Sunday, November 3, 2019

জেনে নিন Windows -এ APPX / AppxBundle file কীভাবে Install করবেন

জেনে নিন Windows -এ APPX / AppxBundle file কীভাবে Install করবেন

আস-সালামু আলাইকুম বন্ধুরা। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদেরকে শিখাবো কিভাবে Windows 8, 8.1 অথবা 10-এ কিভাবে APPX বা AppxBundle file Install করবেন। তবে এর আগে আপনার এই fileটা সম্পর্কে জানা দরকার। চলুন শুরু করা যাক।

APPX/AppxBundle কী?

আপনারা যারা Windows 8, 8.1 বা 10 চালান, তারা নিশ্চয়ই জানেন যে এই Windows-এ Store থাকে। ধরুন সেই Store থেকে কেউ একটা App download করল। কিন্তু পরে কোনো কারণবশত তাকে সেটা Uninstall করতে হলো, বা সে Windows Change করল, পরে যদি তার সেটা আবার দরকার হয়, তখন তাকে আবার সেটা Install করতে হবে। এটা একদিকে যেমন বিরক্তিকর, অন্যদিকে তেমনি খরচসাপেক্ষ। আর বাংলাদেশের সবাই বেশি Net কিনার সামর্থ রাখে না। তাই এইসব বিষয় মাথায় রেখে Microsoft APPX (.appx) ও AppxBundle (.appxbundle) নামের file বের করেছে। APPX বা AppxBundle হলো Windows Store Apps এর Offline Installer file। এই file-এর সুবিধা হচ্ছে ব্যবহারকারী তার সুবিধামত যখন ইচ্ছা সম্পূর্ণ Offline-এ Install বা Uninstall করতে পারে। তাছাড়া এটি সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় করে। Windows 8 ও 8.1 এর 2016 সালের Update এবং Windows 10 এর 2015 সালের Update থেকে APPX বা AppxBundle Support করে। Windows 7 এ কোনো Store নেই জন্য এটি APPX/AppxBundle Support করে না।

যা যা লাগবে

  • একটা APPX বা AppxBundle file (Certificate সহ)
  • Dependencies files (Download)

বি. দ্র. : আমার পরের পোস্টগুলোতে কিছু Apps এর APPX Package file Download link দিব ইংশা আল্লাহ।

যেভাবে Install করবেন

প্রথমে Start Menu – তে যান।

এরপর Settings-এ Click করুন।

তারপর Update & Security-তে Click করুন।

“For Developers” option এ যান।

এখানে “Sideload Apps” এ Mark করে দিন।

Confirmation Window এলে Yes করে দিবেন।

এবার Settings থেকে বের হয়ে যান।

যারা এখনো Dependencies file টা Download করেননি তারা উপরের Link থেকে Download করে নিন।

এবার Dependencies file টাতে Right Click করে Extract এ Click করুন।

Extract করার পর নিচের মত folder দেখতে পাবেন। এটা open করুন।

এখানে দুইটা folder আছে।

বি.দ্র. : প্রতিটা APPX বা AppxBundle file ই কিছু না কিছু common file এর উপর নির্ভর করে। এগুলোই Dependency file। এগুলোকে আগে Install করতে হয়। তবে এটা প্রতিবার নয়, শুধু প্রথমবার। আপনার Computer যদি 32 বিটের হয়, তাহলে আপনি শুধু x86 folder এর file গুলো Install করবেন। কারণ 32 বিটের Computer এ শুধু 32 বিট Software ই চলে, 64 বিট চলে না। অন্যদিকে, 64 বিট কম্পিউটার ব্যাবহারকারীরা x86 ও x64 দুটোই install করবেন। 64 বিট Computer এ 32 ও 64 দুটোই চলে। যদি আপনি 64 বিট কম্পিউটারে 32 বিটের Software install করতে চান, তখন আপনার এই 32 বিটের Dependency প্রয়োজন হবে। নিচে Dependency কীভাবে install করবেন তা দেখানো হলো –

Folder open করুন।

এবার Windows PowerShell open করুন।

PowerShell এ একটা একটা করে Dependency file Drag & Drop করুন। প্রতিটা file Drop করার পর Enter চাপুন।

যারা 64 বিটের Windows চালান, তারা একটা folder এর file গুলো install এর পর অন্য folder এর গুলোও এভাবে করুন। এভাবে Dependencies file install শেষ করুন।

এবার APPX/AppxBundle এর folderটা open করুন।

Certificate file (.cer) এ Double Click করুন।

তারপর “Install Certificate” এ Click করুন।

পরের Windows টাতে Current User-এ Mark করা থাকে। Local Machine এ করে দিন। এবার Next – এ ক্লিক করুন। Administrator এর Permission চায়বে। Yes করবেন।

তারপর “Place all certificates in the following store” Mark করে Browse এ click করুন।

Trusted People select করুন। এবার OK করে Next করুন।

তারপর একটা Window আসবে।Finish এ click করুন। এরপর আবার দুইটি Windows আসবে। দুইবারই OK করুন।

এভাবে Certificate Install করা শেষ হবে। মনে রাখবেন, প্রতিটা File এর জন্য আলাদাভাবে ঐ file এর Certificate Install করতে হবে।

এবার আসুন মূল Application file অর্থাৎ APPX/AppxBundle install করাতে।

এর জন্য দুই রকম নিয়ন প্রযোজ্য।

১. পুরাতন Windows এর ক্ষেত্রে-

Windows 10 এর Anniversary Update (version 1607) এর পূর্বের সব Version এর জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। Windows 8 বা 8.1 এর পুরনো Version এ APPX বা AppxBundle Install করা যায় না।

এক্ষেত্রে Windows PowerShell খুলুন। এবার লিখুন-

add-appxpackage লিখে একটা Space দিন।

তারপর APPX/AppxBundle টা Drag & Drop করে PowerShell এ বসান। এরপর Enter চাপুন। তাহলে Install শুরু হয়ে যাবে।

নতুন Windows এর ক্ষেত্রে –

Windows 10 এর Anniversary Update (version 1607) বা তার উপরের সকল Windows এর ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। Windows 8 বা 8.1 এর Updated Version – এর ক্ষেত্রেও তাই। এক্ষেত্রে Windows এর নিজস্ব App Installer আছে।

এটা খুবই সহজ। শুধু APPX/AppxBundle file টাতে Double Click করুন।

এবার Install এ click করুন।

Install শুরু হবে। শেষ হলে Close করে দিন।

তারপর Start Menu থেকে App এ প্রবেশ করে Enjoy করুন।

  • অনেক কষ্ট করে লিখলাম। আশা করি সবার উপকার হয়েছে। আমার একটা খুবই ছোট YouTube channel আছে। আপনারা চাইলে ঘুরে আসতে পারেন –

YouTube/Raising World

সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

The post জেনে নিন Windows -এ APPX / AppxBundle file কীভাবে Install করবেন appeared first on Trickbd.com.


এখন নগদ অ্যাপসে ঘরে বসে একাউন্ট খুলে ২৫ বোনাস নিন।

এখন নগদ অ্যাপসে ঘরে বসে একাউন্ট খুলে ২৫ বোনাস নিন।

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন,আসা করি সবাই ভালো আছেন।
আজকে আমি আপনাদের শিখাবো কিভাবে নগদ অ্যাপসে ঘরে বসে একাউন্ট খুলবেন এবং ২৫ টাকা বোনাস নিবেন।

প্রথমে অ্যপসটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

তারপর স্ক্রিনশট অনুযায়ী কাজ করুন,
প্রথমে অ্যাপসটিতে ঢুকুন

তারপর আপনার নম্বর দিয়ে পরবর্তীতে ক্লিক করুন

তারপর আপনার কোন অপারেটর সেটি দিয়ে পরবর্তীতে ক্লিক করুন আমি গ্রামীণফোন দিয়েছি

তারপর আপনার ভোটার আইডি কার্ড নতুন না পুরাতন সেটি সিলেক্ট করে পরবর্তীতে ক্লিক করুন

তারপর আপনার ভোটার আইডিকার্ডের সামনের এবং পিছনের ফটো স্কান করে পরবর্তীতে ক্লিক করুন

তারপর সব ঠিক থাকলে পরবর্তীতে ক্লিক করুন

তারপর কিছু করা লাগবেনা পরবর্তীতে ক্লিক করুন

তারপর স্কিপ করুন

তারপর যার ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে একাউন্ট খুলবেন,তার একটি সেলফি তুলে পরবর্তীতে ক্লিক করুন

তারপর স্ক্রিনশট এ দেখানো টিক মার্কটি অন করে দিন,তারপর একটি সাক্ষর দিয়ে পরবর্তীতে ক্লিক করুন

তারপর সব ঠিক থাকলে পরবর্তীতে ক্লিক করুন

পরবর্তীতে ক্লিক করুন

দুঃখিত আমার একাউন্ট করা আছে তাই আর পরবর্তী স্ক্রিনশট দিতে পারলাম না।

তারপর আপনারা চার সংখ্যার একটি নিজের ইচ্ছে মতো পিন কোড দিবেন তাহলে একাউন্ট ওপেন হয়ে যাবে।

একাউন্ট ওপেন হয়ে গেলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ২৫ টাকা বোনাস পেয়ে যাবেন

আসা করি পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে আর কোনো সমস্যা হলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

আমি ট্রিকবিডিতে প্রথম পোস্ট করেছি,তাই ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
[খোদা হাফেজ]

The post এখন নগদ অ্যাপসে ঘরে বসে একাউন্ট খুলে ২৫ বোনাস নিন। appeared first on Trickbd.com.


Saturday, November 2, 2019

[PAID] আইটিবাড়ির “ওয়েব-গুরু” কোর্সটির রিভিউ + ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বেসিক তথ্য + সাথে থাকছে আমার স্পেশাল অফার (বিস্তারিত পোস্টে)

[PAID] আইটিবাড়ির “ওয়েব-গুরু” কোর্সটির রিভিউ + ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বেসিক তথ্য + সাথে থাকছে আমার স্পেশাল অফার (বিস্তারিত পোস্টে)

আসসালামু আলাইকুম


কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছি।

টাইটেল দেখে বুঝে গিয়েছেন আজকের টপিকের বিষয়বস্তু কি! আশা করি সহজে বুঝাতে পারবো। ভালো লাগলে লাইক / কমেন্ট করবেন। এতে একটু হলেও পোস্ট লেখার মতো এনকারেজের জোগান পাই।
অন্য দিকে যদি পোস্ট খারাপ লাগে, ইগনোর করবেন।
হয়তো আপনার খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু অন্যের তোহ ঠিকই উপকার হলো। তাই না??

যাক কথা না বাড়িয়ে চলুন সরাসরি টপিকে চলে যায়!

ফ্রিল্যান্সিং কি?


ফ্রিল্যান্সিং প্রথম শুরু হয়েছিলো ১৯৯৮ সালের দিকে। অনলাইনে একটা মার্কেটপ্লেস খোলা হয়েছিলো, সেখান থেকেই বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের শুরু। ব্যাপারটা বেশ মজাদার। ধরাবাধা অফিস টাইম নেই, যখন ইচ্ছে কাজ করলেই হলো! এই কাজ হতে পারে বিভিন্ন রকম। ওয়েব ডিজাইনিং থেকে শুরু করে গ্রাফিক ডিজাইনিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, বিষয়ভিত্তিক আর্টিকেল লেখা বা ডাটা এন্ট্রি হতে পারে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়।
এখানে দুই পক্ষ থাকেন। ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সার। ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারকে বিভিন্ন কাজ দিয়ে থাকেন, আর একটা নির্দিষ্ট সময়ের (যেটি ফ্রিল্যান্সারের ইচ্ছেমতো নির্ধারণ করা হয়) মধ্যে কাজ শেষ করে ক্লায়েন্টকে পাঠিয়ে দিতে হয়। ক্লায়েন্টের সাথে কাজ শুরুর আগেই চুক্তি করা হয় পারিশ্রমিক নিয়ে। কাজ হয়ে গেলে, ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়। ব্যস, হয়ে গেল একটি সফল ফ্রিল্যান্সিং!

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে হলেঃ


প্রথমে আপনি যে বিষয়টি নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে চান, সে বিষয়ে ছোটখাটো একজন বিশেষজ্ঞ হয়ে যেতে হবে আপনাকে। আপনি যদি কয়েকটি বিষয়ে দক্ষ হন, তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বেশি কাজ পাবেন। এখানে বেশিরভাগ ক্লায়েন্টই অবাঙ্গালী হয়ে থাকেন। তাই তাদের সাথে যোগাযোগের জন্যে ইংরেজি ভাষাটা বেশ ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে। তাছাড়া বিভিন্ন কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, যতো অভিজ্ঞতা, কাজ পাবার সম্ভাবনা ততো বেশি।

ভালো ফ্রিল্যান্সার হতে হলেঃ

শুধু ফ্রিল্যান্সার হলেই কিন্তু চলবে না। আপনি ফ্রিল্যান্সার হলেন, কিন্তু কোন ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিচ্ছে না- এমনটা হলে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্যে না। ভালো ফ্রিল্যান্সার হতে হলে আপনাকে বেশকিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন, মার্কেটপ্লেসে আপনি যখন বিড করবেন, তখন ক্লায়েন্ট আকৃষ্ট হবে আপনার প্রোফাইল দেখে। সেজন্যে প্রোফাইল হতে হবে চমৎকার, যাতে ক্লায়েন্ট দেখেই আগ্রহ প্রকাশ করে কাজ দিতে। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস ঘুরে, সেখানে ক্লায়েন্টদের চাহিদা বুঝে প্রোফাইল তৈরি করা উচিৎ।

ক্লায়েন্ট পাবার গোপন রহস্যঃ

ক্লায়েন্ট পাবার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো কারো রেফারেন্সে কাজ পাওয়া। চমৎকার একটা প্রোফাইল প্রস্তুত করে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে থাকতে হবে প্রথম কাজ পাবার জন্যে। এখানেই ধৈর্যের আসল পরীক্ষা শুরু। অনেক অপেক্ষার পর একটা কাজ হাতে পেলে সেটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিখুতভাবে শেষ করতে হবে। এতে ক্লায়েন্ট খুশি হয়ে হয়তো পরের কাজটিও আপনাকে দিয়ে দেবে, কিংবা অন্যের কাছে রেফারেন্স করবে আপনার নাম। এভাবেই ফ্রিল্যান্স জগতে আপনি হতে পারবেন পরিচিত মুখ।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়?

এক কথায় অনলাইনে যা যা করা সম্ভব তার সব Freelancing এ করা যায় । Computer এর মাধ্যমে যা যা করা possible তা সবই Freelancing করার মত । Data Entry থেকে শুরু করে 3D Animation এর কাজও করা যায় । তবে সবগুলো মনে রাখা সম্ভব না এবং বলাও বেসম্ভব ।

তবে বাংলাদেশে প্রায় যেগুলো করে তা হলঃ

1.SEO (Search Engine Optimization)

2.Marketing

3.Article Writing

4.Graphics Design

5.Web design and development

6.Apps Development

কেন শিখবেন ওয়েব ডিজাইন?

আমাদের দেশে মূলত লোকজন ‘কোন কাজটা আমি শিখবো’ বা ‘আমি কোন কাজটা পারবো’ এধরনের প্রশ্ন না করে বরং বলে ‘কিভাবে সহজে আয় করবো’ বা ‘এটা শিখে কত টাকা আয় করবো’। যারা আয় কত করবেন বা রাতারাতি কিভাবে আয় করবেন এইসব চিন্তা করেন তাদের জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। যদিও ওয়েব ডিজাইন আসলে উচ্চ আয়ের পেশার মধ্যে অন্যতম কিন্তু আপনি যদি আয়ের কথাটাই মাথায় রেখে এগুতে চান তাহলে আমি বলবো আপনার জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন বা প্রোগ্রামিং এই ধরনের পেশা আসলে তাদের জন্য যারা ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চান এবং নিজের কাজের মধ্যেই নিজেকে খুজে পেতে চান। ওয়েব ডিজাইন যেহেতু কোডিং এবং প্রোগ্রামিং এ ভরপুর আর প্রোগ্রামিং-এর নেশা ছাড়া প্রোগ্রামিং করা সম্ভব নয় তাই এধরনের কাজ শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা এই কাজের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। তবে বাস্তবতা হচ্ছে শিখে যাওয়ার পর আপনি অন্য যেকোনো পেশা থেকে এখানেই ভালো আয় করতে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইন কি?

ওয়েব ডিজাইন মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা। ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হবে একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট বানানো। যেমন ধরুন এটার লেয়াউট কেমন হবে। হেডারে কোথায় মেনু থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি। ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে ওয়েবসাইটের তথ্য কি হবে এবং কোথায় জমা থাকবে এগুলো চিন্তা না করে, তথ্যগুলো কিভাবে দেখানো হবে সেটা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনার এর কাজ। আর এই ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যাবহার করতে হবে কিছু প্রোগ্রামিং, স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ।

কোথায় শিখবেন?

ওয়েব ডিজাইন শিখার জন্য বাংলাদেশে অনেক অনেক প্রতিষ্ঠান আছে আবার আইটি প্রতিষ্ঠানও আছে। এখানে চাইলে স্ব-শরীরে কিংবা অনলাইনে প্র্যাক্টিকালি শিখে নিতে পারবেন।

আবার যারা চাকুরিজীবী কিংবা প্রতিমাসে বেতন দেওয়া যারা এফোর্ড করতে অক্ষম , তাদের জন্য রয়েছে পেইড ভিডিও টিউটোরিয়াল / পিডিএফ বই এবং ফ্রি টিউটোরিয়াল।

এখানে উল্লেখ্য যে পিডিএফ দিয়ে শিখাটা খুব একটা সহজ না। আপনি বই পড়ে যতটুকু আয়ত্ব করবেন , প্র্যাক্টিকালি তারচে বেশি আয়ত্ব করতে পারবেন।
অন্যদিকে, বাঙ্গালী ফ্রী জিনিস খাই না বেশি। তাদের ফ্রিতে কিছু দিলে সেটার মূল্যায়ন করে না …কিন্তু পকেট থেকে যদি পয়সা খসে সেক্ষেত্রে মূল্যায়নটা বেড়ে যায়।
তাই আমি পার্সোনালি মনে করি, আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং খাতে এগিয়ে যেতে চান তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে কিছু না কিছু পয়সা অবস্যই খসাতে হবে … তাই জন্য আপনাকে পয়সা দিয়ে পেইড টিউটোরিয়াল কিনে নিতে হবে নাহলে কোনো অনলাইন / অফলাইন আইটি প্রতিষ্ঠানে এডমিট হওয়া লাগবে।
আবার আপনার যদি কনফিডেন্সটা বেশি থাকে সাথে শেখার আগ্রহও যদি থাকে …সেক্ষেত্রে ফ্রি টিউটোরিয়াল দেখে শিখে নিতে পারবেন আশা করছি। গুগল এবং ইউটিউব ঘাটলে অসংখ্য রিসোর্চ পাবেন ফ্রী টিউটোরিয়াল শেখার।

তবে, আমি আজ আলোচনা করবো পেইড টিউটোরিয়াল, আইটিবাড়ির “ওয়েব গুরু” প্যাকেজ নিয়ে।

“ওয়েব গুরু”- ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ফুল প্যাকেজ এ যা যা থাকছেঃ

অনলাইনে ফ্রীল্যান্সিং বিষয়ক ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুকদের জন্য ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে অন্যতম প্রথম পছন্দ। সঠিকভাবে কাজ শিখে যে কেউ সম্মানজনক উপার্জন করতে পারে এই সেক্টর থেকে।
তাদের জন্যই আইটি বাড়ির এই টিউটোরিয়াল কোর্স- “ওয়েব গুরু”। এখানে একদম শূন্য লেভেল থেকে হাতে ধরে বেশ কয়েকটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট সরাসরি কোডিং লিখে তৈরি করে দেখানো আছে।
শুধু তাই নয় এখানে প্রিমিয়াম ডোমেইন হোস্টিং এ কিভাবে কাজ করবেন সেই বিষয় গুলোও কভার করা হয়েছে।

এখানে রয়েছে-

* HTML 4, HTML 5
* CSS 3
* JavaScript
* jQuery
* PSD to HTML
* Responsive Web Design
* Bootstrap
* Basic PHP
* WordPress Theme Development (Static to Dynamic Website)
* Paid WP plugins & themes (For Practise & Professional Purpose)
* All Kind of Resource
* Secret Bonus Tutorial
* Earning Guidelines

* Market Place Guidelines
* Extra bonus tutorial

প্রতিটি পর্ব সিরিয়াল অনুযায়ী খুটিয়ে খুটিয়ে বোঝানোর মাধ্যমে বিস্তারিত আলোচনা করে তৈরি করা হয়েছে।

কেন আইটিবাড়ি??

আইটিবাড়ির বর্তমান ফ্যানবেজ প্রায় ৪ লক্ষ সদস্যের। অনেক বড় বড় ফ্রিল্যান্সারদের গড়ে তোলার জন্য এই আইটি বাড়ির অবদান অস্বীকার্য। ২০১৮ সালের রকমারি ডট কমের টপ সেলিং এবং ফেভারিট ছিলো এই আইটিবাড়ির ওয়েব গুরু টিউটরিয়ালটি। আমি নিজেও পার্সোনালি ওয়েব গুরুর টিউটোরিয়াল ফলো করি সাথে ফ্রিল্যান্সার নাসিমের লাইভ ব্যাচে অংশগ্রহণ করছি।
সুতরাং, গত কয়েকদিনে সকলের রিকোয়েস্টে আমি আমার পার্সোনাল অপিনিউনটা শেয়ার করলাম।

কোর্সটির মূল্যঃ

প্রায় ৩৫ ঘন্টা+ ভিডিও লেসন+ গাইডলাইন + ফ্রেমওয়ার্কসহ আপনাদের জন্য সহজভাবে তৈরি টিউটরিয়ালটির অফিসিয়াল প্রাইস ১৫০০ টাকা।
আপনি চাইলে রকমারি ডট কম কিংবা আইটি বাড়ির অফিসিয়াল সাইট থেকে প্রোডাক্টি অর্ডার করতে পারবেন।
আমার মতে , ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য আপনি যদি একটু কষ্ট না করেন একটু কিছু মাল মসলা না ঢালেন … সেক্ষেত্রে আপনি এডভান্স তেমন কিছু শিখতে পারবেন না।

কোর্স ডিটেইলসঃ

“ওয়েব-গুরু” কোর্সটি সম্পর্কে জানতে এখানে ভিজিট করুন

প্রোমোশনাল লিংকঃ

যারা এখনো বাইটহাব বাংলাদেশ গ্রুপে এড হোননি, তারা এখুনি জয়েন হইয়ে নিন। এই টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করতে পারেন।

আমার স্পেশাল অফারঃ

আইটিবাড়ি “ওয়েবগুরু” টিউটোরিয়াল সম্পর্কিত আমার অফারটি মূলত আমার ব্লগারসাইটে পোস্ট করা হইছে। যেহেতু ট্রিকবিডি টার্মস ফলো করে এই পোস্টটি লিখেছি, সেহেতু এইভাবে করা ছাড়া আর কোনো গতি ছিলো না। আমি আন্তরিকভাবে খুবই দুঃখিত তার জন্য।

অফারটি পেতে ভিজিট করুনঃ “এই লিংকে “


ধন্যবাদ।

The post [PAID] আইটিবাড়ির “ওয়েব-গুরু” কোর্সটির রিভিউ + ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বেসিক তথ্য + সাথে থাকছে আমার স্পেশাল অফার (বিস্তারিত পোস্টে) appeared first on Trickbd.com.


Friday, November 1, 2019

App review Doyabook গুরুত্বপূর্ন দোয়া সমূহ জেনে রাখা প্রত্যেক মুসলিম এর জন্য জরুরি। অবশ্যই পোস্টটি দেখবেন।

App review Doyabook গুরুত্বপূর্ন দোয়া সমূহ জেনে রাখা প্রত্যেক মুসলিম এর জন্য জরুরি। অবশ্যই পোস্টটি দেখবেন।

আসসালামু আলাইকুম,আশাকরি সবাই ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি।আর যারা নিয়মিত ট্রিকবিডির সাথে থাকেন তাদের ভালো থাকারই কথা কেননা,এখান থেকে আপনারা প্রতিনিয়ত অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারেন।

তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক আজকের টিউটোরিয়ালটি

কোন দোয়া পড়লে কি হয় কোন কাজের কোন দোয়া জিকির

গুরুত্বপূর্ন দোয়া সমূহ জেনে রাখা প্রত্যেক মুসলিম এর জন্য জরুরি। তবে শুধু গুরুত্বপূর্ন দোয়া সমূহ জানলেই হবে না, কোন দোয়া পড়লে কি হয় এবং কোন সূরার কি ফজিলত সেটাও জানতে হবে। তাহলেই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আল্লাহর কাছে সঠিক উপায়ে প্রাথর্না করা সম্ভব হবে। কোন কাজে কোন দোয়া পড়া উচিৎ এটা জানতে হলে আগে কোন সূরার কি ফজিলত তা জানা উচিৎ।

ইলালামে প্রতিটি কাজের আগে এবং শেষে দোয়া পড়ার বিধান আছে। কাজের আগে ও পরে দোয়া পড়া প্রার্থনার অংশ। তাই কোন দোয়া কখন পড়তে হয় এবং কোন আমল কারলে কি হয় এ সমস্ত গুরুত্বপূর্ন বিষয় জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরী।

ডাউনলোড করার আগে
আসুন এখন দেখে নেই এই দোয়ার বই সফটওয়্যারটির কিছু

Screenshots

Home Page=

1


Site Menu=

2


Menu Scene=

3


Add Your Post=

4


Bookmark=

5


আমরা আমাদের জন্য এ্যাপটিতে ভালো ভালো দোয়া হদিস শরিফের আলোকে তৈরী করেছি। তাই দেরি না করে এ্যাপটি আপনার মোবাইলে ডাউনলোড করে নিন। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
Doya Book Details

App Name

: দোয়ার বই

App Size

: 10 MB

Download Link

: Doyar Book Application Download Link

আরো বিস্তারিত জানতে এখনি আমাদের

YouTube Channel

টিতে ঘুরে আসুনMobile Tricks Live

যেকোনো সমস্যা হলে আমার সাথে

Facebook

এ যোগাযোগ করুন Facebook Me তাহলে ভালো থাকুন আর ট্রিকবিডির সাথেই থাকুন।

The post App review Doyabook গুরুত্বপূর্ন দোয়া সমূহ জেনে রাখা প্রত্যেক মুসলিম এর জন্য জরুরি। অবশ্যই পোস্টটি দেখবেন। appeared first on Trickbd.com.


১ক্লিকে আপনার ফোনে ১০০% চার্জ করুন আর বন্ধুদের সাথে মজা নিন [prank post]

১ক্লিকে আপনার ফোনে ১০০% চার্জ করুন আর বন্ধুদের সাথে মজা নিন [prank post]



প্রিয় ভাই প্রথমে আমার সালাম নেবেন । আশা করি ভালো আছেন । আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি । তাই আজ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য আরেক টা নতুন টিপস । আর কথা বাড়াবো না কাজের কথায় আসি ।

এই টিপস টি শুধু মজা করার জন্য।
প্রথমে আপনারা মোবাইলের সেটিংস এ ঢুকবেন

তারপর About phone এ ক্লিক করবেন

তারপর MiUi version এ ৭ বার ক্লিক করবেন

তারপর একটু নিচে আসলে Additional setting পাবেন এটাতে ক্লিক করবেন

তারপর Developer options এ ক্লিক করবেন

তার পর Demo mode এটা off থাকবে on করে দিবেন

বাস কাজ শেষ এখন দেখবেন আপনার মোবাইলে চার্জ ১০০%হয়ে গেছে আর মজা নিন বন্দুদের সাথে
আজ এ পষন্তই আপনারা সকলে ভাল থাকবেন।
আল্লাহ হাফেজ

The post ১ক্লিকে আপনার ফোনে ১০০% চার্জ করুন আর বন্ধুদের সাথে মজা নিন [prank post] appeared first on Trickbd.com.


[Hot Post] ছেলে হয়ে মেয়ের কন্ঠে কথা বলুন তাও আবার নাম্বার Hide রেখে

[Hot Post] ছেলে হয়ে মেয়ের কন্ঠে কথা বলুন তাও আবার নাম্বার Hide রেখে

প্রিয় ভাই প্রথমে আমার সালাম নেবেন । আশা করি ভালো আছেন । আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি । তাই আজ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য আরেক টা নতুন টিপস । আর কথা বাড়াবো না কাজের কথায় আসি ।

আজকে একটি অসাধারন Android অ্যাপ নিয়ে হাজির হয়েছি। মূলত অ্যাপটির সবথেকে ভালো ফিচার হলো এটাই যে আপনি ছেলে হলেও মেয়ে কন্ঠে কথা বলতে পারবেন আপনার বন্ধুর সাথে মজা করতে পারবেন ১০০% কর্য়কর। যদি কেউ খারাপ কাজে ব্যবহার করেন আমি অথবা ট্রিকনাও কোন ভাবেই দায়ী নয় মূলত অ্যাপটি হয়তো অনেকে ব্যাবহার করেছেন বা জানেন বাট ট্রিকনাও তে এটা নিয়ে কোনো পোষ্ট নাই। যার জন্য পোষ্টটি শেয়ার করলাম। তো আর দেড়ি না করে চলুন শুরু করা যাক,,,,,

> প্রথমে অ্যাপটি ইনস্টল করে নিন
Dawonload app
> ইন্সটল করা শেষ হলে অ্যাপ টি অপেন করলে এই রকম একটি ইন্টারফেস আসবে নিচের স্কিনশট দেখুন

>caller id তে আপনার নাম্বার দেন ভয় এর কিছু নাই যাকে কল দিবেন তার মোবাইলে আপনার নাম্বার দেখাবে না fake একটি নাম্বার দেখাবে

>to তে যাকে কল দিবেন তার নাম দিন নিচের স্কিনশট এর মতো

> তারপর সেটিং এ ক্লিক দিন

> তারপর change voice এ ক্লিক দিন

> আপনি যদি মেয়ে ভাষায় কথা বলতে চান তাহলে female ক্লিক দিন আর ছেলে ভাষায় কথা বলতে চাইলে mele ক্লিক দিন নিচের স্কিনশট এর মতো



>আপনার কাজ শেষ এখন কল দিতে green clour এর কল আইকন এ ক্লিক দিন

সকলের সুস্থ কামনা করি খুদা হাফেজ

তাহলে ভাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন Trickbd.Com এর সাথে থাকুন ।

The post [Hot Post] ছেলে হয়ে মেয়ের কন্ঠে কথা বলুন তাও আবার নাম্বার Hide রেখে appeared first on Trickbd.com.