Tuesday, June 29, 2021

[java-user] Opera Mini 4.21 এ অপেরা মিনি থিম লাগানো শিখুন এবং নিয়ে নিন অসাধারন একটা থিম।

[java-user] Opera Mini 4.21 এ অপেরা মিনি থিম লাগানো শিখুন এবং নিয়ে নিন অসাধারন একটা থিম।

প্রথমে আমার ভালোবাসা নেবেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমার অনেক দিনের শখ যে Trickbd তে পোস্ট করব। তো আজকে সে সপ্ন পুরন হলো।
আজকে আমি কি টপিক নিয়ে হাজির হয়েছি তা হয়ত টাইটেল দেখে বুঝে গেছেন। আজকে আমি Opera Mini 4.21 এ Opera Mini থিম লাগানো শেখাব।
তো যাদের কাছে অপেরা মিনি থিম নেই তারা নিচ থেকে থিমটা Download করে নিন।এই থিমটা Green Color এর মতো।

অনেক জাভা ইউজার আছেন যারা থিম লাগাতে পারেন না।
আবার অনেক জাভা ইউজার আছে যারা অপেরা মিনি থিম কি তা জানেন না?
অপেরা মিনি থিম হলো এমন একটা জিনিস যা অপেরা মিনি এর কালার Chang করে দেয়।ফলে আপনার অপেরা মিনিকে দেখতে অনেক সুন্দর দেখায়।
আজ অনেক কথা বলে ফেললাম,, তো চলুন পোস্ট শুরু করা যাকঃ

অনেক জাভা ইউজার Opera Mini 4.21 ব্যবহার করেছেন।
এই Browser টা দেখতে লাল কালার এর মতো এবং এই Browser অনেক সুবিধা আছে।
কিন্তু এই Browser অনেক অসুবিধাও আছে।
তো চলুন জানা যাক যে opera mini এর থিম কিভাবে আপনার অপেরা মিনি 4.21 এ লাগাবেন।

তো চলুন কিছু Screenshot দেখা যাকঃ
প্রথমে আপনার অপেরা মিনিতে গিয়ে Menu>>Tools>>Setting>>General এ যান


তারপর একটা পেজ আসবে।ঐ পেজের একটু নিচে Change Skin খুজে বের করুন এবং সেখানে ক্লিক করুন।

Change Skin এ ক্লিক করার পর নিচের Screenshot এর মতো একটা পেজ আসাবে।এরপর এখানে আসার পর Menu>>Import এ ক্লিক করুন।

Import এ ক্লিক করার পর আপনার মেমরিতে যান। তারপর যে ফোল্ডার এ আপনি অপের মিনি থীম রাখছেন সেখানে যান এবং অপের মিনি থিম এর ওপর ক্লিক করুন এবং পারমিশন দেন।

থিমটার ওপর ক্লিক করার পর নিচের এর মতো এইখানে আনবে। তারপর Menu>>Save করে দিন।

তার পর দেখুন আপনার অপেরা মিনিতে থিম লাগানো শেষ। আমি Green কালার থিম লাগাইছি তাই আমার অপেরা মিনি Green কালার হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আপনি যে কালারের থিম লাগাবেন আপনার অপেরা মিনি সেই কালার হবে।

তো দেখলেন যে কিভাবে যেকোন অপেরা মিনি থিম আপনার অপেরা মিনিতে লাগাবেন। জাভা ফোন দিয়ে টিউন তৈরি করা অনেক কঠিন। আর আমি একজন জাভা ইউজার। তাই আমার পোস্টের কোথাও ভুল থাকলে নিজ গুণে  ক্ষমা করবেন। এবং ভুল টা ধরিয়ে দিবেন। তাহলে পরবর্তীতে এরকম ভুল হবে না।
পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
এই রে opera mini এর Green Theme টার Download Link তো দেওয়াই হলোনা। তো নিচের Download Link থেকে Download করে নিন।

Click Here To Download

The post [java-user] Opera Mini 4.21 এ অপেরা মিনি থিম লাগানো শিখুন এবং নিয়ে নিন অসাধারন একটা থিম। appeared first on Trickbd.com.


Sunday, June 27, 2021

আনলিমিটেড ফেইসবুক একাউন্ট খুলুন আর আপনার আইডিতে ফলোয়ার বাড়িয়ে নিন [কেউ মিস করবেন না]

আনলিমিটেড ফেইসবুক একাউন্ট খুলুন আর আপনার আইডিতে ফলোয়ার বাড়িয়ে নিন [কেউ মিস করবেন না]

আসসালামু আলাইকুম। সবাই আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি।তো আপনাদের জন্য এমন এক ওয়ে নিয়ে আসলাম যার মাধ্যমে আপনার আনলিমিটেড ফেইসবুক একাউন্ট খুলতে পারবেন কোন ঝামেলা ছাড়াই। তো শুরু করা যাক….
ফেসবুক হচ্ছে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েবসাইট। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অথচ তার ফেসবুক একাউন্ট নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
আমরা কম বেশি সবাই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকি। আর সবাই চেষ্টা করি আমাদের ভার্চুয়াল লাইফটাকে সবার থেকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে। আর তার জন্য কতো কিছুই না করি!

কিভাবে ফ্যান, ফলোয়ার বাড়ানো যায় কিংবা নিজের ফেসবুক প্রফাইলটাকেও চেষ্টা করি একটু ভিন্ন রূপে সাজাতে। আপনি অবশ্যই ফেসবুক অটো ফলোয়ারের কথা শুনেছেন!

আর এই সামান্য কিছু ফেসবুক অটো লাইক, ফেসবুক অটো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট, ফেসবুকে অটো কমেন্ট, ফেসবুক পেজে অটো লাইক কিংবা অটো ফলোয়ার নিতে অনেকেই আবার নিজের স্বাধের ফেসবুক আইডিটি তুলে দেয় থার্ড পার্টি কোনো ওয়েবসাইটের হাতে।
তবে আজকে আমি আপনাদের কে শিখাবো কিভাবে আপনার ফেসবুকে প্রফাইলে আনলিমিটেড ফলোয়ার নিবেন। তবে এটা কোনো অনিরাপদ উপায়ে নয়!
তো প্রথমে আমরা এই সাইটে যাব সেখান থেকে ফেক ইমেল এড্রেস কপি করব…
সাইটিতে ডুকলে এরকম আসবে..

তারপর আমরা এখান থেকে ইমেইল এড্রেসটা এডিট করতে পারব আর না হলে এটা ব্যবহার করতে পারব।এখানে ইমেইল এড্রেস্টা কপি করব

তারপর আমরা আমাদের ফেইসবুক এপে যাব

Next এ ক্লিক করব..

পছন্দমতো নাম দিব

জন্মতারিখ দিব দিয়ে Next এ ক্লিক করব

তারপর আপনার জেন্ডার সিলেক্ট করবেন।

কপি করা ইমেইল এড্রেস এখানে পেস্ট করবেন

Password দিবেন

Sign Up এ ক্লিক করুন

Password সেভ করতে চাইলে সেভ করুন না চাইলে না করুন

Ok তে ক্লিক করুন

তারপর এভাবে আসবে

সাইটে গিয়ে ফেইক ইমেইল এ দেখুন কোড আসছে

কোডটি এখানে বসান ও Continue এ ক্লিক করুন

এবার দেখুন ফেক ফেইসবুক আইডি ক্রিয়েট করা হয়ে গেছে

আমাদের ফেক ফেইসবুক একাউন্ট খুলা শেষ। এবার আমাদের Raje Liker App টি ডাউনলোড করতে হবে।
প্রথমে এপটি ওপেন করলে এ রকম আসবে..আসলে আমরা Facebook এ ক্লিক করব

তারপর আপনারা আপনাদের ফেক আইডি এখানে লগইন করাবেন।

তারপর Reffer Code : 719 দিবেন। না চাইলে স্কিপ করতে পারেন।

এবার ফেসবুকে যান আপনার যে আইডিতে ফলোয়ার নিবেন সেটায় গিয়ে তিনটা ডড আছে সেখানে ক্লিক করুন।

এবার এভাবে লিংকটা কপি করুন

এবার Raje Liker এপে ডুকেন ডুকে Add Follower এ ক্লিক করেন…কপি করা লিংক এখানে পেস্ট করে দিবেন।তারপর Check Link এ ক্লিক করবেন।

যতটুকু ফলোয়ার নিতে চান ক্লিক করেন। তারপর Send এ ক্লিক করেন।

আর একটা কথা এই এপ আপনাকে প্রথমে ১০ ক্রেডিট দিবে। এই ১০ ক্রেডিট দিয়ে ১০ টা ফলোয়ার নিতে পারবেন।আর ক্রেডিট বাড়াতে চাইলে আপনাকে রেফার করতে হবে। আপনি যত বেশি রেফার করবেন তত বেশি ফলোয়ার নিতে পারবেন।আইডিতে কোন ক্ষতি করবেনা।
আজকে এতটুকু। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।কোন ভুল হলে জানাবেন। আর কেমন হলো কমেন্টে জানাবেন।

The post আনলিমিটেড ফেইসবুক একাউন্ট খুলুন আর আপনার আইডিতে ফলোয়ার বাড়িয়ে নিন [কেউ মিস করবেন না] appeared first on Trickbd.com.


Friday, June 25, 2021

ফেসবুকে কোন ক্ষতি ছাড়াই অটো ফলোয়ার বাড়ান [১০০% কাজ করে]

ফেসবুকে কোন ক্ষতি ছাড়াই অটো ফলোয়ার বাড়ান [১০০% কাজ করে]

আসসালামু আলাইকুম। সবাই আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি। তো বন্ধুরা আমি আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি এমন একটি এপ যার মাধ্যম আপনারা আপনার আইডিতে যত চান ফলোয়ার বাড়াতে পারবেন। তো শুরু করা যাক….
ফেসবুক হচ্ছে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েবসাইট। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অথচ তার ফেসবুক একাউন্ট নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
আমরা কম বেশি সবাই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকি। আর সবাই চেষ্টা করি আমাদের ভার্চুয়াল লাইফটাকে সবার থেকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে। আর তার জন্য কতো কিছুই না করি!

কিভাবে ফ্যান, ফলোয়ার বাড়ানো যায় কিংবা নিজের ফেসবুক প্রফাইলটাকেও চেষ্টা করি একটু ভিন্ন রূপে সাজাতে। আপনি অবশ্যই ফেসবুক অটো ফলোয়ারের কথা শুনেছেন!

আর এই সামান্য কিছু ফেসবুক অটো লাইক, ফেসবুক অটো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট, ফেসবুকে অটো কমেন্ট, ফেসবুক পেজে অটো লাইক কিংবা অটো ফলোয়ার নিতে অনেকেই আবার নিজের স্বাধের ফেসবুক আইডিটি তুলে দেয় থার্ড পার্টি কোনো ওয়েবসাইটের হাতে।
তবে আজকে আমি আপনাদের কে শিখাবো কিভাবে আপনার ফেসবুকে প্রফাইলে আনলিমিটেড ফলোয়ার নিবেন। তবে এটা কোনো অনিরাপদ উপায়ে নয়!

তো আপনার আইডিতে ফলোয়ার নিতে চাইলে আপনাদের অবশ্যই একটি ফেইসবুক ফেক আইডি আর একটি এপ লাগবে। এপের নাম Raje Liker. এপ লিংকঃঃ⬇
ডাউনলোড লিংক

তো এপ ডাউনলোড করা হয়ে গেলে অব্যশই ফেইসবুক ফেক আইডি দিয়ে লগ ইন করাতে হবে।
প্রথমে এপটি ওপেন করলে এ রকম আসবেঃঃ

আমরা সিম্পলি ফেইসবুকে ক্লিক করব।তারপর এরকম আসবে

আমরা আমাদের ফেক আইডি এখানে লগইন করাব। তারপর…

রেফার কোড চাইলে আমার টা দিতে পারেন। আমার রেফার কোড 23808. আর না চাইলে স্কিপ করতে পারেন।
তারপর…

আপনার ফেইসবুকে যাবেন গিয়ে তিনটা ডডে ক্লিক করবেন।

এখান থেকে লিংক কপি করে নিবেন। তারপর আপনার এই এপে আসবেন।

কপি করা লিংক এখানে পেস্ট করে দিবেন।তারপর Check Link এ ক্লিক করবেন।

যতটুকু ফলোয়ার নিতে চান ক্লিক করেন। তারপর Send এ ক্লিক করেন।
আর একটা কথা এই এপ আপনাকে প্রথমে ১০ ক্রেডিট দিবে। এই ১০ ক্রেডিট দিয়ে ১০ টা ফলোয়ার নিতে পারবেন।আর ক্রেডিট বাড়াতে চাইলে আপনাকে রেফার করতে হবে। আপনি যত বেশি রেফার করবেন তত বেশি ফলোয়ার নিতে পারবেন।আইডিতে কোন ক্ষতি করবেনা।
আজকে এতটুকু। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।কোন ভুল হলে জানাবেন। আর কেমন হলো কমেন্টে জানাবেন।

The post ফেসবুকে কোন ক্ষতি ছাড়াই অটো ফলোয়ার বাড়ান [১০০% কাজ করে] appeared first on Trickbd.com.


Mirror The Torrent Server Files And Download At High Speed! ( টরেন্ট বা অন্যান্য সার্ভার থেকে যেকোনো ফাইল মিরর করে দ্রুতগতিতে ডাউনলোড করুন)

Mirror The Torrent Server Files And Download At High Speed! ( টরেন্ট বা অন্যান্য সার্ভার থেকে যেকোনো ফাইল মিরর করে দ্রুতগতিতে ডাউনলোড করুন)

আসসালামু আলাইকুম!

কেমন আছেন সবাই?

পোস্ট টপিকঃ কিভাবে টরেন্ট বা অন্যান্য যেকোন সার্ভার থেকে কম গতিতে ডাউনলোড হওয়া ফাইল-গুলো মিরর করে দ্রুত গতিতে ডাউনলোড করবেন!

বিশেষ করে বেশিরভাগ টরেন্ট সার্ভারেই বাংলাদেশে স্পিড কম পাওয়া যায়, খুব বড় ফাইল ডাউনলোড করতে গিয়ে অনেক বিরক্ত হয়ে যেতে হয়। বেশিরভাগ টরেন্ট সার্ভারে আবার (200-300kb) প্রতি সেকেন্ডে ডাউনলোড হয় যেটা অনেক বড় ফাইল ডাউনলোডের ক্ষেত্রে অনেক বিরক্তিকর। তাছাড়া (Pause-Resume) লিংক এক্সপায়ার হয়ে যাওয়া নতুন করে লিঙ্ক জেনারেট করা এগুলো অনেকটা বিরক্তিকর কাজ। সে ক্ষেত্রে অন্যান্য সার্ভার যেমন Google, MegaNZ, OneDrive এসব সার্ভারে ফাইল মিরর করে ডাউনলোড করলে অনেক স্পিড পাওয়া যায়। আর বাংলাদেশে গুগলের সার্ভার থাকার কারণে ফাইল ডাউনলোড এর ক্ষেত্রে গুগলের সার্ভার অনেক ফাস্ট।

আচ্ছা আজাইরা বকবক বাদ দিয়ে পোস্টে চলে যাই।

চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক কিভাবে খুব সহজে যেকোনো ফাইল মিরর করবেন।

সর্বপ্রথম পিসিতে অথবা স্মার্টফোনে আপনাদের টেলিগ্রাম ইন্সটল এবং টেলিগ্রামে একটি অ্যাকাউন্ট থাকা প্রয়োজন কারন আমরা টেলিগ্রামে গ্রুপ এর মাধ্যমে মিরর করবো ☺

বিদ্র: আমি এখানে কোন টেলিগ্রাম গ্রুপের প্রমোশন করাচ্ছি না! 😌

Telegram Group Link: https://t.me/GdriveMirrorCloud

আপনারা সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন, এই যে নিচের যে গ্রুপ টা দেখছেন এটাই।

মূলত এটা একটা গ্রুপ আর গ্রুপের ভিতর একটি বট এড দেয়া আছে! জয়েন এ ক্লিক করে গ্রুপে জয়েন হয়ে যান সিম্পল!

তারপর নিচের ছবির মত টাইপের জায়গায় স্লেস অথবা শর্টকাট থেকে স্লেস এ ক্লিক করুন।

ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত একটি লিস্ট দেখতে পাবেন, লিষ্টে কমান্ড সহ কেমন টাইপের ফাইল মিরর করতে পারবেন এবং জিপ কে আনজিপ (Zip to Unzip) করেও আপনারা ডাউনলোড করতে পারবেন।

 

নিচের ছবিতে কমান্ড গুলো দেখে নিন।

ধরেন এখন আমি একটি গেম টরেন্ট সাইট থেকে ডাউনলোড করব। নিচের মত টরেন্ট সাইটে গিয়ে যে ফাইলটি ডাউনলোড করবেন তার ম্যাগনেট লিংক অ্যাড্রেস কপি করে নিন।

কপি করার পর টেলিগ্রাম গ্রুপে চলে যান এবং type এ গিয়ে /mirror <space> আপনার ফাইল এর লিঙ্ক পেস্ট করুন।

আপনার ফাইল এর লিঙ্ক নিচের ছবির মত পেস্ট করুন।

তারপর সেন্ড বাটনে ক্লিক করুন।

সেন্ড করার পর কিছুক্ষণের মধ্যে ফাইলটি তাদের ভার্চুয়াল সার্ভারে ডাউনলোড হবে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে গুগোল ড্রাইভ এ আপলোড হয়ে যাবে।

তারপর ফাইলটি মিরর হয়ে গেলে বট আপনাকে মেনসন করে দিবে।

তারপর আপনি ইচ্ছামত ড্রাইভ লিনক অথবা ইন্ডেক্স লিংকে ক্লিক করে হাই স্পিডে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন কোন বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

√ আশাকরি কিছু না কিছু হলেও উপকৃত হবেন, বুঝতে না পারলে কমেন্ট করে জানান সাহায্য করবো ইনশাআল্লাহ।

সবাই ভালো থাকেন সেই কামনা করি।

আসসালামু আলাইকুম।

The post Mirror The Torrent Server Files And Download At High Speed! ( টরেন্ট বা অন্যান্য সার্ভার থেকে যেকোনো ফাইল মিরর করে দ্রুতগতিতে ডাউনলোড করুন) appeared first on Trickbd.com.


Wednesday, June 23, 2021

এইচএসসি এসাইনমেন্ট সমাধান বাংলা ১ম পত্র ২০২১ (১ম সপ্তাহ)

এইচএসসি এসাইনমেন্ট সমাধান বাংলা ১ম পত্র ২০২১ (১ম সপ্তাহ)

১) অপরিচিতা গল্পে কল্যাণীর সংকট হলাে সঠিক সময়ে বিবাহ না হওয়া।

মেয়ের বয়স পনেরাে শুনে লেখকের মামার মন ভার হলাে। কারণ তিনি মনে করলেন যে, ঐ মেয়ের বংশে কোন দোষ আছে। তখন আট থেকে দশ বছর বয়সের মধ্যে কন্যার বিয়ে দেওয়ার রীতি ছিল। এ সময়ের মধ্যে মেয়ের বিয়ে না হলে মনে করা হতাে যে মেয়ের বংশে কোন দোষ আছে। যে কারণে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না। যে মেয়ের সাথে অনুপমের বিয়ের কথা চলছিল তার বয়স পনেরাে। পনেরাে বছর বয়সেও মেয়ের বিয়ে হয়নি,এমনটি ভেবে অনুপমের মামার মন ভার হলাে।
কল্যাণী উচ্চশিক্ষিতা,রুচিশীল মেয়ে। শিক্ষকতাকে তিনি জীবনের ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। তার শিক্ষাদীক্ষার কারণে বিবাহের সংকট দৃঢ়তার সাথে মােকাবেলা করেছেন।

২)অপরিচিতা গল্পে কল্যাণী ছিল বেশ সুন্দরী ও প্রাণচঞ্জল। আর পিতা শম্ভুনাথ বাবু ছিলেন স্পষ্টভাষী ও একজন সুপুরুষ ব্যক্তি, অন্যদিকে অনুপমের মামা বিয়ের পণ, যৌতুক সম্পর্কে কোন প্রকার ছাড় বা আপস করতে রাজি নন। এখানেই গল্পের কাহিনী জটিলতায় রূপ নেয়। রীতিমতাে বেশ আয়ােজনের মধ্যে দিয়ে যদিও বিয়ের কাজ শুরু হয়েছিল,কিন্তু এক পর্যায়ে দেনা পাওনা কারণে সব আনন্দ আয়ােজন এক মুহুর্তেই ধূলিস্যাৎ হয়ে যায় অথ্যাৎ যৌতুকের জন্য বিয়ে ভেঙ্গে যায়।এই গল্পে অনুপমের চরিত্রের সীমাহীন দুর্বলতা ও নিবুদ্ধিতার পরিচয় পাওয়া যায়। অনুপম ও তার মামা ভুমিকা যদি ইতিবাচক হতাে তাহলে কল্যাণীর সংসার সুখময় হতাে বলে আমি মনে করি। বিবাহ ভেঙে যাওয়ায় প্রধান কারণ হলাে অনুপমের দুর্বলতা ও তার মামা যৌতুক প্রবনতা।

৩) পঠিত গল্প অনুসারে নারীকে এগিয়ে চলার পথে প্রতিবন্ধকতাগুলাে হলােঃ

ক) শিক্ষার অভাব
খ) কুসংস্কার
গ)ধর্মীয় গোঁড়ামি
ঘ) পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা

নারী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় নিম্নে ব্যাখা করা হলােঃ

”বিশ্বে যা কিছু মহান চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।”

সাম্যবাদী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই সত্য উচ্চারণ করলেও আজও আমাদের সমাজে তার যথাযথ স্বীকারােক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও আজও মানুষের ধ্যান-ধারণার তেমন পরিবর্তন হয়নি। এখনও সমাজের প্রতিটি স্তরে স্তরে নারীদের প্রতিবন্ধকতার মুখােমুখি হতে হয়।

অশিক্ষা, দারিদ্র্য আর কুসংস্কারে ডুবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীর প্রথম বাধাটা আসে পরিবার থেকে। অভিধানে ‘উন্নয়নে নারী বা নারী উন্নয়ন’ একটি অতি আধুনিক সংযােজন। এই ধারণা বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকার করে। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন দুটি বিষয়ই একটি অন্যটির পরিপূরক। নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে নারী উন্নয়ন বিষয়টি বিশেষ ভূমিকা রাখে।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলােতেই যেখানে নারীদের পদযাত্রায় বারবার হোঁচট খেতে হয়, সেখানে তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশের নারী হিসেবে বাঙালি নারীদের প্রতিটি পদক্ষেপে অনেক বেশি প্রতিবন্ধকতার মুখােমুখি হতে হয়। অশিক্ষা, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা নারী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। অথচ সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা আজ শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নেই, নারীরা পৌঁছে গেছেন বিমানের ককপিট থেকে পর্বতশৃঙ্গে। দশভুজা নারী ঘরে-বাইরে নিজেকে আলােকিত করছেন নিজ প্রজ্ঞা আর মেধা দিয়ে। বর্তমানে এমন কোনাে পেশা নেই যেখানে নারীর মর্যাদাপূর্ণ উপস্থিতি নেই। দেশে এখন প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দু’জন নারী। জাতীয় সংসদের স্পিকার একজন নারী। বর্তমানে সবক্ষেত্রেই রয়েছে নারীর পদচারণা।

১) অপরিচিতা গল্পে কল্যাণীর সংকট হলাে সঠিক সময়ে বিবাহ না হওয়া।

মেয়ের বয়স পনেরাে শুনে লেখকের মামার মন ভার হলাে। কারণ তিনি মনে করলেন যে, ঐ মেয়ের বংশে কোন দোষ আছে। তখন আট থেকে দশ বছর বয়সের মধ্যে কন্যার বিয়ে দেওয়ার রীতি ছিল। এ সময়ের মধ্যে মেয়ের বিয়ে না হলে মনে করা হতাে যে মেয়ের বংশে কোন দোষ আছে। যে কারণে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না। যে মেয়ের সাথে অনুপমের বিয়ের কথা চলছিল তার বয়স পনেরাে। পনেরাে বছর বয়সেও মেয়ের বিয়ে হয়নি,এমনটি ভেবে অনুপমের মামার মন ভার হলাে।
কল্যাণী উচ্চশিক্ষিতা,রুচিশীল মেয়ে। শিক্ষকতাকে তিনি জীবনের ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। তার শিক্ষাদীক্ষার কারণে বিবাহের সংকট দৃঢ়তার সাথে মােকাবেলা করেছেন।

২)অপরিচিতা গল্পে কল্যাণী ছিল বেশ সুন্দরী ও প্রাণচঞ্জল। আর পিতা শম্ভুনাথ বাবু ছিলেন স্পষ্টভাষী ও একজন সুপুরুষ ব্যক্তি, অন্যদিকে অনুপমের মামা বিয়ের পণ, যৌতুক সম্পর্কে কোন প্রকার ছাড় বা আপস করতে রাজি নন। এখানেই গল্পের কাহিনী জটিলতায় রূপ নেয়। রীতিমতাে বেশ আয়ােজনের মধ্যে দিয়ে যদিও বিয়ের কাজ শুরু হয়েছিল,কিন্তু এক পর্যায়ে দেনা পাওনা কারণে সব আনন্দ আয়ােজন এক মুহুর্তেই ধূলিস্যাৎ হয়ে যায় অথ্যাৎ যৌতুকের জন্য বিয়ে ভেঙ্গে যায়।এই গল্পে অনুপমের চরিত্রের সীমাহীন দুর্বলতা ও নিবুদ্ধিতার পরিচয় পাওয়া যায়। অনুপম ও তার মামা ভুমিকা যদি ইতিবাচক হতাে তাহলে কল্যাণীর সংসার সুখময় হতাে বলে আমি মনে করি। বিবাহ ভেঙে যাওয়ায় প্রধান কারণ হলাে অনুপমের দুর্বলতা ও তার মামা যৌতুক প্রবনতা।

৩) পঠিত গল্প অনুসারে নারীকে এগিয়ে চলার পথে প্রতিবন্ধকতাগুলাে হলােঃ

ক) শিক্ষার অভাব
খ) কুসংস্কার
গ)ধর্মীয় গোঁড়ামি
ঘ) পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা

নারী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় নিম্নে ব্যাখা করা হলােঃ

”বিশ্বে যা কিছু মহান চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।”

সাম্যবাদী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই সত্য উচ্চারণ করলেও আজও আমাদের সমাজে তার যথাযথ স্বীকারােক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও আজও মানুষের ধ্যান-ধারণার তেমন পরিবর্তন হয়নি। এখনও সমাজের প্রতিটি স্তরে স্তরে নারীদের প্রতিবন্ধকতার মুখােমুখি হতে হয়।

অশিক্ষা, দারিদ্র্য আর কুসংস্কারে ডুবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীর প্রথম বাধাটা আসে পরিবার থেকে। অভিধানে ‘উন্নয়নে নারী বা নারী উন্নয়ন’ একটি অতি আধুনিক সংযােজন। এই ধারণা বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকার করে। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন দুটি বিষয়ই একটি অন্যটির পরিপূরক। নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে নারী উন্নয়ন বিষয়টি বিশেষ ভূমিকা রাখে।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলােতেই যেখানে নারীদের পদযাত্রায় বারবার হোঁচট খেতে হয়, সেখানে তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশের নারী হিসেবে বাঙালি নারীদের প্রতিটি পদক্ষেপে অনেক বেশি প্রতিবন্ধকতার মুখােমুখি হতে হয়। অশিক্ষা, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা নারী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। অথচ সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা আজ শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নেই, নারীরা পৌঁছে গেছেন বিমানের ককপিট থেকে পর্বতশৃঙ্গে। দশভুজা নারী ঘরে-বাইরে নিজেকে আলােকিত করছেন নিজ প্রজ্ঞা আর মেধা দিয়ে। বর্তমানে এমন কোনাে পেশা নেই যেখানে নারীর মর্যাদাপূর্ণ উপস্থিতি নেই। দেশে এখন প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দু’জন নারী। জাতীয় সংসদের স্পিকার একজন নারী। বর্তমানে সবক্ষেত্রেই রয়েছে নারীর পদচারণা।

নারীর সমাধিকার ও নারীমুক্তির কথা যতই বলা হােক না কেন- উন্নত, অনুন্নত, উন্নয়নশীল সব দেশেই নারীরা কম-বেশি সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার। সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও নারীর প্রতি সহিংসতার চিত্র সবক্ষেত্রে প্রায় একই। বাংলাদেশের মােট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশই নারী, কিন্তু নারীর অগ্রগতি ও উন্নয়ন পরিলক্ষিত হচ্ছে। খুব অল্প সংখ্যক নারীর মধ্যেই। তাদের অনেকেই নিজের সিদ্ধান্তে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারেন না এবং নিজের বস্তুগত ক্ষমতার পরিসরও স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে বাধাগ্রস্ত হন। নারীশিক্ষার বিষয়টি আমাদের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে অপরিহার্যভাবে জড়িত। নেপােলিয়ন বলেছিলেন, ‘আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি শিক্ষিত জাতি দেব।’ এ বিষয়ে আরবিতেও। একটি প্রবাদ আছে, ‘একজন পুরুষ মানুষকে শিক্ষা দেওয়া মানে একজন ব্যক্তিকে শিক্ষা দেওয়া। আর একজন নারীকে শিক্ষা দেওয়া মানে একটি গােটা পরিবারকে শিক্ষিত করে তােলা।’ তাই নারীশিক্ষার গুরুত্ব বর্ণনাতীত। তথাপি শিক্ষা ক্ষেত্রেও এ বৈষম্যের কোনাে শেষ নেই। যদিও শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে এখন নারীদের অংশগ্রহণ শতভাগ।

মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। বাংলাদেশের সংবিধান দ্বারাও তা স্বীকৃত। কিন্তু প্রায় ৫০ বছরেও তা আমরা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্রের অভাব ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পিছিয়ে
দিচ্ছে নারীর উন্নয়ন যাত্রাকে। প্রচার মাধ্যমগুলােতে নারীর নেতিবাচক উপস্থাপন বন্ধ হতে হবে। নারী কোনাে পণ্য নয়। নারীদের নিজেদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। নারী-পুরুষের সমান স্বার্থ রক্ষাকারী আইন প্রবর্তন ও আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। নারীশিক্ষা ও নারীর মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে। নারীকে তার কাজের যথাযথ স্বীকৃতি দিতে হবে। নারীর কাজকে ছােট করে দেখা চলবে না। নারীর কাজের মূল্যায়ন হতে হবে। সর্বোপরি, নারীর প্রতি ইতিবাচক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
ফ্রেডরিক অ্যাঙ্গেলস তার ‘অরিজিন অব দ্য ফ্যামিলি’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘নারীমুক্তি তখনই সম্ভব যখন নারীরা সমাজের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে সমগুরুত্ব নিয়ে অংশগ্রহণ করবে।’ তাই নারীর নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা, নারীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নারী-পুরুষ উভয়ের অন্তর্ভুক্তিতেই উন্নয়নের দেখা পাওয়া সম্ভব। এভাবেই নারীরা এগিয়ে যাবেন, তাদের ভবিষ্যৎ হবে কণ্টকমুক্ত।

৪) পঠিত গল্প অনুসারে নারীকে এগিয়ে চলার পথে সহায়ক ভুমিকা হলােঃ

১)সর্বত্র নারীর শুধু অংশগ্রহণ বাড়ালে চলবে না, তার গুণগত উন্নয়ন জরুরি কোনাে দেশের উন্নয়নের জন্য নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন গুরুত্বপূর্ণ নারীকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে ।

২) নারীর অনানুষ্ঠানিক কাজের অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা দরকার ।

৩) কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গ সংবেদনশীল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে ।

৪) মেয়ে ও ছেলেশিশুর মধ্যে কোনাে পার্থক্য নেই। সবার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থানের পূর্ণ ব্যবস্থা করতে হবে ।

৫) নারীবান্ধব আইনগুলাের যথাযথ বাস্তবায়ন জরুরি ।

৬) কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করতে হবে ।

৭) নারীর উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বে আরও ক্ষমতায়ন প্রয়ােজন ।

The post এইচএসসি এসাইনমেন্ট সমাধান বাংলা ১ম পত্র ২০২১ (১ম সপ্তাহ) appeared first on Trickbd.com.