তৈরি করে, ভিডিও আপলোড করে সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন ইউটিউবে।

অনলাইনে 💸 ইনকাম করার দ্বিতীয় নম্বর পদ্ধতি?

ওয়েবসাইটের থেকে ইনকামঃ বর্তমান সময়ে টাকা ইনকাম করার সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি হলো ওয়েবসাইট। আপনারা আপনাদের নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে, সহজে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অনলাইনে ওয়েব সাইট তৈরী করে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

আর এই ওয়েবসাইট তৈরি করে টাকা ইনকাম করার জন্য, তেমন কোনো দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। আপনি অনলাইনে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন ব্লগিং এর জন্য। ওয়েবসাইটে আপনারা বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট ইত্যাদি পাবলিশ করবেন। যেকোনো মানুষের প্রয়োজনীয় দরকারি মানুষ জানতে আগ্রহী ইত্যাদি,

আর্টিকেল বা লেখালেখি করবেন। আপনারা চাইলে এই কাজ নিজেরাই করতে পারবেন। একটি আর্টিকেল লেখা ততটা কঠিন কাজ নয়। শুধুমাত্র আপনার কাছে যদি একটি এন্ড্রয়েড ফোন থাকে তাহলেই, আপনারা অনলাইনে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।

অনলাইনে অনেক লোক রয়েছে যারা মোবাইল ফোন দিয়ে, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে ব্লগিং করে থাকে। এমনকি তারা ব্লগিং করে টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও আপনি প্রথমবার শুনলে একটু অবাক হবেন। তবে এটা কিন্তু বাস্তবে সত্য। আর ব্লগিং করে অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

আপনারা আপনাদের পারিবারিক কাজকর্ম সেরে অবসর সময়ে, লেখালিখি বা আর্টিকেল আপনার একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে, প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে পাবলিশ করবেন। যদিও শুরুর দিকে আপনাকে একটু ধৈর্য ও পরিশ্রম দিতে হবে। তবে পরবর্তীতে কিন্তু আপনারা কষ্ট না করেই,

শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বেশ ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অনলাইনে ওয়েবসাইট তৈরি করার বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাটফর্ম পাওয়া যায়। তার ভিতরে আপনারা blogger.com অথবা wordpress.com প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে,

সহজে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। আর এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে যুক্ত হয়ে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে, আপনারা বেশ ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অনলাইনে এমনও লোক রয়েছে যারা ব্লগিংকে নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে।

তাহলে ভাবুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ব্লগিং করে, কি পরিমাণ টাকা ইনকাম করা সম্ভব। অনলাইনে ব্লগিং করে প্রতিমাসের লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করা অসম্ভব কিছু নয়। তাই আপনারা চাইলে অনলাইনে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সহজে ইনকাম করতে পারবেন।

অনলাইনে টাকা 💸 ইনকাম করার তৃতীয় নম্বর পদ্ধতি?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকামঃ অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ পদ্ধতি অন্যতম একটি পদ্ধতি হলোঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম। এমনকি যে কেউ চাইলে অনলাইনে এপ্লিক মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবে। তাছাড়া অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

অনলাইনে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য প্রচুর পরিমাণে প্লাটফর্ম হয়েছে। যেমন বর্তমানে আপনারা বৈদেশিক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্লাটফর্মে, যুক্ত হয়েও টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর তাছাড়া অনলাইন অ্যাপলেট মার্কেটিং করে ইনকাম করার জন্য,

বাংলাদেশি অনেক প্ল্যাটফর্ম বা ওয়েবসাইট হয়েছে। তাই আপনারা চাইলেই অনলাইনে বাংলাদেশি ওয়েবসাইটেও যুক্ত হয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন। আর এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম ততটা কঠিন কাজ নয়।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে ইনকাম করা যায়ঃ ধরুন আপনি কোন একটি প্লাটফর্মে যুক্ত হয়েছেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য, আর আমরা সেটাকে বেছে নিলাম অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম কে। এই যে আপনারা অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নিযুক্ত হলেন,

এই অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এ আপনারা কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারে তাই না! এখন এই অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে টাকা ইনকাম করার জন্য, অ্যামাজন কোম্পানি আপনাকে। অ্যাফিলিয়েট একটি লিংক দিবে। আর আপনার এখানকার কাজ হল তাদের কোম্পানির,

বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট পণ্য বা সার্ভিস ইত্যাদি প্রচার করা। আপনি আপনার এফিলিয়েট লিংক এর সাহায্যে তাদের কোম্পানির পণ্য প্রোডাক্ট গুলো প্রচার করবেন, যদি কোন লোক আপনার প্রচার করা তাদের কোম্পানি থেকে কোন প্রডাক্ট ক্রয় করে তাহলে, ওই অ্যামাজন কোম্পানি আপনাকে তার বিনিময়ে,

আপনার একাউন্টে বেশকিছু কমিশন দিবে। ঠিক এভাবে করে আপনারা অনলাইনে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। আরে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য তেমন কোনো দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র কোম্পানির প্রোডাক্ট ও সার্ভিস প্রচার,

করে সহজে আপনারা অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনাদের এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে ভালো লাগে, বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করাকে পছন্দ হয় তাহলে, আপনারা চাইলেই এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে সহজে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

পরিশেষে প্রিয় বন্ধুরা,

প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমরা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার, বেশ কিছু পয়েন্ট নিয়ে step-by-step বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপন যারা অনলাইন থেকে সত্যি টাকা ইনকাম করার আগ্রহী, তারা চাইলেই উপরোক্ত নিয়ম-নীতি পদ্ধতি অবলম্বন করে সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আমরা চেষ্টা করেছি আপনাদের শুরু থেকে সহজ ভাবে বোঝানোর জন্য, যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই একটি লাইক দিয়ে উৎসাহ দিন দয়া করে। আর্টিকেলটি করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। দেখা হবে আবার অন্য কোন আর্টিকেলে। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।

The post আপনি কি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য ছোটাছুটি করছেন? তাহলে আপনার জন্যই এই আর্টিকেল! appeared first on Trickbd.com.


[Phishing/Termux] ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক [Hack facebook account with phishing method ]

[Phishing/Termux] ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক [Hack facebook account with phishing method ]

আসসালামু আলাইকুম!

আজকের এই পোস্ট-এ আপনাকে স্বাগতম। আশা করছি পুরো পোস্ট-টি মনোযোগ এবং ধৈর্য সহকারে পড়বেন।

তো কেমন আছেন সবাই?
আশা করছি আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই অনেক ভালোই আছেন।

আজকে এই পোস্ট-এ দেখাবো কিভাবে ফেসবুক ফিশিং লিংক জেনারেট করবেন এবং ফিশিং এর মাধ্যমে কারো ফেসবুক আইডি হ্যাক করবেন।
তো কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করিঃ-

প্রথমে আপনার মোবাইলে থাকা Termux অ্যাপটি ওপেন করুন। যদি অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ইনস্টলড না থাকে তাহলে এই লিংকথেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে ওপেন করুন।

অ্যাপ ওপেন করার পর কমান্ড দিন

pkg update -y && pkg upgrade

তারপর Enter চাপুন। কিছুক্ষণ সময় লাগবে অপেক্ষা করুন।

[b]তারপর যথাক্রমে নিচের চারটি প্যাকেজ ইন্সটল করুন। ফিশিং টুলটি ঠিকভাবে কাজ করার জন্য নিচের চারটি প্যাকেজ অবশ্যই ইনস্টল করতে হবে। যদি প্রথমবার প্যাকেজগুলো ইন্সটল করে থাকেন তাহলে কিছু সময় লাগবে। কতক্ষণ লাগবে তা আপনার ইন্টারনেট স্পিড-এর উপর নির্ভর করবে। প্যাকেজ ইন্সটল করার সময় পারমিশন চাইলে y ইনপুট করে কন্টিনিউ করবেন।

1. pkg install php

2. pkg install wget

3. pkg install curl

4. pkg install git

উপরের সবগুলো প্যাকেজ ইন্সটল করা হয়ে গেলে কমান্ড দিন git clone git://github.com/htr-tech/zphisher.git

তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। টুলটি ক্লোন/ডাউনলোড হতে কিছুক্ষণ সময় লাগবে। ডাউনলোড হয়ে গেলে নিচের মতো দেখতে পারবেন।

এবার কমান্ড দিন

cd zphisher

তারপর কমান্ড দিন

bash zphisher.sh

কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। সবগুলো প্যাকেজ ইন্সটলড আছে কিনা চেক করবে। যদি কোনো প্যাকেজ মিসিং থাকে তাহলে সেটা অটোমেটিক্যালি ইন্সটল হয়ে যাবে।

সবগুলো প্যাকেজ ইন্সটল হওয়ার পর টুলটিও ইনস্টল হয়ে যাবে এবং নিচের মতো টুলের মেইন ইন্টারফেস দেখতে পারবেন।

টুলটিতে আপনারা 30+ ওয়েবসাইট বা অ্যাপের ফিশিং লিংক জেনারেট করতে পারবেন। যেহেতু আমি ফেসবুকের ফিশিং লিংক জেনারেট করবো এবং এটা প্রথমেই আছে তাই 1 ইনপুট করে Enter -এ চাপ দিবো।

তারপর এখানে আপনারা 4টি অপশন দেখতে পারবেন। এগুলো হচ্ছে টেমপ্লেট বা বলতে পারেন ফিশিং ইন্টারফেস যেটা লিংক ওপেন করার পর ভিকটিম দেখতে পাবে। আপনাদের পছন্দমতো যেকোনো একটা নির্বাচন করতে পারেন। আমি Advanced Voting Poll Login Page এইটা সিলেক্ট করলাম। এর জন্য 2 ইনপুট করে Enter করবো।

তারপর এই ধাপে আপনাদেরকে পোর্ট ফরওয়ার্ডিং মেথড নির্বাচন করতে বলবে। সেক্ষেত্রে আপনারা Cloudflare এইটা সিলেক্ট করুন। এটা সিলেক্ট করলে ওয়াই-ফাই ইউজ করলেও লিংক জেনারেট হবে। মোবাইল ডাটা ব্যাবহারকারীরা যদি লিংক না পান তাহলে হটস্পট চালু করে নিবেন।

তারপর আপনারা নিচের মতো 2টা লিংক পেয়ে যাবেন। এই দুইটা লিংক-ই হচ্ছে আমাদের কাঙ্খিত ফিশিং লিংক। দুইটার যেকোনো একটা লিংক আপনার ভিকটিমকে পাঠিয়ে দিন।

যেহেতু আমার কোন ভিকটিম নেই তাই আমি নিজেই লিংকে ক্লিক করে লগইন করে আপনাদের দেখাবো। লিংক ওপেন করার জন্য আমি একটা ব্রাউজার ওপেন করে নিচ্ছি।

তারপর ফিশিং লিংকটি ব্রাউজারের ইউআরএল বারে পেস্ট করে গো তে চাপ দিবো।

তারপর লিংকটি ওপেন করার সাথে সাথে হ্যাকার আমার/ভিক্টিমের আইপি অ্যাড্রেস পেয়ে যাবে এবং আমি/ভিক্টিম নিচের মতো ভোটিং ইন্টারফেস দেখতে পারবো।

এবার এখান থেকে আমাকে/ভিক্টিমকে ভোট দিতে হবে। এর জন্য এখানে আমাকে/ভিক্টিমকে নিজের নাম এবং পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়া ও পছন্দের রং- এ চেকমার্ক দিয়ে নিচে Submit বাটনে ক্লিক করতে হবে।

Submit বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মতো ফেসবুক লগইন পেজ ওপেন হবে এবং এখানে লেখা থাকবে Sign in to complete poll এর মানে হচ্ছে ভোটিং এখনো কম্প্লিট হয় নি, ভোটিং কম্প্লিট করতে হলে আমাকে/ভিক্টিমকে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করতে হবে।

যেহেতু ভোটিং কম্প্লিট হয় নি তাই ভোটিং কম্প্লিট করার জন্য আমি/ভিক্টিম আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি এখন লগইন করবো। এখানে আমি আমার জিমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Sign in বাটনে ক্লিক করলাম।

Sign in বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে হ্যাকার আমার/ভিক্টিমের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটির লগইন ইনফরমেশন পেয়ে যাবে।

ঠিক একইভাবে আপনারা জিমেইল বা ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদির ফিশিং লিংক জেনারেট করতে পারবেন এবং তা ভিক্টিমকে পাঠিয়ে তাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারবেন যদি কিনা আপনি ভিক্টিমকে বোকা বানাতে পারেন।

আসলে এখন ফিশিং এর মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া অনেক কঠিনই বলা চলে। তবে অসম্ভব নয়।ফিশিং এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট হ্যাক বা তথ্য হাতিয়ে নিতে অবশ্যই আপনার Social Engineering স্কিল থাকতে হবে। আপনি যতো Social Engineering এ দক্ষ হবেন ততো আপনার সাকসেস হওয়ার চান্স বেড়ে যাবে।

আপনাকে অবশ্যই ইউআরএল মাস্ক কি এবং কেন করতে হবে তা জানতে হবে। ইউআরএল মাস্কিং নিয়ে আমি একটা পোস্ট করেছি চাইলে আমার প্রোফাইলে গিয়ে পড়ে আসতে পারেন।
তাছাড়া ফিশিং লিংক দিয়ে অ্যাপ বানিয়েও ভিক্টিমকে বোকা বানাতে পারেন। এক কথায় আপনার মস্তিষ্ককে কাজে লাগাতে হবে এবং কিভাবে ভিক্টিমকে বোকা বানানো যায় সেটা বের করতে হবে।

টুলটি অবশ্যই শেখার জন্য ব্যবহার করবেন। এর দ্বারা কারো কোনো ক্ষতিসাধন করলে সমস্ত দ্বায়ভার আপনাকেই বহন করতে হবে। এর জন্য টুল ডেভেলপার বা ট্রিকবিডি কোনোভাবেই দ্বায়ী থাকবে না।

আজকে এ পর্যন্তই।
বুঝতে বা আমার লেখায় কোন ভুল-ত্রুটি থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এতক্ষণ লেখাটি পড়ার জন্য। আপনার সময় অনেক অনেক ভালো কাটুক।

ফেসবুকে আমি

পোস্টটি প্রথম প্রকাশিত হয় আমার ব্লগ kih-lagbe.blogspot.com

The post [Phishing/Termux] ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক [Hack facebook account with phishing method ] appeared first on Trickbd.com.