Tuesday, August 10, 2021

Mx Player এর অতিরিক্ত ফোল্ডার ডিলেট হচ্ছে না ? সমস্যা সমাধান

Mx Player এর অতিরিক্ত ফোল্ডার ডিলেট হচ্ছে না ? সমস্যা সমাধান

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন ? আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আজকে আমি আপনাদের “Mx Player এর অতিরিক্ত ফোল্ডার ডিলেট হছে না” এই সমস্যার সমাধান দিবো ।

⊗তো আগে জেনে নি যে Mx player এ কেমন সমস্যা হচ্ছে,

নিচের স্কিনশট এ দেখতে পারছেন যে অনেক গুলো ফোল্ডার অটোমেটিকেলি ক্রিয়েত হয়ছে , কিন্তু ফোল্ডার গুলো ডিলেট করে Mx player রি-ওপেন করলে আবারও  ফোল্ডার গুলো চলে আসছে
IMG-20210809-220635

 

〉 এবার চলুন সমাধান পর্ব শুরু করি:

⇒প্রথমে আপনার মোবাইল থেকে Mx Player অ্যাপ টি ওপেন করুন
IMG-20210809-220447

⇒এরপর বাম পাশের কোনাই থাকা থ্রী লাইন মেনুতে ক্লিক দিবেন
IMG-20210809-220750

⇒Local Player Settings এ ক্লিক দিবেন
IMG-20210809-220835

⇒এরপর উপরে থাকা List এ ক্লিক দিবেন
IMG-20210809-220908

⇒তারপর নিচে স্ক্রল করে File Extensions এ ক্লিক দিবেন
IMG-20210809-220945

⇒এখানে অনেক গুলো এক্সটেনশন দেখতে পারবেন , একটু নিচে স্ক্রলিং করলেই OGG এক্সটেনশন পাবেন, এরপর এটাই ক্লিক দিবেন
IMG-20210809-221129

⇒এরপর নিচে থাকা Remove এ ক্লিক করলেই এক্সটেনশন টি ডিলেট হয়ে যাবে
IMG-20210809-221232

⇒এবার Mx Player অ্যাপ টি রিসেন্ট অ্যাপ থেকে কেটে আবার ওপেন করুন,

এখন আপনি আর কোনো অতিরিক্ত ফোল্ডার দেখতে পারবেন না
Screenshot-2021-08-09-22-13-04-421-com-mxtech-videoplayer-ad
আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে ,

আর কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন ।

ট্রিকবিডিতে এটি আমার ২য় পোস্ট।ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। –Md Ibrahim Hossain

↑(আমাকে ফেসবুকে পেতে উপরের নামে ক্লিক করুন)

The post Mx Player এর অতিরিক্ত ফোল্ডার ডিলেট হচ্ছে না ? সমস্যা সমাধান appeared first on Trickbd.com.


Denial of Service (DoS) / DDoS Attack কি ? কিভাবে DoS Attack করতে হয় ?

Denial of Service (DoS) / DDoS Attack কি ? কিভাবে DoS Attack করতে হয় ?

 

Denial of Service Attack হচ্ছে সাময়িকভাবে বা অনির্দিষ্টকালের জন্য ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত একটি হোস্ট সেবা ছিন্ন বা স্থগিত
করার প্রচেষ্টা !

সহজ বাংলায় একটি ডিভাইস এবং একটি ইন্টারনেট সংযোগ এর সাহায্যে নির্দিষ্ট একটা ওয়েব সাইট কিংবা সার্ভার কে সাময়িকভাবে বা অনির্দিষ্টকালের জন্য ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে ঐ ওয়েব সাইট কিংবা সার্ভারে কাউকে প্রবেশ করতে না দেয়াই হচ্ছে Denial of Service Attack !

আর একাধিক ডিভাইস এবং একাধিক ইন্টারনেট থেকে Denial of Service Attack করা হলে তাকে Distributed Denial of Service (DDoS)  Attack  বলা হয় !!

যে সকল টুলস দিয়ে এই অ্যাটাক করা হয় তাদের মধ্যে অন্যতম কিছু টুলসের নাম ও লিঙ্ক :

1. LOIC (Low Orbit Ion Canon)

2. HOIC (High Orbit Ion Canon)

3. Ping Of Death

এটা খুব সহজ একটা DoS পদ্ধতি !

CMD (command prompt)  ওপেন করেন এবং টাইপ করেন

=>   nslookup Site Name

(উদাঃ  nslookup http://www.facebook.com)

তারপর একটা IP দেখতে পাবেন ! আইপিটা কপি করে রাখুন তারপর আবার টাইপ করেন :

=> ping কপি করে রাখা আইপি  -t -l 65500  -n 10000000  -w 0.00001

-t = Pings the specified host until stopped.

-l = Send buffer size.

-n 10000000 = Count Number of echo requests to send.

-w 0.00001 = Timeout in milliseconds to wait for each reply.

আর বাকি টুলস গুলার কাজ খুব এ সহজ না বুঝলে টিউমেন্ট করবেন ! সবাইকে ধন্যবাদ !

Do Not Copy ! Copying Don’t Make You Writer !  😉 

কেমন লাগলো জানাবেন !! ধন্যবাদ !

The post Denial of Service (DoS) / DDoS Attack কি ? কিভাবে DoS Attack করতে হয় ? appeared first on Trickbd.com.


4G চলবে সুপার স্পিডে মাত্র ০১ টি সেটিংসে

4G চলবে সুপার স্পিডে মাত্র ০১ টি সেটিংসে

আসসালামুয়ালাইকুম,

কেমন আছেন সবাই ? আমি আল্লাহর রহমতে ভালো আছি । তো পোস্টটির টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন যে কি সম্পর্কে পোস্ট ।

আজকে‌ একটি সেটিংস শেয়ার করব যেটার মাধ্যমে আপনি আপনার 4G এর speed সুপার স্পিড‌ করতে পারেন । তবে না পারলেও আগের থেকে কিছুটা হলেও বৃদ্ধি করতে পারেন ।

শুরু করার আগে কয়েকটি শর্ত আছে যেগুলোর একটিও যদি মিলে যায় তাহলে স্পিড না বাড়লে আমার দোষ নেই ।

০১. আপনার ফোনটি 4g না হওয়া ।

০২. আপনার সিম টি 4g না হওয়া ।

০৩. আপনার এলাকায় 4g না থাকা ।

০৪. আপনার এলাকায় 4g থাকলেও আপনার ফোনে 4g না পাওয়া ।

তো এখন দেখাবো যে কিভাবে আপনি আপনার 4g এর স্পিড কিছুটা হলেও বৃদ্ধি করবেন ।

তো এর জন্য আপনার ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে sim card and Mobile data অপশন এ যাবেন । আপনার ফোনে অন্য রকমও থাকতে পারে । সেক্ষেত্রে আপনি খুঁজে বের করবেন Access points names or APN .

এরপর আপনার সিম কার্ড সিলেক্ট করবেন মানে আপনি যে সিম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ।

এখানে বের করবেন APN

তারপর সেখানে চলে যাবেন । এখানে আপনাকে দেখাবে আপনি যে এপিএন‌ দিয়ে মোবাইলের ব্যবহার করেন এখানে ক্লিক + আইকনে ক্লিক করবেন । আপনার ফোনে অন্য রকমও থাকতে পারে ।

এখানে Name‌ এ ক্লিক করবেন ।

এখানে নেম এ দেবেন 8.8.8 দিয়ে ok-তে ক্লিক করবেন ।

এরপর এখানে APN এ ক্লিক করবেন করে 8.8.8.4 G এটা দেবেন ।

এরপর সার্ভারে ক্লিক  করবেন ।

এখানে দেবেন www.google.com দিয়ে ওকে তে ক্লিক করবেন ।

এরপরে এটাকে সেভ করে সেট করবেন ।

প্রমাণ স্বরূপ এই ভিডিওটি দিচ্ছি ।

আমি নিজেও 2 মাস ধরে এটি ব্যবহার করছি ।পোস্টটি বুঝতে কোন প্রকার অসুবিধে হলে আমার ভিডিওটি দেখতে পারেন ভিডিওটি দেখার জন্য  ক্লিক করুন এখানে

আমার চ্যানেলে পাবেন আপনি এই টিউটোরিয়াল টার মতো আরও অনেক টিউটোরিয়াল এবং মোবাইল রিলেটেড বিভিন্ন প্রকার টিপস-এন্ড-ট্রিকস তো আপনি চাইলে আমার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে পারেন । আমার চ্যানেলে যেতে

ক্লিক করুন এখানে 

আমার আরো পোস্ট দেখতে এখানে ক্লিক করুন

 

The post 4G চলবে সুপার স্পিডে মাত্র ০১ টি সেটিংসে appeared first on Trickbd.com.


Thursday, August 5, 2021

করোনা (কোভিড-১৯) এর টিকার জন্য নিবন্ধন করুন সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে

করোনা (কোভিড-১৯) এর টিকার জন্য নিবন্ধন করুন সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Covid Vaccine এর Registration করবেন ঘরে বসেই সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে ঃ

তো চলুন শুরু করি:

প্রথমে আপনারা গুগল প্লে স্টোর থেকে সুরক্ষা অ্যাপ ইন্সটল করে নিন, ডাউনলোড করুন >> Download

IMG-20210730-151712
ইন্সটল সম্পূর্ণ হয়ে গেলে সুরক্ষা অ্যাপটি ওপেন করবেন।

ওপেন হয়ে গেলে ভাষা সিলেক্ট করবেন, তারপর নিচের স্কিনশট অনুযায়ী ক্লিক করবেন
IMG-20210730-153714
‘নির্বাচন করুন’ এ ক্লিক করুন
IMG-20210730-154144

আপনি যদি সাধারণ নাগরিক হয়ে থাকলে ‘নাগরিক নিবন্ধন‘ এ ক্লিক করুন

অথবা অন্য কর্মচারী হলে সেটাই ক্লিক করুন
IMG-20210730-155156

তারপর আইডি নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়ে ‘যাচাই করুন‘ এ ক্লিক করূন
IMG-20210730-155248
এবার আপনার সচল মোবাইল নাম্বার দিয়ে ‘পরবর্তী‘ তে ক্লিক করুন
IMG-20210730-155418
নিচের যেকোনো রোগ থাকলে হ্যাঁ অথবা না থাকলে না দিবেন, তারপর পরবর্তী‘অপশনে ক্লিক দিবেন
IMG-20210730-155517

আপনার যদি আগে থেকে কোভিড-১৯ কাজে জড়িত থাকেন তাহলে হ্যাঁ দিবেন অথবা না দিবেন,

আর আপনার পেশা সিলেক্ট করবেন,  তারপর ‘পরবর্তী‘ অপশনে ক্লিক দিবেন

IMG-20210730-155621
পেশা অপশনে আপনার পেশা খুজে না পেলে অনন্য দিন, তারপর আবার ‘পরবর্তী‘ অপশনে ক্লিক দিবেন
IMG-20210730-155640
এবার আপনার বর্তমান ঠিকানা দিবেন , তারপর আবার ‘পরবর্তী‘ অপশনে ক্লিক দিবেন
IMG-20210730-155737
নির্বাচন করুন অপশন এ ক্লিক দিয়ে আপনার নিকটস্থ কেন্দ্র সিলেক্ট করুন,

আর নিচের স্কিন্সট অনুযায়ী টিক বক্সে ক্লিক করুন, তারপর সংরক্ষন করুন অপশন এ ক্লিক করুন
IMG-20210730-155822
তারপরে আপনার মোবাইল নাম্বারে অটিপি কোড যাবে সেটা নিচের বক্সে টাইপ করে যাচাই করুন এ ক্লিক করুন
IMG-20210730-155942

এইভাবে আপনার নিবন্ধন সম্পুরন হবে

আর  মোবাইলে একটি কনফার্মেশন মেসেজ যাবে।

পরিশেষে টিকা কার্ড সংগ্রহ করতে হবে, স্কিন্সট অনুযায়ী টিকা কার্ড সংগ্রহ তে ক্লিক করুন

IMG-20210730-165754
তারপর আবার জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিয়ে যাচাই অপশন এ ক্লিক করূন
IMG-20210730-165828
আবার আপনার মোবাইলে একটি অটিপি যাবে , সেটা টাইপ করে  যাচাই করুন অপশন এ ক্লিক করুন
IMG-20210730-165903
সংগ্রহ করুন অপশন থেকে আপনার টিকা কার্ড টি ডাউনলোড করে নিন।
IMG-20210730-165950

এবার যেকোনো প্রিন্টিং প্রেস থেকে টিকা কার্ড টি প্রিন্ট করে নিন

টিকা দানের তথ্য মেসেজের মাধ্যমে পাবেন আর অবশ্যই টিকা কার্ড সঙ্গে নিয়ে যাবেন।

এবার কয়েকটি প্রশ্নও উত্তর:

>>সফলভাবে ভ্যাকসিনের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তী সময়ে মোবাইল ফোনে SMS এর মাধ্যমে ভ্যাকসিনের তারিখ ও কেন্দ্র জানানো হবে।
>>কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের দুইটি ডোজ গ্রহণ করতে হবে।
>>কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের দুইটি ডোজ সম্পন্ন হওয়ার পর www.surokkha.gov.bd ওয়েব পোর্টালে “টিকা সনদ সংগ্রহ” মেনু হতে জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর যাচাইপূর্বক ভ্যাকসিন সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।
>>টিকাদানকর্মী তাঁকে কার্ডটি পুনরায় প্রিন্ট করে নিয়ে আসতে অনুরোধ করবেন
>>সে যদি নির্দিষ্ট ঐ তারিখের টিকা প্রাপ্তির তালিকার অর্ন্তভুক্ত হন তবে টিকা দেয়া যাবে। টিকাদানকর্মী অবশ্যই অনলাইনে হালনাগাদ করবেন।
>>অন্য সকল ঔষধ কিংবা টিকার মতো এই টিকারও কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলো খুবই মৃদু হয়ে থাকে যেমন – টিকার স্থানে ব্যথা, ফোলা, লালচে ভাব, মাংশপেশী ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাব, জ্বর, ক্লান্তি ইত্যাদি। ক্লিনিকাল ট্রায়াল হতে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী এখনও পর্যন্ত মারাত্মক কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়নি। তবে আপনার যে কোন সমস্যা হলে অবশ্যই দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যান এবং চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করুন।

ট্রিকবিডিতে এটি আমার প্রথম পোস্ট।ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।

-Md Ibrahim Hossain

The post করোনা (কোভিড-১৯) এর টিকার জন্য নিবন্ধন করুন সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে appeared first on Trickbd.com.


ব্লগিং কেন করবেন । ব্লগিং এর সুবিধা 2021। ব্লগিং গাইডলাইন

ব্লগিং কেন করবেন । ব্লগিং এর সুবিধা 2021। ব্লগিং গাইডলাইন

যদি আপনি একটি ব্লগ
বা ওয়েবসাইট তৈরি করে অর্থ উপার্জনের চিন্তা করছেন, তাহলে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরির আগে অবশ্যই ব্লগিং এর সুবিধা এবং ব্লগিং এর অসুবিধা সম্পর্কে জেনে নিন। আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে ব্লগিং এর সুবিধা কি  এবং ব্লগিং এর অসুবিধা কি কি?

আজ আমাদের দেশে প্রতিভার অভাব নেই। শুধু তাদের চিনতে হবে। আপনার যদি লেখালেখি করার প্রতিভা থাকে, তাহলে ব্লগিং আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে । অন্য কথায় আমরা বলতে পারি যে এটি ব্লগিংয়ের সবচেয়ে বড় শর্ত যে আপনার নতুন কিছু লেখার ক্ষমতা আছে। আপনার ভাবনাগুলোকে কথায় প্রকাশ করার ক্ষমতা আপনার থাকুক।

আপনি যদি নতুন, বিনোদনমূলক, তথ্যবহুল, অনুপ্রেরণামূলক কিছু লিখতে পারেন, তাহলে ব্লগিংয়ের ক্ষেত্র আপনার জন্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আসুন এবং এই ক্ষেত্রে আপনার উদ্যোগ দেখান। নিজেকে প্রমাণ করূন.

আমি আপনাকে আবারও বলছি যে আপনার যদি নতুন কিছু লেখার ক্ষমতা থাকে তবে কেবল এই ক্ষেত্রে আসুন, অন্যথায় আপনি এই ক্ষেত্রে আপনার সময় নষ্ট করবেন। আপনি যদি এই ক্ষেত্রে লম্বা রেসের ঘোড়া হতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই লিখতে জানতে হবে।

ব্লগিংয়ের সুবিধা, ব্লগের অসুবিধা

আপনি যদি ব্লগিং করতে চান, তাহলে আজ আমরা আপনাকে বিস্তারিত বলছি ব্লগিং এর  সুবিধা কি? ব্লগ তৈরির অসুবিধা কি?

1. ব্লগিং এর উপকারিতা – নিজের মালিক হোন

ব্লগিং এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনার উপর কোন চাপ নেই। অন্য কথায় আমরা বলতে পারি যে আপনি আপনার নিজের বস। যখন আপনি চান কাজ করুন, যখন আপনি চান না তখন কাজ করবেন না।

আপনি কোন চাকরিতে এত সুবিধা এবং স্বাধীনতা পেতে পারেন না। আপনি যখন একটি কাজ করছেন, তখন আপনাকে কাজ করতে হবে। আপনার একজনও আপনার বসের সামনে হাঁটছেন না। এর ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি যে ব্লগিং যেকোনো কাজের চেয়ে অনেক গুণ ভালো।

2. ব্লগিং এর উপকারিতা – ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করুন

ব্লগিংয়ের দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনি ঘরে বসেও এই কাজটি করতে পারেন। আপনার কোথাও যাওয়ার দরকার নেই। বাড়ি থেকে কাজ করা আপনাকে অন্যরকম আরাম দেয়। আজ অনেক মানুষ আছেন যারা ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করতে চান, কিন্তু তারা চাইলেও তা করতে পারেন না। ব্লগিং এই কাজটি সহজেই করতে পারে।

কে রোদ বা কঠোর শীতে কাজের জন্য বাড়ি ছেড়ে যেতে চায়? আমরা বাড়ির বাইরে যেতে বাধ্য। আপনি যদি ব্লগিং করেন তাহলে আপনার কোথাও যাওয়ার দরকার নেই। আপনি ঘরে বসে বসে এক কাপ চা অথবা কোল্ড ড্রিঙ্ক পান করে আরাম করে এই কাজটি করতে পারেন এবং অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

3.ব্লগের সুবিধা – যখনই ইচ্ছা ছুটি নিন
আমরা যখন কোনো কাজ করি, তখন আমাদের বসের কাছ থেকে ঘুরে বেড়ানোর জন্য কিছু অজুহাত দিতে হয়। কখনও কখনও আমাদের অজুহাত কাজ করে, কখনও কখনও তা করে না। আমাদের বন্ধুরা বেড়াতে বের হয় এবং আমরা ফেসবুকে আমাদের বন্ধুদের ছুটির ছবি পছন্দ করতে থাকি। ব্লগিং এর ক্ষেত্রে এমন হয় না।

আপনি যদি আপনার বন্ধু বা পরিবারের সাথে কোথাও ভ্রমণ করতে চান, তাহলে আপনাকে কারো অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনি যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারেন, যত দিন যেতে চান। এর মধ্যে, আপনি আপনার কাজও বন্ধ করতে পারেন। এইভাবে, এর মধ্যে কাজ বন্ধ করা আপনার উপার্জনকে প্রভাবিত করবে না।

4. ব্লগিং এর সুবিধা – কাজ না করার জন্যও টাকা নিন
আমরা যখন কোন চাকরি বা ব্যবসা করি, তখনই আমরা টাকা পাই যতক্ষণ আমরা কাজ করতে থাকি। কাজ না করার অর্থ হল – কাজ নেই, টাকা নেই। এক, আমাদের বেতন খুবই কম, যদি আমরা জোর করে কাজে যেতে না পারি, তাহলে এর টাকা আলাদা করে কেটে নেওয়া হয়।

ব্লগিং এর ক্ষেত্রে এমন হয় না। ব্লগিংয়ে, যদি আপনি এক মাস বা 2-4 মাস কাজ করতে না পারেন, তাহলে আপনি এর জন্য অর্থও পান। এমনকি আপনি ব্লগিং ছেড়ে দিলেও আপনি টাকা পাবেন। আমি এটাকে ব্লগিংয়ের একটি বড় সুবিধা মনে করি।

5. ব্লগিং এর সুবিধা – কোন খরচ নেই

আপনি যদি কোন কাজ না করে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই আপনি কোন না কোন ব্যবসার কথা ভাবছেন। যে কোন ব্যবসার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে এত টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। এমনকি যদি কোনোভাবে আমরা টাকা সংগ্রহ করে ব্যবসা শুরু করি, তাহলে আমাদের ব্যবসা চলবে কি হবে না তার নিশ্চয়তা নেই। যদি কোনো কারণে আমাদের ব্যবসা চলতে না পারে, তাহলে আমাদের রাস্তায় আসতে বেশি সময় লাগবে না।

ব্লগিং এর ক্ষেত্রে এমন হয় না। এতে আপনার কিছু বিনিয়োগ করার দরকার নেই। এটা শুনে আপনার নিশ্চয়ই অদ্ভুত লাগছে কিন্তু এটা সত্যি। আপনার ব্লগিং এ কিছু বিনিয়োগ করার দরকার নেই। আপনি বিনা বিনিয়োগে ব্লগিং থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন। বর্তমানে অনেক ব্লগার ব্লগিং থেকে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন।

6. ব্লগিং এর সুবিধা-সেলিব্রিটিদের মত সম্মান
আপনি যদি ব্লগিং করেন তাহলে আপনি একজন সেলিব্রেটির মত সম্মান পাবেন। অনেক নতুন ব্লগারদের জন্য, আপনি একজন সেলিব্রেটির থেকে কম নন। লোকেরা আপনাকে চোখের পাতায় লাগানোর চেষ্টা করে। মানুষ চায় যে আপনি তাদের সাথে একবার দেখা করুন।

আপনার প্রতিপত্তি এবং মর্যাদা উভয়ই সমাজে বৃদ্ধি পায়। আপনি শীঘ্রই মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন। আপনি দেখতে পাবেন, যারা আপনার সাথে কখনো ব্যবহার করেনি তারা আপনার সাথে দেখা করার অজুহাত খুঁজছে। এই সবই ব্লগিং এর মাধ্যমে সম্ভব।

7. ব্লগ তৈরির উপকারিতা – লেখার উন্নতি

যেমনটি আমি আগেই বলেছি যে ব্লগিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলির মধ্যে একটি হল – আপনার লিখতে পারার ক্রিয়েটিভিটি থাকা উচিত। আপনি যখন শুরুতে লেখেন, আপনার লেখায় সেই আঁটসাঁটতা থাকে না। ধীরে ধীরে আপনার লেখার উন্নতি হয়, এটি ব্লগিংয়ের বিস্ময়।

9. ব্লগের উপকারিতা – জ্ঞান বৃদ্ধি

ব্লগিং এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে আমাদের সবসময় নতুন কিছু লিখতে হয়। নতুন বই লেখার জন্য আমাদের ক্রমাগত বই পড়তে হবে। আমাদের সব ধরনের সাহিত্য পড়তে হবে। আমাদের সমাজে আমাদের চারপাশে কী ঘটছে সে সম্পর্কেও আমাদের সচেতন হতে হবে। কোন কিছু লেখার আগে আমাদের তা বিশ্লেষণ করতে হবে। আপনাকে আপনার বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে, আপনাকে মস্তিষ্কচর্চা করতে হবে। এটি আমাদের জ্ঞানের অভূতপূর্ব বৃদ্ধি ঘটায়।

আমরা সমাজে বসে যেকোনো বিষয়ে অর্থপূর্ণ বিতর্ক করতে পারি। আপনি আপনার ধারনা সেমিনার ইত্যাদিতে রাখতে পারেন। আমরা সমাজে উচ্চ মর্যাদা পাই। আমরা যে কোন প্লাটফর্মে আমাদের পয়েন্ট সঠিক ভাবে রাখতে পারি। এই সবই ব্লগিং এর মাধ্যমে সম্ভব।

10. ব্লগিং এর উপকারিতা – আপনার ধারনা প্রকাশ করুন

আমরা ব্লগিং এর মাধ্যমে আমাদের চিন্তা প্রকাশ করতে পারি। ব্লগিং একটি মাধ্যম যা আমাদের চিন্তাকে সমগ্র বিশ্বের সামনে রাখার স্বাধীনতা দেয়। আমরা একই সময়ে,  সকল মানুষের সামনে আমাদের কথা বলতে পারি। ব্লগিং এর মাধ্যমে আমরা নতুন মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারি। আমরা আমাদের জ্ঞান মানুষের সাথে শেয়ার করতে পারি। অথবা আমরাও আমাদের পরিচয় গোপন করে এই কাজটি করতে পারি।

ব্লগিং এর অসুবিধা

ব্লগিং প্রায়ই অর্থ উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম হিসাবে বিবেচিত হয়। অনেক নতুন ব্লগার ব্লগিং এর ক্ষেত্রে আসে এই ভেবে যে এর মধ্যে অনেক টাকা আছে। এই ধরনের ব্লগাররা বেশিদূর যেতে পারে না কারণ তাদের মূল লক্ষ্য অর্থ উপার্জন।

ব্লগিং থেকে অর্থ উপার্জন করা যায় এতে কোন সন্দেহ নেই। আজ মানুষ ব্লগিং থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছে।

খুব কম লোকই জানে যে আজ ব্লগাররা লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছে, প্রাথমিকভাবে উদ্দেশ্য ছিল অর্থ উপার্জন করা নয়। তিনি ব্লগিং শুরু করেছিলেন কারণ এটি তার শখ ছিল। তিনি পছন্দ করতেন যে তিনি তার জ্ঞান এবং চিন্তা মানুষের সাথে ভাগ করতে পারেন, যাতে মানুষ কোথাও উপকৃত হতে পারে।

আজ আমাদের ব্লগিং এর একমাত্র উদ্দেশ্য রয়ে গেছে – অর্থ উপার্জন করা। আমরা ব্লগিং বেছে নিই কারণ আমাদেরও নির্দিষ্ট ব্লগারের মত মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে হয়। আমাদেরও রাতারাতি কোটিপতি হতে হয়েছে। এই ধরনের ব্লগারদের কী হবে, আপনি সহজেই অনুমান করতে পারেন।

এই ধরনের ব্লগারদের ব্লগিং ছেড়ে দিতে খুব বেশি সময় লাগে না। এই ধরনের ব্লগাররা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হয় না কিন্তু তারা অবশ্যই হতাশ, হতাশ, বিচলিত এবং হতাশ হয়ে পড়ে। একই সময়ে, তিনি তার 4-6 মাসের মূল্যবান সময়ও হারান, যাতে তিনি কিছু করতে পারতেন।

আমি বলছি না যে আপনি ব্লগিং অবলম্বন করবেন না। ব্লগিং অর্থ উপার্জনের সেরা প্লাটফর্ম। আপনি অবশ্যই ব্লগিং অবলম্বন করেন, কিন্তু আপনার প্রথম উদ্দেশ্য অর্থ উপার্জন করা উচিত নয়। ব্লগিং আপনার শখ হওয়া উচিত, আপনার প্যাশন হওয়া উচিত। ব্লগিং তাদের জন্য ভালো হবে যদি  শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের জন্য আসা মানুষ ব্লগিং থেকে দূরে থাকে।

এটি ব্লগিং এর সবচেয়ে বড় অসুবিধা।

আশা করি আপনি জানতে পেরেছেন ব্লগিং এর সুবিধা কি এবং এর অসুবিধা কি কি? ব্লগের সুবিধা কি? ব্লগ তৈরির সুবিধা কি?

আপনি যদি আমাদের এই আটি্কেলটি পছন্দ করেন, তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। যদি আপনার মনের মধ্যে ব্লগিং সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে আপনি নীচে কমেন্ট করে আমাদের জিজ্ঞাসা করতে পারেন। আমরা অবশ্যই আপনাকে সাহায্য করব।

আমার ছোটো ব্লগ থেকে ঘুরে আসতে পারেন

The post ব্লগিং কেন করবেন । ব্লগিং এর সুবিধা 2021। ব্লগিং গাইডলাইন appeared first on Trickbd.com.


ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রাম কী এবং কীভাবে জয়েন করবেন?

ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রাম কী এবং কীভাবে জয়েন করবেন?

আসসালামু আলাইকুম,

 

আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।তবে এই লকডাউনে বসে আমার ভালো লাগছে না। সারাদিন যাচ্ছে মোবাইলে। টাইম পাস এর জন্য খেলি ব্যাটল রয়েল গেম। ব্যাটল রয়েল গেম হিসেবে মূলত ফ্রী ফায়ার খেলি। ফ্রী ফায়ার খেলতে গিয়ে জানতে পারলাম ফ্রী ফায়ার এর পার্টনার প্রোগ্রাম এর বিষয়ে।ভাবলাম আপনাদেরও জানিয়ে দেই।

 

পার্টনার প্রোগ্রাম কী তা না জানলে পড়ে নিনঃ সহজ কথায় পার্টনার প্রোগ্রাম হলো একটি ব্যবসায়িক কৌশল।যার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট গুলো ব্যাপকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।এক্ষেত্রে কোম্পানি গুলো বিভিন্ন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের তাদের পার্টনার প্রোগ্রামে নিযুক্ত করে। এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা কোম্পানি এবং কোম্পানির প্রোডাক্ট গুলো মানুষের কাছে তুলে ধরে। এতে করে কোম্পানির জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়।

 

তো এবার ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রাম কী এবং কীভাবে জয়েন করবেন তা জানিয়ে দেইঃ

ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রামঃ

ফ্রী ফায়ার তাদের গেমটা কে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কে সুযোগ করে দিচ্ছে। এসব কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তারাই যারা ফ্রী ফায়ার গেমটি খেলতে ভালোবাসে। বাংলাদেশে অনেক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রয়েছে যারা ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রাম এর সাথে যুক্ত এবং প্রতিনিয়ত ভালো ভালো কন্টেন্ট পাবলিশ করার মাধ্যমে ভালো আয় করতে পারছে। এসব কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে কয়েকজন হলোঃ- Mr. Triple R, Illusionist YT, ZikuVai Official,Gaming With Talha।তাদের মতো আপনিও চাইলে জয়েন করতে পারেন।বিস্তারিত পোস্টের বাকি অংশে বলার চেষ্টা করবো।

 

ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রামে যেভাবে জয়েন করবেনঃ

ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রামে আপনি তিন মাধ্যম থেকে যুক্ত হতে পারবেন।

○ ইউটিউব

○ ফেসবুক

○ টিকটক

 

কিন্তু আপনি চাইলেই যুক্ত হতে পারবেন না এই মাধ্যম গুলোর সাহায্যে। আপনাকে ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রাম এর কিছু রিকোয়ারমেন্ট পূর্ণ করতে বা মানতে হবে।রিকোয়ারমেন্ট গুলো হলো-

 

○ আপনার কন্টেন্ট এর ৮০ শতাংশই ফ্রী ফায়ার সম্পর্কিত হতে হবে।

○ ইউটিউব,ফেসবুক,টিকটক যেকোনো প্ল্যাটফর্মে যথাক্রমে ১ লক্ষ সাবস্ক্রাইবার,১ লক্ষ ফলোয়ার,২ লক্ষ টিকটক ফলোয়ার হতে হবে।

○ আপনার দেওয়া কন্টেন্ট সচ্ছ হতে হবে এবং কোনো ভাবেই আক্রমণাত্মক হওয়া যাবে না।

○ গেমিং এর প্রতি আবেগ এবং মানুষ কে আকর্ষণ করার মতো কন্টেন্ট বানানোর সক্ষমতা থাকতে হবে।

 

এই হলো তাদের রিকোয়ারমেন্ট। আপনার চ্যানেল/পেইজ যদি এই রিকোয়ারমেন্ট গুলো পূর্ণ করে তাহলে আপনি পার্টনার প্রোগ্রাম এর জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। কিন্তু এপ্লাই করবেন কীভাবে?

 

তা নিয়েও চিন্তা করতে হবে না।আমি স্টেপ বাই স্টেপ দেখিয়ে দিবো।

যেভাবে এপ্লাই করবেনঃ

 

○ প্রথমেই BD Pre-Register এ যান। এরপর লগ ইন করা না থাকলে লগ ইন করে নিন।

○ ছবিতে মার্ক করা Partner Program অপশনে ক্লিক করুন।

○ তারপর Join Us Now বাটনে ক্লিক করুন।

○ এরপর তারা আপনাকে Survey Cake ওয়েবে নিয়ে যাবেন। ওই পেজ থেকে আপনারা রিকোয়ারমেন্ট গুলো পড়ে নিতে পারবেন। পেজটা তে একটা ভূল রয়েছে তা হলো ফেসবুক ফলোয়ার ৫০হাজার লিখে রেখেছে।আপনারা আবার আমাকে ভূল ভাববেন না।

○ রিকোয়ারমেন্ট পড়ে নেওয়ার পর একটু নিচে স্ক্রল করলেই একটা ফর্ম দেখতে পারবেন। ছবিতে আমি আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে ফর্ম পূরণ করে দেখিয়েছি(যদিও আমার কোনো চ্যানেল নেই)।

○ ফর্মটা ঠিক ভাবে পূরণ করার পর আপনাকে সাবমিট অপশনে ক্লিক করতে হবে।

 

○ সাবমিট অপশনে ক্লিক করার পর ছবির মতো একটি লেখা দেখবেন। লেখাটি দেখলে বুঝবেন তারা আপনার চ্যানেল/পেজ রিভিউ করার জন্য সিলেক্ট করেছে।

রিভিউ করার পর তারা আপনার চ্যানেল/পেজ কে অন্য চ্যানেল/পেজের সাথে শর্টলিস্ট করবে।যদি শর্টলিস্ট পর্যন্ত আসতে পারেন তাহলে আপনার পার্টনার প্রোগ্রামে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ভাগ

 

পার্টনার প্রোগ্রাম এর মেম্বারশিপ পাওয়ার কিছু সুবিধা আছে,যেমনঃ

 

○ ইন-গেম আপনাকে বিভিন্ন রিওয়ার্ড দেওয়া হবে যা অন্য সাধারণ প্লেয়াররা পাবে না।

○ দরকার হলে অর্থনৈতিক সহযোগিতাও করা হবে।

○ ফ্রী ফায়ার টিম আপনাকে আপনার চ্যানেল/পেজ গ্রো করাতে সাহায্য করবে।

○ এক্সক্লুসিভ গেম আইটেম এবং আপকামিং আপডেটের এ্যাডভান্স এক্সেস দেওয়া হবে।

তো এই ছিল ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রাম। ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রামে জয়েন হতে পারলে আপনি গেম আইডিতে দারুণ একটা বেজ পাবেন। যার নাম V বেজ।

আজকের আলোচনা এই পর্যন্তই। সুন্দর,সাবলীল এবং সহজ ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। ভূল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।

The post ফ্রী ফায়ার পার্টনার প্রোগ্রাম কী এবং কীভাবে জয়েন করবেন? appeared first on Trickbd.com.


কম সাইজের সেরা একটি ভিডিও এডিটিং এ্যাপ “ভিডিওলিপ”

কম সাইজের সেরা একটি ভিডিও এডিটিং এ্যাপ “ভিডিওলিপ”

আসসালামু আলাইকুম,

 

আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন।আজকে আমি আপনাদের সাথে ল্যাটেস্ট রিলিজ পাওয়া একটি ভিডিও এডিটিং এ্যাপ এর ফিচার গুলো নিয়ে কথা বলবো।

 

তো চলুন শুরু করি।

 

লাইটট্রিকস লিমিটেড তাদের আরো একটি এডিটিং এ্যাপ এন্ড্রয়ডে রিলিজ করলো।এটি তাদের এন্ড্রয়েড স্টুডিওর পঞ্চম এ্যাপ যার নাম Videoleap।এর আগেও তাদের রিলিজ করা Motionleap এবং Facetune2 এ্যাপ দুটি ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলো।প্লে স্টোরে দুটি এ্যাপেরই ৫০মিলিয়ন+ ডাউনলোড এর পাশাপাশি এ্যাপ দুটির রেটিং ৪+

আজকে মূলত Videoleap নিয়েই কথা বলবো

এ্যাপটি অফিসিয়াল ভাবে রিলিজ হয়েছে ২৭ জুলাই ২০২১ তারিখে।এবং ২৯ তারিখ এ্যাপটির 1.0.6 আপডেট আনা হয়েছে।এ্যাপ সাইজ মাত্র ৭৪ মেগাবাইট। iOS ভার্সনও অনেক আগে থেকেই রয়েছে এ্যাপল স্টোরে।

এবার চলুন এ্যাপটির ফিচার সম্পর্কে জেনে আসি।

 

ভিডিও এডিটিং এর যত সব ফিচার রয়েছেঃ

 

১. রয়েছে Green Screen/Chroma Key ফিচার।

২. আছে ভিডিও লেয়ার এ্যাড করার দারুণ ফিচার।

৩. Non-Destructive এডিটিং ফিচার রয়েছে যার মাধ্যমে শত এডিট করার পরও ভিডিও কোয়ালিটি খারাপ হবে না।

৪. ইচ্ছে মতো Undo/Redo করতে পারবেন।অর্থাৎ এডিট করার পর চাইলে এডিট টা বাদ দিতে পারবেন।আবার যদি এ্যাড করতে ইচ্ছে করে তাহলে এ্যাড করতে পারবেন।

ভিডিও এডিটের জন্য বিশেষ ভিডিও ইফেক্টস এবং ফিল্টারস হিসেবে যা যা থাকবেঃ

 

১. টেক্সটে ফন্ট,ইমোজি,শ্যাডো,কালার,ব্লেন্ডিং এ্যাড করতে পারবেন।

২. ইউনিক এবং এডজাস্টেবল ফিল্ম ফিল্টার পাবেন সবসময়।

সাউন্ড এডিটিংঃ

 

১. অডিও ফেইড-ইন ফেইড-আউট করতে পারবেন।

২. অডিও ভলিউম কন্ট্রোল করার সুযোগও রয়েছে।

এছাড়াও যেসব ছোট-খাটো ফিচার গুলো থাকবেঃ

 

১. ভিডিও স্পিড পরিবর্তন,

২. ক্লিপ এডিটিং,

৩. কালার এডজাস্টমেন্ট,

৪. এসপেক্ট রেশিও পরিবর্তন,

৫. ব্যাকগ্রাউন্ড কালার কাস্টমাইজেশন।

 

আপনাদের সাহায্যের জন্যঃ

○ মিনি টিউটোরিয়াল,

○ অটো প্রজেক্ট সেভিং,

○ ভিডিও এডিটের পর ফুল স্ক্রিন প্রিভিউ।

অসুবিধাঃ

১. ইউটিউবের জন্য ভালো ভিডিও বানাতে পারবেন না,

২. নতুন রিলিজ হওয়ার কারণে এ্যাপ ক্র্যাশ করছে বার বার,

৩. ইমপোর্টিং প্রবলেম হচ্ছে।

 প্লে স্টোর লিংকঃ  Videoleap By Lightricks

 

এখন আসি এ্যাপটি কেন ইন্সটল করবেন সে আলোচনায়ঃ এ্যাপটির যাত্রা শুরুতেই এসব ফিচার গুলো দেখে এ্যাপটি আমার কাছে ভালোই লেগেছে।সব মোবাইল ভিডিও এডিটর গুলোতে আপনি ভিডিও লেয়ার এ্যাড করার টুল কিন্তু পাবেন না।তারপর আসে ক্রোমা কী,দারুণ একটা ফিচার।কিন্তু এই দারুণ ফিচার সব এডিটরে দারুণ ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন না।ভিডিও লিপ কিন্তু এই ফিচারটি দারুণ ভাবে তৈরী করেছে।ইউজ করে দেখলেই বুঝবেন।আরেকটা কথা এই এ্যাপের মাধ্যমে কিন্তু আপনি ইন্সটাগ্রাম,টিকটকের জন্য দারুণ ভিডিও বানাতে পারবেন।সবশেষে বলবো আপনারা ইন্সটল করে জানাবেন এ্যাপটি কেমন।

 

ট্রিকবিডিতে এটি আমার প্রথম পোস্ট।ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।

The post কম সাইজের সেরা একটি ভিডিও এডিটিং এ্যাপ “ভিডিওলিপ” appeared first on Trickbd.com.


Tuesday, August 3, 2021

ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেসিক 7 টিপস। মার্কেটিং আইডিয়া

ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেসিক 7 টিপস। মার্কেটিং আইডিয়া

মার্কেটিং এর জন্য অর্থ ব্যয় করতে হয়, সন্দেহ নেই, তবে একটি ছোট ব্যবসায় মার্কেটিং এ প্রচুর অর্থ ব্যয় করা কি দরকার?

 

না! আপনি যদি ভাল পরিকল্পনা করেন এবং মার্কেটিং করেন, তবে খুব অল্প অর্থ ব্যয় করার পরেও আপনি আপনার ব্যবসায় প্রষার বাড়িয়ে তুলতে পারেন। এছাড়াও, আপনি বাকী অর্থ অন্য যে কোনও জায়গায় ব্যবহার করতে পারেন।

 

তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু টিপস যা আপনি আপনার ছোট ব্যবসায়ের মার্কেটিং করতে পারেন।

 

1. ওয়েবসাইট তৈরি করুন(create a website)

 

ওয়েবসাইটটি কোনও ব্যবসায়ের প্রথম লিঙ্ক যা এটি তার গ্রাহকদের সাথে সংযোগ করতে ব্যবহৃত হয়। এর জন্য আপনার কোনও ধরণের বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই, তবে ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণরূপে ব্যবহারকারী বান্ধব (user friendly) হওয়া উচিত এবং এটি এমন হওয়া উচিত যে লোকেরা আপনার ওয়েবসাইটে আসছে, তার পরে তারা এতে কিছুটা সময় ব্যয় করতে পারে।

 

আপনি যদি চান তবে আপনি নিজের ওয়েবসাইটটি এসইও এক্সপার্ট দ্বারা একবার পরিদর্শন করতে পারেন যাতে লোকেরা সহজে সার্চ ইঞ্জিনের আপনার ওয়েবসাইটে পৌঁছতে পারে। এগুলি ছাড়াও কিছু প্রযুক্তিগত সরঞ্জামও (tool’s) ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

পরিসংখ্যান অনুসারে, 2020সালে, প্রায় 65% ছোট ব্যবসায়ীরা ওয়েব মার্কেটিং এ অনেক বেশি জোর দিয়েছিলেন। আপনার ব্যবসায়ের মূল মান, আপনার ধারণা এবং মানুষের সুবিধাগুলি ওয়েবসাইটটিতে এটি দেখার সাথে সাথে লোকদের কাছে পৌঁছানো উচিত।

 

2. সামাজিক মিডিয়া মার্কেটিং (social media marketing)

 

সামাজিক মিডিয়া মার্কেটিং বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি ছোট ব্যবসায়ের জন্য উত্সাহের চেয়ে কম কিছু নয়। এতে আপনাকে কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না।

প্রতিটি ব্যবসায়ের জন্য একটি ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ, এগুলি ছাড়াও আপনি নিজের ব্যবসা এবং অবস্থান অনুযায়ী ইনস্টাগ্রাম, টুইটার বা লিংকডইন প্রোফাইল ব্যবহার করতে পারেন ।

তবে একটি ফেসবুক পেজ থাকলে তা অবশ্যই আপনার ব্যবসাটি আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবে, এজন্য আপনাকে প্রথমে আপনার অডিয়েন্স চিহ্নিত করতে হবে এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি নির্বাচন করতে হবে এবং সেখানে আপনাকে তৈরি করতে হবে একটি প্রোফাইল বা পেজ.

 

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে, আপনি ব্যবসায়ের প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায়ে বিজ্ঞাপন চালাতে এবং লোকের কাছে পৌঁছাতে পারেন।

3. ইমেইল মার্কেটিং (email marketing)

আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বা কোনও প্রচারের মাধ্যমে আপনার গ্রাহকদের ইমেল ঠিকানাগুলি পেয়ে থাকেন তবে আপনি সেগুলি ইতিবাচক উপায়ে ব্যবহার করতে পারেন। সুতরাং এগুলি কখনই উপেক্ষা করবেন না এবং তাদের ইমেল মার্কেটিং প্রচারের জন্য ব্যবহার করবেন ।

 

এতে আপনি সময়ে সময়ে আপনার ক্রেতা এবং গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ রাখতে এবং সময়ে সময়ে তাদের নতুন পণ্য বা যে কোনও ধরণের জিনিস সম্পর্কে তাদের অবহিত রাখতে পারেন। ইমেল মার্কেটিং আপনাকে গ্রাহকদের সাথে আপনার সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি আপনি করতে পারেন;

 

– আপনি প্রতি একমাস ইমেল পাঠানোর জন্য অটোমেটিক আপডেট তৈরি করতে পারেন।

 

– এতে আপনি এখন প্রতি সাইন আপকারী ব্যবহারকারীদের স্বাগত (welcome)ইমেল পাঠাতে পারেন।

 

 

4. ব্লগিং করা (create a blogsite)

 

আপনি যদি ব্লগিং করেন তাহলে এটি আপনাকে আপনার ব্যবসায়ের সর্বাধিক পৌঁছায় এবং আপনি এর জন্য সার্চ ইঞ্জিনগুলি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার গ্রাহকদের বেশিরভাগ ব্যবহার করে এমন কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

 

আপনি যদি মনে করছেন যে আপনি নিয়মিত ব্লগ লিখতে পারবেন না, তবে একমাসে দু’একটি পোস্ট দিয়ে শুরু করুন এবং তারপরে সাপ্তাহিক এগুলি বাড়িয়ে দিন।

 

আপনার যদি এমন কোনও কর্মী সদস্য রয়েছেন যারা তাদের বাকী কাজটির সাথে লেখতে পছন্দ করেন তবে আপনি তাদের এই দায়িত্বটি দিতে পারেন। এছাড়াও, আপনি কর্মীদের বাকী সদস্যদেরও একই কাজ করতে বলতে পারেন, কারণ পরিচিতিতে যত বেশি বৈচিত্র্য রয়েছে, তত বেশি লোক এটি পছন্দ করে।

 

 

 5. ভিডিও মার্কেটিং (Video marketing)

ভিডিওর মাধ্যমে লোকের কাছে পৌঁছান

এটি সর্বদা দেখা গেছে যে কোনো কিছু লিখে বুঝানো এর চেয়ে ভিডিও এর মাধ্যমে বেশি লোকের কাছে পৌঁছানো যায়। যাইহোক, এটি বলা হয়ে থাকে যে মানুষের মস্তিষ্ক ছবিগুলি শব্দের চেয়ে 60 গুণ দ্রুত বোঝে। এজন্য আপনার সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে যথাসম্ভব ভিডিও কন্টেন্ট ভাগ করার চেষ্টা করুন । আপনি আপনার ব্যবসায়ের সাথে সম্পর্কিত ছোট ভিডিওগুলিও ভাগ করতে পারেন, যার ভিত্তিতে আপনি পরে প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন চালাতে এবং লোকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন।

 

6. ডিসকাউন্ট 

প্রডাক্ট এর ডিসকাউন্ট কে না পছন্দ করে ! এ কারণেই ছোট ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি সময়োপযোগে আপনার পোডাক্ট এর উপর ছাড় রাখেন এবং এমন সময়ে এমন কিছু প্রচারণা চালান যা লোকদের কাছে আপনার ব্যবসায়কে ব্যাখ্যা করতে পারে এবং আরও বেশি বেশি লোক এর মাধ্যমে আপনার ব্যবসায়ের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।

 

এখানে যখনই আপনি কোনও প্রচার বা ছাড়ের প্রস্তাব রাখেন তখন সেগুলি আপনার সামাজিক মিডিয়া পেজ এ শেয়ার করুন যাতে লোকেরা তাদের সম্পর্কে জানতে পারে।

 

আপনি এখানে একটি রেফারেল প্রোগ্রামও রাখতে পারেন এবং আরও গ্রাহকদের আপনার ব্যবসায়ের সাথে সংযুক্ত করতে পারেন।

 

7. কাস্টমার রিভিউ এর গুরুত্ব দিন

যে কোনও ব্যবসায়ের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হ’ল লোকের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া নেওয়া। লোকেরা আপনার ওয়েবসাইটে যে কোনও গুগল ফর্ম বা কলামের মাধ্যমে তারা যে পণ্যটি কিনেছে সে সম্পর্কে রিভিউ লিখতে বলুন যাতে আপনি সেই অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারেন।

 

এখানে মনে রাখা জিনিসটি হ’ল লোককে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানাতে চাপ দিবেন না। এটি আপনার ব্যবসায়ের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

 

আমার শেষ কথা

 

কাজের পাশাপাশি আপনার চারপাশের লোকদের কাজের জন্য তাদেরও প্রশংসা করা জরুরী staff আপনার কর্মী সদস্যকে সময়ে সময়ে কিছু দিন, যা তারা ব্যবসায়ের প্রচারের জন্য তাদের সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলিতে শেয়ার করে নিতে পারে।

 

আপনি এমন লোকদের ডায়রি, মগ ইত্যাদি দিতে পারেন যেখানে ব্যবসায়ের প্রচার হয়।

 

এই সমস্ত মার্কেটিং টিপসকে মাথায় রেখে আপনি বেশি অর্থ ব্যয় না করে আপনার ব্যবসায়ের বাজারজাত করতে পারেন এবং আপনার গ্রাহকদের কাছে নিজেকে পরিচিত করতে পারেন। তাই দেরি করবেন না এবং এগুলি থেকে আজ থেকেই কাজ করুন এবং আপনার ব্যবসাকে উচ্চতায় নিয়ে যান।

 

আমি এখানে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কিছু আয়ডিয়া শেয়ার করলাম নিয়ে ।যেসব টিপস ব্যাবহার করে আপনি মার্কেটিং এ সফল হতে পারবেন

 

এবং আমার এই আট্রিকেল এ যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে তাহলে আমাকে ভুলটা ধরিয়ে দিবেন এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন দয়া করে । যাতে এরপর থেকে আরো কোয়ালিটিফুল আটি্কেল আপনাদের উপহার দিতে পারি

 

আর আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম জেনারেটপ্রেস লেটেস্ট আপডেটেড প্রিমিয়াম প্লাগিন ।

Download Me

আর ভালো লাগলে আমার সাইটটা থেকে ঘুরে আসতে পারেন site link

The post ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেসিক 7 টিপস। মার্কেটিং আইডিয়া appeared first on Trickbd.com.


Monday, August 2, 2021

ব্যাকলিংক কি। কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন ২০২১

ব্যাকলিংক কি। কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন ২০২১

 

ব্যাকলিংক কি | ব্যাকলিঙ্ক কেন করবেন?

যখন একটি ওয়েবপেজকে অন্য ওয়েবপেজের সাথে লিঙ্ক হিসেবে যুক্ত করা হয়, তখন সেই লিঙ্কটিকে ব্যাকলিংক বলা হয়।

 

উদাহরণস্বরূপ, ধরুন – একটি জনপ্রিয়, সম্মানিত এবং নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট, যেখানে হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ দর্শক তার ওয়েবসাইটে পোস্ট পড়তে আসে, কিন্তু যদি আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক বা ইউআরএল ( url) সেই ওয়েবপেজে থাকে, তাহলে সেই ওয়েবসাইটের ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইটের URL এর মাধ্যমে আপনার ভিজিটর আসতে শুরু করবে । এই URL টিকে ব্যাকলিঙ্ক বা রেফারেল লিংক বলে।

 

” কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা যায় | কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করবেন? আজ আমরা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এর দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ব্যাকলিঙ্কগুলি নিয়ে আলোচনা করব।

 

 

 

ব্যাকলিংকের ধরন | ব্যাকলিংক কত প্রকার?

 

এখন আপনি জানেন ব্যাকলিংক কি। এর পরে আমরা বুঝতে পারব কত ধরনের ব্যাকলিঙ্ক আছে। প্রধানত দুই ধরনের ব্যাকলিংক রয়েছে:

 

DoFollow Backlinks default → ডিফল্টরূপে, আমাদের ওয়েবসাইট বা আর্টিকেলে আমরা যে সকল লিংক তৈরি করি তা হল DoFollow Backlinks। এই ধরনের লিঙ্ক সার্চ ইঞ্জিনে ভালো র‍্যাঙ্কিং পেতে যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্লগকে সাহায্য করে। DoFollow Backlinks এর উদাহরণ:

<a hre f=”trickb,com”> trickbd </ a >

 

NoFollow Backlinks → এই ধরনের লিঙ্কগুলি কোন ধরনের ডাইরেক্ট লিঙ্ক তৈরি করে না এবং সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবপেজকে ranking র্যাঙ্ক করতে সাহায্য করে না। NoFollow Backlinks- এর উদাহরণ:

<a hr e f=”trickbd.com” rel=”nofollow”> trickbd < ব্যাকলিংক/ a>

 

সহজ কথায়, যদি আপনি ব্যাকলিংকে “nofollow” ট্যাগ রাখেন, তাহলে এটি NoFollow Backlink হয়ে যায় অন্যথায় এটি DoFollow Backlink থেকে যায়।

 

ব্যাকলিংকের ধরনগুলো বোঝার পর আমরা এর সাথে সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দকোষ জানার চেষ্টা করব। যা নিম্নরূপ:

 

জুস লিংক (Juice Link) →

যখন কোন একটি ওয়েবপেজের লিঙ্ক আপনার হোমপেজে বা কোন নিবন্ধের সাথে DoFollow লিংক যোগ করে, তখন এই ধরনের লিঙ্ককে জুস লিঙ্ক বলে। এই ধরনের লিঙ্কগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ সেগুলি সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবপৃষ্ঠার র ranking্যাঙ্কিং উন্নত করে এবং আপনার ডোমেন কর্তৃপক্ষকেও বৃদ্ধি করে।

 

উচ্চ মানের লিঙ্ক (high quality link) → যখন একটি জনপ্রিয়, নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট থেকে আপনার কাছে একটি ব্যাকলিংক আসে, তখন তাকে বলা হয় একটি উচ্চমানের লিঙ্ক। এই ধরনের লিঙ্কগুলি সার্চ ইঞ্জিনগুলিতে আপনার ওয়েবসাইটের ranking ্যাঙ্কিং উন্নত করে।

 

নিম্নমানের লিঙ্ক (low quality link)→ এগুলি হল এমন একটি লিঙ্ক যা আপনার কাছে একটি স্প্যাম ওয়েবসাইট (স্প্যাম), অনিরাপদ এবং অনিরাপদ অথবা অশ্লীল বিষয়বস্তু (এডাল্ট সাইট) সহ একটি ওয়েবসাইট থেকে আসে। এই ধরনের লিঙ্ক আপনার ওয়েবসাইটের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই এই ধরনের লিঙ্ক সবসময় এড়িয়ে চলা উচিত।

 

অভ্যন্তরীণ লিঙ্ক (internal link) → যখন আপনি আপনার কোন নিবন্ধ বা পৃষ্ঠার অন্য কোন নিবন্ধ বা আপনার নিজের পৃষ্ঠার সাথে একটি লিঙ্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করেন, তখন এই ধরনের লিঙ্ককে অভ্যন্তরীণ লিঙ্ক বলা হয়।

 

বাহ্যিক লিঙ্ক(external link) → 

যখন আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে অন্য ওয়েবসাইটের সাথে একটি লিঙ্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করেন, তখন এই ধরনের লিঙ্ককে বাহ্যিক লিঙ্ক বলা হয়।

 

অ্যাঙ্কর টেক্সট (anchor text)→ যখন আপনি আপনার আর্টিকেল এ একটি নির্দিষ্ট শব্দে একটি লিঙ্ক যোগ করেন, তখন সেই লেখাটিকে (anchor text) বলা হয়। এটি একটি হাইপারলিঙ্ক হিসেবে কাজ করে। যখন আপনি এটি একটি লক্ষ্যযুক্ত কীওয়ার্ডে ব্যবহার করেন, এটি দুর্দান্ত ভাবে র্যাঙ্ক করবে।

 

ব্যাকলিংকের সুবিধা | (Benefits Of Backlinks )

 

আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য যত খুশি ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন। এর কোন সীমা নেই। কিন্তু ব্যাকলিংক তৈরির সময় মনে রাখবেন যে আপনার সমস্ত ব্যাকলিঙ্ক একটি সম্মানজনক, নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ এবং জনপ্রিয় ওয়েবসাইট দিয়ে তৈরি করা উচিত।

 

এর সাথে, এটিও মনে রাখবেন যে আপনার ব্যাকলিংকগুলি প্রাসঙ্গিক হওয়া উচিত। অর্থাৎ, যদি আপনার ব্লগ ডিজিটাল মার্কেটিং নিশ এর সাথে সম্পর্কিত হয়, তাহলে আপনার ব্যাকলিংকগুলিও ডিজিটাল মার্কেটিং এর মতো নিশ রিলেটেড ওয়েবসাইট থেকে আসা উচিত।

 

আসুন এখন ব্যাকলিঙ্কগুলির সুবিধাগুলি আলোচনা করি:

 

পেজ র্যাঙ্কিং (improve page rangking) উচ্চমানের ব্যাকলিংক পেয়ে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের র ranking্যাঙ্কিং উন্নত হয়, এটি আপনার ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি করে।

 

দ্রুত ইনডেক্সিং (fast indexing) → ভাল ব্যাকলিঙ্কগুলি আপনার ওয়েবপেজগুলিকে দ্রুত গুগলের তালিকাভুক্ত করে। এজন্যই নতুন ব্লগারদের জন্য ভালো ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

ট্রাফিক বৃদ্ধি (increase in traffic)-

ব্যাকলিংক পাওয়ার মাধ্যমে, রেফারিং ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবপেজে ট্রাফিক আসতে শুরু করে, যা আপনার ভিজিটর এবং পেজ ভিউয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।

 

উন্নত আলেক্সা র্যাঙ্কিং visitors আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর এবং পেজ ভিউয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে, আপনার ওয়েবসাইটের অ্যালেক্সা র ranking্যাঙ্কিংও ভাল হয়ে যায়।

 

কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করবেন |(How To Make Backlinks For Website)

 

 

আপনি আপনার ব্লগের জন্য উচ্চমানের ব্যাকলিঙ্ক পেতে নিম্নলিখিত টিপস পড়তে পারেন:

 

 

আপনার ব্লগের উচ্চ মানের কনটেন্ট লিখতে ভালো ভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করেন।ও একটি কনটেন্ট সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে ফুলফিল করবেন। ভিজিটর দের জন্য সহায়তা হবে

 

কমেন্ট করুন → আপনি অন্য কোন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কমেন্ট করে ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন। এটি ব্যাকলিংক তৈরির একটি দুর্দান্ত উপায়। কিন্তু মনে রাখবেন যে ব্লগে আপনি কমেন্ট করছেন তা আপনার ব্লগের বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত হওয়া উচিত।

 

গেস্ট ব্লগিং শুরু করুন –

আপনি অন্য ব্যক্তির ওয়েবসাইট বা ব্লগে গিয়ে আপনার আর্টিকেল পাবলিশ করুন। এবং এই আট্রিকেল এ আপনি আপনার ওয়েবসাইটের URL যুক্ত করতে পারেন। এটি করার মাধ্যমে আপনি ব্যাকলিঙ্কও পেতে পারেন। কিন্তু এই কাজটি শুধুমাত্র নামকরা এবং জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে করুন।

 

 

প্রশ্ন উত্তর ফোরাম

 

ইন্টারনেটে অনেক QnA ফোরাম পাওয়া যায়। Quora বা Medium এর মত। আপনাকে আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্স সার্চ করতে হবে এবং দেখতে হবে কে এমন প্রশ্ন করেছে যার উপর আপনি ইতিমধ্যে আর্টিকেল লিখেছেন।

 

যত তাড়াতাড়ি আপনি আপনার প্রিয় প্রশ্নটি দেখেন, তাতে একটি অর্ধ-অসম্পূর্ণ উত্তর লিখুন এবং আপনার ব্লগের একটি লিঙ্ক দিন। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার সাইটে

 

 

অবশেষে

আমি এখানে ব্যাকলিংক নিয়ে খুব ছোট একটা কনটেন্ট শেয়ার করছি। এবং

আমার এই আট্রিকেল এ যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে তাহলে আমাকে ভুলটা ধরিয়ে দিবেন এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন দয়া করে । যাতে এরপর থেকে আরো কোয়ালিটিফুল আটিকেল আপনাদের উপহার দিতে পারি

<a href=”https://itnowbd.com”>আমার ছোটো ব্লগ</a>

 

The post ব্যাকলিংক কি। কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন ২০২১ appeared first on Trickbd.com.